সাঈদীর ভরণপোষণ কেন, প্রশ্ন তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

সাঈদীর ভরণপোষণ কেন, প্রশ্ন তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

আদালত প্রাঙ্গণে দেলোয়ার হোসেন সাঈদী

দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায় পুনর্বিবেচনা করা যায় কি-না সেই দিকটিও খতিয়ে দেখবেন বলে জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান।

একাত্মরের মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য আমৃত্যু কারাদণ্ড পাওয়া জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে কেন ভরণপোষণ দিতে হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন। তবে এই মন্তব্যকে একান্ত নিজস্ব ভাবনা বলেও দাবি করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আমার অনুভূতির কথা বলবো। আমি সরকার বা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে বলছি না। দেলোয়ার হোসেন সাঈদী একজন কুখ্যাত রাজাকার। তার যুদ্ধকালীন ইতিহাস সবাই জানি। যিনি বাংলাদেশে একের পর এক অস্থিতিশীল ঘটনা ঘটনোর জন্যও দায়ী।’

তিনি বলেন, ‘এই সাঈদীর বিচার কার্যক্রম শেষ হয়েছে। তাকে এভাবে বছরের পর বছর কারাগারে রেখে, ভরণপোষণ দিয়ে, আদর আপ্যায়ন করার মানেটা কী? এই বিষয়টিকে আমি কোনোভাবেই সমর্থন করতে পারি না। কোনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং এই বাংলাদেশের আমি বলব কিছু মানুষ ছাড়া যারা স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী তারা কেউই চায় না এই রাজাকারটাকে এভাবে কারাগারে সুন্দরভাবে আদর আপ্যায়ন করা হোক। এর বিচার হওয়া উচিত।’

দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর রায় পুনর্বিবেচনা করা যায় কি-না সেই দিকটিও খতিয়ে দেখবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী মুরাদ। তিনি বলেন, ‘আমি বলতে চাই, এ বিষয়টা নিয়ে স্বোচ্চার হওয়া উচিত। আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। কারণ আপনারাই সবচেয়ে বড় শক্তি। শুধু বাংলাদেশে নয় শুধু, সমগ্র পৃথিবীতে যদি তাকান মিডিয়াতে যারা কাজ করেন তাদের চেয়ে কেউ বেশি পাওয়ারফুল না।’

সর্বোচ্চ আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করছেন কি-না, প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ না। আমি আমার অনুভূতির কথা বলছি। বিচার বিভাগ বা আদালতকে কোনোভাবেই কোনো কথা বলার কোনো সুযোগ আমার নাই।’

তিনি বলেন, ‘আমার চাওয়াটা হলো- তার কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। যে পরিমাণ অপরাধ উনি করেছেন। রিভিউ হতে পারে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী সবচেয়ে ভালো ব্যাখ্যা দিতে পারবেন। তাই বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনমন্ত্রী ছাড়াও নিজের আইনজীবী বড় ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলবেন বলেও জানান।

আরও পড়ুন:
সাঈদী মুক্তির ‘গোপন বৈঠক’: নয়নের জামিন
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ মে
জাকাত আত্মসাৎ: ৪২০ ধারায় সাঈদীর বিচার শুরু
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আর প্রিজন ভ্যানে আসতে হবে না সাঈদীকে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বন্দি খালেদার চিকিৎসায় বিদেশি চিকিৎসক আনতে বাধা নেই

বন্দি খালেদার চিকিৎসায় বিদেশি চিকিৎসক আনতে বাধা নেই

ফাইল ছবি

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একজন বন্দি। দেশের ভেতরে যে কোনো জায়গায় তিনি চিকিত্সা নিতে পারবেন। কিন্তু বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হলে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে এগুতে হবে। তবে বিদেশ থেকে কোন চিকিৎসক এনে তার চিকিত্সা করাতে কোনো বাধা নেই। এমনটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

সৌদি পরিবহন মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার সময় কূটনৈতিকদের এমনটি জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বিস্তারিত আসছে….

আরও পড়ুন:
সাঈদী মুক্তির ‘গোপন বৈঠক’: নয়নের জামিন
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ মে
জাকাত আত্মসাৎ: ৪২০ ধারায় সাঈদীর বিচার শুরু
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আর প্রিজন ভ্যানে আসতে হবে না সাঈদীকে

শেয়ার করুন

চর দখলের মতো ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল: জি এম কাদের

চর দখলের মতো ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বক্তব্য দেন জি এম কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

জি এম কাদের বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যেভাবে সহিংসতা হচ্ছে তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না। ইউপি নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া হচ্ছে। পাল্টাপাল্টি হামলা আর খুনোখুনিতে ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে গ্রামাঞ্চলে। দেশের মানুষ খুনোখুনির নির্বাচন চায় না। কোথাও কোথাও নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগও রয়েছে।’

গত তিন ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া চলেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

সোমবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার (বিপিইউএম) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এ অভিযোগ তোলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যেভাবে সহিংসতা হচ্ছে তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না। ইউপি নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া হচ্ছে। পাল্টাপাল্টি হামলা আর খুনোখুনিতে ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে গ্রামাঞ্চলে।

‘দেশের মানুষ খুনোখুনির নির্বাচন চায় না। কোথাও কোথাও নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগও রয়েছে।’

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সামনে অস্ত্রের মহড়া দেখে সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছে।’

আগামী নির্বাচনগুলো যেন অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর হয়, সে জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান জি এম কাদের।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফকরুল ইমাম, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াসহ বিপিইউএম নেতারা।

আরও পড়ুন:
সাঈদী মুক্তির ‘গোপন বৈঠক’: নয়নের জামিন
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ মে
জাকাত আত্মসাৎ: ৪২০ ধারায় সাঈদীর বিচার শুরু
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আর প্রিজন ভ্যানে আসতে হবে না সাঈদীকে

শেয়ার করুন

সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়: রিজভী

সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘সরকার গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। এ কারণে খুনের আসামির সাজা মাফ করলেও খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না।’

খুনের আসামির সাজা মওকুফ হলেও গণতন্ত্রের নেত্রীর মুক্তি মিলছে না মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, এর কারণ সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়।

রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সরকার গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। এ কারণে খুনের আসামির সাজা মাফ করলেও খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না।’

রিজভী বলেন, ‘দল-মত নির্বিশেষে সবাই খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি তুলছে, কিন্তু অবৈধ সরকার কোনো কিছুতেই কর্ণপাত করছে না। ফ্যাসিবাদের রূপ নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে তারা। দয়া, মানবতা বলতে কিছু নেই তাদের। এর মধ্য দিয়ে সরকার খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকার হরণ করেছে।’

খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেয়ার দাবি জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে এই মুহূর্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়া প্রয়োজন।’

এ সময় মেডিক্যাল বোর্ডের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বানও জানান রিজভী।

অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম ফিরোজসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সাঈদী মুক্তির ‘গোপন বৈঠক’: নয়নের জামিন
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ মে
জাকাত আত্মসাৎ: ৪২০ ধারায় সাঈদীর বিচার শুরু
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আর প্রিজন ভ্যানে আসতে হবে না সাঈদীকে

শেয়ার করুন

ভাগনে চেয়ারম্যান, আনন্দ আয়োজনে মামার মৃত্যু

ভাগনে চেয়ারম্যান, আনন্দ আয়োজনে মামার মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ভাগনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় রঙ মেখে আনন্দ করার সময় মামার মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

বাড়াদি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে জয়লাভ করায় সোমবার সকালে এলাকাবাসীর সঙ্গে আনন্দ করছিলেন আমার ছোট মামা। সবাই মিলে রং মাখামাখি করে আনন্দ করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ভাগনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় রং মেখে আনন্দ করার সময় মামার মৃত্যু হয়েছে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত ইকার উদ্দিন মালিথার বাড়ি আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের অনুপনগর গ্রামে। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য।

বাড়াদি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন বলেন, ‘রোববার তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে বাড়াদি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (মোটরসাইকেল) হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। নির্বাচনে জেতায় সোমবার সকালে এলাকাবাসীর সঙ্গে আনন্দ করছিলেন আমার ছোট মামা।

