সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সোমবার সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কেক কাটেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফ। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওসমান আলী এতে সভাপতিত্ব করেন।

নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সোমবার সকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কেক কাটেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আনোয়ারুল আজিম আরিফ। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওসমান আলী এতে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যদের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালক কামাল উদ্দিন ও জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাসের চৌধুরী, সিরাজুল হক, সামছুল হক ও মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, কোম্পানিসচিব আব্দুল হান্নান খানসহ ব্যাংকের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশব্যাপী ব্যাংকের ১৬৯টি শাখা, ৯৬টি উপশাখা এবং ১৯১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটেও নানা আয়োজনে দিনটি উদযাপিত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান ব্যাংকের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল আজিম আরিফ ব্যাংকের ২৬ বছরের অগ্রযাত্রার সহযাত্রী গ্রাহক, শেয়ার হোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সব শুভানুধ্যায়ীকে কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানান।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওসমান আলী ব্যাংকের বিভিন্ন অর্জনের কথা তুলে ধরেন এবং কঠোর পরিশ্রম ও উত্তম গ্রাহক সেবার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমার আগ্রহ বাড়ছে

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমার আগ্রহ বাড়ছে

ইলেকট্রনিক বা অনলাইন পদ্ধতিতে রিটার্ন্ জমার আগ্রহ বাড়ছে। চলতি বছরের ১০ অক্টোবর থেকে ই-রিটার্ন পদ্ধতি চালু করেছে এনবিআর। রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছে, এ পদ্ধতি খুব সহজ এবং করদাতাবান্ধব।

৩০ নভেম্বর ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বলেছে, সময় বাড়ানো হবে না।

করদাতাদের সুবিধার জন্য এবারও কর অঞ্চলগুলোতে মেলার আবহে রিটার্ন্ জমাসহ সব ধরনের সেবা দেয়ার ব্যবস্থা করেছে এনবিআর।

শেষ মুহূর্তে করদাতাদের পদচারণা বাড়ছে কর অঞ্চলগুলোতে। শেষের দুই দিন ভিড় আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ইলেকট্রনিক বা অনলাইন পদ্ধতিতে রিটার্ন্ জমার আগ্রহ বাড়ছে। চলতি বছরের ১০ অক্টোবর থেকে ই-রিটার্ন পদ্ধতি চালু করেছে এনবিআর। রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছে, এ পদ্ধতি খুব সহজ এবং করদাতাবান্ধব।

এনবিআরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত ৩০ হাজার করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছেন। আর নিবন্ধন নিয়েছেন ৬৭ হাজারের বেশি। শেষের তিন দিনে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।

বর্তমান আইনে বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও যাতায়াত ভাতা বাদ দিয়ে বছরে আয় ৩ লাখ টাকার বেশি হলে তাকে প্রযোজ্য হারে কর দিতে হয়। এ হিসাবে কারও মাসিক আয় ২৫ হাজার টাকার বেশি হলেই করযোগ্য আয় আছে বলে বিবেচনা করা হয়।

প্রযোজ্য হার মানে সর্বনিম্ম কর হার হার ৫ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ।

আয় থাকুক আর না থাকুক, ট্যাক্স পেয়ার আইডেনটিফিকেশন নম্বার বা করদাতা শণাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) থাকলেই সবাইকে রিটার্ন জামা দিতে হয়।

সময়মতো রিটার্ন জামা না দিলে জরিমানা গুণতে হয়। জরিমানার পরিমাণ এককালীন ১ হাজার টাকা। তার সঙ্গে পরবর্তী প্রতিদিনের জন্য অতিরিক্ত ৫০ টাকা।

নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও রিটার্ন জমা দেয়া যায়। তবে তার জন্য পিটিশন বা আবেদন করতে হয় উপ-করকমিশনার পদমর্যাদার কর্মকর্তার কাছে। আবেদনকারীকে সময় বাড়ানোর পক্ষে অবশ্যই উপযুক্ত প্রমাণ দিতে হয়।

