আ.লীগ কর্মী হত্যা মামলার আসামির হাতে নৌকা

player
আ.লীগ কর্মী হত্যা মামলার আসামির হাতে নৌকা

হত্যা মামলার আসামি হয়েও চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন পারভেজ দেওয়ান। ছবি: নিউজবাংলা

পাথালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘উনি মার্ডার কেসের প্রধান আসামি। তারে কীভাবে নমিনেশন দিছে সেটা উপরেই জানে। আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম। কারণ একটা পরিবর্তন আসলে আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী হতো। এতে আমাদের তৃণমূলের যে ভরসা সেটা প্রতিফলিত হয়নি। আমরা হতাশ।’

ঢাকার সাভারে আওয়ামী লীগ কর্মীকে হত্যা মামলার আসামি ইউপির চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় ক্ষুব্ধ তৃণমুলের নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, নৌকার মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে তাদের মতামতের মূল্যায়ন করা হয়নি।

নৌকা পাওয়া পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ দেওয়ানের দাবি, ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে আছে, ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ তৎকালীন চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ানের নির্দেশে আশুলিয়ার নয়ারহাট বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী আব্দুর রহিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে নিহতের ভাই যুবলীগ নেতা সুমন পন্ডি ২৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ইউপি নির্বাচনে দ্বন্দের জেরে আব্দুর রহিমকে হত্যার নির্দেশ দেন পারভেজ। পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি পারভেজসহ ছয় আসামিকে বাদ দেয়া হয়। সবশেষ সিআইডির তদন্তে পারভেজসহ ১৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

মামলার বাদী সুমন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার ভাই পাথালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। নির্বাচনে তৎকালীন চেয়ারম্যান পারভেজ চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষকে সমর্থন করতেন তিনি। নির্বাচনে জেতার চার-পাঁচ মাস পর চেয়ারম্যানের লোকজন দিনেদুপুরে আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।

‘তার (পারভেজের) হুকুমেই আমার ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করলেও হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত হয়। এরপর রহস্যজনকভাবে পুলিশ আমার স্বাক্ষর ছাড়াই গোপনে প্রধান আসামি চেয়ারম্যানসহ ৬ আসামিকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেয়। পরে আদালতে আপত্তি জানালে সিআইডি দেড় মাস তদন্ত করে চেয়ারম্যানসহ ১৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়।’

পারভেজ একটি হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় ক্ষুব্ধ পাথালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ হাওলাদার।

তিনি বলেন, ‘উনি মার্ডার কেসের প্রধান আসামি। তারে কীভাবে নমিনেশন দিছে সেটা উপরেই জানে। আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম। কারণ একটা পরিবর্তন আসলে আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী হতো। এতে আমাদের তৃণমূলের যে ভরসা সেটা প্রতিফলিত হয়নি। আমরা হতাশ।’

৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘যাকে মেরে ফেলা হয়েছে উনি আওয়ামী লীগের সবচেয়ে সক্রিয় সদস্য ছিল। আবারও উনি (পারভেজ দেওয়ান) ওইরকম পায়তারা করতেছে। হুমকি-ধামকি দিতেছে। আবারও কর্মীদের উপর আক্রমণ করার চেষ্টা করতেছে। উনি নৌকা পাওয়াতে আমরা আতঙ্কিত।

‘আওয়ামী লীগের মতো এতো সুসংগঠিত দলের উপর কেন জানি এখন ঘৃণা চলে আসছে। তিনি তিনবারের চেয়ারম্যান হয়েও একটা নিজস্ব ইউনিয়ন পরিষদ ভবন করতে পারেননি। এখনও ভাড়া ভবনে চলছে সব কার্যক্রম। উনি নির্বাচনে আসলে বিপুল ভোটে পরাজিত হবে।’

নৌকা পাওয়ার বিষয়ে পারভেজ দেওয়ান বলেন, ‘মিথ্যা মার্ডার মামলায় থানা থেকে আমারে অব্যাহতি দিছে। তারপর তারা (বাদীপক্ষ) নারাজি দিলে মামলা ডিবিতে দিছে। ওখান থাইকাও আমারে অব্যাহতি দিছে। বরং তারা সিআইডির সঙ্গে আঁতাত করে একমাসের মধ্যে তদন্ত না করে আমার বিরুদ্ধে চার্জশিট করাইছে।

‘আমার মনে হয়, পুলিশ ডিপার্টমেন্টের আইজি ও প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত পাথালিয়া ইউনিয়নের পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট চলে গেছে। নির্বাচনে যাতে আমার উপর প্রভাব পড়ে এজন্য মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়েছে। যেটা সবাই জানে।’

মনোনয়ন প্রক্রিয়ার বিষয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বেনজির আহমেদ বলেন, ‘আমার যেটা ধারণা, মনোনয়ন বোর্ডের নজরে এটা হয়ত আসে নাই। উনারা হয়ত জানেন না। কারণ এটা সাধারণত ইউনিয়ন থেকে উপজেলা তারপর জেলা। ইউনিয়ন থেকে যেভাবে আসছে তাতে এরকম কোনো কিছু আমরা পাই নাই। এটা আমাদের নলেজে দেয়া হয়নি। যদি কেউ জানাইতো তাহলে হয়তো আমরা কেন্দ্রে জানাইতে পারতাম।’

দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান বলেন, ‘এটাতো কাজ করছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। সেখানে অনুমোদন দিছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এখানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংসদ সদস্যদের কোনো ভূমিকা নাই। এটা পার্লামেন্টারি বোর্ডের সিদ্ধান্ত। এখানে আমার কোনো কমেন্ট না করাই ভালো। সর্বোচ্চ জায়গা থেকে সিদ্ধান্ত হইছে। ওনারা যাচাইবাছাই করেই সিদ্ধান্ত দিছেন।’

আরও পড়ুন:
বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার
নৌকা পেলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলার আসামি
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তকে নৌকা, পরে সংশোধন
ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক
নৌকার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিলে ক্রসফায়ার, অডিও ভাইরাল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

গাড়ির চাপায় নারী নিহত

গাড়ির চাপায় নারী নিহত

অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় ওই নারী নিহত হন। ছবি: নিউজবাংলা

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আলী হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য হেঁটে রওনা দেন রিতা। ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে আসলে ময়মনসিংহগামী একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’

ময়মনসিংহের ভালুকায় অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় এক নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

উপজেলায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ৪৫ বছরের রিতা আক্তারের বাড়ি ভরাডোবা গ্রামের ক্লাবের বাজার এলাকায়। ভরাডোবা বাসস্ট্যান্ডের একটি হোটেলে তিনি কাজ করতেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আলী হোসেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য হেটে রওনা দেন রিতা। ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে আসলে ময়মনসিংহগামী একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

‘সড়কের পাশে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অজ্ঞাত গাড়িটি সনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার
নৌকা পেলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলার আসামি
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তকে নৌকা, পরে সংশোধন
ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক
নৌকার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিলে ক্রসফায়ার, অডিও ভাইরাল

শেয়ার করুন

স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম জানান, আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া হরিশপুর গ্রামের আছিয়া খাতুন ও মোহনপুর লাহিড়ীপাড়া গ্রামের রমজান আলী।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম।

এজাহারে বলা হয়, আছিয়া খাতুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই রমজান আলীর বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক চলে আসছিল। এর জেরে রমজান আলী আছিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু আছিয়া খাতুন তার স্বামী জীবিত আছে এমন কারণ দেখিয়ে বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

পরবর্তী সময়ে প্রেমের বাধা দূর করতে পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক ২০১৬ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তারা আছিয়ার স্বামী আবু বক্কার মন্ডলকে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবু হানিফ উল্লাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার
নৌকা পেলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলার আসামি
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তকে নৌকা, পরে সংশোধন
ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক
নৌকার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিলে ক্রসফায়ার, অডিও ভাইরাল

শেয়ার করুন

‘দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই’

‘দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই’

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ চান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। ছবি: নিউজবাংলা

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। এটা দেখে যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের বিবেক ঘুমিয়ে রয়েছে। আজকে তাদের ওপর হামলা, কালকে আমাদের ওপর- এভাবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বেড়ে চলছে। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ‌‌‌‌‌‌‌‌হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় তারাও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ চান।

মানববন্ধনে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রাজু বড়ুয়া বলেন, ‘শাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শিক্ষার্থীদের দাবি না মেনে উল্টো হামলা চালিয়েছে। এমন অযোগ্য ব্যক্তি ভিসি থাকতে পারেন না, তার অপসারণ চাই।’

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। এটা দেখে যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের বিবেক ঘুমিয়ে রয়েছে।

‘আজকে তাদের ওপর হামলা, কালকে আমাদের ওপর- এভাবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বেড়ে চলছে। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার আন্দোলনের চতুর্থ দিনে এসে তা সহিংসতায় রূপ নেয়।

এদিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করলে সন্ধ্যায় অ্যাকশনে যায় পুলিশ। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ক্যাম্পাস। লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ছুড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের সামনে অবস্থা নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, ভিসির নির্দেশেই পুলিশ হামলা ও গুলি চালিয়েছে।

এই বিক্ষোভের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও হল ছাড়ার নির্দেশনা আসে। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে রোববার রাত থেকেই আন্দোলন শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরাও এসে যোগ দেন এই বিক্ষোভে। তারা উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

সোমবার আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ফলে মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাসে এসেও নিজেদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তাদের নিজ নিজ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

মঙ্গলবারও উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বাসভবনের ভেতরেই রয়েছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

সোমবার উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ দাবি করেন, এই আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে বহিরাগতরা।

আরও পড়ুন:
বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার
নৌকা পেলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলার আসামি
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তকে নৌকা, পরে সংশোধন
ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক
নৌকার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিলে ক্রসফায়ার, অডিও ভাইরাল

শেয়ার করুন

শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলা-গুলির অভিযোগ পুলিশের

শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলা-গুলির অভিযোগ পুলিশের

শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। গুলি ছুড়েছে। আমাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।

মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় দুই-তিনশ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে সোমবার রাতে সিলেটের জালালাবাদ থানায় এই মামলা করেন।

তিন দফা দাবিতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রোববার সন্ধ্যায় পুলিশের সংঘর্ষ হয়। অবরুদ্ধ উপাচার্যকে মুক্ত করতে গিয়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করলে এই সংঘাত বাধে। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে পুলিশ তাদের ওপর হামলা ও গুলি করে।

তবে এবার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ এনে মামলা করল পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, রোববার আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ ‘উচ্ছৃঙ্খল’ শিক্ষার্থী পুলিশের কাজে বাধা দেয়।

সরকারি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ ছাড়া পুলিশকে লক্ষ্য করে শিক্ষার্থীরা গুলি ছোড়ে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।

এতে মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখসহ ১০ জন পুলিশ আহত হন বলে উল্লেখ করা হয় মামলায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই দিন পুলিশ ২১টি সাউন্ড গ্রেনেড ও ৩২ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু খালেদ মামুন বলেন, ‘রোববারের যে ঘটনা তার পরিপ্রেক্ষিতে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় দুই থেকে তিনশজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে কারো নাম উল্লেখ করা হয়নি। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।’

তবে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। গুলি ছুড়েছে। আমাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’

পুলিশের গুলি ছোড়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সোমবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়া মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুলিশ কোনো গুলি ছোড়েনি। ওই দিন ক্যাম্পাসে গুলি আনেনি পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার
নৌকা পেলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলার আসামি
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তকে নৌকা, পরে সংশোধন
ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক
নৌকার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিলে ক্রসফায়ার, অডিও ভাইরাল

শেয়ার করুন

বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত ২ শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর

বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত ২ শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর

পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাইয়ের বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত তিন শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে সোলাইমান ও মো. রবিন নামে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।’

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার সোনাপাহাড় এলাকায় অবস্থিত বিএসআরএম কারখানায় কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়েছেন ৩ শ্রমিক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

এরমধ্যে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার।

মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাইয়ের বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত তিন শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে সোলাইমান ও মো. রবিন নামে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অপর আহত শ্রমিক হলেন মো. শাহিন।’

তারা তিনজনই কারখানার বিদ্যুৎ বিভাগে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত বলে জানান জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন। তিনি বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যা থেকে তারা কারখানায় বিদ্যুতের কাজ করছিলেন। হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে তিনজন আহত হন। পরে কারখানার সহকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।’

বিএসআরএম-এর ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা তাদের চিকিৎসার বিষয়ে সহযোগিতা করছি।’

আরও পড়ুন:
বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার
নৌকা পেলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলার আসামি
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তকে নৌকা, পরে সংশোধন
ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক
নৌকার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিলে ক্রসফায়ার, অডিও ভাইরাল

শেয়ার করুন

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

ফাইল ছবি

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এমাইদুল জিহাদী বলেন,

গাজীপুরের পূবাইল ও কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

পূবাইলের তালটিয়ায় সকাল ৯টায় ও কালীগঞ্জের চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৃথক এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এমাইদুল জিহাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘তাৎক্ষণিক নিহত দুই যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাদের একজনের বয়স আনুমানিক ১৮ বছর ও অন্যজনের ৩০/৩৫ বছর।’

এসআই জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলওয়ে সড়কে চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনের হুকে করে যাচ্ছিলেন এক যুবক। কালিগঞ্জের দড়িপাড়া রেলক্রসিং পার হওয়ার পর চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় ট্রেন জাম্প করলে তিনি ছিটকে পড়ে যান। এতে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, ওই রেলওয়ে সড়কের পূবাইল স্টেশনের অদূরে তালটিয়া এলাকায় আরও এক যুবক নিহত হন। সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এসআই এমাইদুল জিহাদী বলেন, ‘নিহত দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের পর নাম-পরিচয় পাওয়া না গেলে বেওয়ারিশ হিসেবে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনের পাশের কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।’

আরও পড়ুন:
বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার
নৌকা পেলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলার আসামি
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তকে নৌকা, পরে সংশোধন
ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক
নৌকার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিলে ক্রসফায়ার, অডিও ভাইরাল

শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচন: নৌকা প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল

ইউপি নির্বাচন: নৌকা প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল

নিয়ামতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘তোতার পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুলের বিষয়টা আমার জানা ছিল না। এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। এটা একটা অনেক বড় ভুল। এমন ভুল করা উচিত নয়।’

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল হওয়ায় শুরু হয়েছে সমালোচনা।

এ বিষয়ে ওই প্রার্থীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা বলছেন, পোস্টার ছাপানোর আগে ও পরে ওই প্রার্থীর বানান দেখে নেয়া উচিত ছিল।

ইউপি নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপে নিয়ামতপুর উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ভোট হবে। তার মধ্যে ২ নম্বর চন্দননগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ভোটে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খালেকুজ্জামান তোতা।

১০ থেকে ১৫ দিন ধরে পুরো ইউনিয়নে ঝুলছে তার নির্বাচনি পোস্টার। পোস্টারে জয় বঙ্গবন্ধুর জায়গায় লেখা ‌'জয় বঙ্গন্ধু'।

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুল নিয়ে পুরো এলাকায় চলছে সমালোচনা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত যেন এসব পোস্টার নামিয়ে ফেলা হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তোতার পোস্টারে বঙ্গবন্ধু বানান ভুলের বিষয়টা আমার জানা ছিল না। এই প্রথম আপনার কাছ থেকে জানলাম। এটা একটা অনেক বড় ভুল। এমন ভুল করা উচিত নয়।

‘বঙ্গবন্ধু আবেগ ও ভালোবাসার জায়গা। একটা অনুভূতির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। পোস্টারগুলো ছাপানোর আগে ও পরে ভালো করে বানান চেক করা উচিত ছিল। আমি ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে বলব, তিনি যেন ভুল বানানের পোস্টারগুলো দ্রুত সরিয়ে নেন। আর অন্যরাও যেন এমন ভুল না করে সে বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য তোতাকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ধরেননি।

আরও পড়ুন:
বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার
নৌকা পেলেন বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর মামলার আসামি
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তকে নৌকা, পরে সংশোধন
ইউপিতে রাষ্ট্রপতির ছেলের এলাকায় থাকবে না নৌকা প্রতীক
নৌকার বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিলে ক্রসফায়ার, অডিও ভাইরাল

শেয়ার করুন