চবিতে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে ইমামকে পিটুনি

player
চবিতে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে ইমামকে পিটুনি

বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগে ইমামকে গণপিটুনি দেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রত্যক্ষদর্শী ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের ছাত্র জুবায়ের নূর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ক্যান্টিনের এক ছেলেকে পেছনের বাগানে বলাৎকারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যান শহিদুল। কিছুক্ষণ পর ছেলেটি চিৎকার করলে তার ভাই ও কয়েকজন ছাত্র হাতেনাতে শহিদুলকে আটক করে। পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে পেটায়।’ 

ক্যান্টিনে কর্মরত এক কিশোরকে বলাৎকারের চেষ্টার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স মসজিদের পেশ ইমামকে পিটুনি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ইমামের নাম শহিদুল ইসলাম। তার বাড়ি হাটহাজারী উপজেলায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ফরেস্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের ছাত্র জুবায়ের নূর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ক্যান্টিনের এক ছেলেকে পেছনের বাগানে বলাৎকারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যান শহিদুল। কিছুক্ষণ পর ছেলেটি চিৎকার করলে তার ভাই ও কয়েকজন ছাত্র হাতেনাতে শহিদুলকে আটক করে। পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তাকে পেটায়।

‘ছেলেটির বয়স ১৩ থেকে ১৪ বছর হবে। তার বড় ভাইও ক্যান্টিনে কাজ করে। এর আগে তাকেও (বড় ভাইকে) যৌন হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা ওই ইমামকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে তার পরিবারের লোকজন এসে চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যান।’

তদন্ত কমিটি করে ওই ইমামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া।

আরও পড়ুন:
চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’
ছাত্র বলাৎকার মামলায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা জেলে
মাদ্রাসায় শিশু ‘বলাৎকার’, শিক্ষক পলাতক
মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম জানান, আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া হরিশপুর গ্রামের আছিয়া খাতুন ও মোহনপুর লাহিড়ীপাড়া গ্রামের রমজান আলী।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম।

এজাহারে বলা হয়, আছিয়া খাতুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই রমজান আলীর বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক চলে আসছিল। এর জেরে রমজান আলী আছিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু আছিয়া খাতুন তার স্বামী জীবিত আছে এমন কারণ দেখিয়ে বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

পরবর্তী সময়ে প্রেমের বাধা দূর করতে পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক ২০১৬ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তারা আছিয়ার স্বামী আবু বক্কার মন্ডলকে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবু হানিফ উল্লাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’
ছাত্র বলাৎকার মামলায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা জেলে
মাদ্রাসায় শিশু ‘বলাৎকার’, শিক্ষক পলাতক
মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

শেয়ার করুন

‘দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই’

‘দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই’

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ চান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। ছবি: নিউজবাংলা

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। এটা দেখে যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের বিবেক ঘুমিয়ে রয়েছে। আজকে তাদের ওপর হামলা, কালকে আমাদের ওপর- এভাবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বেড়ে চলছে। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ‌‌‌‌‌‌‌‌হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় তারাও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ চান।

মানববন্ধনে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রাজু বড়ুয়া বলেন, ‘শাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শিক্ষার্থীদের দাবি না মেনে উল্টো হামলা চালিয়েছে। এমন অযোগ্য ব্যক্তি ভিসি থাকতে পারে না, তার অপসারণ চাই।’

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। এটা দেখে যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের বিবেক ঘুমিয়ে রয়েছে।

‘আজকে তাদের ওপর হামলা, কালকে আমাদের ওপর- এভাবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বেড়ে চলছে। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার আন্দোলনের চতুর্থ দিনে এসে তা সহিংসতায় রূপ নেয়।

এদিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করলে সন্ধ্যায় অ্যাকশনে যায় পুলিশ। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ক্যাম্পাস। লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ছুড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের সামনে অবস্থা নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, ভিসির নির্দেশেই পুলিশ হামলা ও গুলি চালিয়েছে।

এই বিক্ষোভের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও হল ছাড়ার নির্দেশনা আসে। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে রোববার রাত থেকেই আন্দোলন শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরাও এসে যোগ দেন এই বিক্ষোভে। তারা উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

সোমবার আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ফলে মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাসে এসেও নিজেদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তাদের নিজ নিজ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

মঙ্গলবারও উপাচার্যের বাসভভনের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বাসভভনের ভেতরেই রয়েছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

সোমবার উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদে দাবি করেন, এই আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে বহিরাগতরা।

আরও পড়ুন:
চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’
ছাত্র বলাৎকার মামলায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা জেলে
মাদ্রাসায় শিশু ‘বলাৎকার’, শিক্ষক পলাতক
মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

শেয়ার করুন

শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলা-গুলির অভিযোগ পুলিশের

শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলা-গুলির অভিযোগ পুলিশের

শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। গুলি ছুড়েছে। আমাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।

মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় দুই-তিনশ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে সোমবার রাতে সিলেটের জালালাবাদ থানায় এই মামলা করেন।

তিন দফা দাবিতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রোববার সন্ধ্যায় পুলিশের সংঘর্ষ হয়। অবরুদ্ধ উপাচার্যকে মুক্ত করতে গিয়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করলে এই সংঘাত বাধে। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে পুলিশ তাদের ওপর হামলা ও গুলি করে।

তবে এবার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ এনে মামলা করল পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, রোববার আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ ‘উচ্ছৃঙ্খল’ শিক্ষার্থী পুলিশের কাজে বাধা দেয়।

সরকারি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ ছাড়া পুলিশকে লক্ষ্য করে শিক্ষার্থীরা গুলি ছোড়ে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।

এতে মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখসহ ১০ জন পুলিশ আহত হন বলে উল্লেখ করা হয় মামলায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই দিন পুলিশ ২১টি সাউন্ড গ্রেনেড ও ৩২ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু খালেদ মামুন বলেন, ‘রোববারের যে ঘটনা তার পরিপ্রেক্ষিতে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় দুই থেকে তিনশজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।’

তবে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। গুলি ছুড়েছে। আমাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’

পুলিশের গুলি ছোড়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সোমবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়া মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুলিশ কোনো গুলি ছোড়েনি। ওই দিন ক্যাম্পাসে গুলি আনেনি পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’
ছাত্র বলাৎকার মামলায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা জেলে
মাদ্রাসায় শিশু ‘বলাৎকার’, শিক্ষক পলাতক
মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

শেয়ার করুন

বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত ২ শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর

বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত ২ শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর

পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাইয়ের বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত তিন শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে সোলাইমান ও মো. রবিন নামে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।’

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার সোনাপাহাড় এলাকায় অবস্থিত বিএসআরএম কারখানায় কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়েছেন ৩ শ্রমিক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

এরমধ্যে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার।

মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাইয়ের বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত তিন শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে সোলাইমান ও মো. রবিন নামে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অপর আহত শ্রমিক হলেন মো. শাহিন।’

তারা তিনজনই কারখানার বিদ্যুৎ বিভাগে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত বলে জানান জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন। তিনি বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যা থেকে তারা কারখানায় বিদ্যুতের কাজ করছিলেন। হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে তিনজন আহত হন। পরে কারখানার সহকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।’

বিএসআরএম-এর ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা তাদের চিকিৎসার বিষয়ে সহযোগিতা করছি।’

আরও পড়ুন:
চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’
ছাত্র বলাৎকার মামলায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা জেলে
মাদ্রাসায় শিশু ‘বলাৎকার’, শিক্ষক পলাতক
মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

শেয়ার করুন

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

ফাইল ছবি

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এমাইদুল জিহাদী বলেন,

গাজীপুরের পূবাইল ও কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

পূবাইলের তালটিয়ায় সকাল ৯টায় ও কালীগঞ্জের চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৃথক এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এমাইদুল জিহাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘তাৎক্ষণিক নিহত দুই যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাদের একজনের বয়স আনুমানিক ১৮ বছর ও অন্যজনের ৩০/৩৫ বছর।’

এসআই জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলওয়ে সড়কে চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনের হুকে করে যাচ্ছিলেন এক যুবক। কালিগঞ্জের দড়িপাড়া রেলক্রসিং পার হওয়ার পর চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় ট্রেন জাম্প করলে তিনি ছিটকে পড়ে যান। এতে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, ওই রেলওয়ে সড়কের পূবাইল স্টেশনের অদূরে তালটিয়া এলাকায় আরও এক যুবক নিহত হন। সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এসআই এমাইদুল জিহাদী বলেন, ‘নিহত দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের পর নাম-পরিচয় পাওয়া না গেলে বেওয়ারিশ হিসেবে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনের পাশের কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।’

আরও পড়ুন:
চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’
ছাত্র বলাৎকার মামলায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা জেলে
মাদ্রাসায় শিশু ‘বলাৎকার’, শিক্ষক পলাতক
মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচন: নৌকা প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল

ইউপি নির্বাচন: নৌকা প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল

নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘তোতার পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুলের বিষয়টা আমার জানা ছিল না। এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। এটা একটা অনেক বড় ভুল। এমন ভুল করা উচিত নয়।’

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল হওয়ায় শুরু হয়েছে সমালোচনা।

এ বিষয়ে ওই প্রার্থীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা বলছেন, পোস্টার ছাপানোর আগে ও পরে ওই প্রার্থীর বানান দেখে নেয়া উচিত ছিল।

ইউপি নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপে নিয়ামতপুর উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ভোট হবে। তার মধ্যে ২ নম্বর চন্দননগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খালেকুজ্জামান তোতা।

১০ থেকে ১৫ দিন ধরে পুরো ইউনিয়নে ঝুলছে তার নির্বাচনি পোস্টার। পোস্টারে জয় বঙ্গবন্ধুর জায়গায় লেখা জয় বঙ্গন্ধু।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল নিয়ে পুরো এলাকায় চলছে সমালোচনা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত যেন এসব পোস্টার নামিয়ে ফেলা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তোতার পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুলের বিষয়টা আমার জানা ছিল না। এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। এটা একটা অনেক বড় ভুল। এমন ভুল করা উচিত নয়।

‘বঙ্গবন্ধু আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। একটা অনুভূতির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পোস্টারগুলো ছাপানোর আগে ও পরে ভালো করে বানান চেক করা উচিত ছিল। আমি ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বলব, তিনি যেন ভুল বানানের পোস্টারগুলো দ্রুত সরিয়ে নেন। আর অন্যরাও যেন এমন ভুল না করে সে বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তোতাকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ধরেননি।

আরও পড়ুন:
চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’
ছাত্র বলাৎকার মামলায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা জেলে
মাদ্রাসায় শিশু ‘বলাৎকার’, শিক্ষক পলাতক
মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে একাদশে ভর্তির আবেদন এক লাখ ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর

চট্টগ্রামে একাদশে ভর্তির আবেদন এক লাখ ৪৩ হাজার শিক্ষার্থীর

প্রথম পর্যায়ের আবেদনের সময় শেষ হলেও পুনঃনিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবে ২২ ও ২৩ জানুয়ারি। আর প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৯ জানুয়ারি। ৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে বলে শিক্ষাবোর্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে একাদশে ভর্তির অনলাইনে আবেদনের বর্ধিত সময় ১৭ জানুয়ারি রাত ১২ টায় শেষ হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে চট্টগ্রামে এসএসসি উত্তীর্ণ ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক জাহেদুল হক মঙ্গলবার দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২০২১ সালে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পাস করেছে।

এরমধ্যে একাদশে বিভিন্ন কলেজে ভর্তির জন্য ১ লাখ ৪৩ হাজার ৭১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এই হার প্রায় ৯৯ শতাংশ।

প্রথম পর্যায়ের আবেদনের সময় শেষ হলেও পুনঃনিরীক্ষায় ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা নতুন করে আবেদনের সুযোগ পাবে ২২ ও ২৩ জানুয়ারি। আর প্রথম দফায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৯ জানুয়ারি।

৩০ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ২ মার্চ থেকে একাদশে ক্লাস শুরু হবে বলে শিক্ষাবোর্ডের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

একাদশে ভর্তিতে অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে গত ৮ জানুয়ারি থেকে। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ে আবেদন গ্রহণের কথা থাকলেও পরে এ সময়সীমা ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

আরও পড়ুন:
চকলেট দিতে ডেকে নিয়ে শিশুকে ‘বলাৎকার’
ছাত্র বলাৎকার মামলায় প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা জেলে
মাদ্রাসায় শিশু ‘বলাৎকার’, শিক্ষক পলাতক
মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

শেয়ার করুন