উপবৃত্তির টাকা দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা

player
উপবৃত্তির টাকা দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা

বড়সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ। ছবি: নিউজবাংলা

কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তিতুদহ হুলিয়ামারী গ্রামের রাজিয়া খাতুনের মোবাইল নম্বরে গত বৃহস্পতিবার ফোন দেয় প্রতারক চক্র। শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই ফোনে উপবৃত্তির ৫০ হাজার টাকা দেয়ার কথা বলে বিকাশের মাধ্যমে সাড়ে ২৩ হাজার টাকা পাঠাতে বলা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর ‍উপজেলার একটি কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও যশোর বোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয়ে উপবৃত্তির টাকা দেয়ার কথা বলে বিকাশে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত কয়েক দিনে বড়সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ নামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে প্রতারক চক্র ফোন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার। এর মধ্যে কয়েকজন তাদের ফাঁদে পা দিয়ে বড় অঙ্কের টাকা খুইয়েছেন।

কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তিতুদহ হুলিয়ামারী গ্রামের রাজিয়া খাতুনের মোবাইল নম্বরে গত বৃহস্পতিবার ফোন দেয় প্রতারক চক্র। শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই ফোনে উপবৃত্তির ৫০ হাজার টাকা দেয়ার কথা বলে বিকাশের মাধ্যমে সাড়ে ২৩ হাজার টাকা পাঠাতে বলা হয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাজিয়ার বড় বোন সন্ধ্যা খাতুন বলেন, বেলা ১১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন দেন এক নারী। রাজিয়ার কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বড় বোন হিসেবে পরিচয় দেন।

রাজিয়া তখন কলেজে প্রি-টেস্ট পরীক্ষা দিচ্ছিল। ওই নারী তখন রাজিয়া উপবৃত্তির ৫০ হাজার টাকা পেয়েছে জানিয়ে একটি বিকাশ নম্বরে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা দিতে বলেন। পরে তিতুদহ বাজারের কাজল টেলিকমে গিয়ে তিনি ওই টাকা প্রতারক চক্রের নম্বরে বিকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, বিকাশ করা টাকা পরিশোধ না করায় তাকে সেখানে বসিয়ে রাখেন দোকানি। উপবৃত্তির টাকা আসার জন্য অপেক্ষার একপর্যায়ে তিনি দোকানিকে বললে প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন।

সন্ধ্যা বলেন, তার পরিবার দরিদ্র হওয়ায় চড়া সুদে টাকা নিয়ে দোকানিকে সেই টাকা শোধ করতে হয়েছে।

ওই ঘটনার পরদিন শুক্রবার সদর উপজেলার বড়সলুয়া গ্রামের তানিয়া আক্তারের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে সাড়ে ১৬ হাজার টাকা। সে ওই কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

বড়সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার জানান, কলেজের প্রায় ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীর কাছে উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে ফোন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করেছেন। লিখিত নোটিশও দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া এ ধরনের ফোন পেলে নম্বরটি তাকে দিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল কবীর জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাজটি একটু কঠিন তবে অসম্ভব নয়।

প্রতারক চক্র কীভাবে শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বর ও পারিবারিক পরিচয় জানতে পারছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘চক্রের অনেক সদস্য এলাকায় অবস্থান করে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। সময় ও সুযোগ বুঝে কাজ শুরু করে তারা।’

আরও পড়ুন:
উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক
ফাল্গুনী শপ ডটকমের সিইও পাভেলসহ গ্রেপ্তার চার
বিক্রয় ডটকমে মোবাইলের ক্রেতারাই তাদের টার্গেট
ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার অভিযোগ
আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার র‍্যাবের পোশাক পরা রাজ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দার্জিলিংয়ের ‘সাদকি’ কমলা নীলফামারীতে

দার্জিলিংয়ের ‘সাদকি’ কমলা নীলফামারীতে

বাগানে সাদকি কমলার গাছ ধরে ছেলেকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন লেবু মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকার সাদকি কমলার চাষ করছেন নীলফামারীর লেবু মিয়া। এই কমলার সুখ্যাতি আছে বিভিন্ন দেশে।

‘দেখতে যেমন সুন্দর ও ঝকঝকে, তেমনি খেতেও সুস্বাদু’, নীলফামারীর ‘সাদকি’ কমলার বাগানে ঘুরতে এসে এমন বর্ণনা দিচ্ছিলেন অতুল রায়।

মঙ্গলবার সদর উপজেলার রানগর ইউনিয়নের বাহালিপাড়া এলাকা থেকে কচুকাটা বাজার এলাকার লেবু মিয়ার এই কমলার বাগান দেখতে এসেছিলেন তিনি।

দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকার সাদকি কমলার চাষ করছেন লেবু মিয়া। এই কমলার সুখ্যাতি আছে বিভিন্ন দেশে।

নিউজবাংলাকে অতুল রায় বলেন, ‘ভাবতাম আমাদের দেশে এই ফল চাষ সম্ভব না। কিন্তু এ অসম্ভবও বাংলাদেশে সম্ভব হয়েছে।’

লেবু মিয়ার বাগানে বাগানে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে আছেন তার ছেলে আশেকে রসুল মামুন ওরফে এ আর মামুন। দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকার এই কমলা দেশের মাটিতে চাষ করে সাফল্য দেখিয়েছেন বাবা ও ছেলে।

শুধু সাদকি কমলাই নয়, চায়না কমলা, সাউথ আফ্রিকান মাল্টা, ভিয়েতনাম মাল্টা, বারি মাল্টা, লিচু, আম, বরই (কূল), কাজুবাদাম, বারোমাসি আমলকি, ত্বীনফল, চেরিফল, আপেল আবাদেও সফল তারা।

সম্প্রতি ১৬ শতাংশ জমিতে মামুনের বাগানে গিয়ে দেখা গেছে, পুষ্টিসমৃদ্ধ সাদকি কমলায় ভরে গেছে ৬০টি গাছ। তিন থেকে সাড়ে তিন বছর বয়সী একটি গাছে কমলা ধরেছে অনন্ত ৪০কেজি। যা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বাগানেই। এ ছাড়া ৬০০টি কমলার চারা রাখা হয়েছে চার বিঘা এলাকা জুড়ে।

মামুন বলেন, ‘২০১৩ সালে বাবাকে নিয়ে ভারতের দার্জিলিং যাই। সেখান থেকে দুটি সাদকি কমলার চারা নিয়ে এসে নার্সারিতে লাগাই। পর্যায়ক্রমে বেশ কিছু চারা তৈরি হয়। এখন ৬০টি পরিপূর্ণ গাছে কমলা হচ্ছে। ২০১৭ সাল থেকে কমলা হচ্ছে এ
কমলা বাগানে।’

তিনি জানান, ২০০১ সালে এক বিঘা জমিতে নার্সারি শুরু করেন তার বাবা লেবু মিয়া। বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন শুরু করেন তিনি। বর্তমানে ৪৫ বিঘা জমির নার্সারিতে চাষ করছেন নানা ফল। জমির ১৩ বিঘা নিজের আর বাকি ৩২ বিঘা ভাড়ায় নেয়া হয়েছে।

স্থানীয় রমজান আলী বলেন, ‘মামুন ভাইয়ের বাগানে গেলে মনটা ভরে যায়। চেষ্টা করে সফল হইছেন তিনি। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ তার বাগানের কমলা নিয়ে যাচ্ছেন। চারা নিয়ে যাচ্ছেন বাগান করতে। নীলফামারী এখন কমলার জেলায় পরিচিতি লাভ করছে।’

নার্সারি মালিক লেবু মিয়া জানান, তার বাগানে কমলার দুটি গাছ লাগানোর এক বছর পর ফল দেয়া শুরু করে। গাছের সংখ্যা পরে বাড়ানো হয়। আগে দুজন কাজ করলেও এখন ২৫ জন কাজ করছেন পুরো নার্সারিতে।

তিনি বলেন, ‘এখন ভারত নয় নীলফামারীর সমতল ভূমিতে কমলা আবাদ হচ্ছে। অনেক ভালো মানের কমলা উৎপাদন হচ্ছে। যারা বাগান করতে চান আমার বাগানে দেখে যেতে পারেন।’

ছেলে মামুন বলেন, ‘দেশের ৬৪ জেলায় সাদকি কমলার চারা যাচ্ছে আমাদের বাগান থেকে। বাস-ট্রেন এমনকি কুরিয়ারেও পাঠানো হচ্ছে চারা। বিভিন্ন সময়ে এ বাগান পরিদর্শন করেছেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

‘সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক সাদকি কমলার খবর পেয়ে আমাকে ফোন করেছিলেন। বাগান পরিদর্শনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নীলফামারীর উপ-পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘এ জেলার মাটি লেবু জাতীয় ফল চাষের জন্য উপযোগী। এখানে আবহাওয়া ও মাটি অনুকূল থাকায় প্রচুর মাল্টা ও কমলার চাষ হচ্ছে।’

নিউজবাংলার প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘সম্ভবনাময় সাদকি কমলার চাষ বাণিজ্যিকভাবে ছড়িয়ে দিতে পারলে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে আমাদের কৃষকরা। অন্যদিকে পুষ্টি চাহিদা পুরণেও এ ফল ভূমিকা রাখবে।’

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নীলফামারীর চিলাহাটিতে আব্দুল্লাহ, সোনারায়ে রিয়াসাত, পঞ্চপুকুরে মনিরুজ্জামান বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির কমলা চাষ করছেন।

আরও পড়ুন:
উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক
ফাল্গুনী শপ ডটকমের সিইও পাভেলসহ গ্রেপ্তার চার
বিক্রয় ডটকমে মোবাইলের ক্রেতারাই তাদের টার্গেট
ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার অভিযোগ
আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার র‍্যাবের পোশাক পরা রাজ

শেয়ার করুন

করোনা টিকার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে টাকা আদায়

করোনা টিকার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে টাকা আদায়

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ে টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের সারি। ছবি: নিউজবাংলা

রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান বলেন, ‘টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ প্রিন্ট করতে কিছু খরচ হয়। সেই খরচের কিছু টাকা শিক্ষার্থীদের দিতে বলা হয়েছে।’

নওগাঁর রাণীনগরে করোনাভাইরাসের টিকার রেজিস্ট্রেশন ও সনদের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এমন অভিযোগ করেছে।

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপজেলার ২১টি স্কুলের প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে নিজ স্কুলের ৬৫৪ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ দেয়ার খরচ হিসেবে তাদের কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা নেয়ার বিষয়টি গোপন রাখতেও বলা হয়েছে।

এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ প্রিন্ট করতে কিছু খরচ হয়। সেই খরচের কিছু টাকা শিক্ষার্থীদের দিতে বলা হয়েছে।’

তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমীন জানান, প্রিন্টের জন্য কাগজের ব্যবস্থা তারাই করেছেন।

রুহুল বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার জন্য কারো কাছ থেকে এক পয়সাও নেয়ার কোনো নির্দেশ দেয়া হয়নি। ওই কেন্দ্রে টিকা দেয়ার জন্য যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। তবে প্রধান শিক্ষক কার নির্দেশে এমন জঘন্য কাজ করলেন সে বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের টাকাও ফেরত দেয়া হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খাঁন অংকুর বলেন, ‘টিকা ও টিকা দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম স্বাস্থ্য বিভাগ সরবরাহ করছে। আর কেন্দ্র নির্ধারণ ও কেন্দ্রের যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা করছে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো জানান, তদন্ত করে যারা টাকা নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে পাবনার একটি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও করোনাভাইরাসের টিকার জন্য টাকা নেয়ার অভিযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক
ফাল্গুনী শপ ডটকমের সিইও পাভেলসহ গ্রেপ্তার চার
বিক্রয় ডটকমে মোবাইলের ক্রেতারাই তাদের টার্গেট
ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার অভিযোগ
আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার র‍্যাবের পোশাক পরা রাজ

শেয়ার করুন

স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম জানান, আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া হরিশপুর গ্রামের আছিয়া খাতুন ও মোহনপুর লাহিড়ীপাড়া গ্রামের রমজান আলী।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম।

এজাহারে বলা হয়, আছিয়া খাতুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই রমজান আলীর বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক চলে আসছিল। এর জেরে রমজান আলী আছিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু আছিয়া খাতুন তার স্বামী জীবিত আছে এমন কারণ দেখিয়ে বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

পরবর্তী সময়ে প্রেমের বাধা দূর করতে পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক ২০১৬ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তারা আছিয়ার স্বামী আবু বক্কার মন্ডলকে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবু হানিফ উল্লাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক
ফাল্গুনী শপ ডটকমের সিইও পাভেলসহ গ্রেপ্তার চার
বিক্রয় ডটকমে মোবাইলের ক্রেতারাই তাদের টার্গেট
ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার অভিযোগ
আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার র‍্যাবের পোশাক পরা রাজ

শেয়ার করুন

হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

হত্যা মামলায় সাজা পাওয়া আসামিদের নেয়া হচ্ছে কারাগারে। ছবি: নিউজবাংলা

২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে নিখোঁজ হন কুমারখালীর শহিদুল ইসলাম। পাঁচ দিন পর কালিতলা এলাকার একটি ডোবায় পাওয়া যায় তার গলাকাটা মরদেহ।

কুষ্টিয়ায় ১৩ বছর আগের এক হত্যা মামলার রায়ে এক আসামির আমৃত্যু ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অনুপ কুমার নন্দী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া আসামি হলেন কুমারখালী উপজেলার কালিতলা এলাকার সালাম মোল্লা এবং যাবজ্জীবন পাওয়া আসামিরা হলেন কুমারখালীর শানপুকুরিয়া এলাকার সাইফুল ইসলাম ও কালিতলা এলাকার রেজাউল জোয়ার্দার কালু।

২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে নিখোঁজ হন কুমারখালীর শহিদুল ইসলাম। পাঁচ দিন পর কালিতলা এলাকার একটি ডোবায় পাওয়া যায় তার গলাকাটা মরদেহ। এ ঘটনায় শহিদুলের বাবা মুনছের আলীর করা মামলায় গ্রেপ্তার হন আসামিরা।

তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক
ফাল্গুনী শপ ডটকমের সিইও পাভেলসহ গ্রেপ্তার চার
বিক্রয় ডটকমে মোবাইলের ক্রেতারাই তাদের টার্গেট
ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার অভিযোগ
আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার র‍্যাবের পোশাক পরা রাজ

শেয়ার করুন

তিস্তার পানি গড়াবে ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে

তিস্তার পানি গড়াবে ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে

২০০৩ সালে সেচ কার্যক্রম শুরু করে তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প। ৭৬০ কিলোমিটার নালা থেকে এই সেচ সুবিধা দেয়া হয় কৃষকদের। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৮৪ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া সম্ভব হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে তা এখনও সম্ভব হয়নি।

৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে তিস্তার সেচ দেয়া হচ্ছে চলতি বোরো মৌসুমে। এর মাধ্যমে এবার তিন জেলার ৫ লাখ ১২ হাজার কৃষক সেচসুবিধা পাচ্ছেন।

এবারই সবচেয়ে বেশি এলাকায় সেচ দিচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সুবিধাভোগীর হিসেবে এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

তিস্তা সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে ৮৪ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া সম্ভব হলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এর আগে সেচ প্রদানে ব্যাঘাত ঘটেছে।

সূত্র মতে, ২০১৬ সালে ১০ হাজার, ২০১৭ সালে ৮ হাজার, ২০১৮ সালে ৩৫ হাজার, ২০১৯ সালে ৪০ হাজার, ২০২০ সালে ৪১ হাজার এবং ২০২১ সালে ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া হয়।

গত মৌসুমে নির্ধারণ করা লক্ষ্যমাত্রা এবারও ঠিক রেখে ৫৩ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা ইতিমধ্যে শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বছরে প্রতি বিঘা জমিতে সেচের জন্য ১৬০ টাকা নেয়া হয় কৃষকদের কাছ থেকে এবং একর প্রতি (তিন বিঘা) নেয়া হয় ৪৮০ টাকা।

নীলফামারী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার ১২ উপজেলার ২৪২টি পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সহযোগিতায় প্রস্তাবিত এলাকায় পর্যায়ক্রমে সেচ দেয়া হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ২০০৩ সালে সেচ কার্যক্রম শুরু করে তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প। টারশিয়ারি ও সেকেন্ডারি মিলে ৭৬০ কিলোমিটার নালা থেকে এই সেচ সুবিধা দেয়া হয় কৃষকদের।

পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি কিশোরগঞ্জ উপজেলার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সেচ পাম্প বা শ্যালো মেশিন দিয়ে বোরো আবাদে যেখানে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়, সেখানে তিস্তা সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে তা মাত্র ৪৮০ টাকায় সম্ভব।’

পানির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমরা পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। কোথাও কম বা বেশি নয়। যেখানে যতটুকু পানি প্রয়োজন সেখানে ঠিক ততটুকু পানি দিতে প্রস্তুত আমরা।

জাহাঙ্গীর জানান, সেচ সুবিধা ভালো পেতে গত মৌসুমে তারা জানুয়ারির প্রথম দিকেই বোরো আবাদ শুরু করেছিলেন। এবারও তা-ই হয়েছে। আগামী এপ্রিল পর্যন্ত তিস্তার সেচ সুবিধা পাওয়ার আশা তাদের।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাফিউল বারী শামীম বলেন, ‘পানির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমরা পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। কোথাও কম বা বেশি নয়। যেখানে যতটুকু পানি প্রয়োজন, সেখানে ঠিক ততটুকু পানি দিতে প্রস্তুত আমরা।’

তিনি বলেন, সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে অতীতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাঘাত ঘটলেও এবার তা হবে না। প্রকল্প এলাকার ২৪২টি সমিতির সঙ্গে আলোচনা করেই রোটেশন অনুযায়ী পানি দেয়া হবে।

জলঢাকা উপজেলা পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তিস্তার পানি দিয়েই বোরো আবাদ করি। খরচ কম। সময়মতো পানিও পাওয়া যায়।’

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাফিউল বারী শামীম বলেন, ‘তিস্তা ব্যারাজ রিজার্ভারে বর্তমানে ১৫ হাজার কিউসেক পানি রয়েছে, যা দিয়ে নির্ধারিত এলাকাগুলোতে পানি দেয়া সম্ভব। নদীতে ফেব্রুয়ারির দিকে পানি কমতে থাকে। তারপরও রোটেশন অনুযায়ী দিলে সমস্যা হয় না।’

তিনি জানান, সমস্যা এড়াতেই কৃষকদের জানুয়ারির প্রথম থেকেই বোরো আবাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আশফাউদৌলা জানান, এবারের চেয়ে আগামী বছর আরও বেশি এলাকায় পানি দেয়ার চেষ্টা করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড। সে অনুযায়ী পরিকল্পনায়ও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মৌসুমজুড়ে সেচ প্রকল্প এলাকায় মনিটর করবেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। বিশেষ করে, কেউ যেন পাইপিং করে পানি নিতে না পারেন। এটা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক
ফাল্গুনী শপ ডটকমের সিইও পাভেলসহ গ্রেপ্তার চার
বিক্রয় ডটকমে মোবাইলের ক্রেতারাই তাদের টার্গেট
ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার অভিযোগ
আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার র‍্যাবের পোশাক পরা রাজ

শেয়ার করুন

ডোবায় ডুবল ২ বছরের জাবেদ

ডোবায় ডুবল ২ বছরের জাবেদ

প্রতিবেশীর শিশুদের সঙ্গে খেলছিল সে। তখন বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে ডোবায় ডুবে মো. জাবেদ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সদর উপজেলার তালশহর পূর্ব ইউনিয়নের তেলিনগর গ্রামে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় এই ঘটনা ঘটে।

২ বছরের জাবেদ ওই গ্রামের সোহাগ মিয়ার ছেলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সোলায়মান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাবেদের পরিবার জানিয়েছে, প্রতিবেশীর শিশুদের সঙ্গে খেলছিল সে। তখন বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে যায়। স্বজনরাই ডোবায় জাবেদের দেহ ভাসতে দেখে তুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চিকিৎসক সোলায়মান মিয়া জানান, পানিতে ডুবে যাওয়ায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই সে মারা যায়।

আরও পড়ুন:
উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক
ফাল্গুনী শপ ডটকমের সিইও পাভেলসহ গ্রেপ্তার চার
বিক্রয় ডটকমে মোবাইলের ক্রেতারাই তাদের টার্গেট
ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার অভিযোগ
আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার র‍্যাবের পোশাক পরা রাজ

শেয়ার করুন

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু

ফাইল ছবি

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এমাইদুল জিহাদী বলেন,

গাজীপুরের পূবাইল ও কালীগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

পূবাইলের তালটিয়ায় সকাল ৯টায় ও কালীগঞ্জের চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৃথক এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) এমাইদুল জিহাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘তাৎক্ষণিক নিহত দুই যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। তবে তাদের একজনের বয়স আনুমানিক ১৮ বছর ও অন্যজনের ৩০/৩৫ বছর।’

এসআই জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলওয়ে সড়কে চট্টগ্রামগামী কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেনের হুকে করে যাচ্ছিলেন এক যুবক। কালিগঞ্জের দড়িপাড়া রেলক্রসিং পার হওয়ার পর চুয়ারিয়াখোলা এলাকায় ট্রেন জাম্প করলে তিনি ছিটকে পড়ে যান। এতে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, ওই রেলওয়ে সড়কের পূবাইল স্টেশনের অদূরে তালটিয়া এলাকায় আরও এক যুবক নিহত হন। সকাল ৯টার দিকে চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এসআই এমাইদুল জিহাদী বলেন, ‘নিহত দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের পর নাম-পরিচয় পাওয়া না গেলে বেওয়ারিশ হিসেবে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনের পাশের কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।’

আরও পড়ুন:
উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক
ফাল্গুনী শপ ডটকমের সিইও পাভেলসহ গ্রেপ্তার চার
বিক্রয় ডটকমে মোবাইলের ক্রেতারাই তাদের টার্গেট
ওসির মোবাইল নম্বর ক্লোন করে প্রতারণার অভিযোগ
আরও দুই মামলায় গ্রেপ্তার র‍্যাবের পোশাক পরা রাজ

শেয়ার করুন