ছেলের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকালেন মা-বাবা

player
ছেলের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকালেন মা-বাবা

ওসি বলেন, ‘নাজমা জানান যে সামনে নির্বাচন, তাতে অনেক টাকা খরচ হবে। আগের বার ছেলের বউয়ের আত্মহত্যার মামলা মিমাংসা করতে তার বেশ কিছু জমি বিক্রি করতে হয়েছিল। এবারও আইনি জটিলতায় পড়ে টাকা খরচ হতে পারে এই শঙ্কায় তারা ছেলের মরদেহ গুমের সিদ্ধান্ত নেন।’  

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নিজ বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার নরিনা ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রাম থেকে শুক্রবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ওই যুবকের মা-বাবা পুলিশ ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকে জানিয়েছেন, ছেলে আত্মহত্যা করেছিলেন চারদিন আগে। পুলিশের ও আইনি জটিলতায় টাকা খরচের ভয়ে তারা মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখেন।

মৃত যুবকের নাম আব্দুল করিম। তিনি পিকআপ ভ্যান চালাতেন। তার মা নাজমা খাতুন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র কিনেছেন। করিমের বাবা আলহাজ উদ্দিন কৃষিকাজ করেন।

শাহজাদপুর থানার ওসি শাহিদ মাহমুদ খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য করিমের মা-বাবাসহ চারজনকে আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে।

স্থানীয় চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে করিমের বাবা আলহাজ উদ্দিন তার কাছে গিয়ে ছেলের মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘ছেলে আত্মহত্যা করেছে, মরদেহ ভয়ে আমরা লুকায় রাখছি। ছেলের মা এখন অনেক কান্নাকাটি করছে।’

সাইফুল জানান, তিনিই পরে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছেন। সকালে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

ওসি শাহিদ মাহমুদ খান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাজমা খাতুন জানান যে তার বড় ছেলে নাসিরের স্ত্রী গত বছর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ নিয়ে পুলিশ ও আদালতে তাদের অনেক হয়রানি হয়।

নাজমা পুলিশকে জানান, ছোট ছেলে করিম মাদকাসক্ত ছিলেন। চার দিন আগে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে রাতে নিজের ঘরে ঢুকে ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন।

ওসি বলেন, ‘মরদেহ কেন লুকিয়ে রাখা হলো জিজ্ঞেস করলে নাজমা জানান যে সামনে নির্বাচন, তাতে অনেক টাকা খরচ হবে। সেজন্য কিছু টাকা জমিয়ে রাখা আছে। আগের বার ছেলের বউয়ের আত্মহত্যার মামলা মীমাংসা করতে তার বেশকিছু জমি বিক্রি করতে হয়েছিল। এবারও আইনি জটিলতায় পড়ে টাকা খরচ হতে পারে এই শঙ্কায় তারা ছেলের মরদেহ গুমের সিদ্ধান্ত নেন।

'মরদেহ গুমের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'

আরও পড়ুন:
সেপটিক ট্যাংকে নারীর মরদেহ
মাছের ঘেরে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ
সড়কের পাশে নারী-শিশুর গলা কাটা মরদেহ
কারখানার ভবনের নিচে যুবকের মরদেহ
ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রসবের সময় নবজাতকের কপাল কাটায় মামলা

প্রসবের সময় নবজাতকের কপাল কাটায় মামলা

ফুপু হোসনে আরার কোলে আহত নবজাতক। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা সিভিল সার্জন সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই হাসপাতালে গিয়ে তদন্ত করেছি। হাসপাতালের কাগজপত্র হালনাগাদ না থাকায় এর কার্যক্রম বন্ধ করেছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।’

ফরিদপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রসব করানোর সময় নবজাতকের কপাল কেটে ফেলায় চেয়ারম্যান, পরিচালক ও নার্সসহ চারজনের নামে মামলা করেছেন শিশুটির বাবা। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে হাসপাতালের সব ধরনের কার্যক্রম।

শিশুর বাবা শফিক খান কোতোয়ালি থানায় শনিবার রাতে হাসপাতালের চেয়ারম্যান রাহিমা রহমান, তার দুই ছেলে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক জাকারিয়া রহমান মোল্লা পলাশ ও আল হেলাল মোল্লা টগর এবং নার্স চায়না বেগমকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (প্রশাসন ও তদন্ত) গফফার হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বজনরা জানান, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার মইজুদ্দিন মাতব্বরপাড়ার প্রসূতি রুপা বেগমকে শনিবার ফরিদপুর শহরের আল-মদিনা প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসক ছাড়াই রুপার সন্তান প্রসব করান আয়া ও নার্স। এ সময় তারা নবজাতকের কপালের একটি অংশ কেটে ফেলেন। কপাল কেটে যাওয়ায় শিশুটির কপালে নয়টি সেলাই দিতে হয়।

ওসি গফফার বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পলাশ ও চায়না বেগমকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের ধরার চেষ্টা চলছে।’

নবজাতকের কপাল কেটে যাওয়ার অভিযোগের পর শনিবারই হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন জেলা সিভিল সার্জন সিদ্দিকুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফাতেমা করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার।

সিভিল সার্জন বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই হাসপাতালে গিয়ে তদন্ত করেছি। এ কারণে আলাদা করে তদন্ত কমিটি করা হয়নি। হাসপাতালের কাগজপত্র হালনাগাদ না থাকায় আমরা এর কার্যক্রম বন্ধ করেছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।’

আরও পড়ুন:
সেপটিক ট্যাংকে নারীর মরদেহ
মাছের ঘেরে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ
সড়কের পাশে নারী-শিশুর গলা কাটা মরদেহ
কারখানার ভবনের নিচে যুবকের মরদেহ
ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

বৃদ্ধাকে মারধরের ঘটনায় মা-মেয়ে গ্রেপ্তার

বৃদ্ধাকে মারধরের ঘটনায় মা-মেয়ে গ্রেপ্তার

নালিতাবাড়ীতে বৃদ্ধাকে মাথা ফাটিয়ে তাড়িয়ে দেয়ার ভিডিও থেকে নেয়া ছবি। ছবি: নিউজবাংলা

নালিতাবাড়ী থানার ওসি বছির আহম্মেদ বাদল বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। রোববার রাতে মামলার পরই মা ও মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিন্তু অসীম গাঙ্গুলি পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তারদের আদালতে তোলা হয়েছে।’

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে স্বামীর রেখে যাওয়া ভিটেবাড়ি থেকে অঞ্জলী গাঙ্গুলি নামের এক বৃদ্ধাকে মারধর ও ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয়ার ঘটনায় বৃদ্ধার নাতনি ও ছেলের বউকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে তাদের আদালতে নেয়া হয়েছে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহম্মেদ বাদল।

এর আগে রোববার রাতে বৃদ্ধার ছোট ছেলে অনুজ গাঙ্গুলি থানায় মামলা করার পর ওই দুজনকে তাদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অঞ্জলী গাঙ্গুলিকে তার বড় ছেলের বউ উমা গাঙ্গুলি ও নাতনি অথৈ গাঙ্গুলি ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে দেয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল। পরে জানা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি বিকেলে পৌর শহরের উত্তর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

বৃদ্ধাকে ছুঁড়ে ফেলার খবর পরে নিউজবাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। এর জেরেই রোববার রাতে বৃদ্ধার ছোট ছেলে অনুজ গাঙ্গুলি তার বড় ভাই অসীম গাঙ্গুলি, ভাবি উমা গাঙ্গুলি ও ভাতিজি অথৈ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে থানায় নির্যাতনের মামলা করেন।

ওসি বছির আহম্মেদ বাদল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। রোববার রাতে মামলার পরই মা ও মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিন্তু অসীম গাঙ্গুলি পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তারদের আদালতে তোলা হয়েছে।’

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নালিতাবাড়ীর উত্তর বাজার মহল্লার অমল কান্তি গাঙ্গুলি গত বছর ১৫ মে মারা যান। তার দুই ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রী আছেন। তিনি প্রধান সড়কের পাশে ৪ শতাংশ জমিতে বাড়ি ও দোকান রেখে যান।

