× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
Vaccines are coming to prevent old age
hear-news
player
print-icon

বার্ধক্য রুখে দিতে আসছে টিকা

বার্ধক্য-রুখে-দিতে-আসছে-টিকা বার্ধক্য রুখে দেয়ার টিকার সফল প্রয়োগ করা হয়েছে ইঁদুরের ওপর।
ইঁদুরের দেহে একটি পরীক্ষামূলক টিকা প্রয়োগের ফলে তার দেহে বার্ধক্যের জন্য দায়ী কোষগুলোকে নির্মূল করা গেছে। মিনোসোটা ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অন দ্য বায়োলজি অফ এজিংয়ের বায়োক্যামেস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজির অধ্যাপক পল রবিন্স বলেন, ‘আমরা যেসব তথ্য-উপাত্ত পেয়েছি তা আমাদের কার্যাবলীকে প্রমাণ করতে যথেষ্ট। তিনি আশাবাদী যে, একই পদ্ধতি মানুষের ওপরও কাজ করবে।’

বয়স বাড়বে, তবে আপাতচিন্তায় বুড়ো হবেন কেবল ক্যালেন্ডারের পাতায়। শরীরে থাকবে না বার্ধক্যের নমুনা। হয়তো বার্ধক্য বলতে মানসপটে যত বয়স ভেসে আসে, সেই ধারণাটাই পাল্টে যাবে।

৬০ বছর বয়সে তারুণ্যের শরীর পাওয়া যাবে- এমন চেষ্টায় একটি টিকা আনার কাজ চলছে। কাজটা অনেক দূর এগিয়েও গেছে, যে কারণে স্বপ্নটা বেশ বড়ই হচ্ছে।

বিজ্ঞানবিষয়ক পিআর রিভিউ জার্নাল লাইফ সায়েন্সের প্রতিবেদনে এবার এমনটাই আশার বাণী শোনাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ইঁদুরের দেহে একটি পরীক্ষামূলক টিকা প্রয়োগের ফলে তার দেহে বার্ধক্যের জন্য দায়ী কোষগুলোকে নির্মূল করা গেছে।

বয়সজনিত রোগের বিপরীতেও টিকা কাজ করেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই গবেষণা মানুষের জন্য একই রকম টিকা প্রয়োগের পথে একটি পদক্ষেপ।

মিনোসোটা ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অন দ্য বায়োলজি অফ এজিংয়ের বায়োক্যামেস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজির অধ্যাপক পল রবিন্স বলেন, ‘আমরা যেসব তথ্য-উপাত্ত পেয়েছি তা আমাদের কার্যাবলীকে প্রমাণ করতে যথেষ্ট। তিনি আশাবাদী যে, একই পদ্ধতি মানুষের ওপরও কাজ করবে।’

এই টিকার প্রয়োগ মানুষের জন্য নিরাপদ হবে কি না-এটি এখনও বড় প্রশ্ন হয়ে রয়েছে এই গবেষকের কাছেই। তিনি বলেন, ‘এর জন্য বিজ্ঞানীদের অন্যান্য প্রাণীর ওপরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে হবে, যাতে মানুষের ওপর নিরাপদে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা যায়।’

মানুষ ও অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বার্ধক্যের প্রধান কারণ সেনসেন্ট কোষ। এই কোষগুলোই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধ হয়ে যায়। তাদের কোষ বিভাজিত হওয়াও বন্ধ করে দেয়। অথচ এসব সেনসেন্ট কোষের মৃত্যু হয় না। ফলে দেখা যায়, এ ধরনের কোষ দেহে জমতেই থাকে। এক সময় এসব কোষের বিরুদ্ধে মানুষের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তখন মানুষের বার্ধক্যে পতিত হয় এবং বার্ধক্যজনিত রোগগুলো দেখা দেয়।

তবে এই ধরনের কোষের বিরুদ্ধে কাজ করার মতো ওষুধ রয়েছে, যা সেনসেন্ট কোষগুলোকে অপসারণ করতে সক্ষম হয়েছে। কয়েকজন ব্যক্তির ওপর ইতিমধ্যে ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।

