অলিগলিতে অনুমোদনহীন ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার

player
অলিগলিতে অনুমোদনহীন ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার

ফরিদপুরে অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক। ছবি: নিউজবাংলা

সরেজমিনে দেখা গেছে, শুধু উপজেলা সদরেই ক্লিনিক রয়েছে ছয়টি। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা ১৪টি। এর মধ্যে অনুমোদন আছে হাতেগোনা কয়েকটির। আবার কয়েকটির লাইসেন্স থাকলেও তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে অনেক আগেই। অনেক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স পর্যন্ত নেই।

ফরিদপুরের মধুখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এবং উপজেলা সদরের আনাচ-কানাচে অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠেছে একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক।

প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব চিকিৎসক, নার্স, প্যাথলজিস্ট বা টেকনিশিয়ানও নেই, অথচ সাইনবোর্ড লাগিয়ে সাধারণ রোগীদের জীবন নিয়ে করছে ব্যবসা।

সরকারি তদারকি না থাকায় দালালচক্রের মাধ্যমে অসাধু ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা রোগীদের ঠকিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। অথচ এ বিষয়ে নেয়া হচ্ছে না কার্যকর পদক্ষেপ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শুধু উপজেলা সদরেই ক্লিনিক রয়েছে ছয়টি। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা ১৪টি। এর মধ্যে অনুমোদন আছে হাতেগোনা কয়েকটির। আবার কয়েকটির লাইসেন্স থাকলেও তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে অনেক আগেই। অনেক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স পর্যন্ত নেই।

ক্লিনিকগুলোতে বাইরের চিকিৎসক দিয়ে সিজারিয়ান অপারেশনও করা হচ্ছে নিয়মিত। কয়েকটি ক্লিনিকে আবার অস্ত্রোপচার করছেন সহযোগী চিকিৎসকরা। কিছু ক্লিনিকে নেই অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত। এ ছাড়া পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা।

সম্প্রতি জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এমন চারটি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হলেও তা মানা হয়নি। উপসম ক্লিনিক, কবিতা ক্লিনিক, সুমী প্রাইভেট হাসপাতাল ও দি শাপলা ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামে প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা একজন জানান, তাদের নিজস্ব কোনো চিকিৎসক ও নার্স নেই। প্রসূতি এলে তারা ফরিদপুর থেকে চিকিৎসক এনে সিজারিয়ান অপারেশন করেন। লাইসেন্স আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আবেদন করা হয়েছে, এখনও অনুমোদন পাননি।

একটি ক্লিনিকে এক্স-রে করতে যাওয়া আসমা বেগম জানান, উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক বাইরে থেকে এক্স-রে করতে বলেছেন। তাই বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে দ্বিগুণ টাকায় এক্স-রে করিয়েছেন।

প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় ইসিজি, আল্ট্রাসনোগ্রামসহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষায়ও তাদের কাছ থেকে ইচ্ছামতো টাকা আদায়ের অভিযোগ করেন তিনি।

শরিফ নামে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক কর্মচারী জানান, বেশির ভাগ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্যাথলজিস্ট নেই। যেগুলোতে রয়েছে তারা কেউই ডিপ্লোমা করা না। বেশির ভাগই দেখে দেখে শেখা লোক। তাদের দিয়েই পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ করানো হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, কিছু প্রতিষ্ঠান আবার রোগী আসার পর নমুনা ফরিদপুর নিয়ে পরীক্ষা করে এনে রিপোর্ট দেয়। সেই খরচও রোগীর কাছ থেকে তোলা হয়।

মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবদুস সালাম বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে যেসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন নেই সেগুলো বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

লাইসেন্সের বিষয়ে বলেন, ‘কেউ কেউ লাইসেন্সের জন্য আবেদনও করেছে। আবার অনেকে আবেদন করেনি। লাইসেন্স পাওয়ার জন্য যে দিকনির্দেশনা রয়েছে, তা বেশির ভাগেরই নেই।

‘এক মাস সময় দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র ঠিক করতে বলা হয়েছে। এর ব্যত্যয় হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিকুর রহমান চৌধুরী জানান, অনুমোদনহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে শিগগিরই তারা ব্যবস্থা নেবেন।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ক্লিনিক-ব্লাড ব্যাংক বন্ধের নির্দেশ
নওগাঁয় ৪ ক্লিনিককে জরিমানা
অব্যবস্থাপনার ক্লিনিক বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত
অনুমোদনহীন তিনটি ক্লিনিকে তালা
কিশোরগঞ্জে পাঁচ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড

হত্যা মামলায় সাজা পাওয়া আসামিদের নেয়া হচ্ছে কারাগারে। ছবি: নিউজবাংলা

২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে নিখোঁজ হন কুমারখালীর শহিদুল ইসলাম। পাঁচদিন পর কালিতলা এলাকার একটি ডোবায় পাওয়া যায় তার গলাকাটা মরদেহ।

কুষ্টিয়ায় ১৩ বছর আগের এক হত্যা মামলার রায়ে এক আসামির আমৃত্যু ও দুই জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাজুল ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অনুপ কুমার নন্দী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া আসামি হলেন কুমারখালী উপজেলার কালিকাতলা এলাকার সালাম মোল্লা এবং যাবজ্জীবন পাওয়া আসামিরা হলেন কুমারখালীর শানপুকুরিয়া এলাকার সাইফুল ইসলাম ও কালিতলা এলাকার রেজাউল জোয়ার্দার কালু।

২০০৯ সালের ২৩ মে রাতে নিখোঁজ হন কুমারখালীর শহিদুল ইসলাম। পাঁচদিন পর কালিতলা এলাকার একটি ডোবায় পাওয়া যায় তার গলাকাটা মরদেহ। এ ঘটনায় শহিদুলের বাবা মুনছের আলীর করা মামলায় গ্রেপ্তার হন আসামিরা।

তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ক্লিনিক-ব্লাড ব্যাংক বন্ধের নির্দেশ
নওগাঁয় ৪ ক্লিনিককে জরিমানা
অব্যবস্থাপনার ক্লিনিক বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত
অনুমোদনহীন তিনটি ক্লিনিকে তালা
কিশোরগঞ্জে পাঁচ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

শেয়ার করুন

করোনা টিকার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে টাকা আদায়

করোনা টিকার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে টাকা আদায়

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ে টিকা নিতে আসা শিক্ষার্থীদের সারি। ছবি: নিউজবাংলা

রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান বলেন, ‘টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ প্রিন্ট করতে কিছু খরচ হয়। সেই খরচের কিছু টাকা শিক্ষার্থীদের দিতে বলা হয়েছে।’

নওগাঁর রাণীনগরে করোনাভাইরাসের টিকার রেজিস্ট্রেশন ও সনদের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

রাণীনগর উপজেলার আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এমন অভিযোগ করেছে।

আবাদপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপজেলার ২১টি স্কুলের প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া হচ্ছে। তাদের মধ্যে নিজ স্কুলের ৬৫৪ জনকে টিকা দেয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ দেয়ার খরচ হিসেবে তাদের কাছ থেকে ১০ থেকে ২০ টাকা নেয়া হয়েছে। টাকা নেয়ার বিষয়টি গোপন রাখতেও বলা হয়েছে।

এই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সোবহান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও সনদ প্রিন্ট করতে কিছু খরচ হয়। সেই খরচের কিছু টাকা শিক্ষার্থীদের দিতে বলা হয়েছে।’

তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমীন জানান, প্রিন্টের জন্য কাগজের ব্যবস্থা তারাই করেছেন।

রুহুল বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়ার জন্য কারো কাছ থেকে এক পয়সাও নেয়ার কোনো নির্দেশ দেয়া হয়নি। ওই কেন্দ্রে টিকা দেয়ার জন্য যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। তবে প্রধান শিক্ষক কার নির্দেশে এমন জঘন্য কাজ করলেন সে বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের টাকাও ফেরত দেয়া হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কে এইচ এম ইফতেখারুল আলম খাঁন অংকুর বলেন, ‘টিকা ও টিকা দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ অন্যান্য সরঞ্জাম স্বাস্থ্য বিভাগ সরবরাহ করছে। আর কেন্দ্র নির্ধারণ ও কেন্দ্রের যাবতীয় খরচের ব্যবস্থা করছে উপজেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো জানান, তদন্ত করে যারা টাকা নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এর আগে পাবনার একটি স্কুলের শিক্ষার্থীরাও করোনাভাইরাসের টিকার জন্য টাকা নেয়ার অভিযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ক্লিনিক-ব্লাড ব্যাংক বন্ধের নির্দেশ
নওগাঁয় ৪ ক্লিনিককে জরিমানা
অব্যবস্থাপনার ক্লিনিক বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত
অনুমোদনহীন তিনটি ক্লিনিকে তালা
কিশোরগঞ্জে পাঁচ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

শেয়ার করুন

গাড়ির চাপায় নারী নিহত

গাড়ির চাপায় নারী নিহত

অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় ওই নারী নিহত হন। ছবি: নিউজবাংলা

ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আলী হোসেন বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য হেঁটে রওনা দেন রিতা। ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে আসলে ময়মনসিংহগামী একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’

ময়মনসিংহের ভালুকায় অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় এক নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

উপজেলায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ৪৫ বছরের রিতা আক্তারের বাড়ি ভরাডোবা গ্রামের ক্লাবের বাজার এলাকায়। ভরাডোবা বাসস্ট্যান্ডের একটি হোটেলে তিনি কাজ করতেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ভরাডোবা হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আলী হোসেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য হেটে রওনা দেন রিতা। ভরাডোবা এতিমখানা মাদ্রাসার সামনে আসলে ময়মনসিংহগামী একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

‘সড়কের পাশে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অজ্ঞাত গাড়িটি সনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ক্লিনিক-ব্লাড ব্যাংক বন্ধের নির্দেশ
নওগাঁয় ৪ ক্লিনিককে জরিমানা
অব্যবস্থাপনার ক্লিনিক বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত
অনুমোদনহীন তিনটি ক্লিনিকে তালা
কিশোরগঞ্জে পাঁচ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

শেয়ার করুন

স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

স্বামী হত্যায় স্ত্রী ও প্রেমিকের যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম জানান, আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন।

বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

একই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উল্লাপাড়া উপজেলার কয়ড়া হরিশপুর গ্রামের আছিয়া খাতুন ও মোহনপুর লাহিড়ীপাড়া গ্রামের রমজান আলী।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের স্টেনোগ্রাফার রাশেদুল ইসলাম।

এজাহারে বলা হয়, আছিয়া খাতুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই রমজান আলীর বিয়েবহির্ভূত সম্পর্ক চলে আসছিল। এর জেরে রমজান আলী আছিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু আছিয়া খাতুন তার স্বামী জীবিত আছে এমন কারণ দেখিয়ে বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।

পরবর্তী সময়ে প্রেমের বাধা দূর করতে পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক ২০১৬ সালের ১ জুন সন্ধ্যায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তারা আছিয়ার স্বামী আবু বক্কার মন্ডলকে হত্যা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই আবু হানিফ উল্লাপাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেয়।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ক্লিনিক-ব্লাড ব্যাংক বন্ধের নির্দেশ
নওগাঁয় ৪ ক্লিনিককে জরিমানা
অব্যবস্থাপনার ক্লিনিক বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত
অনুমোদনহীন তিনটি ক্লিনিকে তালা
কিশোরগঞ্জে পাঁচ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

শেয়ার করুন

‘দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই’

‘দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই’

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ চান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। ছবি: নিউজবাংলা

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। এটা দেখে যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের বিবেক ঘুমিয়ে রয়েছে। আজকে তাদের ওপর হামলা, কালকে আমাদের ওপর- এভাবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বেড়ে চলছে। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ‌‌‌‌‌‌‌‌হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় তারাও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ চান।

মানববন্ধনে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী রাজু বড়ুয়া বলেন, ‘শাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শিক্ষার্থীদের দাবি না মেনে উল্টো হামলা চালিয়েছে। এমন অযোগ্য ব্যক্তি ভিসি থাকতে পারেন না, তার অপসারণ চাই।’

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের মতো শিক্ষার্থীরা হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। এটা দেখে যদি আমাদের বিবেক জাগ্রত না হয়, তাহলে বুঝতে হবে আমাদের বিবেক ঘুমিয়ে রয়েছে।

‘আজকে তাদের ওপর হামলা, কালকে আমাদের ওপর- এভাবে দিন দিন শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা বেড়ে চলছে। আমাদের দাবি একটাই, উপাচার্যের পদত্যাগ চাই।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। রোববার আন্দোলনের চতুর্থ দিনে এসে তা সহিংসতায় রূপ নেয়।

এদিন বিকেলে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করলে সন্ধ্যায় অ্যাকশনে যায় পুলিশ। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ক্যাম্পাস। লাঠিচার্জ, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ছুড়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকের সামনে অবস্থা নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তাদের অভিযোগ, ভিসির নির্দেশেই পুলিশ হামলা ও গুলি চালিয়েছে।

এই বিক্ষোভের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও হল ছাড়ার নির্দেশনা আসে। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে রোববার রাত থেকেই আন্দোলন শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।

এ সময় বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরাও এসে যোগ দেন এই বিক্ষোভে। তারা উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগ দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

সোমবার আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন শিক্ষার্থীরা। ফলে মঙ্গলবার সকালে ক্যাম্পাসে এসেও নিজেদের কার্যালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। তাদের নিজ নিজ ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

মঙ্গলবারও উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। বাসভবনের ভেতরেই রয়েছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

সোমবার উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ দাবি করেন, এই আন্দোলনে ইন্ধন দিচ্ছে বহিরাগতরা।

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ক্লিনিক-ব্লাড ব্যাংক বন্ধের নির্দেশ
নওগাঁয় ৪ ক্লিনিককে জরিমানা
অব্যবস্থাপনার ক্লিনিক বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত
অনুমোদনহীন তিনটি ক্লিনিকে তালা
কিশোরগঞ্জে পাঁচ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

শেয়ার করুন

শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলা-গুলির অভিযোগ পুলিশের

শাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলা-গুলির অভিযোগ পুলিশের

শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। গুলি ছুড়েছে। আমাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পুলিশ।

মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় দুই-তিন শ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে সোমবার রাতে সিলেটের জালালাবাদ থানায় এই মামলা করেন।

তিন দফা দাবিতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রোববার সন্ধ্যায় পুলিশের সংঘর্ষ হয়। অবরুদ্ধ উপাচার্যকে মুক্ত করতে গিয়ে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করলে এই সংঘাত বাধে। এতে পুলিশ, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের নির্দেশে পুলিশ তাদের ওপর হামলা ও গুলি করে।

তবে এবার শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ এনে মামলা করল পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, রোববার আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ২০০ থেকে ৩০০ ‘উচ্ছৃঙ্খল’ শিক্ষার্থী পুলিশের কাজে বাধা দেয়।

সরকারি আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এ ছাড়া পুলিশকে লক্ষ্য করে শিক্ষার্থীরা গুলি ছোড়ে ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।

এতে মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখসহ ১০ পুলিশ আহত হন বলে উল্লেখ করা হয় মামলায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ওই দিন পুলিশ ২১টি সাউন্ড গ্রেনেড ও ৩২ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছোড়ে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জালালবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু খালেদ মামুন বলেন, ‘রোববারের যে ঘটনা তার পরিপ্রেক্ষিতে একটি মামলা হয়েছে। মামলায় ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তবে কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারও করা হয়নি।’

তবে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে শিক্ষার্থী জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘পুলিশ আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা করেছে। গুলি ছুড়েছে। আমাদের অনেকেই গুলিবিদ্ধ। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’

পুলিশের গুলি ছোড়ার অভিযোগ অস্বীকার করে সোমবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়া মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুলিশ কোনো গুলি ছোড়েনি। ওই দিন ক্যাম্পাসে গুলি আনেনি পুলিশ।’

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ক্লিনিক-ব্লাড ব্যাংক বন্ধের নির্দেশ
নওগাঁয় ৪ ক্লিনিককে জরিমানা
অব্যবস্থাপনার ক্লিনিক বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত
অনুমোদনহীন তিনটি ক্লিনিকে তালা
কিশোরগঞ্জে পাঁচ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

শেয়ার করুন

বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত ২ শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর

বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত ২ শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর

পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাইয়ের বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত তিন শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে সোলাইমান ও মো. রবিন নামে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।’

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার সোনাপাহাড় এলাকায় অবস্থিত বিএসআরএম কারখানায় কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হয়েছেন ৩ শ্রমিক। তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

এরমধ্যে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে দায়িত্বরত পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার।

মঙ্গলবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘সোমবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মিরসরাইয়ের বিএসআরএম কারখানায় বিদ্যুতায়িত তিন শ্রমিককে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক তাদের হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে সোলাইমান ও মো. রবিন নামে দুই শ্রমিকের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অপর আহত শ্রমিক হলেন মো. শাহিন।’

তারা তিনজনই কারখানার বিদ্যুৎ বিভাগে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত বলে জানান জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন। তিনি বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যা থেকে তারা কারখানায় বিদ্যুতের কাজ করছিলেন। হঠাৎ বিদ্যুতায়িত হয়ে তিনজন আহত হন। পরে কারখানার সহকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।’

বিএসআরএম-এর ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা তাদের চিকিৎসার বিষয়ে সহযোগিতা করছি।’

আরও পড়ুন:
মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ারের ক্লিনিক-ব্লাড ব্যাংক বন্ধের নির্দেশ
নওগাঁয় ৪ ক্লিনিককে জরিমানা
অব্যবস্থাপনার ক্লিনিক বন্ধ করল ভ্রাম্যমাণ আদালত
অনুমোদনহীন তিনটি ক্লিনিকে তালা
কিশোরগঞ্জে পাঁচ ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে জরিমানা

শেয়ার করুন