× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য

বাংলাদেশ
The committee is investigating the threat to the journalist in the name of proctor in Chabi
hear-news
player
print-icon

চবির প্রক্টর পরিচয়ে সাংবাদিককে ‘হুমকি’: তদন্তে কমিটি

চবির-প্রক্টর-পরিচয়ে-সাংবাদিককে-হুমকি-তদন্তে-কমিটি ফাইল ছবি
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রক্টর পরিচয়ে সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (চবিসাস) সদস্য ও সময় নিউজ অনলাইনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিকে প্রক্টর পরিচয়ে হুমকির ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তিন সদস্যের এই কমিটিতে আহবায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীকে। অন্য দুই সদস্য হলেন সহকারী প্রক্টর এস এ এম জিয়াউল ইসলাম ও গোলাম কুদ্দুস লাভলু।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রক্টর পরিচয়ে সাংবাদিককে হুমকির ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

হুমকির ঘটনায় গত বুধবার বিচারের দাবি জানিয়ে প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র দেয় চবিসাস।

অভিযোগে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীকে সম্প্রতি শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী বহিষ্কৃত কেউ পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলেও ওই শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন জানতে পেরে আরবি বিভাগের সভাপতি মুহাম্মাদ শাযআত উল্লাহ ফারুকীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইফতেখায়রুল।

পরদিন সকালে ওই শিক্ষার্থী চারটি ভিন্ন নম্বর থেকে কল করে প্রক্টর পরিচয়ে গালিগালাজ ও ‘দেখে নেব’ বলে হুমকি দেন।

এ বিষয়ে চবি প্রক্টর রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, ‘আমি অভিযোগপত্র পেয়েছি। একজন শিক্ষার্থী প্রক্টর পরিচয়ে কাউকে হুমকি দেবে, তা মেনে নেয়ার মতো নয়।’

আরও পড়ুন:
চবিতে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৪
সাত বছরেও বিচার হয়নি তাপস হত্যার
চবির ঝুলন্ত সেতুতে কাঁটাতার
সাংবাদিককে ‘হুমকি’, চবিসাসের অভিযোগ পেলেন প্রক্টর
বহিষ্কার তিন ছাত্রলীগ কর্মী পরীক্ষা দিচ্ছে চবিতে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Rape case in boyfriends name after suicide threat

আত্মহত্যার হুমকির পর প্রেমিকের নামে ধর্ষণের মামলা

আত্মহত্যার হুমকির পর প্রেমিকের নামে ধর্ষণের মামলা
মামলার বরাত দিয়ে পরিদর্শক জহিরুল জানান, দেলোয়ারের সঙ্গে বাদীর প্রেমের সম্পর্ক চলছে ১৩ বছর ধরে। বিয়ের আশ্বাস দেয়ায় তার সঙ্গে বাদীর একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। হঠাৎ বাদী জানতে পারেন আগামী বৃহস্পতিবার পারিবারের পছন্দে দেলোয়ার অন্য কাউকে বিয়ে করছেন।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিয়ের দাবিতে এক যুবকের বাড়িতে অবস্থান নেয়া তরুণী ওই যুবকের নামে ধর্ষণের মামলা করেছেন।

ঈশ্বরগঞ্জ থানায় সোমবার দুপুরে তিনি ওই মামলা করেন বলে জানান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না।

এর আগে শনিবার রাত ৮টা থেকে উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামে দেলোয়ার হোসেন নামে ওই যুবকের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন ওই তরুণী। দেলোয়ার তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দেন। তবে বাড়িতে নেই দেলোয়ার।

মামলার বরাত দিয়ে পরিদর্শক জহিরুল জানান, দেলোয়ারের সঙ্গে বাদীর প্রেমের সম্পর্ক চলছে ১৩ বছর ধরে। বিয়ের আশ্বাস দেয়ায় তার সঙ্গে বাদীর একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। হঠাৎ বাদী জানতে পারেন আগামী বৃহস্পতিবার পারিবারের পছন্দে দেলোয়ার অন্য কাউকে বিয়ে করছেন।

এ কারণে তিনি বিয়ের দাবিতে দেলোয়ারের বাড়িতে অবস্থান নেন।

সোমবার সন্ধ্যায় মেয়ের বড় ভাই নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার পরামর্শে বোন অনশন ভেঙেছে। তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবে বলে জানিয়েছে। এখন সে ধর্ষণ মামলা করে আইনের আশ্রয় নিয়েছে।’

থানার ওসি পীরজাদা শেখ মোহাম্মদ মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, ‘মামলার পর তরুণীর ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামির বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি
বিয়ে না করলে আত্মহত্যার হুমকি প্রেমিকার
পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ স্ত্রীর
প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেয়া সেই তরুণীর জামিন
আত্মহত্যায় প্রেমের ‘সমাপ্তি’, দিশেহারা তরুণীর বাবা-মা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The fire at Thamal Square Pharma lasted for 6 hours

৭ ঘণ্টা পুড়িয়ে থামল স্কয়ার ফার্মার আগুন

৭ ঘণ্টা পুড়িয়ে থামল স্কয়ার ফার্মার আগুন
ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক (ঢাকা বিভাগ) দিনমনি শর্মা জানান, সোমবার সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের সাত ঘণ্টার চেষ্টায় গাজীপুরের স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক (ঢাকা বিভাগ) দিনমনি শর্মা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সোমবার সাড়ে ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে কারখানার লার্জ ভলিউম প্যারেন্টাল ইউনিটে আগুন লাগে।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, প্রথমে কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ও মির্জাপুরের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

আগুন বাড়তে থাকলে কালিয়াকৈর থেকে আরও একটি, মির্জাপুর থেকে একটি, টাঙ্গাইলের সখিপুর থেকে দুটি, সাভার ইপিজেড থেকে দুটি, জয়দেবপুরের দুটি ও ফায়ার সার্ভিসের হেডকোয়ার্টার থেকে দুটি ইউনিট এসে যোগ দেয়।

স্টেশন মাস্টার বলেন, ‘কারখানার নিচতলা, দ্বিতীয় তলা, তৃতীয় তলাসহ প্রতিটি ফ্লোরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যে ভবনটিতে আগুন লাগে সেখানে ওষুধ তৈরির নানা কেমিক্যাল ও দাহ্য পদার্থ রয়েছে। যে কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়।’

এ ঘটনার তথ্য ও ছবি সংগ্রহে কারখানা এলাকায় সংবাদকর্মীদের বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

চ্যানেল-২৪-এর গাজীপুর প্রতিনিধি রফিক খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগুন লাগার পরপরই ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। তবে কারখানার গেট দিয়ে ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। পাশের সিমেন্ট কারখানা থেকে অনেক কষ্টে ফুটজ ও ছবি সংগ্রহ করছি।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে কারখানার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট কেউ কথা বলতে চাননি।

আরও পড়ুন:
৭ ঘণ্টা ধরে পুড়ছে স্কয়ার ফার্মা
কালিয়াকৈরে আগুনে পুড়ছে স্কয়ার ফার্মা
১ ঘণ্টা পুড়িয়ে থামল পোলট্রি ফিডের দোকানের আগুন
পোল্ট্রি ফিডের দোকানে আগুন
গ্যাসের লিকেজের আগুনে দগ্ধ আনোয়ারের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khulna Shipyard is building two high capacity tugboats

উচ্চক্ষমতার দুটি টাগবোট বানাচ্ছে খুলনা শিপইয়ার্ড

উচ্চক্ষমতার দুটি টাগবোট বানাচ্ছে খুলনা শিপইয়ার্ড খুলনা শিপইয়ার্ডে সোমবার দুপুরে দুইটি টাগবোটের ক্লাসিফিকেশন সনদপত্র হস্তান্তর করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
খুলনা শিপইয়ার্ডে সোমবার দুপুরে দুটি টাগবোটের কিল লেয়িং উদ্বোধন করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল।

পায়রা বন্দরের জন্য উচ্চক্ষমতার দুটি টাগবোট নির্মাণ করছে খুলনা শিপইয়ার্ড।

৭০ টন বোলার্ড পুলবিশিষ্ট দুটি টাগবোট তৈরি করা হবে। নির্মাণ শেষ হলে এ দুটি হবে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বোলার্ড পুল ক্ষমতার টাগবোট।

সোমবার দুপুরে খুলনা শিপইয়ার্ডে দুটি টাগবোটের কিল লেয়িং উদ্বোধন করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল।

তিনি বলেন, পায়রা বন্দরের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। অচিরেই এটি দেশের আমদানি-রপ্তানির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে যাচ্ছে। এই বন্দরকে কেন্দ্র করে প্রচুর দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসছে।

পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, জাহাজ নির্মাণে খুলনা শিপইয়ার্ডের ঐতিহ্য রয়েছে। ভবিষ্যতেও পায়রা বন্দর ও খুলনা শিপইয়ার্ড পারস্পরিক উন্নয়নে এক সঙ্গে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা শিপইয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর এম সামছুল আজিজ। উপস্থিত ছিলেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমডোর এম মামুনুর রশীদসহ শিপইয়ার্ডের কর্মকর্তারা।