টিকার সুবিধা হলো একজন মানুষকে তা প্রয়োগের মাধ্যমে তার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রশিক্ষিত করা যায়, যাতে সেনসেন্ট কোষ পাওয়া মাত্রই ধ্বংস করা সম্ভব হয়। কিন্তু ওষুধের ক্ষেত্রে সেনসেন্ট কোষ অপসারণের জন্য প্রতিনিয়ত সেবন করতে হয়।

তবে এ ধরনের কোষের বিরুদ্ধে কাজ করার কিছু প্রতিবন্ধকতাও রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন অংশের সেনসেন্ট কোষ বিভিন্ন রকম। তাদের বৈশিষ্ট্যগুলোও একেবারে আলাদা।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ এজিং (এনআইএ)-এর তথ্যানুসারে, নতুন এই টিকাটি প্রাণীদের এসব সেনসেন্ট কোষগুলোর বিরুদ্ধে কাজ করে। মধ্যবয়স্ক ইঁদুরের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তার বার্ধক্যজনিত সমস্যার ৯৫ শতাংশ কমিয়ে আনতে পেরেছে নতুন টিকা। মানবকোষেও এই পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল পাওয়া গিয়েছে।

আরও পড়ুন:
অ্যাজমা কমায় ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি!
গড়ে ৮৯টি শব্দ বুঝতে পারে কুকুর
রাতে অ্যাজমা বাড়ার কী কারণ
সিজোফ্রেনিয়া কী প্রভাব ফেলে যৌনজীবনে
আপনার বিড়ালটিও কি সাইকোপ্যাথ?

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Pfizer will sell drugs to the poorer states without profit

গরিব রাষ্ট্রের কাছে বিনালাভে ওষুধ বিক্রি করবে ফাইজার

গরিব রাষ্ট্রের কাছে বিনালাভে ওষুধ বিক্রি করবে ফাইজার ছবি: সংগৃহীত
ফাইজার বায়োফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অ্যাঞ্জেলা হাওয়াং বলেন, ‘নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে আমাদের কাছ থেকে ওষুধ ও করোনা প্রতিরোধী টিকা পেতে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়। এ জন্য আমরা প্রাথমিকভাবে পাঁচটি দেশকে বাছাই করেছি। এরপর একটি সমাধানে আসার পর অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও অনুরূপ উদ্যোগ নেয়া হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজার নিম্ন আয়ের ৪৫টি দেশে নতুন ওষুধ ‌ও টিকা উৎপাদন খরচের মূল্যে বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে।

বুধবার বিকেলে ফাইজারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফাইজারের ২৩টি পেটেন্ট করা ওষুধ ও টিকা রয়েছে। এগুলো সংক্রামক ও বিরল প্রদাহজনক রোগ এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের চিকিংসায় ব্যবহার হয়।

ফাইজার জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের টিকা এবং অ্যান্টি-ভাইরাল চিকিৎসা এ পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এই উদ্যোগে ১০০ কোটির বেশি মানুষ উপকৃত হবে।

ফাইজার বায়োফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অ্যাঞ্জেলা হাওয়াং বলেন, ‘নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে আমাদের কাছ থেকে ওষুধ ও করোনা প্রতিরোধী টিকা পেতে অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়। এ জন্য আমরা প্রাথমিকভাবে পাঁচটি দেশকে বাছাই করেছি। এরপর একটি সমাধানে আসার পর অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রেও অনুরূপ উদ্যোগ নেয়া হবে।’

এ বিষয়ে বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের সহ-সভাপতি বিল গেটস বলেছেন, ‘আমি আশা করি ওষুধ প্রস্তুতকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও ফাইজারের নেয়া পদক্ষেপ অনুসরণ করবে। আমরা ফাইজারের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আনন্দিত এবং আমরা এ ধরনের উদ্যোগ সম্পর্কে ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প-সংশ্লিষ্ট অন্যদের সঙ্গে কথা বলছি।’

ওষুধ প্রস্তুতকারী অন্যান্য কোম্পানি যেমন ব্রিটিশ ফার্ম অ্যাস্ট্রাজেনেকা, যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন জনসন অ্যান্ড জনসন করোনা মহামারি চলাকালে তাদের করোন প্রতিরোধী টিকা উৎপাদন খরচের মূল্যে বিক্রি করেছে। সে সময় করোনা টিকা বিক্রি থেকে অতিরিক্ত লাভ করা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে ফাইজার।

আরও পড়ুন:
ফাইজারের আরও ২৫ লাখ টিকা মঙ্গলবারের মধ্যে
এবার ফাইজারের টিকা যাবে জেলা-উপজেলায়
ফাইজারের টিকা ঢাকার চার হাসপাতালে
যুক্তরাজ্যে কিশোরদের জন্য ফাইজারের টিকা অনুমোদন
ফাইজারের টিকাও পাবেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
30 new patients in eight districts

করোনা: আট জেলায় ৩০ নতুন রোগী

করোনা: আট জেলায় ৩০ নতুন রোগী নতুন করে করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩০ জন। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিভাগ ছাড়া নেত্রকোনোয় তিন জন, কক্সবাজারে দুই জন; ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও খুলনাতে এক জন করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় আট জেলায় নতুন করে করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩০ জন। শনাক্তদের মধ্যে ২২ জনই ঢাকা বিভাগের।

বুধবার বিকেলে বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ঢাকা বিভাগ ছাড়া নেত্রকোনোয় তিন জন, কক্সবাজারে দুই জন; ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও খুলনাতে এক জন করে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

এ সময়ের মধ্যে কারও মৃত্যু সংবাদ দেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন করে মৃত্যু সংবাদ না দেয়ায় মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ১৩০ জনে রয়ে গেল। সব মিলিয়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ৩২৮ জনে।

বুধবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ হাজার ৬১৬টি নমুনা পরীক্ষায় ৩০ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে।

পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের নতুন হার শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ। গতকাল এই হার ছিল শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ।

সরকারি হিসাবে গত এক দিনে সুস্থ হয়েছেন আরও ২১৫ জন। এ পর্যন্ত ১৯ লাখ ১ হাজার ৬০০ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

একই বছরের মার্চে ডেল্টা ধরনে ভর করে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসে। এ পর্যায়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয় গত জুলাইয়ে। সংক্রমণ এতটাই বেড়ে যায় যে শনাক্তের হার ৩৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

দেশে করোনার ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয় গত বছরের ১১ ডিসেম্বর। এরপর দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। ২০ জানুয়ারি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্রবেশ করে দেশ। ২৮ জানুয়ারি করোনা শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ দাঁড়ায়, যা দেশে করোনা সংক্রমণ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। তবে তৃতীয় ঢেউয়ে মৃত্যু ছিল তুলনামূলক কম। এই ঢেউ নিয়ন্ত্রণেও আসে তুলনামূলক দ্রুত।

আরও পড়ুন:
টানা চার সপ্তাহ করোনায় মৃত্যু নেই
চার বিভাগে শনাক্ত ৩২ রোগী, ঢাকাতেই ২৯
এক সপ্তাহে করোনা শনাক্ত বাড়ল ১৫৬%
টানা ২৫ দিন করোনায় মৃত্যু নেই, শনাক্ত ৩৩
করোনায় মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত কমে ১৮
বাংলাদেশ
Identified outside Dhaka Division only in Coxs Bazar

ঢাকা বিভাগের বাইরে শনাক্ত শুধু কক্সবাজারে

ঢাকা বিভাগের বাইরে শনাক্ত শুধু কক্সবাজারে ঢাকা বিভাগ ছাড়া শুধু কক্সবাজারে চার নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন করে মৃত্যু সংবাদ না দেয়ায় মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ১৩০ জনে রয়ে গেল। সব মিলিয়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৮ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় চার জেলায় নতুন করে করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩৪ জন। শনাক্তদের মধ্যে ৩০ জনই ঢাকা বিভাগের।

মঙ্গলবার বিকেলে বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ঢাকা বিভাগ ছাড়া শুধু কক্সবাজারে চার নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

এ সময়ের মধ্যে কারও মৃত্যু সংবাদ দেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন করে মৃত্যু সংবাদ না দেয়ায় মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ১৩০ জনে রয়ে গেল। সব মিলিয়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ২৯৮ জনে।

মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ হাজার ৩২৫টি নমুনা পরীক্ষায় ৩৪ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের নতুন হার শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ। গতকাল এই হার ছিল শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ।

সরকারি হিসাবে গত এক দিনে সুস্থ হয়েছেন আরও ২২৮ জন। এ পর্যন্ত ১৯ লাখ ১ হাজার ৩৮৫ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে।

একই বছরের মার্চে ডেল্টা ধরনে ভর করে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসে। এ পর্যায়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয় গত জুলাইয়ে। সংক্রমণ এতটাই বেড়ে যায় যে শনাক্তের হার ৩৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

দেশে করোনার ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয় গত বছরের ১১ ডিসেম্বর। এরপর দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। ২০ জানুয়ারি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্রবেশ করে দেশ। ২৮ জানুয়ারি করোনা শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ দাঁড়ায়, যা দেশে করোনা সংক্রমণ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। তবে তৃতীয় ঢেউয়ে মৃত্যু ছিল তুলনামূলক কম। এই ঢেউ নিয়ন্ত্রণেও আসে তুলনামূলক দ্রুত।

আরও পড়ুন:
চার বিভাগে শনাক্ত ৩২ রোগী, ঢাকাতেই ২৯
এক সপ্তাহে করোনা শনাক্ত বাড়ল ১৫৬%
টানা ২৫ দিন করোনায় মৃত্যু নেই, শনাক্ত ৩৩
করোনায় মৃত্যুহীন দিন, শনাক্ত কমে ১৮
শনাক্ত বেড়ে ৩৩, মৃত্যুহীন দিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MonkeyPix Isolation ready at BSMMU

মাঙ্কিপক্স: বিএসএমএমইউতে প্রস্তুত আইসোলেশন

মাঙ্কিপক্স: বিএসএমএমইউতে প্রস্তুত আইসোলেশন
বিএসএমএমইউ ইন্ট্রান মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান সোহেল এম আরাফাত বলেন, ‘মাঙ্কিপক্স নিয়ে গুজব বা আতঙ্ক নয়, বরং আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সর্তক রয়েছি। ভাইরাসের যদিও কোনো ওষুধ নেই, তবে দুইটা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রয়েছে এটা ব্যবহার করা যায়।’

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোনো মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগী শনাক্ত না হলেও ভাইরাসটি নিয়ে সর্তক রয়েছে সরকার। এরইমধ্যে আইসোলেশন প্রস্তুত করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন শেষে বিএসএমএমইউ ইন্ট্রান মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান সোহেল এম আরাফাত নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বিএসএমএমইউ হাসপাতলে আইসোলেশন প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি শনাক্ত হয় বা আমরা শনাক্ত করতে পারি তাহলে তাকে ২১ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে। তার সংস্পর্শে যারা আসছে তাদেরও আইসোলেশনে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। চারদিন জ্বর থাকলে ভাইরাসটি প্রতিরোধে টিকা প্রদান করতে হবে। সঠিক সময়ে মধ্যে টিকা দিলে এ রোগ ভালো হয়ে যাবে, কোন ধরনের জটিলতা তৈরি হবে না।’

তিনি বলেন, ‘মাঙ্কিপক্স নিয়ে গুজব বা আতঙ্ক নয়, বরং আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সর্তক রয়েছি। ভাইরাসের যদিও কোনো ওষুধ নেই, তবে দুইটা অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ রয়েছে এটা ব্যবহার করা যায়।’

করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে বিএসএমএমইউ হাসপাতাল যেভাবে রোগের চিকিৎসায় সহযোগিতা করে এসেছে, সেভাবেই মাঙ্কিপক্স রোগীদের শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে কাজ করবে বলে জানায়।

সরকারিভাবে হবে কিনা জানতে চাইলে বিষয়টি পরিষ্কার করে কিছু জানাননি এই চিকিৎসক। তিনি বলছেন এ বিষয় নিয়ে সিন্ডিকেট সভায় আলোচনা হবে এবং প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্দেশনা দেবেন সেভাবেই বাস্তবায়ন করা হবে।

আফ্রিকা অঞ্চলের এই ভাইরাস গত কিছু দিনে আফ্রিকার বাইরে বিশ্বের ১২ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। শনাক্ত হয়েছে ৯২ জনের বেশি।

এদিকে এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গত শনিবার দেশের প্রত্যেক বন্দরে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

যদিও বলা হচ্ছে, এই ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম।

মাঙ্কিপক্স ভাইরাস সাধারণত মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের মতে, এই ভাইরাসে শনাক্ত বেশিরভাগ রোগীই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে যান।

আরও পড়ুন:
মাঙ্কিপক্স নয়, কুষ্টিয়ার মা-ছেলের চর্মরোগ
কোভিড, মাঙ্কিপক্স, যুদ্ধ: বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিশ্ব
কুষ্টিয়ায় এক পরিবারে মাঙ্কিপক্স আতঙ্ক, চিকিৎসকের ধারণা চর্মরোগ
মাঙ্কিপক্স: দেশের সব বন্দরে সতর্কতা
১১ দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ৮০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The post about the monkeypox patient is not the doctors BSMMU

মাঙ্কিপক্স রোগী নিয়ে পোস্টটি চিকিৎসকের নয়: বিএসএমএমইউ

মাঙ্কিপক্স রোগী নিয়ে পোস্টটি চিকিৎসকের নয়: বিএসএমএমইউ সংবাদ সম্মেলনে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘সাইবার ক্রাউম ইনভেস্টিগেশের দ্রুত পদক্ষেপে আমরা নোয়াখালীর সেনবাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আসিফ ওয়াহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তবে ডা. আসিফ জানান, এমন কোনো ঘটনা তিনি জানেন না। তিনি এমন পোস্টও করেননি।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মাঙ্কিপক্সের রোগী শনাক্তের গুজব যে ফেসবুক আইডি থেকে ছড়িয়েছিল তা ওই চিকিৎসকের ব্যবহৃত আইডি নয় বলে দাবি করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

সোমবার বিকেলে বিএসএমএমইউতে মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

ওইদিনই বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ জানায়, ডা. আসিফ ও ডা. সরওয়ার জাহান নামে দুই চিকিৎসক নিজেদের আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন যে বিএসএমএমইউতে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ দাবি করে, দুই চিকিৎসক সঠিক তথ্য দেননি। হাসপাতালে এ ধরনের কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। এটা গুজব।

দুই চিকিৎসককে চিহ্নিতকরণে তারা কাজ শুরু করেছেন বলেও জানান।

জানা যায়, নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আসিফ ওয়াহিদের বরাত দিয়ে ফেসবুকে এমন গুজব ছড়ানো হয়। এরপর বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিষয়টি ছড়িয়ে যায়।

ডা. আসিফ ওয়াহিদ বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের ইউরোলজি বিভাগের চলতি বছরের মার্চে ভর্তিকৃত রেসিডেন্ট।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা খোঁজ নেয়া শুরু করি আসলে কী ঘটেছে। গুজব রোধ এবং গুজব রটনাকারীকে খুঁজে পেতে গণমাধ্যমের কর্মীদের পাশাপাশি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনের কাছে মৌখিকভাবে সহযোগিতা চাওয়া হয়।

‘সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনের দ্রুত পদক্ষেপে আমরা নোয়াখালীর সেনবাগ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আসিফ ওয়াহিদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তবে ডা. আসিফ জানান, এমন কোনো ঘটনা তিনি জানেন না। তিনি এমন পোস্টও করেননি।

বিএসএমএমইউ উপাচার্য বলেন, ‘আমাদের ডেটাবেসেও মাঙ্কিপক্স রোগী ভর্তির কোনো তথ্য নেই।’

ডা. আসিফ ওয়াহিদের ব্যাপারে শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ডা. আসিফ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের নতুন ভর্তিকৃত রেসিডেন্ট হলেও কোনো ক্লাস করেননি। যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা তাকে ট্রেস করতে পারিনি। তিনি ৩৯ তম বিসিএসের স্বাস্থ্য ক্যাডার।’

আর সরওয়ার জাহান নামে আরেক চিকিৎসকের বিষয়ে এখনও জানা যায়নি বলে জানান বিএসএমএমইউ উপাচার্য। জানান, তাকে চিহ্নিতকরণে কাজ চলছে।

মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্তের বিষয়টি গুজব জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, সোমবার বিকেলের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালে মাঙ্কিপক্সের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে যে পোস্ট ভাইরাল হয় তা ছিল নিছক গুজব। বিষয়টি প্রথমে আমাদের নজরে আনেন গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল কিছু সাংবাদিক ভাইয়েরা। তাদের এ তথ্যে আমাদের প্রশাসন আরও তৎপর হয়ে পড়ে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে এখনও মাঙ্কিপক্সের কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। করোনা মহামারিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ব্ল্যাক ফাঙ্গাসকে যেমনভাবে বাংলাদেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে দেইনি, সেরকমভাবে আমরা মাঙ্কিপক্স ভাইরাস মোকাবিলার জন্যও প্রস্তুত আছি।

‘যে কোনো ধরনের গুজব বা আতঙ্ক এড়িয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মতো এই রোগ থেকেও আমরা জাতিকে নিরাপদ রাখতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘অন্যান্য রোগেরও মতো করোনাভাইরাস প্রতিকার ও প্রতিরোধ যুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সামনে থেকে কাজ করেছে। মাঙ্কিপক্স নিয়েও আমরা সতর্ক রয়েছি।’

গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘এ গুজব প্রতিরোধে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। মূলত গণমাধ্যম কর্মীদের সোচ্চার ভূমিকার কারণে আজ দেশ একটি বড় গুজব প্রতিরোধ করতে পেরেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে কৃতজ্ঞ।’

আরও পড়ুন:
মাঙ্কিপক্স নয়, কুষ্টিয়ার মা-ছেলের চর্মরোগ
কোভিড, মাঙ্কিপক্স, যুদ্ধ: বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিশ্ব
কুষ্টিয়ায় এক পরিবারে মাঙ্কিপক্স আতঙ্ক, চিকিৎসকের ধারণা চর্মরোগ
মাঙ্কিপক্স: দেশের সব বন্দরে সতর্কতা
১১ দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ৮০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
News of the identification of monkeypox in the country is a rumor BSMMU

মাঙ্কিপক্স শনাক্তের খবর গুজব: বিএসএমএমইউ

মাঙ্কিপক্স শনাক্তের খবর গুজব: বিএসএমএমইউ ছবি: সংগৃহীত
বিএসএমএমইউর গণমাধ‌্যম উপ‌দেষ্টা ডা. এস এম ইয়ার-ই-মাহাবুব নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডা. আসিফ ও ডা. সরওয়ার জাহান না‌মে দুই চি‌কিৎস‌ক ফেসবুকে লিখেছেন যে বিএসএমএমইউতে মা‌ঙ্কিপক্স শনা‌ক্ত হয়েছে। তারা সঠিক তথ্য দেননি। এটা গুজব।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) মাঙ্কিপক্সের কোনো রোগী পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এ সংক্রান্ত খবরটি গুজব বলে সোমবার সন্ধ্যায় জানিয়েছে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে বিএসএমএমইউর গণমাধ‌্যম উপদেষ্টা ও সহকারী অধ‌্যাপক ডা. এস এম ইয়ার-ই-মাহাবুব নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডা. আসিফ ও ডা. সরওয়ার জাহান নামে দুই চি‌কিৎস‌ক নিজেদের আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লিখেছেন যে বিএসএমএমইউতে মা‌ঙ্কিপক্স শনা‌ক্ত হয়েছে।

‘দুই চিকিৎসককে চিহ্নিতকরণে কাজ চলছে। তারা আসলে সঠিক তথ্য দেননি। আমাদের হাসপাতালে এ ধরনের কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি। এটা গুজব।’

এ বিষয়ে সতর্ক করার জন্য আগামী বৃহস্পতিবার সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে বিএসএমএমইউতে মাঙ্কিপক্স রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

বিকেলে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন ডা. আসিফ ওয়াহিদের বরাত দিয়ে ফেসবুকে এমন গুজব ছড়ানো হয়। এরপর বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিষয়টি ছড়িয়ে যায়।

ডা. আসিফ ওয়াহিদ বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের ইউরোলজি বিভাগের চলতি বছরের মার্চে ভর্তিকৃত রেসিডেন্ট। তিনি ৩৯ বিসিএসএসের স্বাস্থ্য ক্যাডার কর্মকর্তা। আরেক চিকিৎসকের বিষয়ে জানা যায়নি।

এদিকে এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে গত শনিবার দেশের প্রত্যেক বন্দরে সতর্কতা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এরই মধ্যে আফ্রিকার বাইরেও ১২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে মাঙ্কিপক্স। এসব দেশে ৯২ জনের বেশি শনাক্তের খবর পাওয়া গেছে।

যদিও বলা হচ্ছে, এই ভাইরাস ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম।

মাঙ্কিপক্স ভাইরাস সাধারণত মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের মতে, এই ভাইরাসে শনাক্ত বেশিরভাগ রোগীই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে যান।

আরও পড়ুন:
মাঙ্কিপক্স: দেশের সব বন্দরে সতর্কতা
১১ দেশে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত ৮০
মাঙ্কিপক্স নিয়ে যে বিষয়গুলো জানা দরকার
মাঙ্কিপক্স নিয়ে ডব্লিউএইচওর জরুরি বৈঠক
স্পেনে সতর্কতার পর এবার যুক্তরাষ্ট্রেও মাঙ্কিপক্স

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Effective taxation will reduce tobacco use

‘কার্যকর করারোপে তামাকের ব্যবহার কমবে’

‘কার্যকর করারোপে তামাকের ব্যবহার কমবে’ সোমবার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে তামাক পণ্যে কার্যকর করারোপ বিষয়ক প্রাক-বাজেট আলোচনার আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আলোচনায় বক্তারা বলেন, তামাক পণ্যের দাম বাড়লে বর্তমানে তামাক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১৩ লাখ এই পণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে। পাশাপাশি ৯ লাখ তরুণকে তামাক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা যাবে। প্রায় সাড়ে ৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ও সাড়ে ৪ লাখ তরুণের অকাল মৃত্যু রোধ করা যাবে। উপরন্তু বছরে সরকার ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।

‘তামাক ব্যবহারে শুধু স্বাস্থ্যগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়, অনেক ধরনের সামাজিক সম্ভাবনারও ক্ষতি হচ্ছে। ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্য অর্জন করতে হলে তামাকের সহজলভ্যতা কমাতে হবে। এজন্য কার্যকর করারোপের বিকল্প নেই। তাহলে তামাক পণ্যের দাম বাড়বে, সহজলভ্যতা কমবে, ব্যবহারও কমবে।’

সোমবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন সমুন্নয়ের আয়োজনে ‘তামাক পণ্যে কার্যকর করারোপ বিষয়ক প্রাক-বাজেট আলোচনায়’ বক্তারা এমন অভিমত ব্যক্ত করেন।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, শামীমা আক্তার খানম ও হাবিবা রহমান খান বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক ছিলেন বারডেমের দন্ত্য চিকিৎসা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী ও সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

আলোচনা অনুষ্ঠানে স্তর ভেদে ১০ শলাকার এক প্যাকেট সিগারেটের সর্বনিম্ন দাম ৩৯ থেকে বাড়িয়ে ৫০ টাকা, ৬৩ থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা, ১০২ থেকে বাড়িয়ে ১২০ টাকা এবং সর্বোচ্চ স্তরে ১৩৫ থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়। একইসঙ্গে এই মূল্যের ‍ওপর যথাক্রমে ৩২.৫০ টাকা, ৪৮.৭৫ টাকা, ৭৮ টাকা এবং ৯৭.৫০ টাকা শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। বিড়ি ও ধোঁয়াবিহীন তামাক পণ্যের দামও বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়া হয়।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, তামাক পণ্যের দাম বাড়লে বর্তমানে তামাক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ১৩ লাখ এই পণ্য ব্যবহারে নিরুৎসাহিত হবে। পাশাপাশি ৯ লাখ তরুণকে তামাক ব্যবহার থেকে বিরত রাখা যাবে। প্রায় সাড়ে ৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ও সাড়ে ৪ লাখ তরুণের অকাল মৃত্যু রোধ করা যাবে। উপরন্তু বছরে সরকার ৯ হাজার ২০০ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।

আয়োজক সংস্থা উন্নয়ন সমুন্নয়ের সভাপতি ড. আতিউর রহমান ভিডিও বক্তব্যে বলেন, ‘তামাক পণ্য ব্যবহারে স্বাস্থ্য নষ্ট হচ্ছে। অর্থের অপচয় হচ্ছে। এজন্য তামাক পণ্যে আরো বেশি কর আরোপ করতে হবে। তাহলে একদিকে রাজস্ব বাড়বে, অন্যদিকে স্বাস্থ্যের ক্ষতি এড়ানো যাবে।’

র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘কর হার বাড়ায় সিগারেটের ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। কর আরও বাড়ানোর মাধ্যমে ব্যবহার আরও কমিয়ে আনা যাবে। সরকারের আয়ও বাড়বে।’

অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, ‘মাদকাসক্তদের ৯৮ শতাংশের নেশার জগতে প্রবেশ ঘটে তামাক দিয়ে। তবে আমরা সিগারেটের দিকে যেভাবে নজর দিচ্ছি সেভাবে জর্দা, খৈনি ও গুলের দিকে নজর দেয়া হচ্ছে না।

‘গবেষণায় দেখা গেছে, পরোক্ষ ধূমপানের কারণে মহিলাদের ব্রেস্ট ক্যান্সার হচ্ছে। তাই পরিবারের সদস্যদের তামাকের আসক্তি কমাতে ভূমিকা রাখতে হবে। ইদানীং ই-সিগারেট ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটিও সমান ক্ষতিকর। এটিকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সব মিলিয়ে কর বৃদ্ধিই তামাক নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।’

বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, তামাক কোম্পানি থেকে যে কর পাওয়া যায় তার চেয়ে বেশি স্বাস্থ্য খাতে সরকারের ক্ষতি হয়। তাই তামাককে আরও করের আওতায় আনতে হবে। লাভ বেশি হওয়ায় চাষীরা তামাকের দিকে ঝুঁকছে। তাদের বিকল্প লাভজনক ফসল দিতে হবে।’

শামীমা আক্তার খানম বলেন, ‘গুলশান ও ধানমণ্ডির প্রতিটি রেস্টুরেন্টে স্মোকিং জোন করায় তা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব জোনে প্রবেশ করলে কোনো মানুষ দেখা যায় না। শুধু ধোঁয়া আর ধোঁয়া। এতে তরুণ-যুবকরা তামাকে আসক্ত হচ্ছে।’

মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘তামাকের কর বৃদ্ধির পাশাপাশি এর উৎপাদন বন্ধের দিকেও নজর দিতে হবে। এই খাতে নতুন বিনিয়োগের পথও বন্ধ করতে হবে। কারণ অনেক কোম্পানিই এ খাতে বিনিয়োগের সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।’

আলোচক অধ্যাপক ড. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘তামাক ব্যবহারে শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম রয়েছে। ১৫ শতাংশের বেশি মানুষ তামাক পণ্য ব্যবহার করছে।’

আরও পড়ুন:
দেশীয় মালিকানাধীন তামাকশিল্প রক্ষায় মানববন্ধন
ই-সিগারেট নিষিদ্ধসহ তামাকপণ্য নিয়ে এক গুচ্ছ দাবি
তামাক করনীতি প্রণয়নের দাবি
‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন জরুরি’
নারীর যথাযথ কাজের সুযোগ আজও হয়নি

মন্তব্য

p
উপরে