জবি ক্যাম্পাসে ‘দুর্বল’ ওয়াইফাই

জবি ক্যাম্পাসে ‘দুর্বল’ ওয়াইফাই

জবির আইটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন ৫১২ কিলোবাইট থেকে সর্বোচ্চ ২ মেগাবাইট গতিতে ৫০টি কম্পিউটারের মাধ্যমে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে পারবে। তবে দ্রুত আমরা পুরো ক্যাম্পাস ওয়াইফাইয়ের আওতায় আনব। যেসব জায়গায় নেই, সেখানেও ওয়াইফাই দেব।’

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চমানের ইন্টারনেট সংযোগের সুবিধা থাকলেও এর থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা।

ক্যাম্পাসে ওয়াইফাই (ইন্টারনেট) সেবা থাকলেও দুর্বল ফ্রিকোয়েন্সির কারণে বিড়ম্বনায় পড়ছেন শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তথ্য-প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ২০১২ সালে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাসকে ওয়াইফাই সংযোগের আওতায় আনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুরুর দিকে গতি ১৫ এমবিপিএস থাকলেও পরে তা ৬০ এমবিপিএস করা হয়। আবার ক্যাম্পাসজুড়ে ওয়াইফাই জোন করার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে তা নির্দিষ্ট কয়েকটি স্থানে সীমাবদ্ধ থাকে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে একটি মাত্র ওয়াইফাই লাইন। তাই ওয়াইফাই সংযোগের ৮ বছরেও দুর্বল গতির কারণে ল্যাপটপ বা কম্পিউটার তো দূরের কথা, মোবাইলেও তা সংযোগ করা যায় না।

নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পারায় ক্যাম্পাসে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এতে ই-লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে পড়ছেন তারা।

এদিকে ২০২১-২২ অর্থবছরে মূলধন অনুদান (যন্ত্রপাতি, যানবাহন, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, অন্যান্য অনুদান) খাতে ৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তবে জবি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোনেই মিলছে না ওয়াইফাই কানেকশন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লাস ও পরীক্ষার জন্য দীর্ঘ সময় ক্যাম্পাসে থাকতে হয়। অথচ ঠিকমতো ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় না। অনেক সময় সংযোগ পেলেও গতি ধীর হওয়ায় ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

জবি ক্যাম্পাসে ‘দুর্বল’ ওয়াইফাই

গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী জীবন কৃষ্ণ জানান, ছুটির দিনে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী কম থাকে, সেদিন তো ইন্টারনেটের গতি ভালো থাকার কথা। কিন্তু থাকে না। এতে পড়ার সময় কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে ইন্টারনেটে সেগুলোর সমাধান পাওয়া যায় না।

কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী সারোয়ার জানান, ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকার পরও আমরা নেটের সংযোগ ঠিকমতো পাই না। ওয়াইফাই ওপেন করলেই লিমিট একসেস দেখায়। এ কারণে নেটওয়ার্কের চিহ্ন দেখা গেলেও তা ব্যবহার করতে পারি না’।

মিরপুর থেকে আসা গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘পরীক্ষা দুপুরে থাকলেও আসতে হয় সকালেই। ক্যাম্পাসে অনেকটা সময় বসে থাকতে হয়, কিন্তু এই সময়টাতেও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারি না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার আচার্য্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন ৫১২ কিলোবাইট থেকে সর্বোচ্চ ২ মেগাবাইট গতিতে ৫০টি কম্পিউটারের মাধ্যমে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে পারবে। কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব হচ্ছে না।

‘তবে দ্রুত আমরা পুরো ক্যাম্পাস ওয়াইফাইয়ের আওতায় আনব। যেসব জায়গায় নেই সেখানেও ওয়াইফাই দেব।’

কবে নাগাদ সংযোগ বাড়ানোর কাজ হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ এসেছে। তাই এই অর্থবছরেই সংযোগ বাড়ানো হবে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রকৌশল গুচ্ছের ২য় দফায় ভর্তি শুরু ২০ ডিসেম্বর

প্রকৌশল গুচ্ছের ২য় দফায় ভর্তি শুরু ২০ ডিসেম্বর

নিরীক্ষা কমিটির কাছে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তি করা হবে। আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী থাকলে উপস্থিত তাদের মধ্য থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী একটি তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই তালিকা থেকে আসন খালি হওয়া সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে ডাকা হবে।

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) গুচ্ছ পদ্ধতির দ্বিতীয় দফায় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে ২০ ডিসেম্বর।

এবার ‘ক’ গ্রুপে ৩০৮১-৪৫০০ এবং ‘খ’ গ্রুপে ১০১-৩০০ মেধাতালিকার প্রার্থীদের ডাকা হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বুধবার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়েছে, ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভাগওয়ারি শূন্য আসন সংখ্যা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে https://admissionckruct.ac.bd প্রদান করা হয়েছে। প্রথম দফায় ভর্তির পর আসন খালি থাকায় মেধাক্রমে বাকি শিক্ষার্থীদের আগামী ২০ ডিসেম্বর ভর্তির জন্য নিরীক্ষা কমিটির কাছে উপস্থিত থাকতে হবে।

নিরীক্ষা কমিটির কাছে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ভর্তি করা হবে। আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী থাকলে উপস্থিত তাদের মধ্য থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী একটি তালিকা সংরক্ষণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই তালিকা থেকে আসন খালি হওয়া সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের পর্যায়ক্রমে ডাকা হবে।

তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের প্রকাশিত মেধাতালিকা থেকে গত ৫ ও ৬ ডিসেম্বর প্রথম পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

আসন সংখ্যা কত?

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে ৯০১টি আসন, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৬৫ এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ৩৫ আসন রয়েছে।

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে https://admissionckruet.ac.bd/res.php ওয়েবসাইটে।

শেয়ার করুন

হলের গেস্টরুমে নির্যাতন বন্ধে আইন দাবি

হলের গেস্টরুমে নির্যাতন বন্ধে আইন দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ সমাবেশ করে। ছবি: নিউজবাংলা

সংগঠনের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, ‘অঘটন থামাতে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা কোনো দূরদর্শী চিন্তা নয়। এ ধরনের খুনের দায় ছাত্র রাজনীতির নয়। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রনেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রশাসনের প্রশ্রয় পেয়ে এসব অপরাধ করে।’

দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে শিক্ষার্থী নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে বুধবার আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে এ দাবি জানান পরিষদের নেতারা।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্বদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি নিয়ে বুধবার বিকেলে সমাবেশ করে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

সংগঠনের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা সমাবেশে বলেন, ‘আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করলে একটা নজির তৈরি হবে। ছাত্র নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে এ নজির জরুরি। সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয় হলের গেস্টরুমে যে নির্যাতনের ধারা তৈরি হয়েছে, তা থামাতে আমরা গেস্টরুমের নির্যাতনবিরোধী আইন চাই।

‘অঘটন থামাতে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করা কোনো দূরদর্শী চিন্তা নয়। এ ধরনের খুনের দায় ছাত্র রাজনীতির নয়। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রনেতারা শিক্ষক এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রশ্রয় পেয়ে এসব অপরাধ করে।’

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের পাশাপাশি সে সময় বুয়েটের হলে দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের বিচারের আওতায় আনা উচিত। তাদের সহযোগিতায় হলগুলো হয়ে ওঠে নির্যাতন-নিপীড়নের আস্তানা।’

ছাত্র অধিকার পরিষদের সহসভাপতি তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাকিল মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্যা রহমতুল্লাহ, সহসভাপতি সোহেল মৃধা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসাইন, নাহিদ উদ্দিন, রেদোয়ান উল্লাহ, ফরহাদ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, জহির ফয়সাল, মোহাম্মদ সানাউল্লাহসহ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

আগামী বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৮৫ দিন

আগামী বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৮৫ দিন

সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ সালে প্রধান শিক্ষকের সংরক্ষিত তিন দিনসহ বিভিন্ন দিবস ঘিরে মোট ৮৫ দিন ছুটি থাকবে।

নতুন বছরে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৮৫ দিন ছুটি রেখে শিক্ষাপঞ্জি চূড়ান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট করা হয়েছে অর্ধবার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনি/নির্বাচনি ও বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচি ও ফলাফল প্রকাশের তারিখও।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের উপসচিব আলমগীর হুছাইনের সই করা এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, আগামী বছর প্রধান শিক্ষকের সংরক্ষিত তিন দিনসহ বিভিন্ন দিবস ঘিরে মোট ৮৫ দিন ছুটি থাকবে।

যেসব দিবসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে

স্বরসতী পূজা (৫ ফেব্রুয়ারি), মাঘী পূর্ণিমা (১৬ ফেব্রুয়ারি), শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (২১ ফেব্রুয়ারি), শবে মিরাজ/শ্রী শ্রী শিবরাত্রি ব্রত (১ মার্চ), জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেএর জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস (১৭ মার্চ), শুভ দোলযাত্রা (১৮ মার্চ), শবেবরাত (১৯ মার্চ), স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ), পবিত্র রমজান/বৈসাবি/বাংলা নববর্ষ/ইস্টার সানডে/শবেকদর/জুমাতুল বিদা/মে দিবস/ঈদুল ফিতর (৩ এপ্রিল থেকে ৮ মে পর্যন্ত ৩১ দিন)।

বুদ্ধপূর্ণিমা (১৫ মে), পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ (৩ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত ১৫ দিন), হিজরি নববর্ষ (৩১ জুলাই), আশুরা (৯ আগস্ট), জাতীয় শোক দিবস (১৫ আগস্ট), শুভ জন্মাষ্টমী (১৮ আগস্ট), আখেরি চাহাব শোম্বা (২১ সেপ্টেম্বর), পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দুর্গাপূজা, লক্ষ্মীপূজা ও প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে আট দিন (১ থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত) ছুটি থাকবে।

এ ছাড়া শ্যামাপূজা (২৪ অক্টোবর), ফাতেহা-ই ইয়াজদাহম (৭ নভেম্বর), শীতকালীন অবকাশ, বিজয় দিবস ও বড়দিন উপলক্ষে ১৩ দিন (১৫ থেকে ২৯ ডিসেম্বর) ছুটি থাকবে মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

থাকবে প্রধান শিক্ষকের সংরক্ষিত তিন দিনের ছুটি।

পরীক্ষার সময়সূচি

আগামী বছরের অর্ধবার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনি/নির্বাচনি ও বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচিও নিদিষ্ট করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী অর্ধবার্ষিক/প্রাক-নির্বাচনি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে। এ পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে ২ জুলাই। আর নির্বাচনি পরীক্ষা হবে ১২ থেকে ২৬ অক্টোবরের মধ্যে, ফল প্রকাশ ৫ নভেম্বর।

এ ছাড়া বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে। ফল প্রকাশ হবে ৩১ ডিসেম্বর।

শেয়ার করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পরীক্ষার সূচি প্রকাশ

২০২০ সালের স্নাতক দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd) প্রকাশ করা হয়েছে।

রাহুল শর্মা, ঢাকা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজের ২০২০ সালের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা (নিয়মিত, অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন) শুরু হবে ২৯ জানুয়ারি, চলবে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত।

এ ছাড়া স্নাতক তৃতীয় বর্ষের (নিয়মিত, অনিয়মিত ও গ্রেড উন্নয়ন) পরীক্ষা ২৬ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে চলবে ২৭ মার্চ পর্যন্ত।

বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আতাউর রহমানের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২০২০ সালের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষ ও তৃতীয় বর্ষ পরীক্ষা সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে। ইতিমধ্যে পরীক্ষার যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd) প্রকাশ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

এইচএসসির অনুপস্থিতি বাড়ছেই

এইচএসসির অনুপস্থিতি বাড়ছেই

পরীক্ষা কেন্দ্রে যাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৫ লাখ ৫৮ হাজার শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করলেও দেড় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। মোট ১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭১ জন পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেনি। এরপর প্রতিটি পরীক্ষাতেই অনুপস্থিতির সংখ্যা সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার পর্যন্ত। বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর এ ধারাবাহিক অনুপস্থিতির কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেননি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্টরা।

এইচএসসি পরীক্ষার পঞ্চম দিনে দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে সাড়ে তিন হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে একজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সকালের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ৩ হাজার ৭১২ জন। বিকেলের পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল ৬ জন। দুই শিফটে মোট ৩ হাজার ৭১৮ জন অনুপস্থিত ছিল।

বুধবার সকালে হয় রসায়ন (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র পরীক্ষা। এতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিত থাকে ৯৮০ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ২২২, রাজশাহী বোর্ডে ৭৪২, বরিশাল বোর্ডে ২৩৪, সিলেট বোর্ডে ১৪৯, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৩৪, কুমিল্লা বোর্ডে ৩৩৬, ময়মনসিংহ বোর্ডে ২০৬ এবং যশোর বোর্ডে ৩০৯ জন।

বিকেলে হয় শিশু বিকাশ প্রথম পত্র এবং উচ্চাঙ্গসংগীত (তত্ত্বীয়) প্রথম পত্র পরীক্ষা। এতে রাজশাহী বোর্ডে অনুপস্থিত ছিল তিনজন, বরিশাল বোর্ডে একজন, দিনাজপুর বোর্ডে দুজন।

সাধারণত প্রতিবছরের এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনা মহামারির কারণে এই পাবলিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২ জন।

সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। এদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমের জন্য নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। এদের মধ্যে ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন।

এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। এদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৫ লাখ ৫৮ হাজার শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন করলেও দেড় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। মোট ১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৭১ জন পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেনি। সে হিসাবে ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক স্তর থেকে ঝরে পড়েছে।

দেশে ৯ হাজার ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ২ হাজার ৬২১টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে। ফরম পূরণের পরও প্রতিটি পরীক্ষাতেই অনুপস্থিতির সংখ্যা সাড়ে তিন হাজার থেকে আট হাজার পর্যন্ত। বিপুলসংখ্যক পরীক্ষার্থীর এ ধারাবাহিক অনুপস্থিতির কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে পারেননি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্টরা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

শেয়ার করুন

এইচএসসি: এক কেন্দ্রে ভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা

এইচএসসি: এক কেন্দ্রে ভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা

কেন্দ্র সচিব সালমা জানান, পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পরই তারা ভুল সেটের বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর শিক্ষা বোর্ডে ফোন করে পরামর্শ চাওয়া হয়। বোর্ড ওই প্রশ্নেই পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশনা দেয়।

উচ্চ মাধ্যমিকের (এইচএসসি) রসায়ন প্রথম পত্রের পরীক্ষা হয়ে গেছে বুধবার। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের ২০০ কেন্দ্রের মধ্যে ১৯৯টিতে এই বিষয়ের পরীক্ষা নেয়া হয়েছে সেট-২-এর ‘তারা’ প্রশ্নপত্রে।

তবে নগরীর মাদার বখস গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ কেন্দ্রে সেট-৪-এর ‘তিমি’ প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।

বুধবার সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পর কলেজ কর্তৃপক্ষ সেট ভুল হওয়ার বিষয়টি জানতে পারে। তখন শিক্ষা বোর্ডকেও বিষয়টি জানানো হয়। তবে ততক্ষণে দেরি হয়ে যাওয়ায় ভিন্ন সেটের প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা দেয় ২৩৮ শিক্ষার্থী।

কেন্দ্র সচিব সালমা শাহাদাত বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে দুটি করেই সেট পাঠানো হয়। কোন সেটে পরীক্ষা নেয়া হবে, তা পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএমএস দিয়ে জানানো হয়। এই পরীক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএমএস ঠিকই এসেছে। তবে ট্যাগ অফিসার হিসেবে থাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা সেট-৪-এর প্রশ্নপত্র বের করে দিয়ে দিয়েছেন।

সালমা শাহাদাত দাবি করেন, তিনি ট্যাগ অফিসারকে সেট-২ জানিয়েছিলেন।

সালমা জানান, পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ পরই তারা ভুল সেটের বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর শিক্ষা বোর্ডে ফোন করে পরামর্শ চাওয়া হয়। বোর্ড ওই প্রশ্নেই পরীক্ষা নেয়ার নির্দেশনা দেয়।

এখন সেট-৪-এর প্রশ্নে ওই পরীক্ষার্থীদের খাতা মূল্যায়নের জন্য তিনি শিক্ষা বোর্ডে লিখিতভাবে আবেদন করেছেন।

অভিভাবক নাসির ওয়াহিদ জানান, তার বোন ওই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছে ভুল সেটের প্রশ্নে। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সব শিক্ষার্থীর পরীক্ষার মূল্যায়ন হবে সেট-২-এ। শুধু ২৩৮ জনের মূল্যায়ন হবে সেট-৪-এ।

তিনি বলেন, ‘সেট-২-এ এবার অঙ্ক ছিল বেশি। আর সেট-৪-এ অঙ্ক ছিল কম। যারা গণিতে ভালো তাদের ফল ভালো হবে। গণিত মিলিয়ে দিতে পারলেই নাম্বার পাওয়া যায়। আর লিখিত পরীক্ষা অনেক ভালো লিখলেও নম্বর কম পাওয়া যায়। এ কারণে সেট-৪-এর পরীক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

এ বিষয়ে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘একটা ভুল হয়ে গেছে। এটির আর কোনো সমাধান নেই। দুই সেটের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন দুই রকম হবে।’

শেয়ার করুন

আলালের কুশপুতুলে ছাত্রলীগ কর্মীদের আগুন

আলালের কুশপুতুলে ছাত্রলীগ কর্মীদের আগুন

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করায় পদত্যাগী তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের পদত্যাগ ও শাস্তির দাবিতে বিএনপির নানা বক্তব্যের মধ্যে বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের একটি ‘কুরুচিপূর্ণ’ বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ এনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে গ্রেপ্তার ও তার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

বুধবার জবি ছাত্রলীগের সম্মেলন কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ হয়। মিছিল শেষে আলালের কুশপুতুলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার থেকে শুরু করে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। পরে ভিক্টোরিয়া পার্কের মোড় হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেন নেতা-কর্মীরা। সেখানেই আলালেন কুশপুতুলে আগুন দেয়া হয়।

এরপর সেখানে ঘণ্টাখানেক অবস্থানের পর বিক্ষোভ মিছিলটি আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এসে শেষ হয়।

মিছিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিকারী বিএনপি নেতা আলালকে দ্রুত গ্রেপ্তার করার দাবি জানাচ্ছি।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করায় পদত্যাগী তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের পদত্যাগ ও শাস্তির দাবিতে বিএনপির নানা বক্তব্যের মধ্যে বিএনপি নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের একটি ‘কুরুচিপূর্ণ’ বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে।

বিএনপি ঘরানার একটি আলোচনায় দলটির যুগ্ম মহাসচিব আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে জড়িয়ে এমন একটি মন্তব্য করেন, যেটি জাইমাকে নিয়ে মুরাদ হাসানের করা মন্তব্যের প্রায় কাছাকাছি।

ব্যক্তিগত সম্পর্ক বিষয়ে অশালীন বক্তব্য ছাড়াও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও উসকানিমূলক বক্তব্য রাখেন আলাল।

এই ভিডিও পোস্ট করে বিএনপি নেতার শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। আলালের বিরুদ্ধে বিএনপি কী ব্যবস্থা নেবে- সেই প্রশ্ন রেখেছেন ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতারাও।

আলালের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

বিএনপি আলালের পক্ষেই আছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিবৃতি দিয়ে তাদের দলের নেতার বক্তব্যকে ‘ন্যায়সঙ্গত সমালোচনা’ বলে দাবি করেছেন।

বিএনপির এমন প্রতিক্রিয়ার পর তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ দলটির সমালোচনা করে বক্তব্য রেখেছেন। তিনি বলেন, কেউ অশোভন বক্তব্য করলে আওয়ামী লীগ সাজা দেয়, আর বিএনপি করে পুরস্কৃত।

শেয়ার করুন