× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The ACC is going to the High Court with the list of 41 individuals and organizations
hear-news
player
google_news print-icon

৪১ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের তালিকা নিয়ে দুদক যাচ্ছে হাইকোর্টে

৪১-ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের-তালিকা-নিয়ে-দুদক-যাচ্ছে-হাইকোর্টে
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ফাইল ছবি
দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান জানান, অর্থ পাচারে সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে দুদকের তৈরি করা তালিকাটি রোববার হাইকোর্টে জমা দেয়া হবে। সংবাদমাধ্যম, প্যারাডাইস পেপারস, পানামা পেপারসসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের নাম সংগ্রহ করেছে দুদক।

হাইকোর্টে জমা দিতে অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত ১৪টি প্রতিষ্ঠান ও ২৯ ব্যক্তির তালিকা তৈরি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের এ তালিকায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু ও তার স্ত্রী-সন্তান এবং আলোচিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের নামও রয়েছে।

জানা গেছে, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববার এ তালিকা দেয়া হবে।

দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান গণমাধ্যমকে জানান, অর্থপাচারে সঙ্গে জড়িতদের নিয়ে দুদকের তৈরি করা তালিকাটি রোববার হাইকোর্টে জমা দেয়া হবে।

সংবাদমাধ্যম, প্যারাডাইস পেপারস, পানামা পেপারসসহ বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের নাম সংগ্রহ করেছে দুদক।

জানা গেছে, তালিকাভুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে দুদক।

তালিকায় থাকা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: মাল্টিমোড লিমিটেডের আবদুল আউয়াল মিন্টু ও তার স্ত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়াল এবং তাদের সন্তান তাবিথ আউয়াল, তাফসির আউয়াল ও তাজওয়ার মো. আউয়াল, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মোগল ফরিদা ওয়াই ও শহিদ উল্লাহ, ঢাকার বনানীর চৌধুরী ফয়সাল, বারিধারার আহমাদ সামির, ব্রামার অ্যান্ড পার্টনার্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, ভেনাস ওভারসিজ কোং-এর মুসা বিন শমসের।

আরও আছেন ডাইনামিক এনার্জির ফজলে এলাহী, ইন্ট্রিপিড গ্রুপের কেএইচ আসাদুল ইসলাম, খালেদা শিপিং কোম্পানির জুলফিকার আহমেদ, নারায়ণগঞ্জের জেমিকো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের তাজুল ইসলাম তাজুল, চট্টগ্রামের বেঙ্গল শিপিং লাইনসের মোহাম্মদ মালেক, ঢাকার সাউদার্ন আইস শিপিং কোম্পানির শাহনাজ হুদা রাজ্জাক, ওসান আইস শিপিং কোম্পানির ইমরান রহমান, শামস শিপিং লিমিটিডের মোহাম্মদ এ আউয়াল।

অর্থ পাচারের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আছে ঢাকার উত্তরার এরিক জনসন আনড্রেস উইলসন, ইন্ট্রিডিপ গ্রুপের ফারহান ইয়াকুবুর রহমান, জেমিকো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের তাজুল ইসলাম, পদ্মা টেক্সটাইলের আমানুল্লাহ চাগলা, রাশিয়ার নিউটেকনোলজি ইনভেস্টমেন্টের মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান, মাল্টার মোহাম্মদ রেজাউল হক, নারায়ণগঞ্জের জেমিকো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মোহাম্মদ কামাল ভূঁইয়া, তুহিন-সুমন, সেলকন শিপিং কোম্পানির মাহতাবা রহমান, নারায়ণগঞ্জের জেমিকো ট্রেড ইন্টান্যাশনালের ফারুক পালওয়ান ও আয়ারল্যান্ডের গ্লোবাল এডুকেশন সিস্টেমের মাহমুদ হোসাইনের নাম।

এছাড়া আছে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী, সেতু করপোরেশনের চেয়ারম্যান উম্মে রুবানা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ঢাকার আজমত মঈন, সালমা হক, এসএম জোবায়দুল হক, ড. সৈয়দ সিরাজুল হক, শরীফ জহির, তারিক ইকরামুল হক, ইউনাইটেড গ্রুপের চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ রাজা, প্রতিষ্ঠানটির তিন পরিচালক খন্দকার মঈনুল আহসান শামীম, আহমেদ ইসমাইল হোসেন এবং আখতার মাহমুদের নাম।

কর ফাঁকি দিয়ে নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়া, আইন অমান্য করে দেশের টাকা বিদেশে পাচার ও অবৈধ আয়ে বৈধ ক্ষমতার মালিক হওয়া নিয়ে ২০১৬ সালের এপ্রিলে পানামা পেপারস নামে দুর্নীতির সংবাদ আসে বিশ্ব গণমাধ্যমে।

বিশ্বের সাবেক ও বর্তমান শতাধিক রাষ্ট্রনায়ক ও রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, খেলোয়াড়, অভিনেতা, শিল্পী অনেকের নাম ছিল এ তালিকায়।

দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষন করে দুদক প্রথম পর্বে ৪৩ ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান এবং দ্বিতীয় পর্বে ১৮ ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানসহ মোট ৬১ ব্যক্তি এবং ৭টি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পায়।

বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধারের যথাযথ পদক্ষেপ চেয়ে গত ১ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল কাইয়ুম খান ও সুবীর নন্দী দাস।

ওই রিটের শুনানি শেষে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রুলসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট। তারই ধারাবাহিকতায় এবার হাইকোর্টে অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তালিকা জমা দিতে যাচ্ছে দুদক।

আরও পড়ুন:
হাইকোর্টে জামিন পাননি সেই প্রকাশ কুমার
বাগেরহাট পৌর মেয়রের নামে অর্থ আত্মসাতের মামলা
আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ: প্রকাশের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Birth Control Pills Renata Qualifies Bid Worldwide

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল: সারাবিশ্বে বিডের যোগ্যতা অর্জন রেনাটার

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল: সারাবিশ্বে বিডের যোগ্যতা অর্জন রেনাটার গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে রেনাটার কারখানা। ছবি: কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে নেয়া
১৯৭২ সালে আমেরিকার ওষুধ জায়ান্ট ফাইজারের একটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে। ১৯৯৩ সালে ফাইজার স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তাদের মালিকানা বিক্রি করে চলে যায় এবং কোম্পানির নাম ফাইজার (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বদলে হয় রেনাটা লিমিটেড।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি রেনাটা লিমিটেডের রাজেন্দ্রপুর পোটেন্ট প্রোডাক্ট ফ্যাসিলিটি (আরপিপিএফ) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জেনেভা থেকে অনুমোদন পেয়েছে। এর ফলে তারা রেনাটা জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের জন্য বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই টেন্ডার বিড করতে পারবে।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে রেনাটা।

কোম্পানিটি ডিএসইকে আরও জানিয়েছে, রাজেন্দ্রপুর পোটেন্ট প্রোডাক্ট ফ্যাসিলিটি হল বাংলাদেশে একমাত্র কারখানা, যেটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রাক-যোগ্যতা অর্জন করেছে।

১৯৭২ সালে আমেরিকার ওষুধ জায়ান্ট ফাইজারের একটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে। ১৯৯৩ সালে ফাইজার স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তাদের মালিকানা বিক্রি করে চলে যায় এবং কোম্পানির নাম ফাইজার (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বদলে হয় রেনাটা লিমিটেড।

বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোম্পানিটির ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। ১৯৭৯ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা। এর পরিশোধিত মূলধন ১০৭ কোটি ১৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। বর্তমানে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে।

গত জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কর পরবর্তী ৫১১ কোটি ৯ লাখ ৬১ হাজার ৪২৯ টাকা মুনাফা করেছে।

কোম্পানিটির ৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ১৯ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২২ দশমিক ৮৪ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

কোম্পানিটির শেয়ার রোববার সর্বশেষ এক হাজার ২১৭ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রেনাটার আরেকটি ওষুধ
ফ্লোরের ‘বাধা’ ভাঙার চেষ্টা শুরু?
আরও একগুচ্ছ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
৯ মাসে মুনাফা ১৪ কোটি, ৩ মাসে লোকসান ৩৬ কোটি
আয় বাড়লেও তালিকাভুক্তির পর এস্কয়ার নিটের সর্বনিম্ন লভ্যাংশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong port stalled due to shipping strike

নৌযান ধর্মঘটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর

নৌযান ধর্মঘটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক ধর্মঘটের প্রথম পড়বে। তবে কনটেইনার জাহাজ বা কনটেইনার কার্গোতে কোনো সমস্যা নেই। আউটার অ্যাংকরেজ (বহির্নোঙর) থেকে পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ আছে।’

সারা দেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। বন্দরে জাহাজের পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ রয়েছে। অচলাবস্থার দেখা দিয়েছে বহির্নোঙরেও।

শনিবার রাত থেকে সারা দেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট শুরু হয়। রোববার সকাল থেকে বন্দরে লাইটারেজর জাহাজে লোড-আনলোড, সেইলিংসহ সব কার্যক্রম বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেন শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ লাইটার শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোহাম্মদ নবী আলম বলেন, ‘নৌযান শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধ, শ্রমিকদের পরিচয়পত্র প্রদানসহ ১০ দফা দাবিতে এই ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। রাতে কিছু কিছু শ্রমিক কাজ করলেও সকাল থেকে পুরোপুরি ধর্মঘট চলছে।’

শ্রমিকদের ১০ দফা দাবি হলো নৌযান শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিস বুক দেয়াসহ সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, খাদ্য ভাতা ও সমুদ্র ভাতার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন করা, দুর্ঘটনা ও কর্মস্থলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা।

