মায়ের জন্য শুরু যে ছাদবাগান

player
মায়ের জন্য শুরু যে ছাদবাগান

অ্যালোভেরার বাগান গড়ে উঠেছে ছাদে। ছবি: নিউজবাংলা

বিভিন্ন প্লাস্টিকের বোতল ও নানা ধরনের পরিত্যক্ত পাত্রে অ্যালোভেরাগাছ লাগিয়েছেন সাগর হোসেন মাতুব্বর। তেমন কোনো খরচ ছাড়াই এই বাগান দিনে দিনে বড় হচ্ছে।

পড়াশোনা ও চাকরির পাশাপাশি শখের বশে অ্যালোভেরা চাষ করছেন সদর উপজেলার সাগর হোসেন মাতুব্বর। তার ছাদবাগানে আছে অর্ধশতাধিক গাছ। সেই সঙ্গে আছে প্রায় শতাধিক চারা গাছ।

একতলা ভবনের ছাদে সাগর গড়ে তুলেছেন অ্যালোভেরার বাগান।

তবে এ ছাদবাগানের শুরুটা শখে ছিল না; মাকে সুস্থ রাখার তাগিদ থেকেই অ্যালোভেরা লাগাতে শুরু করেন সাগর।

তিনি বলেন, ‘অ্যালোভেরাগাছ লাগানোর শুরুটা ছিল আমার মায়ের অসুস্থতার জন্য। ২০২০ সালের শেষের দিকে মা পেটব্যথাসহ নানা রোগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন আমার এক পরিচিত ডাক্তার বলেন, মাকে অ্যালোভেরার শরবত খাওয়াতে। তখন অ্যালোভেরা বাজার থেকে কিনে এনে মাকে শরবত খাওয়াতাম। কখনও কখনও বাজারে অ্যালোভেরা পাওয়া যেত না। তা ছাড়া প্রতিদিন কিনতে সমস্যায়ও পড়তে হতো।

‘সেই সময় আমার চাচা আওলাদ হোসেন মাতুব্বরের পরামর্শে ও তার নির্দেশনায় দুটি চারাগাছ দিয়ে অ্যালোভেরা লাগানো শুরু করি। মা অ্যালোভেরার শরবত খেয়ে অনেক উপকার পান। এতেই গাছ লাগাতে উৎসাহ পাই। এখন শখের বসেই এ গাছ লাগাই।’

পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতলসহ বিভিন্ন প্লাস্টিকের বোতল ও নানা ধরনের পরিত্যক্ত পাত্রে তিনি লাগিয়েছেন অ্যালোভেরা গাছ। তেমন কোনো খরচ ছাড়াই এই বাগান দিনে দিনে বড় হচ্ছে।

সদর উপজেলার পানিছত্র টিবি ক্লিনিক সড়কের হিজলতলা মসজিদসংলগ্ন এলাকার মাসুদুর রহমান খোকন ও ইরা বেগমের ছেলে সাগর। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করেন। বর্তমানে কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের ডিজিটাল সেন্টার পরিচালনার কাজ করছেন তিনি।

সাগর বলেন, ‘আমার পড়াশোনা ও চাকরি করার জন্য অনেক সময় গাছের যত্ন নিতে পারি না। সে ক্ষেত্রে আমার ছোট ভাই রায়হান সজল ও সোহান এবং বোন হুমায়রা জান্নাত শোভা অ্যালোভেরা গাছের যত্ন নেন। বড় গাছের পাশ দিয়ে নতুন চারা হয়। তখন সেই চারা তারা বিভিন্ন টবে রোপণ করেন। মাত্র দুটি গাছ নিয়ে ছাদবাগান শুরু করলেও এখন আমার বাগানে অর্ধশতাধিক বড় গাছ ও শতাধিক চারা গাছ আছে।’

সাগরের ভাই রায়হান সজল বলেন, ‘বিভিন্ন কাজের জন্য গাছের যত্ন নেয়া সম্ভব হয় না। তবে নিয়মিত যত্ন নিতে পারলে এগুলো আরও বেড়ে উঠত। তবে যে কেউ ইচ্ছা করলেই ছাদে, বারান্দায় বা বাড়ির উঠানে অ্যালোভেরার বাগান করতে পারেন। এই অ্যালোভেরা যেমন উপকারী তেমনি এটি বিক্রি করেও লাভবান হওয়া সম্ভব। তবে আমরা এখনও বিক্রি শুরু করিনি। কারও প্রয়োজন হলে তাকে বিনা মূল্যেই দিয়ে থাকি। এতে মানুষের অনেক উপকার হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে মাদারীপুর পরিবেশবাদী সংগঠন ফ্রেন্ডস অফ নেচারের প্রতিষ্ঠাতা রাজন মাহমুদ বলেন, ‘সাগরের এই ছাদ বাগান দেখে অনেকেই উৎসাহ পাবেন। অ্যালোভেরা সৌন্দর্যচর্চার পাশাপাশি একটি ঔষধি গাছ হিসেবে কাজে লাগে।