খুলনা শিপইয়ার্ড সূত্রে জানা যায়, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির টাগ বোট দুটিতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন হবে। এটা আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় যাতায়াতে সক্ষম।

বোট দুটি বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়াবে। এ ছাড়া পায়রা বন্দরকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বন্দরে পরিণত করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mystery surrounding the death of the newlyweds

নবদম্পতির মৃত্যু ঘিরে রহস্য

নবদম্পতির মৃত্যু ঘিরে রহস্য
সেতু আক্তারের বাবা তারা মিয়া বলেন, ‘তারা স্বামী-স্ত্রী সুখেই ছিল। প্রায় দিনই মোবাইলে কথা বলতাম। গত রাত ১২টার দিকেও মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছি।’

তিন মাস আগেই বিয়ে হয়েছিল। নববধূর হাতে মেহেদির রং এখনও শুকায়নি। এর মধ্যেই বিষপান করে একসঙ্গে আত্মহত্যা করেছেন স্বামী-স্ত্রী! কিন্তু এ ঘটনাটিকে রহস্যজনক বলছে তাদের স্বজন ও পরিচিতরা। কারণ মাত্র তিন মাসেই সুখী দম্পতি হিসেবে সবার কাছে পরিচিতি পেয়েছিলেন তারা।

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ভাটি দাপুনিয়া এলাকায় রোববার মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নবদম্পতির এমন মৃত্যুকে রহস্যজনক বলছে পুলিশও।

নিহত দম্পতির মধ্যে ২২ বছর বয়সী স্বামী রনি মিয়া ভাটি দাপুনিয়া এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে। রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন তিনি। আর ১৯ বছর বয়সী স্ত্রী সেতু আক্তার নগরীর বলাশপুর কসাইপাড়া এলাকার তারা মিয়ার মেয়ে।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক ফারুক হোসেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, তিন মাস আগে রনি ও সেতুর বিয়ে হয়। তাদের মধ্যে মধুর সম্পর্ক ছিল। রোববার মধ্যরাতে নিজ বাড়িতে বিষ পান করেন তারা।

বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন ওই নবদম্পতিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর ৪টার দিকে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

সেতু আক্তারের বাবা তারা মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তারা স্বামী-স্ত্রী সুখেই ছিল। প্রায় দিনই মোবাইলে কথা বলতাম। গত রাত ১২টার দিকেও মেয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছি। তখন তারা ভালোই ছিল। কথা বলার আধঘণ্টা পর শুনি মেয়ে অসুস্থ। পরে হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারি মেয়ে আর জামাই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ে আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে না। কীভাবে কী হলো বুঝতে পারছি না।’

দাপুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ছুটে গেছি। এরা এভাবে মারা যাবে কল্পনাও করিনি। মৃত্যুটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। কারণ দুইজনের সুখের সংসার ছিল।’

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, ‘মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে মৃত্যু রহস্যজনক। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: অপেক্ষা সিআইডির প্রতিবেদনের
কুষ্টিয়ায় নিজ বাড়িতে নারীর মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য
মানুষের জিন রহস্যের শতভাগ উন্মোচন
‘এতিম বলায়’ বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা
হারিছ চৌধুরীর রহস্যময়তা ও কিছু প্রশ্ন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Suffering is decreasing in Sunamganj

সুনামগঞ্জে কমছে পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ

সুনামগঞ্জে কমছে পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ বাড়িঘর থেকে বন্যার পানি নামতে শুরু করলেও দুর্ভোগ বেড়েছে মানুষের। ছবি: নিউজবাংলা
সুনামগঞ্জ শহরের শান্তিবাগের বাসিন্দা বিমল রায় বলেন, ‘চার দিন আগে ঘরে পানি উঠেছিল। এখন পানি নামা শুরু করেছে, কিন্তু ঘরে পানি আইয়া সব জিনিস নষ্ট করি দিসে। ছেলেটাও অসুস্থ হই গেছে এই পানিতে থেকে।’

দুই সপ্তাহ ধরে লাগাতার বৃষ্টি ও উজানের ঢলে প্লাবিত হয়েছে সুনামগঞ্জের হাওরের জনপদ। টানা ছয় দিন সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও শনিবার রাত থেকে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ফলে সুনামগঞ্জে বাড়ি-ঘর থেকেও বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পানি কমলেও হাওরপাড়ের মানুষের বেড়েছে দুর্ভোগ। বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির সঙ্কটে পড়েছেন বাসিন্দারা।