আইনে ব্যক্তি এবং কোম্পানি উভয় ক্ষেত্রে রিটার্ন জমা দেয়ার নিয়ম রয়েছে। ব্যক্তির ক্ষেত্রে ৩০ নভেম্বর রিটার্ন জমার শেষ সময়। আর কোম্পানির ক্ষেত্রে বার্ষিক হিসাব ক্লোজের দিন থেকে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে রিটার্ন্ দাখিল করার নিয়ম রয়েছে।

যেভাবে অনলাইনে রিটার্ন জমা

এনবিআর বলেছে, যাদের করযোগ্য আয় নেই, কিন্তু টিআইএন আছে, তাদের জন্য সহজ ব্যবস্থা হচ্ছে অনলাইনে রিটার্ন দেয়া। কারণ, এ পদ্ধতিতে হিসাবের ঝামেলা কম। সহজ উপায়ে তথ্য পূরণ করা যায়।

অনলাইনে রিটার্ন্ দিতে হলে প্রথমে ইট্যাক্স এনবিআর ডট জিওবি ডট বিডি (etaxnbr.gov.bd) পেজে ঢুকে ই-রিটার্ন সিলেক্ট করুন। আপনি চলে এলেন রিটার্ন দাখিল সিস্টেমে।

নিজের নামে মোবাইল ফোন নম্বার দিয়ে নিবন্ধন করুন। নিবন্ধনের সময় নিজের পাসওয়ার্ড নিজে সেট করে নিতে হয়।

নিবন্ধন করার সাথে সাথে আপনার নিজের একটা ই-রিটার্ন অ্যাকাউন্ট হয়ে গেল। নিজের টিআইএন এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে যে কোনো সময় যে কোনো জায়গা থেকে অ্যাকাউন্ট সাইন ইন করতে পারবেন।

নিবন্ধন হয়ে গেলে এবার সাইন-ইন করুন। যাদের করযোগ্য আয় নেই বা ‘জিরো ট্যাক্স’, তাদের কিছু তথ্য দিয়ে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে রিটার্ন জমার কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে।

যাদের করযোগ্য আয় রয়েছে, তোদের কর নিরূপণের জন্য হিসাব করতে হয়। তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানা যাবে, আপনার মোট আয় কত হলো, করের পরিমাণ কত, কত রেয়াত পাওয়া যাবে, রিটার্নের সাথে কত টাকা দিতে হবে।

অনলাইনে রিটার্ন জামার সাথে সাথে ‘প্রাপ্তিস্বীকার’ স্লিপ পাওয়া যাবে।

এনবিআরের কর্মকর্তারা বলেছেন, ই-রিটার্ন থাকার অনেক সুবিধা রয়েছে। এটা দিয়ে রিটার্ন দাখিল করা যাবে, ই-পেমেন্ট করা যাবে, ঘরে বসে সনদ নেয়া যাবে, আয়কর রিটার্নের কপি নেয়া যাবে এবং রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ানোর আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন

করোনা: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সম্মেলন স্থগিত

করোনা: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সম্মেলন স্থগিত

অ্যাম্ব ডেসিও ক্যাস্টিলোর বলেন, ‘করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট এবং এ কেন্দ্রিক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার কারণে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মন্ত্রীপর্যায়ের সম্মেলন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে পরিস্থিতি যখন অনুকূল হবে, তখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দিন-তারিখ ঠিক করে এই সম্মেলন ফের আয়োজন করা হবে। তবে এ মুহূর্তে স্থগিত ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রীপর্যায়ের দ্বাদশ সম্মেলন (এমসি-১২) এ বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা ছিল।

সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশসহ ১৬৪ দেশের সরকার প্রতিনিধিরা ডব্লিউটিওর মহাপরিচালকের আমন্ত্রণে যোগ দিতে জেনেভামুখী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ করেই আফ্রিকায় করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট দেখা দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ডব্লিউটিওর জেনারেল কাউন্সিল থেকে স্থগিত করা হয়েছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্রিক দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ও পূর্বনির্ধারিত এই সম্মেলন।

ইতোমধ্যে সম্মেলনকে ঘিরে আফ্রিকার কয়েকটি দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সুইজারল্যান্ডসহ অন্যান্য অনেক ইউরোপীয় দেশ। এমনকি ভ্রমণের ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজনীয়তাও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এর ফলে এমসি-১২ সম্মেলনে অনেক দেশের মন্ত্রীদের অংশগ্রহণে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে জেনারেল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যাম্ব ডেসিও ক্যাস্টিলোর নেতৃত্বে সদস্য দেশগুলোর এক জরুরি সভায় সম্মেলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

সিদ্ধান্তের বিষয়ে ডব্লিউটিওর জেনারেল কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যাম্ব ডেসিও ক্যাস্টিলোর বলেন, ‘করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট এবং এ কেন্দ্রিক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার কারণে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মন্ত্রীপর্যায়ের সম্মেলন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে পরিস্থিতি যখন অনুকূল হবে, তখন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দিন-তারিখ ঠিক করে এই সম্মেলন ফের আয়োজন করা হবে। তবে এ মুহূর্তে স্থগিত ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে আপনারা পরিস্থিতির গুরুত্বকে পুরোপুরি উপলব্ধি করবেন।’

ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো-আইওয়ালা জানান, ভ্রমণের সীমাবদ্ধতা বা নিষেধাজ্ঞা আরোপের অর্থ হলো বিশ্বের অনেক মন্ত্রী এবং সিনিয়র প্রতিনিধি সম্মেলনে মুখোমুখি আলোচনায় অংশ নিতে পারতেন না। এটি সমান ভিত্তিতে অংশগ্রহণকে অসম্ভব করে তুলবে এবং এতে রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়ে জটিল আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ থেকে বঞ্চিত করবে। এ কারণে এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মহাপরিচালক হিসেবে আমার অগ্রাধিকার হলো সমস্ত এমসি-১২ এ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী মন্ত্রী, প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজ- সবার স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা।’

এনগোজি ওকোনজো-আইওয়ালা বলেন, ‘এটাও আশ্বস্ত করতে চাই, সম্মেলন স্থগিত মানে সব কিছু শেষ হয়ে যায়নি। সম্মেলনে আলোচনার বিষয়গুলোতে আমাদের দৃষ্টি সব সময় থাকবে। আলোচনাকে সমঝোতা ও সেটি বাস্তবায়ন পর্যায়ে নিয়ে যেতে আমাদের চেষ্টা চলবে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা আবার আলোচনায় বসব।’

শেয়ার করুন

দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আভাস

দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর আভাস

ফাইল ছবি

এর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর অজুহাতে গত ৪ নভেম্বর থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ৮০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমায় বাংলাদেশেও কমানোর আভাস দিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

শনিবার তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণ করছি। দাম কমছে। তবে, এই কমার প্রভাব এখনও বাজারে পড়েনি। যদি পড়ে তাহলে আমরাও আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করব।’

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আরও বলেন, ‘আমরা যদি কেনার সময় কম দামে পাই তাহলে অবশ্যই কমাব।’

এর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর অজুহাতে গত ৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ সরকারও ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে এক লাফে ১৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ৮০ টাকা নির্ধারণ করে। এর প্রভাবে দেশের সব ধরনের পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয়।

এদিকে, দেশের বাজারে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানোর কয়েক দিন পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী হতে শুরু করে। শনিবার হয় সবচেয়ে বড় দরপতন। এক দিনের ব্যবধানে দাম ব্যারেল প্রতি ১০ ডলার ২২ সেন্ট বা ১৩ শতাংশের বেশি কমে ৬৮ ডলারে নেমে এসেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ২০২০ সালের এপ্রিলের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সবচেয়ে বড় দরপতন এটি।

শনিবার প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেল ৬৮ ডলার ১৭ সেন্টে বিক্রি হয়েছে। এটা আগের দিনের চেয়ে ১০ ডলার ২২ সেন্ট বা ১৩ দশমিক ০৪ শতাংশ কম।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ার পরই হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের এই বড় দরপতন হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, কোভিড-১৯-এর এই নতুন ধরনের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমে যেতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার এই নতুন ধরনের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে সংকট দেখা দিতে পারে। কমে যেতে পারে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। তার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদাও কমে যেতে পারে। আর এই ভয়েই তেলের দামে বড় পতন হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘ওমিক্রন’ নামে করোনা ভাইরাসের নতুন যে ধরন শনাক্ত করেছে তা এখন উদ্বেগের কারণ। সেই উদ্বেগ থেকেই প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের মূল্য এক দিনের ব্যবধানে ১৩ শতাংশের বেশি কমেছে।

এর আগে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ও ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে কম।

শনিবার বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেল বিক্রি হয়েছে ৭৩ ডলার ৮১ সেন্টে, যা আগের দিনের চেয়ে ১০ দশমিক ২৩ শতাংশ কম।

২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। করোনা মহামারির মধ্যেও টানা বেড়েছে তেলের দাম। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় তা আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়।

গত ২৭ অক্টোবর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে ৮৫ দশমিক ০৭ ডলারে ওঠে। এরপর থেকেই তা কমতে থাকে। ৮ নভেম্বর এর দর ছিল ৮২ দশমিক ৫ ডলার। এক মাস আগে ১৬ অক্টোবর দাম ছিল ৮০ ডলার। আর এক বছর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ৪২ ডলার।

প্যারিসভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি বা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) গত জুলাইয়ের শুরুতে এক পূর্বাভাসে বলেছিল, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ আবার বাড়তে শুরু করায় বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা আগামী বছরের শেষের দিকে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।

আইইএ'র মতে, চলতি বছর বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা মোটামুটি বাড়বে। তবে আগামী বছর জ্বালানি তেলের দৈনিক চাহিদা বেড়ে ১০ কোটি ৬ লাখ ব্যারেলে উন্নীত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ কোম্পানি ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্সও মাস তিনেক আগে তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছিল, কোভিড-১৯-এর কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছিল তা দূর হচ্ছে। পাশাপাশি দেশে দেশে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে এ বছরের জানুয়ারি মাসে জ্বালানি তেলের দাম ছিল গড়ে প্রতি ব্যারেল ৪৯ ডলার। এরপর থেকে গড়ে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ফেব্রুয়ারি মাসে ৫৩ ডলার, মার্চে ৬০, এপ্রিলে ৬৫, মে মাসে ৬৪, জুনে ৬৬ , জুলাইয়ে ৭৩ এবং আগস্টে ৭৪ ডলার। অক্টোবর মাসে এই দাম ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছিল, শিগগিরই তা ১০০ ডলার হয়ে যেতে পারে।

তবে চলতি নভেম্বর থেকে দাম নিম্নমুখী হয়। তারপরও দামটা নিয়ন্ত্রণে আসছিল না। এ অবস্থায় জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে আনতে নিজ দেশের পেট্রোলিয়াম ভান্ডার থেকে পাঁছ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

গত ২৩ নভেম্বর টুইট বার্তায় বাইডেন ঘোষণা দেন, ‘আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কমাতে পদক্ষেপের কথা আজ ঘোষণা করছি। আমেরিকাবাসীর জন্য স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) থেকে পাঁচ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ব আমরা, যাতে তেল ও গ্যাসের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসে।’

দেশে তেল ও গ্যাসের মতো জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি রুখতে এই পদক্ষেপ নেন জো বাইডেন। এর জেরে সে দেশে জ্বালানির দাম কমবে বলে মনে করা হচ্ছিল। পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছিলেন অনেকে।

তবে, বাইডেনের এই ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম খুব একটা কমেনি।

শেয়ার করুন

জ্বালানি তেলে বড় দরপতন

জ্বালানি তেলে বড় দরপতন

প্রতীকী ছবি

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ার পরই হঠাৎ করে জ্বালানি তেলে এই বড় দরপতন হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, কোভিড-১৯ এর এই নতুন ধরনের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমে যেতে পারে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলে বড় দরপতন হয়েছে। এক দিনের ব্যবধানে দাম ব্যারেলপ্রতি ১০ ডলার ২২ সেন্ট বা ১৩ শতাংশের বেশি কমে ৬৮ ডলারে নেমে এসেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ২০২০ সালের এপ্রিলের পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সবচেয়ে বড় দরপতন এটি।

শনিবার প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেল ৬৮ ডলার ১৭ সেন্টে বিক্রি হয়েছে। এটা আগের দিনের চেয়ে ১০ ডলার ২২ সেন্ট বা ১৩ দশমিক ০৪ শতাংশ কম।

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ার পরই হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের এই বড় দরপতন হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, কোভিড-১৯ এর এই নতুন ধরনের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কমে যেতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার এই নতুন ধরনের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে সঙ্কট দেখা দিতে পারে। কমে যেতে পারে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। তার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদাও কমে যেতে পারে। আর এই ভয়েই তেলের দামে বড় পতন হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘ওমিক্রন’ নামে করোনা ভাইরাসের নতুন যে ধরন শনাক্ত করেছে তা এখন উদ্বেগের কারণ। সেই উদ্বেগ থেকেই প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের মূল্য এক দিনের ব্যবধানে ১৩ শতাংশের বেশি কমেছে।

এর আগে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ও ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে কম।

শনিবার বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেল বিক্রি হয়েছে ৭৩ ডলার ৮১ সেন্টে, যা আগের দিনের চেয়ে ১০ দশমিক ২৩ শতাংশ কম।

২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। করোনা মহামারির মধ্যেও টানা বেড়েছে তেলের দাম। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় তা আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়।

গত ২৭ অক্টোবর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে ৮৫ দশমিক ০৭ ডলারে ওঠে। এরপর থেকেই তা কমতে থাকে। ৮ নভেম্বর এর দর ছিল ৮২ দশমিক ৫ ডলার। এক মাস আগে ১৬ অক্টোবর দাম ছিল ৮০ ডলার। আর এক বছর আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ৪২ ডলার।

প্যারিসভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি বা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) গত জুলাইয়ের শুরুতে এক পূর্বাভাসে বলেছিল, করোনা ভাইরাসের প্রকোপ আবার বাড়তে শুরু করায় বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা আগামী বছরের শেষের দিকে আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।

আইইএ'র মতে, চলতি বছর বিশ্ববাজারে তেলের চাহিদা মোটামুটি বাড়বে। তবে আগামী বছর জ্বালানি তেলের দৈনিক চাহিদা বেড়ে ১০ কোটি ৬ লাখ ব্যারেলে উন্নীত হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ কোম্পানি ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাক্সও মাস তিনেক আগে তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছিল, কোভিড-১৯ এর কারণে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় যে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছিল তা দূর হচ্ছে। পাশাপাশি দেশে দেশে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে এ বছরের জানুয়ারি মাসে জ্বালানি তেলের দাম ছিল গড়ে প্রতি ব্যারেল ৪৯ ডলার। এরপর থেকে গড়ে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ফেব্রুয়ারি মাসে ৫৩ ডলার, মার্চে ৬০, এপ্রিলে ৬৫, মে মাসে ৬৪, জুনে ৬৬ , জুলাইয়ে ৭৩ এবং আগস্টে ৭৪ ডলার। অক্টোবর মাসে এই দাম ৮৫ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছিল, শিগগিরই তা ১০০ ডলার হয়ে যেতে পারে।

তবে চলতি নভেম্বর থেকে দাম নিম্নমুখী হয়। তারপরও দামটা নিয়ন্ত্রণে আসছিল না। এ অবস্থায় জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে আনতে নিজ দেশের পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার থেকে পাঁছ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

গত ২৩ নভেম্বর টুইট বার্তায় বাইডেন ঘোষণা দেন, ‘আমেরিকান পরিবারগুলোর জন্য তেল ও গ্যাসের দাম কমাতে পদক্ষেপের কথা আজ ঘোষণা করছি। আমেরিকাবাসীর জন্য স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (এসপিআর) থেকে পাঁচ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ব আমরা, যাতে তেল ও গ্যাসের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসে।’

দেশে তেল ও গ্যাসের মতো জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধি রুখতে এই পদক্ষেপ নেন জো বাইডেন। এর জেরে সে দেশে জ্বালানির দাম কমবে বলে মনে করা হচ্ছিল। পাশাপাশি বিশ্ব জুড়ে জ্বালানির দামেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছিলেন অনেকে।

তবে, বাইডেনের এই ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম খুব একটা কমেনি।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর অজুহাতে গত ৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ সরকারও ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে এক লাফে ১৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ৮০ টাকা নির্ধারণ করে।

শেয়ার করুন

ইউএস-বাংলার বহরে আরও দুই বোয়িং উড়োজাহাজ

ইউএস-বাংলার বহরে আরও দুই বোয়িং উড়োজাহাজ

ইউএস বাংলার বহরে যুক্ত হওয়া নতুন উড়োজাহাজ। ছবি: সৌজন্যে

এ নিয়ে ইউএস বাংলার বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬টিতে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠানের পর দেশি এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে ইউএস বাংলার উড়োজাহাজের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।

ইউএস-বাংলা এয়ারের বহরে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি নতুন বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন মডেলের উড়োজাহাজ।

শুক্রবার রাতে উড়োজাহাজ দুটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে বলে প্রতিষ্ঠানটি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

এ নিয়ে ইউএস বাংলার বহরে উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াল ১৬টিতে। রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠানের পর দেশি এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন উড়োজাহাজগুলোর প্রত্যেকটিতে ১৮৯টি আসন রয়েছে। এগুলো দিয়ে শ্রীলঙ্কার কলম্বো, আরব আমিরাতে শারজাহ ও ভারতের দিল্লিতে ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

বিসিএস কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সহিদুল, মহাসচিব নুরুল

বিসিএস কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সহিদুল, মহাসচিব নুরুল

ড. মো. সহিদুল ইসলাম ও একেএম নুরুল হুদা আজাদ (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে এজিএম ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২১-২০২৩ মেয়াদের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন করা হয়।

বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট) অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিলেট ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ড. মো. সহিদুল ইসলাম। মহাসচিব হয়েছেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম নুরুল হুদা আজাদ।

শনিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শুক্রবার বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে এজিএম ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০২১-২০২৩ মেয়াদের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

কমিটিতে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও ভ্যাট কমিশনারেটের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান, কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের কমিশনার কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, কাস্টম হাউস, পানগাঁওয়ের কমিশনার মো. শওকাত হোসেন।

কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান ও হাসান মুহাম্মদ তারেক রিকাবদার, কোষাধ্যক্ষ পদে ড. নাহিদা ফরিদী, প্রচার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে শাকিলা পারভীন ও অফিস সেক্রেটারি পদে মো. ইফতেখার আলম ভূঁইয়া নির্বাচিত হয়েছেন।

কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ড. আব্দুল মান্নান শিকদার ও জাকিয়া সুলতানা, কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হক ও মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, কাজী মুহম্মদ জিয়াউদ্দীন, মো. খায়রুল কবির মিয়া, মোহাম্মদ সফিউর রহমান, আ আ ম আমীমুল ইহসান খান, মো. মিনহাজ উদ্দিন, সাইদুল আলম, নূর-এ-হাসনা সানজিদা অনুসূয়া নির্বাচিত হয়েছেন।

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এসআইবিএল

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে এসআইবিএল

একইসঙ্গে ব্রহ্মরাজপুর বাজারে ব্যাংকটির ৯৭তম উপশাখা খোলা হয়েছে।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (এসআইবিএল) ১৭০তম শাখা সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উদ্বোধন করেছে। একইসঙ্গে ব্রহ্মরাজপুর বাজারে ব্যাংকটির ৯৭তম উপশাখা খোলা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রধান কার্যালয় হতে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শ্যামনগর শাখা ও ব্রহ্মরাজপুর উপশাখার উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু নাসের চৌধুরী, সিরাজুল হক ও সামছুল হক, কোম্পানি সচিব আব্দুল হান্নান খান, মার্কেটিং এন্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ডিভিশনের প্রধান মোঃ মনিরুজ্জামান এবং ব্রাঞ্চেস কন্ট্রোল এন্ড জেনারেল ব্যাংকিং ডিভিশনেনের প্রধান সাইফ আল-আমীন।

এছাড়াও সাতক্ষীরা ও শ্যামনগর শাখার ব্যবস্থাপক, ব্রহ্মরাজপুর উপশাখার ইনচার্জসহ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন