খালেদাকে বিদেশ নেয়ার দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ

খালেদাকে বিদেশ নেয়ার দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ

রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ। ছবি: নিউজবাংলা

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সোমবার সকাল ১০টা থেকে ঘণ্টা খানেক বিক্ষোভ করে বিএনপি। দলটির নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন সকাল ৯টা থেকেই। বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ ঘিরে সতর্ক অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সুচিকিৎসার জন্য বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে এবং তার মুক্তির দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দলটির নেতা-কর্মীরা।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সোমবার সকাল ১০টা থেকে ঘণ্টা খানেক বিক্ষোভ করে বিএনপি। দলটির নেতা-কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন সকাল ৯টা থেকেই। বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ ঘিরে সতর্ক অবস্থান নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উপস্থিত হয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামসহ আরও অনেকে।

খালেদার মুক্তি ও তাকে বিদেশে নিয়ে সুচিকিৎসা করানোর দাবিতে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে শনিবার গণ-অনশন শেষে দেশব্যাপী বিক্ষোভ-সমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপি।

ঘোষণায় দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এবার খালেদার মুক্তি কিংবা তাকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরব না।’

১৩ নভেম্বর বিকেলে খালেদা জিয়াকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে এভারকেয়ারে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় পরের দিন ভোরে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তার।

খালেদার অবস্থা ভালো নয় বলে বিএনপি থেকে জানানো হয়েছে। মানবিক স্বার্থে হলেও দলীয় প্রধানকে বিদেশ নিয়ে যেতে সরকারের অনুমতি চেয়েছেন তারা। বিদেশ পাঠিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জীবন বাঁচাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার জরুরি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন।

তবে খালেদা জিয়াকে বিদেশ নিতে সরকার থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া যাচ্ছে না। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বারবার বলেছেন, বিএনপিপ্রধানের করা আবেদনটি ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী আগেই নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ায় তাকে বিদেশ যেতে অনুমতি দেয়ার আইনি কোনো সুযোগ নেই।

প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনারও ইঙ্গিত খালেদাকে বিদেশে যেতে না অনুমতি দেয়ার।

আরও পড়ুন:
খালেদা ইস্যুতে বিএনপির মশাল মিছিল
বিএনপির অনশনে খাবারের দোকানের বিক্রি ভালো হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
খালেদা ইস্যুতে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি ফখরুলের
বিএনপি বৈধভাবে বিক্ষোভ করতে পারে, তবে…
‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে’: রুমিন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

খালেদা ইস্যু: নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি

খালেদা ইস্যু: নয়াপল্টনে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে বিএনপি

বিএনপির সমাবেশের আগের দিন সোমবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দলের মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত

বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ করে দেয়ার দাবিতে গত ২০ নভেম্বর নয়াপল্টনে অনশন শেষে আট দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সেখানে অবশ্য মঙ্গলবারের এই সমাবেশের কথা ছিল না।

দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ করে দিতে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করতে পুলিশের অনুমতি পাওয়ার কথা জানিয়েছে বিএনপি।

মঙ্গলবার বেলা একটার দিকে এই সমাবেশ হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী। সমাবেশের আগের দিন সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে এই তথ্য জানান তিনি।

দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডিত বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা করানোর সুযোগ দেয়ার দাবিতে চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি।

দণ্ড স্থগিত করে ২০২০ সালে বিএনপি নেত্রীকে কারাগারের বাইরে আসার সুযোগ করে দেয়া হয় দণ্ডবিধির ৪০১ ধারা প্রয়োগ করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া সে আদেশে শর্ত হিসেবে দেশের বাইরে না যাওয়ার কথা বলা ছিল।

তবে গত এপ্রিলে করোনা নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হলে পরিবারের পক্ষ থেকে এক দফা এবং সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে আরেক দফা আবেদন করা হয়।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, দণ্ডবিধির ৪০১ ধারা একবার প্রয়োগ করার পর দ্বিতীয়বার প্রয়োগের সুযোগ নেই।

বিএনপি অবশ্য এই ব্যাখ্যা মানতে রাজি নয়। তাদের নেত্রীর লিভার সিরোসিস হয়েছে-এই বিষয়টি জানিয়ে ব্যক্তিগত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানির মতো দেশেই এর চিকিৎসা আছে। বিদেশে পাঠাতে দেরি হলে বিএনপি নেত্রীকে বাঁচানো যাবে না- এমন শঙ্কার কথাও বলছেন নেতারা।

বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ করে দেয়ার দাবিতে গত ২০ নভেম্বর নয়াপল্টনে অনশন শেষে আট দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সেখানে অবশ্য মঙ্গলবারের এই সমাবেশের কথা ছিল না।

সোমবার সকাল থেকেই বিএনপিতে আলোচনা ছিল একটি সমাবেশ ডাকা হবে। তবে পুলিশের অনুমতি পাওয়া যাবে কি না, এ নিয়ে সংশয়ও ছিল। সেটি কেটে যাওয়ার পরেই মূলত গণমাধ্যমের সামনে আসেন রিজভী।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, সহদপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, মুহাম্মদ মনির হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
খালেদা ইস্যুতে বিএনপির মশাল মিছিল
বিএনপির অনশনে খাবারের দোকানের বিক্রি ভালো হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
খালেদা ইস্যুতে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি ফখরুলের
বিএনপি বৈধভাবে বিক্ষোভ করতে পারে, তবে…
‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে’: রুমিন

শেয়ার করুন

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে: খালেদা প্রসঙ্গে কাদের

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে: খালেদা প্রসঙ্গে কাদের

নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

কাদের বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা আগেও বলেছি, বিদেশ থেকে ডাক্তার নিয়ে আসুন। আইনের কারণেই আমরা অপারগ। এটাই একটিমাত্র কারণ। তারপরও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সোমবার সকালে নবাবগঞ্জ পার্কে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ইউনিট সম্মেলনে তিনি বিএনপির নেত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়েও কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) অসুস্থ। আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা আগেও বলেছি, বিদেশ থেকে ডাক্তার নিয়ে আসুন। আইনের কারণেই আমরা অপারগ। এটাই একটিমাত্র কারণ। তারপরও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’

সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘আমরা বেগম জিয়ার মৃত্যু কামনা করি না। তিনি দ্রুত আরোগ্য লাভ করুক, এটা আমরা চাই, কিন্তু সবকিছুর একটা নিয়ম আছে। আইনমন্ত্রী বলেছেন। এরপর এ বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বলতে চাই না।’

এ জন্য বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যাকে মারতে চেয়েছেন (শেখ হাসিনা) তিনিই মানবিক হয়েছেন খালেদা জিয়ার প্রতি, কিন্তু আপনারা তার পিতাকে হত্যা করেছেন আর তাকে হত্যা করার জন্য গ্রেনেড হামলা করেছেন।’

বিএনপি নেতারা খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছে বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগের মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে নিয়ে এত মায়াকান্না। বেগম জিয়ার মামলা ৭ বছর তারা ঝুলিয়ে রেখেছে, কিন্তু এখন তার জন্য তারা মায়াকান্না কাঁদে। বেগম জিয়া যদি বেশি অসুস্থ হন তাহলে তার জন্য দায়ী বিএনপি। বিএনপি খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে যত কথা বলেছে, তার চেয়ে বেশি রাজনীতি করেছে।’

এ সময় ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর ও ২১ আগস্ট ঘটনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন ওবায়দুল কাদের। এসব ঘটনার জন্য বিএনপিকে দায়ী করেন তিনি।

বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘বিএনপি নেতারা আন্দোলনের ডাক দিয়ে ঘরে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখে। বিএনপি নেতারাই মাঠে নামে না। আর টেলিফোনে খবর নেয়, পুলিশের গতিবিধি কেমন।’

‘বেসরকারি বাসমালিকদের অনুরোধ করেছেন নেত্রী’

শিক্ষার্থীদের জন্য বাস ভাড়া হাফ দাবির প্রসঙ্গেও কথা বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘তারা হাফ ভাড়া দাবি করেছে। সরকারের কাছে বিআরটিসি ছিল। নেত্রী বলেছেন, বিআরটিসি ৫০ শতাংশ করে দাও। আমরা ভাড়া মওকুফ করেছি। দাবি অনুসারে ঢাকা সিটিতে কনসেশন দেয়ার কথা, নেত্রী বললেন সারা দেশেই দাও। নেত্রী নিজে অনুরোধ করেছেন বেসরকারি বাসমালিকদের, আমিও করেছি।’

বাসমালিকদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাসমালিকদের আমি বলছি, এটার সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে। ছাত্ররা কনসেশন বহু আগে থেকেই পেত। আমি আশা করি, এ বিষয়ে আপনারা ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা ছাত্রদের রাস্তায় দেখতে চাই না। তারা ক্যাম্পাসে ফিরে যাক। তাদেরও ফখরুল সাহেবরা সাপোর্ট করার নামে উসকানি দিচ্ছেন।’

ইউপি নির্বাচনে ভোটের উপস্থিতিতে রেকর্ড

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ব্যাপক উৎসব-উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘৭০ থেকে ৭৫ ভাগ ভোটকেন্দ্রে গিয়েছে। মহিলারা ভোর থেকে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছে। উৎসবমুখর একটা নির্বাচন হচ্ছে। অথচ কিছু বুদ্বিজীবী ও রাজনীতিক যে বলেন, মানুষ নাকি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।’

এ সময় ভালো আচরণ দিয়ে মানুষের মন জয় করার জন্য তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। বলেন, ‘মানুষের মন জয় করতে হলে ভালো আচরণ দিয়ে জয় করতে হবে। মানুষের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে সরকারের অর্জন ম্নান হয়ে যাবে।

‘মনে রাখবেন একটা খারাপ আচরণ দশটা উন্নয়নকেও ঢেকে দিতে পারে। মানুষকে অখুশি করলে, ক্ষমতার দাপট দেখালে মানুষ হয়তো এখন আপনাদের ভয় করবে, কিন্তু নির্বাচন যখন হবে ব্যালটের মধ্যে শাস্তি দিয়ে দেবে। নির্বাচনে খারাপ ব্যবহারের শাস্তি পেতে হবে।’

দলের কিছু নেতা-কর্মীর অপকর্মের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের সব অর্জন ম্নান হয়ে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের। বলেন, ‘চাঁদাবাজির অভিযোগ আসে, সন্ত্রাস, জমি দখল, বাড়ি দখলের অভিযোগ আসে, মাদক ব্যবসার অভিযোগ আসে। এসব অপকর্ম আমাদের দলের উন্নয়নকে ম্নান করে দিচ্ছে। নেত্রী এত উন্নয়ন করেন, তারাই সব ধ্বংস করে দিচ্ছে।’

ইউনিট সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহম্মেদ মান্নাফি ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজি মোহাম্মদ সেলিমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
খালেদা ইস্যুতে বিএনপির মশাল মিছিল
বিএনপির অনশনে খাবারের দোকানের বিক্রি ভালো হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
খালেদা ইস্যুতে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি ফখরুলের
বিএনপি বৈধভাবে বিক্ষোভ করতে পারে, তবে…
‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে’: রুমিন

শেয়ার করুন

ভোটে হেরে ‘ফেরত নিলেন’ অনুদানের কম্বল

ভোটে হেরে ‘ফেরত নিলেন’ অনুদানের কম্বল

পরাজিত সদস্য প্রার্থী রমেছা খানম তার দেয়া অনুদানের কম্বল ফেরত নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা

কম্বল পাওয়া অনু মিয়া বলেন, ‘যে কাজটি রমেছা খানম করলেন তা এলাকাবাসী দেখলেন। গরিবদের প্রতি তার অবিচার আগে থেকেই। এ জন্য তার পক্ষে নির্বাচন করিনি। এ কারণেই তিনি আজ সকালে (সোমবার) এসে সব কম্বল নিয়ে গেছেন।’

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ভোটে হেরে যাওয়ায় চারজনকে দেয়া অনুদানের কম্বল ফিরিয়ে নিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী রমেছা খানম। ওই চারজন এমন অভিযোগ করেছেন।

তারা বলছেন, রমেছার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ও সেই প্রার্থী বিজয়ী হওয়ায় ক্ষেপে গিয়ে রমেছা এ কাজ করেছেন।

রমেছা খানম সহদেবপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের সদস্য থাকাকালে দুই বছর আগে ইউপির অনুদানের টাকায় একটি করে কম্বল দেন আকুয়া গ্রামের মকবুল হোসেন, অনু মিয়া, মো. সংকু ও মো. বংকুকে। তারা চারজন ভাই।

ওই আসনের জন্য এবার রমেছার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জোসনা বেগম। ভোটে জয় হয় জোসনার। কম্বল পাওয়া চার ভাইয়ের বাড়ি জোসনার বাড়ির পাশেই। তারা জোসনার পক্ষে নির্বাচনে কাজও করেছেন বলে জানান।

এর মধ্যে মকবুল হোসেন বলেন, ‘আমার পাশের বাড়ির জোসনা বেগম এ বছর নির্বাচন করলে আমরা তার পক্ষে কাজ করি। এ জন্য রমেছা আমাদের দেয়া কম্বলগুলো নিয়ে গেছেন।’

অনু মিয়া বলেন, ‘যে কাজটি রমেছা খানম করলেন তা এলাকাবাসী দেখলেন। গরিবদের প্রতি তার অবিচার আগে থেকেই। এ জন্য তার পক্ষে নির্বাচন করিনি। এ কারণেই তিনি আজ সকালে (সোমবার) এসে সব কম্বল নিয়ে গেছেন।’

অভিযোগ সত্য কিনা জানতে রমেছা খানমকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারব না।’

আরও পড়ুন:
খালেদা ইস্যুতে বিএনপির মশাল মিছিল
বিএনপির অনশনে খাবারের দোকানের বিক্রি ভালো হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
খালেদা ইস্যুতে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি ফখরুলের
বিএনপি বৈধভাবে বিক্ষোভ করতে পারে, তবে…
‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে’: রুমিন

শেয়ার করুন

খালেদা ইস্যুতে কূটনৈতিকদের অবস্থান জানাল সরকার

খালেদা ইস্যুতে কূটনৈতিকদের অবস্থান জানাল সরকার

ফাইল ছবি

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা হয়েছে। আমরা বলেছি, সরকার এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। তিনি একজন বন্দি তাই আইনানুযায়ী তার বিষয়টি দেখভাল করা হচ্ছে। দেশের যে কোনো স্থানেই তিনি চিকিৎসা নিতে পারেন। বিদেশে থাকা কোনো চিকিৎসক যদি মনে করেন তবে তিনি চিকিৎসা দিতে দেশে আসতে পারেন।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয়ে সরকারের অবস্থান বিদেশি কূটনৈতিকদের কাছে স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সোমবার অর্ধশতাধিক রাষ্ট্রদূত ও তাদের প্রতিনিধিদের ব্রিফ করেন তিনি।

এরপর এক সংবাদ সম্মেলনে আলোচ্য বিষয়গুলো তুলে ধরেন একে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা হয়েছে। আমরা বলেছি, সরকার এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। তিনি একজন বন্দি তাই আইনানুযায়ী তার বিষয়টি দেখভাল করা হচ্ছে। দেশের যে কোনো স্থানেই তিনি চিকিৎসা নিতে পারেন।

‘কিন্তু তিনি যদি বিদেশে যেতে চান তাহলে এরজন্য যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। আমরা দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এরজন্য আমরা আশা করি, তার ক্ষেত্রেও আইনি প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা হবে। তিনি চিকিৎসার জন্য বিদেশ থেকে যে কোনো চিকিৎসককেই আনতে পারেন। তার সব মেডিক্যাল রিপোর্টগুলো বিদেশে পাঠানো হয়েছে। বিদেশে থাকা কোনো চিকিৎসক যদি মনে করেন তবে তিনি চিকিৎসা দিতে দেশে আসতে পারেন।’

আরও পড়ুন:
খালেদা ইস্যুতে বিএনপির মশাল মিছিল
বিএনপির অনশনে খাবারের দোকানের বিক্রি ভালো হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
খালেদা ইস্যুতে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি ফখরুলের
বিএনপি বৈধভাবে বিক্ষোভ করতে পারে, তবে…
‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে’: রুমিন

শেয়ার করুন

চর দখলের মতো ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল: জি এম কাদের

চর দখলের মতো ইউপি নির্বাচনে কেন্দ্র দখল: জি এম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বক্তব্য দেন জি এম কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

জি এম কাদের বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যেভাবে সহিংসতা হচ্ছে তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না। ইউপি নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া হচ্ছে। পাল্টাপাল্টি হামলা আর খুনোখুনিতে ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে গ্রামাঞ্চলে। দেশের মানুষ খুনোখুনির নির্বাচন চায় না। কোথাও কোথাও নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগও রয়েছে।’

গত তিন ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া চলেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

সোমবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার (বিপিইউএম) সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এ অভিযোগ তোলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যেভাবে সহিংসতা হচ্ছে তা সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না। ইউপি নির্বাচনে চর দখলের মতো কেন্দ্র দখলের মহড়া হচ্ছে। পাল্টাপাল্টি হামলা আর খুনোখুনিতে ভীতিকর অবস্থা বিরাজ করছে গ্রামাঞ্চলে।

‘দেশের মানুষ খুনোখুনির নির্বাচন চায় না। কোথাও কোথাও নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেয়া হচ্ছে- এমন অভিযোগও রয়েছে।’

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘নির্বাচনকে অবাধ ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি ব্যর্থ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সামনে অস্ত্রের মহড়া দেখে সাধারণ মানুষ ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ছে।’

আগামী নির্বাচনগুলো যেন অবাধ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর হয়, সে জন্য কার্যকর উদ্যোগ নিতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান জি এম কাদের।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফকরুল ইমাম, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, অ্যাডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াসহ বিপিইউএম নেতারা।

আরও পড়ুন:
খালেদা ইস্যুতে বিএনপির মশাল মিছিল
বিএনপির অনশনে খাবারের দোকানের বিক্রি ভালো হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
খালেদা ইস্যুতে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি ফখরুলের
বিএনপি বৈধভাবে বিক্ষোভ করতে পারে, তবে…
‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে’: রুমিন

শেয়ার করুন

সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়: রিজভী

সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘সরকার গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। এ কারণে খুনের আসামির সাজা মাফ করলেও খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না।’

খুনের আসামির সাজা মওকুফ হলেও গণতন্ত্রের নেত্রীর মুক্তি মিলছে না মন্তব্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী বলেন, এর কারণ সরকার খালেদা জিয়াকে ভয় পায়।

রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে সোমবার দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সরকার গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভয় পায়। এ কারণে খুনের আসামির সাজা মাফ করলেও খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলছে না।’

রিজভী বলেন, ‘দল-মত নির্বিশেষে সবাই খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা নিশ্চিতের দাবি তুলছে, কিন্তু অবৈধ সরকার কোনো কিছুতেই কর্ণপাত করছে না। ফ্যাসিবাদের রূপ নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে তারা। দয়া, মানবতা বলতে কিছু নেই তাদের। এর মধ্য দিয়ে সরকার খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পাওয়ার মৌলিক অধিকার হরণ করেছে।’

খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ নেয়ার দাবি জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে এই মুহূর্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়া প্রয়োজন।’

এ সময় মেডিক্যাল বোর্ডের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বানও জানান রিজভী।

অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূইয়া জুয়েল, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসিন আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম ফিরোজসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
খালেদা ইস্যুতে বিএনপির মশাল মিছিল
বিএনপির অনশনে খাবারের দোকানের বিক্রি ভালো হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
খালেদা ইস্যুতে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি ফখরুলের
বিএনপি বৈধভাবে বিক্ষোভ করতে পারে, তবে…
‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে’: রুমিন

শেয়ার করুন

ভাগনে চেয়ারম্যান, আনন্দ আয়োজনে মামার মৃত্যু

ভাগনে চেয়ারম্যান, আনন্দ আয়োজনে মামার মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ভাগনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় রঙ মেখে আনন্দ করার সময় মামার মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

বাড়াদি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনে জয়লাভ করায় সোমবার সকালে এলাকাবাসীর সঙ্গে আনন্দ করছিলেন আমার ছোট মামা। সবাই মিলে রং মাখামাখি করে আনন্দ করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ভাগনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় রং মেখে আনন্দ করার সময় মামার মৃত্যু হয়েছে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে চিকিৎসক সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত ইকার উদ্দিন মালিথার বাড়ি আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের অনুপনগর গ্রামে। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য।

বাড়াদি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান তোবারক হোসেন বলেন, ‘রোববার তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে বাড়াদি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (মোটরসাইকেল) হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। নির্বাচনে জেতায় সোমবার সকালে এলাকাবাসীর সঙ্গে আনন্দ করছিলেন আমার ছোট মামা।

‘এ সময় তিনি তার দোকান থেকে এলাকার সবাইকে চকলেট-বিস্কুট খাওয়াতে থাকেন। সবাই মিলে রং মাখামাখি করে আনন্দ করার সময় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।’

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক রিয়াসাদ জামান তুলন জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই বীর মুক্তিযোদ্ধা ইকার উদ্দিনের মৃত্যু হয়। তিনি হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
খালেদা ইস্যুতে বিএনপির মশাল মিছিল
বিএনপির অনশনে খাবারের দোকানের বিক্রি ভালো হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী
খালেদা ইস্যুতে সরকার পতন আন্দোলনের হুমকি ফখরুলের
বিএনপি বৈধভাবে বিক্ষোভ করতে পারে, তবে…
‘খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারকে দায় নিতে হবে’: রুমিন

শেয়ার করুন