সুনামগঞ্জ শহরের শান্তিবাগের বাসিন্দা বিমল রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চার দিন আগে ঘরে পানি উঠেছিল। এখন পানি নামা শুরু করেছে, কিন্তু ঘরে পানি আইয়া সব জিনিস নষ্ট করি দিসে। ছেলেটাও অসুস্থ হই গেছে এই পানিতে থেকে।’

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা লালপুর এলাকার শ্রমজীবী রোকন আলী বলেন, ‘পানি কমলেও সারা ঘর জুড়িয়া পানির পচা গন্ধ। আমরা নদী থাকি পানি আনিয়া খাইতাম, এখন এই পানিও ভালা না। অনেক দূর থেকে টিউবওয়েল থেকে পানি আনিয়া খাইরাম।’

শহরের উত্তর আরপিন নগর এলাকা লুকনা বিবি বলেন, ‘দুই মেয়ে স্বামী নিয়া তিনদিন হাঁটু পানিতে থেকেছি। এখন পানি নামছে তো বড় মেয়ের ডায়রিয়া আর ছোট মেয়ের সারা শরীরও চুলকানি। ফার্মেসি থাকি তারার বাবায় ওষুধ আনিয়া দিসোইন এগুলো খাওয়াচ্ছি।’

শহরতলির ভাদেরটেক গ্রামের বাসিন্দা মোবারক আলী বলেন, ‘১২ মে সড়ক ভেঙে করচার হাওরের উঁচু এলাকায় পানি ঢুকে ধান ডুবেছিল। পানির নিচ থেকে কেউ কেউ ধান কেটে এনেছিলেন, কিন্তু এই ধান শুকানোর সুযোগ না পাওয়ায় পচে নষ্ট হচ্ছে আবার অনেক ধানে চারা উঠে গিয়েছে।’

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামছুদ্দোহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সোমবার সকালে সুরমা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।’

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘আবহাওয়া এখন ভালো, ২৪ ও ২৫ মে বৃষ্টি কমবে। এই দুদিন উজানেও (মেঘালয়-চেরাপুঞ্জি) বৃষ্টি কম হবে।’

বানের জলে ভেসে গেছে ১২৫০ পুকুরের মাছ

জেলায় পাহাড়ি ঢলে ধানের পাশাপাশি মাছেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকারি হিসাবে ১ হাজার ২৫০টি পুকুরের মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে।

সেরা মৎস্য খামারির পুরস্কার পাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত আব্দুর রহিম জানান, ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা ঋণ তুলে মাছ চাষ করেছিলেন তিনি। বলেন, ‘রুই, মৃগেলসহ দেশীয় জাতের পোনাও বেশি ছেড়েছিলাম এবার। কিন্তু চাষের বেশির ভাগ মাছই বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এখন কী করবেন বুঝতে পারছি না।’

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সীমা রানী বিশ্বাস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলার ২০ হাজার ৪৬৯টি মাছের পুকুরের মধ্যে ১ হাজার ২৫০ পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। ১৬ হাজার ৫০০ খামারির মধ্যে ১ হাজার ১০০ খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

‘প্রায় ৩ কোটি টাকার বড় মাছ, ৩০ লাখ টাকার পোনা মাছ ভেসে গেছে। ১২ লাখ টাকার অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে।’

সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৫টি উপজেলা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। বন্যার্ত এলাকায় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে চাল, নগদ টাকা ও শুকনো খাবার পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন, আমরা তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। সেখানও ত্রাণসামগ্রী দেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
মন্ত্রীর অনুষ্ঠানে ত্রাণ নিয়ে কাড়াকাড়ি, পুলিশের ‘লাঠিপেটা’
সুনামগঞ্জে পানি কমলেও কাটেনি শঙ্কা
সিলেট শহর ছেড়ে গ্রামে যাচ্ছেন বন্যার্তরা
কমতে শুরু করেছে সুরমার পানি
৩ নদীর মোহনার বাঁধ ভেঙে সিলেটে বাড়ল পানি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
An old man was killed by an ambulance in front of the emergency department

জরুরি বিভাগের সামনে অ্যাম্বুলেন্সচাপায় বৃদ্ধ নিহত

জরুরি বিভাগের সামনে অ্যাম্বুলেন্সচাপায় বৃদ্ধ নিহত
ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সমন্বয়ক কায়সার খোকন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এখানে আনার আগেই আব্দুল মালিক মারা যান। তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন।’

