কুড়িলে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার

player
কুড়িলে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার

রাজধানীতে এবিটির সদস্য গ্রেপ্তার।

এটিইউ পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইং) মোহাম্মদ আসলাম খান জানান, আকরামুজ্জামান মোহাম্মদপুরের জামিয়া আশরাফিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা ঢাকা থেকে দাওরাহ্ পাস করেছেন। তার কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিম বা এবিটির এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট- এটিইউ।

মঙ্গলবার বিকেলে আকরামুজ্জামান ওরফে আবু আসেম আল মাহদি নামে এই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ি পটুয়াখালীর কোটালীপাড়ায়।

বুধবার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন এটিইউ পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস উইং) মোহাম্মদ আসলাম খান।

তিনি জানান, আকরামুজ্জামান মোহাম্মদপুরের জামিয়া আশরাফিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা ঢাকা থেকে দাওরাহ্ পাস করেছেন। তার কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।

এটিইউ জানায়, আকরামুজ্জামান ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অনলাইনে উগ্রবাদ প্রচার করছিলেন। রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী এবং ধর্মীয় উসকানিমূলক ও উগ্রবাদী বিভিন্ন পোস্ট-বক্তব্য দিতেন।

এ ছাড়া নিজেদের মতবাদ প্রচারের মাধ্যমে অনলাইনে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি)’ এর পক্ষে সদস্য সংগ্রহের কাজ করছিলেন আকরামুজ্জামান।

গ্রেপ্তার আকরামুজ্জান উগ্রবাদী বিভিন্ন বই ও বক্তৃতা অনলাইনে পোস্ট করে আগ্রহীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাসহ তাদের উগ্রবাদে আহ্বান করছিলেন।

তার বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জের শিবালয় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ছিল। মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার
‘আনসারুল্লাহর’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সুবিধা না বাড়লে ৫০ ভাগ ব্যবসায়ীই খেলাপি: এফবিসিসিআই

সুবিধা না বাড়লে ৫০ ভাগ ব্যবসায়ীই খেলাপি: এফবিসিসিআই

মতবিনিময় সভায় শনিবার কথা বলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতারা জানান, করোনা মহামারির মধ্যে এখনও দেশের ব্যবসা বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। এমন অবস্থায় ঋণের কিস্তি পরিশোধে অন্তত জুন পর্যন্ত সময় দাবি করেন তারা।

ঋণ শ্রেণিকরণ সুবিধার মেয়াদ না বাড়ালে অন্তত ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ীর খেলাপি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি (এফবিসিসিআই)

শনিবার কাউন্সিল অব চেম্বার প্রেসিডেন্টস-২০২২ এর মতবিনিময় সভায় এমন আশঙ্কার কথা জানান এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।

কাউন্সিল অব চেম্বার প্রেসিডেন্টস এর সভাপতি ও এফবিসিসিআই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় সারাদেশ থেকে আগত জেলা, সিটি ও নারী উদ্যোক্তাদের চেম্বারগুলোর সভাপতি, সহ-সভাপতিরা বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ী নেতারা জানান, করোনা মহামারির মধ্যে এখনও দেশের ব্যবসা বাণিজ্য ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। এমন অবস্থায় ঋণের কিস্তি পরিশোধে অন্তত জুন পর্যন্ত সময় দাবি করেন তারা।

তারা বলেন, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার পর এখন ওমিক্রন ধরনের সংক্রমণে আবারও ব্যবসা বাণিজ্যে নাজুক পরিস্থিত তৈরি হয়েছে। এমন অবস্থায় অনেক ব্যবসায়ীর ঋণের কিস্তি দেয়ার সক্ষমতা নেই।

ব্যবসায়ীরা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক সময় না বাড়ালে ঋণগ্রহীতাদের অনেকেই খেলাপি হবেন, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হবে।

এ সময় ব্যবসায়ীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানান এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘ঋণ শ্রেণিকরণ সুবিধার মেয়াদ না বাড়ালে অন্তত ৫০ শতাংশ ব্যবসায়ী খেলাপি হবেন।

‘তাই মহামারিকালীন মন্দা কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা এখন আগের চেয়ে আরও বেশি দরকার। তা না হলে, ব্যবসা বাণিজ্য ও অর্থনীতি পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে সরকারের নির্দেশে যেসব খাতের ব্যবসায়ীক কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল, সে খাতগুলোই এখনও প্রণোদনার ঋণ পায়নি। মহামারিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা। কিন্তু অন্যান্য প্রণোদনা তহবিলের অর্থ প্রায় শতভাগ ছাড় হলেও, এসএমই প্রণোদনার বড় অংশ বিতরণ হয়নি। ’

ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে ছোট আকারের ঋণ দিতে ব্যাংকগুলোর অনীহা আছে উল্লেখ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘ব্যাংকগুলো মনে করে ছোট আকারের ঋণ দেয়া লাভজনক নয়। বড় ব্যবসা খাতে ঋণ দিলে ব্যাংকের জনবল ও খরচ কম হয়। কিন্তু এ ধারণা ভুল, বরং এতে মন্দ ঋণের ঝুঁকি বাড়ে। এসএমই খাতে খেলাপি ঋণ নেই বললেই চলে।’

দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের নীতি নির্ধারণী বৈঠকে বেসরকারিখাতকে রাখার আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘অর্থনীতিতে ৮২ শতাংশ অবদান রাখছে বেসরকারিখাত। তাই বেসরকারিখাতের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে যে কোন নীতি প্রণয়নে এফবিসিসিআইর মতামত থাকা জরুরি। ’

আরও পড়ুন:
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার
‘আনসারুল্লাহর’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত: বাসের চালক-সহকারী গ্রেপ্তার

অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত: বাসের চালক-সহকারী গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি

র‌্যাব-১০-এর কর্মকর্তা এনায়েত কবীর সোয়েব শনিবার বিকেলে বাসের চালক ও সহকারীকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানান।

রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় সেন্টমার্টিন পরিবহনের বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হওয়ার ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সেন্টমার্টিন ট্রাভেলসের চালকের সহকারী কোরবান আলীকে যাত্রাবাড়ী থেকে এবং বেলা সাড়ে ৩টার দিকে মানিকগঞ্জ থেকে চালক দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১০-এর অপারেশন অফিসার এএসপি এনায়েত কবীর সোয়েব এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবার দুর্ঘটনায় নিহত আব্দুর রহমানের ছেলে বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করেন। দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর থেকে র‌্যাব-১০ ছায়া তদন্ত শুরু করে ও জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

‘গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০ এর একটি দল যাত্রাবাড়ী মিরহাজারিবাগ এলাকা থেকে সেন্টমার্টিন ট্রাভেলসের চালকের সহকারী কোরবান আলীকে সকালে গ্রেপ্তার করে। এরপর বিকেলে মানিকগঞ্জ চিকার ঘোনা গ্রাম থেকে চালক দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে।’

এর আগে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনায় নিহত হন ৬০ বছর বয়সী আব্দুর রহমান, ৪০ বছরের রিয়াজুল ইসলাম ও ৩৫ বছর বয়সী মোছাম্মৎ শারমিন। তারা বরিশাল থেকে লঞ্চে ঢাকায় এসে অটোরিকশায় করে মাতুয়াইলের বাসায় যাচ্ছিলেন।

দুর্ঘটনায় আহত হন অটোরিকশার চালক ৩৫ বছর বয়সী রফিকুল ইসলাম ও ছয় বছরের বৃষ্টি। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনায় হতাহত চারজনেরই গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুরে৷ মাতুয়াইলে ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা।

আরও পড়ুন:
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার
‘আনসারুল্লাহর’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ভাষানটেকে ভবন থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

ভাষানটেকে ভবন থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ভাষানটেক থেকে একজন নির্মাণ শ্রমিককে ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় একটি বহুতল ভবন থেকে পড়ে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম বাদল মিয়া। বয়স ৪৫ বছর। শনিবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের সঙ্গে কাজ করা আরেক শ্রমিক গুলজার হোসেন বুলু বলেন, ‘মাটিকাটা দেওয়ানপাড়া এলাকায় বহুতল ভবনের চতুর্থ তলায় কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত দ্বিতীয় তলার ছাদে পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

তিনি আরও জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার সোনাতলা এলাকায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ভাষানটেক থেকে একজন নির্মাণশ্রমিককে ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার
‘আনসারুল্লাহর’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

অডিটর নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁস, গ্রেপ্তার ১০

অডিটর নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁস, গ্রেপ্তার ১০

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতরা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ে ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের ৫৫০ জন অডিটর পদে নিয়োগের জন্য ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে শুক্রবার বিকেলে এমসিকিউ পরীক্ষা হয়। চাকরি প্রত্যাশীদের অনেকে অভিযোগ তোলেন, এই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। যার সত্যতা পেল ডিবি পুলিশও।

প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ে ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টে অডিটর পদসহ বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং উত্তর সরবরাহের অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বরখাস্তকৃত সরকারি কর্মকর্তা ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানও।

প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ে ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের ৫৫০ জন অডিটর পদে নিয়োগের জন্য ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ পর্যন্ত ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা হয়। চাকরি প্রত্যাশীদের অনেকে অভিযোগ তোলেন, এই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশও এর সত্যতা পেয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস ও আগেই উত্তর সরবরাহ করার অভিযোগে শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুর, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও কাকরাইল এলাকা থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নোমান সিদ্দিকী, মাহমুদুল হাসান আজাদ, আল আমিন রনি, নাহিদ হাসান, শহীদ উল্লাহ, তানজির আহমেদ, মাহবুবা নাসরীন রুপা, রাজু আহমেদ, হাসিবুল হাসান ও রাকিবুল হাসান।

তাদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান আজাদ হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (সিজিএ) অফিসের বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা এবং মাহবুবা নাসরীন রুপা বগুড়ার ধ্রুপচাঁচিয়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ইয়ার ডিভাইস ৬টি, মাস্টার কার্ড মোবাইল সিম হোল্ডার ৬টি, ব্যাংকের চেক ৫টি, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৭টি, স্মার্ট ফোন ১০টি, বাটন মোবাইল ৬টি, প্রবেশপত্র ১৮টি ও অডিটর নিয়োগ পরীক্ষার ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র তিন সেট জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ কাকরাইলের নিউ শাহিন হোটেল থেকে অসাধু উপায় অবলম্বনকারী দুজন পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাফরুল সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ডিভাইস, প্রশ্নপত্র ও উত্তর পত্রের খসড়াসহ আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশের আরও একটি দল বিজিপ্রেস উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী এবং অন্যতম পরিকল্পনাকারী মাহবুবা নাসরীন রূপাকে টাকা, ডিজিটাল ডিভাইসসহ গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যমতে অপর আসামিদেরকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে মাহমুদুল হাসন আজাদ, নাহিদ হাসান, অল আমিন সিদ্দিকী আগেও প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ২০১৩, ২০১৬ এবং ২০১৯ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। আসামিরা অন্যান্য আসামিদের যোগসাজশে বিভিন্ন অ্যাপ, ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা হল থেকে প্রশ্ন ফাঁস করে দেয়া, বাইরের রুমে ওয়ানস্টপ সমাধান কেন্দ্র বসিয়ে স্মার্ট ওয়াচ, এয়ার ডিভাইস, মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে উত্তর সরবরাহ করার কাজ করতেন।

ডিবি পুলিশ জানায়, এর আগে গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন ব্যাংক, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন হিসাব নিরীক্ষক কার্যালয়, জ্বালানি অধিদপ্তর, সমবায় অধিদপ্তর, খাদ্য অধিদপ্তর, সাধারণ বিমা করপোরেশনসহ অন্যান্য সংস্থার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং উত্তরপত্র সরবরাহ করে বিপুল অঙ্কের টাকা বিভিন্ন ব্যাংক, বিকাশের মাধ্যমে এবং নগদে হাতিয়ে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার
‘আনসারুল্লাহর’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার রাতে মোহাম্মদ আমির হোসেন আকন্দ নিহত হন। তার বয়স ২৮ বছর।

নিহতের ভগ্নিপতি রুবেল হোসেন বলেন, ‘আমার শ্যালক আমির দোকানে দোকানে পানি সাপ্লাইয়ের কাজ করত। রাতে আমার বাসা থেকে সালাম নামের একজন ডেকে নিয়ে যায়, পরে রাস্তায় তাকে ছুরিকাঘাত করে বালাম, কবীর ও হুমায়ুন।

‘রক্তাক্ত অবস্থায় আমিরের বন্ধু মিলন ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে ডাক্তার রাত পৌনে ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

রুবেলের দাবি, ‘৫ থেকে ৬ মাস আগে কবীর ও হুমায়ুনের একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর জের ধরেই আজকে তাকে ছুরিকাঘাত করে মেরে ফেলেছে। এ ঘটনায় সালামকে আমরা আটক করে মোহাম্মদপুর থানায় দিয়েছি।’

নিহত আমিরের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার ছোট কৃষ্ণনগর গ্রামে। বর্তমানে লালবাগের শহীদ নগর ৫ নম্বর গলি এলাকায় ভাড়া থাকতেন। পাঁচ ভাই, তিন বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন আমির।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার
‘আনসারুল্লাহর’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ট্রান্সজেন্ডার নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা

ট্রান্সজেন্ডার নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা

শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা থানায় ভুক্তভোগীর করা মামলায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এক বাসায় ট্রান্সজেন্ডার এক নারীকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক নারীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নারী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা থানায় ভুক্তভোগীর করা মামলায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ওসি সাজেদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মামলাটি আজই (শুক্রবার) হয়েছে। তদন্তে অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মামলার আসামিদের দুজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন রিশু ও সাইমা নিরা। অন্যজন অজ্ঞাত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ট্রান্সজেন্ডার নারী একজন মেকআপ আর্টিস্ট। সে সূত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। ১০ জানুয়ারি বিকেলে ওই যুবকের সঙ্গে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি-সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টের সামনে তার দেখা হয়। ওই যুবক কথার একপর্যায়ে জানান, তার স্ত্রী ওই ট্রান্সজেন্ডার নারীর ভক্ত। স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য তাকে তার বাসায় যাওয়ার অনুরোধ করেন।

এজাহারে ভুক্তভোগী জানান, তিনি ওই যুবকের কথা বিশ্বাস করে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সি ব্লকে ৫ নম্বর সড়কের এক বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে যান। সেখানে যাওয়ার পর তিনি এক নারী ও আরেকজন পুরুষকে দেখতে পান।

ওই তিনজন ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে। এতে বাধা দিলে তিনজন তাকে মারধর শুরু করেন এবং বলতে থাকেন এই ভিডিও তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে। এ সময় তিনজন নিজেদের আইনের লোক পরিচয় দেন। তাদের কাছে অস্ত্র ও ওয়াকিটকি ছিল বলে জানান তিনি।

মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়, ভুক্তভোগীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন, সোনার চেইন, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। এরপর তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে বলা হয়, না দিলে মেরে পূর্বাচলে ফেলে দেয়া হবে।

পরবর্তী সময়ে প্রাণ ভিক্ষা চাইলে তাকে থানায় নিয়ে যাবে বলে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরিয়ে রাত ৮টার দিকে রামপুরা এলাকায় একটি হাসপাতালের সামনে ফেলে যায়।

এদিকে ট্রান্সজেন্ডার ওই ব্যক্তির অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটের অভিযুক্ত নারী। একটি রেডিওতে আরজে হিসেবে কাজ করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে তার কখনও দেখা হয়নি। আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।’

কোনো পরিচয় না থাকলে কেন তাকে ফাঁসানো হচ্ছে- এমন প্রশ্নে ওই নারী বলেন, ‘আমার কাছ থেকে টাকা আদায় করার জন্য এমনটি করতে পারে। আর ওই ট্রান্সজেন্ডার যে মিথ্যাচার করছে, তার সব প্রমাণসহ আমার ফেসবুকে পোস্ট দেব। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকেও জানাব।’

আরও পড়ুন:
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার
‘আনসারুল্লাহর’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

দুই বাসের চাপায় মৃত্যু: মামলার প্রতিবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি

দুই বাসের চাপায় মৃত্যু: মামলার প্রতিবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি

দুর্ঘটনায় পড়া বাসটিকে রেকারে করে সরিয়ে নিচ্ছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার বিকেলে মগবাজার মোড়ে এসে প্রতিযোগিতা করতে থাকে আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের দু’টি বাস। এই রেষারেষির পাল্লায় বাস দুটির মাঝখানে চাপা পড়ে কিশোর রাকিব।

রাজধানী মগবাজারে দুই বাসের রেষারেষিতে চাকায় পিষ্ট হয়ে কিশোর মো. রাকিবের মৃত্যুর ঘটনায় হওয়া মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখ ঠিক করেছে আদালত।

ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী শুক্রবার মামলার এজাহার গ্রহণ করে রমনা থানার উপ-পরিদর্শক আবুল খায়েরকে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মগবাজার মোড়ে এসে প্রতিযোগিতা করতে থাকে আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের দু’টি বাস। এই রেষারেষির পাল্লায় বাস দুটির মাঝখানে চাপা পড়ে কিশোর রাকিব। গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জানান যে সে মারা গেছে।

এ ঘটনায় রাকিবের বাবা নুরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাতে রমনা থানায় সড়ক দুর্ঘটনা আইনে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার
‘আনসারুল্লাহর’ দুই সদস্য গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন