অর্থনৈতিক সংকটেও বিপুল বেতন নিচ্ছেন তালেবান নেতারা

player
অর্থনৈতিক সংকটেও বিপুল বেতন নিচ্ছেন তালেবান নেতারা

আগে থেকেই বিদেশি সহায়তানির্ভর আফগানিস্তান তালেবানের শাসনে অর্থনৈতিকভাবে আরও কোণঠাসা হয়েছে পড়েছে। ফাইল ছবি/এএফপি

অর্থ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়ালি হাকমাল বলেন, ‘আগের সরকারের বেতন স্কেল অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক। একেক বিভাগে একেক রকম বেতন। এর বদল হওয়া দরকার।’

আফগানিস্তানে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও বেতন হিসেবে বিপুল পরিমাণ টাকা নিচ্ছেন শীর্ষ তালেবান নেতারা। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানে সবার চেয়ে বেশি বেতন নেন তালেবানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোল্লা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা।

রোববার আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম টোলোনিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়েছে, বেতন হিসেবে মাসে ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫০ আফগানি নেন হিবাতুল্লাহ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আফগানিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বেতন ১ লাখ ৯৮ হাজার আফগানি, মন্ত্রীদের বেতন ১ লাখ ৩৭ হাজার আফগানি এবং প্রাদেশিক গভর্নরদের বেতন ৯৭ হাজার ৫০০ আফগানি।

এছাড়া প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের বেতন ২৫ হাজার ২০০ আফগানি থেকে ৩০ হাজার ৫০০ আফগানি এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের বেতন ১৬ হাজার ৬০০ আফগানি থেকে সর্বনিম্ন ২ হাজার ৬০০ আফগানি।

এর আগে শনিবার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বেতন কমানোর কথা জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়ালি হাকমাল বলেন, ‘আগের সরকারের বেতন স্কেল অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক। একেক বিভাগে একেক রকম বেতন। এর বদল হওয়া দরকার।’

চলতি বছরের আগস্টে তালেবান দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তার আগে থেকেই সরকারি বিভিন্ন খাতে বেতন পরিশোধ অনিয়মিত হয়ে পড়েছিল বলে জানিয়েছেন অনেক কর্মী।

তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে গচ্ছিত শতকোটি ডলার অর্থ জব্দ করেছে আমেরিকান ও ইউরোপিয়ান প্রশাসন। বিদেশি সহায়তানির্ভর আফগানিস্তানের জন্য বরাদ্দ বিপুল অঙ্কের অনুদান বাতিল করেছে পশ্চিমা বিশ্ব।

আফগানিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে তালেবানশাসিত সরকারকে সরাসরি অর্থ সহায়তা দিতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। তহবিল স্থগিত করেছে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও।

এমন পরিস্থিতিতে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রায় তিন মাস পরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেয়া শুরু করেছে তালেবান সরকার।

আরও পড়ুন:
কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার
আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই
যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভারতে বিরল প্রজাতির কচ্ছপের পিঠে জিপিএস ট্রান্সমিটার

ভারতে বিরল প্রজাতির কচ্ছপের পিঠে জিপিএস ট্রান্সমিটার

টানা দু'বছর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জিপিএস ট্র্যাকিং লাগিয়ে নদীতে ছাড়া হলো কচ্ছপগুলোকে। ছবি: সংগৃহীত

বাটাগুর বাসকার বাসস্থান কেমন? বংশবিস্তার কেমন করে হয়, কেমন পরিবেশ ভালোবাসে? কিভাবেই বা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়? এসব তথ্য জানতে বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের শরীরে জিপিএস ট্রান্সমিটার বসানো হয়েছে।

ভারতের সুন্দরবনে বিরল প্রজাতির কচ্ছপ বাটাগুর বাসকার জীবনচক্র জানতে প্রথমবারের মত পূর্ণবয়স্ক ১০ টি কচ্ছপের শরীরে জিপিএস ট্রান্সমিটার বসিয়ে নদীতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তাদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার খুঁটিনাটি জানতে এই উদ্যোগ নিয়েছে সুন্দরবন বাঘ প্রকল্পের কর্মকর্তারা।

বাঘ প্রকল্পের ডেপুটি ডিরেক্টর জোন্স জাস্টিন বলেন, 'বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের সফল প্রজনন ইতিমধ্যে আমরা করতে সক্ষম হয়েছি ।

