বিকাশ গ্রাহককে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে সিটি ব্যাংক। এই ঋণের জন্য কোনো জামানত লাগবে না। ঋণ আবেদনে কোনো নথিপত্র জমা দিতে হবে না।
বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে ক্লিক করার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পাওয়া যাবে ঋণ। এটাকে ‘ডিজিটাল ঋণ’ বলছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকটি।
মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন সেবা চালু থাকলেও এতদিন ঋণ নেয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্তু মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) বিকাশের গ্রাহকেরা এখন থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুদ্রঋণ নিতে পারবেন।
বছরব্যাপী পাইলট প্রকল্প সফলভাবে শেষ করার পর দেশে প্রথমবারের মতো জামানতবিহীন ইনস্ট্যান্ট ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে এসেছে সিটি ব্যাংক; যা বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে নিতে পারবেন বিকাশ গ্রাহকেরা।
৯ শতাংশ সুদে ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মিলবে। ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ৩ মাস। ৩টি মাসিক কিস্তিতে বিকাশ অ্যাপ থেকেই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন ঋণগ্রহীতারা।
বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু ফরাহ মো. নাছের ও সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার।
অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন এবং বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর, ব্যাংকের ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের প্রধান জাফরুল হাসান, বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঋণে দৈনিক হারে সুদহার নির্ধারিত হবে। ফলে একজন ঋণগ্রহীতা মেয়াদ পূর্তির আগেও ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন এবং সে ক্ষেত্রে তাকে শুধু সেই কয়েক দিনের জন্যই সুদ বহন করতে হবে। অগ্রিম নিষ্পত্তির জন্যও কোনো বাড়তি খরচ হবে না। ঋণগ্রহীতাদের নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ঋণ পরিশোধের নির্দিষ্ট তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে।
গ্রাহকের বিকাশ লেনদেন এবং সিটি ব্যাংকের ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট পলিসির ওপর ভিত্তি করে ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা এবং ঋণের পরিমাণ নির্ধারিত হবে। সিটি ব্যাংক ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত কোনো প্রসেসিং ফি নেবে না।
ঋণ নেয়ার জন্য উপযোগী গ্রাহককে তাদের বিকাশ অ্যাপের 'ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লোন' আইকনে ট্যাপ করতে হবে। পরবর্তী ধাপে সিটি ব্যাংক অনুমোদিত সীমার মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ঋণের পরিমাণ লিখতে হবে এবং শর্তাবলিতে সম্মতি দিতে হবে। এরপর বিকাশ পিন দিলে সঙ্গে সঙ্গেই ঋণপ্রাপ্তির যোগ্যতাসাপেক্ষে বিকাশ অ্যাকাউন্টে ঋণের টাকা পেয়ে যাবেন গ্রাহক।
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘ডিজিটাল ন্যানো লোন দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে একটি যুগান্তকারী সংযোজন। এর ফলে ব্যাংকিং সেবার বাইরে থাকা একটি বিশাল জনগোষ্ঠী কাগজবিহীন ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঋণপ্রাপ্তির যোগ্যতা বিবেচনায় তাৎক্ষণিক ঋণ পাওয়ার সুযোগ পেলেন।’
তিনি বলেন, ‘যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো সময় মোবাইল অ্যাপ দিয়েই একটি প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছে ঋণের আবেদন করা এবং মোবাইল অ্যাপেই ঋণ পাওয়ার সুযোগ গ্রাহককে সত্যিকার অর্থেই আর্থিক লেনদেনে আরও স্বাধীনতা ও সক্ষমতা এনে দিল। এই উদ্যোগ বাংলাদেশ সরকারের “ডিজিটাল বাংলাদেশ" ভিশন বাস্তবায়নের পথেও একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’
‘ডিজিটাল ব্যবস্থা সব সময়ই স্বচ্ছভাবে কাজ করে। ক্ষুদ্র ঋণদাতারা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করে। প্রযুক্তির মাধ্যমে ঋণ প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে যাবে।’
ডেপুটি গভর্নর আবু ফরাহ মো. নাছের বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছরে সুবিধাবঞ্চিত মানুষ আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় সুবিধাপ্রাপ্ত হবেন। আর ক্ষুদ্র এ সঞ্চয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে।’
‘ব্যাংকিং খাতের প্রধান সমস্যা খেলাপি ঋণ। আর এই খেলাপি ঋণ এ দেশের সংস্কৃতির একটি অংশ হয়ে গেছে’ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা খেলাপি ঋণ থেকে বের হতে চাই। খেলাপি ঋণ না থাকলে ঋণের ৯ শতাংশ সুদ দিয়েও লাভ করা সম্ভব। খেলাপি গ্রাহক যেন অন্য কোনো ঋণ না পায় এ জন্য ব্যাংকারদের মেকানিজমে যেতে হবে।’
ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে আবু ফরাহ মো. নাছের বলেন, ‘ডিজিটাল ব্যাংক গঠিত হলে সেবা দেয়ার জন্য মোবাইলে আর্থিক সেবার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হবে। আগামী বছরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া আলোর মুখ দেখতে পারে।’
সিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার বলেন, ‘এই লোন নিতে গ্রাহকদের ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকার কোনো প্রয়োজন পড়বে না। তারা নিজ নিজ বিকাশ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই এই লোন নিতে ও পরিশোধ করতে পারবেন।’
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, 'আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আপনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সঞ্চয়টাকে ডিপোজিট হিসেবে নেয়ার জন্য এজেন্ট ব্যাংক খুলবেন, তাদের টাকা ট্রান্সফার করে এমএফএস ব্যবসা করবেন, কিন্তু তাদের বিশ্বাস করে তাদেরকে ঋণসুবিধা দেবেন না, সেটা তো নৈতিকভাবে ঠিক হলো না। ডিজিটাল ন্যানো লোনের যুগে সিটি ব্যাংক ও বিকাশের এই পদার্পণ আমাদের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশনে নৈতিক ঘাটতির মোচন ঘটাল।'
বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, 'ব্যাংক ও এমএফএসের মধ্যে আন্ত লেনদেন সেবার কল্যাণে অনেক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। বিকাশের মতো কার্যকর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও বিশাল গ্রাহক ভিত্তিকে ব্যবহার করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সৃজনশীল নতুন নতুন সেবা চালু করতে পারে। এতে গ্রাহকের কাছে আরও সহজে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হবে।’
ছবি: সংগৃহীত
ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি)-এর ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ প্রদানের প্রস্তাব করা হয়, যা সভায় অংশগ্রহণকারী সদস্যদের সম্মতিক্রমে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করেছে।
অনুষ্ঠানে এমটিবি’র পরিচালক, মোঃ আব্দুল মালেক-এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন এমটিবি’র পরিচালকবৃন্দ, খাজা নারগীছ হোসেন, ড্যানিয়েল ডি ল্যাঞ্জ (নরফান্ড কর্তৃক মনোনীত), স্বতন্ত্র পরিচালকবৃন্দ, ড. মোহাম্মদ তারেক, চেয়ারম্যান, বোর্ড অডিট কমিটি, শিব নারায়ন কৈরী এবং জেরিন মাহমুদ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী, সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ডিএমডি ও কোম্পানী সেক্রেটারী, রেইস উদ্দীন আহমেদ, ব্যাংকের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারহোল্ডারগণ।
সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি ও শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে এই স্টক ডিভিডেন্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়।
ছবি: সংগৃহীত
‘রাইজ টুগেদার’ স্লোগানে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল খাতের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওয়ালটন ক্যাবলসের তিন শতাধিক ডিলার বা পরিবেশক ও বিক্রয় প্রতিনিধি অংশ নেন। সম্মেলনে ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে বিক্রয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকল্পে বাজার গবেষণা, সময়োপযোগি বিপণন ও ব্যবসায়িক কলাকৌশল নিয়ে পরিবেশকদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক। সে সময় পরিবেশকগণ দেশের প্রতিটি বাড়িতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের ওয়ালটন ক্যাবলস পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের পাঁচতারকা হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানে ওয়ালটন ক্যাবলসের ‘বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এবং পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি।
