সাম্বার দম্পতির ঘরে নতুন অতিথি

সাম্বার দম্পতির ঘরে নতুন অতিথি

শনিবার চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় জন্ম হয় সাম্বার শাবকটির। ছবি: নিউজবাংলা

মা ও শাবক সুস্থ আছে বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ। জানিয়েছেন, এর আগে এই দম্পতির ঘরে ৫টি শাবক ছিল। 

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সাম্বার হরিণ দম্পতির ঘরে নতুন অতিথি এসেছে। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে শাবকটির জন্ম হলেও, সোমবার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

মা ও শাবক সুস্থ আছে বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ। জানিয়েছেন, এর আগে এই দম্পতির ঘরে ৫টি শাবক ছিল।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি বনভূমিতে সাম্বার প্রজাতির দেখা মেলে। উপমহাদেশে সবচেয়ে বড় জাতের এই হরিণ তিন বছরে বয়ঃপ্রাপ্ত হয়। সাধারণত এই হরিণ ২০ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত বাঁচে।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বিরল সাদা বাঘসহ, সিংহ, এশিয়ান ভালুক, মিঠাপানির কুমির, আফ্রিকান জেব্রা, গয়াল, বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ ও দেশি-বিদেশি নানা জাতের পাখি আছে।

কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, ‘চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় সাম্বার ছাড়াও আরও দুই জাতের হরিণ আছে। মায়া হরিণ রয়েছে ৪টি, ২৭টি চিত্রা হরিণ। বর্তমানে চিড়িয়াখানায় ৬৬টি প্রজাতির ৬২০ পশু-পাখি আছে। এর মধ্যে চিড়িয়াখানাতেই জন্ম নেয়া একটি সাদা বাঘও রয়েছে।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

বন বিভাগের মামলা পরিচালক জুলহাস উদ্দিন জানান, এর আগে সাপ, বানর হত্যার ঘটনায় আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাজা দেয়া হয়েছে। মেছো বিড়াল হত্যা নিয়ে কোনো মামলায় এই প্রথম জরিমানা করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারে একটি মেছো বিড়াল হত্যার মামুন মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে শাস্তি দিয়েছে আদালত।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী।

বিড়াল হত্যার এক বছর পর মামুনকে সাজা হিসেবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার বন আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সাইফুর রহমান সোমবার মামুন মিয়াকে সাজা দেন।

আদালত সূত্র জানিয়েছে, মেছো বিড়াল হত্যার ঘটনায় এই প্রথম বন আদালতে কাউকে সাজা দেয়া হলো।

২০২০ সালের নভেম্বরে বাড়ির পুকুরের মাছ খাওয়ার সময় সহযোগীদের নিয়ে মেছো বিড়ালটি হত্যার অভিযোগ ওঠে মামুনের বিরুদ্ধে। তিনি মৌলভীবাজারের রাজনগরের কাজীরহাট গ্রামের বাসিন্দা।

মেছো বিড়াল হত্যার প্রথম দণ্ড

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, মেছো বিড়াল হত্যা বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কাজীরহাটে মেছো বিড়ালটি হত্যার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সেই সূত্র ধরে মামুনকে শনাক্ত করা হয়। পরে এ ঘটনায় মামলা করেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ফরেস্টার মো. আনিসুজ্জামান।

ঘটনার তদন্ত ও স্থানীয় লোকজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর বন আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয় রাজনগর থানা।

বন বিভাগের মামলা পরিচালক জুলহাস উদ্দিন জানান, এর আগে সাপ, বানর হত্যার ঘটনায় আদালতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সাজা দেয়া হয়েছে। মেছো বিড়াল হত্যা নিয়ে কোনো মামলায় এই প্রথম জরিমানা করা হয়েছে।

রেজাউল করিম চৌধুরী নিউজবাংলাকে জানান, ‘দেশে এই প্রথম মেছো বিড়াল হত্যায় শাস্তি হলো। ইচ্ছা ও আন্তরিকতা থাকলে এসব অপরাধের সাজা নিশ্চিত করা সম্ভব। এই বিচার দেশের বন্যপ্রাণী রক্ষায় অবদান রাখবে।’

শেয়ার করুন

বাঁশখালীতে ফের মৃত হাতি

বাঁশখালীতে ফের মৃত হাতি

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে আবারও মিলল মৃত হাতি। ছবি: নিউজবাংলা

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একদল লোক ওই হাতিকে মাটিচাপা দিচ্ছিল। সেই খবর পেয়ে বনবিভাগের লোকজন সেখানে যায়। মাটি খুঁড়ে হাতির মৃতদেহটি তোলা হয়। তবে কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি।’ 

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পাহাড়ি এলাকা থেকে আবারও একটি মৃত বন্যহাতি উদ্ধার করেছে বনবিভাগ।

বাঁশখালীর সাধনপুর ইউনিয়নের লটমনি এলাকা থেকে মঙ্গলবার দুপুরে হাতির মৃতদেহটি পাওয়া গেলে বুধবার বিকালে তা সংবাদমাধ্যমকে জানান বনবিভাগ কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একদল লোক ওই হাতিকে মাটিচাপা দিচ্ছিল। সেই খবর পেয়ে বনবিভাগের লোকজন সেখানে যায়। মাটি খুঁড়ে হাতির মৃতদেহটি তোলা হয়। তবে কাউকে সেখানে পাওয়া যায়নি।

‘হাতিটির শরীরের আঘাতে চিহ্ন নেই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বৈদ্যুতিক ফাঁদ ব্যবহার করে মেরে ফেলা হয়েছে। এরপর বিষয়টি গোপন করার জন্য মাটিতে পুতে ফেলা হচ্ছিল।’

হাতিটি মাঝবয়সী বলে জানান এই কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের জন্য আলামত রেখে মৃতদেহটি মাটিচাপা দেয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক থেকে চিকিৎসক আনা হয়েছে।

বন কর্মকর্তা বলেন, ‘সাধনপুর বিট কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন এই ঘটনায় বাঁশখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর আমরা পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেব।’

এই নভেম্বরেই শেরপুর, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে গুলিতে ও বিদ্যুতায়িত হয়ে ৮টি হাতি মারা গেছে।

শেয়ার করুন

৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প পেরুতে, বাড়িঘর বিধ্বস্ত

৭.৫ মাত্রার ভূমিকম্প পেরুতে, বাড়িঘর বিধ্বস্ত

পেরুতে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত একটি এলাকায় চলছে উদ্ধারকাজ। ছবি: এএফপি

পেরুর মধ্য ও উত্তরাঞ্চলজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে। পূর্বসতর্কতা হিসেবে বিভিন্ন শহরের বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে স্থানীয় বেতার ও টেলিভিশনগুলো জানিয়েছে।

পেরুর প্রত্যন্ত উত্তরাঞ্চলে আঘাত হেনেছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প। এতে কমপক্ষে ৭৫টি বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে, আহত হয়েছেন ১০ জন। প্রাণহানির কোনো খবর মেলেনি এখনও।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রত্যন্ত আমাজন অঞ্চলে স্থানীয় সময় রোববার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর তীব্রতা এত বেশি ছিল যে কম্পন অনুভূত হয়েছে সুদূর রাজধানী লিমা পর্যন্ত।

পেরুর ভূকম্পনবিষয়ক সংস্থা জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট অফ পেরু (আইজিপি) জানিয়েছে, কনডরক্যানক্যু প্রদেশের সান্তা মারিয়া ডি নিয়েভা শহর থেকে ৯৮ কিলোমিটার দূরে এবং ভূপৃষ্ঠের ১৩১ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনটির উৎসস্থল।

পেরুর মধ্য ও উত্তরাঞ্চলজুড়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে। পূর্বসতর্কতা হিসেবে বিভিন্ন শহরের বাসিন্দারা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন বলে স্থানীয় বেতার ও টেলিভিশনগুলো জানিয়েছে।

পেরুর জাতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পে ২২০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৮১টি বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং ৭৫টি পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে সাতটি ধর্মীয় উপাসনালয় ও দুটি শপিং সেন্টার।

বেশ কয়েকটি অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর ফুটেজে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাটের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে আমাজন বনাঞ্চলের পেরুর অংশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান পেট্রোপেরুর এক হাজার ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ তেলের পাইপলাইনের কোনো ক্ষতি হয়নি ভূমিকম্পে।

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাটি পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নির্ধারণ ও ভুক্তভোগীদের সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন পেরুর প্রেসিডেন্ট পেদ্রো ক্যাসটিলো।

ভূমিকম্পের ফলে সুনামির ঝুঁকি সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

শেয়ার করুন

শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি

শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি

ভোর ৬টায় শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, শ্রীমঙ্গলে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এখন থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকবে।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রোববার ভোর ৬টায় শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শনিবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল শ্রীমঙ্গলেই।

তাপমাত্রা নিচে নামার কারণে বাড়ছে শীত। রোববার সকাল ও শনিবার রাতে ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল পুরো জেলা।

আবহাওয়াবিদ আনিসুর রহমান জানান, শ্রীমঙ্গলে শীতের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এখন থেকে তাপমাত্রা কমতে থাকবে।

শেয়ার করুন

৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

ইউএসজিএসের ভূমিকম্প মানচিত্র। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬.১। ভূপৃষ্ঠ থেকে উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ৩২.৮ কিলোমিটার।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার ৫.৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ভোর ৫টা ৪৫ মিনিট ৪১ সেকেন্ডে ভূকম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নিয়ে পোস্টে বলা হয়, এটি ঢাকা থেকে ৩৪৭ কিলোমিটার দূরে।

এর আগে এক পোস্টে অধিদপ্তর জানিয়েছিল, ভূমিকম্পের মাত্রা ৬.১।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৬.১। ভূপৃষ্ঠ থেকে উৎপত্তিস্থলের গভীরতা ছিল ৩২.৮ কিলোমিটার।

সংস্থাটি আরও জানায়, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের হাখা থেকে ১৯ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারত-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায়।’

তিনি বলেন, ‘উৎপত্তিস্থলে এর মাত্রা ছিল ৬.১, তবে আশপাশের এলাকায় ৫.৭ মাত্রায় অনুভূত হয়েছে।’

ভূমিকম্প সিলেটেও বড় ঝাকুনি দিয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

ফেনী শহরে ভূমিকম্পের সময় লোকজনকে বাসাবাড়িতে শোরগোল করতে শোনা যায়। এতে শহরে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

শহরের বাসিন্দা ফারুকুর রহমান বলেন, ‘আমরা মসজিদে নামাজরত ছিলাম। মসজিদ শুধু দোলনার মতো দুলতেছে। আর তখনই টের পেয়েছি ভূমিকম্প হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

মাথায় কনটেইনার আটকে মরতে বসেছিল হরিণটি

মাথায় কনটেইনার আটকে মরতে বসেছিল হরিণটি

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস রাজ্যের পনি প্রেইরি পার্কে এই অবস্থায় হরিণটিকে দেখতে পায় স্থানীয়রা। ছবি: সংগৃহীত

উইচিটার শহরের পনি প্রেইরি পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, মাথায় কনটেইনার আটকে যাওয়া হরিণটিকে কয়েক দিন আগে দেখতে পান স্থানীয়রা। কিন্তু কেউ ওকে সাহায্য করতে পারছিল না। মানুষ দেখলেই পালিয়ে যেত সে।  

একবার ভেবে দেখুন তো, ক্ষুধা-তৃষ্ণায় কাতর আপনি। কিন্তু মুখ খুলতে না পারায় কিছুই মুখে তুলতে পারছেন না। কারও কাছে সাহায্য চাইবেন, সেই উপায়ও নেই। এমন পরিস্থিতিতে হয়তো পড়তে চাইবেন না কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস রাজ্যের একটি শহরে সম্প্রতি এমন অবস্থায় দেখা গেছে একটি হরিণকে। প্লাস্টিকের একটি কনটেইনার পুরো মাথায় আটকে গিয়েছিল হরিণটির। কয়েক দিনের চেষ্টায় গত মঙ্গলবার হরিণটিকে ধরতে সক্ষম হন স্থানীয়রা। খুলে নেয়া হয় কনটেইনারটি।

উইচিটার শহরের পনি প্রেইরি পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, মাথায় কনটেইনার আটকে যাওয়া হরিণটিকে কয়েক দিন আগে দেখতে পান স্থায়ীয়রা। কিন্তু কেউ ওকে সাহায্য করতে পারছিল না। মানুষ দেখলেই পালিয়ে যেত সে।

স্থানীয় বাসিন্দা জেসিকা নেভিল বলেন, ‘চার দিন ধরে হরিণটিকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি পুকুরে সে পানি পানের চেষ্টা করছিল। আমাদের দেখে পালিয়ে যায়। পরে রাতের আঁধারে একটি বাড়ির আঙিনার সামনে ওকে ধরতে পারি। জাপটে ধরে ওর মাথা থেকে কনটেইনারটি বের করি।’

আবর্জনা ফেলার ক্ষেত্রে জনগণকে আরও সচেতন হওয়ায় পরামর্শ দিয়েছেন উদ্ধারকারীরা।

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর কীর্তি না রাখতে নদী হত্যা: নৌপ্রতিমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধুর কীর্তি না রাখতে নদী হত্যা: নৌপ্রতিমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশের নদীর নাব্যতা ও পলি ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিমন্ত্রী খালিদ বলেন, ‘দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্থ করতে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশ অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে; নদীগুলো দখল হয়ে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর ভিশনারি নেতৃত্ব ও কীর্তি যাতে না থাকে সেজন্য নদীগুলোকে হত্যা করা হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তার কীর্তি না রাখতে দেশের নদীগুলো দখল হয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সারা দেশের নদী রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্থ করতে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশ অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে; নদীগুলো দখল হয়ে গিয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর ভিশনারি নেতৃত্ব ও কীর্তি যাতে না থাকে সেজন্য নদীগুলোকে হত্যা করা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশের নদীর নাব্যতা ও পলি ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু ঢাকার চারপাশের নদী নয়, সারা দেশের নদী রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। নদীগুলো একদিনে দখল হয়নি, এটি দীর্ঘদিনের জট। দ্রুত কোনো কিছু করা সম্ভব নয়। সেগুলো উদ্ধারে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। সরকার উদ্যোগ নিচ্ছে।’

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ নদী নিয়ে চিন্তা করছে-এটাই সাফল্য। নদী রক্ষায় সবাইকে সম্পৃক্ত করছি-সেটি সফলতা। বাংলাদেশকে রক্ষা করতে নদীগুলোকে রক্ষা করতে হবে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। নদী ব্যবস্থাপনায় হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন ‘নদীগুলোর নাব্যতা কমে গেছে; নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে।’ বঙ্গবন্ধু নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে ওইসময় সাতটি ড্রেজার সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর ২০০৮ সাল পর্যন্ত নদী খননের জন্য কোনো ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১২ বছরে ৩৮টি ড্রেজার সংগ্রহ করেছেন। এর সুফল আমরা পাচ্ছি।’

বাংলাদেশ নদী বাঁচাও আন্দোলন, ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি আনিসুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মহসীনুল করিম লেবুর সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইফরমেশন সার্ভিসেসের (সিইজিআইএস) সিনিয়র অ্যাডভাইজার ড. মমিনুল হক সরকার।

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অখিল কুমার বিশ্বাস, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ার সাদাত।

শেয়ার করুন