তবে এদের বাসস্থান কেমন? বংশবিস্তার কেমন করে হয়, কেমন পরিবেশ ভালোবাসে? কিভাবেই বা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যায়? এসব তথ্য জানতে বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের শরীরে জিপিএস ট্রান্সমিটার বসানো হয়েছে।'

বুধবারের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাঘ প্রকল্পের ডিরেক্টর তাপস দাস, ডেপুটি ডিরেক্টর জাস্টিন জোন্স এবং টারটেল সারভাইভাল অ্যালায়েন্স প্রোগ্রামের কর্মীবৃন্দ।

এদিন সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে ছাড়া হয় ১২ টি পূর্ণ বয়স্ক এবং ৩৭০ টি বাচ্চা কচ্ছপ। প্রথমে কচ্ছপ গুলোকে সজনেখালি ম্যানগ্রোভ সেন্টারসহ অন্যান্য ক্যাম্পের বিশেষ পুকুরে করে রাখা হয়েছিল । সেখানে কচ্ছপগুলো যাতে প্রকৃতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে, সেজন্য পুকুরে জোয়ার ভাটার জল ঢোকা এবং বেরোনোর ব্যবস্থা ছিল ।

টানা দু'বছর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আমেরিকা থেকে আনা জিপিএস ট্র্যাকিং মেশিন লাগিয়ে নদীতে ছাড়া হলো কচ্ছপগুলোকে।

বিগত ন'বছর ধরে বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের প্রজনন করিয়েছেন সুন্দরবন বাঘ প্রকল্পের কর্মীরা। ৩ টি পুরুষ ও ৭টি নারী কচ্ছপ নিয়ে শুরু হয় প্রথম পর্বের প্রজনন। আগেও প্রজনন করিয়ে নদীতে ছাড়া হয় বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির এই কচ্ছপ কিন্তু জিপিএস না থাকায় তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে কিছুই জানা যায়নি।

তাই এবার পরিকল্পনা করে জিপিএস ট্রান্সমিটার লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছে বনদপ্তরের কর্মকর্তারা।

এই প্রজাতির কচ্ছপ মূলত সুন্দরবনের বঙ্গোপসাগর এবং ওড়িশা উপকূলে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু নানা কারণে তা ক্রমশ বিলুপ্তির পথে। সেজন্য বনদপ্তর বাটাগুর বাসকা কচ্ছপের প্রজনন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় এবং তা সফলভাবে এগিয়ে চলেছে। সামনের দিনগুলোতে আরও বাটাগুর বাসকা প্রজাতির কচ্ছপ নদীতে ছাড়া হবে বলে জানান বনদপ্তরের কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার
আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই
যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন

আফগানিস্তানে ইইউ’র ২৬৮ মিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্রতিশ্রুতি

আফগানিস্তানে ইইউ’র ২৬৮ মিলিয়ন ইউরোর সহায়তা প্রতিশ্রুতি

আফগানিস্তানে চলমান অর্থনৈতিক সংকটে সৃষ্ট অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতির ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরও জানিয়েছে, শিক্ষা, চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার মানকেন্দ্রিক বিষয়গুলোতে এই অর্থ ব্যয় হবে।

গত বছর আগস্টে তালেবান গোষ্ঠী ক্ষমতায় আসার পর দেশটির উন্নয়ন সহযোগী ও দাতা সংস্থাগুলো নতুন সরকার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৯ বিলিয়ন ডলার আটকে দেয়। ফলে আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে।

এবার দেশটির ক্রম অবনতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ঠেকাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বেশ কয়েকটি প্রকল্প শুরু করতে যাচ্ছে।

টোলো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইইউ জানিয়েছে, এ প্রকল্পগুলো আফগান জনগণকে বর্তমান পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডে ইইউর অংশগ্রহণের কারণ হলো আমরা কাউকেই পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চাই না। আমরা বহুবার বলেছি, আফগান জনগণকে আমরা কখনোই পরিত্যাগ করব না।

মঙ্গলবার ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, নতুন প্রকল্পগুলোর ব্যয় ২৬৮.৩ মিলিয়ন ইউরো এবং আফগানিস্তানে কাজ করে যাওয়া জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফ, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম, ইউএনডিপি, ইউএনএইচসিআর ও আইওমের মাধ্যমে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরও জানিয়েছে, শিক্ষা, চিকিৎসা ও জীবনযাত্রার মানকেন্দ্রিক বিষয়গুলোতে এই অর্থ ব্যয় হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিশনার জুত্তা ইউরপিলাইনেন বলেন, ‘বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডে ইইউর অংশগ্রহণের কারণ হলো আমরা কাউকেই পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে চাই না। আমরা বহুবার বলেছি, আফগান জনগণকে আমরা কখনোই পরিত্যাগ করব না।‘

