সাবেক পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর ৪ বছরের কারাদণ্ড

player
সাবেক পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর ৪ বছরের কারাদণ্ড

সাজাপ্রাপ্ত মাহমুদা খানম স্বপ্না পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সম্পদের তথ্য গোপন, জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীকে আলাদা দুইটি ধারায় চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালত মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করে।

সাজাপ্রাপ্ত মাহমুদা খানম স্বপ্না পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার শরীফুল ইসলাম।

তিনি জানান, রায়ে মাহমুদা খানম স্বপ্নাকে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৭ (১) ধারায় তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২১ লাখ ৫৪ হাজার ২৩৫ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অবৈধভাবে অর্জিত ২১ লাখ ৫৪ হাজার ২৩৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয় আদালত।

২০১৫ সালের ১৪ মে দুদকে হিসাবের বিবরণী জমা দেন মাহমুদা। সেখানে তিনি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ১৮৩ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করেন এবং এক কোটি ৭১ লাখ তিন হাজার ৪৫ টাকার সম্পদের মধ্যে ৪১ লাখ ৪১ হাজার ২৬৯ টাকার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জন করে তা দখলে রাখেন।

এ অভিযোগে দুদকের উপপরিচালক আবুবকর সিদ্দিক ২০১৬ সালের ২৯ জুন রমনা থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে কমিশনের উপসহকারী পরিচালক নাজিম উদ্দিন ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় টিএইচ খানকে বিদায়

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় টিএইচ খানকে বিদায়

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে টি এইচ খানের জানাজা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে সোমবার বেলা পৌনে ১২টায় হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে তার জানাজা হয়। এতে অংশ নেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, আপিল বিভাগের বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্যসহ অনেক আইনজীবী।

সুপ্রিম কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব বিচারপতি মোহাম্মদ তাফাজ্জাল হোসেন খানের (টি এইচ খান) জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে সোমবার বেলা পৌনে ১২টায় হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে তার জানাজা হয়। এতে অংশ নেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, আপিল বিভাগের বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্যসহ অনেক আইনজীবী।

জানাজা শেষে টি এইচ খানের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান বিচারপতি, আইনজীবীসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন। মঙ্গলবার তার গ্রামের বাড়িতে জানাজ শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন ছেলে আফজাল এইচ খান।

বর্ষীয়ান এই আইনজীবীর মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী টি এইচ খান রোববার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ১০২ বছর।

তার মৃত্যুতে শোক জানান প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, ল রিপোর্টার্স ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠন।

সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই আইনবিদ ১৯২০ সালের ২১ অক্টোবর ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলাধীন ঔটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন। তিনি দেশের প্রবীণতম আইনজীবী ছিলেন।

বিচারপতি টি এইচ খানের প্রকৃত নাম মো. তাফাজ্জাল হোসেন খান। তিনি ১৯৬৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

১৯৭৩ সালের জুলাই থেকে আবার আইন ব্যবসায় ফিরে আসেন টি এইচ খান। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর আইন, শিক্ষা, ধর্ম, ভূমি ও রাজস্ব এবং ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন সামরিক আইন জারি করা হয়। তখন তিনি আবার আইন পেশায় ফিরে যান। ১৯৮৬ সালে এরশাদের নির্বাচনে বিরোধিতা করার জন্য গ্রেপ্তার হন।

বিচারপতি টি এইচ খান ১৯৯২ সালে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন; এ পদে ২০১১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপির প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান।

১৯৯২ সালে টি এইচ খান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কমিশনের মেম্বার এবং একই বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯৪ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯৫ সালে বিচারপতি টি এইচ খান এশিয়া জোন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৯ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে বিচারকার্য পরিচালনা করেন।

১৯৪০ সালে বিচারপতি টি এইচ খান ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন এবং ১৯৪২ সালে তৎকালীন কলকাতা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ অনার্সে ভর্তি হন।

১৯৪৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ অনার্স এবং ১৯৪৬ সালে এমএ পাস করেন। ১৯৫১ সালের ১৪ মার্চ তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হন।

আইন পেশা ছাড়াও বিচারপতি টি এইচ খান প্রথম জীবনে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ, ঢাকার জগন্নাথ কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন ও আইন বিষয়ে অধ্যাপনা করেন।

শেয়ার করুন

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পুলিশ

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পুলিশ

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া পুলিশ সদস্যকে শুরুতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফাইল ছবি

