চার স্কুলছাত্রকে অপহরণ, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

player
চার স্কুলছাত্রকে অপহরণ, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

নিখোঁজ কায়সারের চাচা মোহাম্মদ তাহের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম চারজনকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে নিয়ে যান। পরে তাদের মুঠোফোন ব্যবহার করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে।’ 

কক্সবাজার রামুর খুনিয়াপালংয়ে চার স্কুলছাত্র অপহরণের শিকার হয়েছে। সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেয়ার কথা বলে তাদের অপহরণের পর ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে কল দিয়ে দফায় দফায় টাকা দাবি করছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

অপহৃতরা হলো, রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের পেচারদ্বীপের মংলা পাড়া এলাকার মোহাম্মদ কায়সার, মিজানুর রহমান নয়ন, জাহেদুল ইসলাম ও মিজানুর রহমান। তাদের মধ্যে জাহেদুল সোনারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ে। বাকিরা অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

রামু থানায় করা অভিযোগে বলা হয়েছে, পেচারদ্বীপের বাতিঘর নামে একটি কটেজের কর্মচারী জাহাঙ্গীর আলম ও মো. ইব্রাহীমের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় চার স্কুলছাত্রের। সে সুবাদে গত ৭ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে চারজনকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেয়ার কথা বলে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নিয়ে যান জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম।

বেড়াতে যাওয়ার পর থেকে ওই চারজনের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজের ২৪ ঘন্টা পর ৮ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে স্বজনদের কাছে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে তাদের মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে। আর তা না পেলে মরদেহ ফেরত পাঠানোর হুমকি দেয়া হচ্ছে।

অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ২৬ নং ব্লকের বাসিন্দা। তারা দুইজনই বাতিঘর কটেজের কর্মচারী বলে স্থানীয়রা জানান।

নিখোঁজ জাহেদুলের বাবা আব্দুস সালাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে ছেলেদের নিয়ে গেছে ওই দুইজন। খোঁজখবর নিতে ফোন দিলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীমের মোবাইল ফোনও বন্ধ। বুধবার দুপুরে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী পরিচয়ে মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়।’

নিখোঁজ কায়সারের চাচা মোহাম্মদ তাহের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জাহাঙ্গীর ও ইব্রাহীম চারজনকে সেন্টমার্টিন বেড়াতে নেয়ার কথা বলে নিয়ে যান। পরে তাদের মুঠোফোন ব্যবহার করে মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে।’

অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরুপ কুমার চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যেহেতু বিষয়টি টেকনাফে ঘটেছে, তাই তাদের সেখানে অভিযোগ করার পরামর্শ দিয়েছি। আমরা তাদের সহযোগীতায় বিষয়টি তদন্ত করব।’

আরও পড়ুন:
‘গেমিং ল্যাপটপের জন্য খুন হয় শিশু ইয়ামিন’
অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে
মায়ের কাছ থেকে শিশুকে ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ১
কিশোরীকে ‘অপহরণ’, থানায় অভিযোগ
পরীক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা: গ্রেপ্তার যুবক আদালতে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই’

‘দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই’

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ চান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। ছবি: নিউজবাংলা

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। এটা দেখে যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের বিবেক ঘুমিয়ে রয়েছে। আজকে তাদের ওপর হামলা, কালকে আমাদের ওপর- এভাবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বেড়ে চলছে। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ‌‌‌‌‌‌‌‌হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় তারাও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ চান।

মানববন্ধনে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রাজু বড়ুয়া বলেন, ‘শাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শিক্ষার্থীদের দাবি না মেনে উল্টো হামলা চালিয়েছে। এমন অযোগ্য ব্যক্তি ভিসি থাকতে পারে না, তার অপসারণ চাই।’

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। এটা দেখে যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের বিবেক ঘুমিয়ে রয়েছে।

‘আজকে তাদের ওপর হামলা, কালকে আমাদের ওপর- এভাবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বেড়ে চলছে। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার আন্দোলনের চতুর্থ দিনে এসে তা সহিংসতায় রূপ নেয়।

এদিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করলে সন্ধ্যায় অ্যাকশনে যায় পুলিশ। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ক্যাম্পাস। লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ছুড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের সামনে অবস্থা নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, ভিসির নির্দেশেই পুলিশ হামলা ও গুলি চালিয়েছে।

এই বিক্ষোভের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও হল ছাড়ার নির্দেশনা আসে। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে রোববার রাত থেকেই আন্দোলন শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরাও এসে যোগ দেন এই বিক্ষোভে। তারা উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