এ ছাড়াও রয়েছে চট্টগ্রাম থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহে দেশের স্বার্থবিরোধী প্রকল্প বাস্তবায়নে চলমান কার্যক্রম বন্ধ করা, বালুবাহী বাল্কহেড ও ড্রেজারের রাত্রিকালীন চলাচলের ওপর ঢালাও নিষেধাজ্ঞা শিথিল, নৌ-পথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ করা।

দাবির মধ্যে আরও রয়েছে ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস দেয়াসহ ভারতীয় সীমানায় হয়রানি বন্ধ করা, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করে সব লাইটার জাহাজকে সিরিয়াল মোতাবেক চলাচলে বাধ্য করা, চরপাড়া ঘাটে ইজারা বাতিল ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধ করা।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে নৌ-শ্রমিকদের এই ধর্মঘট চলবে বলে জানান তিনি।

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক ধর্মঘটের প্রথম পড়বে। তবে কনটেইনার জাহাজ বা কনটেইনার কার্গোতে কোনো সমস্যা নেই। আউটার অ্যাংকরেজ (বহির্নোঙর) থেকে পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ আছে।’

এর আগে ১১ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান ও পতেঙ্গা থানার ওসিকে প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে বন্দর নগরীতে সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘট পালন করেন লাইটারেজ জাহাজ শ্রমিকরা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়ছে দেড়গুণ
চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ ফেব্রুয়ারিতে
এলসিএল কনটেইনার ডেলিভারিতে নানা সংকট
কনটেইনার ধারণক্ষমতা বাড়ল চট্টগ্রাম বন্দরের
পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের রেকর্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The capital market cannot run in a circle

‘যেভাবে চলতে পারে না’, সে বৃত্তেই পুঁজিবাজার

‘যেভাবে চলতে পারে না’, সে বৃত্তেই পুঁজিবাজার নতুন সপ্তাহের শুরুতে সূচক বাড়লেও পুঁজিবাজারের হতাশা দূর হওয়ার কোনো লক্ষণই নেই। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
একটি শেয়ারও লেনদেন হয়নি ৮৬টি কোম্পানির। ২১৬টি কোম্পানির শেয়ার হাতবদল হয়েছে বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইসে, যেগুলোর লাখ লাখ শেয়ারের বিক্রেতার বিপরীতে ক্রেতা ছিল নগণ্য।

নতুন সপ্তাহের প্রথম দিন পুঁজিবাজারে সূচক, লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে হতাশার যে বৃত্ত, তা থেকে বের হয়ে আসার সামান্যতম আভাসও নেই। ‘পুঁজিবাজার এভাবে চলতে পারে না বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইসির সাবেক এক পরিচালক বৃহস্পতিবার যে মন্তব্য করেছিলেন, সেভাবেই চলছে বাজার।

রোববার ডিএসইসর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্সে যোগ হয়েছে ১৭ পয়েন্ট। দরপতন হওয়া কোম্পানির তুলনায় দর বৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যা ৬টি বেশি, আগের দিনের চেয়ে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ১৬ কোটি টাকা। তবে এদিনও প্রায় তিন শ কোম্পানির ক্রেতা ছিল না বললেই চলে।

এর মধ্যে একটি শেয়ারও লেনদেন হয়নি ৮৬টি কোম্পানির। ২১৬টি কোম্পানির শেয়ার হাতবদল হয়েছে বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইসে, যেগুলোর লাখ লাখ শেয়ারের বিক্রেতার বিপরীতে ক্রেতা ছিল নগণ্য।

কেবল ৫৬টি কোম্পানিতে এক কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে। ১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা সব মিলিয়ে ৯৮টি।

যে ৪৭টি কোম্পানির দর বেড়েছে, তার মধ্যে কেবল তিনটি কোম্পানির দর দিনের সর্বোচ্চ সীমা ছুঁয়ে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে একটি কোম্পানি পুঁজিবাজারে কদিন আগে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

সব মিলিয়ে দুটি কোম্পানির ৯ শতাংশের বেশি, একটির ৮ শতাংশের, একটি করে কোম্পানির ৭, ৬, ৫ ৪ ও ৩ শতাংশের বেশি, ৬টি কোম্পানির ২ শতাংশের বেশি এবং ১০টি কোম্পানির এক শতাংশের বেশি দর বেড়েছে।

অন্যদিকে দর হারানো ৪১টি কোম্পানির মধ্যে একটির দর কমেছে সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত। একটির ৬ শতাংশ, একটির ৫ শতাংশ, ৩টির ৪ শতাংশ, ৬টির ৩ শতাংশ, দুটির ২ শতাংশ, ১২টির এক শতাংশের বেশি বেড়েছে।

‘যেভাবে চলতে পারে না’, সে বৃত্তেই পুঁজিবাজার
সূচক কিছুটা বেড়ে নতুন সপ্তাহের লেনদেন শুরু হলেও বিপুল সংখ্যক কোম্পানির ক্রেতা না থাকা বিনিয়োগকারীদের হতাশার কারণ