অমল কান্তির মৃত্যুর পর দুই ছেলে জমি বণ্টন করতে গেলে বড় ছেলে অসীম গাঙ্গুলি বাড়ির সব জমি তার নামে লেখা রয়েছে বলে দাবি করেন। ছোট ভাই অনুজ গাঙ্গুলি বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও সমাজের মুরুব্বিদের কাছে আবেদন করেন।

স্থানীয়রা জানান, জনপ্রতিনিধিরা দুই ভাইকে সমান ভাগ করে বাসার সীমানায় ইটের দেয়াল তুলে দেন। এছাড়া বাবার জীবদ্দশায় তার কাছ থেকে কৌশলে লিখে নেয়া সব জমির অর্ধেক ছোট ভাইকে লিখে দেয়ার নির্দেশ দেন। অসীম তখন লিখে দিতে রাজি হলেও পরে গড়িমসি শুরু করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তাদের ৭০ বছর বয়সী মা অঞ্জলী গাঙ্গুলি বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত স্বামীর রেখে যাওয়া দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার বড় ছেলে অসীমের স্ত্রী উমা গাঙ্গুলি ও কন্যা (বৃদ্ধার নাতনি) অথৈ গাঙ্গুলি বৃদ্ধাকে গলা ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

এ সময় অথৈ ঘাড় ধরে ধাক্কা দিয়ে পাকা রাস্তায় দাদিকে ছুঁড়ে ফেলে দেন। বৃদ্ধা রাস্তায় পড়ে মাথা ফেটে গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা আহত বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে প্রথমে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে অসীম বলেন, ‘আমার দোকানের সামনে অবস্থান করায় মাকে সরিয়ে দিতে যাই। এ সময় মা আমাদের লাঠি পেটা করেছেন। আমরা তাকে মারধর করিনি।’

আরও পড়ুন:
সেপটিক ট্যাংকে নারীর মরদেহ
মাছের ঘেরে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ
সড়কের পাশে নারী-শিশুর গলা কাটা মরদেহ
কারখানার ভবনের নিচে যুবকের মরদেহ
ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

অস্থির শাবির দায় বহিরাগতদের: ভিসি

অস্থির শাবির দায় বহিরাগতদের: ভিসি

উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে শাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক বহিরাগত ঢুকে পড়েছে। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করছে। তাদের ইন্ধনে শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।’

বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার পরও যারা আন্দোলনের নামে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে, তাদের অনেকেই বহিরাগত বলে মন্তব্য করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘বহিরাগতদের ইন্ধনে এখন আন্দোলন চলছে। রোববার রাত থেকেই ক্যাম্পাসে বহিরাগতরা প্রবেশ করেছে বলে আমার কাছে তথ্য আছে।’

তবে উপাচার্যের এমন দাবি নাকচ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, ঘটনা ধামাচাপা দিতে মিথ্যাচার করছেন উপাচার্য। ক্যাম্পাসে পুলিশ ছাড়া বহিরাগত কেউ নেই।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে নিজ বাসভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক বহিরাগত ঢুকে পড়েছে। তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করছে। তাদের ইন্ধনে শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।

‘আমাদের শিক্ষার্থীরা অনেক ভালো। তারা প্রশাসনের প্রতি আস্থাশীল। আজকের আন্দোলনের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের তেমন সম্পৃক্ততা নেই।’

কারও ইন্ধনে শিক্ষার্থীরা যাতে আর বিভ্রান্ত না হয়, সেদিকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘রোববারের যে ঘটনা ঘটেছে তা তদন্তে কমিটি করা হয়েছে। তাদের দাবি মেনে হল প্রভোস্টও পদত্যাগ করেছেন। শিক্ষার্থীদের আরও যে দাবি রয়েছে, সেগুলো আমি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি।’

উপাচার্যের অভিযোগের বিষয়ে নিউজবাংলা কথা বলেছে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে।

তাদের একজন শিক্ষার্থী সৌরভ চাকমা। তিনি বলেন, ‘রোববারের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ভিসি এমন কথা বলছেন। তারা (প্রশাসন) অভিযোগ করছে, বহিরাগতরা এসে গুলি চালিয়েছে। কিন্তু সত্য হলো পুলিশ ছাড়া কেউ গুলি চালায়নি। পুলিশের গুলিতেই শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা আহত হয়েছেন। এখানে পুলিশ ছাড়া কেউ বহিরাগত নেই। পুলিশকে উপাচার্য ডেকে এনেছেন।’

অস্থির শাবির দায় বহিরাগতদের: ভিসি


উপাচার্যকে মিথ্যাবাদী আখ্যা দিয়ে শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘তিনি একের পর এক মিথ্যা বলে যাচ্ছেন। আমরা আর এই উপাচার্যকে এক মুহূর্ত চাই না। তাকে শাবি ছাড়াতে হবে।’

উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। সেই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার সকালে মুক্তমঞ্চের সমাবেশ থেকে উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও থিয়েটার কর্মী শাহীন আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা উপাচার্যকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছি। তাকে ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে হবে। আমরা রাষ্ট্রপতি বরাবর আজ চিঠি দেব। তিনি পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আমরা ক্যাম্পাস ছাড়ব না।’

শিক্ষার্থীরা হল ছাড়তে চাচ্ছেন না এই প্রসঙ্গে সিন্ডিকেট সদস্য জহির বিন আলম বলেন, ‘যদি তারা হল না ছাড়ে, তবে কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই সেটা গুরুত্ব দিয়ে দেখবে।’

এর আগে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। নানা স্লোগানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করছেন তারা।

অস্থির শাবির দায় বহিরাগতদের: ভিসি


শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিন দফা দাবির আন্দোলনে ভিসির নির্দেশেই রোববার সন্ধ্যায় পুলিশ হামলা চালিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। এ কারণেই প্রক্টরিয়াল বডিরও পদত্যাগের দাবি আনা হয়েছে।

বেগম সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে আন্দোলনে নামেন ওই হলের ছাত্রীরা। রোববার আন্দোলনের চতুর্থ দিনে এসে তা সহিংসতায় রূপ নেয়।

রোববার বিকেলে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যকে ধাওয়া দিয়ে অবরুদ্ধ করে। এর জেরে সন্ধ্যায় আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ হামলা চালায়। এতে রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত হয় ক্যাম্পাস।

রাতে জরুরি সিন্ডিকেট সভা ডেকে বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের ঘোষণা দেন উপাচার্য। সেই সঙ্গে সোমবার দুপুর ১২টার মধ্যে আবাসিক শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রাধ্যক্ষ জাফরিনের কাছে সম্প্রতি শিক্ষার্থীরা কিছু সমস্যার কথা জানান। অভিযোগ, এ বিষয়ে তিনি কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেছেন। এর প্রতিবাদে জাফরিনের পদত্যাগসহ শুরু হয় তিন দফা দাবিতে আন্দোলন।

শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় ৮ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান করা হয়েছে গণিত বিভাগের অধ্যাপক ডা. রাশেদ তালুকদারকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য জহির বিন আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রোববারের ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, কারা দোষী- এটা আমরা খুঁজে বের করব। বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত ছিল, হঠাৎ কেন এমন অশান্ত হলো তা বের করা হবে।’

আরও পড়ুন:
সেপটিক ট্যাংকে নারীর মরদেহ
মাছের ঘেরে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ
সড়কের পাশে নারী-শিশুর গলা কাটা মরদেহ
কারখানার ভবনের নিচে যুবকের মরদেহ
ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

কৃষক হত্যায় নারীসহ ছয়জনের যাবজ্জীবন

কৃষক হত্যায় নারীসহ ছয়জনের যাবজ্জীবন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কৃষক হত্যায় নারীসহ ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সায়েদুর রহমানের আদালত সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শাহ আজিজুল হক নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কৃষক দুলাল মিয়া হত্যায় আদালত এ রায় দিয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
সেপটিক ট্যাংকে নারীর মরদেহ
মাছের ঘেরে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ
সড়কের পাশে নারী-শিশুর গলা কাটা মরদেহ
কারখানার ভবনের নিচে যুবকের মরদেহ
ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জে আ.লীগের ১৪, বিএনপির ৯ কাউন্সিলর

নারায়ণগঞ্জে আ.লীগের ১৪, বিএনপির ৯ কাউন্সিলর

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে রোববার। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

রোববার দিনভর ইভিএমে ভোটগ্রহণ হয়। রাতে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে জয়ী ২৭ জন সাধারণ ও ৯ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের নাম ঘোষণা করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৭টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ১৪ প্রার্থী জয় পেয়েছেন।

বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন না দিলেও সিটি করপোরেশনটির ৯ ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন দলটির নেতা-সমর্থকরা।

এ ছাড়া জাতীয় পার্টির (জাপা) দুজন, বাসদের একজন ও স্বতন্ত্র একজন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

রোববার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন নিয়ে কোনো পক্ষেরই তেমন কোনো অভিযোগ ছিল না। আওয়ামী লীগের প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী মেয়র পদে জয় পেয়েছেন বিপুল ব্যবধানে। বিএনপি থেকে অব্যাহতি পাওয়া তৈমূর আলম খন্দকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আইভীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

২০১৬ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ১১ এবং বিএনপির ১২ জন প্রার্থী সিটি করপোরেশনটিতে কাউন্সিলর পদে জয় পেয়েছিলেন।

এবারের নির্বাচনে বিজয়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে ১২ জনই নতুন মুখ।

জয়ীদের তালিকায় রয়েছেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনের ভাই ও ভাতিজা।

রোববার দিনভর ইভিএমে ভোটগ্রহণ হয়। রাতে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে জয়ী ২৭ জন সাধারণ ও ৯ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের নাম ঘোষণা করা হয়।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরদের নয়টি পদের মধ্যে আটটিতেই বর্তমান কাউন্সিলররা জয়ী হয়েছেন। একটিতে এসেছে নতুন মুখ।

যারা কাউন্সিলর হয়েছেন

নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনোয়ার হোসেন, ২ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন, ৩ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের শাহজালাল বাদল নির্বাচিত হয়েছেন। শাহজালাল বাদল বহুল আলোচিত সাত খুন মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনের ভাতিজা।

৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন নূর হোসেনের ভাই আওয়ামী লীগ নেতা নূর উদ্দিন। তিনি এবার ওয়ার্ডটিতে কাউন্সিলর হিসেবে নতুন মুখ।

৫ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর ও বিএনপির সাবেক সাংসদ জি এম গিয়াস উদ্দিনের ছেলে গোলাম মুহাম্মদ সাদরিল ও ৬ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের মতিউর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।

৭ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মিজানুর রহমান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের রুহুল আমিন মোল্লা, ৯ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেয়া ইস্রাফিল প্রধান, ১০ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের ইফতেখার আলম, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থক অহিদুল ইসলাম, ১২ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপি নেতা শওকত হাসেম, ১৩ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ নির্বাচিত হয়েছেন। খোরশেদ নির্বাচনে পরাজিত তৈমুর আলম খন্দকারের ছোট ভাই।

১৪ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মনিরুজ্জামান, ১৫ নম্বরে বর্তমান কাউন্সিলর বাসদ নেতা অসিত বরণ বিশ্বাস, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের রিয়াদ হাসান বিজয়ী হয়েছেন।

১৭ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের মো. আবদুল করিম, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে শ্রমিকলীগ নেতা কামরুল হাসান, ১৯ নম্বরে জাপার মোখলেছুর রহমান চৌধুরী, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির মোহাম্মদ শাহেনশাহ, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র শাহিন মিয়া, ২২ নম্বরে বিএনপির সুলতান আহমেদ, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাউসার বিজয়ী হয়েছেন। আবুল কাউসার নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক সাংসদ আবুল কালামের ছেলে।

২৪ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর জাপার আফজাল হোসেন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির এনায়েত হোসেন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির মো. সামসুজ্জোহা, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সিরাজুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন।

সংরক্ষিত ওয়ার্ডে জয়ী যারা

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মাকসুদা মোজাফফর, ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে মনোয়ারা বেগম, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোসাম্মৎ আয়শা আক্তার জয়ী হয়েছেন।

এ ছাড়া ১০, ১১, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে মিনোয়ারা বেগম, ১৩, ১৪ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে শারমীন হাবিব, ১৬, ১৬ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে আফসানা আফরোজ, ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডে শিউলি নওশাদ, ২২, ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে শাওন অংকন এবং ২৫, ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে সানিয়া আক্তার বিজয়ী হয়েছেন।

এবার সানিয়া আক্তার নারী কাউন্সিলর হিসেবে সেখানে নতুন মুখ।

আরও পড়ুন:
সেপটিক ট্যাংকে নারীর মরদেহ
মাছের ঘেরে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ
সড়কের পাশে নারী-শিশুর গলা কাটা মরদেহ
কারখানার ভবনের নিচে যুবকের মরদেহ
ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

বন্দরে ট্রাকে ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ

বন্দরে ট্রাকে ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ

ওসি মামুন খান বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

বেনাপোল বন্দরে একটি ট্রাকের ভেতরে এক ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ মিলেছে।

সোমবার সকালে তাকে গলায় দড়ি প্যাঁচানো অবস্থায় দেখা যায়।

মৃত ওই ব্যক্তির নাম লিনগালা নারসিমহোলা। তিনি ট্রাকের হেলপার।

এই ঘটনায় গাড়ির চালক গুরুগু পোচায়াকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবির তরফদার নিউজবাংলাকে জানান, ভারত থেকে ১১টি ট্রাকে করে গত ১৫ জানুয়ারি বিস্ফোরক আমদানি করা হয়। বিস্ফোরকবাহী ট্রাকের একজন সহকারী লিনগালা। তার বাড়ি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মরদেহ ৩১ নম্বর শেড ট্রাকের ভেতরেই আছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এএসপি জুয়েল ইমরান, বন্দরের উপপরিচালক আব্দুল জলিল ও বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান।

ওসি মামুন খান বলেন, ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ধারণা করা হচ্ছে, গলায় ফাঁস নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

আরও পড়ুন:
সেপটিক ট্যাংকে নারীর মরদেহ
মাছের ঘেরে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ
সড়কের পাশে নারী-শিশুর গলা কাটা মরদেহ
কারখানার ভবনের নিচে যুবকের মরদেহ
ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মাইক্রোর ধাক্কায় পথচারী নিহত

মাইক্রোর ধাক্কায় পথচারী নিহত

প্রতীকী ছবি

ওসি জানান, গাছবাড়িয়া খানহাট এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় মাইক্রোবাসটি রিয়াজকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রিয়াজকে মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী মাইক্রোবাসের ধাক্কায় এক পথচারী নিহত হয়েছেন।

রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মহাসড়কের চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া খানহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. রিয়াজ কক্সবাজারের মীর আহমদের ছেলে।

সোমবার সকালে এ তথ্য জানান দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, মাইক্রোবাসটি আটক করা হয়েছে। থানায় মামলা হয়েছে। রাত দেড়টার দিকে নিহত রিয়াজের মরদেহ পরিবারে কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে ওসি জানান, গাছবাড়িয়া খানহাট এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় মাইক্রোবাসটি রিয়াজকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক রিয়াজকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিজিসি ট্রাস্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক মানিক দেবনাথ জানান, প্রচুর রক্তক্ষরণে রিয়াজের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সেপটিক ট্যাংকে নারীর মরদেহ
মাছের ঘেরে বালু ব্যবসায়ীর মরদেহ
সড়কের পাশে নারী-শিশুর গলা কাটা মরদেহ
কারখানার ভবনের নিচে যুবকের মরদেহ
ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন