× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
9 hours after the abduction the child was rescued and arrested
hear-news
player
google_news print-icon

অপহরণের ৯ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

অপহরণের-৯-ঘণ্টা-পর-শিশু-উদ্ধার-গ্রেপ্তার-২
শিশু অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজন। ছবি: নিউজবাংলা
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ আলম বলেন, ’মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় আসামিদের গাজীপুর মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে তোলা হয়। এ সময় পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক দুই দিন রিমান্ডের আদেশ দেন।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে অপহরণের ৯ ঘণ্টা পর এক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে অপহরণের শিকার শিশুকে রাতে উদ্ধার করা হয় বলে মঙ্গলবার দুপুরে টঙ্গী পশ্চিম থানায় সংবাদ সম্মেলনে জানান গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (অপরাধ দক্ষিণ) মোহাম্মদ ইলতুৎমিশ।

টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশের অভিযানে অপহৃত শিশু উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অপরণের শিকার দশ বছর বয়সী হাবিবুর রহমান মুছা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার ধর্মদাহ গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে। পরিবারটি টঙ্গীতে থাকে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালেরচর গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে ১৯ বছর বয়সী মিনহাজ ও সওদাগর শেখের ছেলে ২০ বছর বয়সী সুমন মিয়া।

উপকমিশনার ইলতুৎমিশ জানান, সোমবার বিকেল ৩টার দিকে টঙ্গীর সুলভাগ এলাকায় কোচিংয়ে পড়তে যায় মুছা। কোচিং শেষে বাসায় ফেরার পথে একটি অটোরিক্সায় তুলে নিয়ে অপহরণ করা হয় শিশুটিকে। পরে অপহরণকারীরা ফোনে শিশুটিকে দিয়ে তার বাবা মতিউর রহমানের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না দিলে হত্যার হুমকি দেয় তারা।

তিনি জানান, বিষয়টি থানা পুলিশকে জানালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অপহরণের ৯ ঘণ্টা পর রাত ৩টার দিকে কলেজ রোড হাউজ বিল্ডিং এলাকার জিয়াউর রহমানের বাসার ছাদ থেকে কাথা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় শিশু মুসাকে উদ্ধার করা হয়। এসময় দুই অপহরণকারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, অপহরণের পরপরই পুলিশের একটি টিম অপহরণকারীদের শনাক্তের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে। শিশুটির বাবার কাছ থেকে একটি মোবাইল নম্বরে বিকাশে ৫ হাজার টাকা নেয় অপহরণকারীরা। ওই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে আরেকটি মোবাইল নম্বরে ৩০টাকা রিচার্জ করেন এক অপহরণকারী। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ওই রিচার্জ নম্বরের সূত্রে অপহরণকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে। একপর্যায়ে রাত ৩টায় অভিযান চালিয়ে অপহরণকারীদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় আসামিদের গাজীপুর মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে তোলা হয়। এ সময় আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড আদেশ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) হাসিবুল আলম, সহকারী কমিশনার পিযুষ দে।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
He used to extort money with fake employment letters

ভুয়া চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি

ভুয়া চাকরির নিয়োগপত্র দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতেন তিনি
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কয়েকদিন আগে সরকারি হাসাপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে নিয়োগ চলাকালে গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে চাকরি দেয়ার জন্য অবৈধভাবে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ভুয়া নিয়োগপত্র দেয়।

নওগাঁয় সরকারি হাসপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া প্রতারক চক্রের মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৫) জয়পুরহাট ক্যাম্পের সদস্যরা।

র‌্যাব-৫ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে সন্ধ্যায় সাড়ে ৬টার দিকে জেলার বদলগাছী উপজেলার গোয়ালভিটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন, ৪২ বছর বয়সী প্যালেস ওরফে হাসান তৌফিক। উপজেলার পারিচা গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন মাস্টারমাইন্ড ব্যক্তি। সে ৭-৮ জনের একটি সিন্ডিকেট চালাচ্ছিলেন, যেখানে সবাই ২০১৬ সাল থেকে দরিদ্র মানুষের সঙ্গে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে। তিনি অবৈধ নিয়োগের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে, কখনো বা জাল নিয়োগপত্র দিয়ে প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিতেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, কয়েকদিন আগে সরকারি হাসাপাতালে ওয়ার্ড বয় পদে নিয়োগ চলাকালে গ্রেপ্তার হাসান তৌফিক একজন প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করে চাকরি দেয়ার জন্য অবৈধভাবে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ভুয়া নিয়োগপত্র দেয়।

এমন সংবাদের ভিত্তিতে জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক মাসুদ রানার নেতৃত্বে সন্ধ্যায় বদলগাছী উপজেলার গোয়ালভিটা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তার কাছ থেকে ২টি মোবাইল, ৪টি সিমকার্ড ও ১টি মেমোরিকার্ড জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তাকে বদলগাছী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
নওগাঁর ইমো চক্র হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা
সরকারি কর্মচারীদের গ্রেপ্তারে পূর্বানুমতির বিধান বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি
ইউপি সদস্য হত্যায় সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
নতুন জঙ্গি সংগঠনে ভিড়ছে নারীরাও
মাথাব্যথার কারণ হতে পারে ‘অর্ধ শতাধিক জঙ্গি’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transport strike in Rajshahi division since morning

সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট

সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘সমাবেশে নেতা-কর্মীরা যাতে আসতে না পারে সে জন্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। ধর্মঘট দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটকে রাখা যাবে না। যে কোনো মূল্যে এই সমাবেশ সফল করা হবে।’

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজশাহী বিভাগে শুরু হচ্ছে পরিবহন ধর্মঘট। পরিবহন মালিক শ্রমিকরা বলছেন, সড়কে অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধসহ ১০ দফা দাবিতে তারা এই ঘর্মঘট ডেকেছে।

তবে, বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে তাদের বিভাগীয় সমাবেশে যেন নেতা কর্মীরা উপস্থিত হতে না পারে সে জন্যই এই ধর্মঘট।

তারা বলছেন, যত বাধাই আসুক, সমাবেশে মানুষের ঢল নামবে।

গত শনিবার নাটোরে বিভাগীয় পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভায় ১০ দফা দাবি আদায়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে ধর্মঘটের ঘোষণা দেয়া হয়।

রাজশাহী পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক জানান, মহাসড়কে নছিমন, করিমন, ভুটভটির মতো অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধ করাসহ ১০ দফা দাবিতে আল্টিমেটাম দিয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে তাদের দাবি পূরণ হয়নি।

এ কারণে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। এ ধর্মঘটের আওতায় থাকবে সব যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহন।

অন্যন্য দাবির মধ্যে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ সংশোধন, জ্বালানি তেল ও যন্ত্রাংশের মূল্য হ্রাস, করোনাকালে গাড়ি চলাচল না করায় সে সময়ের ট্যাক্স মওকুফ, চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, পুলিশি হয়রানি বন্ধ ও উপজেলা পর্যায়ে বিআরটিসি চলাচল দ্রুত বন্ধ করার দাবি উল্লেখযোগ্য।

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশের আগ মুহূর্তে কেন এই ধর্মঘট জানতে চাইলে এই পরিবহণ মালিক বলেন, ‘রাজনৈতিক কর্মসূচি বা অন্যান্য কর্মসূচি তো চলতেই থাকে। আমাদের এই দাবিগুলো নিয়ে অনেকদিন ধরেই আন্দোলন চলছে।’

এদিকে, বিএনপি নেতাদের দাবি, রাজশাহীর সমাবেশে মানুষকে আসতে বাধা দিতেই এই পরিবহন ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, ‘সমাবেশে নেতা-কর্মীরা যাতে আসতে না পারে সে জন্য পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। ধর্মঘট দিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের আটকে রাখা যাবে না। যে কোনো মূল্যে এই সমাবেশ সফল করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নেতা-কর্মীদের আসা শুরু হয়ে গেছে। এখানে মানুষের ঢল নামবে। যত বাধায় আসুক, সবকিছু উপেক্ষা করে মানুষ সমাবেশে যোগ দেবে।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus driver beaten up in Barisal by sergeant closed

বরিশালে বাসচালককে মারধর, সার্জেন্ট ক্লোজড

বরিশালে বাসচালককে মারধর, সার্জেন্ট ক্লোজড বরিশালের নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল। ছবি: সংগৃহীত
বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল আমাদের এক শ্রমিককে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন। চালক আলী হোসেনকে শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।’

বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদে বাস পার্কিং নিয়ে বিতণ্ডায় এক চালককে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. টুটুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই সার্জেন্টকে ক্লোজ করে বরিশাল পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার সন্ধ‌্যায় এই ঘটনার পর বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা পরিবহন ধর্মঘটের হুমকি দেয়ার পর রাতে সার্জেন্ট টুটুলকে ক্লোজ করা হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার তানভীর আরাফাত বলেন, ‘আমাদের সচিব মহোদয় আসছিলেন বরিশালে। তখন রাস্তা ক্লিয়ার করতে সার্জেন্ট টুটুল বাসগুলো দ্রুত সরানোর কাজ করছিলেন। হাতের লাঠি নেড়ে বাস সরানোর নির্দেশ দেয়ার সময় ওই বাসের ড্রাইভারের হাতে আঘাত লাগে। এ নিয়ে শ্রমিকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে সার্জেন্ট টুটুলকে ক্লোজ করা হয়। শ্রমিকরা লিখিত অভিযোগ নিয়ে এলে বিভাগীয় ব‌্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।’

বরিশাল জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ হোসেন বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল আমাদের এক শ্রমিককে অহেতুক মারধর করে রক্তাক্ত করেছেন। আরফি পরিবহনের চালক আলী হোসেনকে শের-ই-বাংলা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আমরা হুশিয়ারি দিয়েছি সার্জেন্ট টুটুলের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নেয়ার জন‌্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘সার্জেন্ট টুটুল বিভিন্ন সময় বাস চালকদের হয়রানি করে আসছিলেন। ইতোপূর্বে আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একাধিকবার জানিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজির অভিযোগে সার্জেন্টের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ বাসশ্রমিকদের
মারধরে চালক নিহতের মামলায় গ্রেপ্তার ৩
মারধরে চালক নিহতের ঘটনায় মামলা
মারধরে চালক নিহতের অভিযোগে বাস বন্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Allegation of cocktail attack from BNP procession

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলার অভিযোগ ওঠে।

মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে।

সারা দেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের নামে মামলা ও ধরপাকড়ের প্রতিবাদে দুই জেলাতেই বুধবার রাতে মিছিল বের করে স্থানীয় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠন। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান জানান, বঙ্গবন্ধু সড়কের চাষাড়া এলাকায় পপুলারের গলি থেকে বিএনপির ও সহযোগী সংগঠনের একদল নেতা-কর্মী মশাল মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তারা সড়কে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করে। পুলিশ গিয়ে ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। তবে ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।

ফতুল্লার কমর আলী স্কুলের সামনে ও শিবু মার্কেট এলাকাতেও মশাল মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ফতুল্লা থানার ওসি রিজাউল হক।

রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক ও মাদানী নগর এলাকাতেও বিএনপির মিছিলের পর ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান জানান, স্থানীয় নেতা-কর্মীরা মশাল মিছিল শেষে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে আগুন দেয় ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। পুলিশ গিয়ে কাউকে পায়নি, তবে ককটেলের খোসা জব্দ করা হয়েছে।

ককটেল বিস্ফোরণে দায় নেননি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমাদের ৭টি থানা এলাকাতেই নেতা-কর্মীদের নামে গায়েবী মামলা করা হয়েছে। সমাবেশকে ঘিরে এসব করা হচ্ছে, যাতে করে আমরা প্রস্তুতি নিতে না পারি। বাড়িঘর ছাড়া থাকি।’

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গোলাম ফারুক খোকন বলেন, ‘পুলিশের করা মামলা মিথ্যা ও বানোয়াট। কাল্পনিক অভিযোগই এর প্রমাণ। বুধবার আমাদের কোনো মিছিল হয়নি।’

এদিকে, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা। ছাত্রলীগ কর্মীদের অভিযোগ, মিছিল থেকে চালানো হামলায় তাদের ৩ জন আহত হয়েছে।

বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল হামলার অভিযোগ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশের ভিটিকান্দি এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে।

গজারিয়া থানার এসআই সেকান্দার আলী ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসি। এ সময় আমরা কয়েকটি বিস্ফোরিত ককটেলের আলামত দেখতে পাই। তবে কারা এ কাজ করেছে, এ বিষয়ে আমরা এখনও নিশ্চিত নই।’

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী দাবি করে অটোরিকশাচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সন্ধ্যায় ভবেরচর বাসস্ট্যান্ড থেকে আনারপুরে যাওয়ার জন্য আমার অটোতে ওঠেন ৩ জন ছাত্রলীগ কর্মী। ভিটিকান্দি এলাকায় পৌঁছালে দেখি ৪০ থেকে ৪৫ জন বিএনপি নেতা-কর্মী মিছিল করছে। আমার অটোটা মিছিলের মাঝখানে পড়ে যায়।

‘এ সময় মিছিল থেকে অন্তত ১১টা ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আমার অটোতে থাকা যাত্রীদের মারধর করে। অটোটাও ভাঙে তারা।’

হামলায় আহত ছাত্রলীগ কর্মী সুমন প্রধান বলেন, ‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিএনপি নেতা-কর্মীরা মারধর করতে থাকে। আমার সাথে থাকা দুইজন দৌড়ে পালিয়ে বাঁচতে পারলেও আমাকে মারধর করা হয়।’

সুমন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
চিড়া-গুড় নিয়ে রাজশাহী ঢুকছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা
গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
মিছিল না করাসহ ৮ শর্তে রাজশাহীতে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি
বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP rally vandalized in Faridpur

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর
বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত বিএনপির ১১জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে। তার প্রতিবাদে চারদিন আগে আমরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছি। পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই হামলা করেছে। আর পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল রেখে গায়েবি মামলা দিচ্ছে।’

হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণে ফরিদপুরে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে পণ্ড হয়ে গেছে।

ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে বুধবার বিকেলে এই হামলার সময় বেশকিছু চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে এই হামলার জন্য ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করা হয়েছে।

মিথ্যা মামলা, পুলিশি নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে বিএনপির ফরিদপুর মহানগর শাখা। এতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ এফ এম আব্দুল কাইউম।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল যথাক্রমে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান ও বিএনপির ফরিদপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের। তবে হামলার সময় তারা সমাবেশস্থলে ছিলেন না।

সমাবেশ উপলক্ষে ফরিদপুর প্রেসক্লাব চত্বরে ছোট আকারের একটি মঞ্চ করা হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তখনও ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেননি। ওই সময় মঞ্চে অন্যান্যদের মধ্যে বসা ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেছ আলী ও সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হেলমেট ও মাস্ক পরিহিত ৩০/৩৫ জন তরুণ লাঠি ও ইট নিয়ে সভাস্থলে হামলা চালায়। তারা ব্যানার ছিনেয়ে নেয় ও চেয়ার ভাংচুর করে। এ সময় হামলাকারীরা তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।

ওই সময় পুলিশ সিজান নামে ছাত্রদলের এক কর্মীকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাদের ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়।

হামলার পর ড. আব্দুল মঈন খান ও শামা ওবায়েদ ঘটনাস্থলে আসেন।

ফরিদপুরে বিএনপির সমাবেশে হামলা, ভাঙচুর

শামা ওবায়েদ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে এ পর্যন্ত বিএনপির ১১জন নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে। তার প্রতিবাদে চারদিন আগে আমরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়েছি। পুলিশের তত্ত্বাবধানে ছাত্রলীগ-যুবলীগ এই হামলা করেছে।

আমরা দেখেছি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল রেখে গায়েবি মামলা দিচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এখানে ককটেল ফাটিয়ে আমাদের লোকদের ধরপাকড় করেছে।’

মঈন খান বলেন, সাধারণ মানুষ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকারের নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবং ১১ জন নেতাকর্মী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়। আর একটি শান্তিপূর্ণ ছোট সমাবেশ করতে এসে আমরা হামলার শিকার হলাম।’

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া বলেন, ‘হামলায় আমাদের আট নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। পুলিশ রিতু, কামাল, রাজীব ও সিজানসহ ছাত্রদলের বেশ কয়েকজন কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে।’

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ জলিল বলেন, ‘ফরিদপুর বিএনপি শামা ওবায়েদ ও নায়াব ইউসুফ এই দুই ভাগে বিভক্ত। তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধ থেকে সভাস্থলে হামলা ও ভাংচুর হয়েছে।

‘হামলা ঠেকাতে গিয়ে পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশ শর্টগানের ১১ রাউন্ড গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’

আরও পড়ুন:
আদালতে যাওয়ার পথে আসামিপক্ষের মারধরে সাক্ষী নিহত
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1130 sacks of government rice in Jubo League leaders warehouse

যুবলীগ নেতার গুদামে ১১৩০ বস্তা সরকারি চাল

যুবলীগ নেতার গুদামে ১১৩০ বস্তা সরকারি চাল
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাঈম বলেন, ‘জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে শাহাদৎ হোসেন নামে এক যুবলীগ নেতার গুদাম থেকে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১ হাজার ১৩০ বস্তা চাল উদ্ধার হয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযানের সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান শাহাদাৎ।

উপজেলার কালিতলা বাগবেড় এলাকায় বুধবার সন্ধ্যায় জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।

অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাঈম। পরে সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত সোয়া ৮টা পর্যন্ত চলা এ আদালতে শাহাদাৎ হোসেনের ছোট ভাই শাহীন আলমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, শাহাদৎ সারিয়াকান্দিতে চালের ব্যবসা করেন। এ ছাড়াও তিনি উপজেলা যুবলীগের সদস্য। নিজ বাড়ির নিচতলায় চালের গুদামে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল মজুত করে রেখেছিলেন। বিষয়টি গোয়েন্দা সূত্রে জানতে পারে জেলা প্রশাসন।

অভিযানে ওই গুদাম থেকে প্রতিটি ৩০ কেজির ১ হাজার ১৩০ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। পরে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি চালের গুদামটিও সিলগালা করা হয়।

এসব বিষয় নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাঈম বলেন, ‘জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

আদালতে প্রসিকিউশনের দায়িত্বে ছিলেন কৃষি বিপনন অধিপ্তরের বাজার কর্মকর্তা আবু তাহের। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
এমপির ছেলের সভায় ককটেল বিস্ফোরণ
ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে যুবলীগ নেতার ‘হুমকি’
চট্টগ্রাম যুবলীগ: সভাপতি পদ না পেয়ে পার্থ সারথির পদত্যাগ 
সমাবেশে এসে যুবলীগ নেতার মৃত্যু
উন্নয়ন অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A League leader in jail in teacher assault case

শিক্ষককে লাঞ্ছনার মামলায় আ.লীগ নেতা কারাগারে

শিক্ষককে লাঞ্ছনার মামলায় আ.লীগ নেতা কারাগারে
এনামুল বলেন, ‘ক্লাসে ঢুকে সব শিক্ষার্থীর সামনে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে। এর চেয়ে মরে যাওয়াও ভাল ছিল। যদি কোনো ভুলও করে থাকি, তাহলে তিনি আমাকে ডেকে শুনতে পারতেন। কিন্তু সেটা না করে ক্ষমতার দাপটে আমাকে শারীরিকভাবে আঘাত করলেন। আমি তার কঠোর বিচার দাবী করি।’

মাদারীপুরের কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য দেলোয়ার হোসেন খাঁনকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারের পর বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগে মামলা করেন কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাজী এনামুল হক।

কালিকাপুর থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী এসব নিশ্চিত করেছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, সদর উপজেলার এই স্কুলের সামনে ছোট একটি খাবারের দোকান চালান দেলোয়ার খাঁনের আত্মিয়। স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে- এই ধারণা থেকে শিক্ষক এনামুল শিক্ষার্থীদেরকে ওই দোকানের খাবার খেতে নিরুৎসাহিত করেন। এ খবর জানার পর দেলোয়ার মঙ্গলবার দুপুরে ক্লাস চলাকালে কক্ষে ঢুকে দেলোয়ারকে মারধর করতে থাকেন।

এনামুল বলেন, ‘ক্লাসে ঢুকে সব শিক্ষার্থীর সামনে আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে। এর চেয়ে মরে যাওয়াও ভাল ছিল। যদি কোনো ভুলও করে থাকি, তাহলে তিনি আমাকে ডেকে শুনতে পারতেন। কিন্তু সেটা না করে ক্ষমতার দাপটে আমাকে শারীরিকভাবে আঘাত করলেন। আমি তার কঠোর বিচার দাবী করি।’

ওসি মনোয়ার বলেন, ‘শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এরপর বাকিটা আদালত করবে। তবে কোনো শিক্ষকের শরীরে আঘাত দেয়া চরম বাজে কাজ।’

আরও পড়ুন:
ধর্ষণ মামলার আসামি ধরতে পুলিশকে বাধা, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৫
আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হচ্ছেন মতিয়র রহমান
আওয়ামী লীগ পা‌লি‌য়ে যাওয়া দল না: শেখ সে‌লিম
আ.লীগের সম্মেলনে টোকাই কোত্থেকে আনছেন, স্বপনের প্রশ্ন
‘বিএনপিকে সুযোগ দিতে এগোনো হয়েছে ছাত্রলীগের সম্মেলন’

মন্তব্য

p
উপরে