দেশজুড়ে রবির ভোল্টি চালু

player
দেশজুড়ে রবির ভোল্টি চালু

রবি চালু করেছে ভোল্টি সেবা। ছবি: সংগৃহীত

আইফোন, স্যামসাং, হুয়াওয়ে, রিয়েলমি, সিম্ফনি, ওপ্পো, ওয়ালটন, নকিয়ার মতো জনপ্রিয় ১৫৬টি স্মার্টফোন মডেলের মাধমে সেবাটি উপভোগ করা যাবে।

রবি ও এয়ারটেল গ্রাহকদের জন্য দেশজুড়ে ভয়েস ওভার এলটিই বা ভোল্টি সেবা চালু করেছে মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড।

মোবাইল অপারেটর দুটির গ্রাহকরা যেন সহজে সেবাটি পেতে পারেন এ জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক স্মার্টফোন মডেলে এটি চালু করেছে বলে জানায় অপারেটরটি। ২০২০ সালে দেশের প্রথম টেলিকম অপারেটর হিসেবে ভোল্টি সেবা চালু করে রবি।

আইফোন, স্যামসাং, হুয়াওয়ে, রিয়েলমি, সিম্ফনি, ওপ্পো, ওয়ালটন, নকিয়ার মতো জনপ্রিয় ১৫৬টি স্মার্টফোন মডেলের মাধ্যমে সেবাটি উপভোগ করা যাবে।

রবি ও এয়ারটেল গ্রাহকদের ভোল্টি সেবা ব্যবহার করার জন্য বাড়তি কোনো খরচ করতে হবে না।

সেবাটি উপভোগ করতে কল প্রেরক ও গ্রহীতা উভয়ের ভোল্টি সেবা ব্যবহার উপযোগী ফোরজি হ্যান্ডসেট এবং ভোল্টি অ্যাক্টিভেটেড ফোরজি সিম কার্ড লাগবে।

এ ছাড়া উভয়কে ভোল্টি কাভারেজ এলাকার মধ্যে থাকতে হবে।

ভোল্টি হচ্ছে আইপিভিত্তিক ভয়েস কল প্রযুক্তি; এই প্রযুক্তিটির মূল লক্ষ্য ফোরজি এলটিই নেটওয়ার্কে এইচডি (হাইডেফিনেশন) মানের ভয়েস সেবা নিশ্চিত করা। এলটিই ডেটা নেটওয়ার্কে ভয়েসকে আলাদা অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে বিবেচনা করে ভোল্টি।

অত্যাধুনিক এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারী গ্রাহকরা ২ থেকে ৩ সেকেন্ডের মধ্যে কল সংযোগ করতে পারবেন, যা প্রথাগত টুজি বা থ্রিজি নেটওয়ার্কের চেয়ে ৪০-৫০ শতাংশ দ্রুততর এবং একই সঙ্গে গ্রাহকরা উপভোগ করতে পারবেন ক্রিস্টাল ক্লিয়ার এইচডি মানের শব্দ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মোবাইল ইন্টারনেটের ধীরগতি নিয়ে হাইকোর্টের কমিটি

মোবাইল ইন্টারনেটের ধীরগতি নিয়ে হাইকোর্টের কমিটি

রোববার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

কল ড্রপের ভোগান্তি দূর করে স্বচ্ছ ভয়েস কল, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং স্থিতিশীল মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে দেশের মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে মোবাইল নেটওয়ার্ক, মোবাইল ইন্টারনেট সংক্রান্ত সমস্যা এবং গ্রাহকদের অভিযোগ দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) ‘অভিযোগ সেলে’র কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছে আদালত।

রোববার এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালত আদেশে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটর্স অব বাংলাদেশের (এমটব) একজন প্রতিনিধির সমন্বয়ে এ কমিটি করা হয়েছে।

আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত।

এ আদেশের পাশাপাশি স্বচ্ছ ভয়েস কল, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এবং স্থিতিশীল মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করতে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং গ্রাহকের কেনা মোবাইল ইন্টারনেট ডাটার পরিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিতে প্যাকেজে মেয়াদ বাতিল করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান, গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান, রবির প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী এরিক আস টাইগার্স ডেন ও টেলিটকের প্রধান নির্বাহী মো. শাহাব উদ্দিনসহ সাত বিবাদীকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

চারটি মোবাইল অপারেটরের গ্রাহক সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাইফুর রহমান রাহি গত ৫ জানুয়ারি কল ড্রপ, দুর্বল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের মেয়াদসহ নানা ভোগান্তি নিয়ে বিটিআরসিতে অভিযোগ করেন।

বিটিআরসির অভিযোগ সেল থেকে কোনো প্রতিকার না পেয়ে গত ১০ জানুয়ারি তিনি আইনি নোটিশ দেন। আইনি নোটিশেরও কোনো জবাব না পেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি।

ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করে এবং নির্দেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম এ মাসুম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এর আগে গত বছরের ২২ নভেম্বর শক্তিশালী নেটওয়ার্কসহ মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা জানিয়ে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

অপারেটরদের কলড্রপ, ইন্টারনেটের ধীরগতি নিয়ে মোবাইল গ্রাহকদের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। বিষয়গুলো নিয়ে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে অসংখ্য অভিযোগও জমা পড়েছে।

ইন্টারনেটের গতি নির্ণয়ের জনপ্রিয় প্লাটফর্ম ওকলার হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ ছিল বিশ্বে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে ১২৮তম দেশ। বাংলাদেশের চেয়ে মোবাইল ইন্টারনেটে ভালো অবস্থানে আছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ লিবিয়া, আফ্রিকার দেশ উগান্ডাও।

মোবাইল ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার এই দুর্বল পরিস্থিতি নিয়ে গত বছরের ১২ জুন সমস্যার সমাধান করে গুণগত ও মানসম্মত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে ‘ল রিপোর্টার্স ফোরামের’ সদস্য সাংবাদিক মেহেদী হাসান ডালিম, মোবাইল ফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. রাশিদুল হাসান হাইকোর্টে রিট করেন।

এরপর হাইকোর্ট একটি রুল জারি করে তার জবাব দিতে বলে বিটিআরসিকে।

শেয়ার করুন

দেশে বিক্রি শুরু ভিভোর ভি২৩ ফাইভজি স্মার্টফোন

দেশে বিক্রি শুরু ভিভোর ভি২৩ ফাইভজি স্মার্টফোন

ভিভোর ভি২৩ ফাইভজি ফোন উন্মোচনে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর বিদ্যা সিনহা মিম।

ডিভাইসটির পেছনে রয়েছে ৬৪ মেগাপিক্সেলের জিডব্লিউ১ সুপার সেন্সিং ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং ২ মেগাপিক্সেলের একটি ম্যাক্রো ক্যামেরা।

ছয় দিনের প্রি-বুকিং শেষে ২২ দেশের সব অথোরাইজড স্টোরগুলোতে বিক্রি শুরু হয়েছে ভিভোর নতুন স্মার্টফোন ভি২৩ ফাইভজি।

ফোনটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর কালার চেঞ্জিং বডি এবং ফাইভজি নেটওয়ার্ক সুবিধা।

স্বাভাবিক অবস্থায় ভিভো ভি২৩ ফাইভজি পাওয়া যাবে দুটি রঙে; স্টারডাস্ট ব্ল্যাক এবং সানশাইন গোল্ড। তবে সূর্যের আলোয় নিয়ে গেলে স্মার্টফোনটি নীলাভ সবুজ এবং সোনালি রং বদলাতে থাকবে।

ফোনটিতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের বিশাল অটো ফোকাস পোর্ট্রেইট সেলফি ক্যামেরা এবং অন্যটি ৮ মেগাপিক্সেলের সুপার ওয়াইড অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা।

ডিভাইসটির পেছনে রয়েছে ৬৪ মেগাপিক্সেলের জিডব্লিউ১ সুপার সেন্সিং ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেলের ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং ২ মেগাপিক্সেলের একটি ম্যাক্রো ক্যামেরা।

স্মার্টফোনটির র‌্যাম ৮ গিগাবাইট, যা এক্সটেন্ডেড র‌্যাম ২.০ প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও ৪ গিগাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। এর রম ১২৮ গিগাবাইট।

৪৪ ওয়াটের ফ্ল্যাশচার্জ স্মার্টফোনটিকে দ্রুত চার্জ করবে এবং বেশিক্ষণ ধরে চার্জ ধরে রাখবে এর ৪২০০ এমএএইচ ব্যাটারি। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ভিভো ভি২৩ ফাইভজিতে রয়েছে ফানটাচ ওএস ১২।

দেশে ভিভো ভি২৩ ৫জির দাম ৩৯ হাজার ৯৯০ টাকা।

শেয়ার করুন

মেয়ের ‘আত্মহত্যা’, মেটা-স্ন্যাপচ্যাটের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

মেয়ের ‘আত্মহত্যা’, মেটা-স্ন্যাপচ্যাটের বিরুদ্ধে মায়ের মামলা

সেলিনার মা দীর্ঘদিন থেকেই তার মেয়েকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার হাতে ডিভাইস দিতেন না বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।

সেলিনা রদ্রিগেজ। বয়স মাত্র ১১ বছর। এই বয়সে সেলিনা ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটে প্রচণ্ড রকম আসক্ত হয়ে পড়ে। প্ল্যাটফর্ম দুটির কিছু ‘ভয়ংকর’ ফিচারে আসক্ত হয়ে গত বছরের জুলাইয়ে ‘আত্মহত্যা’ করে সেলিনা।

সেলিনাকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়ার অভিযোগে ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি মেটা এবং স্ন্যাপচ্যাটের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার মা।

যুক্তরাষ্ট্রের কানেক্টিকাট রাজ্যে ঘটেছে মামলার এ ঘটনা।

শিশুদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্রমবর্ধমান ভয়ের মধ্যেই মামলার খবরটি সামনে এসেছে।

স্যোশাল মিডিয়া ভিক্টিম ল সেন্টারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সেলিনার মা ট্যামি তার শিশুসন্তানের আত্মহত্যার জন্য প্ল্যাটফর্ম দুটিতে ‘চরম’ আসক্তির কথা বলেছেন।

বিবিসির সংবাদে বলা হয়, সেলিনার মা দীর্ঘদিন থেকেই তার মেয়েকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার হাতে ডিভাইস দিতেন না বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময় সেলিনা তার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য চিকিৎসা পেয়েছেন।

সেলিনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আসক্তি থেকে ফিরিয়ে আনতে তাকে থেরাপি দিচ্ছিলেন যে চিকিৎসক, তিনি এর আগে কাউকে তিনি মাধ্যমে এত আসক্ত দেখেননি বলে দাবি করেন।

২০২১ সালের ২১ জুলাই সেলিনা আত্মহত্যা করার আগে ঘুমের অভাব ও বিষণ্ণতায় ভুগছিল।

তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার আসক্তি মূলত বিশ্বে করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকে।

মামলার অভিযোগের মধ্যে ছিল, সেলিনাকে যৌন শোষণমূলক সামগ্রীর অনুরোধ করা হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত সে শেয়ার করেছিল।

স্ন্যাপচ্যাটের মুখপাত্র সেলিনার মৃত্যুর বিষয়টিকে ‘বিধ্বস্ত’ হিসেবে বর্ণনা করলেও মামলা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে কমিউনিটির মানুষের সুস্থতার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই।’

অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা বিষয়টি নিয়ে বিবিসির প্রশ্নে কোনো মন্তব্য করবে না বলে জানিয়েছে।

শেয়ার করুন

পূরণ হয়নি গ্রাহক লক্ষ্যমাত্রা, কমেছে নেটফ্লিক্সের শেয়ারের দাম

পূরণ হয়নি গ্রাহক লক্ষ্যমাত্রা, কমেছে নেটফ্লিক্সের শেয়ারের দাম

বিশ্বব্যাপী নেটফ্লিক্সের বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা ২২ কোটি ১৮ লাখ। ছবি: সংগৃহীত

তারকাসমৃদ্ধ ও ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র রেড নোটিস ও ডোন্ট লুক আপ এবং জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘দ্য উইচার’-এর দ্বিতীয় কিস্তি মুক্তি পেলেও ওয়ালস্ট্রিট ফোরকাস্টের সাবস্ক্রাইবার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি তারা।

অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিস দেয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেটফ্লিক্স ইনকরপোরেশন। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী থিয়েটার ও সিনেমা হলগুলো বন্ধ থাকলে একচেটিয়া ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠানটি। এই সময়েই মুক্তি পায় প্ল্যাটফর্মটির সবচেয়ে জনপ্রিয় সিরিজ স্কুইড গেম। তবে গত বছরের শেষ দিক থেকে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাওয়া নেটফ্লিক্সের অগ্রযাত্রায় কিছুটা ভাটা পড়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়ালস্ট্রিটের পূর্বাভাস অনুযায়ী সাবস্ক্রাইবারের লক্ষ্যমাত্রা গত বছরের শেষ দিকে পূরণ করতে পারেনি নেটফ্লিক্স। কারণ আমাজন প্রাইম, এইচবিও, ওয়াল্ট ডিজনির মতো প্রতিদ্বন্দী স্ট্রিমিং সেবাগুলো নেটফ্লিক্সের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে।

তারকাসমৃদ্ধ ও ব্যয়বহুল চলচ্চিত্র রেড নোটিস ও ডোন্ট লুক আপ এবং জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘দ্য উইচার’-এর দ্বিতীয় কিস্তি মুক্তি পেলেও ওয়ালস্ট্রিট ফোরকাস্টের সাবস্ক্রাইবার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি তারা।

রেফিনিটিভ আইবিইএস ডাটার আলোকে এনালিস্টদের ধারণা ছিল অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে নেটফ্লিক্সে যুক্ত হবে ৮৪ লাখ সাবস্ক্রাইবার। কিন্তু এ সময়ে ৮৩ লাখ সাবস্ক্রাইবার যুক্ত হয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার ফলে নেটফ্লিক্সের শেয়ারের দাম ১০ শতাংশ কমে গেছে।

যদিও গত বছরে নেটফ্লিক্স তার বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় দাম বাড়িয়েছে কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন দেশ দুটিতে এক অর্থে প্রবৃদ্ধি স্থবির। তাই প্রতিষ্ঠানটি এখন এর বাইরেও প্রবৃদ্ধি খুঁজছে।

নেটফ্লিক্স যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি অনলাইন স্ট্রিমিং সার্ভিস। বিশ্বের অনেক দেশের কনটেন্ট অনলাইনে মুক্তি দিয়ে থাকে তারা। নারকোস, স্কুইড গেম, দ্য উইচার, মানি হাইস্টের মতো জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ মুক্তি দিয়েছে তারা। ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও অনলাইন স্ট্রিমিংয়ের জগতে আসে ২০১৩ সালে হাউস অফ কার্ডস মুক্তি দেয়ার মাধ্যমে। এরপর থেকেই সিনেমা ও টেলিভিশন ধারাবাহিক উভয়ের তৈরিতে ব্যাপকভাবে বিস্তৃতি লাভ করে, যেখানে তারা তাদের ‘নেটফ্লিক্স অরিজিনাল’ শীর্ষক নিজস্ব ওয়েব সিরিজ ও সিনেমা অনলাইন লাইব্রেরির মাধ্যমে প্রদান করে থাকে।

বিশ্বব্যাপী কোম্পানির বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা ২২ কোটি ১৮ লাখ।

শেয়ার করুন

একাদশ প্রজন্মের তিন ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন

একাদশ প্রজন্মের তিন ল্যাপটপ আনল ওয়ালটন

দেশে একাদশ প্রজন্মের ল্যাপটপ এনেছে ওয়ালটন।

মডেলভেদে ল্যাপটপগুলোতে ব্যবহৃত হয়েছে ইন্টেলের একাদশ প্রজন্মের কোর আই থ্রি থেকে কোর আই সেভেন প্রসেসর, ৮ গিগাবাইট র‍্যাম, দ্রুতগতির এসএসডিসহ অত্যাধুনিক সব ফিচার। সঙ্গে গ্রাহক পাচ্ছেন জেনুইন উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেম।

একাদশ প্রজন্মের প্রসেসরযুক্ত তিন মডেলের নতুন ল্যাপটপ বাজারে ছেড়েছে দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

‘ট্যামারিন্ড এমএক্স১১’ সিরিজের ল্যাপটপগুলোতে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন, অত্যাধুনিক সব ফিচার।

মডেলভেদে ল্যাপটপগুলোতে ব্যবহৃত হয়েছে ইন্টেলের একাদশ প্রজন্মের কোর আই থ্রি থেকে কোর আই সেভেন প্রসেসর, ৮ গিগাবাইট র‌্যাম, দ্রুতগতির এসএসডিসহ অত্যাধুনিক সব ফিচার। সঙ্গে গ্রাহক পাচ্ছেন জেনুইন উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেম।

ওয়ালটন জানায়, নতুন আসা কোর আই থ্রি প্রসেসরযুক্ত ট্যামারিন্ড এমএক্স১১ মডেলের ল্যাপটপটির দাম ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা। আর কোর আই ফাইভ প্রসেসরযুক্ত মডেলের ল্যাপটপটির মূল্য ৭১ হাজার ৫০০ টাকা।

অন্যদিকে, কোর আই সেভেন প্রসেসরযুক্ত ট্যামারিন্ড এমএক্স১১ মডেলের ল্যাপটপটির দাম পড়ছে ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা।

দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা, ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম, আইটি ডিলার এবং মোবাইল ডিলার শোরুমে নগদ মূল্যের পাশাপাশি এই ল্যাপটপগুলো কিস্তিতে কেনা যাবে।

তাছাড়া ক্রেডিট কার্ডে বিনা ইন্টারেস্টে ইএমআই সুবিধা দিচ্ছে দেশের সব ওয়ালটন প্লাজা। শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়ালটন ল্যাপটপ কেনায় রয়েছে বিশেষ সুবিধা।

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. লিয়াকত আলী বলেন, ‘ক্রেতাদের চাহিদা ও প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা প্রতিনিয়ত সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উন্নতমানের ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন এবং সাশ্রয়ী মূল্যে বাজারজাত করছি। এরই ধারাবাহিকতায় ইন্টেলের একাদশ প্রজন্মের প্রসেসরযুক্ত ‘ট্যামারিন্ড এমএক্স১১’ সিরিজের ওই তিন মডেলের ল্যাপটপ বাজারে ছাড়া হয়েছে।

‘মাল্টিটাক্সিং সুবিধা ও উন্নত ফিচারসমৃদ্ধ উচ্চমানের এই ল্যাপটপ প্রয়োজনীয় কাজ, গেম খেলা কিংবা বিনোদনে ব্যবহারকারীদের দেবে আরও বেশি গতিময় অভিজ্ঞতা। মূলত প্রযুক্তিপ্রেমীদের প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদার কথা বিবেচনা করেই নতুন এই ল্যাপটপগুলো বাজারে ছাড়া হয়েছে।’

ল্যাপটপগুলোর উচ্চগতি নিশ্চিতে সব মডেলেই ব্যবহার করা হয়েছে ৮ গিগাবাইট ৩২০০ হার্জ ডিডিআরফোর র‌্যাম। দুটি স্লট থাকায় প্রয়োজনে ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত র‌্যাম বাড়ানো যাবে। স্টোরেজ হিসেবে ল্যাপটপগুলোতে ৫১২ জিবির এনভিএমই এসএসডি রয়েছে, যা ১ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

দীর্ঘক্ষণ পাওয়ার ব্যাকআপের নিশ্চয়তায় সব ল্যাপটপে ব্যবহৃত হয়েছে শক্তিশালী ৪ সেলের স্মার্ট লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি প্যাক। যা প্রায় ৮ ঘণ্টা পাওয়ার ব্যাকআপ দেবে। ৬৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং এডাপ্টার দেবে দ্রুত ব্যাটারি রিচার্জ করতে।

অন্যান্য ফিচারের মধ্যে রয়েছে হাই ডেফিনেশন অডিও, বিল্ট ইন অ্যারে মাইক্রোফোন, দুটি ১.৫ ওয়াটের স্পিকার, ডুয়াল ফ্যান ইত্যাদি। কানেকটিভিটি ফিচারের মধ্যে আছে ১টি করে থান্ডারবোল্ট ৪ কম্বো পোর্ট, ইউএসবি ৩.২ টাইপ সি পোর্ট, ২টি ইউএসবি ৩.২ টাইপ এ পোর্ট, সিক্স-ইন ওয়ান মাইক্রো এসডি কার্ড রিডার, ওয়াইফাই ৬.০, ব্লুটুথ ৫.২, ২টি এমটু কার্ড স্লট, এইচডিএমআই, অডিও জ্যাক, ল্যান পোর্ট ইত্যাদি।

শেয়ার করুন

পেগাসাস বিতর্ক, পার্লামেন্টের মুখোমুখি ইসরায়েলি পুলিশ

পেগাসাস বিতর্ক, পার্লামেন্টের মুখোমুখি ইসরায়েলি পুলিশ

সরকারবিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে স্পাইওয়্যার প্রযুক্তি ব্যবহার না করার দাবি করেছে পুলিশ কমিশনার কোবি। ছবি: সংগৃহীত

অনেক পার্লামেন্ট সদস্যই উদ্বেগের কথা আমাকে জানিয়েছেন। ঘটনাটি খুবই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্পষ্টতই এই ঘটনা ব্যক্তির গোপনীয়তা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের লঙ্ঘন।

ইসরায়েলি পুলিশ দেশটির জনগণের ওপর বিতর্কিত হ্যাকিং প্রযুক্তি পেগাসাস ব্যবহার করছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট দেশটির পুলিশের কাছে পেগাসাস ব্যবহারের ব্যাখ্যা চেয়েছে।

এর আগে কোনো সূত্র উল্লেখ না করে ক্যাটালিস্ট ফিন্যান্সিয়াল ডেইলির প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইসরায়েলি পুলিশ এনএসও গ্রুপের বানানো স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করছে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রায়ই পুলিশ কোর্টের অনুমতি ছাড়া সরকারবিরোধী আন্দোলনের নেতাদের ওপর নজরদারির ক্ষেত্রে পেগাসাস ব্যবহার করেছে।

ইসরায়েলি পার্লামেন্টের সদস্য মেইরাভ বেন আরি জানিয়েছেন, সামনের সপ্তাহেই নাগরিকদের নিরাপত্তাবিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির মুখোমুখি হবে পুলিশ। সেখানে পুলিশকে ক্যাটালিস্টের প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে।

বেন আরি আরও জানিয়েছেন, অনেক পার্লামেন্ট সদস্যই উদ্বেগের কথা আমাকে জানিয়েছেন। ঘটনাটি খুবই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্পষ্টতই এই ঘটনা ব্যক্তির গোপনীয়তা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের লঙ্ঘন।

ক্যাটালিস্টের প্রতিবেদনের সম্পর্কে বলতে গিয়ে পুলিশ কমিশনার কোবি সাবটাই বলেন, পুলিশ থার্ড পার্টি সাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে। তবে তিনি পেগাসাস ব্যবহারের বিষয়ে কিছু বলেননি।

তবে সরকারবিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের স্পাইওয়্যার প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কোবি।

এ বিষয়ে এনএসওর কাছে জানতে চাইলে তারা এ বিষয়ে জানিয়েছে, ক্লায়েন্টের তথ্য তারা প্রকাশ করে না। কোনো সরকার বা সংস্থার কাছে প্রযুক্তি বিক্রির পর তারা সেখানে কোনোভাবেই সেখানকার এক্সেস আর তাদের হাতে থাকে না।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০১৩ সাল থেকে পেগাসাস যুক্তরাষ্ট্রের কালো তালিকায় রয়েছে।

শেয়ার করুন

পর্ন ভিডিওতে গড়বড় ভার্চুয়াল মিটিং

পর্ন ভিডিওতে গড়বড় ভার্চুয়াল মিটিং

জুম বৈঠকের মধ্যে এই ভিডিও চালু করেন এক আগুন্তক। ছবি: টেকস্পট

জুমে হঠাৎই ঢুকে পড়েন এক আগন্তুক। লাইভে তিনি দেখাতে থাকেন অ্যানিমেটেড অ্যাডাল্ট কনটেন্ট ফ্যান্টাসি সেভেনের ‘টিফা লকহার্টের’ ত্রিমাত্রিক ভিডিও। যেখানে দেখা যায় কনটেন্টের প্রধান চরিত্র তিফা এক ব্যক্তির সঙ্গে মিলনে ব্যস্ত।

ইতালিতে তথ্যের স্বচ্ছতা প্রশ্নে আলোচনা চলছিল দেশটির পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটে। করোনার কারণে সোমবারের বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছিলেন সিনেটররা। ফেসবুক ও স্থানীয় সেনেটাও টেলিভিশনে সরাসরি প্রচার হচ্ছিল বৈঠকটি।

আলোচনার একপর্যায়ে ঘটে অভাবিত বিপত্তি। টেকস্পটের খবরে বলা হয়েছে, বৈঠকের ৩০ মিনিটের মাথায় বক্তব্য রাখছিলেন পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ী জর্জিও প্যারিসি।এ সময় জুমে হঠাৎ করেই ঢুকে পড়েন এক আগন্তুক।

লাইভে তিনি দেখাতে থাকেন অ্যানিমেটেড অ্যাডাল্ট কনটেন্ট ফ্যান্টাসি সেভেনের ‘টিফা লকহার্টের’ ত্রিমাত্রিক ভিডিও। যেখানে দেখা যায় কনটেন্টের প্রধান চরিত্র তিফা এক ব্যক্তির সঙ্গে মিলনে ব্যস্ত।

ফাইভ স্টার মুভমেন্টের সিনেটর মারিয়া লাউরার ৩০ সেকেন্ডের চেষ্টায় লাইভ স্টিমিং বন্ধ হলেও, নব্বইয়ের দশকে আমেরিকান কমেডি মুভির মতো মৃদু শব্দে আরও কিছুক্ষণ শোনা যায় শীৎকার।

একপর্যায়ে এসব বন্ধ হলে আলোচনায় মনোযোগী হন স্পিকার।

সিনেটর ম্যান্টোভ্যানি স্থানীয় সংবাদ সংস্থা আন্দকোনসকে জানিয়েছেন, সিনেটে বৈঠকের সময় পর্দায় পর্ন সিনেমা ভেসে উঠেছিল। অবশ্যই পুলিশের কাছে অভিযোগ করব।

তিনি বলেন, ‘খুব বাজে একটা পর্ব ছিল ওটা। অনলাইনে বৈঠক চলার সময় কেউ একজন গোপনে প্রবেশ করে এবং পর্নোগ্রাফিক ডিভিও দেখাতে থাকেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হবে, যেন তারা ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করে বিচারের মুখোমুখি করতে পারে।’

শেয়ার করুন