× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
The future of the child is burning in the brick kiln
hear-news
player
print-icon

ইটভাটায় পুড়ছে শিশুর ভবিষ্যৎ

ইটভাটায়-পুড়ছে-শিশুর-ভবিষ্যৎ
ভাটায় গিয়ে দেখা যায়, ইট বানানো থেকে পোড়ানোর কাজ করছে শিশুরা। অনেকে ইট শুকানো ও ভ্যানে করে তা আনা-নেয়ার কাজ করছে।

দেশের শিশুশ্রম আইন অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কোনো কাজে শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না শিশুদের। তবে মানিকগঞ্জের ইটভাটাগুলোয় সেই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবাধে চলছে শিশুশ্রম।

পরিবারের আর্থিক সংকটের সুযোগ কাজে লাগিয়ে শিশুদের দিয়ে ইট বানানো থেকে শুরু করে পোড়ানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ নানা কাজ করাচ্ছেন ইটভাটার মালিকরা।

প্রশাসন দায়সারাভাবে বলছে, শিশুদের শ্রমিক হিসেবে ব্যবহার করা হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মানিকগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয় থেকে জানা যায়, সাত উপজেলায় ইটভাটার সংখ্যা ১৪৭টির মতো। এর মধ্যে অবৈধ ভাটা ১৯টি।

কয়েকটি ভাটা ঘুরে দেখা যায়, ইট বানানো, পোড়ানো, শুকানো ও ভ্যানে করে তা আনা-নেয়ার কাজ করছে শিশুরা।

এ ছাড়া ভাটায় মা-বাবার সঙ্গে আসা শিশুরা খেলাধুলা করছে ময়লা-আবর্জনা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে।

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শিশু সাকিবুল ইসলাম বলে, ‘গত বছর ক্লাস সেভেনে পরীক্ষা দিচি। বাবায় টাকা না দেয়ায় আর পড়ালেখা করতে পারি নাই। তাই এইবার বাবার সঙ্গে ইটভাটায় আইছি। ইট বানাতে পারি না তো, তাই শুকনা ইট ভ্যানে করে টানাটানি করি।’

ইটভাটায় পুড়ছে শিশুর ভবিষ্যৎ

মানিকগঞ্জের ঘিওরের আজমত মিয়া বলে, ‘অভাবের কারণে সংসার চলতেছে না। বাবা বুইড়া হয়ে গেছে। কাম-কাইজ করার পারে না। ঠিকমতো সংসার চলে না। তাই এইবার ভাটায় আইছি। আমরা তো গরিব মানুষ। অভাব না থাকলে কী আর ভাটায় আসি?’

শিবালয়ের আতিকুল ইসলাম জানায়, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে সে। এরপর এলাকায় ঘুরে বেড়াত। পরে ইটভাটার মালিক আর সরদার তাকে ভাটায় কাজ করতে বলেন।

শিবালয়ের এবিসি ইটভাটার মালিক আফতার উদ্দিনের অবশ্য দাবি, ইট বানানো থেকে পোড়ানো সব বড়রা করে। ভাটায় শিশুরা কাজ করে না। তবে অনেক সময় মা-বাবার সঙ্গে আসা শিশুরা শখ করে কাজ করে। তবে তারা তাদের নিষেধ করেন। শ্রমিকের বিষয় সরদার ভালো বলতে পারবেন।

ইটভাটায় পুড়ছে শিশুর ভবিষ্যৎ

মানিকগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নূর আলম বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় আমরা প্রশাসনের সহায়তায় কাজ করি। আর শিশুশ্রম আইনের বিষয়ে প্রশাসন ভালো বলতে পারবে।’

জেলা প্রশাসক মুহাম্মাদ আব্দুল লতিফ বলেন, ‘যদি কোনো ইটভাটায় শিশুশ্রম ব্যবহার হয়, তা হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা প্রতিকারের চেষ্টা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
নিয়ম না মানা ইটভাটার তালিকা চায় আদালত
ইটভাটায় ‘চরের মাটি’, হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ
চর কেটে ডকইয়ার্ড নির্মাণ, লাখ টাকা জরিমানা
ইটের মান ঠিক না হলে ভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
গ্রাহকদের দেড় কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ইটভাটা মালিক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Joy procession in Narsingdi at the inauguration of Padma Bridge

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে নরসিংদীতে আনন্দ শোভাযাত্রা

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে নরসিংদীতে আনন্দ শোভাযাত্রা
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে স্টেডিয়ামে বড় পর্দায় স্বপ্নের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেলা ৩টায় স্টেডিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। সেখানে গান পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলসের শাফিন আহমেদ।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে নরসিংদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়েছে।

মোসলেহ উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে গিয়ে শনিবার সাড়ে ৯টার দিকে শেষ হয় এই শোভাযাত্রা।

এতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক আবু নইম মোহাম্মদ মারুফ খান, পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজিম, সিভিল সার্জন নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ বীর মুক্তিযোদ্ধা সেক্টর কমান্ডার-৭১-এর নরসিংদীর সভাপতি মোতালিব পাঠানসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

শোভাযাত্রা শেষে স্টেডিয়ামে বড় পর্দায় স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বেলা ৩টায় স্টেডিয়ামে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে গান পরিবেশন করবেন জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলসের শাফিন আহমেদ।

আরও পড়ুন:
আব্বাস উদ্দিনের ‘মুক্তির দিন’
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
নিরাপত্তার চাদরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত
পদ্মাপাড়ে বৃষ্টির ছাট
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ananda Rally in Jhalakati
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন

‘ঝালকাঠিতে আনন্দের বন্যা বইছে’

‘ঝালকাঠিতে আনন্দের বন্যা বইছে’
জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী বলেন, ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আজ। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ খুব উচ্ছ্বসিত। ঝালকাঠিতে আনন্দের বন্যা বইছে।’

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে ঝালকাঠিতে আনন্দ র‍্যালি হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার সকাল ৯টায় কার্যালয়ের সামন থেকে র‍্যালিটি বের হয়। বিভিন্ন ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে হয় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে গিয়ে।

জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীসহ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ র‍্যালিতে লোক অংশ নেন। এসময় নাচে-গানে আনন্দে মেতে উঠেন তারা।

জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী বলেন, ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আজ। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ খুব উচ্ছ্বসিত। ঝালকাঠিতে আনন্দের বন্যা বইছে।’

আরও পড়ুন:
নিরাপত্তার চাদরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত
পদ্মাপাড়ে বৃষ্টির ছাট
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
পদ্মার কাঁঠালবাড়ী প্রান্ত জনসমুদ্র
ষড়যন্ত্রকারীদের দেশপ্রেমের উদয় হোক: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Big screen in the town hall to watch the inauguration ceremony

উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখতে টাউনহলে বড় পর্দা

উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখতে টাউনহলে বড় পর্দা র‌্যালি শেষে কুমিল্লায় সমাবেশে সব শ্রেণি পেশার মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘পদ্মা সেতুর উদ্বোধন আমাদের আরেক বিজয়। সবাই হয়তো অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে উদ্বোধন দেখতে পারবেন না, তাই কুমিল্লাবাসীর জন্য জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর টাউনহলে উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা করেছি।’

কিছুক্ষণ পরই মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় উদ্বোধন করা হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর। এ সেতুর সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থায় কুমিল্লার তেমন সম্পর্ক না থাকলেও উদ্বোধন উপলক্ষে জেলাবাসীর উচ্ছ্বাস চোখে পড়ার মতো।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা জেলা শিল্পকলা একাডেমি থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউনহলে এসে মিলিত হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে।

শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল অবসরপ্রাপ্ত আবু তাহের, বীরমুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখি, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী সফিকুর রহমান।

আরও উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবু খান, কুমিল্লা মহিলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর জামাল নাছের, র‌্যাব ১১ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন, নেত্রী পাপড়ি বসুসহ জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উধর্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ দিকে সকাল ১০টার দিকে নগরীর টাউনহলে দেখা যায়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মূল অনুষ্ঠান বড় পর্দায় দেখতে হাজার খানেক মানুষ ভীড় করেছেন।

নিজের রিকশা থামিয়ে টাউনহলের বাইরে থেকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন দেখতে আসা জমির হোসেন জানান তার বাড়ি পিরোজপুর।

জমির বলেন, ‘আমাদের মনে আনন্দের বন্যারে ভাই। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে আমাদের কেমন মনে হচ্ছে বলে বোঝানো যাবে না। এখন আর ফেরির জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। সেতুর উপর দিয়া দ্রুত চলে যাবো বাড়ি।’

জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, ‘পদ্মা সেতুর উদ্বোধন আমাদের আরেক বিজয়। সবাই হয়তো অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে উদ্বোধন দেখতে পারবেন না, তাই কুমিল্লাবাসীর জন্য জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর টাউনহলে উদ্বোধন অনুষ্ঠান দেখার ব্যবস্থা করেছি।

‘আয়োজনে সব শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে বলা যায় আজ কুমিল্লার জন্যও আনন্দের দিন।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
পদ্মার কাঁঠালবাড়ী প্রান্ত জনসমুদ্র
ষড়যন্ত্রকারীদের দেশপ্রেমের উদয় হোক: প্রধানমন্ত্রী
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmer dies of electrocution while fishing

মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, সকালে বাড়ির পাশে ফিসারিতে বৈদ্যুতিক পাম্প দিয়ে পানি সেচে মাছ ধরতে যান নজরুল ইসলাম ও তার ছেলে মো. সায়েম। এ সময় বৈদ্যুতিক পাম্পে সুইচ দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ‍্যুতায়িত হন নজরুল।
ময়মনসিংহ সদরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় শনিবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন।
স্থানীয়দের বরাতে তিনি বলেন, সকালে বাড়ির পাশে ফিসারিতে বৈদ্যুতিক পাম্প দিয়ে পানি সেচে মাছ ধরতে যান নজরুল ইসলাম ও তার ছেলে মো. সায়েম। এ সময় বৈদ্যুতিক পাম্পে সুইচ দিতে গিয়ে অসাবধানতাবশত বিদ‍্যুতায়িত হন নজরুল। তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই। ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হাসপাতাল থেকে নিয়ে গেছেন স্বজনরা। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে।

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটোরিকশা চালকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু
কোটালীপাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ যাচ্ছিল মায়ের, বাঁচাতে পারেনি কিশোরী
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল শিশুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dr Zafarullah in the gathering

সুধী সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ

সুধী সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ছবি: বিটিভি থেকে নেয়া
হুইলচেয়ারে করে তিনি সুধী সমাবেশে আসেন। শনিবার সকাল ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সমাবেশস্থলে ডা. জাফরুল্লাহকে দেখা যায়। এ সময় তার পরনে ছিল সাদা-কালো রঙের শার্ট ও খাকি লুঙ্গি।

পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশে যোগ দেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী। হুইলচেয়ারে করে তিনি সুধী সমাবেশে আসেন।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সমাবেশস্থলে ডা. জাফরুল্লাহকে দেখা যায়। এ সময় তার পরনে ছিল সাদা-কালো রঙের শার্ট ও খাকি লুঙ্গি।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সকাল ১০টায় মাওয়া প্রান্তে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার পর মাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি। সকাল ১০টার দিকে তিনি মাওয়া প্রান্তে পৌঁছান।

প্রধানমন্ত্রী মাওয়ায় যোগ দেন সুধী সমাবেশে। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সাড়ে তিন হাজার নাগরিককে আমন্ত্রণ জানানো হয় এই সমাবেশে। ভোর সাড়ে ৬টা থেকে শুরু হয় অতিথিদের আগমন।

ফুরিয়ে এলো ক্ষণগণনার পালা। আর অল্প সময়ের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষার পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উচ্ছ্বাসে মুখর গোটা মাওয়া প্রান্ত। অপেক্ষার অবসান হলো বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার আগমনের মধ্য দিয়ে।

দুর্নীতিচেষ্টার মিথ্যে অভিযোগ এনে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন থেকে বিশ্বব্যাংকের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণার পর নিজস্ব অর্থায়নের এই সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। তার নেতৃত্বেই নির্মিত হয়েছে সেতুটি। আজ তার হাত ধরেই খুলে যাবে সেতুটি।

এর মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চল সরাসরি যুক্ত হচ্ছে রাজধানীর সঙ্গে।

সুধী সমাবেশ শেষে বেলা ১১টার দিকে স্মারক ডাকটিকিট, স্যুভেনির শিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করবেন সরকারপ্রধান। পদ্মা সেতু নির্মাণসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেয়ার কথাও রয়েছে তার।

বেলা ১১টা ১২ মিনিটে টোল দিয়ে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ১১টা ২৩ মিনিটের দিকে পদ্মা সেতু পাড়ি দেবেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। ওই সময় কিছুক্ষণের জন্য গাড়ি থেকে নেমে সেতুতে পায়চারি করতে পারেন তিনি।

বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পৌঁছেই পদ্মা সেতুর আরেকটি উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-২ উন্মোচন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর কাঁঠালবাড়ীর ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরী ফেরিঘাটে আওয়ামী লীগের জনসভায় দলপ্রধান হিসেবে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
নিরাপত্তার চাদরে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত
পদ্মাপাড়ে বৃষ্টির ছাট
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today is the day of release of Abbas Uddin

আব্বাস উদ্দিনের ‘মুক্তির দিন’

আব্বাস উদ্দিনের ‘মুক্তির দিন’ পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন। ছবি; নিউজবাংলা
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন বলেন, ‘আমার কাছে এই বিজয় ঈদের আনন্দের চেয়ে কম নয়। সারা জীবন ঘাটে এসে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দিন আজ। এমন দিনে আসনে না পারলে মনে দুঃখ থেকে যেত। এখন মনে হয় পরিপূর্ণতা পেয়েছে।’

খুলনা থেকে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাটে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্বাস উদ্দিন। বয়স ৭০ ছুঁই ছুঁই।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি সারা রাত ঘুমাতে পারে নাই। কখন আসব, আর মুক্তির গান শুনব।’

আর কিছু মুহূর্ত। এরপরই বর্ণিল আয়োজনে উন্মোচিত হবে দেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতুর।

এই দিনটি বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছে মুক্তির দিন। আর এমন দিনে না আসলে আক্ষেপ থেকে যেত আজীবন। তাই এখানে আসতে পেরে উচ্ছ্বসিত বীর মুক্তিযোদ্ধা। যে উচ্ছ্বাস তার কাছে ঈদের আনন্দের চেয়েও কম নয়।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে এই বিজয় ঈদের আনন্দের চেয়ে কম নয়। সারা জীবন ঘাটে এসে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তির দিন আজ। এমন দিনে আসনে না পারলে মনে দুঃখ থেকে যেত। এখন মনে হয় পরিপূর্ণতা পেয়েছে। আর কয় দিনই বাঁচব। যে কয় দিন আসি, সেই কয় দিন শান্তিতে পার হতে পারব।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু ঘোষণার দিন থেকেই ইচ্ছে ছিল প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে আসব। শুক্রবারই আসার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু পরিবারের লোকজন আসতে দেয় নাই। পরে রাত ৩টার দিকে গাড়িতে করে রওনা দেই। সকাল ৭টায় শিবচর উপজেলার পাচ্চর নামিয়ে দেয়। পরে প্রায় ৫ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে সভামঞ্চের কাছে এসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন শান্তি পাচ্ছি। প্রশাসনের ভাইরা খুব সহযোগিতা করছে, না হলে মঞ্চের কাছে আসতে পারতাম না।’

আরও পড়ুন:
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী
স্বপ্নসেতুর দুয়ার খোলার অপেক্ষা
আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে জনসভায় যাত্রা
পুকুরে পদ্মার আদলে সেতু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I am also going to thank the Prime Minister

‘আমিও যাইতাছি প্রধানমন্ত্রীরে ধন্যবাদ দিতে’

‘আমিও যাইতাছি প্রধানমন্ত্রীরে ধন্যবাদ দিতে’
রেজা শামিম বলেন, ‘আমরা নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার বিজয় দেখিনি, কিন্তু পদ্মা বিজয়ের উৎসব দেখছি। আমাদের জন্মান্তরের ভোগান্তি লাঘব হবে। পদ্মা সেতু উপহার দেয়ায় সড়কের ভোগান্তির তোয়াক্কা না করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে যাচ্ছি।’

‘আমাগো আর গাঙ্গে ডুইববা মরতে অইব না। লঞ্চ ডুইবা আমি পোলারে হারাইছি। এই দিনে পোলাডারে মনে পাড়তাছে। আর কয় বছর আগে সেতুডা হইলে পোলাডা হয়তো জীবিত থাকত। আইজ এই দিনে আমি ঘরে বিয়া থাকতে পারি? বয়স ওইছে তো কী হইছে। আমিও যাইতাছি প্রধানমন্ত্রীরে ধন্যবাদ দিতে।’

কথাগুলো বলছিলেন ৬৫ ঊর্ধ্ব আমজাদ হোসেন। পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যেকোনো মূল্যে শামিল হতে চান তিনি। তাই তো পথের ক্লান্তি আর বয়সের ভার তোয়াক্কা না করে তিনি যোগ দিয়েছেন বিজয় মিছিলে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দিতে।

শুধু আমজাদ হোসেন নন, বিজয় মিছিলে সমাবেত হয়েছেন শত শত মানুষ। জেলা শহর থেকে মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক, ভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে তারা ছুটছেন সমাবেশস্থল কাঁঠালবাড়ীর পানে। আর যারা যানবাহন পাননি তারাও বসে নেই। হেঁটে ৩৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে রওনা করেছেন অনেকে।

তাদেরই একজন রেজা শামিম। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা নতুন প্রজন্ম স্বাধীনতার বিজয় দেখিনি, কিন্তু পদ্মা বিজয়ের উৎসব দেখছি। আমাদের জন্মান্তরের ভোগান্তি লাঘব হবে। পদ্মা সেতু উপহার দেয়ায় সড়কের ভোগান্তির তোয়াক্কা না করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে যাচ্ছি।’

জাজিরা টিঅ্যান্ডটি মোড় থেকে কাঁঠালবাড়ী পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার সড়কজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। সমাবেশে যোগ দিতে শহর থেকে ৩ হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটছেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। উৎসবে যোগ দিতে লঞ্চ ও ট্রলারে করে আসছেন ভেদরগঞ্জ, নড়িয়া, সখীপুর ও চরাঞ্চলের মানুষ।


‘আমিও যাইতাছি প্রধানমন্ত্রীরে ধন্যবাদ দিতে’


শহর থেকে কাঁঠালবাড়ী পর্যন্ত ছেয়ে গেছে পদ্মা সেতু, প্রধানমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধুর ছবিসংবলিত ব্যানার ফেস্টুনে। শরীয়তপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পদ্মা বিজয়ের উৎসব পালন করছি আমরা। ৩ লাখ মানুষ সড়ক ও নৌপথে শেখ হাসিনার জনসভায় যোগ দিতে জেলা থেকে কাঁঠালবাড়ী এসেছে।’

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বর্ণিল সাজে সেজেছে শরীয়তপুর শহর। শহরের প্রতিটি সড়কে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। বাদ পড়েনি সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনাও। জেলাব্যাপী শুরু হয়েছে ৩ দিনের বিজয় উৎসব।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান বঞ্চিত মুন্সীগঞ্জের এসপি
পদ্মার কাঁঠালবাড়ী প্রান্ত জনসমুদ্র
ষড়যন্ত্রকারীদের দেশপ্রেমের উদয় হোক: প্রধানমন্ত্রী
আতশবা‌জি‌তে আ‌লো‌কিত কীর্তনখোলা
পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে বর্ণিল সাজে নরসিংদী

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে