× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Trinamool youth president Saini arrested in Tripura
hear-news
player
print-icon

ত্রিপুরায় তৃণমূলের যুব সভাপতি সায়নী গ্রেপ্তার

ত্রিপুরায়-তৃণমূলের-যুব-সভাপতি-সায়নী-গ্রেপ্তার
রোববার তৃণমূল নেতাদের হোটেলে হানা দেয় ত্রিপুরা পুলিশ। পরে সায়নী ঘোষকে থানায় নিয়ে যায়। ছবি: সংগৃহীত
তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ টুইট করে বলেন, ‘অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হলো সায়নী ঘোষকে। ধিক্কার ত্রিপুরা সরকার। থানায় হামলাকারীরা গ্রেপ্তার হলো না। গ্রেপ্তার হলো সায়নী।’

ত্রিপুরা পুর ভোটের প্রচারে গিয়ে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা দেয়ার অভিযোগে তৃণমূলের যুব সভাপতি সায়নী ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে ত্রিপুরা পুলিশ।

রোববার সকালে তৃণমূল নেতাদের হোটেলে হানা দেয় ত্রিপুরা পুলিশ। তাদের অভিযোগ, সায়নী ঘোষের গাড়ি ধাক্কা মেরেছে এক ব্যক্তিকে। তাছাড়া সভায় কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করার অভিযোগ রয়েছে সায়নীর বিরুদ্ধে। তাই তাকে থানায় যেতে হবে।

উল্টোদিকে তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভানেত্রী সায়নী ঘোষ ও তার সঙ্গীদের ত্রিপুরা পুলিশ হেনস্থা করার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল।

সায়নী গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ টুইট করে বলেন, ‘অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হলো সায়নী ঘোষকে। ধিক্কার ত্রিপুরা সরকার। থানায় হামলাকারীরা গ্রেপ্তার হলো না। গ্রেপ্তার হলো সায়নী।’

সায়নীকে থানায় নিয়ে যাওয়ার নোটিশ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ‘এটা ত্রিপুরা বিজেপির দেউলিয়াপনা।’

রোববার সকালে এ ঘটনায় সায়নী ঘোষ ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে কুণাল ঘোষ পুলিশকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘কোনো সেকশনে আপনি কোনো নোটিশ দেননি। আপনি কিভাবে যেতে বলতে পারেন? অভিযোগটা কী তা সায়নী জানেন না। পুলিশও বলতে পারছে না। তা সত্ত্বেও সৌজন্য দেখিয়ে তৃণমূল যুব সভানেত্রী আগরতলা ইস্ট থানায় যাবেন।’

এ বিষয়ে সায়নী ঘোষ বলেন, ‘এটা গতকাল রাত থেকে চলছে। রাত সাড়ে ১২টা থেকে পুলিশ আসছে। হয়রানি করা হচ্ছে আমাদের। যারা গ্রেপ্তার করতে আসছে তাদের কাছে যথোপযুক্ত কোনো নোটিশ নেই। তারা বলছেন- আমাদের সঙ্গে চলুন, কথা বলব। আমরা যখন ত্রিপুরাতে এসেছি, তখন চোখে চোখ রেখে লড়াই করব। আমরা যাচ্ছি। দেখি, ওরা কী কথা বলেন।’

তৃণমূলের অভিযোগ, পূর্ব আগরতলা থানায় হেলমেট পরে বিজেপি কর্মীরা জড়ো হয়। সেখানে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। তৃণমূল কর্মীদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে বিজেপি নেতা নবেন্দু ভট্টাচার্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, থানার বাইরে সাধারণ মানুষ জড়ো হয়েছেন। তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছে।’

সায়নী ঘোষকে কেন্দ্র করে থানায় পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয় কুণাল ঘোষের। কুণালের অভিযোগ, ‘ত্রিপুরায় জঙ্গল রাজ চলছে।’

