ছাত্রদের হাফ ভাড়া যেসব শর্তে

player
ছাত্রদের হাফ ভাড়া যেসব শর্তে

বাসে হাফ পাসের দাবিতে বেশ কিছু দিন ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

শর্তগুলো হলো- ঢাকার বাইরে হাফ ভাড়া নেয়া হবে না। হাফ ভাড়া দেয়ার সময় অবশ্যই শিক্ষার্থীদেরকে স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছবিযুক্ত আইডি কার্ড দেখাতে হবে। সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত কার্যকর এ শর্ত। ছুটির দিন কোনো হাফ পাস নাই।

টানা আন্দোলনের মুখে ছাত্রদের বাস ভাড়া অর্ধেকের দাবি মেনে নিয়েছে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। তবে জুড়ে দিয়েছে কয়েকটি শর্ত।

শিক্ষার্থীদের জন্য বাস ভাড়া অর্ধেক করার বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামোটরে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন সংগঠনটির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ। জানান, হাফ ভাড়া কার্যকরের শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, ‘সবদিক আলাপ-আলোচনা করে আমরা স্থির করেছি, ছাত্রদের যে দাবি, সেই দাবির প্রতি আমরা সমর্থন জানিয়ে সেই দাবি কার্যকর করার জন্য। আগামীকালকে থেকে, ১ ডিসেম্বর থেকে ছাত্রদের বাসে হাফ ভাড়া কার্যকর করা হবে।’

এ সময় কয়েকটি শর্তের কথাও উল্লেখ করেন এনায়েত উল্যাহ। শর্তগুলো হলো:

## ঢাকার বাইরে হাফ ভাড়া নেয়া হবে না।

## হাফ ভাড়া দেয়ার সময় অবশ্যই শিক্ষার্থীদেরকে স্ব স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছবিযুক্ত আইডি কার্ড দেখাতে হবে।

## সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত হাফ ভাড়া কার্যকর থাকবে।

## সরকারি ছুটির দিন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মৌসুমি ছুটিসহ অন্যান্য ছুটির সময় ছাত্রদের হাফ ভাড়া কার্যকর হবে না।

এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘আগামীকাল ১ ডিসেম্বর থেকে ছাত্রদের হাফ ভাড়া কার্যকর হবে। সকল পরিবহন মালিকদের প্রতি এবং শ্রমিকদের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে, ছাত্ররা যেন হাফ ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারে, সে ব্যাপারটি নিশ্চিত করার জন্য।

‘আমরা দীর্ঘদিন আলাপ-আলোচনা করে, বিভিন্ন সভা করে, মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে, শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলাম। দেশবাসীকে আমরা জানাতে চাই। আমরা হাফ ভাড়া কার্যকর ছাত্রদের জন্য করে দিলাম।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পরিবহন মালিক সমিতির এই নেতা বলেন, ‘ছাত্রদের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে, এরা আমাদেরই সন্তান; কোমলমতি ছাত্ররা আমাদেরই সন্তান। তারা যেন এখন থেকে তাদের পড়ালেখায় মনোযোগ দেয়। তারা যেন স্কুল-ভার্সিটিতে ফেরত যায়। রাস্তায় এইসব আন্দোলন না করে তারা যেন ফেরত যায়, এটা তাদের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকবে।’

এর আগে হাফ ভাড়া কার্যকরের জন্য সরকারের কাছে প্রণোদনা চেয়েছিল মালিক সমিতি। সেই অবস্থান থেকে পরিবহন মালিকরা সরে এসেছেন কি না, এমন প্রশ্নে এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘আমরা সে দাবি এখনও করতে চাই। কেউ বিশ্বাস করুক আর না করুক ঢাকা শহরের ৮০ ভাগ বাসের মালিক গরিব। অনেক মালিক রয়েছেন যার একটিমাত্র গাড়ি রয়েছে সেই আয় দিয়ে তার সংসার চলে, তার সন্তানের লেখাপড়ার খরচ চলে।

‘সে টাকা দিয়ে আবার বাসের ঋণ শোধ করে। অনেকে আবার বাসের চালক থেকে মালিক হয়েছেন। এখানে বড় কোনো বিনিয়োগ নেই। এটা দাবিটি সরকার পক্ষ থেকে বিবেচনা করবে বলে আমরা আশা করছি। আমরা পুরোটাই সরকারের ওপর ছেড়ে দিলাম।’

ভাড়া নিয়ে বিতর্কে বাস থেকে যাত্রীদের ফেলে দেয়া হচ্ছে, চালকের বেপরোয়া আচরণে পথচারী মারা যাচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠছে। এসব প্রসঙ্গেও কথা বলেন এনায়েত।

তিনি বলেন, ‘সারা দেশে প্রায় ১ লাখের ওপর বাস রয়েছে সবখানেই বাসগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে রয়েছে, ভাড়াসহ সবকিছুই ঠিক আছে। শুধু ঢাকা শহরেই কিছুটা অনিয়ন্ত্রিত। কিছু অনিয়ম রয়েছে এগুলো নিয়মে আনার জন্য মালিক সমিতির নয়টি টিমসহ বিআরটিএ কাজ করছে। কিছু কিছু গাড়ি এখনও কন্টাকে চলে, ট্রিপ ভিত্তিতে চলে। এর পরিমাণ আগের চেয়ে কমে এসেছে। বাকিগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা কাজ করছি।’

ঢাকা শহরে পরিবহন ব্যবসা লাভজনক নয় উল্লেখ করে এনায়েত বলেন, ‘এই কারণে দিনে দিনে ঢাকায় গণপরিবহনের সংখ্যা কমছে অনেকেই আগে একটা গাড়ি কিনেছিলেন, সেটার কোনো রকমে লোন শোধ করেছেন, তাই এখন সেটা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে ঢাকায় রাস্তা অনুপাতে গাড়ির সংখ্যা বেশি, কিন্তু যাত্রী অনুপাত গাড়ির সংখ্যা কম।’

বাসের বিভিন্ন সার্ভিস বন্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহরের বিভিন্ন সিটিং সার্ভিস, গেটলক সার্ভিস, ওয়েবিল বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত আমার একার ছিল না, সবগুলো মালিককে নিয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে। এটা কার্যকর করা হবে। এসব সার্ভিস অনেকাংশে কমে এসেছে।’

আরও পড়ুন:
বাসে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আ. লীগের
চট্টগ্রামে ভাড়া জটিলতা সমাধানে পুলিশের ‘হ্যালো সিএমপি’
শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার: কাদের
বাসে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার পক্ষে নানক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন চাইল বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন চাইল বাংলাদেশ

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দেয়ার জন্য ইন্দোনেশিয়ার সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ফাইল ছবি

বুধবার এক ফোনালাপে এ কে আব্দুল মোমেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো এল পি মারসুদির কাছে রাজনৈতিক সমর্থন চেয়েছেন। তিনি এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধান আনতে ইন্দোনেশিয়া এবং আসিয়ান জোটের অব্যাহত সমর্থনের অনুরোধ করেন।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দেয়ার জন্য পূর্ব এশিয়ান ক্ষমতাধর মুসলিম দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, বুধবার এক ফোনালাপে এ কে আব্দুল মোমেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো এল পি মারসুদির কাছে রাজনৈতিক সমর্থন চেয়েছেন।

তিনি এই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধান আনতে ইন্দোনেশিয়া এবং আসিয়ান জোটের অব্যাহত সমর্থনের অনুরোধ করেন।

ড. মোমেন আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ আসিয়ানের সঙ্গে আরও বেশি মিথস্ক্রিয়া চায়। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আসিয়ানের কিছু সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধনশীল বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে এবং যা দ্রুত বাড়ছে।

ফোনালাপে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসিয়ান সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে বাংলাদেশের প্রার্থী হওয়ার জন্য ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন চেয়েছেন।

জবাবে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে সমর্থন জানিয়ে আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে বৃহত্তর সম্পৃক্ততা গড়ে তোলার পরামর্শ দেন।

ড. মোমেন বিভিন্ন আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশের পক্ষে ইন্দোনেশিয়ার সমর্থন কামনা করেন।

উভয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ঘনিষ্ঠ যোগাযোগে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং গভীরতা ও মাত্রায় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করেছেন।

ড. মোমেন বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক উপভোগ করে আসছে।

উভয় মন্ত্রী এ বছর কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বছর যথাযথভাবে উদযাপন করতে সম্মত হয়েছেন।

মোমেন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা সন্তোষজনকভাবে উল্লেখ করেছেন। এই প্রসঙ্গে, তিনি দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য আরও বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির দ্রুত সমাপ্তির ওপর জোর দেন, বিশেষত এই বছরে যা বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জলাবদ্ধতা চিহ্নিত করে।

তিনি বাংলাদেশ থেকে ইন্দোনেশিয়ার আমদানি বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বিদ্যমান ভারসাম্যহীনতা কমানোর ওপর জোর দেন।

মোমেনের অনুভূতির জবাবে মারসুদি গভীর সন্তুষ্টির সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী থেকে শক্তিশালী হচ্ছে এবং সম্পর্ককে একটি নতুন স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আরও রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাসে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আ. লীগের
চট্টগ্রামে ভাড়া জটিলতা সমাধানে পুলিশের ‘হ্যালো সিএমপি’
শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার: কাদের
বাসে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার পক্ষে নানক

শেয়ার করুন

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বিদেশিদের স্বাগত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বিদেশিদের স্বাগত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন। ছবি: নিউজবাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত থাকতে ইচ্ছুক।’

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ যে কোনো ভোট পর্যবেক্ষণে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে গেলে মন্ত্রী একথা জানান। রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত মিলারকে চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়েও ব্রিফ করেন।

বাংলাদেশের বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্পে অংশগ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অবকাঠামো বাংলাদেশ সরকারের জন্য একটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্র।

দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

এ কে আব্দুল মোমেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে তার মেয়াদে বাংলাদেশে সক্রিয় কাজের জন্য ধন্যবাদ জানান। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ ভ্যাকসিন সহায়তা পাওয়ার বিষয়টিও বিশেষভাবে উল্লেখ করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন এবং আগামী এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত জন কেরির বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি স্মরণ করেন। দুপক্ষই আশাবাদ ব্যক্ত করে যে আগামীতে ধারাবাহিক সংলাপ ও সফর হবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটন ডিসি সফরে তাকে সাদরে গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানান।

মোমেন দেশের দক্ষিণাঞ্চলে উপকূলীয় বাঁধ পুনরুদ্ধার এবং আরও উন্নয়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করার অনুরোধে সাড়া দেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

তারা প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজনসহ মানবাধিকার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার উপায় নিয়েও আলোচনা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ভাসানচরে মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিতে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মানবিক কার্যক্রমে সবচেয়ে বড় দাতা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানান।

আর্ল মিলার বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের উষ্ণ আতিথেয়তার উল্লেখ করে এখানে দায়িত্ব পালনকে তার কর্মজীবনের সেরা সময় বলে উল্লেখ করেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মানবিক সহায়তার পাশাপাশি প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক নিষ্পত্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। একইসঙ্গে আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তার উত্তরসূরি দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিতে যথেষ্ট অবদান রাখবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমে মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত থাকতে ইচ্ছুক।

আরও পড়ুন:
বাসে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আ. লীগের
চট্টগ্রামে ভাড়া জটিলতা সমাধানে পুলিশের ‘হ্যালো সিএমপি’
শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার: কাদের
বাসে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার পক্ষে নানক

শেয়ার করুন

‘শাটডাউন’ পরিস্থিতি, তবু লকডাউন নয়

‘শাটডাউন’ পরিস্থিতি, তবু লকডাউন নয়

আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে, আমরা বিষয়টি নজরে রাখছি। এখন পর্যন্ত লকডাউনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। শুধু করোনা শনাক্ত হার বা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় না। জীবিকা ও অর্থনীতির বিষয়টিও আমাদের মাথায় রাখতে হয়।’

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমাগত বাড়ছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত পূববর্তী ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হার ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। সংক্রমণের এই হার গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এমন মাত্রায় সংক্রমণ দেখা দেয়ার পর গত বছরের জুলাইয়ে দেশে শাটডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার লকডাউনের কথাও এখনই ভাবছে না।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, এখনই যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তারা বলছেন, সংক্রমণের এই হার দুই সপ্তাহ অব্যাবহ থাকলে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। ভেঙে পড়তে পারে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা।

সরকারও পরিস্থিতির ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধি-নিষেধ কার্যকরে ক্রমশ কঠোরতা আরোপ করা হচ্ছে। তবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এখনই লকাডাউনের মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে করোনা সংক্রমণের মাত্রা বিবেচনায় উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে ১২টি জেলা। সপ্তাহখানেক আগেও রেড জোনে ছিল দুটি জেলা-রাঙ্গামাটি ও ঢাকা। কয়েকদিনের মধ্যে নতুন করে ১০টি জেলা উচ্চ ঝুঁকিতে প্রবেশ করেছে।

গত ৯ দিনে সংক্রমণের হার ২০ শতাংশ বেড়েছে। ওমিক্রন নিয়ন্ত্রণে ১১ দফা সুপারিশ ও নির্দেশনা না মানা এবং সব ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করার পরও সংক্রমণ পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সাড়ে ৯ হাজার মানুষের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। নমুনা পরীক্ষা বিচেনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ১১ শতাংশ। এ সময়ে করোনা সংক্রমণে মারা গেছেন ১২জন।

‘শাটডাউন’ পরিস্থিতি, তবু লকডাউন নয়

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৬ লাখ ৪২ হাজার ২৫৪ জনের দেহে। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ১৭৬ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সাত দিনে দেশজুড়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৩৪ হাজার ৪০৫ জন। এটা পূর্ববর্তী সাত দিনের (৩-৯ জানুয়ারি) চেয়ে ২৩ হাজার ৯৩১ জন বেশি। এই সময়ে শনাক্ত বেড়েছে ২২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এক সপ্তাহে মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জনের, যা পূর্ববর্তী সপ্তাহের চেয়ে ৩৭ জন বেশি।

ঢাকাকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অধিদপ্তরের হিসাবে, গত কয়েক দিন ধরে সারাদেশে মোট করোনা আক্রান্তের ৮০ শতাংশের কাছাকাছি রোগী পাওয়া গেছে ঢাকায়।

দেশে করোনা সংক্রমণ গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ২ শতাংশের নিচে ছিল। ১১ জানুয়ারি শনাক্ত হার ৫ ছাড়িয়ে যায়। গত ৯ দিনে শনাক্ত ২০ শতাংশ বেড়ে বুধবার তা ২৫ দশমিক ১১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

‘শাটডাউন’ পরিস্থিতি, তবু লকডাউন নয়

এমন পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল গত বছরের আগস্টে। সংক্রমণ ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তখন শাটডাউনের সুপারিশ করে করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল কমিটি।

এবার সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকলেও এখনই শাটডাউনের চিন্তা করছে না স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। কেননা সংক্রমণের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যাটা অনেক কম। সে সময় দিনে করোনায় শতাধিক মানুষের মৃত্যুর সংবাদ এলেও এবার সংখ্যাটা ১০ থেকে ১২ জনে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে লকডাউনের পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে, আমরা বিষয়টি নজরে রাখছি। এখন পর্যন্ত লকডাউনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

‘সব পরিস্থিতি বিবেচনা করে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শুধু করোনা শনাক্তের হার বা সংক্রমণ ও মৃত্যুর বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় না। জীবিকা ও অর্থনীতির বিষয়টিও আমাদের মাথায় রাখতে হয়।’

আগামীতে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে লকডাউন দেয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি না করার অনুরোধ জানান তিনি।

আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘দিন দিন সংক্রমণ বাড়ছেই। তা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এখনই দিনে ৩০ থেকে ৫০ হাজার শনাক্ত ধরা পড়তে পারে, যদি যথেষ্ট পরিমাণে টেস্ট করা হয়।’

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ লেলিন চৌধুরী বলেন, ‘দেশে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ধরা পড়ার পর ধারণা করো হয়েছিল তা প্রতিরোধে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। তা হয়নি। দ্রুততার সঙ্গে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। করণীয় নির্ধারণে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে। অন্য দেশে যখন ওমিক্রমের সংক্রমণ ক্রমে বাড়ছে তখনও দেশে নানা ধরনের মেলা ও নির্বাচন চলতে দেখেছি। এই সময়ের মধ্যে দেশে ওমিক্রন ও ডেল্টা বেড়েছে। ফলে দেশে সংক্রমণ ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে।

করোনার সার্বিক পরিস্থিতি সব অর্থেই ভয় জাগাচ্ছে। এ ছাড়া ওমিক্রনের বিস্তার রোধে সরকার যে ১১ দফা বিধিনিষেধ দিয়েছে তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ফলে কিছুদিনের মধ্যে হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়বে। চিকিৎসকের ওপরও বাড়তি চাপ পড়বে। চাপ বাড়বে। এমনকি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। তাই টিকার পরিসর বাড়াতে হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির বলেন, ‘জনগণ সচেতন না হলে, তারা স্বাস্থ্যবিধি না মানলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। তবে কয়েক দিনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নে কঠোর হবে সরকার।’

আরও পড়ুন:
বাসে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আ. লীগের
চট্টগ্রামে ভাড়া জটিলতা সমাধানে পুলিশের ‘হ্যালো সিএমপি’
শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার: কাদের
বাসে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার পক্ষে নানক

শেয়ার করুন

আবরার হত্যা: বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দণ্ডিতের বাবার

আবরার হত্যা: বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দণ্ডিতের বাবার

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। ফাইল ছবি

রাষ্ট্রপতি বরাবরে বুধবার পাঠানো আবেদনে দাবি করা হয়, রায়ের পর প্রকাশিত জাবেদা নকলের সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের সময়ে দেয়া জাবেদা নকলের বক্তব্যের কোনো মিল নেই। তাছাড়া এই তিনজন জবানবন্দি বা জেরার সময় নিজেদেরকে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে দাবি করেননি। অথচ রায়-পরবর্তী জাবেদা নকলের কপিতে দেখা যায় ওই তিন সাক্ষীকে প্রত্যক্ষদর্শী করা হয়েছে।

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা মামলায় তিন সাক্ষীর জবানবন্দি পরিবর্তন করে রায় ঘোষণার অভিযোগ তুলেছেন দণ্ডিত এক আসামির বাবা। মামলার অন্যতম আসামি মোর্শেদ অমর্ত্য ইসলামের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রবিউল ইসলাম বিচারকের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনে একটি আবেদন ডাকযোগে রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছেন।

রবিউল ইসলামের অভিযোগ, আবরার হত্যা মামলায় ২২ নম্বর সাক্ষী মো. গালিব, ২৭ নম্বর সাক্ষী ওয়াহিদুর রহমান ও ২৮ নম্বর সাক্ষী মো. সাইফুল ইসলামের আদালতে দেয়া জবানবন্দি ও জেরা পরিবর্তন করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিচারক তার ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

এই আবেদনের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন আবেদনকারী রবিউল ইসলাম।

রাষ্ট্রপতি বরাবরে বুধবার পাঠানো আবেদনে দাবি করা হয়, রায়ের পর প্রকাশিত জাবেদা নকলের সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের সময়ে দেয়া জাবেদা নকলের বক্তব্যের কোনো মিল নেই। তাছাড়া এই তিনজন জবানবন্দি বা জেরার সময় নিজেদেরকে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে দাবি করেননি। অথচ রায়-পরবর্তী জাবেদা নকলের কপিতে দেখা যায় ওই তিন সাক্ষীকে প্রত্যক্ষদর্শী করা হয়েছে।

রবিউল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মামলার রায় প্রচার হওয়ার আগে ও পরে দেয়া ওই তিন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরার জাবেদা নকলের কপি আমার কাছে আছে। উভয় জাবেদা নকলের কপি মিলিয়ে দেখে আমরা অবাক হয়েছি। একজন মেধাবী ছাত্রকে মৃত্যুদণ্ড দিতে তিন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা পরিবর্তন করা হয়েছে।’

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি বরাবর তিনি এই আবেদনের কপি রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠিয়েছেন। আবেদনের অনুলিপি তিনি প্রধান বিচারপতি এবং আইন, বিচার ও সংসদ মন্ত্রণালয়েও পাঠিয়েছেন।

আবরারকে যে রাতে হত্যা করা হয়, তার পরদিন ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর তার বাবা ১৯ শিক্ষার্থীকে আসামি করে রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলা করেন। তদন্তে নেমে পুলিশ এজাহারের ১৬ জনসহ মোট ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে।

পাঁচ সপ্তাহ তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান ওই বছরের ১৩ নভেম্বর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তাতে আসামি করা হয় ২৫ জনকে।

অভিযোগপত্র গ্রহণ করে ওই বছরের ১৮ নভেম্বর পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত। তাদের মধ্যে একজন পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে মামলাটি পরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ বদলির আদেশ দেয়া হয়। বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচারকাজ শুরু করেন।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার শুরু হয়। দু’পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত বছরের ১৪ নভেম্বর বিচারক এ মামলার রায়ের জন্য ২৮ নভেম্বর তারিখ রাখেন। তবে ওই দিন রায় লেখা বাকি থাকায় তারিখ পিছিয়ে ৮ ডিসেম্বর ঠিক করা হয়।

আরও পড়ুন:
বাসে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আ. লীগের
চট্টগ্রামে ভাড়া জটিলতা সমাধানে পুলিশের ‘হ্যালো সিএমপি’
শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার: কাদের
বাসে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার পক্ষে নানক

শেয়ার করুন

পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক কর্মকর্তার মামলা

পুলিশের বিরুদ্ধে মাদক কর্মকর্তার মামলা

মারধর, মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এস এম সাকিব হোসেন। ফাইল ছবি

মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মুন্সিগঞ্জ জেলার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এস এম সাকিব হোসেন। মামলার বিষয়টি সাকিব হোসেন নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে জানান যে ‘আমি একজন কর্মকর্তা অথচ আমার সঙ্গেই এমনটি হয়েছে।’

অন্যায়ভাবে আটকে রেখে মারধর, মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক রুবেল মল্লিকসহ দুইজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করেছেন মুন্সিগঞ্জ জেলার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক এস এম সাকিব হোসেন।

অপর আসামি হলেন- ভুয়া ডিবি পুলিশ খসরু রোমান।

ঢাকার মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলামের আদালতে মঙ্গলবার মামলাটি করা হয়।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ২৯ মার্চ আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছে।

বুধবার আদালত সূত্রে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ ছাড়া বিষয়টি সাকিব হোসেন নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে জানান যে আমি একজন কর্মকর্তা অথচ আমার সঙ্গেই এমনটি হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত বছর ১৮ জানুয়ারি সাকিব হোসেন মালিবাগ সিআইডি পুলিশের ট্রেনিং সেন্টার থেকে বিকেলে ভাটারায় নূরের চালা এলাকায় বোনের বাসায় যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে আমেরিকান অ্যাম্বাসির অপর পাশে দাঁড়ান। তখন পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান থেকে দুজন লোক নামেন। খসরু রোমান নিজেকে ডিবি এসি এবং রুবেল মল্লিক এসআই পরিচয় দেন। তখন তারা সাকিব হোসেনকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যেতে চান।

সাকিব হোসেন অপারগতা প্রকাশ করলে হাতে হ্যান্ডকাফ লাগিয়ে চোখ বেঁধে তাকে জোর করে গাড়িতে তোলেন। তারা ভিকটিমকে গাড়িতে তুলে বিভিন্ন স্থানে ঘোরেন। এরপর ভিকটিমের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন খসরু।

এসআই রুবেল খসরুকে বলেন, ‘সরকারি অফিসারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ছেড়ে দিলে আমরা ফেঁসে যাব। তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা দিতে হবে। একজন বলেন, ওকে বাসায় নিয়ে যাব। বাসায় স্বর্ণের বার আছে তা দিয়ে ডাকাতি মামলায় আটক দেখিয়ে চালান দেই। এসআই রুবেল বলেন ১১ জানুয়ারির একটি অজ্ঞাত মামলা আছে ওকে জড়িয়ে দেই। এরপর আসামিরা বাসার ঠিকানা জেনে সাকিবকে তার বোনের বাসায় নিয়ে আসেন।

আরও জানা যায়, আসামিরা সাকিবের বোনের বাসায় ঢোকে। এরপর খসরু সাকিবের ব্যাগের মধ্যে স্বর্ণের বার রেখে আসেন। পরবর্তীতে আসামিরা ভিকটিমকে মিথ্যা অভিযোগে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে আদালতে প্রেরণ করার সময় তাকে মারপিট করে জখম করেন এবং ভয়ভীতি দেখান।

১৯ জানুয়ারি আসামিরা ভিকটিমের বোনের বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে নগদ তিন লাখ টাকা, আই ফোন ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যান।

আরও পড়ুন:
বাসে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আ. লীগের
চট্টগ্রামে ভাড়া জটিলতা সমাধানে পুলিশের ‘হ্যালো সিএমপি’
শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার: কাদের
বাসে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার পক্ষে নানক

শেয়ার করুন

গ্যাসের দাম আপাতত বাড়ছে না

গ্যাসের দাম আপাতত বাড়ছে না

গত সপ্তাহে তিতাস, বাখরাবাদ ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি আবাসিকের ক্ষেত্রে দুই চুলায় ৯৭৫ থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ১০০ টাকা, মিটার আছে এমন চুলায় প্রতি ঘনমিটার ১২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ২৭ টাকা ৩৭ পয়সা করতে চেয়েছিল। বাণিজ্যিক ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম গড়ে ১১৭ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।

আবাসিক ও বাণিজ্যিক-সব ধরনের গ্যাসের দাম দ্বিগুণ বা তার চেয়ে বেশি বাড়াতে বিতরণ সংস্থাগুলো যে প্রস্তাব দিয়েছিল, তা গ্রহণ করেনি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি।

বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি থেকে দেয়া প্রস্তাব নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরির মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিআইআরসির সদস্য মকুবল-ই-ইলাহী চৌধুরী।

ভর্তুকি সামাল দিতে সরকার গ্যাসের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত সপ্তাহে কয়েকটি বিতরণ সংস্থা গ্যাসের দাম ১১৭ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

গত সপ্তাহে তিতাস, বাখরাবাদ ও পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি আবাসিকের ক্ষেত্রে দুই চুলায় ৯৭৫ থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ১০০ টাকা, মিটার আছে এমন চুলায় প্রতি ঘনমিটার ১২ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ২৭ টাকা ৩৭ পয়সা করতে চেয়েছিল।

নভেম্বরে ডিজেলের দাম এক লাফে ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রতিক্রিয়ায় পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির ইস্যুতে এমনিতেই জেরবার দেশবাসী নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে। গ্যাসের দাম বাড়লে বিদ্যুতের দাম ছাড়াও সারসহ নানা পণ্যের দাম ও সিএনজিচালিত পরিবহনের ভাড়া আবার বেড়ে মানুষের ব্যয় বাড়িয়ে দিত। বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি হয় শহর এলাকায় রান্নার খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কার কারণে।

এছাড়া বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ঘনমিটার প্রতি ৪ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯ টাকা ৬৬ পয়সা, শিল্প খাতে ১০ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৩ টাকা ২৪ পয়সা, ক্যাপটিভে (শিল্পকারখানায় নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যাস) ১৩ টাকা ৮৫ পয়সার স্থলে ৩০ টাকা, যানবাহনে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম ৩৫ টাকা থেকে ৭৬ টাকা ৪৮ পয়সা করার প্রস্তাব দেয়া হয়।

নভেম্বরে ডিজেলের দাম এক লাফে ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রতিক্রিয়ায় পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির ইস্যুতে এমনিতেই জেরবার দেশবাসী নতুন করে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে। গ্যাসের দাম বাড়লে বিদ্যুতের দাম ছাড়াও সারসহ নানা পণ্যের দাম ও সিএনজিচালিত পরিবহনের ভাড়া আবার বেড়ে মানুষের ব্যয় বাড়িয়ে দিত। বিশেষভাবে উদ্বেগ তৈরি হয় শহর এলাকায় রান্নার খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কার কারণে।

বিইআরসির সদস্য মকুবল-ই-ইলাহী চৌধুরী নিউজবাংলাক বলেন, ‘যারা প্রস্তাব দিয়েছিল তাদের কাছে শোনেন কেন এই দাম বাড়াতে হবে? প্রস্তাব করতে গেলে কিছু নিয়ম মানতে হয়। যেমন, কেন দাম বাড়ানো হবে, কী কারণে বাড়ানো হবে। তারা যে দাবি তুলেছে তা আমরা প্রস্তাব হিসেবেই গ্রহণ করিনি।’

জ্বালানির দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিইআরসির ভূমিকা রয়েছে। উৎপাদক ও বিতরণ সংস্থাগুলো এর কাছে প্রস্তাব রাখার পর তারা সেগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পাশাপাশি ভোক্তা প্রতিনিধিসহ গণশুনানির আয়োজন করে। এরপর তারা একটি সিদ্ধান্ত নেয়। সরকার সেই অনুযায়ী আদেশ জারি করে।

বিইআরসি মনে করছে, গ্যাসের দাম বাড়ানোর এই প্রস্তাব বিধিসম্মত হয়নি। তাই সেগুলো আপাতত গ্রহণ করা হয়নি।

সংস্থাটির সদস্য মো. মকুবল-ই-ইলাহী চৌধুরী নিউজবাংলাক বলেন, ‘যারা প্রস্তাব দিয়েছিল তাদের কাছে শোনেন কেন এই দাম বাড়াতে হবে? প্রস্তাব করতে গেলে কিছু নিয়ম মানতে হয়। যেমন, কেন দাম বাড়ানো হবে, কী কারণে বাড়ানো হবে। তারা যে দাবি তুলেছে তা আমরা প্রস্তাব হিসেবেই গ্রহণ করিনি।’

গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব আপাতত ফেরানো হলেও অদূর ভবিষ্যতে কী হবে, সেটা বলা কঠিন। দেশে এখন গ্যাসের চাহিদা দৈনিক ৪২০ কোটি ঘনফুট। তবে করা হয় প্রায় ৩০০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে ১০০ কোটি ঘনফুট গ্যাস এলএনজি আকারে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

এই এলএনজির দাম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপকহারে বেড়েছে। প্রতি ঘনমিটার এলএনজি আমদানি ব্যয় বাবদ খরচ হচ্ছে ৫০ টাকা ৩৮ পয়সা। অথচ দেশে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ৯ টাকা ৩৬ পয়সা। এক বছর আগেও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ঘনফুট এলএনজির দাম ছিল ১০ ডলারের আশেপাশে।

আন্তর্জাতিক বাজারে দর বৃদ্ধির কারণে জ্বালানি খাতে সরকারকে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী সার, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের জন্য চলতি অর্থবছরে ৭০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির প্রয়োজন। কিন্তু চলতি বছরের বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ রয়েছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু জ্বালানি খাতে বরাদ্দ কেবল ৪ হাজার কোটি টাকা। এই অবস্থায় গত অর্থ বিভাগের কাছে ৯ হাজার ৩৩১ কোটি টাকার ভর্তুকি চেয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

আরও পড়ুন:
বাসে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আ. লীগের
চট্টগ্রামে ভাড়া জটিলতা সমাধানে পুলিশের ‘হ্যালো সিএমপি’
শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার: কাদের
বাসে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার পক্ষে নানক

শেয়ার করুন

মোমেনকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ব্লিঙ্কেনের

মোমেনকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ব্লিঙ্কেনের

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন ও তার স্ত্রীকে নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে খ্রিষ্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বুধবারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন ও তার স্ত্রীকে নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

বিভিন্ন উৎসব বা উপলক্ষে এক রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অন্য রাষ্ট্রের একই পদের কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকেন। এ রীতি দীর্ঘদিনের।

আরও পড়ুন:
বাসে বুধবার থেকে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক
শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান আ. লীগের
চট্টগ্রামে ভাড়া জটিলতা সমাধানে পুলিশের ‘হ্যালো সিএমপি’
শিক্ষার্থীদের বাস ভাড়া নিয়ে সিদ্ধান্ত শনিবার: কাদের
বাসে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার পক্ষে নানক

শেয়ার করুন