‘তা ছাড়া যে কেউ চাইলে অ্যালোভেরা চাষ করে তা বিক্রি করে আয়ও করতে পারবেন। ছোট ছোট টবে এই গাছগুলো লাগানো যায়। বাজার থেকে টব না কিনে ঘরে থাকা প্লাস্টিকের বোতল বা পরিত্যক্ত কোনো পাত্রে এই গাছ লাগানো যায়।’

আরও পড়ুন:
বাক্সে বাক্সে ঝিঙে-কুমড়া
করোনা: খুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি বৃক্ষরোপণ
উঠানগুলো এখন ছাদে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পাঁচ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

পাঁচ তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) জিল্লুর রহমান জানান, স্নিগ্ধা আবাসিক রজনীগন্ধা গেট এলাকায় আব্দুর রশিদের বন্ধন নামের একটি নির্মাণাধীন আটতলা ভবনের কাজ চলছিল। বিকেলে অসাবধানবশত পাঁচতলার ছাদে কাঠের চৌকি সরানোর সময় দুজন পড়ে যান।

বগুড়ায় নির্মাণাধীন ভবনের পাঁচতলার ছাদ থেকে পড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে একজন।

শহরের স্নিগ্ধা আবাসিক রজনীগন্ধা গেট এলাকায় মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৪৫ বছর বয়সী নিহত শহিদুল গাবতলী উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের আজিমুদ্দিনের ছেলে।

আহত আব্দুল মালেকও একই গ্রামের বাসিন্দা।

উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) জিল্লুর রহমান জানান, স্নিগ্ধা আবাসিক রজনীগন্ধা গেট এলাকায় আব্দুর রশিদের বন্ধন নামের একটি নির্মাণাধীন আটতলা ভবনের কাজ চলছিল। বিকেলে অসাবধানবশত পাঁচতলার ছাদে কাঠের চৌকি সরানোর সময় দুজন পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠায়।

সেখানে চিকিৎসক শহিদুলকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মালেক হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন।

ইন্সপেক্টর জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ভিকটিমদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
বাক্সে বাক্সে ঝিঙে-কুমড়া
করোনা: খুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি বৃক্ষরোপণ
উঠানগুলো এখন ছাদে

শেয়ার করুন

ছিলেন পুলিশ, স্ত্রীকে নিয়ে হলেন ‘চোর’

ছিলেন পুলিশ, স্ত্রীকে নিয়ে হলেন ‘চোর’

আটকের পর চাকরিচ্যুত পুলিশ মামুন উর রশিদ ও তার স্ত্রী আকলিমা বেগম। ছবি: নিউজবাংলা

রাউজানের অভি ও হালিশহর এলাকার অনিক নামে দুই যুবক ওই চোর চক্রটির সদস্য। তাদের সহযোগিতায় চোরাই মোটরসাইকেল বেচাকেনার পর বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তর করা হয়।

মামুন উর রশিদ চাকরি করতেন পুলিশে। কিন্তু অনিয়মের অভিযোগে চাকরিচ্যুত হন তিনি।

এরপরও শিক্ষা হয়নি মামুনের। বরং স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে শুরু করেন মোটরসাইকেল চুরি।

তবে শেষ রক্ষা হয়নি এই দম্পতির। মঙ্গলবার ভোরে নগরীর ইপিজেড আলী শাহ পাড়া এলাকা থেকে স্ত্রী আকলিমা বেগমসহ মামুনকে আটক করে র‌্যাব। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি চোরাই মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. নূরুল আবছার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মোটরসাইকেল চোর চক্রের দুই সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তারা স্বামী-স্ত্রী। অপরাধের কারণে স্বামীকে পুলিশ থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছিল। তাদের বিরুদ্ধে ইপিজেড থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