তৃণমূল নেত্রী সুস্মিতা দেব বলেন, শনিবার তেলিয়ামুড়ার সভায় সায়নী নিজের গাড়ি থেকেই সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন- ‘খেলা হবে’। এরপর বিজেপি সমর্থকরা তার গাড়ি তাড়া করে।

শনিবার রাতেও আগরতলায় ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটের প্রচারে গিয়ে বিজেপির বিরোধিতার মুখে পড়েন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম, বাবুল সুপ্রিয় ও কুণাল ঘোষ। তাদের সভায় বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। তৃণমূল নেতা বাবুল সুপ্রিয়কে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি কর্মীরা। তৃণমূলের সভামঞ্চ ভেঙে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:
ত্রিপুরায় বিজেপির হামলার মুখে বাবুল সুপ্রিয়
যতদিন বিজেপি, ততদিন ন্যাড়া
ত্রিপুরায় বিজেপির বিরুদ্ধে এককাট্টা তৃণমূল-সিপিএম
ত্রিপুরায় মানিক সরকারের কনভয়ে বিজেপির হামলা
বিজেপির সমালোচনা করে তৃণমূলের প্রশংসায় সিপিএম

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bangabandhu assassination commission outline ready Law Minister

বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। ২০১৯ সালে যখন প্ল্যান করলাম, তখন করোনার আক্রমণ শুরু হলো। এটার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ এক্ষেত্রে তার আদেশ শিরোধার্য। তিনি হয়ত পরিমার্জন করবেন, সে জন্য এর আগে আমি এটি জনসম্মুখে আনতে চাই না।’

দুই বছর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে তদন্ত কমিশন গঠনের কথা জানিয়েছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দুই বছর পরে এসে সে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ‘অচিরেই’ কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। সে লক্ষ্যে একটি রূপরেখাও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার ‘সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা জানান আইনমন্ত্রী। সভা আয়োজন করে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। ২০১৯ সালে যখন প্ল্যান করলাম, তখন করোনার আক্রমণ শুরু হলো। এটার সঙ্গে বঙ্গবন্ধু কন্যা ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ এক্ষেত্রে তার আদেশ শিরোধার্য। তিনি হয়ত পরিমার্জন করবেন, সে জন্য এর আগে আমি এটি জনসম্মুখে আনতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে, তাকে হত্যা করা হবে, এটা কেউ ভাবতেও পারেনি। যারা ঘরের পাহারায় ছিল, তারাই বেইমানি করেছে। সে কারণেই তারা ঘরে ঢুকতে পেরেছে। বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যদি কোনো আন্দোলন হত, অপজিশন পার্টি থেকে, তাহলেও মানা যেত। ফলে, এটাকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলা যাবে না। এটা ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ড।’

বঙ্গবন্ধু হত্যা পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে আনিসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু এটা অবিচ্ছেদ্য। যারা তাকে হত্যা করেছে, তারা বুঝতে পেরেছিল, যে ব্যর্থ রাষ্ট্র তারা করতে চেয়েছে, তার পরিবারের এক ফোটা রক্ত থাকলে সেটা তারা করতে পারবে না। এ থেকেই বোঝা যায়, এটি পূর্বপরিকল্পিত, ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা।’

বঙ্গন্ধু হত্যার সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন বলে অনেক আগে থেকেই দাবি করে আসছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

এমনকি দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে বক্তব্য দিয়েছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও সে বিষয়টি সামনে এনেছেন।

জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান তো শুরুই করেছিলেন শাহ আইজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে। তিনি ছিলেন রাজাকার নাম্বার ওয়ান। এ ছাড়া তার মন্ত্রিসভার অনেকেই আইয়ুব খানের মন্ত্রী ছিলেন। এই গোষ্ঠীর ধারাটা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যেই জিয়াউর রহমান দেশ শাসন শুরু করেছিলেন।’

আলোচনা সভায় বাংলাদেশে সফররত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক চেয়রাম্যানের কাছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার লোকজনের অভিযোগ করা নিয়েও বক্তব্য দেন। বলেন দেশে এখনও বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক চেয়ারম্যানের কাছে কিছু মানবাধিকারকর্মী বলেছে বাংলাদেশ নাকি পুলিশ স্টেট। অথচ এরা টকশোতে যায়, তারা অসভ্য ল্যাংগুয়েজ পর্যন্ত ব্যবহার করে। আমরা বাধা দিই না। এটাই বাকস্বাধীনতা। এটাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা।’

আলোচনায় বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের ঘটনায় তদন্ত কমিটি দাবি করেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক।

তিনি বলেন, ‘আমরা আত্মতৃপ্তির জন্য বলে থাকি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা কী তাই? বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের ঘটনায় অত্যন্ত শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। অনেক শক্তিশালী লোকের নাম চলে আসবে তদন্তে। খেয়াল রাখতে হবে এমন কমিটি গঠন করতে হবে, যারা, চোখ রাঙানোকে উপেক্ষা করতে পারবে।’

বিগত বিএনপি, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বঙ্গবন্ধু হত্যার অনেক তথ্য গায়েব করে দিয়েছে বলে দাবি করেন এই বিচারপতি। বলেন, ‘এগুলো তো খুঁজে বের করা চাট্টিখানি কথা নয়। সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল তা নয়, তার আদর্শকেও হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।’

সভায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা একটি গণহত্যার শামিল। এই হত্যাকাণ্ড তো হঠাৎ করে ঘটেনি। এর একটি বিশাল প্রেক্ষাপট ছিল। সেই গোষ্ঠী এখনও এদেশে রাজনীতি করছে, এখনও সজাগ রয়েছে। পাকিস্তানিরা বলেছিল, একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ তারা নেবেন। সে রূপরেখা ধরেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে।’

সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব একেএম আতিকুর রহমান সভার সভাপতিত্ব করেন, সঞ্চালনা করেন বরেণ্য নাট্য অভিনেতা ও সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন:
প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ঝুঁকি অনেক বেশি: ডিএমপি কমিশনার
ইউপি অফিসকে ‘সৌদি দূতাবাস’ বানিয়ে প্রতারণা
ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা
রাইফেল-তলোয়ার: এবার মিডিয়ার জন্য দুয়ার বন্ধের ইঙ্গিত সিইসির
তলোয়ার-রাইফেল নিয়ে বক্তব্য পাল্টালেন সিইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Noor will remove the government even with his life

জীবন দিয়ে হলেও সরকার হটাবেন নূর

জীবন দিয়ে হলেও সরকার হটাবেন নূর
প্রেসক্লাবের সামনে মিছিলে নূরুল হক নুর বলেন, ‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন আজ মানুষ মারার উন্নয়ন। গতকাল ৫ জন গার্ডারের নিচে পরে মারা গিয়েছে। কোনো ঘটনা ঘটলে মন্ত্রীরা বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব। এখানেই শেষ। এটি নিয়ে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না।’

জীবন দিয়ে হলেও শেখ হাসিনা সরকার হটাবেন বলে জানিয়েছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর। নাটোরে কর্মী হত্যার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে যুব অধিকার পরিষদ আয়োজিত এক মিছিলে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য যুক্তরাষ্ট্র যেখানে আইজিপিসহ সাত কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, সেখানে তাদেরকে সরিয়ে না দিয়ে তাদের বেতন, গ্রেড ও সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। প্রশাসনের নির্ভরতায় শেখ হাসিনা টিকে আছেন। শেখ হাসিনা রাজনীতি ও প্রশাসনে এই দুর্বৃত্তায়ন ঘটিয়েছে। বাংলাদেশকে একটি মাফিয়া সাম্রাজ্যে পরিণত করেছেন।

