গুলশানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

player
গুলশানের আগুন নিয়ন্ত্রণে

ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিটের চেষ্টায় ৪০ মিনিটের মধ্যেই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হয় আগুন। ছবি: নিউজবাংলা

ফায়ার সার্ভিসের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. রায়হান বলেন, ‘আমরা বিকেল ৪টার দিকে ওই আবাসিক ভবনের ১০ তলায় আগুন লাগার খবর পাই। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। সাড়ে ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আর ৪টা ৪০ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করা হয়।’

রাজধানীর গুলশান-১-এর ১০ নম্বর সড়কের বহুতল আবাসিক ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

ডিএনসিসি মার্কেটের পার্শ্ববর্তী ভবনটিতে সোমবার বিকেল ৪টার দিকে আগুন লাগে। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট। তাদের ৪০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ফায়ার সার্ভিসের গণমাধ্যম কর্মকর্তা মো. রায়হান বলেন, ‘আমরা বিকেল ৪টার দিকে ওই আবাসিক ভবনের ১০ তলায় আগুন লাগার খবর পাই। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। সাড়ে ৪টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আর ৪টা ৪০ মিনিটে আগুন সম্পূর্ণ নির্বাপণ করা হয়।’

ফায়ার সার্ভিস ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক দিনমনি শর্মা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১২ তলা ভবনের নয় তলার একটি ফ্ল্যাটে এসির শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফ্ল্যাটে সাবেক বিচারপতি তারিকুল হাকিম বসবাস করতেন। কোনো হতাহত হয়নি।’

গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসান জানান, ৯ ও ১০ তলা ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটের এসির আউটবক্সে বিস্ফোরণ হয়ে আগুন ধরে যায়। বাসায় কেউ ছিল না। হতাহতের ঘটনা নেই।

আরও পড়ুন:
‘আগুন তুই সব নিলি, আমারে নিলি না ক্যান’
বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ৭দিনের খাদ্য সহায়তার ঘোষণা মেয়র কিরণের
পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’
আগুনে পুড়ল বস্তির ৫০০ ঘর

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দোতলা উপহারের ঘরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘না’

দোতলা উপহারের ঘরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘না’

বিনা মূল্যের প্রত্যেকটি বাড়িতে রয়েছে দুটি করে শয়ন কক্ষ, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট ও একটি লম্বা বারান্দা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস বলেন, ‘বহুতল ভবন করা মানে এখানে ৫০ বছর থাকবে। আমাদের ছিন্নমূল পরিবার যেগুলো আছে, তাদেরকে আশ্রয়ণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এইভাবে যে এখান থেকে পরবর্তীতে তার উত্তরণ ঘটবে। সে জন্য আমরা স্থায়ী অবকাঠামোতে যাইনি।’

ভূমিহীনদের বিনা টাকার ঘর দিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পের জন্য তৈরি ঘর দ্বিতল করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন জেলা প্রশাসকরা। প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান ডিসি সম্মেলনের প্রথম দিনের দ্বিতীয় কার্য অধিবেশনে মঙ্গলবার আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর দ্বিতল করার প্রস্তাব তোলেন ডিসিরা। প্রস্তাবটি নাকচ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সম্পর্কিত এ কার্য অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস।

পরে মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস সাংবাদিকদের বলেন, ‘ডিসিদের পক্ষে একটা প্রস্তাব ছিল, এটা বহুতল ভবন করা যায় কি না। বহুতল ভবন হলে সেটা স্থায়ী হবে, আপনারা সবাই বুঝতে পারেন। কিন্তু আমরা কেন করি না, সেটা হচ্ছে একটা বহুতল ভবন করতে গেলে যে পরিমাণ টাকার প্রয়োজন হবে… প্রধানমন্ত্রীর যে প্রত্যাশা বা নির্দেশনা সেটা হচ্ছে বাংলাদেশে মুজিববর্ষে কেউ ভূমিহীন গৃহহীন থাকবে না।

‘বহুতল ভবন করা মানে এখানে ৫০ বছর থাকবে। আমাদের ছিন্নমূল পরিবার যেগুলো আছে, তাদেরকে আশ্রয়ণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এইভাবে যে এখান থেকে পরবর্তীতে তার উত্তরণ ঘটবে। সে জন্য আমরা স্থায়ী অবকাঠামোতে যাইনি।’

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব বলেন, ‘এ রকম অনেকগুলো প্রস্তাবনা আসে। সেগুলো নিয়ে আমরা তাদেরকে ব্যাখা করে বলি যে এটা সঠিক না।’

তাহলে এ প্রস্তাবটি কি গ্রহণ করা হচ্ছে না, জানতে চাইলে কায়কাউস বলেন, ‘না, গ্রহণ করছি না।’

মুজিববর্ষে কোনো মানুষ গৃহহীন থাকবে না বলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। লক্ষ্যমাত্রার আওতায় ধাপে ধাপে লাখো মানুষকে জমিসহ বিনা মূল্যে বাড়ি নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। কারা কারা এখনও গৃহহীন তাদের খুঁজে বের করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাড়িতে দুটি করে বেডরুম, একটি রান্নাঘর, একটি টয়লেট ও একটি বারান্দা থাকবে।

প্রতিটি বাড়ির নির্মাণে খরচ হচ্ছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে এ প্রকল্পে খরচ হয়েছে ২ হাজার ২৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
‘আগুন তুই সব নিলি, আমারে নিলি না ক্যান’
বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ৭দিনের খাদ্য সহায়তার ঘোষণা মেয়র কিরণের
পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’
আগুনে পুড়ল বস্তির ৫০০ ঘর

শেয়ার করুন

ডোবায় ডুবল ২ বছরের জাবেদ

ডোবায় ডুবল ২ বছরের জাবেদ

প্রতিবেশীর শিশুদের সঙ্গে খেলছিল সে। তখন বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে যায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে ডোবায় ডুবে মো. জাবেদ নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

সদর উপজেলার তালশহর পূর্ব ইউনিয়নের তেলিনগর গ্রামে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় এই ঘটনা ঘটে।

২ বছরের জাবেদ ওই গ্রামের সোহাগ মিয়ার ছেলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক সোলায়মান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জাবেদের পরিবার জানিয়েছে, প্রতিবেশীর শিশুদের সঙ্গে খেলছিল সে। তখন বাড়ির পাশের ডোবায় পড়ে যায়। স্বজনরাই ডোবায় জাবেদের দেহ ভাসতে দেখে তুলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।

চিকিৎসক সোলায়মান মিয়া জানান, পানিতে ডুবে যাওয়ায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই সে মারা যায়।

আরও পড়ুন:
‘আগুন তুই সব নিলি, আমারে নিলি না ক্যান’
বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ৭দিনের খাদ্য সহায়তার ঘোষণা মেয়র কিরণের
পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’
আগুনে পুড়ল বস্তির ৫০০ ঘর

শেয়ার করুন

দার্জিলিংয়ের ‘সাদকি’ কমলা নীলফামারীতে

দার্জিলিংয়ের ‘সাদকি’ কমলা নীলফামারীতে

বাগানে সাদকি কমলার গাছ ধরে ছেলেকে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন লেবু মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকার সাদকি কমলার চাষ করছেন নীলফামারীর লেবু মিয়া। এই কমলার সুখ্যাতি আছে বিভিন্ন দেশে।

‘দেখতে যেমন সুন্দর ও ঝকঝকে, তেমনি খেতেও সুস্বাদু’, নীলফামারীর ‘সাদকি’ কমলার বাগানে ঘুরতে এসে এমন বর্ণনা দিচ্ছিলেন অতুল রায়।

মঙ্গলবার সদর উপজেলার রানগর ইউনিয়নের বাহালিপাড়া এলাকা থেকে কচুকাটা বাজার এলাকার লেবু মিয়ার এই কমলার বাগান দেখতে এসেছিলেন তিনি।

দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকার সাদকি কমলার চাষ করছেন লেবু মিয়া। এই কমলার সুখ্যাতি আছে বিভিন্ন দেশে।

নিউজবাংলাকে অতুল রায় বলেন, ‘ভাবতাম আমাদের দেশে এই ফল চাষ সম্ভব না। কিন্তু এ অসম্ভবও বাংলাদেশে সম্ভব হয়েছে।’

লেবু মিয়ার বাগানে বাগানে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে আছেন তার ছেলে আশেকে রসুল মামুন ওরফে এ আর মামুন। দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি এলাকার এই কমলা দেশের মাটিতে চাষ করে সাফল্য দেখিয়েছেন বাবা ও ছেলে।

শুধু সাদকি কমলাই নয়, চায়না কমলা, সাউথ আফ্রিকান মাল্টা, ভিয়েতনাম মাল্টা, বারি মাল্টা, লিচু, আম, বরই (কূল), কাজুবাদাম, বারোমাসি আমলকি, ত্বীনফল, চেরিফল, আপেল আবাদেও সফল তারা।

সম্প্রতি ১৬ শতাংশ জমিতে মামুনের বাগানে গিয়ে দেখা গেছে, পুষ্টিসমৃদ্ধ সাদকি কমলায় ভরে গেছে ৬০টি গাছ। তিন থেকে সাড়ে তিন বছর বয়সী একটি গাছে কমলা ধরেছে অনন্ত ৪০কেজি। যা ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে বাগানেই। এ ছাড়া ৬০০টি কমলার চারা রাখা হয়েছে চার বিঘা এলাকা জুড়ে।

মামুন বলেন, ‘২০১৩ সালে বাবাকে নিয়ে ভারতের দার্জিলিং যাই। সেখান থেকে দুটি সাদকি কমলার চারা নিয়ে এসে নার্সারিতে লাগাই। পর্যায়ক্রমে বেশ কিছু চারা তৈরি হয়। এখন ৬০টি পরিপূর্ণ গাছে কমলা হচ্ছে। ২০১৭ সাল থেকে কমলা হচ্ছে এ
কমলা বাগানে।’

তিনি জানান, ২০০১ সালে এক বিঘা জমিতে নার্সারি শুরু করেন তার বাবা লেবু মিয়া। বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন শুরু করেন তিনি। বর্তমানে ৪৫ বিঘা জমির নার্সারিতে চাষ করছেন নানা ফল। জমির ১৩ বিঘা নিজের আর বাকি ৩২ বিঘা ভাড়ায় নেয়া হয়েছে।

স্থানীয় রমজান আলী বলেন, ‘মামুন ভাইয়ের বাগানে গেলে মনটা ভরে যায়। চেষ্টা করে সফল হইছেন তিনি। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ তার বাগানের কমলা নিয়ে যাচ্ছেন। চারা নিয়ে যাচ্ছেন বাগান করতে। নীলফামারী এখন কমলার জেলায় পরিচিতি লাভ করছে।’

নার্সারি মালিক লেবু মিয়া জানান, তার বাগানে কমলার দুটি গাছ লাগানোর এক বছর পর ফল দেয়া শুরু করে। গাছের সংখ্যা পরে বাড়ানো হয়। আগে দুজন কাজ করলেও এখন ২৫ জন কাজ করছেন পুরো নার্সারিতে।

তিনি বলেন, ‘এখন ভারত নয় নীলফামারীর সমতল ভূমিতে কমলা আবাদ হচ্ছে। অনেক ভালো মানের কমলা উৎপাদন হচ্ছে। যারা বাগান করতে চান আমার বাগানে দেখে যেতে পারেন।’

ছেলে মামুন বলেন, ‘দেশের ৬৪ জেলায় সাদকি কমলার চারা যাচ্ছে আমাদের বাগান থেকে। বাস-ট্রেন এমনকি কুরিয়ারেও পাঠানো হচ্ছে চারা। বিভিন্ন সময়ে এ বাগান পরিদর্শন করেছেন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

‘সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক সাদকি কমলার খবর পেয়ে আমাকে ফোন করেছিলেন। বাগান পরিদর্শনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নীলফামারীর উপ-পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘এ জেলার মাটি লেবু জাতীয় ফল চাষের জন্য উপযোগী। এখানে আবহাওয়া ও মাটি অনুকূল থাকায় প্রচুর মাল্টা ও কমলার চাষ হচ্ছে।’

নিউজবাংলার প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘সম্ভবনাময় সাদকি কমলার চাষ বাণিজ্যিকভাবে ছড়িয়ে দিতে পারলে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে আমাদের কৃষকরা। অন্যদিকে পুষ্টি চাহিদা পুরণেও এ ফল ভূমিকা রাখবে।’

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নীলফামারীর চিলাহাটিতে আব্দুল্লাহ, সোনারায়ে রিয়াসাত, পঞ্চপুকুরে মনিরুজ্জামান বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির কমলা চাষ করছেন।

আরও পড়ুন:
‘আগুন তুই সব নিলি, আমারে নিলি না ক্যান’
বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ৭দিনের খাদ্য সহায়তার ঘোষণা মেয়র কিরণের
পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’
আগুনে পুড়ল বস্তির ৫০০ ঘর

শেয়ার করুন

হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ আসামির আমৃত্যু কারাদণ্ড

হত্যা মামলায় সাজা পাওয়া আসামিদের নেয়া হচ্ছে কারাগারে। ছবি: নিউজবাংলা

২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে নিখোঁজ হন কুমারখালীর শহিদুল ইসলাম। পাঁচ দিন পর কালিতলা এলাকার একটি ডোবায় পাওয়া যায় তার গলাকাটা মরদেহ।

কুষ্টিয়ায় ১৩ বছর আগের এক হত্যা মামলার রায়ে এক আসামির আমৃত্যু ও দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অনুপ কুমার নন্দী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া আসামি হলেন কুমারখালী উপজেলার কালিতলা এলাকার সালাম মোল্লা এবং যাবজ্জীবন পাওয়া আসামিরা হলেন কুমারখালীর শানপুকুরিয়া এলাকার সাইফুল ইসলাম ও কালিতলা এলাকার রেজাউল জোয়ার্দার কালু।

২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে নিখোঁজ হন কুমারখালীর শহিদুল ইসলাম। পাঁচ দিন পর কালিতলা এলাকার একটি ডোবায় পাওয়া যায় তার গলাকাটা মরদেহ। এ ঘটনায় শহিদুলের বাবা মুনছের আলীর করা মামলায় গ্রেপ্তার হন আসামিরা।

তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
‘আগুন তুই সব নিলি, আমারে নিলি না ক্যান’
বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ৭দিনের খাদ্য সহায়তার ঘোষণা মেয়র কিরণের
পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’
আগুনে পুড়ল বস্তির ৫০০ ঘর

শেয়ার করুন

করোনা টিকার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে টাকা আদায়

করোনা টিকার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে টাকা আদায়

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ে টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের সারি। ছবি: নিউজবাংলা

রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান বলেন, ‘টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ প্রিন্ট করতে কিছু খরচ হয়। সেই খরচের কিছু টাকা শিক্ষার্থীদের দিতে বলা হয়েছে।’

নওগাঁর রাণীনগরে করোনাভাইরাসের টিকার রেজিস্ট্রেশন ও সনদের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এমন অভিযোগ করেছে।

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপজেলার ২১টি স্কুলের প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীকে টিকা দেয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে নিজ স্কুলের ৬৫৪ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ দেয়ার খরচ হিসেবে তাদের কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা নেয়ার বিষয়টি গোপন রাখতেও বলা হয়েছে।

এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ প্রিন্ট করতে কিছু খরচ হয়। সেই খরচের কিছু টাকা শিক্ষার্থীদের দিতে বলা হয়েছে।’

তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমীন জানান, প্রিন্টের জন্য কাগজের ব্যবস্থা তারাই করেছেন।

রুহুল বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার জন্য কারো কাছ থেকে এক পয়সাও নেয়ার কোনো নির্দেশ দেয়া হয়নি। ওই কেন্দ্রে টিকা দেয়ার জন্য যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। তবে প্রধান শিক্ষক কার নির্দেশে এমন জঘন্য কাজ করলেন সে বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের টাকাও ফেরত দেয়া হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খাঁন অংকুর বলেন, ‘টিকা ও টিকা দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম স্বাস্থ্য বিভাগ সরবরাহ করছে। আর কেন্দ্র নির্ধারণ ও কেন্দ্রের যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা করছে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো জানান, তদন্ত করে যারা টাকা নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এর আগে পাবনার একটি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও করোনাভাইরাসের টিকার জন্য টাকা নেয়ার অভিযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
‘আগুন তুই সব নিলি, আমারে নিলি না ক্যান’
বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ৭দিনের খাদ্য সহায়তার ঘোষণা মেয়র কিরণের
পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’
আগুনে পুড়ল বস্তির ৫০০ ঘর

শেয়ার করুন

নাইকো মামলায় খালেদার অভিযোগ শুনানি আবার পেছাল

নাইকো মামলায় খালেদার অভিযোগ শুনানি আবার পেছাল

প্রধানমন্ত্রীর নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিতের পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসভবনে ফেরেন বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে মামলাটিতে খালেদা জিয়ার অব্যাহতির শুনানির তারিখ ছিল।

নাইকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পক্ষে অভিযোগ শুনানির তারিখ আবারও পিছিয়ে দিয়েছে আদালত।

আদালত নতুন তারিখ দিয়েছে আগামী ৮ মার্চ।

মঙ্গলবার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯-এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে মামলাটিতে খালেদা জিয়ার অব্যাহতির শুনানির তারিখ ছিল।

খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি।

আর খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আইনজীবীদের মহাসমাবেশ রয়েছে জানিয়ে শুনানি পেছানোর জন্য সময় চান তার আইনজীবী মাসুদ আহম্মেদ তালুকদার।

আদালত সময় আবেদন গ্রহণ করে আগামী ৮ মার্চ শুনানির জন্য পরের তারিখ দিয়েছে বলে নিউজবাংলাকে জানান খালেদা জিয়ার আরেক আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলা তদন্তের পর ২০০৮ সালের ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন তৎকালীন মুখ্যসচিব কামাল উদ্দীন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সংসদ সদস্য এমএএইচ সেলিম, নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

এর মধ্যে সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন মারা যাওয়ায় তাদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

দুদকের করা অন্য দুই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। সেখান থেকে পরে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায়ই সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পেয়ে তিনি গুলশানের বাসায় যান।

পরে চিকিৎসার জন্য তাকে নেয়া হয় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে। সেখানেই এখন তার চিকিৎসা চলছে।

২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম তেজগাঁও থানায় খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা করেন। কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধনের অভিযোগে এই মামলাটি করা হয়।

আরও পড়ুন:
‘আগুন তুই সব নিলি, আমারে নিলি না ক্যান’
বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ৭দিনের খাদ্য সহায়তার ঘোষণা মেয়র কিরণের
পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’
আগুনে পুড়ল বস্তির ৫০০ ঘর

শেয়ার করুন

গাড়ির চাপায় নারী নিহত

গাড়ির চাপায় নারী নিহত

অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় ওই নারী নিহত হন। ছবি: নিউজবাংলা

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আলী হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য হেঁটে রওনা দেন রিতা। ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে আসলে ময়মনসিংহগামী একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’

ময়মনসিংহের ভালুকায় অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় এক নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

উপজেলায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ৪৫ বছরের রিতা আক্তারের বাড়ি ভরাডোবা গ্রামের ক্লাবের বাজার এলাকায়। ভরাডোবা বাসস্ট্যান্ডের একটি হোটেলে তিনি কাজ করতেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আলী হোসেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য হেটে রওনা দেন রিতা। ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে আসলে ময়মনসিংহগামী একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

‘সড়কের পাশে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অজ্ঞাত গাড়িটি সনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
‘আগুন তুই সব নিলি, আমারে নিলি না ক্যান’
বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড: ৭দিনের খাদ্য সহায়তার ঘোষণা মেয়র কিরণের
পোড়া ঘরে পড়ে আছে ‘সুইটির বই’
আগুনে পুড়ল বস্তির ৫০০ ঘর

শেয়ার করুন