‘এ সময় তিনি তার দোকান থেকে এলাকার সবাইকে চকলেট-বিস্কুট খাওয়াতে থাকেন। সবাই মিলে রং মাখামাখি করে আনন্দ করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক রিয়াসাদ জামান তুলন জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকার উদ্দিনের মৃত্যু হয়। তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাঈদী মুক্তির ‘গোপন বৈঠক’: নয়নের জামিন
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ মে
জাকাত আত্মসাৎ: ৪২০ ধারায় সাঈদীর বিচার শুরু
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আর প্রিজন ভ্যানে আসতে হবে না সাঈদীকে

শেয়ার করুন

জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা

জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। ফাইল ছবি

সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে মামলাটি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ওমর ফারুক আসিফ।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বহিষ্কৃত মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা হয়েছে।

সোমবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে মামলাটি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ওমর ফারুক আসিফ।

মামলার বাদী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য মোহাম্মদ ওমর ফারুক আসিফ।

আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে সিআইডিকে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ দিয়েছে।

মামলার বাদী ওমর ফারুক আসিফ বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল রোববার একই আদালতে আবেদন জমা দিলে বিচারক বাদিকে থানায় মামলা করার কথা বলেন।

তবে সোমবার বাদির জবানবন্দি নিয়ে সিআইডিকে মামলা তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দেন বিচারক।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, জাহাঙ্গীর আলম স্বাধীন বাংলার স্থপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন। আসামির বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ঘৃণ্য, চরম অসত্য বক্তব্যে দেশের প্রতিটি নাগরিক তথা সমগ্র বাঙালি জাতি স্তম্ভিত এবং হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তার এরূপ বক্তব্য সকল ডিজিটাল মাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচার ও প্রকাশিত হয়। যা ভাইরাল হয়ে যায়।

আসামি ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ঘৃণ্য, চরম অসত্য প্রপাগান্ডা করে এবং প্রচার করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধ করেছেন।

মামলা করার বিষয়ে বাদী এজাহারে বলে, গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার কিছু আছে ভাইরাল হওয়া অডিও/ভিডিও শোনেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন কর্মী এবং স্বাধীন বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা সম্পর্কে আসামির এরূপ ঔদ্ধত্যপূর্ণ, ঘৃণ্য, চরম অসত্য বক্তব্যে স্তম্ভিত, মর্মাহত হয়ে মামলাটি করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলমকে আওয়ামী লীগ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়।

১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। এরপর ২৫ নভেম্বর তাকে মেয়র পদ থেকেও বহিষ্কার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর আগে বহিষ্কৃত মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধূকে নিয়ে কটূক্তি করায় রাজবাড়ী, মাদারীপুর ও পঞ্চগড়েও মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাঈদী মুক্তির ‘গোপন বৈঠক’: নয়নের জামিন
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ মে
জাকাত আত্মসাৎ: ৪২০ ধারায় সাঈদীর বিচার শুরু
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আর প্রিজন ভ্যানে আসতে হবে না সাঈদীকে

শেয়ার করুন

নৌকার চেয়ারম্যানের ভাগনেকে পিটিয়ে হত্যা

নৌকার চেয়ারম্যানের ভাগনেকে পিটিয়ে হত্যা

প্রতীকী ছবি

চকরিয়া থানার ওসি ওসমাণ গণি জানান, রোববার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফ জয়ী হন। ফল ঘোষণার পর মিছিল বের করেন তিনি। গাউসিয়া মসজিদ হেফজখানা এলাকায় রাত পৌনে ১১টার দিকে মিছিলে হামলা চালায় চশমা প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী হেফাজ সিকদারের এক থেকে দেড় শ সমর্থক।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আওয়ামী লীগের নতুন চেয়ারম্যান নুরে হোছাইন আরিফের ভাগনেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

বদরখালী ইউনিয়নে রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে সোমবার দুপুরে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমাণ গণি বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

নিহত গিয়াস উদ্দিন মিন্টুর বাড়ি ১ নম্বর ওয়ার্ড ঢেমুশিয়া পাড়ায়।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, রোববার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফ জয়ী হন। ফল ঘোষণার পর মিছিল বের করেন তিনি। গাউসিয়া মসজিদ হেফজখানা এলাকায় রাত পৌনে ১১টার দিকে মিছিলে হামলা চালায় চশমা প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী হেফাজ সিকদারের এক থেকে দেড় শ সমর্থক।

এ সময় আরিফের ভাগনে গিয়াস উদ্দিনকে লাঠি ও দা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৩টার দিকে মিন্টুর মৃত্যু হয়।

ওসি ওসমাণ গণি আরও জানান, মরদেহ চকরিয়া হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
সাঈদী মুক্তির ‘গোপন বৈঠক’: নয়নের জামিন
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ মে
জাকাত আত্মসাৎ: ৪২০ ধারায় সাঈদীর বিচার শুরু
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আর প্রিজন ভ্যানে আসতে হবে না সাঈদীকে

শেয়ার করুন

‘ক্ষোভে’ প্রার্থী হওয়া ভিক্ষুক মুনসুরের পরাজয়

‘ক্ষোভে’ প্রার্থী হওয়া ভিক্ষুক মুনসুরের পরাজয়

চশমা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে হেরে গেছেন আবুল মুনসুর। ছবি: নিউজবাংলা

চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল মুনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টাকার অভাবে নিজের পোস্টার নিজেই বিভিন্ন জায়গায় সাঁটায়েছি। টাকা খরচ করতে পারিনি বলেই ভোট পাইনি। তবে যারা আমাকে ভালোবাসে ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আগামীতে জনগণের সারা পেলে আবারও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।’

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ২ নম্বর বৈলর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছিলেন ভিক্ষুক আবুল মুনসুর। চশমা প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন মাত্র ৩৭৭ ভোট।

এ ইউনিয়নে ১০ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মশিউর রহমান শাহানশাহ।

উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ফারুক হোসেন রোববার রাত ২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়রা বলছেন, নির্বাচনে পাস করতে প্রার্থীরা নানা আশ্বাস দেন। তবে পাস করার পর তারা আর জনগণের খোঁজ রাখেন না। আবুল মুনসুরও বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি থেকে মুক্ত হওয়ার আশ্বাস পেয়েছেন। তবে কখনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা তার খোঁজ নেননি।

একটি সরকারি ঘরের দাবি করে পাননি। সেই ক্ষোভ থেকে এবার নিজেই চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছিলেন।

বৈলর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বলেন, ‘নির্বাচন করার অধিকার সবারই আছে। আবুল মুনসুরের জনপ্রিয়তা কিংবা গ্রহণযোগ্যতা না থাকায় হাতেগোনা কয়েকজন তাকে ভোট দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘মুনসুরের ক্ষোভের বিষয়টি ভুল। কারণ সরকারি ঘর দেয়ার বিষয়টি চেয়ারম্যানের এখতিয়ারে নেই। সরকারি ঘর পেতে হলে সময় মতো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর আবেদন করতে হয়। সঠিক সময়ে আবেদন না করার কারণে হয়তো তিনি ঘর পাননি।’

‘ক্ষোভে’ প্রার্থী হওয়া ভিক্ষুক মুনসুরের পরাজয়

চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল মুনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টাকার অভাবে নিজের পোস্টার নিজেই বিভিন্ন জায়গায় সাঁটায়েছি। টাকা খরচ করতে পারিনি বলেই ভোট পাইনি।

‘তবে যারা আমাকে ভালোবাসে ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আগামীতে জনগণের সাড়া পেলে আবারও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।’

এ উপজেলার ১২ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এ ছাড়াও সাধারণ সদস্য পদে ৪৭০ জন এবং সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৭১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

আরও পড়ুন:
সাঈদী মুক্তির ‘গোপন বৈঠক’: নয়নের জামিন
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৯ মে
জাকাত আত্মসাৎ: ৪২০ ধারায় সাঈদীর বিচার শুরু
সাঈদীর আয়কর ফাঁকির মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু
আর প্রিজন ভ্যানে আসতে হবে না সাঈদীকে

শেয়ার করুন