এদিন সূচক বৃদ্ধির কারণ মূলত ওরিয়ন গ্রুপের বিকন ফার্মা এবং স্কয়ার গ্রুপের স্কয়ার ফার্মার শেয়ারদর বৃদ্ধি। এই দুটি কোম্পানির কারণেই সূচক বেড়েছে ১৯ পয়েন্টের বেশি।

অস্বাভাবিক উত্থানের পর বেশ কম সময়ে ব্যাপক দরপতনে ফ্লোর প্রাইসের কাছাকাছি নেমে আসা বিকন ফার্মার দর হঠাৎ করেই ৭ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার কারণে সূচকে যোগ হয়েছে ১৩.২৫ পয়েন্ট।

তালিকাভুক্তির পর নিজেদেরে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণার রেকর্ড ডেটের আগের দিন ফ্লোর প্রাইস ছাড়িয়ে লেনদেন হলো স্কয়ার ফার্মা। দীর্ঘদিন ধরেই ফ্লোরে পড়ে থাকা কোম্পানিটির দর কিছুটা বেড়েও আবার ধপাস করে পড়ে গিয়েছিল। ১.০৯ শতাংশ দর বৃদ্ধির কারণেই সূচক বেড়েছে ৬.১৬ শতাংশ।

তবে এতটুকু উন্নতি নেই লেনদেনে। দিনভর হাতবদল হয়েছে কেবল ৩৩৯ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার, যা কয়েকমাস আগেও আধা ঘণ্টার লেনদেন ছিল। বৃহস্পতিবার হাতবদল হয়েছিল ৩২৩ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার টাকা।

এদিনও লাখ লাখ শেয়ার বিক্রির আশায় বসিয়ে রেখে হতাশ হতে হয়েছে বিনিয়োগকারীদের। বিশেষ করে যারা মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ার কিনেছেন, তারা আছেন বিকাপে। দরপতন একটি ইস্যু, শেয়ার বিক্রি করতে না পারায় দিনে দিনে বাড়ছে সুদের বোঝা, এটি আরেক ইস্যু।

বৃহস্পতিবার এই হতাশা থেকে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সাবেক সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘পুঁজিবাজারে ভাইব্রেন্সি খুব প্রয়োজন। তা ছাড়া এভাবে চলতে পারে না। বছরের ১২ মাসের মধ্যে ১০ মাস ডিপ্রেসড থাকবে, আর দুই মাস ভালো থাকবে, আমরা উচ্ছ্বসিত থাকব, এভাবে চলে না।’

কিন্তু রোববার বাজারের আচরণে এটা স্পষ্ট যে, যেভাবে বাজার চলতে পারে না বলেছিলেন লালী, সেখান থেকে সহজে উত্তরণ হচ্ছে না।

এই লেনদেন নিয়ে লালী বলেন, ‘বাজার ঘুরে দাঁড়াবে, যেগুলো রিফর্মেশনের কথা বলেছিলাম, সেগুলো হতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ডিএসইর কাজ হলো বাজারে বড় ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সমস্যা বিএসইসির কাছে তুলে ধরা। যাতে করে তারা বাজারে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ডিএসই কি এটা করতে পারছে? কোনো কাজ করতে পারছে?

‘ডিএসই বোর্ডকে পলিসি মেকিংয়ের দায়িত্ব নিতে হবে। ব্রেইন স্টর্মিংয়ের মাধ্যমে বাজারের জন্য ভালো প্রস্তাব বিএসইসিকে দিতে হবে।’

তবে কিছুটা আশাও দেখছেন লালী। বলেন, ‘বাজারে একটা অটো সাপোর্ট আসবে, বাজার ঘুরে দাঁড়াবে, তবে ধৈর্য ধরতে হবে।’

সূচকে প্রভাব যাদের

সবচেয়ে বেশি ১৩ দশমিক ২৫ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে বিকন ফার্মা। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ৭ শতাংশ।

স্কয়ার ফার্মার দর ১ দশমিক ০৯ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে ৬ দশমিক ১৬ পয়েন্ট।

নাভানা ফার্মা সূচকে যোগ করেছে ১ দশমিক ৭২ পয়েন্ট। কোম্পানির দর বেড়েছে ৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

এর বাইরে সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ওরিয়ন ফার্মা, আমরা নেটওয়ার্ক, জেনেক্স ইনফোসিস, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বিডি কম ও উত্তরা ব্যাংক।

‘যেভাবে চলতে পারে না’, সে বৃত্তেই পুঁজিবাজার
সূচক যতটা বেড়েছে তার প্রায় পুরোটাই বেড়েছে বিকন ফার্মা ও স্কয়ার ফার্মার কারণে

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ২৬ দশমিক ২৭ পয়েন্ট।

বিপরীতে সবচেয়ে বেশি ৩ দশমিক ০৫ পয়েন্ট সূচক কমেছে ওরিয়ন ইনফিউশনের দরপতনে। কোম্পানিটির দর কমেছে ৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

২ দশমিক ১৭ পয়েন্ট সূচক কমেছে সোনালী পেপারের কারণে। শেয়ার প্রতি দাম কমেছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।

বসুন্ধরা পেপারের দর ৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমার কারণে সূচক কমেছে ১ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট।

এ ছাড়া বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক বন্ড, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, বাটা সুজ, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, হা-ওয়েল টেক্সটাইল, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দরপতনে সূচক কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক কমিয়েছে ১০ দশমিক ৪৯ পয়েন্ট।

দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০

সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ দর বেড়ে আমরা নেটওয়ার্কসের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫১ টাকা ৮০ পয়সায়, যা আগের দিন ছিল ৪৭ টাকা ১০ পয়সায়।

এরপরেই ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৭২ টাকায়, যা আগের দিন ছিল ৬৫ টাকা ৫০ পয়সা।

তালিকার তৃতীয় স্থানে ছিল অ্যাপেক্স ফুডস। ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ারটি হাতবদল হয়েছে ২৮১ টাকা ৯০ পয়সায়। আগের দিনের দর ছিল ২৫৯ টাকা ৫০ পয়সা।

তালিকার পরের স্থানে থাকা বিডি কমের ৭.৪ শতাংশ, বিকন ফার্মার ৬.৯৯ শতাংশ, নাভানা ফার্মা ৫.৮৩ শতাংশ, কে অ্যান্ড কিউ ৪.১০ শতাংশ, সিনোবাংলা ৩.৩৯ শতাংশ, জেমিনি সি-ফুড ২.৪৯ শতাংশ ও বেঙ্গল উইন্ডসরের ২.৪১ শতাংশ দর বেড়েছে।

দরপতনের শীর্ষ ১০

দরপতনের শীর্ষে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন। ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমে শেয়ারটি লেনদেন হয়েছে ৬১২ টাকা ৮০ পয়সায়, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ৬৬২ টাকা ৪০ পয়সা।

অ্যাডভেন্ট ফার্মার দর ৬ দশমিক ০১ শতাংশ কমে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৫ টাকায়, আগের দিন ক্লোজিং প্রাইস ছিল ২৬ টাকা ৬০ পয়সা।

তৃতীয় সর্বোচ্চ পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দর কমেছে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ। শেয়ার হাতবদল হয়েছে ৫৪ টাকা ৫০ পয়সায়। আগের দিনে দর ছিল ৫৭ টাকা ৫০ পয়সা।

তালিকার পরের স্থানে থাকা রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, প্রগ্রেস লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও হা-ওয়েল টেক্সটাইলের দর কমেছে ৪ শতাংশের বেশি।

এ ছাড়া বসুন্ধরা পেপার, এএফসি অ্যাগ্রো, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারের দর কমেছে ৩ শতাংশের বেশি।

আরও পড়ুন:
এক দিন পরই সূচকের ধপাস, ‘ক্রেতাশূন্য’ তিন শ কোম্পানি
ফেসবুকে পুঁজিবাজার নিয়ে ভীতি ছড়িয়ে মামলার আসামি
দুর্দশায় পুঁজিবাজার: ২১৪ কোম্পানি মিলিয়ে লেনদেন আড়াই কোটির কম
ওরিয়ন, মনোস্পুলের শেয়ার দেখছে মুদ্রার উল্টো পিঠ
পুঁজিবাজারের চাপের মধ্যে আরও একটি আইপিও আবেদন শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The question of the High Court is whether big debtors are above trial

বড় ঋণখেলাপিরা কি বিচারের ঊর্ধ্বে, প্রশ্ন হাইকোর্টের

বড় ঋণখেলাপিরা কি বিচারের ঊর্ধ্বে, প্রশ্ন হাইকোর্টের সুপ্রিম কোর্ট ভবন। ফাইল ছবি
দুদকের উদ্দেশে হাইকোর্ট বলে, ‘ঋণখেলাপিরা আইনের চেয়ে শক্তিশালী নয়। তাহলে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন? হাজার হাজার কোটি টাকা লোন নিয়ে খেলাপি হচ্ছে। আপনারা ধরছেন না কেন?’

বড় বড় ঋণখেলাপিরা বিচারের ঊর্ধ্বে থাকবেন কি না, সে প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্ট।

ঋণ জালিয়াতির মামলায় এক ব্যাংক কর্মকর্তার জামিন বাতিল আবেদনের শুনানিকালে রোববার বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ প্রশ্ন তোলে।

সমবায় ব্যাংক হতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে ঋণ নিয়ে ফেরত না দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় ১২ কৃষকের গ্রেপ্তার নিয়ে আলোচনার মধ্যেই হাইকোর্ট উল্লিখিত প্রশ্ন তুলল। ঈশ্বরদীর ওই ১২ কৃষককে রোববার জামিন দিয়েছে পাবনার আদালত।

হাইকোর্টের বেঞ্চ বলে, ‘যারা অর্থশালী তারা কি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে? আর দুদক কি তাদের রেখে চুনোপুঁটিদের ধরতে ব্যস্ত থাকবে?’

দুদকের উদ্দেশে হাইকোর্ট আরও বলে, ‘ঋণখেলাপিরা আইনের চেয়ে শক্তিশালী নয়। তাহলে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন? হাজার হাজার কোটি টাকা লোন নিয়ে খেলাপি হচ্ছে। আপনারা ধরছেন না কেন?

‘যারা বড় বড় ঋণখেলাপি, তারা কি বিচারের ঊর্ধ্বে থাকবে? যারা অর্থশালী, তারা কি ধরাছোঁয়ার বাইরে?’

আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এম এ আজিজ খান ও খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঋণ জালিয়াতির মামলায় শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা এ এস এম হাসানুল কবিরের জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করে দুদক। ওই আবেদনের শুনানির সময় আদালত এসব কথা বলে।

দীর্ঘদিনেও এ মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে হাইকোর্ট।

বিসমিল্লাহ গ্রুপের এমডি খাজা সোলায়মান আনোয়ার চৌধুরীসহ ১২ জনের নামে রমনা থানায় ২০১৩ সালের ২৯ মার্চ মামলা করেন শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ইস্কাটন শাখার ম্যানেজার নকীবুল ইসলাম। এ মামলায় ২০১৫ সালের ২৯ অক্টোবর ব্যাংকটির তৎকালীন ডেপুটি ম্যানেজার এএসএম হাসানুল কবীর ও জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মান্নাতুল মাওয়াসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

এ মামলায় ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর দুজনকে জামিন দেয় বিচারিক আদালত। সেই জামিন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক।

দুদকের আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করে।

আরও পড়ুন:
ধানমন্ডির বাড়িটি সরকারি সম্পত্তি
ফুটপাত লিজ: তালিকা চায় হাইকোর্ট
বিজিবি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা তদন্ত করবে পিবিআই: হাইকোর্ট
কারাগারে চিকিৎসকের শূন্য পদে নিয়োগের নির্দেশ
বিচারককে গালি, ক্ষমা চেয়ে পার পেলেন পিরোজপুরের পিপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 lawyers want investigation into withdrawal of money from Islami Bank

‘ইসলামী ব্যাংকের টাকা তুলে নেয়ার’ তদন্ত চান ৩ আইনজীবী

‘ইসলামী ব্যাংকের টাকা তুলে নেয়ার’ তদন্ত চান ৩ আইনজীবী রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ার। ছবি: সংগৃহীত
চিঠিতে তিন আইনজীবী বলেন, ‘গত ২৪ নভেম্বর প্রথম আলো পত্রিকার অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে এসেছে যে, ইসলামী ব্যাংক থেকে নভেম্বর মাসের ১ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা অসাধুচক্র তুলে নিয়েছে। এই রিপোর্টে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসংক্রান্ত বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ব্যাংকের আমানতকারী হিসেবে আমরা উদ্বিগ্ন।’

ইসলামী ব্যাংকের টাকা তুলে নেয়ার বিষয়ে প্রথম আলোতে ছাপা প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন তিন আইনজীবী।

শিশির মনিরসহ সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবীরা শনিবার এ চিঠি পাঠান।

গত ২৪ নভেম্বর ‘ইসলামী ব্যাংকে ভয়ংকর নভেম্বর’ শিরোনামে প্রতিবেদনে প্রথম আলো জানায়, চলতি বছর আটটি প্রতিষ্ঠানের নামে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা তুলে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা তুলে নেয়া হয় ১ থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে। এ কারণে ব্যাংকটির কর্মকর্তারা চলতি মাসকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ বলছেন।

চিঠিতে ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করেছেন তিন আইনজীবী।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পত্র পাঠানো বাকি দুই আইনজীবী হলেন আবদুল্লাহ সাদিক ও যায়েদ বিন আমজাদ।

চিঠিতে বলা হয়, ‘এই যে আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীগণ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের নিয়মিত গ্রাহক। ইসলামী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। আমরা সাধ্যমতো ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে লেনদেন করে থাকি।

‘গত ২৪ নভেম্বর প্রথম আলো পত্রিকার অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে এসেছে যে, ইসলামী ব্যাংক থেকে নভেম্বর মাসের ১ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা অসাধুচক্র তুলে নিয়েছে। এই রিপোর্টে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসংক্রান্ত বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ব্যাংকের আমানতকারী হিসেবে আমরা উদ্বিগ্ন।’

চিঠিতে তিন আইনজীবী উল্লেখ করেন, ‘স্বীকৃত মতে, বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করছে। এমতাবস্থায় এই ধরনের সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনে আমরা সংক্ষুব্ধ। উপরিউক্ত বিষয়টি আমলে নিয়ে গভীরভাবে খতিয়ে দেখার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

‘একই সঙ্গে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনগত দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। আশা করি উক্ত বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমাদের কৃতার্থ করবেন।’

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকের শরিয়াহবিষয়ক আলোচনা
ইসলামী ব্যাংকের সাউন্ড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ক্যাম্পেইন শুরু
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
ইতালিতে ইসলামী ব্যাংকের মতবিনিময়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
90 percent of the tax comes from Dhaka and Chittagong

করের ৯০ শতাংশই আসে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে

করের ৯০ শতাংশই আসে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে শনিবার গুলশান ক্লাবে ‘শতবর্ষে আয়কর আইন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে অনেক জেলা শহরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েছে। ফলে কর আহরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ওই সব জেলার সামর্থ্যবানদের কর-জালে আনতে হবে। এ জন্য এনবিআরের সক্ষমতা ও জনবল বাড়াতে হবে।’

দেশে বছরে যে পরিমাণ আয়কর আদায় হয় তার ৯০ শতাংশই আসে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে। অবশিষ্ট ১০ শতাংশ সংগৃহীত হয় অন্যান্য জেলা থেকে।

শনিবার রাজধানীর গুলশান ক্লাবে ‘শতবর্ষের আয়কর আইন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধে এ তথ্য জানিয়েছেন স্নেহাশীর্ষ বড়ুয়া এফসিএ।

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ-আইবিএফবি এই সেমিনারের আয়োজন করে।

তথ্য অনুযায়ী, সংগৃহীত আয়করের ৭৪ শতাংশই আদায় হয় রাজধানী ঢাকা থেকে। আর ১৬ শতাংশ আসে বন্দর নগরী চট্টগ্রাম থেকে। বাকি অংশ আহরণ হয় সারা দেশ থেকে।

স্নেহাশীষ বড়ুয়া বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে অনেক জেলা শহরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেড়েছে। ফলে কর আহরণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আওতা বাড়াতে হলে ওই সব জেলার সামর্থ্যবানদের কর-জালে আনতে হবে। এ জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সক্ষমতা ও জনবল বাড়াতে হবে।

গত অর্থবছরে এনবিআরের মাধ্যমে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর-ভ্যাট ও আমদানি শুল্ক মিলে মোট রাজস্ব আহরণ হয় ২ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে আয়করের অংশ ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এর ৯০ শতাংশ অর্থাৎ ৯৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আদায় হয় ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে।

বর্তমানে আয়করের অংশ মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ।

স্নেহাশীষ বড়ুয়া মনে করেন, উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে যেতে হলে করের পরিমাণ জিডিপির ৮ থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। ফলে আগামী দিনে আয়কর আহরণ বৃদ্ধি হবে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ।

অনুষ্ঠানে এনবিআরের সাবেক সদস্য আলমগীর হোসেন বলেন, বর্তমানে ৮৬ উপজেলায় আয়কর অফিস আছে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়লেও জনবলের অভাবে তৃণমূল পর্যায়ে সামর্থ্যবানদের করনেটে আনা যাচ্ছে না। আওতা বাড়াতে হলে মাঠপর্যায়ে কর বিভাগের সম্প্রসারণ জরুরি।

এনবিআর সূত্রে জানা যায়, দেশে এখন পর্যন্ত টিআইএনধারীর সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ। এর মধ্যে গত করবর্ষে আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে ২৫ লাখ। অর্থাৎ নিবন্ধিত করদাতার ৬৫ শতাংশই রিটার্ন জমা দেননি।

অনুষ্ঠানে আইবিএফবির সভাপতি হুমায়ন রশিদ জানান, প্রায় তিন কোটি জনসংখ্যার দেশ নেপালে আয়কর রিটার্ন জমা দেয় ২২ লাখ লোক। আর ১৭ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশে জমা পড়ে ২৩ লাখ।

আয়কর আদায় ব্যবস্থা কেন্দ্রীভূত হওয়ার পেছনে প্রধানত দুটি কারণের কথা বলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের জ্যেষ্ঠ গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মূলত ঢাকা ও চট্টগ্রামের ওপর নির্ভরশীল। দ্বিতীয়ত, কর আদায় বাড়ানোর জন্য এনবিআরের যে ধরনের কাঠামো বিস্তৃত করা দরকার সেভাবে করা হয়নি।

জ্যেষ্ঠ এই গবেষক আরও বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বাদ দিয়ে অন্যান্য জেলা শহরে কর আহরণের যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকলেও তা আদায় করতে পারছে না এনবিআর। সব জেলা শহরে বড় বড় ব্যবসায়ী আছেন, অনেক পেশাজীবী আছেন, যাদের আয় অনেক। এদের অনেকেই এখনও করনেটের বাইরে। শুধু তা-ই নয়, উপজেলা পর্যায়েও কর আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সামর্থ্যবানদের সবাইকে নেটে আনতে পারলে কর আদায়ের পরিমাণ আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন:
সম্ভাবনার প্রযুক্তি খাতে নানা সমস্যা, সমাধানের তাগিদ
বড় বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছে পদ্মা সেতু: প্যাট্রিক
বড় প্রকল্পে হংকংয়ের বিনিয়োগ চায় সরকার
‘প্রাসাদ বানালেন অথচ ভিতরে নড়বড়ে, লাভ নেই’
‘অর্থনীতিতে অবিচারের বাস্তবতা তৈরি হয়েছে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Power crisis will end gas crisis BGMEA

বিদ্যুতের সমস্যা শেষ, গ্যাস সংকটও কেটে যাবে: বিজিএমইএ

বিদ্যুতের সমস্যা শেষ, গ্যাস সংকটও কেটে যাবে: বিজিএমইএ
সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্রুনাই থেকে গ্যাস আমদানি করবে। এ গ্যাস আসা শুরু হলেই পোশাক কারখানায় জ্বালানির সমস্যা দূর হবে।’

পোশাক শিল্পে বিদ্যুতের যে সমস্যা ছিল, তা প্রায় কেটে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুতের সমস্যা সমাধান হয়েছে, আশা করছি শিগগিরই গ্যাস সংকটও নিরসন হবে।’

শনিবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ উইক’ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ফারুক হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্রুনাই থেকে গ্যাস আমদানি করবে। এ গ্যাস আসা শুরু হলেই পোশাক কারখানায় জ্বালানির সমস্যা দূর হবে।’

তিনি বলেন, ‘পোশাক কারখানায় সাম্প্রতিক যে বিদ্যুৎ-গ্যাসের সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তার সমাধান হয়েছে। কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত আছে। আমাদের ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে পণ্য রপ্তানিতে যে সমস্যা হয়েছিল, তার সমাধান হয়েছে। ঢাকা বিমানবন্দরে স্ক্যানিং মেশিন জটিলতায় পড়তে হয়েছিল একটা সময়। এখন চারটি স্ক্যানার মেশিন বসানো হয়েছে। বলতে পারি রপ্তানির ক্ষেত্রে ঢাকা বিমানবন্দরেও আর কোনো জটিলতা নেই।’

সংবাদ সম্মেলনে ১৮ পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্যে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান সপ্তাহব্যাপী ‘মেড ইন বাংলাদেশ উইকের’ উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘বিজিএমইএ-এর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সাত দিনব্যাপী মেগা ইভেন্ট “মেইড ইন বাংলাদেশ উইক” গত ১২ থেকে ১৮ নভেম্বর উদযাপন করেছি। এই ইভেন্টের থিম ছিল “কেয়ার ফর ফ্যাশন”। এই ইভেন্টের বিভিন্ন দিক আপনাদেরকে অবহিত করতেই আজকের এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন।’

বিদ্যুতের সমস্যা শেষ, গ্যাস সংকটও কেটে যাবে: বিজিএমইএ
হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। ছবি: নিউজবাংলা

ফারুক হাসান বলেন, ‘সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে সামিট, এক্সপোজিশন, ফটো এক্সিবিশন, কনফারেন্স, ফ্যাশন ইনোভেশন রানওয়ে শো, সাসটেইনেবল ডিজাইন এবং ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড, ফ্যাশন ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড, ফ্যাক্টরি ট্যুর, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং নেটওয়ার্কিং ডিনারসহ মোট ১৭টি কর্মসূচি ছিল।

‘মেড ইন বাংলাদেশ উইক আয়োজনের তিনটি প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। প্রথমত, পোশাক শিল্প এবং সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করা; বিশেষ করে শিল্পের যে প্রকৃত রূপান্তর ঘটেছে, তা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে এ শিল্পের ব্র্যান্ডিং করা।

‘দ্বিতীয়ত, রূপকল্প ২০৩০ বাস্তবায়নের জন্য প্রধান কৌশলগত লক্ষ্যগুলো চিহ্নিত করে শিল্পের জন্য একটি টেকসই রোডম্যাপ তৈরিতে শিল্পের সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে এ ব্যাপারে তাদের মতামত নেওয়া।

‘তৃতীয়ত. সরকার, ব্র্যান্ড-ক্রেতা, বিভিন্ন সাপ্লায়ার (টেকনোলজি, মেশিন, এক্সেসরিজ সরবরাহকারী), শিল্প সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে নেটওয়ার্কিং করা।’

আরও পড়ুন:
পোশাক রপ্তানি ২০ শতাংশ কমার শঙ্কায় বিজিএমইএ
ইয়াংওয়ানকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের আহ্বান
সামনে তৈরি পোশাক শিল্পের বড় চ্যালেঞ্জ: বিজিএমইএ
আন্তর্জাতিক দরে ডিজেল চান পোশাক শিল্পমালিকরা
বিজিএমইএ-এর নতুন লোগো

মন্তব্য

p
উপরে