র‌্যাব সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী আকলিমা বেগম স্বীকার করেছেন, চাকরিচ্যুত পুলিশ সদস্য মামুনকে চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রিতে সহযোগিতা করতেন তিনি।

এ ছাড়া রাউজানের অভি ও হালিশহর এলাকার অনিক নামে দুই যুবক ওই চক্রটির সদস্য। তাদের সহযোগিতায় চোরাই মোটরসাইকেল বেচাকেনার পর বিভিন্ন জায়গায় স্থানান্তর করা হয়।

এদের মধ্যে অভি কাস্টমসের নকল কাগজপত্র বানিয়ে মোটরসাইকেলগুলো বিক্রি করতেন।

চোর চক্রের সদস্য অভি ও অনিককে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব কাজ করছে বলেও জানিয়েছে সূত্র।

আরও পড়ুন:
বাক্সে বাক্সে ঝিঙে-কুমড়া
করোনা: খুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি বৃক্ষরোপণ
উঠানগুলো এখন ছাদে

শেয়ার করুন

শিশু হত্যা মামলায় সৎমা কারাগারে

শিশু হত্যা মামলায় সৎমা কারাগারে

মামলায় বলা হয়, গত ২৯ ডিসেম্বর বেড়ানোর কথা বলে সুমিকে তার সৎমা সাদিয়া বাসায় নিয়ে যান। সোমবার রাতে রুমা জানতে পারেন, ওই বাড়িতে খাট থেকে পড়ে তার মেয়ে সুমির মৃত্যু হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে নির্যাতনের পর হত্যা মামলায় সৎমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে মঙ্গলবার বিকেলে হালিমাদুস সাদিয়া নামের ওই নারীকে তোলা হলে বিচারক ফারহানা ফেরদৌস তাকে কারাগারে পাঠান।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জে সাদিয়ার বাড়িতে মৃত্যু হয় তার আট বছরের সৎমেয়ে সুমি আক্তারের।

সুমির মা রুমা আক্তার মঙ্গলবার দুপুরে মেয়ের হত্যার অভিযোগে সাদিয়াকে আসামি করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। এরপর সাদিয়াকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হয়।

মামলায় বলা হয়, গত ২৯ ডিসেম্বর বেড়ানোর কথা বলে সুমিকে তার সৎমা সাদিয়া বাসায় নিয়ে যান। সোমবার রাতে রুমা জানতে পারেন, ওই বাড়িতে খাট থেকে পড়ে তার মেয়ে সুমির মৃত্যু হয়েছে। তিনি গিয়ে থানায় সাদিয়ার নামে অভিযোগ দেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, সোমবার রাতেই সাদিয়াকে আটক করা হয়। শিশুটির শরীরে আঘাতের অসংখ্য চিহ্ন আছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাক্সে বাক্সে ঝিঙে-কুমড়া
করোনা: খুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি বৃক্ষরোপণ
উঠানগুলো এখন ছাদে

শেয়ার করুন

‘সিআরবি অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র মানবে না চট্টগ্রামবাসী’

‘সিআরবি অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র মানবে না চট্টগ্রামবাসী’

সিআরবি এলাকায় প্রবেশের তিন পথে গেট নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে রেলওয়ে। ছবি: নিউজবাংলা

সিআরবি রক্ষায় আন্দোলনকারী সংগঠন নাগরিক সমাজের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামবাসীর মতামত উপেক্ষা করে রেলওয়ের এই ধরনের কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমন জনপ্রিয় উন্মুক্ত স্থানে জনসাধারণের প্রবেশাধিকার সংকুচিত করে অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

তিন পথে গেট নির্মাণ করে সিআরবি অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রামের নাগরিক সমাজ।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সিআরবি রক্ষায় আন্দোলনকারী সংগঠনটি এ প্রতিবাদ জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সিআরবিতে শতবর্ষী গাছ ও প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণের চেষ্টা চলছে। এর মধ্যে এখন তিনটি প্রবেশপথে গেট নির্মাণ করে সিআরবি এলাকায় যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করেছে রেলওয়ে।

সিআরবি রক্ষায় আন্দোলনকারী সংগঠন নাগরিক সমাজের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সিআরবিতে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণচেষ্টার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন চট্টগ্রামের সংস্কৃতিকর্মী, পরিবেশবিদ, রাজনীতিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

চট্টগ্রামবাসীর মতামত উপেক্ষা করে রেলওয়ের এই ধরনের কর্মকাণ্ডে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এমন জনপ্রিয় উন্মুক্ত স্থানে জনসাধারণের প্রবেশাধিকার সংকুচিত করে অবরুদ্ধ করার ষড়যন্ত্র চট্টগ্রামবাসী কোনোভাবেই মেনে নেবে না।

জনস্বার্থবিরোধী যেকোনো অপতৎপরতা চট্টগ্রামবাসী শান্তিপূর্ণভাবে রুখে দেবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাক্সে বাক্সে ঝিঙে-কুমড়া
করোনা: খুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি বৃক্ষরোপণ
উঠানগুলো এখন ছাদে

শেয়ার করুন

শাবি শিক্ষক নেতাদের আলোচনার প্রস্তাব শিক্ষার্থীদের প্রত্যাখ্যান

শাবি শিক্ষক নেতাদের আলোচনার প্রস্তাব শিক্ষার্থীদের প্রত্যাখ্যান

উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছে শাবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। গুলি করা হয়েছ। এখন আমাদের সঙ্গে কীসের আলোচনা। এখন উপাচার্য পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন- এটিই আমরা চাই।’

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন শিক্ষক সমিতির নেতারা। তবে এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের আন্দোলনে যারা সংহতি প্রকাশ করবেন কেবল তাদের সঙ্গেই আলোচনা করা হবে।

শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের করা মামলা প্রত্যাহারে রাত ১০টা পর্যন্ত সময়ও বেঁধে দিয়েছেন তারা।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক তুলসী কুমার দাস ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মুহিবুল আলমের নেতৃত্বে শিক্ষক সমিতির কয়েকজন নেতা মঙ্গলবার বিকেলে আলোচনা করতে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে যান।

আলোচনার প্রস্তাব শিক্ষার্থীরা ফিরিয়ে দিলে চলে যান শিক্ষক নেতারা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘আমাদের ওপর হামলা হয়েছে। গুলি করা হয়েছ। এখন আমাদের সঙ্গে কীসের আলোচনা। এখন উপাচার্য পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন- এটিই আমরা চাই।’

তিনি বলেন, ‘কেউ আলোচনা করতে চাইলে আগে আমাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করতে হবে।’

শিক্ষার্থীদের প্রস্তাব দেয়ার আগে এদিন দুপুরে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে তার বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি তুলসী কুমার দাস।

উপাচার্য কার্যালয় থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে সবকিছুর সমাধান সম্ভব। আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। এভাবেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।’

শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের করা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য রাত ১০টার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বিকেলে উপাচার্য ভবনের সামনে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের এই ঘোষণা মাইক থেকে জানানো হয়।

সোমবার রাতে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে সিলেটের জালালাবাদ থানায় এই মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় দুই-তিন শ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

তিন দফা দাবিতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রোববার সন্ধ্যায় পুলিশের সংঘর্ষ হয়। অবরুদ্ধ উপাচার্যকে মুক্ত করতে গিয়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করলে এই সংঘাত বাধে। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে পুলিশ তাদের ওপর হামলা ও গুলি করে।

তবে এবার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ এনে মামলা করল পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, রোববার আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ ‘উচ্ছৃঙ্খল’ শিক্ষার্থী পুলিশের কাজে বাধা দেয়।

সরকারি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ ছাড়া পুলিশকে লক্ষ্য করে শিক্ষার্থীরা গুলি ছোড়ে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।

তবে এই মামলায় কাউকে হয়রানি করা হবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল। মঙ্গলবার দুপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করতে এসে তিনি বলেন, ‘আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেবে না। এ ছাড়া একটি মামলা হলেও কাউকে হয়রানি করা হবে না।’

আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করতে এসে আলোচনার মাধ্যমে যাতে সমাধানে পৌঁছা যায় সেই পথ খোলা রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান নাদেলও।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার আজবাহার আলী শেখও জানিয়েছেন, ‘কোনো ঘটনা ঘটলে মামলা করাটা আমাদের রুটিন কাজ। এ জন্য কোনো শিক্ষার্থীকে হয়রানি করা হবে না।’

আরও পড়ুন:
বাক্সে বাক্সে ঝিঙে-কুমড়া
করোনা: খুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি বৃক্ষরোপণ
উঠানগুলো এখন ছাদে

শেয়ার করুন

আট শিক্ষকের করোনায় স্কুল বন্ধ

আট শিক্ষকের করোনায় স্কুল বন্ধ

পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ছবি: নিউজবাংলা

স্কুলের প্রধান শিক্ষক শম্পা রানী জানান, প্রথমে করোনায় আক্রান্ত হন তিনি নিজেই। পরে নমুনা পরীক্ষা করালে বাসায় তার স্বামীরও করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর তিনি স্কুলের অন্য শিক্ষকদেরও নমুনা পরীক্ষা করতে বলেন। বাকিদের পরীক্ষা করা হলে আরও সাত শিক্ষকের করোনা ধরা পড়ে।

কুমিল্লার লাকসামে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ আট শিক্ষকের করোনা শনাক্তের পর স্কুলটি বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

করোনায় সংক্রমিতদের সবাই উপজেলার পশ্চিমগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

শিক্ষকদের করোনায় শনাক্তের খবরে স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আতঙ্কে রয়েছেন।

এ ঘটনায় লাকসাম উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন পরিস্থিতি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য স্কুলটি বন্ধ ঘোষণা করেছেন।

নিউজবাংলাকে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শম্পা রানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

করোনায় আক্রান্ত অন্যরা হলেন সহকারী শিক্ষক মো. শাহ আলম, মো. একরামুল হক খন্দকার, শিক্ষক মন্টু চন্দ্র ঘোষ, উম্মে কুলসুম, বিলকিছ নাসরিন, কামরুন্নাহার ও রুবিনা ইসলাম।

প্রধান শিক্ষক শম্পা রানী জানান, প্রথমে করোনায় আক্রান্ত হন তিনি নিজেই। পরে নমুনা পরীক্ষা করালে বাসায় তার স্বামীরও করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর তিনি স্কুলের অন্য শিক্ষকদেরও নমুনা পরীক্ষা করতে বলেন। বাকিদের পরীক্ষা করা হলে আরও সাত শিক্ষকের করোনা ধরা পড়ে।

নিউজবাংলাকে লাকসাম উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্কুল বন্ধ করে দিয়েছি। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে।

‘আমরা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের খোঁজখবর রাখছি। কারও মধ্যে কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে তাদের করোনা পরীক্ষা করা হবে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ সময় স্কুুলের অন্যান্য কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাজিয়া বিনতে আলম বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের মাধ্যমে তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।’

আরও পড়ুন:
বাক্সে বাক্সে ঝিঙে-কুমড়া
করোনা: খুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি বৃক্ষরোপণ
উঠানগুলো এখন ছাদে

শেয়ার করুন

‘আমরা কি টিকা পাব না?’

‘আমরা কি টিকা পাব না?’

চট্টগ্রামের সিআরবি এলাকার জগলু, সোহেল, শরীফদের কোনো জন্মসনদ নাই। ছবি: নিউজবাংলা

শুধু জগলু, সোহেল বা শরীফের মা নন, টিকা পাওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন শাহেদ, জসিম, নয়ন, কাকলির মতো সুবিধাবঞ্চিত অনেক পথশিশু ও কিশোরের।

সরকারি নির্দেশনায় ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হচ্ছে চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়াম ও রীমা কমিউনিটি সেন্টারে। এর মধ্যেই ঘটল এক বিপত্তি!

গত ১৫ জানুয়ারি টিকার জন্য নির্ধারিত লাইনে স্কুলশিক্ষার্থীদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে যায় সুবিধাবঞ্চিত কিছু পথশিশু ও কিশোর। কিন্তু জন্মনিবন্ধন না থাকায় শেষ পর্যন্ত টিকা পায়নি তারা। ফিরে যায় নিরাশ হয়ে।

সোমবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর সিআরবি এলাকায় এমন কয়েকজন পথশিশুর দেখা মেলে। এর মধ্যে জগলু নামে ১৩ বছরের এক পথশিশু বলে, ‘জন্মনিবন্ধন ছাড়া করোনার টিকা নাকি দেয়া যাবে না। আমার জন্মনিবন্ধন নাই। মা-বাবাও নাই। তাহলে আমি কি টিকা পাব না?’

এ সময় বায়েজীদ এলাকা থেকে সিআরবি এলাকায় বোতল কুড়াতে আসা ১৫ বছরের কিশোর সোহেল বলে, ‘১২ থেকে ১৮ বছরের ছেলেমেয়েদের টিকা দিচ্ছে শুনে গত শনিবার (১৫ জানুযারি) আমি লাইনে দাঁড়াই। দীর্ঘক্ষণ পর তারা আমার কাছে জন্মনিবন্ধন আছে কি-না জানতে চায়। নাই বলায় আমাকে লাইন থেকে বের করে দেয়। এটা ছাড়া কি টিকা পাব না?’

সোহেল আরও বলে, ‘ঘূর্ণিঝড়ের (সিডর) সময় আমি ছোট ছিলাম। বাবা তখন মারা গেছেন। মা আমাদের তিন ভাইবোনকে নিয়ে বরগুনা থেকে চট্টগ্রাম চলে আসেন। এখন গার্মেন্টসে চাকরি করে। আমি বোতল কুড়াই। জন্মনিবন্ধন কীভাবে করব?’

নগরীর খুলশী থানার কাজীর দেউরি এলাকায় পথশিশু শরীফের মা হাফছা বেগম জানান, তার ১৩ বছর বয়সী ছেলের কোনো জন্মনিবন্ধন নাই; স্কুলেও যায় না, বোতল কুড়ায়। এ অবস্থায় ছেলের টিকা পাওয়া নিয়ে তিনি এখন দুশ্চিন্তার মধ্যে আছেন।

হাফছা বলেন, ‘আমার কোনো ঘর-দুয়ার নাই। দুই বেলা ঠিকমতো খাওন জোটে না। শুনছি, জন্মনিবন্ধন করতে অনেক খরচ লাগে। এত খরচ আমি কোথায় পাব? করোনাভাইরাসে মানুষ মারাও যায়। কিন্তু টিকা কীভাবে দেব। আল্লাহ ছাড়া কোনো উপায় নাই।’

শুধু জগলু, সোহেল বা শরীফের মা নন, টিকা পাওয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন শাহেদ, জসিম, নয়ন, কাকলির মতো সুবিধাবঞ্চিত অনেক পথশিশু ও কিশোরের। পেটের তাগিদে সারা দিন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে হয় বলে তাদেরও করোনাভাইরাসের ভয় আছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা, বন্দর এলাকা, আগ্রাবাদ, টাইগারপাস, নিউ মার্কেট, চকবাজার, শাহ আমানত সেতু, দুই নম্বর গেট, মুরাদপুর, বহদ্দারহাট, মতিঝর্না, সিআরবি, কাজীর দেউড়ি, ঝাউতলা, সিইপিজেড, কেইপিজেডসহ সব বাসস্টেশন, রেলস্টেশন, অফিস চত্বর, পার্ক ও ফুটপাতে এমন হাজারও সুবিধাবঞ্চিত পথশিশু-কিশোর রয়েছে। তারাও করোনাভাইরাসের বাহক হতে পারে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউশন অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) ও ইউনিসেফের ২০০৫ সালে পরিচালিত জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট ৯ লাখ ৭৯ হাজার ৭২৮ পথশিশু রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে রয়েছে ৫৫ হাজার ৮৫৬ পথশিশু।

আইন অনুযায়ী, শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক। কিন্তু দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের একটি বড় অংশ এখনও জন্মনিবন্ধনের বাইরে। নানা জটিলতার কারণে জন্মসনদ নিয়ে তারা চরম ভোগান্তির মধ্যে আছে।

বেসরকারি এনজিও সোসাইটি ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট অব রুরাল পিপলের (সার্প) নির্বাহী পরিচালক আবুল হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রমে নিয়োজিত ১২ হাজার ৫০০ শিশুকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য সরকারিভাবে ২০টি এনজিও নিযুক্ত রয়েছে।

এ ছাড়া ব্যক্তিগত ও সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে পথশিশুদের প্রাথমিক অক্ষরজ্ঞান দেয়া হলেও জন্মনিবন্ধন না থাকায় এসব শিশু বেশি দূর এগোতে পারে না। তাদের পিতা-মাতার পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় জন্মনিবন্ধন করাতে গেলে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী বলেন, ‘জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১২ থেকে ১৮ বছরের শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্মনিবন্ধন সনদ না থাকাসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে টিকার জন্য অনলাইনে যাদের রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ নেই, এ ধরনের জনগোষ্ঠীকেও টিকার আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে।

আরও পড়ুন:
বাক্সে বাক্সে ঝিঙে-কুমড়া
করোনা: খুলনায় প্রায় ১০ গুণ বেশি বৃক্ষরোপণ
উঠানগুলো এখন ছাদে

শেয়ার করুন