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রও আফগানিস্তানকে সর্বমোট ৭০৮ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র এমিলি হর্ন জানিয়েছিলেন, মানবিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যারা আফগানিস্তানে ও আফগান শরণার্থীদের জন্য বাসস্থান, চিকিৎসা ও দরকারি খাদ্য সহায়তা প্রদান করে থাকে। সেসব প্রতিষ্ঠানকে ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ইউএসএআইডি) মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুত ৭০৮ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদান করবে।

ইতিমধ্যে আফগানিস্তানে চলমান অর্থনৈতিক সংকটে সৃষ্ট অতিরিক্ত মুদ্রাস্ফীতির ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে খাদ্যাভাব ও মানবিক সংকটে পড়েছে দেশটি।

জাতিসংঘের তথ্য মতে, দেশটির অর্ধেক মানুষ খাদ্যসংকটে পড়বে। এ ছাড়া লাখ লাখ মানুষ যারা পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গেছে, তাদের সহায়তার জন্যও ব্যাপক অর্থের প্রয়োজন হবে।

আরও পড়ুন:
কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার
আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই
যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন

নতুন প্রজাতির মাকড়সা খুঁজে পেলেন থাই ইউটিউবার

নতুন প্রজাতির মাকড়সা খুঁজে পেলেন থাই ইউটিউবার

থাই ইউটিউবার খুঁজে পেলেন নতুন প্রজাতির মাকড়শা

বন্যজীবন নিয়ে আগ্রহী ইউটিউবার জোচো সিপ্পায়াত, যার কি না ২.৫ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে ইউটিউবে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমের তাক প্রদেশের মুয়েআং তাক জেলায় তার বসবাস।

আগে দেখা যায়নি এমন এক মাকড়সা পাওয়া গেছে থাইল্যান্ডে। তবে কোনো প্রাণীবিদ বা বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ নন, এই মাকড়সা খুঁজে পেয়েছেন দেশটির একজন ইউটিউবার।

খন কায়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের এন্টোমলজি ও প্ল্যান্ট প্যাথোলজি বিভাগের গবেষক চমফুফুয়াং বলেন, এই মাকড়সাগুলো সত্যিই অসাধারণ, এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সব মাকড়সার মধ্যে এটাই প্রথম যে তার বাস্তুসংস্থান বাঁশনির্ভর।

বন্যজীবন নিয়ে আগ্রহী ইউটিউবার জোচো সিপ্পায়াত, যার কি না ২.৫ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে ইউটিউবে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমের তাক প্রদেশের মুয়েআং তাক জেলায় তার বসবাস।

সেখানেই এক জঙ্গলে ভ্রমণের সময় তিনি এই মাকড়সাটি দেখতে পান। তখনই তার সন্দেহ হয় এটি নতুন প্রজাতির মাকড়শা। কারণ এ ধরনের মাকড়সা তিনি আগে দেখেননি।

জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রজাতিগুলো ও তাদের বাসস্থান সম্পর্কে মানুষকে ধারণা দিতে হবে। এরপরে বনাঞ্চলগুলো অবশ্যই বন্যপ্রাণীর জন্য রক্ষা করতে হবে।

তৎক্ষণাৎ সিপ্পায়াত কায়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক চমফুফুয়াংকে ই-মেইলে মাকড়সার ছবি পাঠান। মাকড়সার ছবি পেয়েই চমফুফুয়াং বুঝতে পারেন মাকড়সাটি নতুন কোনো প্রজাতির কিন্তু তা নিশ্চিতের জন্য মাঠপর্যায়ে বিষয়টি অনুসন্ধানের দরকার ছিল।

পরবর্তীতে গবেষক চমফুফুয়াং এই বিরল মাকড়সার বিষয়ে নিশ্চিত হন। এর বৈজ্ঞানিক নাম রাখা হয় taksin bambus । অষ্টাদশ শতকের বিখ্যাত থাই রাজা তাকসিনের নামানুসারে এর নামকরণ।

সাধারণত মাকড়সাদের জঙ্গলের নিচে বা গাছে বাস। এই প্রথম কোনো মাকড়সা পাওয়া গেল যে বাঁশের মাঝখানের ফাপা স্থানে বসবাস করে। তবে গবেষকদের মতে, বাঁশের ভেতরের আর্দ্রতার জন্য এটি এই ধরনের মাকড়সার বসবাসের জন্য সুবিধাজনক।

তবে এই মাকড়সার পক্ষে বাঁশ ফুটো করে ফাপা স্থানে প্রবেশ করা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে তাকে প্রকৃতির অন্যান্য বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে হয়। বাঁশগাছ কোনো কারণে রোগাক্রান্ত হয়ে ফাটল ধরলে কিংবা অন্য কোনো প্রাণী দ্বারা বাঁশে কোনো ফাটল সৃষ্টি হলে সে সেখানে প্রবেশ করে থাকা শুরু করে।

তবে এই মাকড়সা খুঁজে পাওয়ার ঘটনাতেই স্পষ্ট হয়, থাইল্যান্ডের জঙ্গলে আরও কত অজানা প্রাণী বসবাস করছে।

চমফুফুয়াং বলেন, ‘জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রজাতিগুলো ও তাদের বাসস্থান সম্পর্কে মানুষকে ধারণা দিতে হবে। এরপরে বনাঞ্চলগুলো অবশ্যই বন্যপ্রাণীর জন্য রক্ষা করতে হবে।’

তাকসিনাস ব্যামবোস নামের মাকড়সাকে নিয়ে করা গবেষণাপত্র জানুয়ারির ৪ তারিখে যুকেইসে প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার
আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই
যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন

অজ্ঞাতের গুলিতে ছেলেসহ তালেবান কমান্ডার নিহত

অজ্ঞাতের গুলিতে ছেলেসহ তালেবান কমান্ডার নিহত

রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, বন্দুকধারীর হামলায় কমান্ডারের ছেলেও মারা গিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানে ক্ষমতাসীন তালেবানের একজন স্থানীয় কমান্ডারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

টোলো নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারী দেশটির পূর্ব কোনার প্রদেশের নারাং জেলায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটায়। এমনটাই জানিয়েছে নারাং জেলার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, বন্দুকধারীর হামলায় কমান্ডারের ছেলেও মারা গেছে। এ ছাড়া ৪ জন সাধারণ মানুষও প্রাণ হারিয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন।

তবে গত আগস্টে তালেবানরা ক্ষমতায় আসার সময়েই বিমানবন্দরে হামলা চালায় ইসলামিক স্টেট। দেশটিতে আইএসের উপস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উৎকণ্ঠা রয়েছে।

তবে স্থানীয় গোয়েন্দা বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডটি ব্যক্তিগত বিরোধের থেকে হয়ে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন:
কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার
আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই
যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন

এরদোয়ানের আমন্ত্রণে তুরস্ক যাচ্ছেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট

এরদোয়ানের আমন্ত্রণে তুরস্ক যাচ্ছেন ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট

ফিলিস্তিনের সমর্থক হিসেবে পরিচিত এরদোয়ান সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চান ইসরায়েলের সঙ্গে। ছবি: সংগৃহীত

এ ছাড়া ইসরায়েল থেকে তুরস্ক হয়ে ইউরোপে গ্যাস রপ্তানিসংক্রান্ত বিষয়ে দেশটির সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এরদোয়ান।

বেশ কয়েক বছর ধরেই ইসরায়েলের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। বিশেষ করে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণা করার পর থেকেই ইসরায়েল বিরোধিতায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান কোনো রাখঢাক রাখেননি। তবে সম্প্রতি দুই দেশ পূর্বেকার বিরোধ ভুলে সম্পর্ক ভালো করার চেষ্টা করছে এবং নতুন করে দুই দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।

ডেইলি সাবাহর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান মঙ্গলবার একটি সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ শিগগিরই তুরস্ক সফর করতে পারেন।

আমরা রাজনীতিবিদরা শান্তি রক্ষা করতে চাই, যুদ্ধ চাই না।

এ ছাড়া সেই সভায় এরদোয়ান জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও ইসরায়েলের সঙ্গে জ্বালানিসংক্রান্ত বিষয়ে তুরস্কের একই স্বার্থ রয়েছে।

এ ছাড়া ইসরায়েল থেকে তুরস্ক হয়ে ইউরোপে গ্যাস রপ্তানিসংক্রান্ত বিষয়ে দেশটির সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রাজনীতিবিদরা শান্তি রক্ষা করতে চাই, যুদ্ধ চাই না।’

এমনকি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটেরও আগ্রহ আছে তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য।

এ ছাড়া গত নভেম্বরে তুরস্কের যোগাযোগ অধিদপ্তর জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নের বিকল্প নেই। দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক সংকট সমাধানে সমঝোতার উদ্দেশ্যে আলোচনা হলে মতবিরোধ কমানো সম্ভব।

যদিও এর আগে সব সময় ফিলিস্তিনের সরব সমর্থক তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েল সন্ত্রাসী আচরণ চাপিয়ে দিচ্ছে বলে প্রায়ই অভিযোগ করে আসছিলেন তিনি।

এ নিয়ে তুরস্ক ও ইসরায়েলের সম্পর্ক বরাবরই তিক্ত ছিল। বিশেষ করে ২০১৮ সালে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের হত্যার পর দুই দেশই তাদের রাষ্ট্রদূত ফিরিয়ে নেয়।

পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালে আবারও উফুক উলুতাসকে রাষ্ট্রদূত করে পাঠায় তুরস্ক।

আরও পড়ুন:
কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার
আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই
যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন

কর্ণাটকের কলেজে হিজাবে বিধিনিষেধ

কর্ণাটকের কলেজে হিজাবে বিধিনিষেধ

কর্ণাটকের একটি কলেজে পাঠদানের সময় হিজাব বা নেকাব নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ছবি: এনডিটিভি

ভারতের কর্ণাটকের উদুপির জেলার একটি সরকারি কলেজে গত ৩১ ডিসেম্বর পোশাক নিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ হয়। এতে মুসলিম ছাত্রীরা ক্লাস চলাকালে হিজাব বা নেকাব পরে থাকতে পারবেন না। তবে ক্লাস শেষে বা শুরুর আগে পর্দা করতে আপত্তি নেই।

ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমের কর্ণাটকের একটি কলেজে ছাত্রীদের হিজাব নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বড় হচ্ছে। নতুন করে কলেজের আরও সাত ছাত্রী প্রতিবাদে যোগ দিয়েছেন। গত ৩১ ডিসেম্বর নিষিদ্ধ ঘোষণার পর পরই বিক্ষোভ শুরু করেন ছয় ছাত্রী। হিজাববিষয়ক নীতিমালা তুলে নিয়ে ছাত্রীরা মুসলিম শিক্ষার্থীদের সক্রিয় সংগঠন ক্যাম্পাস ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

তবে কলেজের নীতিমালা মেনে চলতে আন্দোলনরতদের পরামর্শ দিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বি সি নাগেশ। এই ঘটনাকে নিয়ে বিরোধীরা রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

উদুপির জেলার একটি সরকারি কলেজে গত ৩১ ডিসেম্বর পোশাক নিয়ে বিধিনিষেধ আরোপ হয়। এতে মুসলিম ছাত্রীরা ক্লাস চলাকালে হিজাব বা নেকাব পরে থাকতে পারবেন না। তবে ক্লাস শেষে বা শুরুর আগে পর্দা করতে আপত্তি নেই।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, গত ৩১ ডিসেম্বর কলেজের অধ্যক্ষ শিক্ষার্থীদের কলেজ নির্ধারিত ড্রেস কোড মেনে চলতে কড়াকড়ি আরোপ করেন। ১৯৮৫ সাল থেকে এই কলেজছাত্রীদের ড্রেস কোড- চুড়িদার কিংবা দুপাট্টা। কিন্তু অনেক মুসলিম ছাত্রী এসবের ওপর হিজাব বা নেকাব পরে আসতেন।

কলেজ থেকে ঘোষণার পর পরই ছয় ছাত্রী এর বিরোধিতা করেন। শুরু করেন বিক্ষোভ। বুধবার তাদের সঙ্গে সংহতি জানান আরও সাত ছাত্রী।

এদিন সকালে উদিপুরের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনারের নেতৃত্বে জেলা কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভরত ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরামর্শ দেন, ড্রেস কোড মেনে চলার।

কর্ণাটকের শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘৯৪ ছাত্রীর বিষয়টি মানতে সমস্যা নেই। তাই দয়া করে সবাই কলেজ কোড মেনে চলেন। বিরোধীরা এই ইস্যুকে রাজনীতিকরণের চেষ্টা করছে।

