জগন্নাথে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

player
জগন্নাথে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

দ্বাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২১ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনলাইন প্লাটফর্মে হয়।

প্রতিযোগিতা থেকে শীর্ষ ১০ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হন। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর হবে বলে আমি আশাবাদী। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করব তারা যেন এমন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘দ্বাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২১ (ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চল)’ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনলাইন প্লাটফর্ম ‘জুম’-এ বাংলাদেশ গণিত সমিতির উদ্যোগে এবং এ. এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এই অলিম্পিয়াড হয়।

শুক্রবার এ গণিত অলিম্পিয়াডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চলের মোট ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬টি বিভাগ থেকে ১১৮ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিতা থেকে ১০ প্রতিযোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হন। তারা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবায়ের রহমান, কাজী হাফিজুর রহমান, রেদওয়ানুল ইসলাম সিয়াম, শোভা ইসলাম, মো. তারিকুজ্জামান শাকিল ও পার্থ সুত্রধর; বুয়েটের রিদওয়ানুল হাসান তানভীর; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাসনিম রহমান মীম; ঢাবির মো. রিয়াজুল হাসান লিয়ন এবং হাসান কিবরিয়া।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর হবে বলে আমি আশাবাদী। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করব তারা যেন এমন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।’

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, বাংলাদেশ গণিত সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী, এ. এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি মো. নুরুল আলম এবং গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম সহ অন্যান্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু
রোবট অলিম্পিয়াডে দুটি স্বর্ণসহ বাংলাদেশের ১৫ পদক
২২তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড শেষ করল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শাবি উপাচার্য ভবন পানি-বিদ্যুৎহীন

শাবি উপাচার্য ভবন পানি-বিদ্যুৎহীন

ভিসির বাসভবনের পানি-বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয় আন্দোলনকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো লক্ষণ নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমরা উপাচার্যকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হব।’

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের বাসভবনের পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে এই জরুরি পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে দেন শিক্ষার্থীরা।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্দোলকারী শিক্ষার্থী সাদিয়া আফরিন।

অনশনের পরও উপাচার্য (ভিসি) পদত্যাগ না করলে তাকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে রোববার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ।

এর আগে শিক্ষার্থীরা তাদের মঞ্চ থেকে ঘোষণা দেন, রোববারের পর থেকে উপাচার্যের বাসভবনে পুলিশ ছাড়া আর কেউ ঢুকতে পারবেন না। তার বাসায় পানি, বিদ্যুৎসহ সব পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হবে।


সংবাদ সম্মেলনে এসে শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো লক্ষণ নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমরা উপাচার্যকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হব।

‘তখন তার বাসার জরুরি পরিষেবাও (পানি, বিদ্যুৎ) বন্ধ করে দেব আমরা। আর আজ থেকে পুলিশ ছাড়া কেউ তার বাসায় প্রবেশ করতে পারবেন না।’

উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তার পদত্যাগ দাবিতে গত ১৭ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার থেকে একই স্থানে অনশন শুরু করেন ২৪ শিক্ষার্থী।

বাসভবনের সামনে অবস্থানের কারণে গত ১৭ জানুয়ারি থেকেই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী ইয়াছির সরকার বলেন, ‘এই উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। মৃত্যুবরণ করার আগ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। অনশনের চেয়ে বড় কোনো অহিংস আন্দোলন হতে পারে না। আমরা এটিই চালিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু
রোবট অলিম্পিয়াডে দুটি স্বর্ণসহ বাংলাদেশের ১৫ পদক
২২তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড শেষ করল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

চাকরির পরীক্ষায় বসতে লাগবে টিকা সনদ

চাকরির পরীক্ষায় বসতে লাগবে টিকা সনদ

টিকা সনদ। ফাইল ছবি

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নুর আহমদ বলেন, ‘সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যই চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় টিকা সনদ সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।’

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) অধীন সব পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে চাকরিপ্রার্থীদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নেয়ার সনদ সঙ্গে রাখতে হবে।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নুর আহমদের সই করা অফিস আদেশ থেকে রোববার এ তথ্য জানা যায়।

এ বিষয়ে নুর আহমেদ বলেন, ‘সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্যই চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় টিকা সনদ সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।’

অফিস আদেশে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যেকোনো পদের প্রিলিমিনারি টেস্ট, লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীদের কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার পরামর্শ প্রদান করা হলো। টিকা গ্রহণ করে এ-সংক্রান্ত প্রমাণপত্র বা সনদপত্র সংগ্রহ করে পরীক্ষার সময় সঙ্গে রাখতে হবে।’

এতে আরও বলা হয়, ‘পরীক্ষার্থী, পরীক্ষক এবং পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য টিকা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি বেশ কিছু বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় পিএসসিও পদক্ষেপ গ্রহণ করল।

আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু
রোবট অলিম্পিয়াডে দুটি স্বর্ণসহ বাংলাদেশের ১৫ পদক
২২তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড শেষ করল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

শাবি উপাচার্য ভবনে পানি-বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা

শাবি উপাচার্য ভবনে পানি-বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা

শাবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে টানা আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো লক্ষণ নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমরা উপাচার্যকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হব।’

অনশনের পরও উপাচার্য (ভিসি) পদত্যাগ না করলে তাকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে রোববার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ।

এর আগে শিক্ষার্থীরা তাদের মঞ্চ থেকে ঘোষণা দেন, রোববারের পর থেকে উপাচার্যের বাসভবনে পুলিশ ছাড়া আর কেউ ঢুকতে পারবে না। তার বাসায় পানি, বিদ্যুৎসহ সব পরিষেবা বন্ধ করে দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এসে শিক্ষার্থীদের পক্ষে মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত উপাচার্যের পদত্যাগের কোনো লক্ষণ নেই। এ অবস্থা চলতে থাকলে আমরা উপাচার্যকে পূর্ণ অবরুদ্ধ করতে বাধ্য হবো।

‘তখন তার বাসার জরুরি পরিষেবাও (পানি, বিদ্যুৎ) বন্ধ করে দেব আমরা। আর আজ থেকে পুলিশ ছাড়া কেউ তার বাসায় প্রবেশ করতে পারবেন না।’


শাবি উপাচার্য ভবনে পানি-বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা


উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তার পদত্যাগ দাবিতে গত ১৭ জানুয়ারি থেকে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার থেকে একই স্থানে অনশন শুরু করেন ২৪ শিক্ষার্থী।

বাসভবনের সামনে অবস্থানের কারণে গত ১৭ জানুয়ারি থেকেই অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। তবে তার বাসায় প্রতিদিনই শিক্ষক, কর্মকর্তা, পুলিশ ও সাংবাদিকরা যাওয়া-আসা করছেন। চালু রয়েছে তার বাসার সব জরুরি পরিষেবাও।

উপাচার্যের বাসার সামনে মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা হবে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থী ইয়াছির সরকার বলেন, ‘এই উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। মৃত্যুবরণ করার আগ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। অনশনের চেয়ে বড় কোনো অহিংস আন্দোলন হতে পারে না। আমরা এটিই চালিয়ে যাব।’

আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু
রোবট অলিম্পিয়াডে দুটি স্বর্ণসহ বাংলাদেশের ১৫ পদক
২২তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড শেষ করল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

সেই ৭ কলেজের পরীক্ষা সশরীরেই

সেই ৭ কলেজের পরীক্ষা সশরীরেই

নীলক্ষেত অবরোধ করে আন্দোলন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি

২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্সের ২২ ও ২৫ জানুয়ারির পরীক্ষা আগামী ২৬ ও ২৯ জানুয়ারি নেয়া হবে৷ ২০১৮ সালের মাস্টার্স প্রথম পর্বের ২৩ ও ২৬ জানুয়ারির পরীক্ষা আগামী ২৬ ও ২৯ জানুয়ারি নেয়া হবে৷

করোনার বিধিনিষেধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ করে দেয়া হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের স্থগিত পরীক্ষা সশরীরে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী চলবে পরীক্ষা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে রোববার অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার।

তিনি বলেন, ‘অনলাইন বৈঠকে পরীক্ষা চলমান রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৷ সেশনজট নিরসনের জন্যই এ সিদ্ধান্ত৷ পরীক্ষাগুলো যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠিত হবে৷’

বৈঠকের পর স্থগিত হওয়া পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস৷ নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ২০১৮ সালের ডিগ্রি পাস ও সার্টিফিকেট কোর্সের ২২ ও ২৫ জানুয়ারির পরীক্ষা আগামী ২৬ ও ২৯ জানুয়ারি নেয়া হবে৷

২০১৮ সালের মাস্টার্স প্রথম পর্বের ২৩ ও ২৬ জানুয়ারির পরীক্ষা আগামী ২৬ ও ২৯ জানুয়ারি নেয়া হবে৷

করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষাঙ্গনে দ্বিতীয়বারের মতো সশরীরে ক্লাস বন্ধ করে দেয়ার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের পরীক্ষাও স্থগিত হয়ে যায়।

দীর্ঘ সেশনজটে ভুগতে থাকা সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন নীলক্ষেত এলাকায় বিক্ষোভ করেন। তাদের রাস্তা অবরোধে ওই এলাকায় সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চত্বরের সামনে অবস্থান নেন।

এই সাতটি কলেজ হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হয়ে এই সাতটি কলেজ ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীভুক্ত হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একাংশ আন্দোলনে নামে। তবে তাদের এই আপত্তি ধোপে টেকেনি।

আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু
রোবট অলিম্পিয়াডে দুটি স্বর্ণসহ বাংলাদেশের ১৫ পদক
২২তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড শেষ করল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

অনশনে অনড় শাবি শিক্ষার্থীরা, আলোচনা নিয়ে শঙ্কা

অনশনে অনড় শাবি শিক্ষার্থীরা, আলোচনা নিয়ে শঙ্কা

শিক্ষার্থী ইয়াছির সরকার বলেন, ‘আজ দুপুরে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের সবশেষ আলাপ হয়েছে। তিনি আমাদের সম্ভব হলে অনশন ভেঙে আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন... এরপর তাদের সঙ্গে আমাদের আর কোনো আলাপ হয়নি।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সংকট নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক দফা ভার্চুয়ালি বৈঠক করলেও কোনো সমাধান হয়নি।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের অনশন ভেঙে আলোচনায় আসার প্রস্তাব দেন। তবে উপাচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানান শিক্ষার্থীরা।

এ অবস্থায় আজ দুপুরে আবারও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীপু মনির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে এদিন বিকেল ৫টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৈঠক হয়নি।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ইয়াছির সরকার বলেন, ‘আজ দুপুরে শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের সর্বশেষ আলাপ হয়েছে। তিনি আমাদের সম্ভব হলে অনশন ভেঙে আলোচনায় আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

‘তবে আমরা তাকে বলেছি, এতটা মানুষের জীবনের চাইতে একজনের পদ রক্ষা করা কি মূল্যবান। তিনি এ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি। এরপর তাদের সঙ্গে আমাদের আর কোনো আলাপ হয়নি।’

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে না এলে পুনরায় আলোচনা না-ও হতে পারে।

শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি উপাচার্যের পদত্যাগ, এ ব্যাপারে সরকার থেকে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি।

শিক্ষামন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে শনিবার শাবি ক্যাম্পাসে এসেছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।

তিনি রোববার বিকেলে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কিছুক্ষণ আগেও আমার আলাপ হয়েছে। তিনি শিক্ষার্থীদের অনশন ভেঙে আলোচনায় আসার অনুরোধ জানিয়েছেন। অনশনরত শিক্ষার্থীদের কষ্ট তিনি মেনে নিতে পারছেন না।’

নাদেল বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী সব আলোচনায় প্রস্তুত। তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য আলোচনা করতে উদ্গ্রীব হয়ে আছেন। কিন্তু আলোচনা যৌক্তিকভাবে করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যদি নিজ দাবিতে অনড় থাকেন, তাহলে আলোচনা কতটুকু সফল হবে সেই প্রশ্ন থেকে যায়।

‘শনিবারের আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী একটি ছাড়া শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। বাকি দাবি লিখিত আকারে দিতে বলেছেন। তাদের আইনগত ও অ্যাকাডেমিক সমস্যা যাতে না হয় তা দেখবেন বলেছেন। এই অবস্থায় শিক্ষার্থীদেরও কিছুটা এগিয়ে আসা উচিত।’

এখনও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছেন জানিয়ে নাদেল বলেন, ‘আমি আজ দুপুরেও আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের শিক্ষামন্ত্রীর অনুরোধের কথা জানিয়েছি। আশা করছি তারা মন্ত্রীর অনুরোধ রাখবেন।’

আলোচনায় দুই পক্ষকেই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন নাদেল।

উপাচার্য ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শনিবার মধ্যরাতে ভার্চুয়ালি বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘মন্ত্রী আমাদের অনশন ভাঙার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন থেকে সরব না।’

শনিবার রাত থেকে নতুন করে অনশন শুরু করেছেন আরও চার শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু
রোবট অলিম্পিয়াডে দুটি স্বর্ণসহ বাংলাদেশের ১৫ পদক
২২তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড শেষ করল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

হামলার দায় প্রশাসন এড়াতে পারে না: শাবি শিক্ষকদের বিবৃতি

হামলার দায় প্রশাসন এড়াতে পারে না: শাবি শিক্ষকদের বিবৃতি

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা চরম হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করেছি এ সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও বাস্তবে উল্লেখিত তদন্ত কমিটি কোনো রকম অগ্রগতি করেছে বলে দৃশ্যমান হচ্ছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে-যাওয়া ঘটনার দায়ভার কোনোভাবেই প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এড়াতে পারেন না।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রশাসন দায় এড়াতে পারে না বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদের’ নেতারা।

শিক্ষকদের এই প্যানেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ মস্তাবুর রহমানের এক বিবৃতিতে শনিবার রাতে এমন দাবি জানানো হয়।

হামলার ছয়দিন পর এ ঘটনায় শিক্ষকদের কোনো পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি এলো।

সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন চলাকালে গত ১৬ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। ওই দিন সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা করে উপাচার্যকে মুক্ত করে পুলিশ। দুইপক্ষের সংঘর্ষ শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন।

হামলার পর ওই রাত থেকেই উপাচার্য, প্রক্টরিয়াল বডি ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। এই দাবিতে আমরণ অনশনও চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের তিনটি বলয় রয়েছে। আওয়ামী-বামপন্থি শিক্ষকদের প্যানেল ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্তচিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষক পরিষদ’। আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ’ ও বিএনপি-জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল শিক্ষক পরিষদ’।

বিশ্ববিদ্যলয়ের প্রক্টর ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মুক্তচিন্তা চর্চায় ঐক্যবদ্ধ শিক্ষক পরিষদ’। আর শনিবার বিবৃতি দেয়া ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ’ প্রশাসনিক দায়িত্ব থাকা শিক্ষকদের বিরোধী বলয়ের।

‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শিক্ষক পরিষদ’-এর বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জীবন বিপন্ন হতে চলেছে। এমতাবস্থায় শিক্ষক হিসেবে আমরা শুরু থেকেই চলমান সংকট থেকে উত্তরণের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে লক্ষ্য করছি যে, দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের আক্রমণের ব্যাপারে কোনো অফিশিয়াল ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে না-দিয়ে কালক্ষেপণ করে অনশনরত শিক্ষার্থীদের জীবন চরম সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন।

‘আমরা চরম হতাশার সঙ্গে লক্ষ্য করেছি এ সংক্রান্ত একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও বাস্তবে উল্লেখিত তদন্ত কমিটি কোনো রকম অগ্রগতি করেছে বলে দৃশ্যমান হচ্ছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে-যাওয়া ঘটনার দায়ভার কোনোভাবেই প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এড়াতে পারেন না।’

বিবৃতি বলা হয়, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাবতীয় বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ব্যক্তিদের প্রত্যেকের অফিশিয়াল ব্যাখ্যা জনসমক্ষে উপস্থাপন করার দাবি জানান হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু
রোবট অলিম্পিয়াডে দুটি স্বর্ণসহ বাংলাদেশের ১৫ পদক
২২তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড শেষ করল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

‘আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষা অধিদপ্তরের ভবন হলে আন্দোলন’

‘আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষা অধিদপ্তরের ভবন হলে আন্দোলন’

সরকারি আলিয়া মাদ্রাসায় মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ভবন স্থাপনের পরিকল্পনার প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন ছাত্র ফোরামের সদস্যসচিব মাওলানা মোহাম্মদ সুরুজুজ্জামান বলেন, ‘অবিলম্বে এ ধরনের হঠকারী, অযৌক্তিক ও অমানবিক সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এ বিদ্যাপীঠকে রক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র এ দেশের ধর্মপ্রাণ জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।’

রাজধানীর বকশীবাজারের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার নিজস্ব জমিতে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ভবন স্থাপনের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিলসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার প্রাক্তন ছাত্র ফোরাম।

রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) রোববার সংবাদ সম্মেলনে দাবিগুলো তুলে ধরেন প্রাক্তন ছাত্র ফোরামের সদস্যসচিব মাওলানা মোহাম্মদ সুরুজুজ্জামান।

তাদের দাবিগুলো হচ্ছে:

০১. সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার নামে ৪ একর জমি দখলমুক্ত করা।

০২. ছাত্রদের আবাসনসংকট নিরসনে কমপক্ষে আরও দুটি হল নির্মাণ করা।

০৩. বর্তমান ছাত্রদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা।

০৪. ছাত্রাবাস অবিলম্বে খুলে দেয়া।

০৫. ২৫০ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকাকে ‘ঢাকা আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ করা।

লিখিত বক্তব্যে আলিয়া মাদ্রাসা ঢাকার জায়গায় শিক্ষা অধিদপ্তরের ভবন স্থাপনের পরিকল্পনাকে ‘হটকারী’ বলে উল্লেখ করেন সুরুজুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘অবিলম্বে এ ধরনের হটকারী, অযৌক্তিক ও অমানবিক সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় সংগত কারণে ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এ বিদ্যাপীঠকে রক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র এ দেশের ধর্মপ্রাণ জনতাকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমান সরকার সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নিলেও সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা ঢাকার উন্নয়নে তেমন কিছুই করেনি।

প্রাক্তন ছাত্র ফোরামের সদস্যসচিব বলেন, ‘সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার ছাত্রাবাসসহ ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পরিবর্তে এর ভেতর মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের দ্বিমুখী আচরণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাকে অবজ্ঞা করার শামিল।’

আলিয়া মাদ্রাসায় ভবন নির্মাণ সরকারের সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষক, ছাত্র ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ জনতার মাঝে ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্ব সৃষ্টির জন্য আমলাদের কূটকৌশল কি না তা ক্ষতিয়ে দেখার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মাদ্রাসা-ই-আলিয়া ঢাকার জমি দখল করে অন্য প্রতিষ্ঠান করার উদ্যোগ বাস্তবায়ন করলে দেশের আপামর জনতার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে এবং সরকার ও জনতাকে মুখোমুখি অবস্থায় দাঁড় করিয়ে দেবে, যা সরকারের জন্য সুফল বয়ে আনবে না।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্তন ছাত্র ফোরামের আহ্বায়ক মাওলানা আজিজুল হক মুরাদ, সদস্য মাওলানা ইসমাইল ফারুক, মাওলানা আমিনুল হক, শহিদুল ইসলাম কবির, মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুমসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড শুরু
রোবট অলিম্পিয়াডে দুটি স্বর্ণসহ বাংলাদেশের ১৫ পদক
২২তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াড শেষ করল বাংলাদেশ

শেয়ার করুন