ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ফেল ৭৮.২৫ শতাংশ

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ফেল ৭৮.২৫ শতাংশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় পাস করেছে ২১.৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। এর মানে দাঁড়াচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৭৮.২৫ শতাংশই অকৃতকার্য হয়েছে।

২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে।

এ পরীক্ষায় পাস করেছে ২১.৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। এর মানে দাঁড়াচ্ছে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৭৮.২৫ শতাংশই অকৃতকার্য হয়েছে।

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত এ ইউনিটে গতবার পাসের হার ছিল ১৫.৪৯ শতাংশ।

গত ২২ অক্টোবর ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়। ইউনিটটিতে ১ হাজার ২৫০ আসনের বিপরীতে ২৭ হাজার ৩৭৮ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেন, তবে পরীক্ষায় অংশ নেন ২৩ হাজার ৩৪৭ জন।

ভর্তি পরীক্ষায় লিখিত ও নৈর্ব্যক্তিক অংশে সমন্বিতভাবে উত্তীর্ণ হন ৫ হাজার ৭৯ পরীক্ষার্থী। পরীক্ষার ফল জানা যাবে ওয়েবসাইটে

উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের আবদুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে দুপুর ১২টার দিকে ফল ঘোষণা করেন।

ওই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার, ‘গ’ ইউনিট পরীক্ষার সমন্বয়ক এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল মঈনসহ ভর্তি পরীক্ষা সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ফল বুধবার প্রকাশ করা হবে।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ নন, টাঙ্গাইল কারাগারে ঢাবি ছাত্র হিমেল
হলে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ ও হাফ-পাস দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে প্রায় ২৫০ গবেষণা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী হলেই ডাকসু নির্বাচন : উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি নয়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্কুল-কলেজের নতুন এমপিওভুক্তি কবে?

স্কুল-কলেজের নতুন এমপিওভুক্তি কবে?

আগামী মাসে নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির ঘোষণার আভাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

এমপিওভুক্তির যাচাই-বাছাই কমিটির এক সদস্য নিউজবাংলাকে জানান, আগামী মাসে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়া হতে পারে। তবে সব কিছু নির্ভর করছে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর। গতবারের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী নতুন এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিতে পারেন।

নতুন অর্থবছরে বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে আবেদন-প্রক্রিয়া। এখন চলছে আবেদন যাচাই-বাছাই। তবে কবে নাগাদ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার ঘোষণা দেয়া হবে, এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি সরকার।

আগামী মাসে নতুন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়া হতে পারে বলে আভাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এমপিও হলো মান্থলি পে অর্ডার বা মাসিক বেতন আদেশ, যার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন ওই প্রতিষ্ঠানের বদলে পরিশোধ করে সরকার।

জানতে চাইলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটির আহ্বায়ক মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফৌজিয়া জাফরীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য যে আবেদনগুলো পেয়েছি, তা এখন যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।’

কবে নাগাদ এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়া হবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘কাজ চলছে। দিন-তারিখ এখনই বলা সম্ভব না।’

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির যাচাই-বাছাই কমিটির এক সদস্য নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অনলাইনে আবেদন নেয়ায় কাজ অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বিদেশ সফরে আছেন। সচিব মহোদয় এলেই এ বিষয়ে মিটিং অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আশা করছি, আগামী মাসে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেয়া হতে পারে। তবে সব কিছু নির্ভর করছে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর। কেননা গতবারের মতো এবারও প্রধানমন্ত্রী নতুন এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিতে পারেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সব মিলিয়ে এমপিওভুক্তির জন্য প্রায় ৬ হাজার আবেদন জমা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক এবং ডিগ্রি স্তরের ৩ হাজার এবং কারিগরি, ভোকেশনাল ও মাদ্রাসা স্তরের ৩ হাজার।

এর আগে গত ৭ নভেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এই কমিটিকে সহায়তা করতে আরও চার সদস্যের একটি উপকমিটিও গঠন করা হয়।

৯ সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) ফৌজিয়া জাফরীন। কমিটিতে আছেন শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের কলেজ শাখার যুগ্ম সচিব, বেসরকারি মাধ্যমিক (১) শাখার উপসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার পরিচালক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বাজেট শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব, ব্যানবেইসের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট এবং বেসরকারি মাধ্যমিক-৩ শাখার উপসচিব।

এ কমিটিকে সহায়তা করবে ব্যানবেইসের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট মো. আবু তাহের খানের নেতৃত্বে চার সদস্যের কমিটি। এ কমিটিতে আছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক, ব্যানবেইসের প্রোগ্রামার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রোগ্রামার।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়।

২০১৯ সালে ২ হাজার ৬২২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার পর গত বছর আর তা করা হয়নি।

নতুন অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর ২ হাজার ৭৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে চূড়ান্ত বাছাইয়ে ২ হাজার ৬১৫টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ছাড়পত্র পায়। এরপর আবার ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর ছয়টি এবং ১৪ নভেম্বর একটি প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়।

দেশে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৩৩ হাজার। আর এমপিওভুক্ত হয়নি এখনও প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য গত ২৯ মে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশোধিত নীতিমালায় এমপিওভুক্তির জন্য তিনটি শর্ত দেয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার-এই তিন বিষয়ে মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০, পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০ এবং পাসের হারে ৪০ নম্বর রাখা হয়েছে। আগের নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদের ওপর ২৫ নম্বর ছিল, যা সংশোধিত নীতিমালায় বাদ দেয়া হয়েছে।

২০২১ সালের নীতিমালায় কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কতজন শিক্ষার্থী থাকতে হবে, তা বেঁধে দেয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, নিম্ন মাধ্যমিকে শহরে ১২০ ও মফস্বলে ৯০, মাধ্যমিকে শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহরে ৪২০ ও মফস্বলে ৩২০, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে শহরে ২৫০ ও মফস্বলে ২২০ এবং ডিগ্রি কলেজে স্নাতকে শহরে ৪৯০ ও মফস্বলে ৪২৫ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। পাসের হার স্তরভেদে ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ করা হয়েছে।

গত ৩ জুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে যে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন, তাতে শিক্ষা খাতে ৭১ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার কথা বলা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৬৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে ৫ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ নন, টাঙ্গাইল কারাগারে ঢাবি ছাত্র হিমেল
হলে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ ও হাফ-পাস দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে প্রায় ২৫০ গবেষণা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী হলেই ডাকসু নির্বাচন : উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি নয়

শেয়ার করুন

স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ‘শিল্প-শিক্ষায়তন সংযোগ উন্নয়ন’ শীর্ষক বক্তৃতা

স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ‘শিল্প-শিক্ষায়তন সংযোগ উন্নয়ন’ শীর্ষক বক্তৃতা

বৃহস্পতিবার এসইউবির সেমিনার রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথিরা।

রুপালি চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষিত তরুণকে পেশা পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোতে হবে। চেষ্টা করতে হবে নিজের শিক্ষাগত পটভূমি ও ব্যক্তিগত আগ্রহের সঙ্গে মিলিয়ে সেটি ঠিক করা।’

স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (এসইউবি) আয়োজিত ‘শিল্প-শীক্ষায়তন সংযোগ উন্নয়ন’ শীর্ষক বক্তৃতামালার সপ্তম কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এসইউবির সেমিনার রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুপালি চৌধুরী।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এসইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির।

অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এসইউবির স্কুল অফ হেলথ সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক ডা. নওজিয়া ইয়াসমীন ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের (সিডিসি) পরিচালক আবু তাহের খান।

অনুষ্ঠানে রুপালি চৌধুরী বলেন, ‘শিক্ষিত তরুণকে পেশা পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে এগোতে হবে। চেষ্টা করতে হবে নিজের শিক্ষাগত পটভূমি ও ব্যক্তিগত আগ্রহের সঙ্গে মিলিয়ে সেটি ঠিক করা।’

তিনি বলেন, ‘মানসম্পন্ন গুণগত শিক্ষাভিত্তিই হচ্ছে পেশাগত ক্ষেত্রে সফল হওয়ার মূল শর্ত। সেটি চাকরি বা উদ্যেক্তা যাই হোক না কেন। চাকরির বাজারে নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা ভাবে তুলে ধরতে পড়াশোনার কোনো বিকল্প নেই।’

রূপালি চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিদিনই উচিত কোনো না কোনো বই পড়া। হতে পারে তা সাহিত্য কিংবা বিশেষ কারও জীবনী। এ অভ্যাস নিয়মিত থাকলে চাকরির ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’

অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল কবির বলেন, ‘সারা পৃথিবীজুড়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ঘটছে। এর ধারাবাহিকতায় কর্মবাজারের ধরন ও চাহিদাতেও নানামাত্রিক পরিবর্তন হচ্ছে। এসইউবি চেষ্টা করছে, অনিবার্য এসব পরিবর্তনজনিত বাজার চাহিদাকে বিবেচনায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমকে ঢেলে সাজাতে।’

তিনি বলেন, ‘শিল্পের অন্যবিধ অভিজ্ঞতাকেও এসইউবি কাজে লাগাতে আগ্রহী। সে আগ্রহ ও উপলব্ধি থেকেই ‘শিল্প-শিক্ষায়তন সংযোগ উন্নয়ন’ শীর্ষক বক্তৃতামালার আয়োজন করা হয়েছে।

ড. মো. আনোয়ারুল কবির বলেন, ‘ব্যবসার জন্য পুঁজি বড় কোনো সমস্যা নয়। মূল সমস্যা সাহসের অভাব। অতএব তোমাদেরকে অবশ্যই সাহসী ও দূরদর্শী হতে হবে।’

অনুষ্ঠানে এসইউবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, রেজিস্ট্রার, অনুষদ সদস্য ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় এসইউবির প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ নন, টাঙ্গাইল কারাগারে ঢাবি ছাত্র হিমেল
হলে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ ও হাফ-পাস দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে প্রায় ২৫০ গবেষণা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী হলেই ডাকসু নির্বাচন : উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি নয়

শেয়ার করুন

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলনে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান

ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলনে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান

২৮ নভেম্বর ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত নেয়ার পরিকল্পনা ছিল না। গঠনতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়ার জন্যই ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের হল সম্মেলনে হলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক হতে আগ্রহীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়েছে।

রোববার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে আগ্রহীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে উপস্থিত হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সেলের বুথে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে হবে।

প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আগ্রহীরা তাদের জীবনবৃত্তান্ত জমা দিতে পারবেন।

জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়া শেষে আগামী তিন ও চার ডিসেম্বর এসব জীবনবৃত্তান্ত যাচাই করা হবে।

শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

২৮ নভেম্বর ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত নেয়ার পরিকল্পনা ছিল না। গঠনতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী পদপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত জমা নেয়ার জন্যই ঢাবি ছাত্রলীগের হল সম্মেলনের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে।

জীবনবৃত্তান্তের সঙ্গে যা যা সংযুক্ত করতে হবে-

# পাসপোর্ট সাইজের ৪টি ছবি

# ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র বা ছাত্রত্বের প্রমাণপত্রের কপি

# জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মসনদের কপি

# এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা মার্কশিটের কপি

# স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে সর্বশেষ পরীক্ষার সার্টিফিকেট বা মার্কশিটের কপি

# ক্রীড়া বা সামাজিক বা সাংস্কৃতিক বা অন্য কোনো দক্ষতামূলক কর্মকাণ্ডের সনদ বা স্বীকৃতির কপি।

সংযুক্তিগুলোসহ জীবনবৃত্তান্তের পাঁচটি কপি পাঁচটি A4 সাইজের খামে করে জমা দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হল সম্মেলন উৎসবমুখর, নান্দনিক ও সুপরিকল্পিত করতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশীদের আনন্দমুখর পরিবেশে জীবনবৃত্তান্ত জমাদানের মাধ্যমে আগামীর নেতৃত্বকে শহীদের রক্তস্নাত, সত্য-সুন্দর-ন্যায়ের প্রতি দায়বদ্ধ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা ও বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনার রূপকল্প উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ নন, টাঙ্গাইল কারাগারে ঢাবি ছাত্র হিমেল
হলে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ ও হাফ-পাস দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে প্রায় ২৫০ গবেষণা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী হলেই ডাকসু নির্বাচন : উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি নয়

শেয়ার করুন

হাফ পাসের দাবিতে এবার পুরান ঢাকায় বিক্ষোভ

হাফ পাসের দাবিতে এবার পুরান ঢাকায় বিক্ষোভ

হাফ পাসের দাবিতে শনিবার সকালে পুরান ঢাকায় বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘শুধু বিআরটিসি বাসে হাফ দেয়া হয়েছে। এতে আমাদের কোনো লাভ হয় নাই। কারণ সদরঘাটে বিআরটিসির কোনো বাস আসে না। উন্নত দেশগুলোর মতো সব ধরনের বাসে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস নিশ্চিত করতে হবে।’  

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাসের দাবিতে এবার পুরান ঢাকায় বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে মতিঝিল ও ফার্মগেটের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন। পুরান ঢাকার বিক্ষোভ মিছিলে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

শনিবার বেলা ১১টায় লক্ষ্মীবাজার এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাঁখারীবাজার মোড় হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেন তারা।

এ সময় প্রায় আধঘণ্টার মতো রায়সাহেব বাজার মোড় ব্লক করে স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা। এতে তীব্র যানজট তৈরি হয়। বিক্ষোভ চলার সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের গাড়ি, সদরঘাটগামী বাসগুলোর লাইসেন্স চেক করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘সরকারের কাছে দাবি আমাদের জন্য হাফ পাস নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়, নারী শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছিত করা হয়। আমাদের দেখলে বাসের দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়। এগুলো অতিসত্বর বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘শুধু বিআরটিসি বাসে হাফ দেয়া হয়েছে। এতে আমাদের কোনো লাভ হয় নাই। কারণ সদরঘাটে বিআরটিসির কোনো বাস আসে না। উন্নত দেশগুলোর মতো সব ধরনের বাসে শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ পাস নিশ্চিত করতে হবে।’

শিক্ষার্থীরা নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা ও নটর ডেম কলেজের ছাত্র নাঈমসহ সড়কে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় দ্রুত বিচারের দাবি জানান।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ নন, টাঙ্গাইল কারাগারে ঢাবি ছাত্র হিমেল
হলে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ ও হাফ-পাস দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে প্রায় ২৫০ গবেষণা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী হলেই ডাকসু নির্বাচন : উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি নয়

শেয়ার করুন

ইউনিক আইডি: ফরম পূরণে ভোগান্তির শেষ নেই

ইউনিক আইডি: ফরম পূরণে ভোগান্তির শেষ নেই

ইউনিক আইডিতে থাকবে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

এক অভিভাবক বললেন, ‘বাচ্চার ইউনিক আইডির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন চাওয়া হচ্ছে। আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। তাহলে কেন আবার জন্মনিবন্ধন লাগবে?’

দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর জন্য ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত সব তথ্য থাকবে। এ আইডির জন্য প্রয়োজনীয় ফরম পূরণ করতে গিয়ে প্রক্রিয়াগত জটিলতায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের।

রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন স্কুলে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ইউনিক আইডির কাগজপত্র নিয়ে মঙ্গলবার স্কুলে আসেন অভিভাবক ওয়াহিদুর রহমান। স্কুল কর্তৃপক্ষ তাকে জানায়, শিক্ষার্থীর ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধনের সঙ্গে অভিভাবকের ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধনও লাগবে। তা না হলে তার ইউনিক আইডির কাগজ জমা নেয়া হবে না।

একই অভিযোগ করেন রাজধানীর একাধিক বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা। তেমনই একজন তাসমিয়া বিনতে জামান। তিনি বলেন, ‘বাচ্চার ইউনিক আইডির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন চাওয়া হচ্ছে। আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। তাহলে কেন আবার জন্ম নিবন্ধন লাগবে?’

তবে ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন তমাল পাল। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে ইস্পাহানি গার্লস স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। ইউনিক আইডির ফরমের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সব কাগজ জমা দেয়ার পর হঠাৎ করে স্কুল থেকে ফোন করে জানায়, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের কাগজ জমা দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওর রক্তের গ্রুপ তো ছোট্ট সময়েই নির্ণয় করে রেখেছি। ইউনিক আইডির জন্য এখন আবার রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করতে হলো। এ জন্য অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করতে হলো।’

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করতে কিছু শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকের নানা ভোগান্তিতে পড়ার কথা স্বীকার করেন ইউনিক আইডির প্রকল্প পরিচালক শামসুল আলম। তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে আসলে আমাদের কিছুই করার নেই। জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে এন্ট্রি দেয়ার জন্য অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় অনেক আগেই অফিস আদেশ জারি করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে এখন জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। তাই আমরা ধরে নিতেই পারি, সব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন আছে। যারা স্কুলে ভর্তিই হয়নি, তাদের জন্ম নিবন্ধন নাও থাকতে পারে।

‘সমস্যা হলো, জন্ম নিবন্ধনের কোনোটা ম্যানুয়াল, কোনোটা ডিজিটাল। যেসব শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন ম্যানুয়াল, তাদের ডিজিটাল অর্থাৎ অনলাইনে এন্ট্রি দেয়া জন্ম নিবন্ধন লাগবে। কারণ ইউনিক আইডি দেয়ার অন্যতম শর্ত হলো শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের সঙ্গে মিল থাকতে হবে শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধনের।

‘যদি কোনো শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে, সে ইউনিক আইডি পাবে না। কারণ আমরা শিক্ষার্থীদের তথ্যগুলো পাঠাব অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে। তারপর সেখান থেকে যাবে নির্বাচন কমিশনে। এরপর তারা ইউনিক আইডি তৈরি করবে। এটাই সিস্টেম। এ জন্য কোনো শিক্ষার্থীর যদি অনলাইন জন্ম নিবন্ধন না থাকে, তাহলে সে ইউনিক আইডি পাবে না।’

শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধনে বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন কেন প্রয়োজন হয়, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করতে গেলে শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন আগে করে নিতে হবে। এটা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন-২০১৯ অনুযায়ী করা হচ্ছে। সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সব নাগরিকের জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। যদি কেউ তা না করে তাহলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

যেসব শিক্ষার্থীর বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন নেই, তাদের করণীয় কী, এমন প্রশ্নে শামসুল আলম বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থীর অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন ইতিমধ্যে করা আছে, তাদের বাবা-মায়ের শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র থাকলেই শিক্ষার্থী ইউনিক আইডি পাবে। আর যেসব শিক্ষার্থীর অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন এখনও করা হয়নি, তাদের জন্ম নিবন্ধন করতেও বাবা-মায়ের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন লাগবে। এটা আইনে স্পষ্ট উল্লেখ আছে।’

রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের কাগজ ইউনিক আইডির ফরমের সঙ্গে দেয়া বাধ্যতামূলক কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের কাগজ ইউনিক আইডির ফরমের সঙ্গে দেয়া বাধ্যতামূলক না। তবে কিছু স্কুল কর্তৃপক্ষ ইউনিক আইডির ফরমের সঙ্গে রক্তের গ্রুপের কাগজ নিচ্ছে, যেন ফরমে দেয়া তথ্য ভুল না হয়।

ইউনিক আইডি: ফরম পূরণে ভোগান্তির শেষ নেই

‘ইউনিক আইডি’র তথ্য পূরণের ক্ষেত্রে পাঁচটি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ইউনিক আইডি কেন

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মৌলিক ও শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় রাখার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ইউনিক আইডি। শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে এই আইডি জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) রূপান্তরিত হবে।

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরির দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইজ)। আর প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ইউনিক আইডি তৈরি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

কেন শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিক আইডি তৈরি করা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, ‘কোনো শিশু জন্মগ্রহণ করলেই স্থানীয় সরকার বিভাগের অফিস অফ রেজিস্ট্রার জেনারেলের আওতায় তার জন্ম নিবন্ধন হয়। আর ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া সবার জন্য আছে জাতীয় পরিচয়পত্র। কিন্তু যারা প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী, অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮-এর নিচে তারা এই সিস্টেমের বাইরে। এ জন্য তাদের সিস্টেমের মধ্যে আনতেই ইউনিক আইডি তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

ফরমে যেসব তথ্য দিতে হয়

স্ট্যাবলিশমেন্ট অফ ইন্টিগ্রেটেড এডুকেশনাল ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইইআইএমএস) প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা চার পৃষ্ঠার ফরমে শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ফরমে শিক্ষার্থীর নাম, জন্ম নিবন্ধন নম্বর, জন্মস্থান, জেন্ডার, জাতীয়তা, ধর্ম, অধ্যয়নরত শ্রেণি, রোল নম্বর, বৈবাহিক অবস্থা, প্রতিবন্ধিতা (ডিজ-অ্যাবিলিটি), রক্তের গ্রুপ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কি না, মা-বাবার নামসহ বেশ কিছু তথ্যের ঘর রয়েছে।

বৈবাহিক অবস্থার অপশন হিসেবে অবিবাহিত, বিবাহিত, বিধবা, বিপত্নীক ছাড়াও স্বামী-স্ত্রী পৃথক বসবাস, তালাকপ্রাপ্ত, বিয়েবিচ্ছেদের ঘরও রয়েছে ফরমে।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ নন, টাঙ্গাইল কারাগারে ঢাবি ছাত্র হিমেল
হলে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ ও হাফ-পাস দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে প্রায় ২৫০ গবেষণা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী হলেই ডাকসু নির্বাচন : উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি নয়

শেয়ার করুন

জগন্নাথে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

জগন্নাথে জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড

দ্বাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২১ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনলাইন প্লাটফর্মে হয়।

প্রতিযোগিতা থেকে শীর্ষ ১০ জন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হন। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর হবে বলে আমি আশাবাদী। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করব তারা যেন এমন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘দ্বাদশ জাতীয় স্নাতক গণিত অলিম্পিয়াড ২০২১ (ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চল)’ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগে অনলাইন প্লাটফর্ম ‘জুম’-এ বাংলাদেশ গণিত সমিতির উদ্যোগে এবং এ. এফ. মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এই অলিম্পিয়াড হয়।

শুক্রবার এ গণিত অলিম্পিয়াডে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চলের মোট ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬টি বিভাগ থেকে ১১৮ প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিতা থেকে ১০ প্রতিযোগী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগে অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার জন্য মনোনীত হন। তারা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুবায়ের রহমান, কাজী হাফিজুর রহমান, রেদওয়ানুল ইসলাম সিয়াম, শোভা ইসলাম, মো. তারিকুজ্জামান শাকিল ও পার্থ সুত্রধর; বুয়েটের রিদওয়ানুল হাসান তানভীর; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাসনিম রহমান মীম; ঢাবির মো. রিয়াজুল হাসান লিয়ন এবং হাসান কিবরিয়া।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, ‘এমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গণিত ভীতি দূর হবে বলে আমি আশাবাদী। আমি শিক্ষার্থীদের আহ্বান করব তারা যেন এমন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।’

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, বাংলাদেশ গণিত সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী, এ. এফ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি মো. নুরুল আলম এবং গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল আলম সহ অন্যান্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ নন, টাঙ্গাইল কারাগারে ঢাবি ছাত্র হিমেল
হলে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ ও হাফ-পাস দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে প্রায় ২৫০ গবেষণা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী হলেই ডাকসু নির্বাচন : উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি নয়

শেয়ার করুন

ওয়েবসাইটে তথ্য দিলেই টিকা পাবেন জবি শিক্ষার্থীরা

ওয়েবসাইটে তথ্য দিলেই টিকা পাবেন জবি শিক্ষার্থীরা

আগামী ৫ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জবিতে দেয়া হবে টিকার দ্বিতীয় ডোজ। ছবি: নিউজবাংলা

জবি রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান জানান, যে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে http://student.erp.jnu.ac.bd/jnuis/student/login/view.html লিংকে ঢুকে তথ্য দিতে হবে। আর যারা দেশের অন্যত্র থেকে সিনোফার্মের প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তারা টিকা কার্ড দেখিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।  

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আধুনিক মেডিক্যাল সেন্টারের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে।

আগামী ৫ থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেয়া হবে টিকা। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের টিকা নেয়ার আগেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ঢুকে বিষয়টি নিশ্চিত করে তথ্য দিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে যারা প্রথম ডোজ নিয়েছেন তারা স্টুডেন্ট পোর্টালে ঢুকে টিকা গ্রহণের তারিখ ঠিক করাসহ অন্যান্য তথ্য দিতে হবে। এরপর তারা টিকা নিতে পারবেন।

শুক্রবার সকালে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) মোহাম্মদ মশিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

রেজিস্ট্রার বলেন, যে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী টিকা ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে এই লিংকে ঢুকে http://student.erp.jnu.ac.bd/jnuis/student/login/view.html তথ্য দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেয়া হবে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যারা দেশের অন্যত্র থেকে সিনোফার্মের প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তারা টিকা কার্ড দেখিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন।

এর আগে গত ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে ১৯৬০ শিক্ষার্থী প্রথম ডোজের টিকা গ্রহণ করেছেন।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ নন, টাঙ্গাইল কারাগারে ঢাবি ছাত্র হিমেল
হলে ছাত্র নির্যাতন বন্ধ ও হাফ-পাস দাবিতে ঢাবিতে বিক্ষোভ
শতবর্ষ উপলক্ষে ঢাবিতে প্রায় ২৫০ গবেষণা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ শক্তিশালী হলেই ডাকসু নির্বাচন : উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অহেতুক ঘোরাঘুরি নয়

শেয়ার করুন