ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন: ৩৬ পদের পেছনে ৩৩০ জন

player
ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন: ৩৬ পদের পেছনে ৩৩০ জন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল সম্মেলন উপলক্ষে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিচ্ছেন এক পদপ্রত্যাশী। ছবি: ফেসবুক

ঢাবি ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিভি নেয়ার কথা থাকলেও আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত সিভি জমা নিয়েছি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে একবার গণনা করা হয়েছিল। তখন ৩০৮টা সিভি জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত আমি আরও ২০-২২টা সিভি নিয়েছি। সর্বমোট প্রায় ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল সম্মেলনে শীর্ষ পদ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া শেষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি আবাসিক হল শাখার ৩৬টি পদের জন্য ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ।

২৮ ডিসেম্বর থেকে ১৮টি আবাসিক হলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া হয়। এদিন ছিল জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার শেষ দিন।

জীবনবৃত্তান্ত জমা দেয়ার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত সিভি নেয়ার কথা থাকলেও আমরা রাত ১২টা পর্যন্ত সিভি জমা নিয়েছি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে একবার গণনা করা হয়েছিল। তখন ৩০৮টা সিভি জমা পড়েছে। এখন পর্যন্ত আমি আরও ২০-২২টা সিভি নিয়েছি। সর্বমোট প্রায় ৩৩০ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।’

দপ্তর সম্পাদক সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি হলের মধ্যে সবেচেয়ে বেশি পদ প্রত্যাশী রয়েছেন ফজলুল হক মুসলিম হলে। এই হল থেকে ৩১ জন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। সবচেয়ে কম জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়েছে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল থেকে। এই আবাসিক হলটি থেকে আটজন পদ প্রত্যাশী তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন।

এতো বেশি পদ প্রত্যাশী থাকার কারণ সম্পর্কে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পদপ্রত্যাশী বলেন, ‘দীর্ঘ চার বছর হল কমিটি নেই। এতো দীর্ঘ সময়ের কারণে অনেক পদ প্রত্যাশী তাদের ছাত্রত্ব শেষ করে ফেলেছে। আবার নতুন করে অনেকে পদ প্রত্যাশী তৈরি হয়েছে। সাধারণত প্রতি বছর হল কমিটি হওয়ার কথা। তবে চার বছর কমিটি না থাকায় প্রতি বছর নতুন নতুন পদ প্রত্যাশী তৈরি হওয়ায় সংখ্যাটা বেশি।’

এই পদ প্রত্যাশী বলেন, ‘এই সংখ্যা বেশি হওয়ার আরও একটি কারণ আছে। সেটি হলো পদ প্রত্যাশী যারা হল সম্মেলনে পদ পাবেন না তাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বর্ধিত কমিটিতে রাখা হয়। সেই কমিটিতে থাকার জন্যও অনেকে তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া শেষ হয়েছে। এসব জীবনবৃত্তান্ত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া আগামী দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এরপর আমরা কয়েকদিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয়ভাবে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করে সেটা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়ে দেব। এছাড়া হল সম্মেলনের পরপরই আমরা কমিটি দিয়ে দিতে পারব বলে প্রত্যাশা করছি।’

আরও পড়ুন:
‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
২৭ নভেম্বর খুলছে চমেক, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
চমেকে সংঘর্ষ: জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল মঙ্গলবার
পরিবহন ধর্মঘটে পরীক্ষার্থীদের পাশে বাইকাররা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এবার কাফনের কাপড় পরে মিছিলে শাবি শিক্ষার্থীরা

এবার কাফনের কাপড় পরে মিছিলে শাবি শিক্ষার্থীরা

প্রতীকী মরদেহ নিয়ে কাফনের কাপড় পরে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, চলমান আমরণ অনশনের চতুর্থ দিন শনিবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬ জন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মৃত্যুর দিকে গেলেও প্রশাসন এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে এবার কাফনের কাপড় পরে মিছিল করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

একই দাবিতে চলমান আমরণ অনশনে শিক্ষার্থীদের অনেকেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ অবস্থায় শনিবার বিকেলে কাফন মিছিলটি বের করা হয়।

মিছিলে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের গায়ে ছিল কাফনের কাপড় আর সামনে খাটিয়ায় রাখা ছিল একটি প্রতীকী মরদেহ।

শনিবার বেলা ৩টার দিকে ক্যাম্পাসের গোলচত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পুনরায় গোলচত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, চলমান আমরণ অনশনের চতুর্থ দিন শনিবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬ জন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা মৃত্যুর দিকে গেলেও প্রশাসন এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। উপাচার্য পদত্যাগ করছেন না।

এ কারণেই তারা বাধ্য হয়ে কাফনের কাপড় পরে মৌন মিছল করেছেন।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার বলেন, ‘আমাদের একটাই দাবি ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ। প্রয়োজনে আমরা মারা যাব, তবু আন্দোলন থেকে পিছপা হব না।’

এদিকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের মাধ্যমে শুক্রবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের ঢাকায় গিয়ে আলোচনার প্রস্তাব পাঠান।

শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীকে জানান, অসুস্থ ও মুমূর্ষু অবস্থায় সহযোদ্ধাদের ফেলে তাদের ঢাকায় যাওয়া সম্ভব নয়। এ জন্য তারা শিক্ষামন্ত্রীকে ভিডিওকলে আলোচনার প্রস্তাব দেন অথবা শিক্ষামন্ত্রী শাবিতে এসে তাদের অবস্থা দেখার আমন্ত্রণ জানান।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা ঢাকায় না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি দল শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে শুক্রবার ঢাকায় গেছে।

শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাসের নেতৃত্বে এই কমিটিতে আছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ মুহিবুল আলম, ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদেন ডিন ড. মো. রাশেদ তালুকদার, অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আরিফুল ইসলাম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম রুবেল।

শনিবারই তারা শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গত বুধবার বেলা আড়াইটা থেকে উপাচার্যের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরণ অনশনে নামেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

তারও আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে বেগম সিরাজুন্নেছা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন ওই হলের ছাত্রীরা। পরে দাবি মেনে নেয়া হবে বলে উপাচার্যের এমন আশ্বাসে হলে ফেরেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য তাদের দাবি না মেনে সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করেন। পরে সেই আন্দোলনে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন।

এই সময়ের মধ্যে উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে পুলিশ গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করলে আহত হন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। যদিও পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

আরও পড়ুন:
‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
২৭ নভেম্বর খুলছে চমেক, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
চমেকে সংঘর্ষ: জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল মঙ্গলবার
পরিবহন ধর্মঘটে পরীক্ষার্থীদের পাশে বাইকাররা

শেয়ার করুন

শাবির ১২ শিক্ষার্থীর অবস্থা ‘গুরুতর’

শাবির ১২ শিক্ষার্থীর অবস্থা ‘গুরুতর’

শাবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে অমরণ অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে বুধবার থেকে অনশন শুরু করেন ২৪ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজনের বাবা হার্ট অ্যাটাক করায় তিনি চলে গেছেন। এখন উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশনে আছেন ১১ জন। তাদেরও শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। সবার স্যালাইন চলছে।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যর পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশনে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১৫ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিন শিক্ষার্থী আবারও ক্যাম্পাসে এসে অনশনে যোগ দিয়েছেন।

হাসপাতালে এখন চিকিৎসাধীন আছেন ১২ শিক্ষার্থী। তারা সেখানেই অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভিসি ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে বুধবার থেকে অনশন শুরু করেন ২৪ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে একজনের বাবা হার্ট অ্যাটাক করায় তিনি চলে গেছেন। এখন উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অনশনে আছেন ১১ জন। তাদেরও শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। সবার স্যালাইন চলছে।

অনশনরত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রলীগের একটি দল। এই দলের সদস্য নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘শীতেই বেশি কাতর হয়েছেন অনশনকারীরা। তাদের অনেকের শ্বাসকষ্ট দেখা দিয়েছে। জ্বরও আসছে। এ ছাড়া পানিশূন্যতা দেখা দিয়েছে।’

শাবির ১২ শিক্ষার্থীর অবস্থা ‘গুরুতর’


বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন লিজার বিরুদ্ধে খাবারের খারাপ মান, অব্যবস্থাপনা ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ আনেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। তারা প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে সরে যান। দাবি পূরণ না হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যায় ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক আটকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন।

এরপর মধ্যরাতে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সরে গেলেও রোববার সকাল থেকে ফের শুরু হয় তাদের বিক্ষোভ।

বিকেলে তারা উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করলে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে। শিক্ষার্থীরাও ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এরপর শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।

শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে কয়েকটি রাবার বুলেট ছোড়া হয়। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ গুলিবিদ্ধ হন। এরপর পুলিশ উপাচার্যকে বের করে তার বাসভবনে নিয়ে যায়।

পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষের পর রোববার অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। শিক্ষার্থীদের সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

জরুরি সিন্ডিকেট সভা শেষে রোববার রাতে উপাচার্য ফরিদ প্রাধ্যক্ষ জাফরিনের পদত্যাগের বিষয়টি জানান। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে নামেন।

শাবির ১২ শিক্ষার্থীর অবস্থা ‘গুরুতর’


এর মাঝে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অজ্ঞাতপরিচয় ২০০ থেকে ৩০০ শিক্ষার্থীকে আসামি করে সোমবার রাতে সিলেটের জালালাবাদ থানায় মামলা করে পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে এই মামলা প্রত্যাহারের জন্য পুলিশকে সময় বেঁধে দেন শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্যের পদত্যাগের সময় বেঁধে দেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুর ১২টার মধ্যে এ দাবি মানা না হলে আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ আন্দোলন অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের ক্যাম্পাসে প্রতিবাদ মিছিল করেন।

শাবি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে সরাতে আলোচনার প্রস্তাব নিয়ে একাধিকবার তাদের কাছে যান শিক্ষকদের একাংশ। তবে শিক্ষকদের প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে অনড় থাকেন।

এ অবস্থায় শুক্রবার বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ঢাকায় এসে আলোচনা করার আহ্বান জানান।

শিক্ষার্থীরা প্রথমে রাজি হলেও পরে ঢাকায় যেতে সম্মত হননি। শিক্ষামন্ত্রীকে সিলেটে আসার অথবা ভার্চুয়ালি আলোচনা করার প্রস্তাব দেন শিক্ষার্থীরা। তবে আলোচনা করতে ঢাকায় গেছেন শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল।

শাবির ১২ শিক্ষার্থীর অবস্থা ‘গুরুতর’


শুক্রবার রাতে তারা ঢাকায় যান। আজ শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তারা আলোচনায় বসতে পারেন বলে জানা গেছে।

প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন শাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক তুলসী কুমার দাস। তিনি শনিবার বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আলোচনায় যেতে শিক্ষামন্ত্রী আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ঢাকায় আসতে রাজি হননি। আমরাই এসেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ে আমরা উনার (শিক্ষামন্ত্রীর) সঙ্গে কথা বলব।’

প্রতিনিধিদলে আরও রয়েছেন ফিজিক্যাল সায়েন্সের অনুষদ ডিন অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মুহিবুল আলম, অ্যাপ্লাইড সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম, বাণিজ্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক খায়েরুল ইসলাম রুবেল।

আরও পড়ুন:
‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
২৭ নভেম্বর খুলছে চমেক, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
চমেকে সংঘর্ষ: জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল মঙ্গলবার
পরিবহন ধর্মঘটে পরীক্ষার্থীদের পাশে বাইকাররা

শেয়ার করুন

শাবির আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে ঢাবিতে অবস্থান

শাবির আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে ঢাবিতে অবস্থান

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি অনিক রায় বলেন, ‘শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আজকের চার দিনের মতো অনশন করছে। এর মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এখনো উপাচার্য পদত্যাগ করেনি। শিক্ষার্থীদের সেই দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে আমাদের এখানে বসা।'

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান নিয়েছেন একদল শিক্ষার্থী।

শনিবার দুপুর ১২টা থেকে এসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অবস্থান নেন। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই অবস্থান চলবে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি অনিক রায় বলেন, ‘শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আজকের চার দিনের মতো অনশন করছে। এর মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এখনো উপাচার্য পদত্যাগ করেননি। শিক্ষার্থীদের সেই দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে আমাদের এখানে বসা।

‘আমরা মনে করি, উপাচার্যের যদি ন্যূনতম সম্মানবোধ থাকে তাহলে তার পদত্যাগ করা উচিত। আর তিনি যদি নিজ থেকে পদত্যাগ না করেন তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে আহ্বান করব, অবিলম্বে যেন তাকে অপসারণ করা হয়।’

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য যেভাবে পুলিশ ডেকে এনে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্মমভাবে হামলা চালিয়েছেন, একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য কখনো এটি করতে পারেন না। এই কাজের মধ্য দিয়ে এই উপাচার্য প্রমাণ করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।

‘সুতরাং তার পদত্যাগ দাবি করা একটি নায্য দাবি। তাই তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা জানিয়ে আমরা এখানে অবস্থান করছি।’

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বলেন, ‘শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে ছাত্রলীগ এবং পুলিশ যেভাবে হামলা করেছে তার বিরুদ্ধে আমরা সংগঠিত হয়েছি। আমরা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি একাত্মতা পোষণ করছি।’

তিনি বলেন, ‘শাবির উপাচার্য বর্বর উপাচার্য। উপাচার্য পদে থাকার তার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। আমরা অবিলম্বে তার পদত্যাগ চাই।’

আরও পড়ুন:
‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
২৭ নভেম্বর খুলছে চমেক, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
চমেকে সংঘর্ষ: জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল মঙ্গলবার
পরিবহন ধর্মঘটে পরীক্ষার্থীদের পাশে বাইকাররা

শেয়ার করুন

পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর এলাকায় সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা

পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নীলক্ষেত এলাকায় বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থীরা। তাদের রাস্তা অবরোধে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরের সামনে অবস্থান নেন।

কোনো ধরনের নোটিশ ছাড়া হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে বিক্ষোভে নেমেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের ডিগ্রির শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নীলক্ষেত এলাকায় বিক্ষোভে নামেন শিক্ষার্থীরা। তাদের রাস্তা অবরোধে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরের সামনে অবস্থান নেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, পূর্ব সূচি অনুযায়ী শনিবার সকালে দ্বিতীয় বর্ষের শেষ পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন তারা। এসে শোনেন পরীক্ষা হবে না। আজকেই শেষ পরীক্ষা ছিল। কোনো ঘোষণা না দিয়ে পরীক্ষা স্থগিতের প্রতিবাদে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।

শিক্ষার্থীরা জানান, ২০১৮ সালে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা ২০২২ সালে শেষ হচ্ছে। শেষ পরীক্ষার দিন তা আবার স্থগিত করে দেয়া হলো।

ভিসি চত্বরের সামনে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘নোটিশ না দিয়ে কেন হঠাৎ পরীক্ষা স্থগিত করে দেয়া হলো তা আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে জানতে চাই।’

কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থী আবদুস সাত্তার বলেন, ‘আমরা (ডিগ্রি) সবাই ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এখনও আমাদের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শেষ হয়নি। গত নভেম্বরে আমাদের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। আজকে শেষ পরীক্ষা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হলে মাইকে ঘোষণা দিয়ে বলা হয় আমাদের পরীক্ষা স্থগিত। এটি আমাদের সঙ্গে তামাশা।’

পুলিশের অসদাচরণের কারণে নীলক্ষেত অবরোধ থেকে সরে আসতে হয়েছে বলে জানালেন সরকারি বাংলা কলেজের শিক্ষার্থী শাবানা খাতুন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের পরীক্ষা হঠাৎ স্থগিতের প্রতিবাদে নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করি। অবরোধের এক ঘণ্টা পর পুলিশ আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা শুরু করে।

‘এক পুলিশ সদস্য আমাদের উদ্দেশে বলেন, গুলি করা শুরু করলে কেউই থাকতে পারবেন না। আপনারা বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্ট্রোলার অফিসে গিয়ে আপনাদের দাবি জানান। এরপর আমরা ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসি।’

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবে কেন? তারা তাদের অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলুক। অধ্যক্ষরা আমাদের জানালে তারপর আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারব।’

পূর্ব নোটিশ ছাড়া পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটা সরকারের সিদ্ধান্ত ছিল। সরকারতো ঘোষণা করেছে স্কুল কলেজ ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সরকারের সিদ্ধান্তের পরতো আর নোটিশ দিতে হয় না।’

আরও পড়ুন:
‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
২৭ নভেম্বর খুলছে চমেক, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
চমেকে সংঘর্ষ: জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল মঙ্গলবার
পরিবহন ধর্মঘটে পরীক্ষার্থীদের পাশে বাইকাররা

শেয়ার করুন

এসএসসি: ফেল থেকে জিপিএ-৫ চার বোর্ডে ১৩ জন

এসএসসি: ফেল থেকে জিপিএ-৫ চার বোর্ডে ১৩ জন

ফাইল ছবি।

চার বোর্ডে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনঃনিরীক্ষণে ফেল থেকে পাশ করেছেন ৩৭৮ জন। এ ছাড়া গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে আরও অনেকের।

ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় আগে ফেল করলেও পুনঃনিরীক্ষণে তাদের মধ্য থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩ জন।

শুক্রবার এই ফল প্রকাশ করা হয়।

ফলাফলে দেখা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ফেল থেকে পাস করেছেন ৪৩ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ফলাফল পরিবর্তন হয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৬ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন চার শিক্ষার্থী।

ঢাকা বোর্ডের প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী ২২ হাজার ৮৫৫টি বিষয়ের খাতা পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছিলেন।

ব‌রিশাল মাধ‌্যমিক ও উচ্চ মাধ‌্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুন কুমার গাইন জানান, ওই বোর্ডে ৫ হাজার ৪৭৯ পরীক্ষার্থী ৬ হাজার ১৩৯‌টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করেছিলেন। এতে ৩৯২ জনের ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ফেল থেকে পাশ করেছেন ২৫১ জন এবং ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ জন। পাশাপা‌শি সব মিলিয়ে ফল পরিবর্তনে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩০ শিক্ষার্থী।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফলে ফেল থেকে পাস করেছেন ৩৩ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ জন। এ ছাড়া পরীক্ষার ফল পরিবর্তন হয়েছে ২১২ জনের।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নারায়ণ চন্দ্র নাথ বলেন, ‘উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ শেষে ফল পরিবর্তন হয়েছে ২১২ পরীক্ষার্থীর। এর ফলে ফেল থেকে পাস করেছে আরও ৩৩ জন। গ্রেড পরিবর্তন হয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন।’

বোর্ড সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবার উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ৭ হাজার ৬৯ পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে ৭ হাজার ৮২৩টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণ করা হয়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে গ্রুপ ভিত্তিক নৈর্বাচনিক ১১ বিষয়ে ৪১৯৩ জন শিক্ষার্থী ৪৬৭৯টি উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করেছিলেন।

আবেদনকারীদের মধ্যে ৮২ জনের ফল পরিবর্তন হয়। এর মধ্যে ৫১ জন ফেল থেকে পাশ করেছেন। আর ফেল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৬ জন। এ ছাড়া ২৫ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ সনের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয় এবং ৩১ ডিসেম্বর থেকে ০৬ জানুয়ারি পর্যন্ত পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হয়।

জানা গেছে, করোনার কারণে দেড় বছর ক্লাস না হওয়ায় গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়া হয় তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে।

ফল প্রকাশের দিনের হিসেব অনুযায়ী, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ড মিলে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ২০২০ শিক্ষাবর্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। সে হিসেবে এবার পাসের হার বেড়েছে ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ।

৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৯৪.০৮ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৭ লাখ ৯২ হাজার ৩১২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৬২৫ জন।

মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে এবার পাসের হার ৯৩.২২ শতাংশ। মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ২ লাখ ৯২ হাজার ৫৬৯ জন। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ১৪ হাজার ৩১৩ জন।

আর কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৫১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ৮৮.৪৯ শতাংশ। জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থী ৫ হাজার ১৮৭ জন।

আরও পড়ুন:
‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
২৭ নভেম্বর খুলছে চমেক, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
চমেকে সংঘর্ষ: জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল মঙ্গলবার
পরিবহন ধর্মঘটে পরীক্ষার্থীদের পাশে বাইকাররা

শেয়ার করুন

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় উপাচার্যের তদন্ত কমিটির কার্যক্রম শুরু হয়নি। ফাইল ছবি

১৩ জানুয়ারির হামলা-সংঘর্ষসহ সব ঘটনা তদন্ত করতে ১৭ জানুয়ারি আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। কমিটির প্রধান করা হয় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদারকে। এ ছাড়া পাঁচ অনুষদের ডিন, প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টাকে রাখা হয় কমিটিতে। তবে অধ্যাপক রাশেদ বলেন, তাকে আনুষ্ঠানিক কোনো আদেশ দেয়া হয়নি।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় গত সোমবার একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছিলেন উপাচার্য। তবে পাঁচ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও শুক্রবার পর্যন্ত এই তদন্ত কমিটি কোনো কার্যক্রম শুরু করেনি।

এমনকি এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে আনুষ্ঠাানিক কোনো চিঠি পাননি বলেও জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান গণিত বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার।

বেগম সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে আন্দোলনে নামেন ওই হলের ছাত্রীরা। ১৬ জানুয়ারি তারা উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ছাত্রদের লাঠিপেটা করে উপাচার্যকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী-পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

এ ঘটনায় রাতেই জরুরি সিন্ডিকেট সভা করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা ও পরদিন দুপুর ১২টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেন উপাচার্য। এই সিদ্ধান্ত আসার রাতেই উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার থেকে তারা শুরু করেন অনশন।

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

১৩ জানুয়ারির হামলা-সংঘর্ষসহ সব ঘটনা তদন্ত করতে ১৭ জানুয়ারি আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। কমিটির প্রধান করা হয় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদারকে। এ ছাড়া পাঁচ অনুষদের ডিন, প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টাকে রাখা হয় কমিটিতে।

তদন্ত কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য জহির বিন আলম নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, কারা দোষী এটা আমরা খুঁজে বের করব। বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত ছিল, হঠাৎ কেন এমন অশান্ত হলো তা বের করা হবে।’

তদন্ত কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক রাশেদ তালুকদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একটি তদন্ত কমিটি গঠনের কথা শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো চিঠি এখনও পাইনি। ফলে কমিটির কার্যক্রমও শুরু হয়নি।’

পাঁচ দিনেও তদন্ত কমিটি চিঠি না পাওয়া প্রসঙ্গে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ আহমদের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি। শুক্রবার মোবাইল ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

তবে রেজিস্ট্রার ইশফাকুল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। প্রশাসনিক ভবনেও তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানো যাচ্ছে না। এ কারণে তদন্ত কমিটির সদস্যদের এখনও আনুষ্ঠানিক চিঠি দেয়া সম্ভব হয়নি। প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হলেই চিঠি প্রেরণ করা হবে।’

উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে টানা তিন দিন ধরে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন ২৩ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে অন্তত ১৩ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শাবি সংকট: ভিসির তদন্ত কমিটির খোঁজ নেই

আন্দোলন শুরুর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা একাধিকবার আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে আসেন। তারা শিক্ষার্থীদের বলেন, তদন্ত করে এই ঘটনায় যাদেরই দোষ পাওয়া যাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এমনকি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনও গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সরকার তদন্ত কমিটি করে যদি আমার দোষ পায় তাহলে যে ব্যবস্থা নেবে তা মেনে নেব।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা অবশ্য কমিটি নিয়ে ভাবছেন না। এদের একজন সাব্বির আহমদ বলেন, ‘আমরা কোনো তদন্ত কমিটি চাই না। উপাচার্যের পদত্যাগ চাই। তবু শিক্ষকরা তদন্তের কথা বলছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এটি করেছে। কিন্তু এই কমিটি এখনও কার্যক্রম শুরু না করাই প্রমাণ করে তদন্ত কমিটির নামে আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিতের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
২৭ নভেম্বর খুলছে চমেক, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
চমেকে সংঘর্ষ: জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল মঙ্গলবার
পরিবহন ধর্মঘটে পরীক্ষার্থীদের পাশে বাইকাররা

শেয়ার করুন

জবি: ক্লাস অনলাইনে, অবশিষ্ট পরীক্ষা সশরীরে

জবি: ক্লাস অনলাইনে, অবশিষ্ট পরীক্ষা সশরীরে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই সপ্তাহ অনলাইনে ক্লাস চলবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ আমাদের সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। নির্দেশ পাওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সশরীরে ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

অনলাইনে সব ধরনের ক্লাস নেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে চলমান সেমিস্টার ফাইনালের অবশিষ্ট লিখিত পরীক্ষাগুলো সশরীরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেয়া হবে।

শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহ আমাদের সশরীরে ক্লাস বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে।’

পরীক্ষার ব্যাপারে উপাচার্য বলেন, ‘যেহেতু আমাদের পরীক্ষা প্রায় শেষ, আর দু-একটা ডিপার্টমেন্টে হয়ত ব্যবহারিক-মৌখিক পরীক্ষা বাকি আছে সেগুলো অনলাইনে নেয়া যেতে পারে।

‘যেসব বিভাগের পরীক্ষা চলছে সেসব বিভাগের চেয়ারম্যান, অনুষদের ডিন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।’

নিউজবাংলাকে উপাচার্য আরও বলেন, ‘আমরা গতকাল একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যেসব ডিপার্টমেন্টে করোনা সংক্রমণ ঘটেছে তাদের ক্লাসগুলো অনলাইনে আর বাকিরা আপাতত সশরীরে নেয়ার। কিন্তু যেহেতু প্রজ্ঞাপন আসছে তাই এখন থেকে সব ডিপার্টমেন্টের সব ক্লাস অনলাইনে হবে।’

এদিকে উপাচার্যের নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত ক্লাস-পরীক্ষা ও অফিস খোলা নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে ক্লাস চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব বিভাগে পরীক্ষা চলছে, সেগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও অনুষদের ডিনদের আলোচনা সাপেক্ষে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অফিস স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

পরীক্ষার বিষয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল নিউজবাংলাকে জানান, চলমান সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার যে কয়টি লিখিত পরীক্ষা বাকি আছে সেগুলো যথানিয়মে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে নেয়া হবে। কোনো মৌখিক বা ব্যবহারিক পরীক্ষা সশরীরে নেয়া হবে না। সেগুলো অনলাইনে হবে।

চলবে না বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক আব্দুল্লাহ্-আল্- মাসুদ নিউজবাংলাকে জানান, ক্লাস বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চলবে না। শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে সীমিত পরিসরে বাস চলবে।

চলবে ভর্তি
ক্লাস বন্ধ থাকলেও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে ভর্তি চলবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের জন্য দেশের সব স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর গত বছরের ৭ অক্টোবর সশরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়।

আরও পড়ুন:
‘সব শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করতে হবে’
২৭ নভেম্বর খুলছে চমেক, বহিষ্কার ৩০ শিক্ষার্থী
চমেকে সংঘর্ষ: জমা পড়েছে তদন্ত প্রতিবেদন
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল মঙ্গলবার
পরিবহন ধর্মঘটে পরীক্ষার্থীদের পাশে বাইকাররা

শেয়ার করুন