‘আমরা রাস্তায় নেমেছি। তাই জীবন দিয়ে হলেও শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করব। যদি জীবন দিতে হয়, গুম হতে হয়, তাহলে হব।'

নুর বলেন, ‘হত্যার প্রতিবাদের নিউজ সাংবাদিকরা করছে না। সেটি করা নাকি অফিস থেকে নিষিদ্ধ। মিডিয়া কি তাহলে পরিমনী আর ভংচং কভার করবে? তারা যা তৈরি করে দিবে, সেটাই জনগণকে খাওয়াতে চাচ্ছে। এ কারণে আজ মিডিয়া শুধু বঙ্গবন্ধুর আলোচনা নিয়ে আছে। এটি ভালো। এটি নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা যে ৬ শতাধিক মানুষকে গুম করেছেন, সেটি নিয়ে আলোচনা নেই। আজকে শেখ হাসিনাকে খুশি রাখার জন্য সবাই চাটুকারিতায় ব্যস্ত।'

নুর আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনার উন্নয়ন আজ মানুষ মারার উন্নয়ন। গতকাল ৫ জন গার্ডারের নিচে পরে মারা গিয়েছে। কোনো ঘটনা ঘটলে মন্ত্রীরা বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব। এখানেই শেষ। এটি নিয়ে আর কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না। দেশে আইনপ্রণেতারা আজ আইন মানে না।'

প্রতীকী লাশের এ মিছিলে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খান, ফারুক হাসান, তারেক রহমান, মাহফুজুর রহমান, মশিউর রহমান ও যুব অধিকার পরিষদের নেতারা।

আরও পড়ুন:
নুরের বক্তব্যে প্রতিক্রিয়া দিলেন না ফখরুল
‘বিএনপির হাতে ক্ষমতা দেয়া যাবে না’
নুরকে ঘিরে গণঅধিকার পরিষদে কোন্দল
জনগণের কাছে মাফ চেয়ে ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিন: নুর
নির্যাতনের অভিযোগ তুললেন মিজান, অস্বীকার করছে পুলিশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
IGPs US visit wont be a problem Home Minister

আইজিপির যুক্তরাষ্ট্র সফরে সমস্যা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আইজিপির যুক্তরাষ্ট্র সফরে সমস্যা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী বলেন, ‘তিনি যেটা বলেছেন ইউএনের সঙ্গে তাদের একটি সমঝোতা রয়েছে। সে অনুযায়ী এটা প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সেটা শেষ হয়ে এলে এটা নিশ্চিত করতে পারবেন। আমরা তো মনে করি, ইউএন তাকে (আইজিপি) দাওয়াত দিয়েছে, তিনি যাবেন। এর জন্য যেগুলো প্রয়োজন সেগুলোর তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। তিনি জেনে শুনেই যাবেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই জাতিসংঘের আমন্ত্রণে পুলিশ দেশটিতে প্রধান বেনজীর আহমেদ সফরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। বলেছেন, যেহেতু জাতিসংঘের আমন্ত্রণে এই সফর তাই যুক্তরাষ্ট্র এখানে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে দেশটির রাষ্ট্রদূত পিটার হ্যাসের সাথে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, আইজিপি কি আমেরিকা যেতে পারবেন?

জবাবে তিনি বলেন, ‘তিনি (রাষ্ট্রদুত) যেটা বলেছেন ইউএনের সঙ্গে তাদের একটি সমঝোতা রয়েছে। সে অনুযায়ী এটা প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সেটা শেষ হয়ে এলে এটা নিশ্চিত করতে পারবেন।

‘আমরা তো মনে করি, ইউএন তাকে (আইজিপি) দাওয়াত দিয়েছে, তিনি যাবেন। এর জন্য যেগুলো প্রয়োজন সেগুলোর তিনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। তিনি জেনে শুনেই যাবেন।’

