শান্তি প্রতিষ্ঠার দায় সবার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

player
শান্তি প্রতিষ্ঠার দায় সবার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও শান্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশে ও বিদেশে শান্তিপূর্ণভাবে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করছেন। এই যে শান্তির প্রতি তারও অগাধ বিশ্বাস, এটি আমরা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হয়। শান্তি সরকারের একার পক্ষে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

শনিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলন’ প্যানেল আলোচনা শুরুর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এর উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সম্মেলনে ৫০টি দেশের ১০০ জন প্রতিনিধি অংশ নেবেন।

এ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের ৬০ জন প্রতিনিধি ভার্চুয়ালি অংশ নেবেন। আর বাকি ৪০ জন সশরীরে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রোববার বিকেলে এ সম্মেলন শেষ হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর মেয়ে, আমাদের প্রধানমন্ত্রীও শান্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশে ও বিদেশে শান্তিপূর্ণভাবে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করছেন। এই যে শান্তির প্রতি তারও অগাধ বিশ্বাস, এটি আমরা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চাই।

‘জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী যে শান্তির সংস্কৃতির ধারণা দিয়েছেন, সম্মেলন থেকে আমরা পৃথিবীতে শান্তির বার্তা দিতে চাই। আমরা চাই, এই বার্তা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ুক। পৃথিবীতে টেকসই শান্তির জন্য প্রয়োজন একে-অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা, সহনশীলতা- এগুলো আমরা তুলে ধরব।’

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শুরু আজ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নদী রক্ষায় ডিসিদের জোরাল ভূমিকা চায় সরকার

নদী রক্ষায় ডিসিদের জোরাল ভূমিকা চায় সরকার

নদী দূষণ রোধে জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে আরও জোরালো ভূমিকা চেয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

ডিসি সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদীগুলোতে যেন নাব্যতা থাকে, নদী দূষণ এবং দখলের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসকদের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কারণ আমাদের নদী রক্ষার যে জেলা কমিটি, সেটার সভাপতি জেলা প্রশাসক। তারা ইতোমধ্যে অনেক ভূমিকা রাখছেন এবং এগুলো আরও জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।’

দেশের নদীগুলোর নাব্যতা রক্ষা, দূষণ ও দখল রোধেও জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) জোরাল ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। সেই সঙ্গে দেশের স্থলবন্দরগুলোতে অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নজরদারি বাড়ানোতেও ডিসিদের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘নদীগুলোতে যেন নাব্যতা থাকে, নদী দূষণ এবং দখলের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য জেলা প্রশাসকদের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কারণ আমাদের নদী রক্ষার যে জেলা কমিটি, সেটার সভাপতি জেলা প্রশাসক। তারা ইতোমধ্যে অনেক ভূমিকা রাখছেন এবং এগুলো আরও জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে।’

‘অবৈধ বালু উত্তোলনের মধ্য দিয়ে নদীর নাব্যতা নষ্ট হয়ে যায় এবং আমাদের নৌপথগুলোতে বিঘ্নতা তৈরি হয়। এগুলো সঠিকভাবে মনিটরিং করার জন্য জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে।’

স্থলবন্দরগুলোতে অনৈতিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নজরদারি আরও জোরদার করার জন্যও ডিসিদেরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্থলবন্দর যেগুলো আছে, যেহেতু সেখানে পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়, সে জায়গায় কোনো ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড যাতে না হয়, সেজন্য জেলা প্রশাসনের নজরদারি আছে, তারা রাখছেন। তারপরেও এটা জোরদার করার জন্য আমরা বলেছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সার্বিকভাবে আমাদের যে পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়েছে, মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থাগুলোর মাধ্যমে, এগুলো তাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব ছিল কি না, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উপকূলীয় যে মানুষগুলো আছে, যেমন হাতিয়া, ভোলা, এসব নদী বন্দরগুলোর আরও উন্নয়ন করা এবং যাত্রীবান্ধব করা। সেগুলোর ব্যাপারে আমরা ইতোমধ্যে প্রকল্প গ্রহণ করেছি।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নৌ সেক্টরে দীর্ঘদিন ধরে একটা অচলায়তন, অনিয়ম হয়ে আসছে। এটা এত বড় একটা সেক্টর, একবারেই পরিবর্তন সম্ভব নয়।

‘যেমন আমরা যে লঞ্চে যাতায়াত করি, আমি প্রথম থেকেই বলে আসছি, এটির নকশায় পরিবর্তন করা দরকার। শুধু কোভিড পরিস্থিতির কারণে নয়, বর্তমান এ আধুনিক যুগে এটি চলে না। এ জায়গাটায় আমরা নজর দিচ্ছি।’

এ বিষয়ে কাজ চলছে বলেও জানান নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এ সেক্টরকে নিরাপদ করা।’

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শুরু আজ

শেয়ার করুন

সন্ধ্যা ৬টার পর বালু উত্তোলন নয়

সন্ধ্যা ৬টার পর বালু উত্তোলন নয়

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ডিসিদের। ফাইল ছবি

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে অবৈধ বালু উত্তোলনের হিড়িক চলছে। দেশে এর মহাসমারোহ শুরু হয়েছে। এটা বন্ধ করতে না পারলে আমরা যদি নদীর একটি বাঁধ লোহা দিয়েও নির্মাণ করি, সেটিও একসময় ঢলে পড়বে।’

দেশের কোনো এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর নদী থেকে বালু উত্তোলন করা যাবে না বলে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

যেখান-সেখানে বালু উত্তোলন বন্ধ, উঁচু স্থানে আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা এবং নদীর তীরবর্তী বাঁধগুলোতে যাতে ঘরবাড়ি মতো অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠে, সে বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের শেষ দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রস্তাবে এসব নির্দেশনা দেন তিনি।

অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের করা ব্রিফিংয়ে জাহিদ ফারুক বলেন, ‘বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্ষা মৌসুমে অধিক পানি প্রবাহ হয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে পানি একদমই কমে যায়। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীর নাব্যতা রক্ষার। ‘যেকোনোভাবে নদীতে পানি সচল রাখতে হবে। নাব্যতা রক্ষা করতে হবে, যাতে নৌযান খুব সহজে চলাচল করতে পারে।’

অধিবেশনের আলোচনা প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকদের যেটা অনুরোধ করা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নদী রক্ষা করছি, তবে একই সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি, সারা দেশে অবৈধ বালু উত্তোলনের হিড়িক চলছে। দেশে এর মহাসমারোহ শুরু হয়েছে।

‘এটা বন্ধ করতে না পারলে আমরা যদি নদীর একটি বাঁধ লোহা দিয়েও নির্মাণ করি, সেটিও একসময় ঢলে পড়বে। তখন আমরা নদীকে রক্ষা করতে পারব না। নির্মাণাধীন বাঁধ ভেঙে পড়বে।’

বালু উত্তোলন নিয়ে জাহিদ ফারুক বলেন, ‘আমরা জেলা প্রশাসকদের জানিয়েছি, ড্রেজিং ম্যাটেরিয়ালস একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সেটি খুব শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে। সেখানে বালি উত্তোলনের সময়টা সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বেঁধে দেয়া হবে।

‘বালি উত্তোলন কোনোভাবেই সন্ধ্যা ৬টার পরে করা যাবে না। এটা ছাড়া সরকারের যেসব উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে, তা চলমান রাখার জন্য বালির প্রয়োজন হবে, কিন্তু তার জন্য যত্রতত্র বালি উত্তোলন করলে চলবে না। তা উত্তোলন করতে হবে নির্দিষ্ট বালুমহাল থেকে। পানি উন্নয়ন বোর্ড, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশলীদের নিয়ে বালুমহাল চিহ্নিত করুন।’

বাঁধে স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বাঁধের ওপর কোনোভাবেই অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। সাধারণভাবে আপনারা দেখেছেন নদীর ওপর যে বাঁধ থাকে, সেখানে কিছু ঘরবাড়ি গড়ে ওঠে। বাঁধের ওপর এভাবে ঘরবাড়ি করলে এবং রান্নাবান্না করলে সেখানে ইঁদুরের বাসা হয়। এতে বাঁধের মাটির তল দুর্বল হয়ে পড়ে, কিন্তু ওপর থেকে জানাই যাবে না যে, বাঁধটি দুর্বল হয়ে পড়েছে।

‘ফলে বন্যার সময় যখন পানির প্রবল স্রোতের ধাক্কা লাগে, তখন এই বাঁধগুলো ভেঙে যায়। তখন কিন্তু অনেকেই বলে এই বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ড তৈরি করেছে এবং এর নির্মাণকাজ ভালো হয়নি।’

আশ্রয়ণ প্রকল্পের স্থান নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের বিষয়ে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়। আপনারা দেখবেন আশ্রয়ণ প্রকল্প কিন্তু সাধারণভাবে নদীর কিনারাতে করা হয়। ফলে যখনই বন্যা হয়, তখনই কিন্তু পানি এসে আশ্রয়ণ প্রকল্প ডুবে যায়। এতে সরকারকে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।

‘আমরা জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দিয়েছি, আপনারা যখন এই আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণের পরিকল্পনা করবেন, প্রকল্পস্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে নেবেন, অথবা স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটু উঁচু জায়গা বেছে নেবেন। তাহলে ওই আশ্রয়ণ প্রকল্পটি পানিতে ডুবে যায় না। সে ক্ষেত্রেও নিচু স্থান হলে বালি ফেলে তা উঁচু করে নেয়া যায়। তাহলে আশ্রয়ণ প্রকল্পগুলো টেকসই হবে।’

উপকূলীয় অঞ্চলে বাঁধ রক্ষার বিষয়ে ডিসি সম্মেলনের অধিবেশনে আলোচনা হয়েছে বলে জানান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

তিনি বলেন, ‘উপকূলীয় অঞ্চলের বাঁধ রক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। উপকূলীয় বাঁধগুলো ভেঙে যাচ্ছে। এগুলো ষাটের দশকের প্রকল্প। এখনই প্রকল্পগুলোর পরিবর্তন করা হচ্ছে। এখানে বিশ্বব্যাংকের তত্ত্বাবধানে কাজ হচ্ছে। এখানে ১৩৯টা ফোল্ডার আছে। ১০টি ফোল্ডারের কাজ সমাপ্তির পথে। আরও ২০টি ফোল্ডারের কাজ প্রক্রিয়াধীন।

‘এ ছাড়া স্থানীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে আরও সাতটি প্রকল্প চলমান। উপকূলীয় প্রকল্পের এসব কাজগুলো সম্পন্ন হয়ে গেলে আগামী সাত থেকে আট বছর পরে উপকূলীয় অঞ্চল একটি সহনীয় পর্যায়ে আসবে। তখন উপকূলবাসীকে জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে আমরা রক্ষা করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শুরু আজ

শেয়ার করুন

সৌদি শ্রমবাজার নিয়ে উদ্বেগের কথা জানাল জেদ্দা কনস্যুলেট

সৌদি শ্রমবাজার নিয়ে উদ্বেগের কথা জানাল জেদ্দা কনস্যুলেট

নানা সমস্যার কারণে অনেক প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

এ বিষয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে সতর্ক করে চিঠি দিয়েছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস। সৌদি গেজেটকে উদ্বৃত করে দেশটিতে প্রবাসী শ্রমিকদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে চিঠিতে।

সৌদি শ্রমবাজারে প্রতিনিয়ত তাদের নিজস্ব কর্মী বাড়ছে। বাড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের সমস্যা। বাধ্য হয়ে দেশে ফিরে যাচ্ছেন অনেকে। সৌদি শ্রমবাজার নিয়ে এসব উদ্বেগের কথা জানিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণায়লকে চিঠি লিখেছে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস।

জেদ্দা কনস্যুলেট থেকে পাঠানো চিঠিটি মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায় বুধবার। এতে জেদ্দাভিত্তিক ইংরেজি সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটকে উদ্বৃত করে প্রবাসী শ্রমিকদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

বিদেশি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের ওপর ইকামা খরচ বাড়ানো, প্রবাসী শ্রমিক নিয়োগ নিরুৎসাহিত করা এবং কর্মস্থলে সৌদিদের সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

কনস্যুলেট জানায়, ২০১৮ সালের শুরু থেকে ২০২১ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকের শেষ পর্যন্ত ৪৫ মাসের মধ্যে মোট ১০ লাখ ৫ হাজার পুরুষ ও মহিলা বিদেশি শ্রমিক সৌদি কর্মসংস্থানের বাজার ছেড়েছে। এই সংখ্যাটি দেশটিতে মোট বিদেশি কর্মীর ১০ দশমিক ১২ শতাংশ।

চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রবাসীদের ওপর বাড়তি ইকামা ফি আরোপকে সৌদি আরব থেকে তাদের ব্যাপক প্রস্থানের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৮ সালে প্রবাসী ফির মাসিক পরিমাণ ছিল প্রতি কর্মী ৪০০ সৌদি রিয়াল। এই ফি ২০১৯ সালে ৬০০ এবং ২০২০ সাল থেকে ৮০০ সৌদি রিয়াল করা হয়েছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণায়লকে পাঠানো চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রবাসী ফি আরোপের আগে ২০১৭ সালের শেষে অ-সৌদি শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ১০.৪২ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছিল। এই সংখ্যা প্রতি বছর কমতে থাকে, যা ২০২১ শেষে ৯.৩৬ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে।

একই সময়ে সৌদি পুরুষ ও মহিলা কর্মীদের শ্রমবাজারে প্রবেশের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৭৯ হাজার (পুরুষ ও মহিলা) বেড়েছে, যা আগের চেয়ে ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। এতে বর্তমানে সৌদি কর্মীর সংখ্যা ৩ দশমিক ৩৪ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ দশমিক ১৬ মিলিয়ন।

জেনারেল অর্গানাইজেশন ফর সোশ্যাল ইন্স্যুরেন্সে যোগদানের পর সামাজিক বিমার নিয়ম ও প্রবিধানের অধীন সৌদি পুরুষ ও মহিলাদের সংখ্যা বেড়েছে বলেও জানায় জেদ্দা কনস্যুলেট।

একই সময়ের মধ্যে আরও ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ বা ১ লাখ ৫৭ হাজারেরও বেশি পুরুষ ও মহিলা সৌদি কর্মচারী বিমা ডাটাবেসে অ্যাক্সেস পেয়েছে। এতে এই সিস্টেমের অধীনে থাকা মোট কর্মীদের সংখ্যা প্রায় ২ দশমিক ১৪ মিলিয়নে নিয়ে এসেছে।

সৌদি গেজেটের বরাতে জেদ্দা কনস্যুলেট থেকে আরও জানানো হয়, সিভিল সার্ভিস আইনের অধীন দেশটির কর্মক্ষেত্রে পুরুষ ও নারী কর্মীদের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার বেড়েছে, যা প্রায় ২ শতাংশের সামান্য বেশি।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শুরু আজ

শেয়ার করুন

ভার্চুয়াল কোর্টে লাগবে না গাউন

ভার্চুয়াল কোর্টে লাগবে না গাউন

ভার্চুয়াল কোর্টে আইনজীবীদের এ ধরনের গাউন পরতে হবে না। ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ভার্চুয়ালি শুনানির সময় গাউন পরার বিষয়ে শিথিলতা আনতে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেন। তার এ আবেদনে সাড়া দেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে শুনানিকালে আইনজীবীদের কালো কোটের ওপর কালো গাউন পরতে হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রশাসন।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আলী আকবর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘উপর্যুক্ত বিষয়ে নির্দেশিত হয়ে জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের মাননীয় বিচারপতি মহোদয়গণ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে মামলা শুনানিকালে ক্ষেত্রমতো টার্নড আপ সাদা কলার ও সাদা ব্যাংসহ সাদা শার্ট ও প্যান্ট/শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ ও জাজেস কোট পরিধান করবেন।’

আইনজীবীদের উদ্দেশে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবীগণ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে মামলা শুনানিকালীন ক্ষেত্রমতো টার্নড আপ সাদা কলার ও সাদা ব্যান্ডসহ সাদা শার্ট ও প্যান্ট/শাড়ি বা সালোয়ার কামিজ ও কালো কোট/শেরওয়ানি পরিধান করবেন।’

উভয় ক্ষেত্রে গাউন পরার বাধ্যবাধকতা নেই।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ফের ভার্চুয়ালি কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর বুধবার থেকে ভার্চুয়াল কোর্টে আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকাজ শুরু হয়।

সুপ্রিম কোর্ট বারের সম্পাদক ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল ভার্চুয়ালি শুনানির সময় গাউন পরার বিষয়ে শিথিলতা আনতে প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করেন।

তিনি বলেন, ‘ভার্চুয়ালি শুনানিতে আমরা যেকোনো জায়গা থেকে অংশ নিতে পারি। এ সময় গাউন পরে অংশ নিতে আমাদের বেশ সমস্যা হয়।’

ওই সময় ব্যারিস্টার কাজলের সঙ্গে একমত পোষণ করেন অ্যাটর্নি জেনারেলও।

তখন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বলেন, ‘ঠিক আছে আমরা দেখছি কী করা যায়।’

পরে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে গাউন পরার ওপর শিথিলতা জারি করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শুরু আজ

শেয়ার করুন

স্ত্রীসহ করোনা আক্রান্ত প্রধান বিচারপতি, হাসপাতালে ভর্তি

স্ত্রীসহ করোনা আক্রান্ত প্রধান বিচারপতি, হাসপাতালে ভর্তি

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। ফাইল ছবি

তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন। প্রতিষ্ঠানটির একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী স্ত্রীসহ করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এখন তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘ওনারা (প্রধান বিচারপতি এবং তার স্ত্রী) হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সুস্থ আছেন।’

সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রথমে প্রধান বিচারপতির স্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর প্রধান বিচারপতিরও করোনার পজেটিভ ফল আসে। পরে বুধবার রাতে প্রধান বিচারপতিও হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রধান বিচারপতির স্ত্রী ডালিয়া ফিরোজ গত মঙ্গলবার হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর বুধবার রাতে প্রধান বিচারপতিও হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের ভিআইপি ডিলাক্স কেবিনে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি।

প্রধান বিচারপতির অনুপস্থিতিতে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক মো. নূরুজ্জামানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারক মিলে আপিল বেঞ্চ পরিচালনা করছেন।

প্রধান বিচারপতি ছাড়াও হাইকোর্ট বিভাগের ১৩ জন বিচারকের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এসকে মোরশেদও করোনায় আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে আছেন।

দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে গত ৩০ ডিসেম্বর নিয়োগ পান হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। নতুন বছর থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শুরু আজ

শেয়ার করুন

অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে জোর সেনাপ্রধানের

অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে জোর সেনাপ্রধানের

ডিসি সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা

ডিসি সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সেনাবাহিনীর প্রধান বলেন, ‘আমরা সোনার বাংলা গড়ার যে অভীষ্ট লক্ষ্যে এগোচ্ছি, সেখানে সামরিক প্রশাসনের সঙ্গে অসামরিক প্রশাসন যদি একসঙ্গে কাজ না করে তাহলে আমরা অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব না।’

প্রচলিত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সঙ্গে অসামরিক প্রশাসনের যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাহিনীটির প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। বলেছেন, সামরিক প্রশাসনের সঙ্গে অসামরিক প্রশাসন মিলে কাজ না করলে সোনার বাংলা গড়ার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে না।

রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের প্রচলিত যে দায়িত্বগুলো পালন করে সেগুলো পালনের ক্ষেত্রে অসামরিক প্রশাসনের সহায়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি নিজেই এখানে এসেছি এটা ইনডিকেট করে যে, আমি এটাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছি।

‘আমরা সোনার বাংলা গড়ার যে অভীষ্ট লক্ষ্যে এগােচ্ছি, সেখানে সামরিক প্রশাসনের সঙ্গে অসামরিক প্রশাসন যদি একসঙ্গে কাজ না করে তাহলে আমরা কিন্তু অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব না।’

জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষেত্রগুলো আলোচনা করলাম। আমরা সবাই একমত হয়েছি যে, এটার (যোগাযোগ বৃদ্ধি) কোনো বিকল্প নেই। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বর্তমানে আমাদের অত্যন্ত সুসম্পর্ক রয়েছে। অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে আমরা এটাকে ক্যাপিটালাইজড করে আরও এগিয়ে যেতে চাই।’

ডিসিদের কাছ থেকে কোনো প্রস্তাব এসেছে কি না জানতে চাইলে শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘স্পেসিফিক প্রস্তাব বলতে সে রকম কোনো প্রস্তাব নেই। কিন্তু আমাদের যেসব সিভিল মিলিটারি রিলেশন বাড়ানোর ক্ষেত্রগুলো আছে, সেগুলো আমরা আলোচনা করেছি। কিছু কিছু প্রস্তাব আছে যেগুলো এখনই বললে প্রিম্যাচুরড হয়ে যাবে। আমরা আরও একটু আলোচনা করে দেখব, তারপর ওটাকে বাস্তবায়ন করা যাবে।’

আলোচনায় কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন জানতে চাইলে সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমার তরফ থেকে যে কোনো কাজ একসঙ্গে করার জন্য একটি পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভালো পরিবেশের জন্য ভালো সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। আমি ফোকাস করেছি যেন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি হয়। যত কমিউনিকেশন হবে, তত কমিউনিকেশন গ্যাপ কম হবে। কমিউনিকেশন গ্যাপ যত কম হবে, তত আমাদের কাজ করার সুবিধা হবে। এই কথাটা অন্যান্য বক্তব্যের সঙ্গে বলেছি।’

নির্বাচনি মাঠে থাকার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা যে ক্ষেত্রগুলো নিয়ে কাজ করি তার মধ্যে প্রথম আমাদের দায়িত্ব হলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি ইন এইড সিভিল পাওয়ারে আমরা নেশন বিল্ডিং একটিভিটিজ করি। ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট করি।

‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারে আমরা ল ইনফোর্সমেন্টে সহায়তা করি। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামেও একটি বিশেষ ধরনের দায়িত্ব পালন করছি। আমরা এফডিএমএন ক্যাম্পে কক্সবাজারে দায়িত্ব পালন করছি। আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আমাদের কনস্টিটিউশনের মধ্যে থেকেই আমরা বিদেশেও দায়িত্ব পালন করছি।’

সেনাবাহিনীর বেশ কিছু অর্জনও তুলে ধরেন শফিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘কুয়েতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বড় সংখ্যক বাহিনী কাজ করে। দেশের জন্য অনেক বিদেশি মুদ্রা নিয়ে আসছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশ্বে এক নম্বর শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে জাতিসংঘে স্বীকৃত হয়েছে।

‘এসব কর্মকাণ্ড করার ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি অসামরিক প্রশাসনের সহায়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অসামরিক প্রশাসন যখনই মনে করবে যে সরকারের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের পাশে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করতে পারবে, আমরা তখনই তাদের ডাকে সাড়া দেব। অবশ্যই তাদের পাশে বসে আমাদের দায়িত্ব পালন করব।’

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শুরু আজ

শেয়ার করুন

ঢাকায় কানাডার নতুন হাইকমিশনার লিলি নিকোলস

ঢাকায় কানাডার নতুন হাইকমিশনার লিলি নিকোলস

বাংলাদেশে কানাডার নতুন হাইকমিশনার লিলি নিকোলস। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে পৌঁছে নতুন হাইকমিশনার টুইটারে লিখেছেন, ‘ঢাকায় কানাডা মিশনে যোগ দিতে পেরে আমি খুশি। বাংলাদেশে আসার পর আমাকে এখানকার সুস্বাদু মিষ্টি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়েছে।’

বাংলাদেশে কানাডার নতুন হাইকমিশনার হিসেবে ঢাকায় যোগ দিয়েছেন লিলি নিকোলস। তিনি সদ্যবিদায়ী হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইনের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

কানাডিয়ান হাইকমিশনের টুইটারে জানানো হয়েছে, লিলি নিকোলস বুধবার ঢাকায় পৌঁছান। তাকে ফুল ও মিষ্টিতে বরণ করে নেয়া হয়।

এ বিষয়ে টুইট করেছেন লিলিও। লিখেছেন, ‘ঢাকায় কানাডা মিশনে যোগ দিতে পেরে আমি খুশি। বাংলাদেশে আসার পর আমাকে এখানকার সুস্বাদু মিষ্টি দিয়ে স্বাগত জানানো হয়েছে।’

ঢাকায় আসার আগে কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (উন্নয়ন গবেষণা ও শিক্ষা) হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন লিলি। এর আগে পানামায় কানাডার হাইকমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বিদায়ী হাইকমিশনার বেনোয়া প্রিফন্টেইনের ঢাকা থেকে ভারতের বেঙ্গালুরুর কানাডার মিশনে কনসাল জেনারেল হিসেবে যোগ দেয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শুরু আজ

শেয়ার করুন