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের সামনে অ্যাম্বুলেন্সচাপায় এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।

সোমবার দুপুরে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো আব্দুল মালিকের বাড়ি মৌলভীবাজারে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্লাহ তাহের।

ওসমানী হাসপাতাল ফাঁড়ি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেলা ২টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে পার্কিং করার সময় আব্দুল মালিককে চাপা দেয় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অ্যাম্বুলেন্স। সঙ্গে সঙ্গে তাকে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

ওসমানী হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সমন্বয়ক কায়সার খোকন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এখানে আনার আগেই আব্দুল মালিক মারা যান। তিনি মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন।’

হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানান, হাসপাতাল চত্বরের ভেতর সব সময় বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ভিড় থাকে। তাদের কারণে রোগীদেরও দুর্ভোগও পোহাতে হয়। এসব অ্যাম্বুলেন্সের অদক্ষ চালকরা হাসপাতাল চত্বরেও বেপোরোয়া গতিতে গাড়ি চালায়।

পুলিশ কর্মকর্তা বি এম আশরাফ উল্লাহ তাহের বলেন, পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সটি আটক করেছে। তবে চালক সবুজ আহমদ পালিয়ে গেছেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধার
আলমসাধুর ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত
থেমে থাকা মাইক্রোতে ধাক্কা, নারী নিহত
মজুরির ধান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ২ শ্রমিক নিহত
বাসচাপায় কলেজছাত্র নিহত, শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wife and children beaten to death Accused in jail

স্ত্রী-সন্তানদের পিটিয়ে হত্যা: আসামি কারাগারে

স্ত্রী-সন্তানদের পিটিয়ে হত্যা: আসামি কারাগারে স্ত্রী-সন্তানদের হত্যার মামলায় গিয়াসউদ্দিনকে তোলা হচ্ছে আদালতে। ছবি: নিউজবাংলা
গিয়াস পিবিআইকে জানান, স্ত্রী-সন্তানদের হত্যা করে প্রতিবেশী রেনুকে ফাঁসিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে নিতে পারবেন ও বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারবেন বলে গিয়াস ধারণা করেন। সেই ধারণা থেকে তিনি স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

নরসিংদীর বেলাবতে স্ত্রীসহ দুই সন্তানকে হত্যার মামলায় গিয়াসউদ্দিন শেখকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। এর আগে তিনি আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

জেলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম চতুর্থ আদালতে সোমবার বিকেলে তোলা হলে বিচারক রকিবুল হক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নরসিংদীর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মো. সালাউদ্দিন নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গিয়াসের নামে তার শ্যালক মো. মোশারফ রোববার রাতে বেলাব থানায় হত্যা মামলা করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে গিয়াসের দেয়া তথ্যের বরাতে পরিদর্শক সালাউদ্দিন জানান, তিনি রংমিস্ত্রির ঠিকাদারের কাজ করেন। তার জমি ও বাড়ি নিয়ে প্রতিবেশী রানু শেখের সঙ্গে অনেকদিনের বিরোধ ছিল। তিনি নিয়মিত জুয়া খেলতেন। জুয়ার জন্য বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা, এলাকার লোকজন ও শ্বশুরবাড়ির অনেকের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিলেন বিভিন্ন সময়। সব মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার মতো ঋণ তার। পাশাপাশি আরেক নারীর সঙ্গে তার বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কও চলছিল।

গিয়াস পিবিআইকে আরও জানান, ঘটনার সপ্তাহখানেক আগে রেনু শেখের সঙ্গে জমির বিরোধের জেরে তার তর্কাতর্কি হয়, যা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ায়। এরপর থেকে রেনুর উপর ক্ষুব্ধ হন তিনি। সেইসঙ্গে ঋণ পরিশোধের চাপও ছিল। তিনি ভাবেন, স্ত্রী-সন্তানদের হত্যা করে রেনুকে ফাঁসিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে নিতে পারবেন ও বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারবেন। সেই ধারণা থেকে তিনি স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানকে ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

আরও পড়ুন:
হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
গৃহকর্ত্রীকে কুপিয়ে ‘হত্যা’, গৃহকর্মী আটক
হত্যা মামলায় নারীর যাবজ্জীবন
স্কুলছাত্র হত্যায় ১৭ কিশোরের কারাদণ্ড
বেয়াইনের বিরুদ্ধে বেয়াইকে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

p
উপরে