আব্দুল হান্নানের বড় ভাই আব্দুল মোমেন ওরফে বাবুল রোববার রাতে জানান, তার ভাই এএসআই মীর আব্দুল হান্নান কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে রোববার বিকেলে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায় যাওয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দর থেকে বাসে ওঠেন। কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর যাওয়ার পর বাসের সিটে অচেতন অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন আশপাশের মানুষ।

রাজধানীতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) এক সদস্য।

আব্দুল হান্নান নামের এই পুলিশ সদস্য রোববার বাসে অজ্ঞান পার্টির শিকার হন।

আব্দুল হান্নানের বড় ভাই আব্দুল মোমেন ওরফে বাবুল রোববার রাতে বলেন, ‘আমার ভাই এএসআই মীর আব্দুল হান্নান এপিবিএন হেডকোয়ার্টারের অধীনে বিমানবন্দরে কর্মরত। কর্মস্থল থেকে ছুটি নিয়ে রোববার বিকেলে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরায় যাওয়ার উদ্দেশে বিমানবন্দর থেকে বাসে ওঠেন।

‘কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর যাওয়ার পর বাসের সিটে অচেতন অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন আশপাশের মানুষ। তার পকেটে থাকা মোবাইল ফোন থেকে পথচারীরা আমাদের জানালে আমরা সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল নিয়ে আসি। এখানে তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। এখনও জ্ঞান ফেরেনি। তার কাছ থেকে কত টাকা বা আর কী খোয়া গেছে, তা জানতে পারিনি।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘অচেতন অবস্হায় আব্দুল হান্নানকে এখানে আনার পর পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়। পরে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে রেফার করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।’

শেয়ার করুন

বাঙলা কলেজে মরদেহ: গ্রেপ্তার ২

বাঙলা কলেজে মরদেহ: গ্রেপ্তার ২

অভিযানে গ্রেপ্তার দুজনকে রোববার ডিএমপির সংবাদ সম্মেলনে হাজির করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

গত ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে রুবেল মিয়া লালমনিরহাট সদর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার ৮১৬ নম্বর কক্ষ থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ভবন থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধারের মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার সকালে গাজীপুরের শ্রীপুর এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মো. রুবেল মিয়াকে হত্যার অভিযোগে দারুস সালাম থানার মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে গ্রেপ্তার দুজন হলেন আব্দুল জলিল ও আব্দুল মন্নান।

রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ও ডিবি-উত্তর) হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ‘গত ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে রুবেল মিয়া লালমনিরহাট সদর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। পরে ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার ৮১৬ নম্বর কক্ষ থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

‘এ ঘটনায় নিহতের চাচা শুক্রবার দারুস সালাম থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা মিরপুর জোনাল টিম।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘মামলাটি তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করে আব্দুল জলিল ও আব্দুল মন্নানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার আব্দুল জলিল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, ৯ জানুয়ারি বিকেলে বাঙলা কলেজের ভবন থেকে মোবাইল ফোন ও টাকা চোর সন্দেহে তাকে আটক করেন তারা। একপর্যায়ে হাত রশি দিয়ে বেঁধে একই রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া হয় রুবেলকে। মৃত্যু হলে তাকে ফেলে পালিয়ে যান তারা।’

রুবেল লালমনিরহাট থেকে বাঙলা কলেজে কীভাবে এলেন, এমন প্রশ্নে যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে এখনও ওভাবে জিজ্ঞাসা করার সুযোগ পায়নি। আসামিদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’

শেয়ার করুন

টি এইচ খানের প্রতি শ্রদ্ধায় বসছে না সুপ্রিম কোর্ট

টি এইচ খানের প্রতি শ্রদ্ধায় বসছে না সুপ্রিম কোর্ট

বিচারপতি টিএইচ খান। ফাইল ছবি

টি এইচ খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

সুপ্রিম কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি ও বরেণ্য ব্যক্তিত্ব বিচারপতি মোহাম্মদ তাফাজ্জাল হোসেন খানের (টি এইচ খান) মৃত্যুতে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের বিশেষ কর্মকর্তা সাইফুর রহমান এ তথ্য জানান।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী টি এইচ খান রোববার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ১০২ বছর।

তার মৃত্যুতে শোক জানান প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, ল রিপোর্টার্স ফোরামসহ বিভিন্ন সংগঠন।

সর্বজনশ্রদ্ধেয় এই আইনবিদ ১৯২০ সালের ২১ অক্টোবর ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলাধীন ঔটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন। তিনি দেশের প্রবীণতম আইনজীবী ছিলেন।

বিচারপতি টি এইচ খানের প্রকৃত নাম মো. তাফাজ্জাল হোসেন খান। তিনি ১৯৬৮ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।

১৯৭৩ সালের জুলাই থেকে আবার আইন ব্যবসায় ফিরে আসেন টি এইচ খান। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর আইন, শিক্ষা, ধর্ম, ভূমি ও রাজস্ব এবং ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এরপর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন সামরিক আইন জারি করা হয়। তখন তিনি আবার আইন পেশায় ফিরে যান। ১৯৮৬ সালে এরশাদের নির্বাচনে বিরোধিতা করার জন্য গ্রেপ্তার হন।

বিচারপতি টি এইচ খান ১৯৯২ সালে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় তিনি ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন। এ পদে ২০১১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিএনপির প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান।

১৯৯২ সালে টি এইচ খান সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কমিশনের মেম্বার এবং একই বছর জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। ১৯৯৪ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯৫ সালে বিচারপতি টি এইচ খান এশিয়া জোন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৯ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে বিচারকার্য পরিচালনা করেন।

১৯৪০ সালে বিচারপতি টি এইচ খান ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন এবং ১৯৪২ সালে তৎকালীন কলকাতা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ অনার্সে ভর্তি হন।

১৯৪৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ অনার্স এবং ১৯৪৬ সালে এমএ পাস করেন। ১৯৫১ সালের ১৪ মার্চ তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হন।

আইন পেশা ছাড়াও বিচারপতি টি এইচ খান প্রথম জীবনে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ, ঢাকার জগন্নাথ কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন ও আইন বিষয়ে অধ্যাপনা করেন।

শেয়ার করুন

‘আলম গার্মেন্টসের আগুন বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে’

‘আলম গার্মেন্টসের আগুন বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে’

শনিবার রাতে আগুনে পুড়ছে শ্যামপুরের সাততলা ভবন। ছবি: নিউজবাংলা

কদমতলী থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আলম গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। এতে হতাহতের ঘটনা নেই। ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়েছে।’

রাজধানীর শ্যামপুরে আলম গার্মেন্টস নামের পোশাক কারখানার আগুনের সূত্রপাত ওই ভবনের তিনতলার সুইং সেকশনে বৈদ্যুতিক গোলযোগের মাধ্যমে।

পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে রোববার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

পোশাক কারখানাটির সাততলা ভবনের তিনতলায় শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে। এ ঘটনায় আনুমানিক ৩০ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

‘কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সাততলা ভবনের তিনতলার সুইং সেকশনে প্রথমে আগুন লাগে। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আগুন নেভাতে গিয়ে ওই কারখানায় কাউকে পাইনি। কারখানার লোকদের কাছ থেকে জানতে পারলাম, সেখানে শুধু ডে শিফটে কাজ করেন কর্মীরা। দু-একজন কেয়ারটেকার ছিলেন। তারা আগুন লাগলে বের হয়ে যান।

‘এই আগুনের ঘটনায় ওই ভবনের শুধু তিনতলা পুড়েছে। অন্য তলায় আগুন ছড়ায়নি।’

কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রলয় কুমার সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আলম গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। এতে হতাহতের ঘটনা নেই। ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার মালামাল পুড়েছে।’

শেয়ার করুন

পার্বত্য চট্টগ্রাম হবে শান্ত, সমৃদ্ধ: বীর বাহাদুর

পার্বত্য চট্টগ্রাম হবে শান্ত, সমৃদ্ধ: বীর বাহাদুর

রাজধানীতে রোববার আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং (সামনে বাম দিক থেকে তৃতীয়)। ছবি: নিউজবাংলা

পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সফরে গিয়েছিলেন এবং পিছিয়ে পড়া জনগণকে এগিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তারই অংশ হিসেবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেন। সরকার এই অঞ্চলকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ মনে করে কাজ করছে।’

চট্টগ্রামের পাহাড়বেষ্টিত অঞ্চল দেশের বোঝা নয় মন্তব্য করে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, এ ভূখণ্ড হবে শান্ত ও সমৃদ্ধ।

রাজধানীর হোটেল আমারিতে রোববার ভোরের কাগজ ও আইসিএলডিএসের যৌথ উদ্যোগে ‘সম্প্রীতি, সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন: একুশ শতকে পার্বত্য চট্টগ্রাম’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শান্তি ও সমৃদ্ধি পেতে হলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সফরে গিয়েছিলেন এবং পিছিয়ে পড়া জনগণকে এগিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তারই অংশ হিসেবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেন।

‘সরকার এই অঞ্চলকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ মনে করে কাজ করছে। তারই অংশ হিসেবে শান্তিচুক্তি করা হয়েছিল।’

পার্বত্যাঞ্চলের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত আছে জানিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের সম্প্রীতি, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের বিষয়টি বেশ জটিল, তবে এতটুকু বলতে পারি, এ অঞ্চলের উন্নয়ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। শান্তিচুক্তি থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী যে ভূমিকা রেখে চলেছেন, তাতে তার অবস্থান পরিস্কার।

‘আমাদেরও তিনি (প্রধানমন্ত্রী) নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে বেশি বেশি প্রকল্প নিতে। আমরাও বিভিন্ন পরিকল্পনা নিচ্ছি। যখনই যে প্রকল্প আমাদের কাছে আসছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে পাস করিয়ে দিচ্ছি।’

পাহাড়ের উন্নয়নে ব্যয় নিয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে যে অর্থ ব্যয় হয়, মাথাপিছু হিসাবে দেশের অন্য জায়গা থেকে অনেক বেশি। ভবিষ্যতে এ উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) এ্যারোমা দত্ত, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা, আইসিএলডিএস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জমির, আইসিএলডিএসের নির্বাহী পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মো. আবদুর রশীদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, সাবেক রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এম আসহাব উদদীন এনডিসি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ ও অ্যাডভোকেট ইকবাল করিম।

শেয়ার করুন

নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ফের পেছাল

সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। ফাইল ছবি

দুদকের আইনজীবী এম এ সালাউদ্দিন ইস্কান্দার নিউজবাংলাকে জানান, আসামিপক্ষের করা সময়ের আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছে। ফলে অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ পেছানো হয়েছে। 

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে করা মামলায় সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের পিছিয়েছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ দিয়েছে আদালত।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান শুনানির নতুন তারিখ দেন।

নাজমুল হুদা অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় চতুর্থ দফায় পেছাল তারিখ।

এ দিন ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার আইনজীবী আশহানুর রহমান অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাতে সময় আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে।

দুদকের আইনজীবী এম এ সালাউদ্দিন ইস্কান্দার নিউজবাংলাকে জানান, আসামি পক্ষের করা সময়ের আবেদন আদালত মঞ্জুর করেছে। ফলে অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ পেছানো হয়েছে।

গত ৭ অক্টোবর ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন করে দুদক। এরপর ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে সে অভিযোগপত্র জমা দেন দুদকের পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মেদ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নিজের বিরুদ্ধে নিষ্পত্তি হওয়া একটি মামলার রায় বদলে দেয়া হয়েছে ও উৎকোচ চাওয়া হয়েছে- এস কে সিনহার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করে ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন সাবেক চারদলীয় জোট সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা।

মামলার অভিযোগপত্রে সে সময় নাজমুল হুদা দাবি করেন, উচ্চ আদালতে খারিজ করার পরও প্ররোচিত হয়ে মামলাটির রায় পরিবর্তন করা হয়েছে। মামলাটি খারিজ করতে দুই কোটি টাকা এবং আরও ব্যাংক গ্যারান্টির অর্ধেক অর্থাৎ এক কোটি ২৫ লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন সাবেক এই প্রধান বিচারপতি।

তবে দেড় বছরের তদন্তে নাজমুল হুদার এ অভিযোগের কোনো প্রমাণ পায়নি দুদক।

মিথ্যা অভিযোগ করায় গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন। আরেক পরিচালক মো. বেনজীর আহম্মেদকে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়।

মামলার বিষয়ে তৎকালীন দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেছিলেন, ‘নাজমুল হুদা যে মামলাটি করেছেন সেটি একেবারেই ভিত্তিহীন। দুদকের অনুসন্ধানেও আমরা সেটা প্রমাণ পেয়েছি। দুদক আইনের ২৮ এর ২ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি মিথ্যা তথ্য দিয়ে অভিযোগ করেন আর সেটি যদি তদন্তে বেরিয়ে আসে তাহলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।’

শেয়ার করুন