আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

player
আফ্রিকা থেকে আসা যাত্রীদের জন্য নতুন নির্দেশনা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশগামীদের করা হচ্ছে করোনা পরীক্ষা। ফাইল ছবি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব যাত্রী আফ্রিকা অঞ্চল থেকে দেশে আসবে তাদের বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। দেশে আসার ৪৮ ঘণ্টা আগে করা করোনার টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে আসতে হবে।’

আফ্রিকা অঞ্চল থেকে দেশে আসা যাত্রীদের ৪৮ ঘণ্টা আগে করা করোনাভাইরাসের আরটি-পিসিআর টেস্ট রিপোর্ট লাগবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রাজধানীর মহাখালীতে বিপিএস অডিটোরিয়ামে বিশ্ব এইডস দিবস উপলক্ষে বুধবার দুপুরে ‘সমতার বাংলাদেশ, এইডস ও মহামারি হবে শেষ’ শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।

এর আগে আফ্রিকা অঞ্চল থেকে আসা যাত্রীদের ৭২ ঘণ্টা আগে আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে বলা হয়েছিল।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব যাত্রী আফ্রিকা অঞ্চল থেকে দেশে আসবে তাদের বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। দেশে আসার ৪৮ ঘণ্টা আগে করা করোনার টেস্ট রিপোর্ট নিয়ে আসতে হবে।

‘যে কোনো দেশ থেকে টেস্ট ছাড়া কেউ এলে তাদেরও ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।’

সাউথ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে বিদেশ থেকে দেশে আসা প্রবাসীদের জন্য নতুন এ নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যারা বিদেশে থাকেন, বিশেষ করে যারা আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলোয় রয়েছেন, আমি তাদের আহ্বান করব, তারা যেন তাদের স্ব-স্ব স্থানে অবস্থান করেন। দেশের এবং তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য যে যেখানে কর্মরত, সেখানে থাকার আহ্বান করছি।’

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ব এইডস দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, ‘এইডস এবং বিভিন্ন রোগবালাই আজকাল আর কোনো বাউন্ডারি মানে না। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মানুষের জীবনে যেমন গতি এসেছে, তেমনি ভাইরাসেরও অনেক গতি বেড়ে গেছে।

‘ভাইরাস এখন অল্প সময়ের মধ্যেই পৃথিবীতে ছড়িয়ে যায়। তার পরও আমরা যদি নিয়ম এবং নৈতিকতার মধ্যে থাকি, তা হলে এইডসসহ বহু রোগ থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারব।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সচিব আলী নূর, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ বারদান জুং ব্রানাসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
ওমিক্রন নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: বায়োএনটেক সিইও
পেট্রাপোল বন্দরে স্পট করোনা পরীক্ষা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
‘শি’-কে ভয়, তাই এলো ‘ওমিক্রন’!

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চট্টগ্রামে ৭ জনের দেহে ‘ওমিক্রন’

চট্টগ্রামে ৭ জনের দেহে ‘ওমিক্রন’

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ওমিক্রন শনাক্তের কিটে ৭ ব্যক্তির দেহে ওমিক্রনের অস্তিত্ব মিলেছে। তবে শতভাগ নিশ্চিতের জন্য নমুনাগুলো জিনোম সিকোয়েন্সিং করতে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। রোববার ফল পাওয়া যাবে। আমরা ৯০ ভাগ নিশ্চিত তারা ওমিক্রনে আক্রান্ত।’

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ৭ জনের শরীরে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ল্যাবে ওমিক্রন শনাক্তের কিটে নমুনা পরীক্ষায় এর অস্তিত্ব মেলে। ঢাকায় জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষার পর এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে ওমিক্রন শনাক্তের কিটে ৭ ব্যক্তির দেহে ওমিক্রনের অস্তিত্ব মিলেছে। তবে শতভাগ নিশ্চিতের জন্য নমুনাগুলো জিনোম সিকোয়েন্সিং করতে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। রোববার ফল পাওয়া যাবে। আমরা ৯০ ভাগ নিশ্চিত তারা ওমিক্রনে আক্রান্ত।’

সিভাসুর মাইক্রো বায়োলজি ও ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও কোভিড-১৯ ল্যাবের টিম লিড ড. ইফতেখার আহমেদ রানা বলেন, ‘বিশেষ কিটে ৩৭টি নমুনা পরীক্ষায় চট্টগ্রামে ৭ জনের দেহে ওমিক্রনের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আক্রান্ত ৭ ব্যক্তিই মৃদু উপসর্গ নিয়ে নমুনা দিতে এসেছিলেন।

‘তাদের হালকা সর্দি-কাশি থাকলেও শরীরের তাপমাত্রা ৯৯-১০০ ডিগ্রির মতো ছিল। জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে, তাদের দেহে ওমিক্রনের অস্তিত্ব আছে কি না।’

এদিকে সিভাসুতে ওমিক্রন শনাক্তে গত ডিসেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আনা হয় বিশেষ ধরনের ১০০টি কিট। যার মাধ্যমে ৩-৫ ঘণ্টার মধ্যে ওমিক্রনের উপস্থিতি জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
ওমিক্রন নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: বায়োএনটেক সিইও
পেট্রাপোল বন্দরে স্পট করোনা পরীক্ষা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
‘শি’-কে ভয়, তাই এলো ‘ওমিক্রন’!

শেয়ার করুন

শিক্ষার্থীদের কাছে টিকার বিনিময়ে ‘টাকা আদায়’

শিক্ষার্থীদের কাছে টিকার বিনিময়ে ‘টাকা আদায়’

প্রতীকী ছবি

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বখতিয়ার আল মামুন বলেন, ‘সরকার টিকা সরবরাহের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করে। সেখানে টিকা পরিবহনে টাকা তোলার প্রশ্নই ওঠে না। অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। আশা করি সঠিক সত্যটি বেড়িয়ে আসবে।’

করোনার টিকার জন্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় সাত লাখ টাকা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ না দিলেও স্থানীয়দের দেয়া তথ্যে উপজেলা প্রশাসন তদন্ত শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার গঠন করা হয়েছে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল হাশেম।

যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তিনি হলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।

ইউএনও জানান, শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দিতে সার্বিক খরচ বহন করছে সরকার। সেখানে শিক্ষার্থী বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে টাকা নেয়ার কোনো নিয়ম নেই।

তিনি আরও জানান, স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিছু প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা আছে কিনা জানতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৩ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশ কয়েকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে জেলা সদর থেকে টিকা আনার জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া বাবদ প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫০ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, টিকা পরিবহনের জন্য স্কুলপ্রতি ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। এই টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তোলা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, বরিশাল থেকে আগৈলঝাড়া উপজেলায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া ২২ শ টাকা করে দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের টিকা আনার জন্য ১৩ দিনে ২২ শ টাকা হিসেবে ২৮ হাজার ৬ শ টাকা এবং আরও দুই দিন টিকা আনার ভাড়া বাবদ চালককে দেয়া হয়েছে ৩ হাজার টাকা। টিকা সরবরাহের জন্য সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে ৩৪ হাজার ৬ শ টাকা।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বখতিয়ার আল মামুন বলেন, ‘সরকার টিকা সরবরাহের সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করে। সেখানে টিকা পরিবহনে টাকা তোলার প্রশ্নই ওঠে না। শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ শুনেছি। অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। আশা করি সঠিক সত্যটি বেড়িয়ে আসবে।’

আঞ্চলিক উপপরিচালক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। টিকা দেয়ার জন্য টাকা তোলার নিয়ম নেই। যদি কেউ এমন কাজ করে তার বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নেয়া হবে।’

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘টিকা আগৈলঝাড়ায় এনে দেয়ার জন্য পাঁচজন শিক্ষক নেতা মিলে বিভিন্ন স্কুল থেকে টাকা তুলেছেন। সেই টাকা জমা রেখেছিলেন শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক মন্টু বাবুর কাছে। আগামী রোববার টাকার হিসেব দেয়ার কথা, কিন্তু তার আগেই বিভিন্ন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

‘এমনভাবে উত্থাপন করা হচ্ছে যেন মনে হচ্ছে টিনের বক্সে একদিকে ৫০ টাকা ফেলেছেন অন্য দিকে টিকা নিয়েছেন। বিষয়টি তেমন নয়। শিক্ষক নেতারা টাকা উত্তোলন করে এখন আমার ওপর দায় দিচ্ছেন। ৭ লাখ টাকা উত্তোলন হাস্যকর বিষয়। সম্ভবত ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা উত্তোলন হতে পারে, কিন্তু এর মধ্যে আমাকে কেন জড়ানো হচ্ছে তা বুঝতে পারছি না।

এর আগে নওগাঁপাবনাতেও করোনাভাইরাসের টিকা বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

আরও পড়ুন:
করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
ওমিক্রন নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: বায়োএনটেক সিইও
পেট্রাপোল বন্দরে স্পট করোনা পরীক্ষা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
‘শি’-কে ভয়, তাই এলো ‘ওমিক্রন’!

শেয়ার করুন

সিঙ্গেল ডোজের জনসনের টিকা ঢাকায়

সিঙ্গেল ডোজের জনসনের টিকা ঢাকায়

স্বাস্থ্য অধিদপ্তররের টিকা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বলেন, ‘আজ সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে প্রথমবারের মতো জনসনের ৩ লাখ ৩৬ হাজার ডোজ করোনা টিকা এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই টিকা এসেছে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে। অন্যান্য টিকা করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ দেয়ার প্রয়োজন হলেও এই টিকা এক ডোজ দিতে হয়।’

প্রথমবারের মতো জনসন অ্যান্ড জনসনের সিঙ্গেল ডোজের ৩ লাখ ৩৬ হাজার টিকা দেশে এসেছে। কোভ্যাক্সের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র এই টিকা দিয়েছে বাংলাদেশকে। বৃহস্পতিবার সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এই টিকার চালান এসে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক বৃহস্পতিবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান। এর আগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সাহায্য সংস্থা ইউএসএইড তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুকে জনসনের এই টিকা পাঠানোর উল্লেখ করে একটি পোস্ট দেয়।

ডা. শামসুল হক বলেন, ‘আজ সকালে একটি বিশেষ ফ্লাইটে দেশে প্রথমবারের মতো জনসনের ৩ লাখ ৩৬ হাজার ডোজ করোনা টিকা এসেছে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই টিকা এসেছে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে। ‘এই টিকা সংরক্ষণ ও পরিবহন অনেকটা সহজ। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তেমন জটিলতা নেই। অন্যান্য টিকা করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ দেয়ার প্রয়োজন হলেও এই টিকা মাত্র এক ডোজ দিতে হয়।’

আরও পড়ুন:
করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
ওমিক্রন নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: বায়োএনটেক সিইও
পেট্রাপোল বন্দরে স্পট করোনা পরীক্ষা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
‘শি’-কে ভয়, তাই এলো ‘ওমিক্রন’!

শেয়ার করুন

তৃতীয় ঢেউয়ের দ্বারপ্রান্তে করোনা

তৃতীয় ঢেউয়ের দ্বারপ্রান্তে করোনা

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা করোনায় আক্রান্ত রোগী। ছবি: সাইফুল ইসলাম

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী টানা ১৪ দিন সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের বেশি হলে করোনার পরবর্তী ঢেউ ধরে নিতে হবে। বৃহস্পতিবার টানা ১৩ দিন সংক্রমণের হার পাওয়া গেল ৫-এর বেশি। আরেক দিন এই হারে রোগী পাওয়া গেলেই করোনার তৃতীয় ঢেউ ধরে নিতে হবে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় শাটডাউন নামে বিধিনিষেধ চলাকালে যে হারে সংক্রমণ হতো, সেই স্মৃতি ফিরে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১০ হাজার ৮৮৮ জনের দেহে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে, যা গত ১০ আগস্টের পর সর্বোচ্চ।

শাটডাউন চলাকালে সেদিন দেশে ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ১৬৪ জনের দেহে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। সেই দিনটি ছিল শাটডাউনের শেষ দিন। এর পরদিন থেকে বিধিনিষেধ শিথিল করা হতে থাকে।

বেশ কয়েক মাস পর দেশের ৬৪ জেলাতেই রোগী পাওয়া গেল।

বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিবৃতিতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ, সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনার পরীক্ষা হয়েছে ৪১ হাজার ২৯৯ জনের। এদের মধ্যে ২৬.৩৭ শতাংশের দেহে সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার শাটডাউনের সময়কালের ৫ আগস্টের পর সর্বোচ্চ। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার ছিল ২৭.১২ শতাংশ।

এ নিয়ে টানা ১৩ দিন ৫ শতাংশের বেশি সংক্রমণ ধরা পড়ল। বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী আর এক দিন ৫ শতাংশের বেশি সংক্রমণ পাওয়া গেলেই দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ ধরে নিতে হবে।

গত ৪ অক্টোবর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক লক্ষণ ধরা পড়ে গত ৯ জানুয়ারি। সেদিন সংক্রমণের হার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। এরপর ১৩ দিনে তা পাঁচ গুণ বাড়ল।

বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনার পরীক্ষা হয়েছে ৪১ হাজার ২৯৯ জনের। এদের মধ্যে ২৬.৩৭ শতাংশের দেহে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার শাটডাউনের সময়কালের ৫ আগস্টের পর সর্বোচ্চ। সেদিন ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের হার ছিল ২৭.১২ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী টানা ১৪ দিন সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের বেশি হলে করোনার পরবর্তী ঢেউ ধরে নিতে হবে।

রোগী বাড়লেও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আগের দিন যা ছিল ১২ জন।

করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃত্যুর হার তুলনামূলক বেশি হলেও তৃতীয় ঢেউয়ের আগে আগে এই হার বেশ কম।

এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে ২৮ হাজার ১৭৬ জনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছে।

এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ১৮২ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫৪ হাজার ৮৪৫ জন।

প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ের মতোই তৃতীয় ঢেউয়েও রোগী বেশি পাওয়া যাচ্ছে ঢাকা বিভাগে। গত ২৪ ঘণ্টায় যত রোগী পাওয়া গেছে, তার ৭০ শতাংশের মতোই পাওয়া গেছে এই বিভাগে।

পৌনে ১১ হাজার রোগীর মধ্যে ৭ হাজার ৩৭৯ জনই এই বিভাগের।

আরও পড়ুন:
করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
ওমিক্রন নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: বায়োএনটেক সিইও
পেট্রাপোল বন্দরে স্পট করোনা পরীক্ষা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
‘শি’-কে ভয়, তাই এলো ‘ওমিক্রন’!

শেয়ার করুন

স্ত্রীসহ করোনামুক্ত মির্জা ফখরুল

স্ত্রীসহ করোনামুক্ত মির্জা ফখরুল

স্ত্রীর সঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

তাদের কন্যা মির্জা সাফারুহ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আজকে দুপুরে রিপোর্ট এসেছে। রিপোর্ট নেগেটিভ।’

আক্রান্ত হওয়ার ৯ দিনের মধ্যে করোনাভাইরাসমুক্ত হলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম।

তাদের কন্যা মির্জা সাফারুহ বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আজকে দুপুরে রিপোর্ট এসেছে। রিপোর্ট নেগেটিভ।’

মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রীর করোনামুক্তির তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খানও।

তিনি বলেন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তার স্ত্রী রাহাত আরা এবং তার বাসার অন্যরা করোনা পজেটিভ হয়েছিলেন। সবশেষ পরীক্ষার রিপোর্টে সবাই নেগেটিভ এসেছেন।

গত ১১ জানুয়ারি মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রীর করোনা আক্রান্তের খবর আসে। তখন থেকেই রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন তারা।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আগে সবশেষ গত ৮ জানুয়ারি জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের ব্যানারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে কয়েক হাজার নেতা-কর্মীর এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফখরুল।

বিএনপির শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত বছরের ১০ এপ্রিল দলচির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন। গুলশানের বাসায় ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে রেখে চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা দেন। করোনা পরবর্তী জটিলতায় তাকে ভর্তি করা হয় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে।

এ ছাড়া, গত বছর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা এবং দলের স্থায়ী কমিটি থেকে অবসর নেয়া সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মাহবুবুর রহমান সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা চিকিৎসার মাধ্যমে সেরে উঠলেও করোনায় মারা যান দলের ভাইস চেয়ারম্য্যান কামাল ইবনে ইউসুফ, কেন্দ্রীয় নেতা খুররম খান চৌধুরী, খন্দকার আহাদ আহমেদ, আবদুল আউয়াল খান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানসহ বেশকিছু নেতা।

আরও পড়ুন:
করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
ওমিক্রন নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: বায়োএনটেক সিইও
পেট্রাপোল বন্দরে স্পট করোনা পরীক্ষা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
‘শি’-কে ভয়, তাই এলো ‘ওমিক্রন’!

শেয়ার করুন

স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ

স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ডিসিদের কঠোর হওয়ার নির্দেশ

করোনার সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে ডিসিদের আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘কোভিড বাড়ছে, সরকার আতঙ্কিত না হলেও চিন্তিত। করোনা নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে। যারা স্বাস্থ্যবিধি মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছি। আগে যে ধরনের সহযোগিতা উনাদের কাছ থেকে পেয়েছি, সে ধরনের সহযোগিতা আগামীতেও পাব বলে আশা করছি।’

করোনাভাইরাসের ক্রমবর্ধমান সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের আইনি ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের তৃতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘কোভিড বাড়ছে, সরকার আতঙ্কিত না হলেও চিন্তিত। করোনা নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে। যারা স্বাস্থ্যবিধি মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেছি। আগে যে ধরনের সহযোগিতা উনাদের কাছ থেকে পেয়েছি, সে ধরনের সহযোগিতা আগামীতেও পাব বলে আশা করছি।

‘অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হতে হলে আমাদের অবশ্যই করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। করোনা নিয়ন্ত্রণে ছিল, করোনা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা আমাদের রাখতে হবে। পাশাপাশি ভ্যাকসিনের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। ভ্যাকসিন কার্যক্রমেও ডিসিরা সহযোগিতা করছেন।’

অল্প সময়ের মধ্যে দেশের সব মানুষকে টিকার আওতায় আনতে জেলা প্রশাসকদের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ১৫ কোটি ডোজ দেয়া হয়ে গেছে। সরকারের হাতে এখনও ৯ কোটি ডোজ টিকা রয়েছে। টার্গেট ১২ কোটি মানুষের ভ্যাকসিনেশন করতে যে টিকা লাগবে, সে টিকা সরকারের হাতে রয়েছে। এটি বিরাট বিষয়। অনেক দেশে এই পরিমাণ টিকা নাই। মজুত টিকা দিয়ে মাধ্যমে ১২ কোটি মানুষকে দ্বিতীয় দ্বিতীয় ডোজ দেয়া সম্ভব হবে।

এরই মধ্যে ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, এক মাসের মধ্যে ১ কোটি ২৫ লাখ শিক্ষার্থীকে করোনার টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভ্যাকসিনেশন কমপ্লিট। যারা বাকি রয়েছে তাদেরও দ্রুত টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

ডিসিরা কোনো দাবি জানিয়েছে কি না- এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জেলাপর্যায়ে প্রতিটি জেলায় হাসপাতাল নির্মাণে জেলা প্রশাসকদের একটি দাবি ছিল। সেই বিষয়ে আমরা কাজ করছি। ইতিমধ্যে জেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোর নির্মাণ কাজ চলমান।

‘কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আটটি হাসপাতাল উদ্বোধন করেছেন, যার একেকটি সাড়ে ৪০০ বেডের। এখানে ক্যানসার কিডনি ও হার্টের রোগের চিকিৎসা হবে। সামনেও এমন হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা আমরা হাতে নিয়েছি।’

নদী দূষণে জড়িত শিল্প-কারখানার দিকে নজর দিতেও ডিসিদের আহ্বান জানিয়েছেন বলেন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, নদী ও পানি দূষণ হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যহানি হচ্ছে। এই পানি যারা ব্যবহার করছে, তারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এই বিষয়ে নজর দিতে হবে।

আরও পড়ুন:
করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
ওমিক্রন নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: বায়োএনটেক সিইও
পেট্রাপোল বন্দরে স্পট করোনা পরীক্ষা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
‘শি’-কে ভয়, তাই এলো ‘ওমিক্রন’!

শেয়ার করুন

করোনা সংক্রমণ থামাতে ৫ সুপারিশ

করোনা সংক্রমণ থামাতে ৫ সুপারিশ

সরকারকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণসহ পাঁচ পরামর্শ দিয়েছে করোনা নিয়ন্ত্রণে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। ফাইল ছবি

সরকারের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের সুপারিশ করেছে জাতীয় পরামর্শক কমিটি।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারকে পাঁচ পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। এতে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণসহ করোনা নিয়ন্ত্রণে বেশকিছু পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

কারিগরি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাে. সহিদুল্লা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার রাতে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনা সংক্রমণ প্রতিদিন বাড়ছে। এ বিষয়ে কমিটির সদস্যদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা শেষে ৫ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।

সুপারিশগুলো হচ্ছে- কোভিড-১৯ পজিটিভ রোগীরা লক্ষণ প্রকাশের ১০ দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে থাকবেন। কোভিড-১৯ নিশ্চিত রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন এমন ব্যক্তি, যাদের কোনো উপসর্গ নেই, তাদের কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন নেই। তবে আঁটোসাঁটো মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে।

বিমানবন্দরসহ সব পোর্ট অব এন্ট্রিতে সরকারি স্বাস্থ্য নির্দেশনা যথাযথভাবে পালনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়াতে হবে।

সব সরকারি হাসপাতালে সার্বক্ষণিক কোভিড-১৯ ও নন-কোভিড সব রোগীর জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রিপরিষদের জারি করা প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়নের জন্য অংশীদের যেমন- পরিবহন মালিক সমিতি, দোকান মালিক সমিতি, রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতাদেরসহ সবাইকে সম্পৃক্ত করে পদক্ষেপ নিতে হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া জনপ্রতিনিধি ও ধর্মীয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণকে সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধকরণের সুপারিশ করা হয়।

আরও পড়ুন:
করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী
ওমিক্রন নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই: বায়োএনটেক সিইও
পেট্রাপোল বন্দরে স্পট করোনা পরীক্ষা, দুর্ভোগে যাত্রীরা
ওমিক্রন আরও কমাল জ্বালানি তেলের দাম
‘শি’-কে ভয়, তাই এলো ‘ওমিক্রন’!

শেয়ার করুন