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে গত ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে র‌্যাব এবং এর সাত কর্মকর্তাকে নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। বেনজীর আগে র‌্যাবেই ছিলেন। তার বাহিনীটির সাবেক কর্মকর্তা হিসেবেই তিনি নিষেধাজ্ঞায় পড়েন।

এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর বেনজীরকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর উদ্যোগও নেয়া হয়েছে।

দেশটিতে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের চিফ অব পুলিশ সামিটে (ইউএনকপ) অংশ নিতে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দলে তার নামও রাখা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অন্যান্য ইস্যুর পাশাপাশি র‌্যাবের উপর দেয়া নিষেধাজ্ঞার বিষয়েও কথা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ‘তারা বলেছে, যেভাবে র‌্যাবের কাজ করা উচিত ছিল, সেভাবে কাজ করেনি বলেই তাদের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। আমরা বলেছি, র‌্যাব বেআইনি কোনো কাজ করলে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়।

‘আমি বলেছি, এখন র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরাও কারাগারে আছেন, যারা গাফিলতি করেছেন। আমি একটা ইনসিডেন্টের কথা বলেছি, নারায়ণগঞ্জে যে সেভেন মার্ডার হয়েছিল, সেই অফিসারদের আজকে ক্যাপিটাল পানিসমেন্ট হয়েছে। তারা হায়ার কোর্টে আপিল করেছে, সে প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশের যে সদস্য অন্যায় করছেন তাদেরও শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে।’

বন্দুকযুদ্ধের নামে বিনা বিচারে হত্যার যে অভিযোগ উঠে, সেটি নিয়েও বৈঠকে কথা হয় বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি এও বলেছি, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমাদের ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি সেলফ ডিফেন্সে গুলি করে থাকে। সেটা যথাযথ হয়েছে কিনা সেটা নিশ্চিত করার জন্য একজন মেজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয় ঘটনার পরপরই। তিনি যদি মনে করেন এটা যথাযথ হয়নি, তাহলে সেই সদস্যকে ট্রায়াল ফেইস করতে হয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত সে সময় বলেন, ‘এটা তো তোমরা পাবলিক্যালি এনাউন্স করো না।’

তখন মন্ত্রী বলেন, ‘যেগুলো করার সেগুলো আমরা করছি।’

আর যে বিষয়ে কথা

আর কী কথা হয়েছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘উনি বলেছেন বর্তমান আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। ইলেকশন পর্যন্ত এটা ঠিক থাকবে কি না জানতে চেয়েছেন। আমি বলেছি প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্ট তিনি একটি পিস ফুল এটমসফেয়ার কন্টিনিউ করবেন আপ টু ইলেকশন। লট অফ ডেমোনস্ট্রেশন হচ্ছে, লট অফ মিটিং হচ্ছে আমাদের এখানে কোনো ইয়ে নাই।

‘তিনি আমাদের যেটা বলতে চেয়েছেন আমাদের সঙ্গে আমেরিকার যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, সেটা এগিয়ে নিতে এবং অন্য কোনো সেক্টরে তারা সহযোগিতা করতে পারে কি না, সেগুলো তিনি জানতে চেয়েছেন।

‘তারা মানবপাচার বন্ধে কাজ করতে ইচ্ছুক। আমাদের নিরাপত্তার জন্য যদি কিছু প্রয়োজন হয় সেখানে সহযোগিতা করতে পারে। তারা আমাদের আগেই দুই তিনটি জায়গায় সহযোগিতার জন্য লিখিত প্রস্তাব দিয়েছিল। আমরা খুব শিগগির সমঝোতা স্মারক সই করব, সেটা আমরা তাকে জানিয়ে দিয়েছি। এখন এগুলো শেষ পর্যায়ে আছে।’

রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা নিয়ে আমি বলেছি, এ বিষয় তোমাদের সহযোগিতা আমরা লক্ষ্য করেছি। এই সমস্যা সমাধানে তারা তাদের কণ্ঠস্বর আরও শক্তিশালী করবে বলে আমরা মনে করি। তারা এ বিষয়ে তাদের যে সহযোগিতা এখন আছে, সেটা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

