বেগুনবাড়িতে ফ্ল্যাট পেলেন হাতিরঝিলের ক্ষতিগ্রস্তরা

বেগুনবাড়িতে ফ্ল্যাট পেলেন হাতিরঝিলের ক্ষতিগ্রস্তরা

রাজধানীর নিকেতনে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ম্যানেজমেন্ট ভবনে ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘বেগুনবাড়ি খালসহ হাতিরঝিল এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পে অধিগ্রহণজনিত ক্ষতিগ্রস্তদের প্রকল্প এলাকায় ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া আমাদের জন্য একটি আনন্দের বিষয়। যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং ভৌত অবকাঠামো অপসারণজনিত কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করা সরকারের অন্যতম একটি দায়িত্ব ছিল।’

রাজধানীর বেগুনবাড়ি খালসহ হাতিরঝিল এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়েছে।

রাজধানীর নিকেতনে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ম্যানেজমেন্ট ভবনে মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং বিশেষ অতিথি গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এসব ফ্ল্যাটের বরাদ্দপত্র ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘বেগুনবাড়ি খালসহ হাতিরঝিল এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পে অধিগ্রহণজনিত ক্ষতিগ্রস্তদের প্রকল্প এলাকায় ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া আমাদের জন্য একটি আনন্দের বিষয়।

‘প্রকল্প এলাকায় যাদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে এবং ভৌত অবকাঠামো অপসারণজনিত কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের আবাসনের ব্যবস্থা করা সরকারের অন্যতম একটি দায়িত্ব ছিল।’

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করায় ধন্যবাদও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ প্রকল্পের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, হাতিরঝিল প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৩১০.১৪ একর জমি অধিগ্রহণ করতে হয়, যার মধ্যে ১৩৯.৯৬ একর জমি ছিল ব্যক্তি মালিকানাধীন। অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বেগুনবাড়ি মৌজায় ০.৯৩ একর জমিতে ১৫ তলার দুটি ভবনে ১১২টি ফ্ল্যাট নির্মাণ করা হয়েছে। অর্ধেক মূল্যে ৫৬টি ফ্ল্যাট ক্ষতিগ্রস্তদের বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে থাকবে না কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
হাতিরঝিল থেকে আটক আরও ৫৪
হাতিরঝিলে তৃতীয় অভিযানে আটক আরও ৩১ কিশোর
হাতিরঝিলে অভিযান, কিশোরদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আড়াইহাজারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১ জনের মৃত্যু

আড়াইহাজারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ: দগ্ধ ১ জনের মৃত্যু

সোলাইমানের শ্যালক মানসুর আহমেদ নিউজবাংলাকে জানান, ফজরের নামাজ পড়তে অজু করার জন্য গরম পানি করতে গিয়েছিলেন সোলাইমান। ওই সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ঘরে আগুন ধরে যায়।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বাসায় গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একজনের মৃত্যু হয়েছে।

রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত সোলাইমানের শরীরের ৯৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আড়াইহাজারে ধুপতারা ইউনিয়নের কুমারপাড়া গ্রামের একটি বাসায় সোমবার ভোরে বিস্ফোরণের ওই ঘটনা ঘটে। এতে দুই শিশুসহ সোলাইমানের পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়।

সোলাইমান ছাড়া দগ্ধ তিনজন হলো তার স্ত্রী রীমা আক্তার এবং তাদের দুই সন্তান মাহিত ও আরোজ।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক এস এম আইউব হোসেন নিউজবাংলাকে জানিয়েছিলেন, সোলাইমানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, রিমার ১৫ শতাংশ, মাহিতের ১৬ শতাংশ ও আরোজের শরীরের ৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

তাদের মধ্যে ৩ জনকে ভর্তি করা হয়। আর শিশু আরোজকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

সোলাইমানের শ্যালক মানসুর আহমেদ নিউজবাংলাকে জানান, ফজরের নামাজ পড়তে অজু করার জন্য গরম পানি করতে গিয়েছিলেন সোলাইমান। ওই সময় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ঘরে আগুন ধরে যায়।

