× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The decision to reduce fuel prices if the world market is stable
google_news print-icon

জ্বালানির দাম কমানোর সিদ্ধান্ত ‘বিশ্ববাজার স্থিতিশীল হলে’

জ্বালানির-দাম-কমানোর-সিদ্ধান্ত-বিশ্ববাজার-স্থিতিশীল-হলে
‘আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামা করছে। কখনও বাড়ছে, আবার কখনও কমছে। দাম স্থিতিশীল হলে কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে দিলেও দেশের বাজারে দাম কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আরও অপেক্ষা করতে চান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, দাম স্থিতিশীল হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা।

সরকারি ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে বুধবার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামা করছে। কখনও বাড়ছে, আবার কখনও কমছে। দাম স্থিতিশীল হলে কমানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

দাম কমানোর বিষয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন থেকে এখনও কোনো প্রস্তাব আসেনি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘যদি প্রস্তাব আসে, তা হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসায় অর্থনীতি স্বাভাবিক গতিতে ফেরার মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম ক্রমেই বাড়তে থাকে। বাংলাদেশেও গত ৪ নভেম্বর থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম এক লাফে লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে করা হয় ৮০ টাকা।

এই সিদ্ধান্তের প্রভাবে পরিবহন ভাড়া বেড়ে গেলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে সরকার আবার সমন্বয় করবে।

দেশে তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আসার দুই সপ্তাহের মধ্যেই জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে কমতে থাকে করোনার নতুন ধরন শনাক্তের খবরে।

গত ২৭ অক্টোবর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল অশোধিত তেলের দাম ৮৫ ডলার থেকে গত রাতে সেটি নেমে এসেছে ৬৭ ডলার ৮৮ সেন্টে। এই দাম ২০২০ সালের এপ্রিলের পর সবচেয়ে কম।

অবশ্য এখন তেলের যে দাম, সে তেল দেশে আসতে দুই মাসেরও বেশি সময় লেগে যাবে। ফলে এর সুফল পেতে আরও অপেক্ষা করতে হবে।

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম কিছুদিন পর পর বাড়ানো হলেও কমানোর প্রবণতা খুবই কম। আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর একবার লিটারে ৩ টাকা কমানোর পর পরিবহন ভাড়া কমেনি। এরপর সরকার আর দাম কমায়নি।

‘ওমিক্রন বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর হবে না’

করোনার নতুন ধরনের প্রভাব দেশে খুব একটা পড়বে না বলেও আশা করছেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ওমিক্রন অতটা কঠোর নয়। বাংলাদেশে এখনও সংক্রমণ হয়নি। যদি সংক্রমণ ঘটে, দেশের মানুষ ও অর্থনীতির ওপর কোনো প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে, তা মোকাবিলায় সরকার সর্বদা প্রস্তুত।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এটা দেশের জন্য তেমন ক্ষতি বয়ে আনবে না।’

‘অর্থপাচারে কারা জানি না’

জাতীয় সংসদে এ ধরনের মন্তব্য দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়া অর্থমন্ত্রী আবার বললেন একই কথা। তিনি বলেন, ‘আমি সংসদে বলেছি, আগেও বলেছি কারা টাকা পাচার করছে আমার জানা নেই। টাকা পাচারের কোনো ম্যাকানিজম আমার কাছে নেই।’

টাকা পাচারকারীদের বিরুদ্ধে আমরা আইগত ব্যবস্থা নিয়েছি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কিন্তু বিষয়টি গণমাধ্যমে জানানো হয়নি।’

কয়েক বছর ধরে টাকা পাচারের অপরাধে কাদের বিরুদ্ধে, কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে মিডিয়ার সামনে তুলে ধরা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

বলেন, ‘টাকা পাচার বন্ধ করতে হলে আইন মন্ত্রণালয়সহ সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণে হাইকোর্টের রুল
দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আভাস
জ্বালানি তেলে বড় দরপতন
বাইডেনের তেল ছাড়ার ঘোষণায় উল্টো ঊর্ধ্বমুখী দাম

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A lot can still be revised in the budget Finance Minister

বাজেটে এখনও অনেক কিছু সংশোধন হতে পারে: অর্থমন্ত্রী

বাজেটে এখনও অনেক কিছু সংশোধন হতে পারে: অর্থমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ফার্মগেটে বিএআরসি মিলনায়তনে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। ছবি: সংগৃহীত
আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ‘জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসছে। আমরা সব মতামত বিবেচনায় নিচ্ছি। যেগুলো বাস্তবসম্মত ও সমাধানযোগ্য সেগুলো পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। কারণ বাজেট এখনও পাস হয়নি।’

জাতীয় সংসদে প্রস্তাব পাসের আগে সরকার বাজেট নিয়ে সব ধরনের বাস্তবসম্মত সমালোচনা ও পরামর্শ বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট পেশের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিক্রিয়া আসছে। আমরা সব মতামত বিবেচনায় নিচ্ছি। বাজেটে যেগুলো বাস্তবসম্মত ও সমাধানযোগ্য সেগুলো পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে। কারণ বাজেট এখনও পাস হয়নি। এটা নিয়ে সংসদের ভেতরে-বাইরে আলোচনা করা যেতে পারে।’

আলোচনায় বিশ্বব্যাংক প্রসঙ্গে আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ’’বিশ্বব্যাংক বলেছে বাংলাদেশ ভালো আছে। তারা যা বলছে আমাদের তা শুনতে হবে। কারণ তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা প্রয়োজন। আপনি কি টাকা দেন? আপনি টাকা দেন, তাহলে আপনার কথাও শুনব।’

বর্তমান সরকার জনগণের সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ভালাবাসে।’

বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘তারা বলেন যে সরকারের পতন হবে। কই সরকার তো পড়ে না। দেশ দেউলিয়াও তো হলো না। বিশ্বব্যাংক কিছু বোঝে না, আপনি সবকিছু বোঝেন?’

বাজেট নিয়ে অযথা সমালোচনা না করার অনুরোধ জানান মাহমুদ আলী। বলেন, ’বাজেট দিলাম, এটা ভালোভাবে দেখেন। না বুঝে মন্তব্য করবেন না।’

অনুষ্ঠানে সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও অর্থনীতিবিদ ড. শামসুল আলম বলেন, ‘টাকা পাচার থেকেই মূলত ডলার সংকট তৈরি হয়েছে। প্রতিবছর ৭ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলার দেশ থেকে পাচার হচ্ছে। এ কারণে ডলার সংকটও বাড়ছে। এটা রোধ করতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

‘তবে পাইপলাইনে যেসব ঋণ রয়েছে তা পাওয়া গেলে ডলার সংকট কিছুটা কমে আসবে।’

ব্যাংক খাত নিয়েও কথা বলেন শামসুল আলম। তিনি বলেন, ‘২২ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ হওয়ায় ব্যাংকের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর রাশ টানতে হবে। ব্যাংক কমিশন করলে ভালো, না হলে অন্তত শক্তিশালী একটা কমিটি করা উচিত বিশেষজ্ঞ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে।’

তিনি কর ন্যায়পাল নিয়োগের পাশাপাশি এনবিআর ও আইআরডির কাজ আলাদা করার তাগিদ দেন।

সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্প সময়মতো বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। এছাড়া মূল্যস্ফীতি কমাতে আমদানি নীতি সহজ করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভঙ্গুরতা চলছে: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
৩৮ হাজার কোটি টাকার সম্পূরক বাজেট পাস
প্রস্তাবিত বাজেট কর-ঋণনির্ভর ও লুটেরা-বান্ধব: বিএনপি
মূল্যস্ফীতি কমিয়ে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই
ব্যবসায়ীদের মূল প্রস্তাবগুলোর প্রতিফলন বাজেটে নেই: বিজিএমইএ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
This time with the price of sacrificial skin disappointment

কোরবানির চামড়ার দাম নিয়ে এবারও হতাশা!

কোরবানির চামড়ার দাম নিয়ে এবারও হতাশা! আড়তে কাঁচা চামড়ায় লবণ দেয়ার তৎপরতা চলছে। ফাইল ছবি
নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ঢাকায় মাঝারি আকারের ২৫ বর্গফুটের চামড়ার দাম হওয়ার কথা এক হাজার ৩৭৫ থেকে দেড় হাজার টাকা। লবণ, মজুরিসহ অন্যান্য খরচ বাদ দিলেও চামড়ার দাম দাঁড়ায় ১১শ’ থেকে ১২শ’ টাকা। অথচ পোস্তার আড়তগুলোয় গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায়। সায়েন্সল্যাব মোড় কিংবা হাজারীবাগে দাম আরও কম, ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

বছরের সবচেয়ে বেশি চামড়া সংগ্রহের মৌসুমে এবারও কাঙ্ক্ষিত দাম পাননি বিক্রেতারা। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ঢের কম দামেই চামড়া বিক্রি করতে হয়েছে মাদ্রাসা, মৌসুমি ব্যবসায়ী ও অন্যান্য খাতের চামড়ার মালিকদের।

কোরবানির ঈদের তৃতীয় দিন বুধবারও কিছু চামড়া বেচা-বিক্রি চোখে পড়েছে পুরান ঢাকার পোস্তাসহ কয়েকটি জায়গায়।

কাঁচা চামড়ার পাইকারি বাজারখ্যাত লালবাগের পোস্তার ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, চামড়া কেনায় এবার তাদের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তা পূরণ হয়েছে। ঈদের দিন সন্ধ্যা ও পরদিন বেশিরভাগ চামড়া কেনার কাজটি সেরেছেন তারা। বুধবার চলে তা সংরক্ষণের প্রাথমিক কাজ।

তবে এবারও গরমসহ নানা কারণে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

ব্যবসায়ীরা জানান, পোস্তায় এ বছর ঈদের ১ লাখের ওপরে চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে। সেখানকার পুরোনো ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এ বছর আগের বছরের তুলনায় ব্যবসায়ীর সংখ্যা কিছুটা কমেছে। তবে তারপরও তাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চামড়া সংগ্রহ করেছেন তারা। সেখানকার একজন ব্যবসায়ী জানান, ঈদের দিন বিকাল ৫টার পর থেকে চামড়া কেনা শুরু করেন তারা। সেদিন গভীর রাত পর্যন্ত চামড়া সংগ্রহ হয়। এখন পর্যন্ত যা চলমান। কেন চামড়ার দাম এবারও কম জানতে চাইলে একজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘এবার গরমের কারণে অনেকে চামড়া কিনতে ভয় পাচ্ছে।’

ট্যানারি মালিকরা চাহিদা অনুযায়ী তাদের অর্থ সরবরাহ করেননি বলেও জানান তিনি।

ঈদের আগে একাধিক বাণিজ্য সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এবার ঢাকায় গরুর লবণযুক্ত চামড়া প্রতি বর্গফুটের দাম নির্ধারণ করে দেয়া হয় ৫৫-৬০ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৫০-৫৫ টাকা।

ঢাকার বাইরে গরুর প্রতি বর্গফুট চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় ৫০-৫৫ টাকা, যা এর আগের বছর ছিল ৪৫-৪৮ টাকা। এ ছাড়া খাসির লবণযুক্ত চামড়া ২০-২৫ টাকা বর্গফুট ও বকরির চামড়া ১৮-২০ টাকা বর্গফুট নির্ধারণ করা হয়।

নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ঢাকায় মাঝারি আকারের ২৫ বর্গফুটের চামড়ার দাম হওয়ার কথা এক হাজার ৩৭৫ থেকে দেড় হাজার টাকা। সেখানে লবণ, মজুরি ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলেও চামড়ার দাম দাঁড়ায় ১১শ থেকে ১২শ টাকায়। তবে ঈদ ও পরদিন পোস্তার আড়তগুলোয় বড় ও মাঝারি আকারের গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায়। সাইন্সল্যাব মোড় কিংবা হাজারীবাগে চামড়া বিক্রি হয়েছে আরও কম দামে, ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আফতাব খান বলেন, ‘পোস্তায় এ মৌসুমে ১ লাখ ৬০ হাজার চামড়া কেনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। এখনো কোথাও চামড়া অবিক্রিত থাকলে আমাদের ব্যবসায়ীরা তা কিনবেন। তবে চামড়াটা সঠিক উপায়ে সংগ্রহ করতে হবে। সময়মতো লবণ না দিলে সেই চামড়া কেউ কিনবে না।’

চামড়ার দাম কম কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে আফতাব খান বলেন, ‘সরকার নির্ধারিত দামেই চামড়া কেনা হচ্ছে। তবে কেউ যখন লবণ না দিয়ে চামড়া নিয়ে আসবে তখন প্রতি বর্গফুটে ৫ থেকে ৭ টাকা কম হতেই পারে।’

ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর বিপুলসংখ্যক কোরবানির গরু গুটি পক্সে আক্রান্ত থাকায় চামড়া নষ্ট হয়েছে। এ ছাড়াও সঠিকভাবে মাংস ছাড়াতে না পারা, সময়মতো লবণ না দেয়া আর অতিরিক্ত গরমের কারণে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ চামড়া নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আলম নামের এক ব্যবসায়ী জানান, কয়েক হাজার চামড়া কিনেছে তার আড়ত। তবে সংরক্ষণ আর সঠিক সময়ে ট্যানারিতে পাঠানো নিয়ে এখনও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তারা।

চামড়া ব্যবসায়ীরা আরও জানান, গরম থেকে চামড়া বাঁচাতে চাইলে জবাই করার ৫ থেকে ৭ ঘণ্টার মধ্যে লবণ দেয়া প্রয়োজন। তা করতে না পারলে দ্রুত এনে তাদের কাছে বিক্রি করে দেয়ার পরামর্শ দেন কয়েকজন ব্যবসায়ী।

চামড়া জাতীয় সম্পদ উল্লেখ করে তারা বলেন, এটা নষ্ট হোক তা কারও জন্যই প্রত্যাশিত নয়। এ ছাড়া অনেক গরুর খামারে এখন মোটাতাজা করার জন্য গরুকে নানা ধরনের কেমিক্যাল মেশানো খাবার খাওয়ানো হয়। এর ফলে চামড়া দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
পোস্তায় কোরবানির পশুর চামড়া বেচাকেনা চলছে
চট্টগ্রামে সাড়ে তিন লাখ চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য আড়ৎদারদের
কোরবানির পশুর চামড়া ঢাকায় ৫৫-৬০ ও সারা দেশে ৫০-৫৫ টাকা
পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে চামড়া প্রক্রিয়াকরণে গুরুত্ব দিতে হবে
ঈদ-পরবর্তী সাতদিন বাইরের চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The skins of sacrificial animals are being sold at Posta

পোস্তায় কোরবানির পশুর চামড়া বেচাকেনা চলছে

পোস্তায় কোরবানির পশুর চামড়া বেচাকেনা চলছে
বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) মহাসচিব টিপু সুলতান বলেন, ‘চামড়া আসতে শুরু করেছে। আড়তের মালিকদের চামড়া কিনতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া যত তাড়াতাড়ি আমাদের কাছে আনবেন তত ভালো।’

রাজধানীর লালবাগের পোস্তায় চলছে কোরবানির পশুর চামড়া বেচাকেনা। সোমবার দুপুর ১২টা থেকেই রাজধানী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ীরা ট্রাক-ভ্যানে করে চামড়া নিয়ে আসছেন লালবাগের পোস্তায়।

লালবাগের শায়েস্তা খান, রাজনারায়ণ ধর ও আশপাশের বিভিন্ন সড়কে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীদের থেকে চামড়া সংগ্রহ শুরু করেছেন। রাতে পুরোদমে চামড়া বেচাকেনা শুরু হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে এবারও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী চামড়ার সংগ্রহ হবে না বলে আশঙ্কা করছেন আড়ত-সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছর গরুর কাঁচা চামড়া প্রতি পিস সর্বোচ্চ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর তুলনামূলক ছোট আকারের গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৭০০ টাকা পিস। এ ছাড়া খাসির কাঁচা চামড়া বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়।

নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ঢাকায় মাঝারি আকারের ২৫ বর্গফুটের লবণযুক্ত চামড়ার দাম হওয়ার কথা এক হাজার ৩৭৫ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা। এই হিসাব থেকে লবণ, মজুরি ও অন্যান্য খরচ বাবদ ২৫০ টাকা বাদ দিলে ওই চামড়ার আনুমানিক মূল্য দাঁড়ায় এক হাজার ১২৫ থেকে এক হাজার ২৫০ টাকা।

ঢাকায় প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, যা গত বছর ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। গত বছরের তুলনায় প্রতি বর্গফুটে চামড়ার দাম ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকার বাইরে গরুর প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, গত বছর যা ছিল ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। এ ক্ষেত্রে দাম বাড়ানো হয়েছে সর্বোচ্চ ৭ টাকা। এ ছাড়া খাসির লবণযুক্ত চামড়ার দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং বকরির চামড়া ১৮ থেকে ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) মহাসচিব টিপু সুলতান বলেন, ‘চামড়া আসতে শুরু করেছে। আড়তের মালিকদের চামড়া কিনতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা চামড়া যত তাড়াতাড়ি আমাদের কাছে আনবেন তত ভালো।’

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে কোরবানি করতে গিয়ে আহত হয়ে ঢামেকে ১৫০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Artdars aim to collect three and a half lakh hides in Chittagong

চট্টগ্রামে সাড়ে তিন লাখ চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য আড়ৎদারদের

চট্টগ্রামে সাড়ে তিন লাখ চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য আড়ৎদারদের মৌসুমি ব্যবসায়ীরা কেনা চামড়া আড়তে নিয়ে যাচ্ছেন। ফাইল ছবি
বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়ৎদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মুসলিম বলেন, ‘গত বছর চট্টগ্রামে কোরবানির ঈদে প্রায় তিন লাখ ৪৫ হাজার কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করেছিলাম আমরা। এবার সাড়ে তিন লাখ চামড়া সংগ্রহের টার্গেট আছে আমাদের। এখন লবণ ক্রয়, লোকবল ও গুদাম ঠিক করাসহ সার্বিক প্রস্তুতি চলছে।’

চট্টগ্রামে এবার কোরবানির ঈদে সাড়ে তিন লাখ গবাদি পশুর কাঁচা চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন স্থানীয় আড়ৎদাররা।

জেলা প্রশাসনের অনুরোধে স্থানীয়ভাবে এক থেকে দুই সপ্তাহ সংরক্ষণ করারও প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা। সূত্র: ইউএনবি

বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে সোমবার। রেওয়াজ অনুযায়ী পরের দুদিনও কিছু পশু কোরবানি করা হবে। মৌসুমি ক্রেতারা ওই সময় পাড়া-মহল্লা থেকে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করে তা বিক্রি করবেন আড়তে। আড়ৎ সেই চামড়া কিছুটা প্রক্রিয়াজাত করে ট্যানারিগুলোর কাছে বিক্রি করবে।

কাঁচা চামড়া সংরক্ষণের জন্য লবণ কেনা, চামড়াজাত করার জন্য গুদাম ভাড়া এবং শ্রমিক ঠিক করে সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে কাঁচা চামড়া আড়ৎদার সমিতি।

প্রতিবার বর্গফুট হিসেবে চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হলেও এবার পিস হিসেবে আলাদা দাম প্রকাশ করায় মৌসুমি-ফড়িয়া ও আড়ৎদারদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির আশঙ্কা করছেন ট্যানারি মালিকরা।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান রাতারাতি চামড়া ঢাকায় না নেয়ারও অনুরোধ করেছেন আড়ৎদারদের।

ঈদ সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। ঢাকায় গরুর চামড়ার দাম গতবারের চেয়ে প্রতি বর্গফুটে ৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩ টাকা বেড়েছে।

ট্যানারি ব্যবসায়ীদের এবার ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া কিনতে হবে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়; গত বছর যা ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

ঢাকার বাইরে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম হবে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, গতবছর যা ৪৭ থেকে ৫২ টাকা ছিল।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের আতুরার ডিপোর আড়ৎপাড়া থেকে প্রতি বছর তিন থেকে সাড়ে তিন লাখ লবণজাত চামড়া যায় ঢাকার ট্যানারিগুলোতে।

এ বছরও একই পরিমাণ চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন আড়ৎদাররা। কিন্তু প্রতিবছরের মতো এবারও ঢাকার ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে বকেয়া টাকা বুঝে পাননি আড়ৎদাররা। গেলবারের চেয়ে সরকার নির্ধারিত বাড়তি দামে চামড়া কেনা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে আড়ৎদার সমিতি।

কয়েক বছর আগেও ছোট-বড় মিলিয়ে অন্তত দেড়শ’ আড়ৎদার চামড়া সংগ্রহ করতেন চট্টগ্রামের আতুরার ডিপো আড়ৎপাড়া থেকে। এখন এই সংখ্যা নেমে এসেছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ জনে।

বকেয়া টাকা বুঝে না পাওয়ার পাশাপাশি লবণ, লেবার ও পরিবহন খরচ যোগাড় করতে না পেরে ব্যবসা ছেড়েছেন অনেকে।

ট্যানারি মালিকরা বলছেন, বর্গফুট হিসেবে চামড়ার দাম এক পিস হিসেবে ভিন্ন। লবণযুক্ত, লবণ ছাড়া, ঢাকার ভেতরে ও ঢাকার বাইরে আলাদা আলাদা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। এতসব জটিল হিসেব-নিকেশ না বোঝায় মৌসুমি ব্যবসায়ী, ফড়িয়া কিংবা আড়ৎদারদের মধ্যে সমন্বয় না হওয়ার শঙ্কা আছে এবার।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়ৎদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ মুসলিম বলেন, ‘গত বছর চট্টগ্রামে কোরবানির ঈদে প্রায় তিন লাখ ৪৫ হাজার কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করেছিলাম আমরা। এর মধ্যে আড়াই লাখের বেশি ছিল গরুর চামড়া।

‘এবার গরু, ছাগল, মহিষ মিলে সাড়ে তিন লাখ চামড়া সংগ্রহের টার্গেট আছে আমাদের। এখন আমাদের লবণ ক্রয়, লোকবল ঠিক করা, গুদাম ঠিক করাসহ সার্বিক প্রস্তুতি চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর গরমের তীব্রতা আগের বছরগুলোর চেয়ে বেশি, যা চামড়া সংগ্রহের জন্য অনূকূল নয়। চামড়া রেখে দিলে খুব তাড়াতাড়ি সেগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। তাই মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছে অনুরোধ থাকবে চামড়া সংগ্রহ করার পর যাতে দ্রুত আড়তে নিয়ে আসে অথবা লবণ দিয়ে স্থানীয়ভাবে মজুদ করে রাখে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, ‘কোরবানির চামড়া স্থানীয়ভাবে ৭ থেকে ১০ দিন সংরক্ষণ করতে হবে। চামড়া যেন বর্ডার ক্রস না করে সে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। সংরক্ষণ করতে গিয়ে চামড়া যেন নষ্ট না হয় সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

‘চামড়া আমাদের জাতীয় সম্পদ। এ সম্পদকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে কাজে লাগাতে হবে।’

আরও পড়ুন:
কোরবানির পশুর চামড়া ঢাকায় ৫৫-৬০ ও সারা দেশে ৫০-৫৫ টাকা
পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে চামড়া প্রক্রিয়াকরণে গুরুত্ব দিতে হবে
ঈদ-পরবর্তী সাতদিন বাইরের চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না

মন্তব্য

বাংলাদেশ
7 tons of Indian cumin came through Akhaura

আখাউড়া দিয়ে এলো ৭ টন ভারতীয় জিরা

আখাউড়া দিয়ে এলো ৭ টন ভারতীয় জিরা ফাইল ছবি
আমদানিকারক সূত্র জানায়, প্রতি টন জিরার দাম পড়েছে ২ হাজার ৫০০ ডলার। যা স্থানীয় মুদ্রায় ২ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকার মতো।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে সাত টন জিরা এসেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে একটি ট্রাকে করে জিরাগুলো বন্দরে পৌঁছায়। খবর বাসসের

হাইড্রোল্যান্ড সলিশন নামে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠান এ জিরা আমদানি করেছে। তবে শুক্রবার বন্দর ছুটি, তাই শনিবার জিরা খালাস করা হবে বলে আশা প্রকাশ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স শফিকুল ইসলাম আমদানি করা জিরার কাস্টমস ক্লিয়ারিংয়ের কাজ করবে।

আমদানিকারক সূত্র জানায়, প্রতি টন জিরার দাম পড়েছে ২ হাজার ৫০০ ডলার। যা স্থানীয় মুদ্রায় ২ লাখ ৯২ হাজার ৫০০ টাকার মতো।

আখাউড়া স্থলবন্দরের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মো. ছাগিরুল ইসলাম বলেন, হাইড্রোল্যান্ড সলিশন আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৭ টন জিরা আমদানির জন্য এলসি খুলেছে। সন্ধ্যায় জিরা নিয়ে একটি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করেছে। প্রথমবারের মত এই স্থলবন্দর দিয়ে দেশে জিরা আমদানি হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Career and Networking Day held at IUB

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস আয়োজিত অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ছবি: আইইউবি
উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বুধবার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তথা আইইউবিতে অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে-২০২৪।

আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম অপারেটর, ফার্মাসিউটিকাল, প্রযুক্তি, খাদ্য ও কোমল পানীয়, এনজিও, উন্নয়ন সংস্থা, গণমাধ্যম, বিজ্ঞাপন, স্টার্টআপ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের প্রায় সব খাতের প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ ছিল আইইউবির ক্যারিয়ার ডেতে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিলো রবি, স্কয়ার, হা-মীম গ্রুপ, এবিসি গ্রুপ, পূর্বানী গ্রুপ, এসিআই, বসুন্ধরা, ডোরীন গ্রুপ, ডানকান, রেনাটা, ম্যারিকো, নিটল-নিয়ল গ্রুপ, ব্র্যাক ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ সিলন, আইডিএলসি, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ, জিজিকন টেকনোলজিস, প্রথম আলো, ডিবিসি নিউজ, ম্যাগনিটো ডিজিটাল, ইত্যাদি।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত স্টলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা দিনভর শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেন।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মন থেকে ভালোবেসে কাজ করা যায় এমন ক্যারিয়ার বেছে নিতে হবে। বেতন বা সুযোগ-সুবিধার কথা ভেবে প্রলুব্ধ হলে চলবে না। যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছো, সেই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ কেমন সেটা আগে দেখতে হবে এবং বুঝতে হবে তুমি সেই পরিবেশে ভালো করতে পারবে কি না।’

উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে আসা যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাদার ব্যক্তিরা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরেই আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আরও বেশি বেশি প্রতিষ্ঠান আমাদের এখানে আসছেন।

‘এ জন্য আমরা সম্মানিত বোধ করছি। এতে প্রমাণ হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইউবির ওপর আস্থা বাড়ছে।’

অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল একাত্তর টেলিভিশন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও দেশ রূপান্তর।

আরও পড়ুন:
আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে আইইউবির তিন পদক
আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন দিদার এ হোসেইন
আইইউবি-তে মৌলিক পাইথন প্রোগ্রামিং কোর্স করলেন ১০ শিক্ষক
অনলাইন সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ বিষয়ে এআইইউবিতে সেমিনার
আইইউবিতে পালা নাটক ‘দেওয়ানা মদিনা’ মঞ্চস্থ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cashless transactions at Pasurhat in Sindh

সিংড়ায় পশুরহাটে ক্যাশলেস লেনদেনে নগদ

সিংড়ায় পশুরহাটে ক্যাশলেস লেনদেনে নগদ
ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ চালু হওয়ায় খুব সহজেই ফোন থেকে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে সিংড়াবাসীর জন্য। এ ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রি শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন নগদের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন করে।

‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, স্মার্ট হচ্ছে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় বসেছে কোরবানির পশুর হাট। গরু কেনাবেচার টাকা লেনদেন হচ্ছে দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের মাধ্যমে।

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ফেরিঘাট এলাকায় ক্যাশলেস এই হাটের উদ্যোক্তা ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তার প্রচেষ্টায় করোনা মহামারির সময় থেকে সিংড়া নিয়মিতভাবে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ক্যাশলেস কোরবানির পশুর হাট।

এই হাটের একমাত্র ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা নগদের মাধ্যমে দেশের সর্বনিম্ন খরচে ক্যাশআউট সুবিধা উপভোগ করছেন। বিশেষ করে প্রতিবছরের পশুর হাটে পকেটমার, মলমটপার্টিসহ নানা ধরনের দৌরাত্ব থেকে রেহাই পাচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ চালু হওয়ায় খুব সহজেই ফোন থেকে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে সিংড়াবাসীর জন্য। এ ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রি শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন নগদের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন করে।

কোরবানির পশুর হাটের এমন উদ্যোগের বিষয়ে নগদের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘দেশে ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে প্রথম নাম নগদ। আমরা প্রতিবছর কোরবানির সময় সারা দেশের বিভিন্ন হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের লেনদেন করার নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মাধ্যম হিসেবে সেবা দিয়ে থাকি। এ ছাড়া অন্যান্য সেবা তো থাকেই।’

কোরবানির পশুর হাটে আগত যাদের নগদ অ্যাকাউন্ট নেই, ডিজিটাল পেমেন্ট বুথে বসে মাত্র কয়েক মিনিটে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধাও দিচ্ছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ।

সিংড়া উপজেলার মতো দেশের প্রতিটি উপজেলাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। যার ফলে ক্যাশলেস লেনদেনসহ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, উপবৃত্তি, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তিসহ ২৭টি মন্ত্রণালয়ের ভাতা দেশের জনগণের কাছে নগদ সফলভাবে নিরাপদে পৌঁছে দিচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

p
উপরে