সোমবার আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ফলে মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাসে এসেও নিজেদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তাদের নিজ নিজ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

মঙ্গলবারও উপাচার্যের বাসভভনের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বাসভভনের ভেতরেই রয়েছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

সোমবার উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদে দাবি করেন, এই আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে বহিরাগতরা।

আরও পড়ুন:
‘গেমিং ল্যাপটপের জন্য খুন হয় শিশু ইয়ামিন’
অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে
মায়ের কাছ থেকে শিশুকে ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ১
কিশোরীকে ‘অপহরণ’, থানায় অভিযোগ
পরীক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা: গ্রেপ্তার যুবক আদালতে

শেয়ার করুন

শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলা-গুলির অভিযোগ পুলিশের

শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলা-গুলির অভিযোগ পুলিশের

শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। গুলি ছুড়েছে। আমাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।

মামলায় অজ্ঞতপরিচয় দুই তিনশ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে সোমবার রাতে সিলেটের জালালাবাদ থানার এই মামলা করেন।

তিন দফা দাবিতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রোববার সন্ধ্যায় পুলিশের সংঘর্ষ হয়। অবরুদ্ধ উপাচার্যকে মুক্ত করতে গিয়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করলে এই সংঘাত বাধে। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে পুলিশ তাদের ওপর হামলা ও গুলি করে।

তবে এবার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ এনে মামলা করল পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, রোববার আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ ‘উশৃঙ্খল’ শিক্ষার্থী পুলিশের কাজে বাধা দেয়।

সরকারি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ ছাড়া পুলিশকে লক্ষ্য করে শিক্ষার্থীরা গুলি ছোড়ে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।

এতে মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখসহ ১০ জন পুলিশ আহত হন বলে উল্লেখ করা হয় মামলায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওইদিন পুলিশ ২১টি সাউন্ড গ্রেনেড ও ৩২ রাউন্ট শর্টগানের গুলি ছোড়ে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলা করা বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু খালেদ মামুন বলেন, ‘রোববারের যে ঘটনা তার পরিপ্রেক্ষিতে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় দুই থেকে তিনশজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।’

তবে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। গুলি ছুড়েছে। আমাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’

পুলিশের গুলি ছোড়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সোমবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়া মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুলিশ কোনো গুলি ছোড়েনি। ওইদিন ক্যাম্পাসে গুলি আনেনি পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
‘গেমিং ল্যাপটপের জন্য খুন হয় শিশু ইয়ামিন’
অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে
মায়ের কাছ থেকে শিশুকে ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ১
কিশোরীকে ‘অপহরণ’, থানায় অভিযোগ
পরীক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা: গ্রেপ্তার যুবক আদালতে

শেয়ার করুন

বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত ২ শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর

বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত ২ শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর

পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাইয়ের বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত তিন শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে সোলাইমান ও মো. রবিন নামে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।’

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার সোনাপাহাড় এলাকায় অবস্থিত বিএসআরএম কারখানায় কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়েছেন ৩ শ্রমিক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

এরমধ্যে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার।

মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাইয়ের বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত তিন শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে সোলাইমান ও মো. রবিন নামে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অপর আহত শ্রমিক হলেন মো. শাহিন।’

তারা তিনজনই কারখানার বিদ্যুৎ বিভাগে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত বলে জানান জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন। তিনি বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যা থেকে তারা কারখানায় বিদ্যুতের কাজ করছিলেন। হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে তিনজন আহত হন। পরে কারখানার সহকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।’

বিএসআরএম-এর ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা তাদের চিকিৎসার বিষয়ে সহযোগিতা করছি।’

আরও পড়ুন:
‘গেমিং ল্যাপটপের জন্য খুন হয় শিশু ইয়ামিন’
অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে
মায়ের কাছ থেকে শিশুকে ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ১
কিশোরীকে ‘অপহরণ’, থানায় অভিযোগ
পরীক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা: গ্রেপ্তার যুবক আদালতে

শেয়ার করুন

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

ফাইল ছবি

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এমাইদুল জিহাদী বলেন,

গাজীপুরের পূবাইল ও কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

পূবাইলের তালটিয়ায় সকাল ৯টায় ও কালীগঞ্জের চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৃথক এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এমাইদুল জিহাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘তাৎক্ষণিক নিহত দুই যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাদের একজনের বয়স আনুমানিক ১৮ বছর ও অন্যজনের ৩০/৩৫ বছর।’

এসআই জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলওয়ে সড়কে চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনের হুকে করে যাচ্ছিলেন এক যুবক। কালিগঞ্জের দড়িপাড়া রেলক্রসিং পার হওয়ার পর চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় ট্রেন জাম্প করলে তিনি ছিটকে পড়ে যান। এতে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, ওই রেলওয়ে সড়কের পূবাইল স্টেশনের অদূরে তালটিয়া এলাকায় আরও এক যুবক নিহত হন। সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এসআই এমাইদুল জিহাদী বলেন, ‘নিহত দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের পর নাম-পরিচয় পাওয়া না গেলে বেওয়ারিশ হিসেবে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনের পাশের কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।’

আরও পড়ুন:
‘গেমিং ল্যাপটপের জন্য খুন হয় শিশু ইয়ামিন’
অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে
মায়ের কাছ থেকে শিশুকে ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ১
কিশোরীকে ‘অপহরণ’, থানায় অভিযোগ
পরীক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা: গ্রেপ্তার যুবক আদালতে

শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচন: নৌকা প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল

ইউপি নির্বাচন: নৌকা প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল

নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘তোতার পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুলের বিষয়টা আমার জানা ছিল না। এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। এটা একটা অনেক বড় ভুল। এমন ভুল করা উচিত নয়।’

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল হওয়ায় শুরু হয়েছে সমালোচনা।

এ বিষয়ে ওই প্রার্থীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা বলছেন, পোস্টার ছাপানোর আগে ও পরে ওই প্রার্থীর বানান দেখে নেয়া উচিত ছিল।

ইউপি নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপে নিয়ামতপুর উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ভোট হবে। তার মধ্যে ২ নম্বর চন্দননগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খালেকুজ্জামান তোতা।

১০ থেকে ১৫ দিন ধরে পুরো ইউনিয়নে ঝুলছে তার নির্বাচনি পোস্টার। পোস্টারে জয় বঙ্গবন্ধুর জায়গায় লেখা জয় বঙ্গন্ধু।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল নিয়ে পুরো এলাকায় চলছে সমালোচনা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত যেন এসব পোস্টার নামিয়ে ফেলা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তোতার পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুলের বিষয়টা আমার জানা ছিল না। এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। এটা একটা অনেক বড় ভুল। এমন ভুল করা উচিত নয়।

‘বঙ্গবন্ধু আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। একটা অনুভূতির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পোস্টারগুলো ছাপানোর আগে ও পরে ভালো করে বানান চেক করা উচিত ছিল। আমি ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বলব, তিনি যেন ভুল বানানের পোস্টারগুলো দ্রুত সরিয়ে নেন। আর অন্যরাও যেন এমন ভুল না করে সে বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তোতাকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ধরেননি।

আরও পড়ুন:
‘গেমিং ল্যাপটপের জন্য খুন হয় শিশু ইয়ামিন’
অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে
মায়ের কাছ থেকে শিশুকে ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ১
কিশোরীকে ‘অপহরণ’, থানায় অভিযোগ
পরীক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা: গ্রেপ্তার যুবক আদালতে

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে একাদশে ভর্তির আবেদন এক লাখ ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর

চট্টগ্রামে একাদশে ভর্তির আবেদন এক লাখ ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর

প্রথম পর্যায়ের আবেদনের সময় শেষ হলেও পুনঃনিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবে ২২ ও ২৩ জানুয়ারি। আর প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৯ জানুয়ারি। ৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে বলে শিক্ষাবোর্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে একাদশে ভর্তির অনলাইনে আবেদনের বর্ধিত সময় ১৭ জানুয়ারি রাত ১২ টায় শেষ হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে চট্টগ্রামে এসএসসি উত্তীর্ণ ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক জাহেদুল হক মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০২১ সালে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছে।

এরমধ্যে একাদশে বিভিন্ন কলেজে ভর্তির জন্য ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এই হার প্রায় ৯৯ শতাংশ।

প্রথম পর্যায়ের আবেদনের সময় শেষ হলেও পুনঃনিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবে ২২ ও ২৩ জানুয়ারি। আর প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৯ জানুয়ারি।

৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ২ মার্চ থেকে একাদশে ক্লাস শুরু হবে বলে শিক্ষাবোর্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

একাদশে ভর্তিতে অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে গত ৮ জানুয়ারি থেকে। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে আবেদন গ্রহণের কথা থাকলেও পরে এ সময়সীমা ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

আরও পড়ুন:
‘গেমিং ল্যাপটপের জন্য খুন হয় শিশু ইয়ামিন’
অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে
মায়ের কাছ থেকে শিশুকে ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ১
কিশোরীকে ‘অপহরণ’, থানায় অভিযোগ
পরীক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা: গ্রেপ্তার যুবক আদালতে

শেয়ার করুন

পাঁচ দফা দাবিতে বন্ধ রংপুর সিটি বাজার

পাঁচ দফা দাবিতে বন্ধ রংপুর সিটি বাজার

কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, ফলমূলসহ সব ধরনের দোকান বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ছবি: নিজবাংলা

সিটি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বিষয়গুলো নিয়ে একাধিকবার সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বসেছি। আশ্বাস এখনও আছে, কিন্তু কাজ হয় না। সে কারণে আমরা এই কর্মসূচি নিয়েছি।’

বাজারে টয়লেট নির্মাণ, পার্কিং ব্যবস্থাসহ পাঁচ দফা দাবিতে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল কর্মসূচি পালন করছে রংপুর সিটি বাজার ব্যবসায়ী সমিতি।

বাজারের সব দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখে সকাল ৬টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু করেন রংপুরের সর্ববৃহৎ কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ীরা। দুপুরে বাজারের সামনে সমাবেশ করছেন তারা।

দাবিগুলো হল আলাদা পুরুষ ও নারী টয়লেট নির্মাণ, গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা, ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গেট নির্মাণ, বাজারে পর্যাপ্ত লাইটিং এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা।

সিটি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বর্ষার দিনে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হয়, এমনিতে প্রতিদিনের ব্যবহৃত পানিই নিষ্কাশন হয় না। ব্যবসায়ী এবং ক্রেতাদের জন্য কোনো টয়লেট নেই, নেই কোন পার্কিং।

‘বিষয়গুলো নিয়ে একাধিকবার সিটি করপোরেশনের সঙ্গে বসেছি। আশ্বাস এখনও আছে, কিন্তু কাজ হয় না। সে কারণে আমরা এই কর্মসূচি নিয়েছি।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন ছোট বাবু বলেন, ‘বাজারে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশন এবং টয়লেট না থাকায় অনেক সমস্যা। আমরা চাই, এ সব সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হোক।

পাঁচ দফা দাবিতে বন্ধ রংপুর সিটি বাজার

সিটি বাজারের ব্যবসায়ী ফয়সাল আহমেদ সজীব বলেন, ‘ব্যবসায়ী নেতাদের সিদ্ধান্তে আমরা আজ দোকান খুলি নাই। সন্ধ্যা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।’

এদিকে, কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, ফলমূলসহ সব ধরনের দোকান বন্ধ থাকায় বিপাকে পরেছেন সাধারণ ক্রেতারা। অনেকেই বাজার করতে এসে ঘুরে যাচ্ছেন।

সাত মাথা এলাকার সেকেন্দার আলী বলেন, ‘কিছু আপেল, খেজুর আর কাঁচাবাজার করার জন্য আসছি। এসে দেখি সব বন্ধ। এখন বাজার না করেই ফিরে যেতে হচ্ছে। এখন অন্য কোথাও থেকে নিতে হবে। এটা আমাদের জন্য হয়রানি।’

মাহফুজা আক্তার নামে আরেক ক্রেতা বলেন, ‘আমি মাছ কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু বাজার বন্ধ। মাছ না কিনে ফিরে যাচ্ছি।’

নিউজাবংলাকে রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, ‘বাজারে ড্রেন তো আছেই। এ ছাড়া নতুন শেড তৈরি করা হয়েছে। প্রতিদিন সিটি করপোরেশনের ২৫ জন লেবার কাজ করে। আমি রংপুরের বাইরে আছি। তারা কেন আন্দোলন করছে, রংপুরে ফিরে বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলব।’

আরও পড়ুন:
‘গেমিং ল্যাপটপের জন্য খুন হয় শিশু ইয়ামিন’
অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে
মায়ের কাছ থেকে শিশুকে ‘অপহরণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ১
কিশোরীকে ‘অপহরণ’, থানায় অভিযোগ
পরীক্ষার্থী অপহরণচেষ্টা: গ্রেপ্তার যুবক আদালতে

শেয়ার করুন