‘আমাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহযোগিতা দিতে তারা আগ্রহের কথা জানিয়েছে। বর্ডার এলাকায় কোস্টগার্ডকে আগে তারা সহযোগিতা করেছে সেটা করার জন্য এবং আমাদের বিজিবির কিছু ইনঅ্যাকসেসেবল কিছু জায়গা আছে সে জায়গায় কীভাবে স্ট্রং করতে পারি সে বিষয়ে আমাদের প্রস্তাবের বিষয়ে আমরা কথা বলেছি।’

আরও পড়ুন:
বরগুনায় বাড়াবাড়ি হয়েছে, ব্যবস্থা নেবেন আইজিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘সবার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খাদ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে’
‘বিএনপি বিশৃঙ্খলা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে থাকবে না’
বিএনপির শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশ ভিকটিম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Margia arrested for molesting young woman at railway station gets bail

রেলস্টেশনে তরুণী হেনস্তায় গ্রেপ্তার মার্জিয়ার জামিন

রেলস্টেশনে তরুণী হেনস্তায় গ্রেপ্তার মার্জিয়ার জামিন নরসিংদী রেলস্টেশনে ‘অশালীন পোশাক’ পরার অভিযোগ তুলে তরুণীকে হেনস্তা করেন কয়েকজন। ফাইল ছবি
নরসিংদী রেলস্টেশনে গত ১৮ মে সকালে ওই তরুণীকে হেনস্তার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন মার্জিয়া আক্তার শিলা। মার্জিয়াকে ৩০ মে শিবপুরের মুনছেপের চর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

স্লিভলেস টপ পরা এক তরুণীকে নরসিংদী রেলস্টেশনে হেনস্তার অভিযোগে গ্রেপ্তার মার্জিয়া আক্তার শিলাকে জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার তাকে ছয় মাসের জামিন দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. কামাল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল হাশেম।

নরসিংদী রেলস্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে গত ১৮ মে সকালে ঢাকাগামী চট্টগ্রাম মেইল ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন দুই তরুণ ও এক তরুণী। মেয়েটির পরনে ছিল জিন্স ও টপস। এ সময় স্টেশনে অবস্থানরত এক নারী ওই তরুণীকে হেনস্তা করেন। পরে তার সঙ্গে যোগ দেন আরও কয়েকজন।

রেলস্টেশনে তরুণী হেনস্তায় গ্রেপ্তার মার্জিয়ার জামিন
মার্জিয়া আক্তার শিলাকে ৩০ মে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব

ওই তরুণী দৌড়ে স্টেশন মাস্টারের কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে স্টেশন মাস্টারের মধ্যস্থতায় দুই বন্ধুসহ ওই তরুণীকে ঢাকাগামী ট্রেনে উঠিয়ে দেয়া হয়।

ঘটনাটির একটি ভিডিও ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। পরে নরসিংদী রেল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমায়েদুল জাহেদী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভৈরব রেলওয়ে থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে মার্জিয়াকে ৩০ মে শিবপুরের মুনছেপের চর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর নাট খুলে গ্রেপ্তার বাইজীদ রিমান্ডে
পদ্মা সেতুর নাট খোলায় বাইজীদের সঙ্গী কায়সার
পদ্মা সেতুতে নাট খোলা বাইজীদ পটুয়াখালীর, করতেন ছাত্রদল
চালু হচ্ছে হালুয়াঘাটের সেই মদের দোকান
রেলস্টেশনে তরুণী হেনস্তা: গ্রেপ্তার মার্জিয়ার বিচার চেয়ে মানববন্ধন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The hearing of the charge sheet against PK Halder was delayed

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পি কে হালদার নামে-বেনামে বিভিন্ন কোম্পানির নামে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা বের করে নেন।