মানসুর বলেন, মনে হয় সিলিন্ডারের পাইপ লিকেজ ছিল। তাই রুমে গ্যাস জমে ছিল।

এই ঘটনার এক দিন আগে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ছয়তলা ভবনে সিলিন্ডার থেকে বের হওয়া গ্যাস বিস্ফোরণের পর আগুন লেগে চারজন দগ্ধ হন।

ফতুল্লার বিলাসনগর এলাকায় শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই ঘটনা ঘটে।

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে থাকবে না কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
হাতিরঝিল থেকে আটক আরও ৫৪
হাতিরঝিলে তৃতীয় অভিযানে আটক আরও ৩১ কিশোর
হাতিরঝিলে অভিযান, কিশোরদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

নিরাপদ সড়কের দাবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন

নিরাপদ সড়কের দাবিতে মোমবাতি প্রজ্বালন

নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্জ্বালন করেন। ছবি: নিউজবাংলা

নয় দফা দাবি বাস্তবায়নে মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারাদেশে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পরিবার নিয়ে শুক্রবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন তারা।

নিরাপদ সড়ক ও সারা দেশে শিক্ষার্থীদের জন্য শর্তহীন হাফ পাস কার্যকরসহ ৯ দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মোমবাতি প্রজ্বালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীতে সোমবার সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচি পালনের সময় প্রতিবাদী গান গেয়ে বিক্ষোভ করেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, সড়ক ব্যবস্থাপনায় ‘আলোর পথ’ দেখাতেই মোমবাতি প্রজ্বালন কর্মসূচি।

৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচির ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা। রোববার শাহবাগে প্রতীকী কফিন নিয়ে মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়।

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পরিবার নিয়ে শুক্রবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ইনজামুল হক রামিম বলেন, ‘বাসে শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের দাবিতে ৮ নভেম্বর আন্দোলন শুরু হয়েছিল। ২৩ তারিখে তা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে দানা বাঁধে। আমরা ৯ দফা দাবি জানিয়েছি। মন্ত্রীরা আমাদের আন্দোলন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন।

‘৯ দফা বাস্তবায়ন না হলে আমরা প্রয়োজনে অনশনে যাব। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা ঢাকার রামপুরা, বরিশাল ও চট্টগ্রামে আন্দোলন করেছেন। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।’

শিক্ষার্থীরা জানান, সড়ক, নৌ এবং রেলপথে হাফ পাস দাবি করা হয়েছে। শুধু সড়কে শর্তসাপেক্ষে যে হাফ পাস দেয়ার কথা বলা হচ্ছে তা গ্রহণযোগ্য নয়। সব গণপরিবহনে শর্তহীন হাফ পাস দিতে হবে। এ ছাড়া নৌ এবং রেলপথে হাফ পাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্দোলনকারীদের আরেক সমন্বয়ক মহিদুল হাসান দাউদ বলেন, ‘শর্তসাপেক্ষে শুধু মহানগরে হাফ পাস নয়, সারা দেশে শর্তহীন হাফ পাসের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। ৯ দফা দাবির বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান জানাতে হবে। অন্যথায় আমাদের আন্দোলন চলবে।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো ড্রাইভারকে ফাঁসি দিতে হবে এবং এই বিধান সংবিধানে সংযোজন করতে হবে। ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে। বৈধ লাইসেন্স ছাড়া চালকরা গাড়ি চালাতে পারবেন না। বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া যাবে না।

শিক্ষার্থীদের চলাচলে ফুটওভারব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা করা ও সড়কে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় স্পিডব্রেকার দিতে হবে। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রছাত্রীদের দায়ভার সরকারকে নিতে হবে। শিক্ষার্থীরা সিগন্যাল দিলেই বাস থামিয়ে তাদের নিতে হবে বলেও দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে থাকবে না কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
হাতিরঝিল থেকে আটক আরও ৫৪
হাতিরঝিলে তৃতীয় অভিযানে আটক আরও ৩১ কিশোর
হাতিরঝিলে অভিযান, কিশোরদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

মুরাদের কুশপুতুলে ঢাবি ছাত্রদলের জুতার মালা

মুরাদের কুশপুতুলে ঢাবি ছাত্রদলের জুতার মালা

রাজু ভাস্কর্যের পাশে জুতার মালা পরানো মুরাদের কুশপুতুলটি। ছবি: নিউজবাংলা

ছাত্রদল নেত্রী কানেতা ইয়া লাম লাম বলেন, ‘উনি (মুরাদ) বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অসম্মানজনক মন্তব্য করেন। সর্বপ্রথম উনি আমাদের রাজনৈতিক পরিবারের অরাজনৈতিক একজন মেয়েকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন; যা প্রতিটি নারীর জন্য অসম্মানজনক।’

নারীর প্রতি ‘অবমাননাকর’ ও ‘বর্ণবাদী’ মন্তব্য করার অভিযোগ তুলে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের কুশপুত্তলিকা বানিয়ে তাতে জুতার মালা পরিয়ে দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নারী নেত্রীরা।

সোমবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাশে জুতার মালা পরানো মুরাদের কুশপুতুলটি রাখা হয়। এর গায়ে লেখা ছিল, ‘আমি ডা. মুরাদ, তথ্যমন্ত্রী। আমি নারী লোভী, বিকৃত অসভ্য মানুষ।’

তবে কুশপুতুলটি রাখার ১৫ মিনিটের মধ্যেই এটি সরিয়ে নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম।

ছাত্রদল সূত্র জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মানসুরা আলম, কানেতা ইয়া লাম লাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমাম আল নাসের মিশুকই মূলত কুশপুতুলটি বসান।

এ বিষয়ে কানেতা ইয়া লাম লাম বলেন, ‘উনি (মুরাদ) বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অসম্মানজনক মন্তব্য করেন। সর্বপ্রথম উনি আমাদের রাজনৈতিক পরিবারের অরাজনৈতিক একজন মেয়েকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন; যা প্রতিটি নারীর জন্য অসম্মানজনক। এরপর তার একটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হয়েছে, যেখানে তিনি একজন অভিনেত্রীকে ধর্ষণের থ্রেট করছেন। সর্বশেষ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নারী নেত্রীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।’

কানেতা আরও বলেন, ‘যে দেশে একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন কর্মকাণ্ড দেখা যায়, সে দেশে কোনো নারীই নিরাপদ থাকার কথা না। সে জন্য আমাদের মনে হয়েছে প্রতিবাদ করা উচিত। তাই আমরা প্রতিবাদ করেছি।’

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে থাকবে না কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
হাতিরঝিল থেকে আটক আরও ৫৪
হাতিরঝিলে তৃতীয় অভিযানে আটক আরও ৩১ কিশোর
হাতিরঝিলে অভিযান, কিশোরদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক টিকটক বানিয়ে গ্রেপ্তার

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক টিকটক বানিয়ে গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার মো. ছানোয়ার হোসেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার কৈজুড়ী ইউনিয়নের আকন্দপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ছবি: নিউজবাংলা

সিটিটিসি জানায়, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রামপুরায় অভিযান চালিয়ে ছানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছানোয়ার হোসেন ছদ্মনাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে জাতির পিতা, প্রধানমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছেন। সাইবার সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে আইডি ও পরিচালনাকারীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্যবহার করে ব্যঙ্গাত্মক টিকটক ভিডিও বানানোর অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।

গ্রেপ্তার মো. ছানোয়ার হোসেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার কৈজুড়ী ইউনিয়নের আকন্দপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

তার বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করেও টিকটক ভিডিও বানানোর অভিযোগ রয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) সাইদ নাসিরুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে রোববার রামপুরায় অভিযান চালিয়ে ছানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিটিটিসি জানায়, ছানোয়ার হোসেন ছদ্মনাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে জাতির পিতা, প্রধানমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছেন। সাইবার সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে আইডি ও পরিচালনাকারীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার সাইদ নাসিরুল্লাহ বলেন, ‘আসামি ছানোয়ার হোসেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেছে। রামপুরা থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আরও তথ্যের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। আদালত দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে থাকবে না কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
হাতিরঝিল থেকে আটক আরও ৫৪
হাতিরঝিলে তৃতীয় অভিযানে আটক আরও ৩১ কিশোর
হাতিরঝিলে অভিযান, কিশোরদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

শিশু ধর্ষণে দারোয়ানের যাবজ্জীবন

শিশু ধর্ষণে দারোয়ানের যাবজ্জীবন

প্রতীকী ছবি

আড়াই বছর আগের এ মামলায় সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক বেগম শামসুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন।

রাজধানীর আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় হয়েছে।

আড়াই বছর আগের এ মামলায় সোমবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক বেগম শামসুন্নাহার এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবনের পাশাপাশি ৩০ বছর বয়সী আরিফ হোসেন মোল্লাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।

মামলায় বাদীপক্ষে সহায়তাকারী আইনজীবী ফাহমিদা আক্তার রিংকি বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

নির্যাতনের শিকার শিশুটি যে বাসায় থাকত; ঘটনার সময় ওই একই ভবনে দারোয়ানের দায়িত্বে ছিলেন আরিফ। তিনি পটুয়াখালীর বাউফল থানার বগা ইউনিয়নের রাজনগর মোল্লাবাড়ির ইউসুফ মোল্লার ছেলে।

রায় ঘোষণার আগে সোমবার আরিফ হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায়ের পর তাকে আবার কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ওই শিশুকে নিয়ে তার বাবা-মা আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় বাস করতেন। একই বাসায় দারোয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন আরিফ হোসেন মোল্লা। পরিবার নিয়ে তিনি ওই বাসাতেই থাকতেন।

ঘটনার দিন ২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল দুপুর ১২টার দিকে বাড়িতে একা পেয়ে আরিফ শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এরপর ২ মে শিশুটি অসুস্থ অবস্থায় ঘটনার বিষয়ে তার মাকে জানায়। শিশুটির মা তার বাবাকে বিষয়টি জানালে ৩ মে তিনি আদাবর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর আরিফ হোসেনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন আদাবর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহরিয়ার নাঈম রোমান।

গত বছরের ১৪ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালত চার্জশিটভুক্ত ১১ সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে।

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে থাকবে না কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
হাতিরঝিল থেকে আটক আরও ৫৪
হাতিরঝিলে তৃতীয় অভিযানে আটক আরও ৩১ কিশোর
হাতিরঝিলে অভিযান, কিশোরদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

বৃষ্টিতে কালো কাপড় মুখে রামপুরায় শিক্ষার্থীরা

বৃষ্টিতে কালো কাপড় মুখে রামপুরায় শিক্ষার্থীরা

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সোমবার মুখে কালো কাপড় বেঁধে রামপুরা ব্রিজে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

রামপুরা ব্রিজের ওপর সোমবার দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। তাদের মুখে বাঁধা কালো কাপড়।

ভোর থেকে বিরামহীন বৃষ্টির মধ্যেই রাজধানীর রামপুরায় অবস্থান নিয়েছে সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর সোমবার দুপুর ১২টা ৩৭ মিনিটে অবস্থান নেয় তারা। ১২টা ৫৯ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। তাদের মুখে বাঁধা ছিল কালো কাপড়।

ওই সময় আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া খিলগাঁও সরকারি মডেল কলেজের ছাত্রী সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘আমরা বৃষ্টির মধ্যেও আজ নিরাপদ সড়কের দাবিতে অবস্থান নিয়েছি। আর এতে প্রমাণিত হয় যে, আমাদের যৌক্তিক আন্দোলনে সাধারণ মানুষের সমর্থন রয়েছে। নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজপথে আছি এবং থাকব।’

পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে জানতে চাইলে সোহাগী বলেন, ‘আপাতত আমাদের আগামীকাল কোনো কর্মসূচি নাই। আবহাওয়া ঠিক হলে আমরা আবারও কর্মসূচি দিব।’

তিনি বলেন, ‘আবহাওয়া ভালো হলে রামপুরায় নিহত মাইন উদ্দিনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একরামুন্নেসা স্কুল থেকে সাইকেল র‌্যালি নিয়ে নিহত আরেক শিক্ষার্থী নাঈম হাসানের প্রতিষ্ঠান নটরডেম পর্যন্ত যাব।’

নিরাপদ সড়ক সংশ্লিষ্ট ১১ দফা দাবিতে গত কয়েক দিন ধরে রামপুরায় এলাকায় অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে শিক্ষার্থীরা।

এর আগে সড়কে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে রোববার রামপুরা ব্রিজ এলাকায় ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর রোববার দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে অবস্থান নেয় শিক্ষার্থীরা। বেলা ১টা ৫ মিনিটে তারা অবস্থানস্থল থেকে চলে যায়। ওই সময় তাদের হাতে ছিল নানা ধরনের ব্যঙ্গচিত্র।

ব্যঙ্গচিত্রে নানা স্লোগানের মধ্যে ছিল, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘গণপরিবহনে হাফ পাস চাই’, ‘জাতির ভবিষ্যৎ মরলে কে গড়বে সোনার বাংলা’।

আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া খিলগাঁও সরকারি মডেল কলেজের ছাত্রী সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘আমরা আমাদের যে ১১ দফা দাবি আছে, তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্দোলন কারও বিপক্ষে না। আমরা সবার হয়ে এই আন্দোলন করছি। অথচ আমাদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কিছু লোক অপপ্রচার চালাচ্ছে।

‘এসব অপপ্রচার করে আমাদের থামিয়ে দেয়া যাবে না। আমরা আমাদের চলমান আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি আর যাব।’

এর আগে শনিবার সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতি লাল কার্ড দেখায় ১১ দফা দাবিতে রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর ওই দিন দুপুর ১২টার পর পরই অবস্থান নেয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। ওই সময় তারা লাল কার্ড উঁচিয়ে সড়ক ও পরিবহন খাতের লুটপাট আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুষ আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজ আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিজেদের ‘রেফারি’ দাবি করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা জানায়।

সোহাগী বলেন, ‘যখন ফুটবল খেলা হয়, খেলোয়াড়রা ভুল করলে লাল কার্ড দেখায়। আমরা সেই রেফারিদের ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছি।

‘আমরা দেখাতে চাই বাংলার মাটিতে দুর্নীতি হচ্ছে, যে মাটিতে ছাত্রসমাজ বড় বড় আন্দোলন করেছে। আজ আবার ২০২১ সালে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে থাকবে না কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
হাতিরঝিল থেকে আটক আরও ৫৪
হাতিরঝিলে তৃতীয় অভিযানে আটক আরও ৩১ কিশোর
হাতিরঝিলে অভিযান, কিশোরদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন সাংবাদিক শাকিলের

আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন সাংবাদিক শাকিলের

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন সাংবাদিক শাকিল আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর নিউজবাংলাকে জানান, শুনানি শেষে আদালত মামলার নথি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে থাকায় তা তলব করেছে। সেই সঙ্গে আগামী ১৭ জানুয়ারি জামিন আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ধর্ষণ ও ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে করা মামলায় বেসরকারি চ্যানেল একাত্তর টেলিভিশনের হেড অফ নিউজ শাকিল আহমেদ নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন।

হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন শাকিল।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট কাজী নজিব উল্যাহ হিরু আসামিপক্ষে এ জামিন আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, গত ৮ নভেম্বর আসামি শাকিল আহমেদ হাইকোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াত সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দেয়। এরপর তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। নির্দেশনা অনুযায়ী আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিনের প্রার্থনা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল নিউজবাংলাকে জানান, শুনানি শেষে আদালত মামলার নথি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে থাকায় তা তলব করেছে। সেই সঙ্গে আগামী ১৭ জানুয়ারি জামিন আবেদনের ওপর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

গত ৪ নভেম্বর রাতে গুলশান থানায় শাকিলের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন এক নারী। ওই নারী পেশায় চিকিৎসক হলেও সংবাদ উপস্থাপক হিসেবে বেশি পরিচিত।

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে থাকবে না কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
হাতিরঝিল থেকে আটক আরও ৫৪
হাতিরঝিলে তৃতীয় অভিযানে আটক আরও ৩১ কিশোর
হাতিরঝিলে অভিযান, কিশোরদের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন