নগর পরিবহন চালুর উদ্যোগ শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে

player
নগর পরিবহন চালুর উদ্যোগ শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে রোববার বাস রুট র‍্যাশনালাইজেশনের বৈঠক হয়। ছবি: নিউজবাংলা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমরা ১ ডিসেম্বর থেকে ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে পাইলটিং কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন খাতে অসহযোগিতার কারণে আমরা হোঁচট খেয়েছি। গণপরিবহনে দীর্ঘদিনের যে বিশৃঙ্খলা তাতে অনেক অংশীজন রয়েছে। সবাইকে শৃঙ্খলার আওতায় আনাটা দুরূহ কাজ।’

ঢাকায় পরিকল্পিত নগর পরিবহন চালুর উদ্যোগ শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে। কেরানীগঞ্জের ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে কাঙ্ক্ষিত নগর পরিবহন সেবা চালুর উদ্যোগ ঝুলে গেছে। ডিসেম্বরের প্রথম দিন থেকে এই রুটে বাস চলার কথা থাকলেও বাস মালিকদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে এই রুটে একশ’ বাস নিয়মিত চলাচল করবে-এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকার দুই মেয়র।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনে রোববার বাস রুট র‍্যাশনালাইজেশনের ১৯তম বৈঠক শেষে দুই মেয়র সংবাদ সম্মেলন করে এমন তথ্য জানান। ঢাকা শহরের পরিবহনে শৃঙ্খলা আনার জন্য বাস রুট র‌্যাশনালাইজেশন কমিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

বৈঠকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সভাপতিত্ব করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বাস মালিকদের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ আনেন ঢাকার দুই সিটি মেয়র। তবে বাংলাদেশে সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলেন, ‘সহযোগিতা ছিল, আছে এবং থাকবে। এটা ভুল বোঝাবুঝি মাত্র।’

মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘আমরা ১ ডিসেম্বর থেকে ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে পাইলটিং কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয়, নির্ধারিত তারিখে ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন খাতে অসহযোগিতার কারণে আমরা হোঁচট খেয়েছি। কিন্তু তাতে আমরা পিছপা হইনি। গণপরিবহনে দীর্ঘদিনের যে বিশৃঙ্খলা তাতে অনেক অংশীজন রয়েছে। সবাইকে শৃঙ্খলার আওতায় আনাটা দুরূহ কাজ।’

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘আমরা দৃঢ়তার সঙ্গেই কাজটা হাতে নিয়েছি। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমরা সংকল্পবদ্ধ। ১ ডিসেম্বর না করা গেলেও ওই মাসেই তা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এর আগের মিটিংয়ে বলা হয়েছিল যে ৪২০টি রুট পারমিট দিলেই ১২০টি নতুন গাড়ি তারা নামাবেন। বাস মালিকরা গত মিটিংয়ে এমন প্রতিশ্রিুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা ৪২০টি রুটে পারমিশন দিতে চাইনি। তারপর দক্ষিণের মেয়র মহোদয়ের কাছে তারা অনুরোধ করলেন। কিন্তু শর্ত ছিল এটাই। সেই শর্তের ভিত্তিতে আমরা চুক্তিতে সই করেছিলাম। কিন্তু দুঃখের বিষয়, ওনারা যে কথা দিয়েছিলেন সে অনুযায়ী আমরা বাস পাইনি। এখানে কথার বড়খেলাপ হচ্ছে। রুটটিতে নির্ধারিত দিনে বাস সার্ভিস চালু না হওয়ার এটাই আসল কারণ।