৪২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৬ হাজার ৮০ কোটি টাকা লেনদেনের মামলায় প্রশান্ত কুমার হালদারসহ (পি কে হালদার) ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২৯ আগস্ট দিন ঠিক করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানি হওয়ার কথা ছিল। শুনানি পেছাতে আসামিপক্ষের আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এ তারিখ ঠিক করেন আদালত।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার এবং পূর্ণিমা রানী হালদার, অমিতাভ অধিকারী, প্রীতিশ কুমার হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অনঙ্গ মোহন রায়, স্বপন কুমার মিস্ত্রি, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অবন্তিকা বড়াল, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা এবং শংখ ব্যাপারী।

এদের মধ্যে শংখ ব্যাপারী, সুকুমার মৃধা, অবন্তিকা বড়াল, অনিন্দিতা মৃধা কারাগারে আছেন।

এর আগে ২৭ মার্চ এ মামলার পলাতক ১০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পি কে হালদার নামে-বেনামে বিভিন্ন কোম্পানির নামে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা বের করে নেন। এই টাকা আর ফেরত না আসায় ওই চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না।

প্রতিষ্ঠান চারটি হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)।

টাকা বের করার আগে শেয়ার কিনে পি কে হালদার এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন। তিনি দেশ ছাড়েন ২০১৯ সালের শেষ দিকে। আর এই আর্থিক কেলেঙ্কারি জানাজানি হয় ২০২০ সালের শুরুতে।

পলাতক থাকা অবস্থায় ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক।

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়, পি কে হালদার নামে-বেনামে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৬ হাজার ৭৯০ শতাংশ জমি কিনেছেন। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই সম্পদের মূল্য ৯৩৩ কোটি টাকা হলেও এই সম্পদের বাজারমূল্য দেখানো হয়েছে ৩৯১ কোটি ৭৫ লাখ ৮১ হাজার ১২ টাকা।

এর মধ্যে নিজের নামে তিনি জমি কিনেছেন ৪ হাজার ১৭৪ শতাংশ। এর দাম দলিলে দেখানো হয়েছে ৬৭ কোটি ৯৪ লাখ ২০ হাজার ৯৩০ টাকা। অথচ এই সম্পদের বর্তমান মূল্য ২২৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া ধানমন্ডিতে তার নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, পি কে তার নিকটাত্মীয় পূর্ণিমা রানী হালদারের নামে উত্তরায় ১২ কোটি টাকা দামের একটি ভবন করেছেন। আর পূর্ণিমার ভাই উত্তম কুমার মিস্ত্রির নামে তেজগাঁও, তেজতুরী বাজার ও গ্রিন রোডে ১০৯ শতাংশ জমি কিনেছেন তিনি। যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকা।

পি কে হালদার তার কাগুজে কোম্পানি ক্লিউইস্টোন ফুডসের নামে কক্সবাজারে দুই একর জমির ওপর আটতলা হোটেল তৈরি করেছেন, যার মূল্য বর্তমানে ২৪০ কোটি টাকা। এ ছাড়া পি কের খালাতো ভাই অমিতাভ অধিকারী এবং অনঙ্গ মোহন রায়ের নামে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ৪০৪ শতাংশ জমি কেনা হয়েছে, যার দাম ১৬৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও কানাডীয় ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তথ্যের বরাত দিয়ে দুদক প্রতিবেদনে বলেছে, পি কে হালদার ২০১২ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে তার ভাই প্রীতিশ হালদারের কাছে ১ কোটি ১৭ লাখ ১১ হাজার ১৬৪ কানাডীয় ডলার পাচার করেন, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
পি কের বিরুদ্ধে কলকাতার আদালতে চার্জশিট
পি কে হালদারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র
পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ আগস্ট
জেরায় বাংলাদেশ-ভারতের একাধিক প্রভাবশালীর নাম বলেছেন পি কে
পি কে হালদার ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bimans Guangzhou flight starts on August 18

বিমানের গুয়াংজু ফ্লাইট শুরু বৃহস্পতিবার

বিমানের গুয়াংজু ফ্লাইট শুরু বৃহস্পতিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
ওইদিন বেলা ১১টায় ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করে বিমানের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে গুয়াংজুতে পৌঁছাবে। একই দিন গুয়াংজু থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে যাত্রা করে ফিরতি ফ্লাইট ঢাকায় পৌঁছাবে রাত সাড়ে ৯টায়।

আগামী ১৮ আগস্ট থেকে চীনের গুয়াংজু রুটে বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী ফ্লাইট শুরু করছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। প্রতিষ্ঠানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, ১৮ আগস্ট স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে ফ্লাইট বিজি ৩৬৬ স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে গুয়াংজু বাইয়ুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

ফিরতি ফ্লাইট বিজি ৩৬৭ একই দিন গুয়াংজু থেকে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৫ মিনিটে যাত্রা করে ঢাকায় পৌঁছাবে রাত সাড়ে ৯টায়।

এতে আরও বলা হয়, মঙ্গলবার ঢাকায় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. যাহিদ হোসেন সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ঢাকা-গুয়াংজু রুটে বিমানের যাত্রীবাহী ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে উভয়ের মধ্যে আলোচনা হয়। এ ছাড়া ঢাকা থেকে চীনের আরেক বাণিজ্যিক শহর কুনমিংয়ে ফ্লাইট চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

আরও পড়ুন:
হজ ফ্লাইট ৫ জুন থেকেই, প্রস্তুত বিমান
হজের নিয়মিত ফ্লাইট ৫ জুন থেকে
ড্রুক এয়ারের ঢাকা-পারো ফ্লাইট শুরু ১ জুলাই
টরন্টো ফ্লাইট জুন থেকে হতে পারে
আকাশ পথে ঢাকা ছাড়ছেন ৪০ হাজার মানুষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Why the decision to increase the price of fuel is not illegal

‘জ্বালানির দাম বাড়ানো কেন অবৈধ নয়’

‘জ্বালানির দাম বাড়ানো কেন অবৈধ নয়’ জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। ফাইল ছবি
সম্প্রতি ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনসহ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ইউনুছ।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

রিটের পক্ষে শুনানি করেন ইউনুছ আলী আকন্দ।

সম্প্রতি ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনসহ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন আইনজীবী ইউনুছ।

রিটে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদসচিব, উপসচিব ও বিইআরসির চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত ৫ আগস্ট দেশে জ্বালানি তেলের দাম আরেক দফা বাড়ানো হয়। এক লাফে ডিজেল ও কেরোসিনে বাড়ানো হয় লিটারে ৩৪ টাকা। নতুন করে ডিজেল ও কেরোসিন এখন ভোক্তাকে কিনতে হচ্ছে ১১৪ টাকা করে।

অন্য দিকে অকটেনে প্রতি লিটারে বাড়ানো হয় ৪৬ টাকা। এখন প্রতি লিটার অকটেন ১৩৫ এবং পেট্রোল ৪৪ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৩০ টাকা। এই হিসাবে ডিজেলের দাম বাড়ানো হয় ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ আর অকটেন-পেট্রোলে ৫১ শতাংশ।

বৈশ্বিক বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় এমন সিদ্ধান্তের কথা জানায় সরকার। জ্বালানি তেলের নতুন এই দাম কার্যকর হয় সেদিন রাতেই।

আরও পড়ুন:
তেলের দাম কমানোর দাবিতে ২৫ আগস্ট হরতাল
তেলের দাম কমানোর মিছিল শাহবাগে আটকাল পুলিশ
বিশ্ববাজারে অশোধিত তেলের ব্যারেল ৯০ ডলারের নিচে
লোডশেডিং বিদায় সেপ্টেম্বরে: প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে