মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

player
মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

বন বিভাগের মামলা পরিচালক জুলহাস উদ্দিন জানান, এর আগে সাপ, বানর হত্যার ঘটনায় আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাজা দেয়া হয়েছে। মেছো বিড়াল হত্যা নিয়ে কোনো মামলায় এই প্রথম জরিমানা করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারে একটি মেছো বিড়াল হত্যার মামুন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে শাস্তি দিয়েছে আদালত।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী।

বিড়াল হত্যার এক বছর পর মামুনকে সাজা হিসেবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার বন আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সাইফুর রহমান সোমবার মামুন মিয়াকে সাজা দেন।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, মেছো বিড়াল হত্যার ঘটনায় এই প্রথম বন আদালতে কাউকে সাজা দেয়া হলো।

২০২০ সালের নভেম্বরে বাড়ির পুকুরের মাছ খাওয়ার সময় সহযোগীদের নিয়ে মেছো বিড়ালটি হত্যার অভিযোগ ওঠে মামুনের বিরুদ্ধে। তিনি মৌলভীবাজারের রাজনগরের কাজীরহাট গ্রামের বাসিন্দা।

মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মেছো বিড়াল হত্যা বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কাজীরহাটে মেছো বিড়ালটি হত্যার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সেই সূত্র ধরে মামুনকে শনাক্ত করা হয়। পরে এ ঘটনায় মামলা করেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্টার মো. আনিসুজ্জামান।

ঘটনার তদন্ত ও স্থানীয় লোকজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বন আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় রাজনগর থানা।

বন বিভাগের মামলা পরিচালক জুলহাস উদ্দিন জানান, এর আগে সাপ, বানর হত্যার ঘটনায় আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাজা দেয়া হয়েছে। মেছো বিড়াল হত্যা নিয়ে কোনো মামলায় এই প্রথম জরিমানা করা হয়েছে।

রেজাউল করিম চৌধুরী নিউজবাংলাকে জানান, ‘দেশে এই প্রথম মেছো বিড়াল হত্যায় শাস্তি হলো। ইচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে এসব অপরাধের সাজা নিশ্চিত করা সম্ভব। এই বিচার দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষায় অবদান রাখবে।’

আরও পড়ুন:
হাতিটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করল কে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পাইকপাড়ায় আগুন: ক্ষতিগ্রস্তদের কান্নায় ভারী পরিবেশ

পাইকপাড়ায় আগুন: ক্ষতিগ্রস্তদের কান্নায় ভারী পরিবেশ

ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘আগুন লাগিয়ে দেয়ার কোনো আলামত আমরা পাইনি। যখন আগুন লাগে তখন বিদ্যুৎ ছিল ওই গ্রামে। আমরা ধারণা করছি, কোনো চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত।’

রাতের অন্ধকারে লাগা আগুন কেড়ে নিয়েছে মাথা গোঁজার ঠিকানা। পুড়ে গেছে ঘরের আসবাবসহ নানা সরঞ্জাম। সেই শোকে প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্খীদের গলা জড়িয়ে ক্ষণে ক্ষণে কেঁদে উঠছে দিনমজুর নেকো মিয়ার স্ত্রী শিরিন আক্তার। কাঁদতে কাঁদতে তিনি সংজ্ঞা হারাচ্ছেন। আবারও ঢুকরে কেঁদে উঠেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে নিউজবাংলা। এক পর্যাযে তিনি বলেন, ‘কনকনে শীতে তেমন মাঠে কাজ মেলেনি। বাড়িতে পালিত গাভীর দুধ বিক্রি করে তার সংসার ও সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চলতো। কিন্তু অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তার ৩টি গরু ও ৩টি ছাগল পুড়ে কয়লা হয়ে যায়। সকালে একটি ক্ষেতে সেগুলো মাটি চাপা দেয়া হয়েছে।’

সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের পটুয়া পাইকপাড়া গ্রামে বুধবার রাত ১১টার দিকে আগুন লাগে। এতে পুড়ে গেছে গ্রামের অর্ধশতাধিক ঘর। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ১০-১২টি বসতি।

সরেজমিনে দেখা যায়, আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এই গ্রামে এসেছেন। সঙ্গে আনা শীতবস্ত্র ও শুকনো খাবার দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার চেষ্টা করছেন তারা। সব হারানো পরিবারগুলোর কান্নায় সেখানে ভারী হয়ে আছে পরিবেশ।

পাইকপাড়ায় আগুন: ক্ষতিগ্রস্তদের কান্নায় ভারী পরিবেশ
স্বজনকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে দেখা যায় শিরিন আক্তার

পুড়ে যাওয়া ঘরের মধ্যে নিজের নতুন বই আর খেলনা খুঁজেছিল ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী লিমা আক্তার। সে বলে,‘আমার নতুন বইগুলো পুড়ে গেছে। আমার বাবার জামানো টাকা, আমাদের কাপড়-চোপড় সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।’

আগুনের সূত্রপাত নিয়ে এ দিন স্থানীয়দের মধ্যে ভিন্ন বক্তব্য পাওয়া গেছে। কেউ বলছেন, আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। অনেকে আবার চুলা কিংবা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার বিষয়টি সামনে এনেছেন।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ ফরহাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগুন লাগিয়ে দেয়ার কোনো আলামত আমরা পাইনি। যখন আগুন লাগে তখন বিদ্যুৎ ছিল ওই গ্রামে। আমরা ধারণা করছি, কোনো চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত।’

ঠাকুরগাঁওযের জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতেই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ ও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। সকাল থেকে তাদের নামের তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ তালিকাভুক্তির কাজ চলছে। আমরা সরকারিভাবে যতটুকু পারি তাদের জন্য করব।’

আরও পড়ুন:
হাতিটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করল কে

শেয়ার করুন

বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই খুন

বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ছোট ভাই খুন

জমি নিযে বিরোধের জেরে ছোট ভাইকে খুনের অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা

নরসিংদী শহর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিকুল আলম বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যা সংঘটিত হয়েছে। এর বাইরে কোনো বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

নরসিংদীর নাগরিয়াকান্দিতে জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে ছোট ভাইকে ছুড়িকাঘাতে খুনের অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার কামারগাঁও এলাকায় বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নবী মিয়ার বয়স ৪০ বছর।

নিউজবাংলাকে ঘটনা নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী শহর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিকুল আলম।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নবী মিয়ার সঙ্গে তার বড় ভাই আলী হোসেনের মনমালিন্য চলে আসছিল। এরই মধ্যে তাদের পারিবারিক সম্পত্তি ভাগাভাগিও করা হয়।

কিন্তু আজ সকালে বাড়ির সীমানায় দেয়াল উঠানোকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই আলী হোসেন উত্তেজিত হয়ে নবী মিয়ার পেটে ছুরিকাঘাত করেন।

পরে প্রতিবেশীরা নবী মিয়াকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনরা জানান, স্থানীয় একটি জুট মিলে চাকরি করতেন নবী মিয়া। কিন্তু চাকরি চলে যাওয়ার পর পেনশনের টাকা তুলতে নবীর ওপর চাপ দিয়েছিলেন আলী হোসেন। কিন্তু টাকা তুলে দিতে অস্বীকৃতি জানালে নবীকে তখন মারধর করেন বড় ভাই আলী।

এসআই শফিকুল আলম বলেন, ‘জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এই হত্যা সংঘটিত হয়েছে। এর বাইরে কোনো বিষয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে আলী হোসেন পলাতক। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
হাতিটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করল কে

শেয়ার করুন

শাবি ভিসির ‘আপত্তিকর মন্তব্য’: জাবি শিক্ষকদের প্রতিবাদ

শাবি ভিসির ‘আপত্তিকর মন্তব্য’: জাবি শিক্ষকদের প্রতিবাদ

শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

শিক্ষক সমিতির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত  অবমাননাকর ও অসম্মানজনক।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্রীদের নিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির ‘আপত্তিকর মন্তব্যের’ প্রতিবাদ জানিয়েছে জাবি শিক্ষক সমিতি ও বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ। একই সঙ্গে ক্ষোভও জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

সংগঠন দুটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এই প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানানো হয়।

শিক্ষক সমিতির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত অবমাননাকর ও অসম্মানজনক।

‘শাবি উপাচার্যের আপত্তিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ক্ষোভ প্রকাশ করছি। আমরা আশা করি, তিনি প্রকাশ্যে তার ভুল স্বীকার করে অশোভন মন্তব্য প্রত্যাহার করবেন।’

বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের তার সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে অবমাননাকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন। বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

‘ওই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগের দাবিতে চলা আন্দোলনের মধ্যে একটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতে শোনা যায় এক ব্যক্তিকে।

যারা এই অডিওটি ফাঁস করেছেন তাদের দাবি, এটি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের। ছাত্রীদের রাতে বাইরে থাকা নিয়ে কটাক্ষ করছেন উপাচার্য।

বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে কথা হয় নিউজবাংলার। তারা জানিয়েছেন, অডিওটি উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের, তবে এটি ২০১৯ সালের।

অডিওতে শোনা যায়, ‘যারা এই ধরনের দাবি তুলেছে, যে বিশ্ববিদ্যালয় সারারাত খোলা রাখতে হবে, এইটা একটা জঘন্য রকম দাবি। আমরা মুখ দেখাইতে পারতাম না। এখানে আমাদের ছাত্রনেতা বলছে যে, জাহাঙ্গীরনগরের মেয়েদের সহজে কেউ বউ হিসেবে চায় না। কারণ সারারাত এরা ঘোরাফেরা করে। বাট আমি চাই না যে আমাদের যারা এত ভালো ভালো স্টুডেন্ট, যারা এত সুন্দর, এত সুন্দর ডিপার্টমেন্টগুলো, বিখ্যাত সব শিক্ষক... তারা যাদের গ্র্যাজুয়েট করবে, এরকম একটা কালিমা লেপুক তাদের মধ্যে।

‘ওই জায়গাটা কেউ চায় না, কোনো গার্ডিয়ানও চান না কিন্তু। এখন আমরা যদি কোনো মেয়েকে বলি তোমার বাবা-মা কাউকে ফোন করব... তখন তোমরাই তো এতে বাধা দিবা... না না না এইটা হবে না, দেখ হয়রানি করতেছে। কিন্তু এইটা তো প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব। তোমাদেরও নৈতিক দায়িত্ব যে, এই মেয়ে কেন রাতের বেলা সোয়া দশটা পর্যন্ত স্যাররে সময় দিসে?’

ওই ক্লিপে আরও শোনা যায়, ‘আমি মাঝে মাঝে ঢাকা থেকে যখন আসি, রাতে ১২টা-১টা বেজে যায়। আমি দেখি যে আমাদের ওয়ান কিলোমিটার রাস্তা দিয়া ছেলে-মেয়ে হাত ধরাধরি করে কনসালটিং করতাছে। একটা অঘটন ঘটে গেলে দায়দায়িত্ব ভাইস চ্যান্সেলরকে নিতে হবে। যত দোষ, নন্দ ঘোষ। ভাইস চ্যান্সেলর দায়ী সে জন্য।’

এই ক্লিপের বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। আন্দোলনকারীরা তাকে বাসভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। ফোনে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করা হলেও রিসিভ করেননি তিনি।

আরও পড়ুন:
হাতিটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করল কে

শেয়ার করুন

রিমান্ডে আরসা প্রধানের ভাই শাহ আলী

রিমান্ডে আরসা প্রধানের ভাই শাহ আলী

আরসাপ্রধান আতাউল্লাহর ভাই শাহ আলী। ছবি: নিউজবাংলা

কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক চন্দন কুমার চক্রবর্তী জানান, কড়া নিরাপত্তায় এদিন সকাল ১১টার দিকে আদালতে তোলা হয় শাহ আলীকে। তিন মামলায় তাকে সাতদিন করে রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ। শুনানি শেষে প্রত্যেক মামলায় দুইদিন করে মোট ৬ দিন রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দেন বিচারক।

মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ আরকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসার প্রধান আতাউল্লাহ আবু জুনুনীর ভাই শাহ আলীকে ৬ দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শ্রী গিয়ান তংঞ্চঙ্গা বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে রিমান্ডে পাঠান।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক চন্দন কুমার চক্রবর্তী।

তিনি জানান, কড়া নিরাপত্তায় এদিন সকাল ১১টার দিকে আদালতে তোলা হয় শাহ আলীকে। তিন মামলায় তাকে সাতদিন করে রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ। শুনানি শেষে প্রত্যেক মামলায় দুইদিন করে মোট ৬ দিন রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দেন বিচারক।

রোববার শাহ আলীকে আটকের পর তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা করেছে পুলিশ। আরও একটি মামলা হয়েছে অপহরণের অভিযোগে। বুধবার তার রিমান্ড শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়।

পুলিশের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, শাহ আলীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে ঢাকার হাজারীবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা আছে। ২০১৯ সালে পুলিশের করা ওই মামলায় তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিনে ছিলেন। তার বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্রও আছে।

আরও পড়ুন:
হাতিটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করল কে

শেয়ার করুন

বাবার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, ছেলে আটক

বাবার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার, ছেলে আটক

বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

দামকুড়া থানার ওসি মাহবুব আলম বলেন, ‘এ হত্যার পেছনে আর কোনো ঘটনা আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পরে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।’

রাজশাহী নগরীর একটি বাড়ির সেফটিক ট্যাংক থেকে এক ব্যক্তির গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নগরীর দামকুড়া এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের ছেলে ৩২ বছরের স্বপনকে আটক করা হয়েছে।

নিহতের নাম সাজ্জাদ হোসেন। তার বয়স ৬৫ বছর।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দামকুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম।

তিনি জানান, গত মঙ্গলবার রাত থেকে সাজ্জাদ হোসেন নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় বুধবার তার ছেলে আব্দুল হাদী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির সূত্র ধরে পুলিশ তার অন্য ছেলে স্বপনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

স্বপনের আচরণ সন্দেহজনক ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি একপর্যায়ে বাবাকে প্রথমে শ্বাসরোধ ও পরে গলা কেটে হত্যা করার কথা স্বীকার করেন। হত্যার পর মরদেহ বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে ভরে রাখেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, স্বপন পুলিশকে জানিয়েছেন, এক বছর আগে তার মা মারা যান। এরপর তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করার কথা বলেন। কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ে করলে সম্পত্তি ভাগ হয়ে যাবে- এমন চিন্তা থেকেই স্বপন তার বাবাকে হত্যা করেন।

ওসি মাহবুব বলেন, ‘এ হত্যার পেছনে আর কোনো ঘটনা আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। পরে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
হাতিটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করল কে

শেয়ার করুন

শ্রীপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত

শ্রীপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত

গাজীপুরে ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ঢাকা রেলওয়ে কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা মো. মোখলেস জানান, রাজধানীর কমলাপুর থেকে মোহনগঞ্জের উদ্দেশে যাচ্ছিল মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি। কাওরাইদ স্টেশনে পৌঁছানোর পর দুই নম্বর লাইনে ইঞ্জিনসহ পেছনের বগি লাইনচ্যুত হয়।

গাজীপুরে ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে।

শ্রীপুরের কাওরাইদ রেলস্টেশনে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আতঙ্কিত হয়ে ট্রেন থেকে তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হয়েছেন।

ঢাকা রেলওয়ে কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা মো. মোখলেস নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঢাকার কমলাপুর থেকে মোহনগঞ্জের উদ্দেশে যাচ্ছিল মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনটি। কাওরাইদ স্টেশনে পৌঁছানোর পর দুই নম্বর লাইনে ইঞ্জিনসহ পেছনের বগি লাইনচ্যুত হয়।

মো. মোখলেস জানান, এ ঘটনার পর ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। বিকল্প লাইনে ট্রেন গন্তব্যস্থলে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
হাতিটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করল কে

শেয়ার করুন

ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা যুবক খুন, গ্রেপ্তার ২

ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা যুবক খুন, গ্রেপ্তার ২

রোহিঙ্গা যুবককে খুনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

৮ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন বলেন, রোহিঙ্গা যুবক খুনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যা মামলার পর তাদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা শিবিরে ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা।

জামতলী ক্যাম্প-১৫-এর এইচ ব্লকে বুধবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার ভোরে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত যুবকের নাম মৌলভী মনির হোসেন। তার বয়স ৩৫ বছর।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন ৩৫ বছরের মোহাম্মদ ইউনুস ও ৪৪ বছরের মোহাম্মদ ইয়াসিন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ৮ এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরান হোসেন। তিনি জানান, প্রতিবেশী কেফায়েত উল্লাহর সঙ্গে মনিরের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। গত বুধবার ঝাড়ু দেয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কেফায়েত এবং তার সহকারী ইউনুস ও ইয়াসিন মনিরকে ধরে পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।

পরে রক্তাক্ত অবস্থায় মনিরকে উদ্ধার করে ক্যাম্পের এমএসএফ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হত্যা মামলার পর তাদের উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
হাতিটিকে নৃশংসভাবে হত্যা করল কে

শেয়ার করুন