‘এ অবস্থায় ঘাটার চর থেকে কাঁচপুরের সাইনবোর্ড পর্যন্ত বিআরটিসির সহায়তায় ২৬ ডিসেম্বর থেকে একশ’ বাস নামানোর উদ্যোগ নিতে আমরা বাধ্য হয়েছি। বিআরটিসি বাস দেয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছে। এ ছাড়া ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে কেউ এই রুটে বাস চালানোর আবেদন করলে সুযোগ দেয়া হবে। আমরা এখন উন্মুক্ত করে দিয়েছি। আমাদের কিছুটা কঠোর হতে হয়েছে।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন রুটে গাড়ি চালাচলে কোনো নিয়ম মানা হচ্ছে না। আজকের মিটিংয়ে আরো সিদ্ধান্ত হয়েছে, ‘নির্দিষ্ট রুট ছাড়া অন্য রুটে কেউ বাস চালাতে পারবে না। ঢাকা শহরে রুট পারমিটবিহীন অনেক গাড়ি চলছে, সেগুলো আর চলতে দেয়া হবে না। ১ ডিসেম্বর থেকে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, বিআরটিএ, ডিএমপিসহ আমরা অভিযানে নামবো। যারা এক রুটে পারমিট নিয়ে অন্য রুটে গাড়ি চালাচ্ছে তাদেরও ধরা হবে। আমরা সবকিছুকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে চাচ্ছি। নতুন রুট পারমিটও আর দেয়া হবে না।’

উত্তর সিটির মেয়র বলেন, ‘ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর নতুন রুটে পিক আওয়ারে যাত্রী দাঁড়াবে (অপেক্ষার সময়) ৫ মিনিট আর অফ পিক আওয়ারে ১০ মিনিট। এ ছাড়া নতুন রুটে ই-টিকিটিং সিস্টেমে বাসগুলো চলবে।

রুট পারমিট ছাড়া চলা নিষিদ্ধ ও নতুন রুট পারমিট না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজি কমিটির আছে কীনা জানতে চাইলে ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, ‘গণপরিবহনকে শৃঙ্খলায় আনার জন্য যে কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেটির পূর্ণাঙ্গ কার্যপরিধির আওতায় আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মূল কথা হলো ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনা।’

মেয়র তাপস বলেন, ‘এই রুটে একশ’ বাসের মধ্যে বিআরটিসি দিচ্ছে ৩০টি। বাকিগুলোর ক্ষেত্রে আমরা গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে নতুন বিনিয়োগকারী নেব। আমরা ৭০টি বাসকে রুট পারমিট দেব। সেটা একটি প্রতিষ্ঠান হতে পারে, আবার দশটিও হতে পারে। এরপর প্রয়োজন বুঝে বাসের সংখ্যা কমানো বা বাড়ানো হতে পারে। বাস মালিক সমিতিকে সুযোগ দেয়া হয়েছি। তারা ব্যর্থ হওয়ায় আমরা এটি উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। এখন অন্যরাও আসতে পারবে।

ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে বর্তমানে চলাচল করা বাসগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে কীনা জানতে চাইলে মেয়র তাপস বলেন, ‘বিদ্যমান বাসগুলো চলতে পারবে। তবে শর্ত হলো, ২০১৯ সালের আগের কোন বাস চলতে পারবে না। রুট পারমিট ও বিআরটিএ’র রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। এসব বাসের মালিক ১২ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করলে বিবেচনা করা হবে।

‘আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে চিহ্নিত এক হাজার ৬৪৬টি রুট পারমিটবিহীন বাসের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। রুট পারমিটবিহীন অবৈধ বাসগুলো জব্দ করে ধ্বংস করা হবে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভাষানটেকে ভবন থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

ভাষানটেকে ভবন থেকে পড়ে শ্রমিক নিহত

ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ভাষানটেক থেকে একজন নির্মাণ শ্রমিককে ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

রাজধানীর ভাষানটেক এলাকায় একটি বহুতল ভবন থেকে পড়ে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

নিহত ব্যক্তির নাম বাদল মিয়া। বয়স ৪৫ বছর। শনিবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের সঙ্গে কাজ করা আরেক শ্রমিক গুলজার হোসেন বুলু বলেন, ‘মাটিকাটা দেওয়ানপাড়া এলাকায় বহুতল ভবনের চতুর্থ তলায় কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত দ্বিতীয় তলার ছাদে পড়ে যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

তিনি আরও জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি বগুড়ার সোনাতলা এলাকায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিক্যালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ভাষানটেক থেকে একজন নির্মাণশ্রমিককে ঢাকা মেডিক্যালে আনার পর দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

শেয়ার করুন

অডিটর নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁস, গ্রেপ্তার ১০

অডিটর নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁস, গ্রেপ্তার ১০

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতরা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ে ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের ৫৫০ জন অডিটর পদে নিয়োগের জন্য ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে শুক্রবার বিকেলে এমসিকিউ পরীক্ষা হয়। চাকরি প্রত্যাশীদের অনেকে অভিযোগ তোলেন, এই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। যার সত্যতা পেল ডিবি পুলিশও।

প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ে ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টে অডিটর পদসহ বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং উত্তর সরবরাহের অভিযোগে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন বরখাস্তকৃত সরকারি কর্মকর্তা ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানও।

প্রতিরক্ষা মহাহিসাব নিরীক্ষকের কার্যালয়ে ডিফেন্স ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের ৫৫০ জন অডিটর পদে নিয়োগের জন্য ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ পর্যন্ত ৭০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা হয়। চাকরি প্রত্যাশীদের অনেকে অভিযোগ তোলেন, এই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশও এর সত্যতা পেয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস ও আগেই উত্তর সরবরাহ করার অভিযোগে শুক্রবার রাত ১০টা পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুর, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও কাকরাইল এলাকা থেকে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নোমান সিদ্দিকী, মাহমুদুল হাসান আজাদ, আল আমিন রনি, নাহিদ হাসান, শহীদ উল্লাহ, তানজির আহমেদ, মাহবুবা নাসরীন রুপা, রাজু আহমেদ, হাসিবুল হাসান ও রাকিবুল হাসান।

তাদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান আজাদ হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (সিজিএ) অফিসের বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা এবং মাহবুবা নাসরীন রুপা বগুড়ার ধ্রুপচাঁচিয়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ইয়ার ডিভাইস ৬টি, মাস্টার কার্ড মোবাইল সিম হোল্ডার ৬টি, ব্যাংকের চেক ৫টি, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৭টি, স্মার্ট ফোন ১০টি, বাটন মোবাইল ৬টি, প্রবেশপত্র ১৮টি ও অডিটর নিয়োগ পরীক্ষার ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র তিন সেট জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ কাকরাইলের নিউ শাহিন হোটেল থেকে অসাধু উপায় অবলম্বনকারী দুজন পরীক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাফরুল সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে ডিভাইস, প্রশ্নপত্র ও উত্তর পত্রের খসড়াসহ আরও ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশের আরও একটি দল বিজিপ্রেস উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে পরীক্ষার্থী এবং অন্যতম পরিকল্পনাকারী মাহবুবা নাসরীন রূপাকে টাকা, ডিজিটাল ডিভাইসসহ গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে তার দেয়া তথ্যমতে অপর আসামিদেরকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মধ্যে মাহমুদুল হাসন আজাদ, নাহিদ হাসান, অল আমিন সিদ্দিকী আগেও প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ২০১৩, ২০১৬ এবং ২০১৯ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। আসামিরা অন্যান্য আসামিদের যোগসাজশে বিভিন্ন অ্যাপ, ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা হল থেকে প্রশ্ন ফাঁস করে দেয়া, বাইরের রুমে ওয়ানস্টপ সমাধান কেন্দ্র বসিয়ে স্মার্ট ওয়াচ, এয়ার ডিভাইস, মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে উত্তর সরবরাহ করার কাজ করতেন।

ডিবি পুলিশ জানায়, এর আগে গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন ব্যাংক, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ, সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন হিসাব নিরীক্ষক কার্যালয়, জ্বালানি অধিদপ্তর, সমবায় অধিদপ্তর, খাদ্য অধিদপ্তর, সাধারণ বিমা করপোরেশনসহ অন্যান্য সংস্থার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং উত্তরপত্র সরবরাহ করে বিপুল অঙ্কের টাকা বিভিন্ন ব্যাংক, বিকাশের মাধ্যমে এবং নগদে হাতিয়ে নিয়েছেন।

শেয়ার করুন

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে যুবককে হত্যা

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার রাতে মোহাম্মদ আমির হোসেন আকন্দ নিহত হন। তার বয়স ২৮ বছর।

নিহতের ভগ্নিপতি রুবেল হোসেন বলেন, ‘আমার শ্যালক আমির দোকানে দোকানে পানি সাপ্লাইয়ের কাজ করত। রাতে আমার বাসা থেকে সালাম নামের একজন ডেকে নিয়ে যায়, পরে রাস্তায় তাকে ছুরিকাঘাত করে বালাম, কবীর ও হুমায়ুন।

‘রক্তাক্ত অবস্থায় আমিরের বন্ধু মিলন ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে ডাক্তার রাত পৌনে ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

রুবেলের দাবি, ‘৫ থেকে ৬ মাস আগে কবীর ও হুমায়ুনের একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এর জের ধরেই আজকে তাকে ছুরিকাঘাত করে মেরে ফেলেছে। এ ঘটনায় সালামকে আমরা আটক করে মোহাম্মদপুর থানায় দিয়েছি।’

নিহত আমিরের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার ছোট কৃষ্ণনগর গ্রামে। বর্তমানে লালবাগের শহীদ নগর ৫ নম্বর গলি এলাকায় ভাড়া থাকতেন। পাঁচ ভাই, তিন বোনের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন আমির।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

শেয়ার করুন

ট্রান্সজেন্ডার নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা

ট্রান্সজেন্ডার নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা

শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা থানায় ভুক্তভোগীর করা মামলায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এক বাসায় ট্রান্সজেন্ডার এক নারীকে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক নারীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নারী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শুক্রবার রাজধানীর ভাটারা থানায় ভুক্তভোগীর করা মামলায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তার মোবাইলসহ মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ওসি সাজেদুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মামলাটি আজই (শুক্রবার) হয়েছে। তদন্তে অভিযুক্তদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মামলার আসামিদের দুজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন রিশু ও সাইমা নিরা। অন্যজন অজ্ঞাত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ট্রান্সজেন্ডার নারী একজন মেকআপ আর্টিস্ট। সে সূত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। ১০ জানুয়ারি বিকেলে ওই যুবকের সঙ্গে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি-সংলগ্ন একটি রেস্টুরেন্টের সামনে তার দেখা হয়। ওই যুবক কথার একপর্যায়ে জানান, তার স্ত্রী ওই ট্রান্সজেন্ডার নারীর ভক্ত। স্ত্রীকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্য তাকে তার বাসায় যাওয়ার অনুরোধ করেন।

এজাহারে ভুক্তভোগী জানান, তিনি ওই যুবকের কথা বিশ্বাস করে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সি ব্লকে ৫ নম্বর সড়কের এক বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে যান। সেখানে যাওয়ার পর তিনি এক নারী ও আরেকজন পুরুষকে দেখতে পান।

ওই তিনজন ভুক্তভোগীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ করে। এতে বাধা দিলে তিনজন তাকে মারধর শুরু করেন এবং বলতে থাকেন এই ভিডিও তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে। এ সময় তিনজন নিজেদের আইনের লোক পরিচয় দেন। তাদের কাছে অস্ত্র ও ওয়াকিটকি ছিল বলে জানান তিনি।

মামলায় আরো অভিযোগ করা হয়, ভুক্তভোগীর কাছে থাকা মোবাইল ফোন, সোনার চেইন, নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। এরপর তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে বলা হয়, না দিলে মেরে পূর্বাচলে ফেলে দেয়া হবে।

পরবর্তী সময়ে প্রাণ ভিক্ষা চাইলে তাকে থানায় নিয়ে যাবে বলে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরিয়ে রাত ৮টার দিকে রামপুরা এলাকায় একটি হাসপাতালের সামনে ফেলে যায়।

এদিকে ট্রান্সজেন্ডার ওই ব্যক্তির অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটের অভিযুক্ত নারী। একটি রেডিওতে আরজে হিসেবে কাজ করেছেন দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে তার কখনও দেখা হয়নি। আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে।’

কোনো পরিচয় না থাকলে কেন তাকে ফাঁসানো হচ্ছে- এমন প্রশ্নে ওই নারী বলেন, ‘আমার কাছ থেকে টাকা আদায় করার জন্য এমনটি করতে পারে। আর ওই ট্রান্সজেন্ডার যে মিথ্যাচার করছে, তার সব প্রমাণসহ আমার ফেসবুকে পোস্ট দেব। মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকেও জানাব।’

শেয়ার করুন

দুই বাসের চাপায় মৃত্যু: মামলার প্রতিবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি

দুই বাসের চাপায় মৃত্যু: মামলার প্রতিবেদন ২২ ফেব্রুয়ারি

দুর্ঘটনায় পড়া বাসটিকে রেকারে করে সরিয়ে নিচ্ছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

বৃহস্পতিবার বিকেলে মগবাজার মোড়ে এসে প্রতিযোগিতা করতে থাকে আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের দু’টি বাস। এই রেষারেষির পাল্লায় বাস দুটির মাঝখানে চাপা পড়ে কিশোর রাকিব।

রাজধানী মগবাজারে দুই বাসের রেষারেষিতে চাকায় পিষ্ট হয়ে কিশোর মো. রাকিবের মৃত্যুর ঘটনায় হওয়া মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২২ ফেব্রুয়ারি তারিখ ঠিক করেছে আদালত।

ঢাকার মহানগর হাকিম মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী শুক্রবার মামলার এজাহার গ্রহণ করে রমনা থানার উপ-পরিদর্শক আবুল খায়েরকে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মগবাজার মোড়ে এসে প্রতিযোগিতা করতে থাকে আজমেরী গ্লোরী পরিবহনের দু’টি বাস। এই রেষারেষির পাল্লায় বাস দুটির মাঝখানে চাপা পড়ে কিশোর রাকিব। গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক জানান যে সে মারা গেছে।

এ ঘটনায় রাকিবের বাবা নুরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার রাতে রমনা থানায় সড়ক দুর্ঘটনা আইনে মামলা করেন।

শেয়ার করুন

শিমু হত্যার দায় স্বীকার করে স্বামীর জবানবন্দি

শিমু হত্যার দায় স্বীকার করে স্বামীর জবানবন্দি

স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেলের সঙ্গে অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু। ছবি: সংগৃহীত

আদালত পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘রিমান্ড চলাকালেই বৃহস্পতিবার আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর শেষ বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তা তাদের আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করেন।’

অভিনেত্রী রাইমা ইসলাম শিমু হত্যা মামলায় স্বামী খন্দকার শাখাওয়াত আলীম নোবেল ও তার বন্ধু এস এম ওয়াই আব্দুল্লাহ ফরহাদ আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

২১ শুক্রবার ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের আদালত পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘রিমান্ড চলাকালেই গতকাল বৃহস্পতিবার আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর শেষ বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তা তাদের আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন করেন।

‘সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের হাকিম সাইফুল ইসলাম নোবেলের এবং আরেক জ্যেষ্ঠ হাকিম মিশকাত শুকরানা আব্দুল্লাহ ফরহাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

গত ১৮ জানুয়ারি এ দুই আসামিকে মামলার তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তিন দিনের হেফাজতে নেয় পুলিশ।

শিমুকে খুনের বিষয়ে পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার বলেন, ‘১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়ভাবে সংবাদ পেয়ে কলাতিয়া ফাঁড়ির পুলিশ এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ও কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হযরতপুর ইউনিয়ন পরিষদের আলীপুর ব্রিজ থেকে ৩০০ গজ উত্তর পাশে পাকা রাস্তাসংলগ্ন ঝোপের ভেতর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় অজ্ঞাতনামা ৩২ বছর বয়সী এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করে।

‘মৃতদেহের পরিচয় শনাক্ত করার জন্য আঙুলের ছাপ নেয়া হয়। পোস্টমর্টেমের জন্য মৃতদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে মৃতদেহের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তদন্তকালে জানা যায়, মৃতদেহটি চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমুর।’

তিনি বলেন, ‘খুনিরা যদিও খুবই পরিকল্পিতভাবে লাশটি কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন হযরতপুরে ফেলে যায়। তবে তারা কিছু চিহ্ন রেখে যায়। আমরা গুরুত্বপূর্ণ আলামত জব্দ করি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিমুর স্বামী নোবেল এবং তার বাল্যবন্ধু এস এম ওয়াই আব্দুল্লাহকে রাতেই কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নিয়ে আসি। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের ফলে শিমুর স্বামী ও তার বন্ধুর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়।

‘বিভিন্ন পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে নোবেলের সঙ্গে দাম্পত্য কলহ শুরু হয় শিমুর। দাম্পত্য কলহের জেরে ১৬ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক ৭-৮টার মধ্যে যেকোনো সময় খুন হন শিমু। তার লাশ গুম করতে সহায়তা করেন আব্দুল্লাহ ফরহাদ।’

তারা খুন করার পর শিমুর বস্তাবন্দি লাশ গাড়িতে নিয়ে গুম করা ও আলামত নষ্ট করার জন্য ২ ঘণ্টা ধরে ঘোরাঘুরির পর উল্লিখিত স্থানে ঝোপের মধ্য লাশ ফেলে আসেন।

এরপর লাশ শনাক্ত হলে শিমুকে হত্যার ঘটনায় তার ভাই হারুনুর রশীদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।

শেয়ার করুন

অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, এক পরিবারের তিনজন নিহত

অটোরিকশায় বাসের ধাক্কা, এক পরিবারের তিনজন নিহত

রাজধানীর মাতুয়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনের মৃত্যু হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ফাইল ছবি

একই পরিবারের চার সদস্য বরিশাল থেকে ভোরে লঞ্চে করে ঢাকায় আসেন। তারা সদরঘাট থেকে অটোরিকশায় মাতুয়াইলের বাসার উদ্দেশে রওনা হন। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে মাতুয়াইল এলাকাতেই দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার মাতুয়াইলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার সকাল ৭টা ৫ মিনিটে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আয়ান মাহমুদ দীপ।

নিহত তিনজন হলেন ৬০ বছর বয়সী আব্দুর রহমান, ৪০ বছরের রিয়াজুল ইসলাম ও ৩৫ বছর বয়সী মোছাম্মৎ শারমিন। তারা বরিশাল থেকে লঞ্চে ঢাকায় এসে অটোরিকশায় করে বাসায় যাচ্ছিলেন।

দুর্ঘটনায় আহত হন অটোরিকশার চালক ৩৫ বছর বয়সী রফিকুল ইসলাম ও ছয় বছরের বৃষ্টি। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

দুর্ঘটনায় হতাহত চারজনেরই গ্রামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুরে৷ মাতুয়াইলে ভাড়া বাসায় থাকতেন তারা।

নিহত তিনজনের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আয়ান মাহমুদ দীপ নিউজবাংলাকে জানান, একই পরিবারের চার সদস্য বরিশাল থেকে ভোরে লঞ্চে করে ঢাকায় আসেন। তারা সদরঘাট থেকে অটোরিকশায় মাতুয়াইলের বাসার উদ্দেশে রওনা হন। গন্তব্যে পৌঁছানোর আগে মাতুয়াইল এলাকাতেই দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।

তিনি আরও জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে নেয়ার পর চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। দুজনের চিকিৎসা চলছে।

শেয়ার করুন