বাজুস সভাপতি সায়েম সোবহান

player
বাজুস সভাপতি সায়েম সোবহান

নির্বাচনে সায়েম সোবহান আনভীর নেতৃত্বাধীন পুরো প্যানেল জয়লাভ করেছে। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক দিলীফ কুমার আগরওয়ালা।

দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতির (বাজুস) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সায়েম সোবহান আনভীর। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প গ্রুপ বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকও তিনি।

সোমবার রাজধানীর বায়তুল মোকারম মার্কেটে বাজুস কার্যালয়ে ২০২১-২০২৩ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়। সংগঠনটির ৩৫ সদস্যের নির্বাহী সদস্য দ্বারা পরিচালিত হয়।

নির্বাচনে সায়েম সোবহান আনভীর নেতৃত্বাধীন পুরো প্যানেল জয়লাভ করেছে। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দিলীফ কুমার আগরওয়ালা। তিনি ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। টানা চার বার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন আগরওয়ালা।

রিহ্যাব সভাপতি ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই পরিচালক আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। বোর্ডের সদস্য ছিলেন এফবিসিসিআইর আরেক পরিচালক ইকবাল হোসেন চৌধুরী ও ঢাকা চেম্বারের পরিচালক হোসেন এ শিকদার।

বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি লিমিটেড ও আরিশা জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর গণমাধ্যমে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, বাংলাদেশে উৎপাদিত স্বর্ণের গহনা অচিরেই বিশ্ববাজারে রপ্তানি হবে।

কমিটিতে যারা

নবনির্বাচিত ৭ জন সহসভাপতি হলেন- মেসার্স দি আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার গুলজার আহমেদ, নিউ জেনারেল জুয়েলার্স লিমিটেডের আনোয়ার হোসেন, অলংকার নিকেতনের এম এ হান্নান আজদ, জড়োয়া হাউজের বাদল চন্দ্র রায়, সিরাজ জুয়েলার্সের দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, এল রহমান জুয়েলার্সের আনিসুর রহমান দুলাল এবং আমিন জুয়েলার্সের কাজী নাজনীন ইসলাম নিপা।

নির্বাচিত ৯ জন সহসম্পাদক হলেন- গোল্ড ওয়ার্ল্ডের কর্ণধার মাসুদুর রহমান, ফেন্সী ডায়মন্ডের সমিত ঘোষ অপু, ভেনাস ডায়মন্ড কালেকশনের বিধান মালাকার, রিজভী জুয়েলার্সের জয়নাল আবেদীন খোকন, নিউ সোনারতরী জুয়েলার্সের লিটন হাওলাদার, মেসার্স বৈশাখী জুয়েলার্সের নারায়ণ চন্দ্র দে, মনি মালা জুয়েলার্সের তাজুল ইসলাম লাভলু, গোল্ড কিং জুয়েলার্সের এনামুল হক ভুঞা লিটন এবং পূরবী জুয়েলার্সের মুক্তা ঘোষ।

কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন কুন্দন জুয়েলারি হাউজ ও জায়া গোল্ডের কর্ণধার উত্তম বণিক।

নতুন কমিটির ১৬ জন সদস্য হলেন, গ্রামীণ ডায়মন্ড হাউজের কর্ণধার ও বাজুসের সাবেক সভাপতি দিলীপ কুমার রায়, শারমিন জুয়েলার্স ও ডায়মন্ড অ্যান্ড ডিভাসের কর্ণধার এবং বাজুসের বিদায়ী সভাপতি এনামুল হক খান দোলন, সুলতানা জুয়েলার্সের মোহাম্মদ বাবুল মিয়া, ডায়মন্ড সী’র ইমরান চৌধুরী, পি সি চন্দ্র জুয়েলার্সের পবিত্র চন্দ্র ঘোষ, জুয়েলারি হাউজের রিপনুল হাসান, রহমান জুয়েলার্সের মজিবুর রহমান খান, লিলি জুয়েলার্সের বাবলু দত্ত, রজনীগন্ধা জুয়েলার্সের শহিদুল ইসলাম, পার্ল ওয়েসিস জুয়েলার্সের জয়দেব সাহা, সাজনী জুয়েলার্সের ইকবাল উদ্দিন, শতরূপা জুয়েলার্সের কার্তিক কর্মকার, আফতাব জুয়েলার্সের উত্তম ঘোষ, শৈলী জুয়েলার্সের ফেরদৌস আলম শাহীন, জারা গোল্ডের কাজী নাজনীন হোসেন জারা এবং রয়েল মালাবার জুয়েলার্সের আসলাম খান।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় ব্যাংকগুলো

নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় ব্যাংকগুলো

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখমাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘নির্দেশনা কার্যকরে বাড়তি সময়ের দাবি ভেবে দেখা হবে। তবে সার্কুলারের বিষয়ে যেসব অস্পষ্টতা ছিল উভয় পক্ষের আলোচনায় তা পরিষ্কার হয়েছে।’  

ব্যাংকারদের ন্যূনতম বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সময় চায় ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএবির নেতারা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকও বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে। বৈঠকের বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখমাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ‘নির্দেশনা কার্যকরে বাড়তি সময়ের দাবি ভেবে দেখা হবে। তবে সার্কুলারের বিষয়ে যেসব অস্পষ্টতা ছিল উভয় পক্ষের আলোচনায় তা পরিষ্কার হয়েছে।’

এন্ট্রি পর্যায়ের বেতন-ভাতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি, চাকরিচ্যুতি বিষয়ে ২০ জানুয়ারি নির্দেশনা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই সার্কুলারে বলা হয়, আগামী মার্চ থেকে ব্যাংকের এন্ট্রি পর্যায়ে সর্বনিম্ন বেতন ২৮ হাজার ও শিক্ষানবিসকাল শেষে ৩৯ হাজার টাকা। সেখানে শুধু আমানত সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় কাউকে পদোন্নতি বঞ্চিত বা চাকরিচ্যুত করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই নির্দেশনায় উল্লেখ করা ‘পদোন্নতি ও চাকরিচ্যুতি’ বিষয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়ায় মঙ্গলবার আবার স্পষ্ট করে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অদক্ষতার কারণে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে না বা অদক্ষদের পদোন্নতি দিতে হবে- এমন কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। চাকরিচ্যুতির ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রমাণিত অভিযোগ থাকতে হবে। শুধু আমানত সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারা বা কোনো ধরনের প্রমাণিত অভিযোগ ছাড়াই অদক্ষতার অজুহাত দেখিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত অথবা চাকরিচ্যুত অথবা পদত্যাগে বাধ্য করা যাবে না।’

এ নির্দেশনা কার্যকর করতে গিয়ে ব্যাংকগুলো চাপে পড়বে বলে ব্যাংক মালিকরা মনে করেন। তাদের এই উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরতে বুধবার গভর্নর ফজলে কবিরসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সংগঠন এবিবি বৈঠক করে। বৈঠকে বিভিন্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছাড়াও কয়েকজন এমডি উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংক উদ্যোক্তারা এর আগে মঙ্গলবার ব্যাংকারদের চাকরি শুরুর পর্যায়ে বেতন-ভাতা নির্ধারণ, ঋণ আমানতে সুদ হার বেঁধে দেয়া, ছাটাই-পদোন্নতি, ঋণ পরিশোধ না করেও খেলাপিমুক্ত থাকাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা নির্দেশনা নিয়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠক করেন।

সভায় বলা হয়, করোনার মধ্যেও বেশিরভাগ ব্যাংক ভালো কর্মীদের ধরে রাখতে বেতন বৃদ্ধিসহ নানাভাবে উৎসাহিত করছে। ভালো কাজ করা ব্যাংকারদের শুধু অন্য ব্যাংক নয়, অন্য প্রতিষ্ঠানও বেশি বেতন দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ফলে ঢালাওভাবে সবাইকে পদোন্নতি দেয়া হলে তাতে এ খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে। এসব বিবেচনায় না নিয়ে চাকরি স্থায়ী করা ও বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির জন্য আমানত সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জনে শর্ত আরোপ না করার নির্দেশনা আপত্তিকর।

বৈঠকে আরও জানানো হয়, করোনার কারণে ঋণ পরিশোধে ছাড় উঠে যাওয়ার পর ব্যাংকে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাবে। এ নিয়ে তারা যখন দুশ্চিন্তায়, তখন বাংলাদেশ ব্যাংক নানাভাবে আন্তর্জাতিক চর্চাবহির্ভূত সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। এসব বিষয়ে তারা উদ্বেগও প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

অর্থ পাচার রোধে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো আইন চান মন্ত্রী

অর্থ পাচার রোধে দক্ষিণ কোরিয়ার মতো আইন চান মন্ত্রী

প্রতীকী ছবি

অর্থ পাচার রোধে দক্ষিণ কোরিয়াকে দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কোরিয়াতে একসময় বিপুল পরিমাণ মুদ্রা পাচার হতো। এই পাচার রোধে তারা কঠোর আইন করেছে। যারা পাচার করে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছে। যে কারণে ওই দেশে টাকা পাচার কমেছে।’

বিদেশে অর্থ পাচার রোধে দক্ষিণ কোরিয়াকে উদাহরণ টেনেছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। বলেছেন, দেশটি থেকে একসময় অনেক অর্থ পাচার হতো। কঠোর আইন ও শাস্তির কারণে তা বন্ধ হয়েছে। বাংলাদেশেও তাই করা উচিত।

রাজধানীতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বুধবার আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে টাকা পাচার প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। অর্থ পাচার রোধে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে কঠোর হওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘ওভার ইনভয়েসিং (বেশি দাম দেখিয়ে পণ্য আমদানি) ও আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের (বেশি দামের পণ্যকে কম দাম দেখিয়ে রপ্তানি) মাধ্যমে দেশ থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়ে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীসহ সরকারি কর্মকর্তারা কর ফাঁকি দিয়ে এ টাকা পাচার করছেন।

‘এই পাচার প্রতিরোধ করতে হলে কাস্টমস বিভাগের বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে হবে। কীভাবে টাকা পাচার কমানো যায়, সে বিষয়ে কাস্টমসকে কাজ করতে হবে।’

এ বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়াকে দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরেন মন্ত্রী। বলেন, ‘কোরিয়াতে একসময় বিপুল পরিমাণ মুদ্রা পাচার হতো। এই পাচার রোধে তারা কঠোর আইন করেছে। যারা পাচার করে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়েছে। যে কারণে ওই দেশে টাকা পাচার কমেছে।

‘তাদের মতো বাংলাদেশকেও অর্থ পাচার বন্ধে আইন করতে হবে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। ব্যবসায়ীরা যাতে কোনোক্রমেই বিদেশে টাকা পাচার না করতে পারেন সে জন্য কাস্টমসকে ভূমিকা রাখতে হবে।’

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ এবং টেক্স জিডিপির অনুপাত বাড়াতেও সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে যেতে হলে আমাদেরকে আয় বাড়াতেই হবে। এ জন্য সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।’

দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ আর স্বপ্ন নয়, এটি এখন বাস্তবতা। এসডিজি গোল বাস্তবায়নে আমরা অন্যান্য দেশের তুলনায় সবচেয়ে বেশি এগিয়েছি।’

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীও। কর আদায় ও আওতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ‘উপজেলা পর্যন্ত করের আওতা বাড়াতে হবে। বাংলাদেশের কাস্টমস কর্মকর্তাদের বিষয়ে সাধারণ জনগণের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারণা ছিল তা এখন কেটে গেছে। কাস্টমস এখন একটা গর্বের জায়গা।’

বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে শিল্পায়নের পাশাপাশি রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ দরকার বলে জানালেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের লক্ষ্য হচ্ছে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে যাওয়া। এ জন্য মাথাপিছু আয় বাড়াতে হবে ৫ হাজার ৫০০ ডলার। এই লক্ষ্য অর্জন করতে হলে শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নাই। আমাদের এক্সপোর্ট বাড়াতে হলে পণ্যের বহুমুখীকরণ করতে হবে। এ জন্য এনবিআর ও প্রাইভেট সেক্টরকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

শুধু রাজস্ব আদায়ের ভূমিকাই না, দেশের স্থানীয় শিল্পের সুরক্ষায় এনবিআর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বলে জানালেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

কর-জিডিপি অনুপাত কম হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে বিপুল পরিমাণ কর ছাড় দেয়া হচ্ছে। প্রাইভেট সেক্টরের পাশাপাশি সরকারিভাবেও কর ছাড়ের চাপ আছে। যে কারণে কর আদায় ব্যাহত হচ্ছে। এটাও ঠিক যে কর ছাড়ের কারণে উন্নয়ন প্র্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেজাদ মুনিম, বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনবিআরের সদস্য (শুল্কনীতি) মাসুদ সাদিক।

ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামসহ অনুষ্ঠানে ২০ কাস্টমস কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানকে ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশনের সার্টিফিকেট অফ মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন

ব্যবসায়ীদের প্রধান অন্তরায় তিনটি: সিপিডি

ব্যবসায়ীদের প্রধান অন্তরায় তিনটি: সিপিডি

সিপিডির সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশে ব্যবসা পরিবেশ ২০২১ উদ্যোক্তা জরিপ ফলাফল’ তুলে ধরা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

সিপিডির মতে, দুর্নীতি, অদক্ষ প্রশাসন ও অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা দেশের ব্যবসার সম্প্রসারণের পথে মাথাব্যথার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর বাইরে ট্যাক্স রেট সমস্যা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে না পারা, স্বাস্থ্যসম্মত কর্ম পরিবেশ ও কর্মীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে না পারাকেও ব্যবসার সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

দেশের ব্যবসায়ীরা বর্তমানে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য এসেছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) থেকে। চ্যালেঞ্জগুলো হলো দুর্নীতি, অদক্ষ প্রশাসন ও অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা।

সিপিডির মতে, তিনটি চ্যালেঞ্জ দেশের ব্যবসার সম্প্রসারণের পথে মাথাব্যথার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর বাইরে ট্যাক্স রেট সমস্যা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে না পারা, স্বাস্থ্যসম্মত কর্ম পরিবেশ ও কর্মীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে না পারাকেও ব্যবসার সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

বুধবার সিপিডির ‘বাংলাদেশে ব্যবসা পরিবেশ ২০২১ উদ্যোক্তা জরিপ ফলাফল’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, ৬৮ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করেন অদক্ষতা, দুর্নীতি, আর্থিক সমস্যা ব্যবসার প্রধান অন্তরায়। দুর্নীতির চ্যালেঞ্জ ৫২ শতাংশ বড় ব্যবসায়ীদের জন্য। ক্ষুদ্র উদ্যােক্তাদের শতভাগ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ব্যবসার ব্যয় সবার কাছে সমান নয়। ৬৩ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করেন করোনাকালে প্রণোদনা প্যাকেজ বণ্টন দুর্বল ছিল, আর ৪২ শতাংশ ব্যবসায়ী মনে করে দেশের অর্থনীতি চাপে রয়েছে।

কোভিড-পরবর্তী ব্যবসা পরিবেশের পরিস্থিতি জানার জন্য সিপিডি গত বছরের মার্চ থেকে জুন সময়ে উদ্যোক্তা জরিপ পরিচালনা করে। এ জরিপে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর ও চট্টগ্রামের ৭৩ জন উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ী অংশগ্রহণ করেন।

জরিপকালে উদ্যোক্তারা মোট ১২টি সুনির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর তাদের মতামত প্রদান করেন। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে প্রতিষ্ঠান, পরিবেশ, অবকাঠামো, জনস্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষা এবং দক্ষতা, শ্রমবাজারের দক্ষতা এবং ব্যবসার উদ্ভাবনের মতো বিষয়গুলো।

২০২০ সালে ব্যবসা সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্তও বিবেচনা করা হয়েছে বলে সিপিডির প্রতিবেদনে জানানো হয়। ওই সব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ব্যবসা পরিবেশের মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

শেয়ার করুন

৫৩ গ্রাহকের ৯০ লাখ টাকা ফেরত দিলো কিউকম

৫৩ গ্রাহকের ৯০ লাখ টাকা ফেরত দিলো কিউকম

উদ্বোধনী দিনে ২০ গ্রাহকের অর্ডারের বিপরীতে ৪০ লাখ ২ হাজার ৪২৩ টাকা ছাড় করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার ছাড় করা হয় ৩৩ গ্রাহকের টাকা।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান কিউকম পেমেন্ট গেটওয়ে ফস্টারে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকের ফেরত দিতে শুরু করেছে। দুই দিনে ৫৩ গ্রাহকের তাদের অর্ডারের বিপরীতে ৯০ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৮ টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।

গত সোমবার ও গতকাল মঙ্গলবার দুই দিনে এই টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, যৌথ সমঝোতার ভিত্তিতে কিউকম ও ফস্টার কর্পোরেশনের চিহ্নিত তালিকা থেকে এখন পর্যন্ত ৬৪ লেনদেনের বিপরীতে গ্রাহককে এই পরিমাণ টাকা ফেরত দেয়া হয়। গত সোমবার বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ চিহ্নিত গ্রাহকদের পাওনা টাকা ছাড়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী দিনে ২০ গ্রাহকের অর্ডারের বিপরীতে ৪০ লাখ ২ হাজার ৪২৩ টাকা ছাড় করা হয়েছিল। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার ছাড় করা হয় ৩৩ গ্রাহকের টাকা।

ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে এ টাকা গ্রাহকের কাছে অনলাইনে পেমেন্টে দেয়া হচ্ছে।

বর্তমানে পেমেন্ট গেটওয়ে ফস্টারের কাছে কিউকমের আটকা পড়ে আছে ৩৯৭ কোটি টাকা।

এর মধ্যে গ্রাহকদের অন্তত ১৬৬ কোটি টাকা রয়েছে, যার বিপরীতে পণ্য ডেলিভারি করেনি ই-কমার্স কোম্পানিটি। এতদিন ফস্টারের জব্দ অ্যাকাউন্টে এসব টাকা আটকে ছিল।

গত ২৮ ডিসেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরি সভার সিদ্ধান্তে যেসব গ্রাহক অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করেও পণ্য পাননি, কিউকম ও ফস্টারকে ১০ জানুয়ারির মধ্যে তার একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল কমার্স সেলে জমার নির্দেশনা দেয়া হয়।

নির্দেশনায় ফস্টার করপোরেশন লিমিটেড এবং কিউকম যৌথভাবে যেসব অর্ডারের বিপরীতে কোনো পণ্য সরবরাহ করা হয়নি, অথচ গ্রাহকের পরিশোধিত টাকা ফস্টারে আটকে আছে, তার একটি প্রাথমিক ও আংশিক তালিকা মন্ত্রণালয়ের কাছে দেয়।

তালিকায় বলা হয়, ৬ হাজার ৭২১টি অর্ডারের বিপরীতে গ্রাহকরা পাবেন ৫৯ কোটি ৫ লাখ ১০ হাজার ৩৪৭ টাকা। বাকি গ্রাহকদের অর্ডার ও এর সঙ্গে টাকার পরিমাণ উভয় পক্ষই যাচাই-বাছাই করে দেখছে। যা চূড়ান্ত হলে আবারও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ প্রসঙ্গে ডিজিটাল ই-কমার্স সেল প্রধান ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও আমদানি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত সোমবার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গ্রাহকদের টাকা ছাড়ের যে প্রক্রিয়া শুরু হয় তার সম্পূর্ণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। পর্যায়ক্রমে তালিকাভুক্ত অন্য গ্রাহকও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাদের টাকা ফেরত পাবেন বলেই আশা করছি।’

অর্ডার নিয়েও পণ্য ডেলিভারি না দেয়ায় গত অক্টোবরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন এক গ্রাহক। সে মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এখন কারাগারে আছেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও রিপন মিয়া এবং প্রধান বিপণন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির ওরফে আরজে নিরব।

শেয়ার করুন

ভালুকার সেই কুমির খামারে দুর্দিন

ভালুকার সেই কুমির খামারে দুর্দিন

২০০৪ সালে ভালুকা উপজেলা শহর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে উথুয়া ইউনিয়নের হাতিবেড় গ্রামে ১৫ একর জমিতে মাত্র ৭৪টি কুমির নিয়ে খামারটি যাত্রা শুরু করেছিল। বর্তমানে খামারটিতে আড়াই হাজার কুমির থাকলেও নানা জটিলতায় এখন চলছে দুর্দিন।

বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে কুমির চাষে আশা দেখিয়েছিল ময়মনসিংহের ভালুকায় প্রত্যন্ত গ্রামে গড়ে ওঠা ‘রেপটাইলস ফার্ম লিমিটেড’।

বর্তমানে ছোট বড় মিলিয়ে খামারটিতে প্রায় আড়াই হাজার কুমির থাকলেও আইনি জটিলতায় প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়েছে।

এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি মাশুল গুনছে খামারের কুমিরগুলো। স্বাভাবিক খাবার না পেয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরার উপক্রম হয়েছে এসব প্রাণীর।

খামারে গিয়ে দেখা যায়, মুখ মাটিতে রেখে পানিতে পিঠ ভাসিয়ে স্থির হয়ে আছে প্রচুর কুমির। আওয়াজ না পেলে খুব বেশি নড়চড় নেই। বড় কুমিরগুলোকে কিছুটা আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে দেখা যায়।

২০০৪ সালে উপজেলা শহর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরে উথুয়া ইউনিয়নের হাতিবেড় গ্রামে ১৫ একর জমিতে মাত্র ৭৪টি কুমির নিয়ে খামারটি যাত্রা শুরু করে। ২০১০ সালে জাপানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৬৭টি হিমায়িত কুমির রপ্তানির মধ্য দিয়ে এর বাণিজ্যিক রপ্তানি শুরু।

২০১৯ সাল পর্যন্ত এই খামার থেকে কুমির রপ্তানি হয়েছে। পাঁচবারে জাপানে রপ্তানি করা হয়েছে কুমিরের ১ হাজার ৫০৭টি চামড়া। বর্তমানে খামারে আড়াই হাজার কুমিরের মধ্যে রপ্তানি উপযোগী রয়েছে প্রায় ৫০০টি।

ভালুকার সেই কুমির খামারে দুর্দিন

তবে কোম্পানির ঋণ সংক্রান্ত আইনি জটিলতায় রপ্তানি এখন বন্ধ। এখন শুধু খরচ হচ্ছে, আয় নেই। এ জন্য কুমিরগুলোকে খাবার দেয়া হচ্ছে স্বাভাবিকের চেয়ে কম। প্রজনন ক্ষমতা ও শক্তি হারিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্বল হচ্ছে কুমিরগুলো।

খামারের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু সাইম আরিফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে এসব কুমিরের খাবারে মাসে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা খরচ হতো। এখন সেটা লাখেরও নিচে নেমে গেছে। কারণ ২০২০ সালের অক্টোবরে কোম্পানির অ্যাকাউন্ট জব্দ হলে খাবারের স্বাভাবিক জোগান বন্ধ হয়ে যায়।’

আরিফুল জানান, আইনি জটিলতা ও বিকল্প আয় না থাকায় আশপাশের বিভিন্ন খামার থেকে মরা মুরগি সংগ্রহ করে কুমিরগুলোকে দেয়া হচ্ছে।

আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ডিম থেকে ফুটে রপ্তানিযোগ্য হওয়া পর্যন্ত এদের পেছনে খরচ হতো আড়াইশ ডলার। লাভ হতো দেড় থেকে দুইশ ডলার। বর্তমানে কুমিরগুলো রপ্তানির উপযোগী হলেও আমরা তা পারছি না। কুমিরগুলোর মাংস মাটিচাপা দিয়ে নষ্ট করছি। অথচ কোরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও চীনে কুমিরের মাংসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।’

ভালুকার সেই কুমির খামারে দুর্দিন

তত্ত্বাবধায়ক জানান, খামারে ২২ জন শ্রমিক। সব মিলিয়ে প্রতি মাসে এখন খরচ করা হচ্ছে প্রায় ৯ লাখ টাকা। রপ্তানির অনুমোদন দিয়ে এবং সেখান থেকে আয় দিয়ে কুমিরের খাবারের যোগান দেয়া ছাড়া আর বিকল্প নেই। যদি সেটাও না হয়, তাহলে পুরো ফার্ম বিক্রি করতে হবে।

সূত্র জানায়, খামারটি প্রতিষ্ঠার শুরুতে ৩৬ শতাংশ শেয়ার ছিল মেজবাহুল হকের। আর ১৫ শতাংশ শেয়ার ছিল মুশতাক আহমেদের। তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের ইইএফ প্রকল্পের ঋণ নেয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শেয়ার ছিল তখন ৪৯ শতাংশ।

কুমিরের খাবার, বাচ্চা প্রজনন ও পরিচর্যার কাজে মোটা অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন পড়ায় কার্যত ভালুকার খামারটি সংকটে পড়ে। ২০১২ সালে খামারের শেয়ার ছাড়তে বাধ্য হন মূল উদ্যোক্তা মুশতাক আহমেদ। মালিকানায় চলে আসেন প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পিকে হালদার।

২০১৩ সালের দিকে খামারের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর রেপটাইলস ফার্মের নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ বের করে নেন পিকে হালদার, যা এখন পর্যন্ত শোধ হয়নি। আর্থিক খাতের আলোচিত এই ঋণখেলাপি এখন বিদেশে অবস্থান করছেন। ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব সোমেরও হদিস নেই। সব মিলিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে খামারটির কার্যক্রম।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এমএ আওয়াল তালুকদার বলেন, কুমির ব্যবসা ও চাষের পথিকৃত রেপটাইলস ফার্ম। রপ্তানিতে ব্যাপক চাহিদা ও লাভজনক এ ব্যবসায় সফলতা দেখিয়েছে তারা। তবে, আইনি জটিলতায় খামারটি মুখ থুবড়ে পড়েলেও কুমিরের খাবার সংক্রান্ত কোনো জটিলতা আমার জানা নেই। এমন হয়ে থাকলে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

‘কাগজবিহীন’ কাস্টমস হবে কবে

‘কাগজবিহীন’ কাস্টমস হবে কবে

। কাস্টমস বিভাগের অধীনে দেশের কাস্টম হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলো চলছে প্রচলিত প্রথায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের ৯০টি দেশে কাস্টমস বিভাগের সব কার্যক্রম কাগজ ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ অনেক দিন ধরে এ উদ্যোগ নিলেও তার বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হয়নি এখনও। এমন বাস্তবতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বুধবার ২৬ জানুয়ারি পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস, ২০২২।

আট বছর আগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস বিভাগকে ‘কাগজবিহীন’ বা পেপারলেস করার ঘোষণা দিয়েছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তাতে ব্যবসায়ীরা হয়রানিমুক্ত পরিবেশে ও কম সময়ে রপ্তানিপণ্য খালাস করতে পারবেন।

বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পাশের ভারতসহ বিশ্বের ৯০টি দেশে কাস্টমস বিভাগের পণ্যের অ্যাসেসমেন্ট থেকে শুরু করে শুল্কায়নের সব কার্যক্রম কাগজ ছাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ অনেক দিন ধরে এ উদ্যোগ নিলেও তার বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হয়নি এখনও। কাস্টমস বিভাগের অধীনে দেশের কাস্টমস হাউস ও শুল্ক স্টেশনগুলো চলছে প্রচলিত প্রথায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সহজীকরণ হচ্ছে, তবে ধীরগতিতে। এখনও ব্যবসায়ীদের হয়রানির শিকার হতে হয়, বিশেষ করে পণ্যের শ্রেণীকরণ বা এইচএস কোড নিয়ে।

যোগাযোগ করা হলে ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সাবেক সভাপতি শামস মাহমুদ নিউজবাংলাকে বলেন, পণ্যটি কোন শ্রেণির, তা নির্ধারণ নিয়ে কাস্টমস কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমদানিকারকের প্রায়ই বাগবিতণ্ডা হয়। এতে করে পণ্য খালাসে কালক্ষেপণ হয়। এই জটিলতা নিরসন হওয়া জরুরি বলে মনে করেন তিনি। এনবিআরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেন, একটি কাস্টমস হাউসে গড়ে দৈনিক তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার নথি ব্যবহার করা হয়।

সব কাস্টম হাউস পুরোপুরি অটোমেটেড বা স্বয়ংক্রিয় হলে কাগজের কোনো ফাইল থাকবে না। এতে করে পণ্য খালাসের সময় বাঁচবে। কমবে দুর্নীতি। গতিশীল হবে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।

বর্তমানে এনবিআরের অধীনে চট্টগ্রামসহ বড় কাস্টম হাউস রয়েছে ছয়টি। আর ছোট শুল্ক স্টেশন ১৮৪টি। এর মধ্যে সক্রিয় শুল্ক স্টেশনের সংখ্যা ৩৭টি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, কমলাপুর আইসিডি ও ঢাকা কাস্টম হাউস আংশিক অটোমেটেড চালু হলেও বাকিগুলো এর বাইরে এখনও।

নথি ব্যবহার করে এসব শুল্ক স্টেশনে পণ্য খালাস করার ফলে একদিকে বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অহরহ হয়রানির অভিযোগ উঠছে।

এ বাস্তবতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বুধবার ২৬ জানুয়ারি পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস, ২০২২।

১৯৫৩ সালে বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে কাস্টমস কো-অপারেশন কাউন্সিলের উদ্বোধনী অধিবেশনকে স্মরণ করে প্রতি বছর এ দিনটি আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পৃষ্ঠপোষকতা করে ওয়ার্ল্ড কাস্টমস অর্গানাইজেশন বা ডব্লিউসিও। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও ২০১০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস পালন করে আসছে এনবিআর।

রাজস্ব আহরণে কাস্টমস বা আমদানি শুল্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে এনবিআরের মাধ্যমে আহরিত মোট রাজস্বে আমদানি শুল্কের অবদান ২৯ শতাংশ।

যদিও এই শুল্কের হিস্যা বা অংশ ধীরে ধীরে কমছে। তার জায়গা দখল করে নিচ্ছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের অন্যতম দুটি উৎস আয়কর এবং মূল্য সংযোজন কর– ভ্যাট।

তবে বর্তমানযুগে কাস্টমসের ভূমিকা রাজস্ব আহরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের সার্বিক নিরাপত্তা অর্থনৈতিক গতিশীলতা রক্ষা করা এবং সামাজিক সুরক্ষার মধ্য দিয়ে কাস্টমসের উপস্থিতি স্বীকৃতি পেয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমনসহ অর্থের অবৈধ প্রবাহ রোধে বাংলাদেশ কাস্টমস সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশ কাস্টমস বিভাগকে আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে ২০১৪ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সব কাস্টম হাউসের কর্মকাণ্ডকে কাগজবিহীন করার উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে ওই বছরের জুলাই মাসে দেশের সবচেয়ে বড় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় অটোমেটেড সিস্টেম ফর কাস্টমস ডাটা (অ্যাসাইকুডা) ওয়ার্ল্ড প্লাস চালু করা হয়।

পরে কাস্টম হাউস ঢাকা, কমলাপুর (আইসিডি) কাস্টম হাউসে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড প্লাস চালু করা হয়।

জাতিসংঘের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাডের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এ ব্যবস্থায় বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সব কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়।

রাজস্ব বোর্ডের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, আমদানি করা পণ্যের ১০০ চালানের মধ্যে অন্তত ৪০ শতাংশ মিথ্যা ঘোষণা (পণ্যের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কম মূল্য) দেয়া হয়।

এ কারণে প্রতি বছর সরকার কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারায়। কাস্টমসের আধুনিকায়ন সম্পন্ন হলে পণ্য আমদানিতে ‘ওভার ইনভয়েসিং’ কমবে। এতে করে দেশ থেকে মুদ্রাপাচার রোধ করা যাবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনবিআরের সাবেক সদস্য ফরিদউদ্দিন বলেন, ‘কাস্টমস বিভাগে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন সম্পন্ন হলে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে। শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আসবে। এতে করে ব্যবসার খরচ ও সময় দুটিই কমবে। বাড়বে শুল্ক আদায়। কমবে অর্থপাচার।’

কাস্টমসের আধুনিকায়নে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০১৮ সালে দীর্ঘমেয়াদি স্ট্র্যাটেজিক অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করে।

এ পরিকল্পনার আওতায় পণ্যের শুল্কায়নে কর্মকর্তাদের সর্বনিম্ন হস্তক্ষেপ, মালামাল দ্রুত খালাসের মাধ্যমে বাণিজ্য সহজীকরণ নিশ্চিত করা, ন্যায়সংগতভাবে শুল্ক আদায়, দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করাসহ ১০টি পরিমণ্ডলে কর্মপন্থার খসড়া প্রণয়ন করা হয়। এ সব কর্মপরিকল্পনা শুধু কাগজেই সীমাবদ্ধ।

এ ছাড়া নতুন কাস্টমস আইনের খসড়ায় নানামুখী সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। সবচেয়ে বড় সংস্কার হচ্ছে কাস্টমসের সেবা সহজ করতে ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ড বা ওয়ান স্টপ সার্ভিস কর্মসূচি নেয়া হয়, যা ২০২২ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা।

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে কিছু সংস্কার কার্যক্রম চালু হলেও বেশির ভাগই অগ্রগতি হয়নি।

শেয়ার করুন

ওমিক্রন: ঘুরে দাঁড়ানোর শক্ত চ্যালেঞ্জে বিশ্ব অর্থনীতি

ওমিক্রন: ঘুরে দাঁড়ানোর শক্ত চ্যালেঞ্জে বিশ্ব অর্থনীতি

আইএমএফ বলছে, মহামারি শুরুর তৃতীয় বছরের শুরুতেই বিশ্বজুড়ে চলমান পুনরুদ্ধারের বিষয়টি শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ওমিক্রন দ্রুত বিস্তারের ফলে অনেক দেশে নতুন করে চলাফেরার বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে। এতে বেড়েছে শ্রমের ঘাটতি। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখা দিতে শুরু করেছে অনেক দেশে।

বিশ্ব অর্থনীতি ইস্যুতে খারাপ সংবাদ দিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল -আইএমএফ। সংস্থাটি বলছে, করোনার কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিশ্বজুড়ে যে তোড়জোড় চলছিল, ভাইরাসটির নতুন ধরন ওমিক্রনে সেই ধারা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ব্যাপকভাবে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এতে আকাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে না।

সংস্থাটি বলছে, মহামারি শুরুর তৃতীয় বছরের শুরুতেই বিশ্বজুড়ে চলমান পুনরুদ্ধারের বিষয়টি শক্ত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ওমিক্রন দ্রুত বিস্তারের ফলে অনেক দেশে নতুন করে চলাফেরার বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে। এতে বেড়েছে শ্রমের ঘাটতি। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেখা দিতে শুরু করেছে অনেক দেশে।

এই অনিশ্চিত পরিস্থিতে বিপাকে আছে বিভিন্ন দেশে; যাদের মাথায় রেকর্ড ঋণের বোঝা। আর এটিই বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে আসার মূল কারণ।

‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ হালনাগাদ প্রতিবেদনে মঙ্গলবার বলা হয়েছে, আশা করা হচ্ছিল ২০২২ সালে বিশ্ব অর্থনীতির পুনরুদ্ধার অনেকখানি এগিয়ে যাবে। কিন্তু এখন আর সেটা সম্ভব বলে মনে হচ্ছে না। একটার পর একটা বাধা বা চ্যালেঞ্জ সামনে আসছে। বিশেষ করে ওমিক্রন বিশ্ব অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে মারাত্মকভাবে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২২ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। গত অক্টোবরে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ এর পূর্বাভাসের চেয়ে দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট কম। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের অবস্থা নাজুক হওয়ার কারণে এমনটা ঘটবে বলে মনে করছে আইএমএফ।

গত বছরের ১২ অক্টোবর প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২১ সালে বিশ্ব অর্থনীতিতে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। ২০২২ সালে হবে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।

সবশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হবে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ; যা দশমিক শূন্য দশমিক ৫ পয়েন্ট কম।

ওমিক্রন ঠেকাতে বিভিন্ন দেশে চলাফেরায় বিধিনিষেধ ফের আরোপ হয়েছে। তবে বাড়তে থাকা জ্বালানির দাম ও তা সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মূল্যস্ফীতি হচ্ছে। এরই মধ্যে এর ছাপ দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রসহ উদীয়মান অর্থনীতির কিছু দেশে।

বলা হচ্ছে, চীনের আবাসন খাতে ছাঁটাই এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তাদের খরচ মেটাতে হিমশিম খাওয়ায় মূল্যস্ফীতির পারদ চড়ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনা মহামারি তৃতীয় বছরে (২০২০ সালে শুরু) প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে আছে।

মঙ্গলবারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের পূর্বাভাসের চেয়ে ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে যেতে পারে। আর চীনের ক্ষেত্রে তা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ।

আইএমএফ সতর্ক করছে, পরিস্থিতি না পাল্টালে ২০২৩ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে।

যদিও ২০২২ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বজুড়ে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশাবাদী সংস্থাটি।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কিছু বলা হয়নি। সবশেষ গত ১২ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। আর আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।

শেয়ার করুন