‘আসলে আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে বিরোধীরা এসব করাচ্ছে। তারা কোনো ইস্যু পাচ্ছিল না। ভোটার টানতে তাই এই ঘটনাকে বড় করে তুলতে চাইছে তারা। কলেজের পোশাক নিয়ে সরকারের নির্ধারিত কোনো কোড নেই, তা সত্য। তবে ১৯৮৫ সালে সাউথ দিল্লি মিউনিসিপাল করপোরেশন (এসডিএমসি) কলেজ কোড বাধ্যতামূলক করে। সেই ধারায় অব্যাহত রাখতে চাইছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘৩৬ বছর ধরে এই নিয়ম চলে আসছে। বেশির ভাগ মুসলিম ছাত্রীর এতে আপত্তি নেই। কেবল কয়েকজনের সমস্যা। তাদের অনুরোধ করব, ড্রেস কোড মেনে চলেন।’

এর আগে রোববার উগ্র ইসলামপন্থি সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার কর্ণাটক ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক নাসির পাসা জানান, হিজাব ইস্যুতে কলেজ কর্তৃপক্ষ মুসলিম ছাত্রীদের ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে।

চলতি মাসের শুরুতে পোশাক নিয়ে বিতর্ক শুরুর পর কোপ্পা জেলার একটি কলেজের ছাত্ররা জাফরান রঙের স্কার্ফ পরে ক্লাসে এসে হিজাব পরার প্রতিবাদ করেন।

আরও পড়ুন:
কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার
আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই
যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন

প্রেমিকার মাকে কিডনি দিয়েও টিকল না সম্পর্ক

প্রেমিকার মাকে কিডনি দিয়েও টিকল না সম্পর্ক

উজেইল মার্টিনেজ। ছবি: সংগৃহীত

টিকটকে কয়েকটি ভিডিও আপলোড করে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন মার্টিনেজ। বলেন, ‘সম্পর্কে আমার মতো ভুল যেন কেউ না করেন। মানুষের দুইটা কিডনি থাকে, আমার এখন একটা। বিষয়টা সব সময় অনুভব করি।’

প্রচণ্ড ভালোবাসতেন প্রেমিকাকে। তার কষ্ট মেনে নিতে পারতেন না মেক্সিকোর বাজা ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা উজেইল মার্টিনেজ। আবেগি মার্টিনেজ একদিন জানতে পারেন প্রেমিকার মা ভুগছেন কিডনি জটিলতায়।

সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করেননি পেশায় শিক্ষক মার্টিনেজ। নিজের একটি কিডনি দান করেন প্রেমিকার মাকে। জীবন ফিরে পান ওই নারী।

কিন্তু এত সব করেও প্রেমিকার মন ধরে রাখতে পারেননি তিনি। কিডনি দানের এক মাসের মধ্যে ব্রেকআপ হয়ে যায় তাদের।

মার্টিনেজের দাবি, সিদ্ধান্তটা তিনি নন, নিয়েছিলেন তার প্রেমিকা। এর কিছুদিনের মধ্যে আরেক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন মার্টিনেজের সাবেক প্রেমিকা।

দ্য ফ্রি প্রেস জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, টিকটকে কয়েকটি ভিডিও আপলোড করে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন মার্টিনেজ।

তিনি বলেন, 'সম্পর্কে আমার মতো ভুল যেন কেউ না করেন। মানুষের দুইটা কিডনি থাকে, আমার এখন একটা। বিষয়টা সব সময় অনুভব করি।’

মার্টিনেজের ভিডিওগুলো ভাইরাল হয়েছে। এরই মধ্যে দেখা হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। সেখানে সহমর্মিতা জানিয়েছেন অনেকেই। পরামর্শ দিয়েছেন, উপযুক্ত কাউকে বেছে নিয়ে জীবনকে এগিয়ে নিতে।

মেক্সিকোর স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতেও ফলাও করে ছাপা হয়েছে মার্টিনেজের গল্প।

আরও পড়ুন:
কর্মক্ষেত্রে নারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা, আফগানিস্তানের ক্ষতি ১ বিলিয়ন ডলার
আফগান নারীরা শিগগিরই অধিকার ফিরে পাবেন: হামিদ কারজাই
যুক্তরাষ্ট্রকে অর্থ ছাড়ের অনুরোধ তালেবানের
আফগান নারীরা ক্রিকেট চালিয়ে যাবে: এসিবি
তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র

শেয়ার করুন