সম্মেলনে পরিবেশকগণের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আপনারা হচ্ছেন ওয়ালটন ক্যাবলসের বড় শক্তি। আপনাদের মাধ্যমে ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের ও নিরাপদ ক্যাবলস গ্রাহকদের কাছে যেমন পৌঁছে যাচ্ছে, তেমনি ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ারও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি ও সুসংহত হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, নিরাপদ আবাসস্থল ও স্থাপনার ক্ষেত্রে ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স পণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ব্যবসার পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আবাসস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, অফিস-আদালত সর্বত্র নিরাপদ স্থাপনার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ওয়ালটন আন্তর্জাতিকমানের নিরাপদ ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।
ওয়ালটনের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি বলেন, আপনাদের (পরিবেশক) অক্লান্ত শ্রম ও প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন ক্যাবলস। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ওয়ালটন ক্যাবলস এখন ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইয়েমেন, নেপাল, ভূটানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এসময় তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ওয়ালটন ক্যাবলসের ব্যাপক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশকদের পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, ইভা রিজওয়ানা ও মো. ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন ক্যাবলসের চিফ বিজনেস অফিসার রাজু আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও সঞ্চালনায় ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।
সম্মেলনে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে আসা ওয়ালটন ক্যাবলসের পরিবেশকদের পদচারণায় উৎসবে রূপ নেয় হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানের আঙ্গিনা। সন্ধ্যায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে সারা রাত। সম্মেলনে চলতি বছর ওয়ালটন ক্যাবলস বিক্রয়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় অর্ধ-শতাধিক পরিবেশককে পুরস্কৃত করা হয়। ছিলো র্যাফেল ড্র। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬।
ছবি: সংগৃহীত
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র বিচারাধীন মামলাসমূহের নিয়মিত মনিটরিং এবং দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ল’ ডিভিশনের উদ্যোগে প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক দিকনির্দেশনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একই সঙ্গে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সারাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার) অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (অডিট ও আইন অনুবিভাগ) আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁ, এনডিসি।
সভাপতিত্ব করেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক পারসুমা আলম, মো. আবুল বাশার ও রূবানা পারভীন। সভায় মহাব্যবস্থাপক (ল’) মোহাম্মদ ফজলুল করিম এবং চিফ ল’ অফিসার মশিউর রহমান চৌধুরীসহ প্রধান কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকগণ, সার্কেল প্রধান, অঞ্চল প্রধান, ঊর্ধ্বতন নির্বাহী এবং সারাদেশের শাখা প্রধান ও ব্যবস্থাপক এবং মামলা পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।
ছবি: সংগৃহীত
মানবসম্পদ কৌশল নিয়ে কাজ করা বিশ্বের অন্যতম প্রতিষ্ঠান 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' থেকে টানা সপ্তমবার ‘টপ এমপ্লয়ার’স্বীকৃতি পেল ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ।
বিশ্বব্যাপী মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও কর্মপরিবেশে উৎকর্ষ মূল্যায়নের জন্য পরিচিত 'টপ এমপ্লয়ার্স ইনস্টিটিউট' প্রতিষ্ঠানগুলোর জনবল কৌশল, কর্মপরিবেশ, মেধাবী কর্মী নিয়োগ, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি এবং কর্মীদের কল্যাণসহ নানা বিষয় বিবেচনায় নিয়ে মূল্যায়ন করে থাকে।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএটি দাবি করছে, মূল্যায়নে অংশ নেওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে তারা সকল বিভাগেই ‘শীর্ষ স্কোরপ্রাপ্তদের অন্যতম’ ছিল।
বিএটি বাংলাদেশের হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লুশন রাইয়ান আহমেদ বলেন, “টপ এমপ্লয়ার সনদ আমাদের নীতি ও কার্যপ্রণালীগুলোকে একটি বৈশ্বিক মানদণ্ডের বিপরীতে মূল্যায়ন করতে সহায়তা করে।
“একই সঙ্গে এটি আমাদের আরও এগিয়ে যেতে উদ্বুদ্ধ করে, যাতে আমরা আমাদের কর্মীদের যাত্রাপথের প্রতিটি ধাপে কীভাবে সহায়তা করছি, তা ধারাবাহিকভাবে পর্যালোচনা, পরিমার্জন ও আরও শক্তিশালী করতে পারি।”
ছবি: সংগৃহীত
বিয়ের মৌসুম কিংবা বছরের যেকোনো সময়ে স্বপ্নের আয়োজনকে স্মরণীয় করে রাখতে আকর্ষণীয় ওয়েডিং প্যাকেজ ও এক্সক্লুসিভ অফার দিচ্ছে পাঁচতারকা হোটেল ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট। বিয়ের পাশাপাশি গায়ে হলুদ, মেহেদি সন্ধ্যা, বৌভাত, জন্মদিন কিংবা কর্পোরেট অনুষ্ঠানের জন্য আন্তর্জাতিক মানের ভেন্যু, সুস্বাদু ক্যাটারিং এবং পেশাদার সেবা নিয়ে প্রস্তুত হোটেলটি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সিলভার, গোল্ড ও প্রিমিয়াম— এই তিন ধরনের ওয়েডিং প্যাকেজের পাশাপাশি কমপ্লিমেন্টারি ভেন্যু, ভাড়ায় বিশেষ ছাড়, আকর্ষণীয় সাজসজ্জা এবং কমপ্লিমেন্টারি রুমসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
ঢাকা রিজেন্সির ১৪ তলায় অবস্থিত ৫,৭২১ বর্গফুটের ‘সেলিব্রেশন হল’-এ একসঙ্গে প্রায় ৫০০ অতিথি বসার ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি বহুল জনপ্রিয় রুফটপ গার্ডেন রেস্টুরেন্ট ‘গ্রিল অন দ্য স্কাইলাইন’ এবং আরও ৬টি সুসজ্জিত ব্যাংকোয়েট হল রয়েছে, যা ছোট-বড় সব ধরনের অনুষ্ঠানের জন্য উপযোগী। বিশেষ করে ছোট হলরুমগুলোতে ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাগম সম্ভব, যা ছোট পরিসরে বিয়ের আয়োজন, জন্মদিন উদ্যাপন, সংবাদ সম্মেলন কিংবা কর্পোরেট মিটিংয়ের জন্য বেশ মানানসই। হোটেলের অভিজ্ঞ কর্মীরা বসার সুব্যবস্থা থেকে শুরু করে ক্যাটারিং পর্যন্ত প্রতিটি সেবা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে নিশ্চিত করে থাকেন।
বিয়ের অতিথিদের জন্য রুম বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি নবদম্পতিদের জন্য রয়েছে বিশেষ হানিমুন স্টে প্যাকেজ। বুফে ব্রেকফাস্টসহ হানিমুন প্যাকেজের মূল্য ১৪,৯৯৯ টাকা এবং বুফে ব্রেকফাস্ট ও বুফে ডিনারসহ হানিমুন প্রিমিয়াম স্টে প্যাকেজের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯,৯৯৯ টাকা। যারা নিখুঁত ভেন্যুর সন্ধান করছেন, তারা বুকিং বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য +৮৮০১৭১৩৩৩২৫১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে অথবা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ভিজিট করতে পারেন।
ছবি: সংগৃহীত
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের আয়োজনে ব্যাংকের আওতাধীন বিভিন্ন শাখা ও টাঙ্গাইল করপোরেট শাখার প্রধানদের নিয়ে এক ব্যবসায়িক পর্যালোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের সম্মেলন কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং সামগ্রিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
প্রিন্সিপাল অফিস টাঙ্গাইলের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এস. এম. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার’স (জিএম) অফিস, ঢাকা নর্থের জিএম ইনচার্জ মোহাম্মদ ইসমাইল। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন জিএম অফিস ঢাকা নর্থের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ফেরদৌস সেরনিয়াবাত এবং টাঙ্গাইল করপোরেট শাখা প্রধান মোহাম্মদ মতিউর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রিন্সিপাল অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও এর নিয়ন্ত্রণাধীন ১৬টি শাখার প্রধান এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন।
এ সময় ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আলতাফ হুসাইন এবং কোম্পানি সেক্রেটারি মো. হাবিবুর রহমানসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য