মাঠ বলে দেবে কখন কী করতে হবে: গয়েশ্বর

মাঠ বলে দেবে কখন কী করতে হবে: গয়েশ্বর

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে গণ-অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি। ছবি: নিউজবাংলা

গয়েশ্বর বলেন, ‘সব সময় নেতারা নির্দেশ দেয়ার সময় না-ও পেতে পারেন, কোন জায়গায় কোন পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন, সেটা নিজের বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে করতে হবে। যারা যেখানকার দায়িত্বে আছেন, দয়া করে নিজের দায়িত্ব পালনের জন্য এলাকায় থাকুন। আমাদের সংগ্রাম শুরু।’

খালেদা জিয়ার চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির সংগ্রাম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। একই সঙ্গে তিনি নেতা-কর্মীদের নিজেদের এলাকায় অবস্থান নেয়ারও নির্দেশনা দিয়েছেন।

গয়েশ্বর বলেছেন, ‘আমরা যেন ভাবি আজকে শুরু করলাম। যতক্ষণ পর্যন্ত সফল না হব, ততক্ষণ আমাদের চলার গতি থামবে না। এটা তীব্র থেকে তীব্র হবে। মাঠ বলে দেবে কখন কী করতে হবে। আপনার তা-ই করবেন।’

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে গণ-অনশন কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।

গয়েশ্বর বলেন, ‘সব সময় নেতারা নির্দেশ দেয়ার সময় না-ও পেতে পারেন, কোন জায়গায় কোন পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন, সেটা নিজের বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে করতে হবে। যারা যেখানকার দায়িত্বে আছেন, দয়া করে নিজের দায়িত্ব পালনের জন্য এলাকায় থাকুন। আমাদের সংগ্রাম শুরু।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বলছি পুলিশ এ সরকার টিকিয়ে রাখছে। কোনো সময়ই পুলিশ কোনো সরকারকে টিকিয়ে রাখতে পারে নাই। আমি আপনি যদি চাই, তাহলে সরকার যাবে। আর আমি আপনি যদি না চাই, পুলিশ দিয়ে সরকার টিকে থাকে না।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় আজকে বড় বাধা আইনের নয়। আজকে বড় বাধা খালেদা জিয়ার জন্য শেখ হাসিনা। তিনি যেন তার কৃতকর্মের জন্য এবং দায়মুক্তির জন্য নেত্রীর চিকিৎসার ব্যাপারে বাধা না দিয়ে সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মনে করতে হবে, তিনি তার ভবিষ্যতের জন্য কোনো ভালো কাজ করছেন। আর তিনি যদি ভেবে থাকেন খালেদা জিয়া নাই আর কোনো ভয় নাই।

‘খালেদা জিয়ার জীবনে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে, শেখ হাসিনা আপনি বোধহয় এক ঘণ্টাও বাংলাদেশে টিকে থাকতে পারবেন না। এটা বিএনপি লাগবে না। বাংলাদেশের জনগণ ছাড়বে না।

জিয়াউর রহমানের হত্যার পর বাংলাদেশের মানুষ পালিয়ে যায়নি। বিএনপির নেতা-কর্মীরা পালিয়ে যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘সেদিনকার গণজাগরণের মধ্যে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা নেয় নাই। ক্ষমতা রেখে গেছে। জিয়াউর রহমানের লাশ তারা ঢাকা এনে দিতে বাধ্য হয়েছিল। আমরা সেই যোদ্ধার দলের অনুসারী। আমরা হুংকার দিয়ে মাঠে ছিলাম।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘এখানে অনেকে অর্ডার দেন। যারা করতে পারে তাদের অর্ডার লাগে না। আর যারা পারে না তারা অর্ডার দিলেও পারে না। আপনি গিয়ে করেন খালেদা জিয়ার জন্য। যুবদল নামেন, ছাত্রদল যার যার প্রোগ্রাম দেন, কে মানা করেছে। সুতরাং যে পারেন করেন, যে না করেন কইরেন না। যারা পারেন তাদের করতে দেন। যারা যে যে এলাকায় দায়িত্ব নিয়েছেন নিজের এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে যান, সময় নাই আমাদের, সময় নাই হাসিনার।’

আরও পড়ুন:
অনশন শেষে সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
বিএনপির অনশনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
খালেদাকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি
বিএনপির আলালের কিডনিতে টিউমার
চট্টগ্রাম কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা

কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা

ড. কামাল হোসেন ও মোস্তফা মহসিন মন্টু। ফাইল ছবি

নব্বইয়ের দশকে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে ড. কামাল হোসেন গণফোরাম গঠন করার পর থেকেই মতিঝিলের ইডেন বিল্ডিংয়ের কার্যালয় থেকে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তবে দুই বছর আগে দলের মধ্যে বিভেদ দেখা দেয়ার পর বাধে গোল।

গণফোরাম মতিঝিলের ইডেন বিল্ডিংয়ের দলীয় কার্যালয় দখল করে নিয়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা ড. কামাল হোসেনকে বাদ দিয়ে কমিটি ঘোষণা করা নেতারা। এই অবস্থায় নতুন কার্যালয় নিতে বাধ্য হয়েছে কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন দলের অংশটি।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা অনুসারী সংসদ সদস্য মোকাব্বির খান।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে গণফোরামের (ড. কামাল অংশের) নির্বাহী সভাপতি মোকাব্বির খান স্বাক্ষরিত সংবাদ সংগ্রহের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, ‘গণফোরামের নতুন কেন্দ্রীয় কার্যালয় আগামী ০৯-১২-২০২১ ইং তারিখ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩.৩০টার সময় উদ্বোধন করা হবে।’

নতুন কার্যালয়ের ঠিকানা জানানো হয়, কাকরাইলের ভিআইপি রোডের রূপায়ণ টাওয়ার।

নব্বইয়ের দশকে আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে ড. কামাল হোসেন গণফোরাম গঠন করার পর থেকেই মতিঝিলের ইডেন বিল্ডিংয়ের কার্যালয় থেকে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তবে দুই বছর আগে দলের মধ্যে বিভেদ দেখা দেয়ার পর বাধে গোল।

কামাল হোসেনের সিদ্ধান্ত মেনে না নেয়া সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টুর নেতৃত্বাধীন অংশ দলকে দুই ভাগে বিভক্ত করার পাশাপাশি দলীয় কার্যালয়ও কার্যত দখল করে নেয়। প্রায় এক বছর আগেই সেই কার্যালয়ে আর যেতে পারছেন না কামাল হোসেনের অনুসারী নেতারা।

কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা
মতিঝিলের ইডেন বিল্ডিংয়ে যে কার্যালয়টি দুই যুগেরও বেশি সময় কামাল হোসেন ব্যবহার করেছেন, সেটি এখন মন্টুদের দখলে

দলীয় কার্যালয়ের দখল হারানোর পর পুরানা পল্টনের সিদ্দিক ম্যানশনে একটি কক্ষকে অস্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন কামাল অনুসারীরা। সেটি ছোট আর যাওয়া আসার সমস্যার কারণে বড়সড় একটি কার্যালয় নেয়া হয়।

কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন অংশের নির্বাহী সভাপতি মোকাব্বির খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কাল (বৃহস্পতিবার) নতুন দলীয় কার্যালয় নিচ্ছি। এটা আগের চেয়ে ভালো হবে।‘

মন্টুপন্থি নেতা মহসিন রশিদ দাবি করেছেন, কাউকে দলীয় কার্যালয় থেকে বের করা হয়নি। অপর অংশ নিজেরাই বের হয়ে গিয়েছে।

যদিও মোকাব্বির খান বলেন উল্টো কথা। তিনি বলেন, ‘গত এপ্রিলে ছেড়ে দিতে হয়েছে। এর পর টেম্পোরারি একটি অফিস নিয়েছিলাম পল্টনের সিদ্দিক ম্যানশনে।’

মন্টুপন্থিরা গত ৩ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সম্মেলন করে কামাল হোসেনকে বাদ দিয়ে কমিটির ঘোষণা দেয়। এর সভাপতি করা হয় মোস্তফা মোহসীন মন্টুকে, সাধারণ সম্পাদক করা হয় সুব্রত চৌধুরীকে, যিনি কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন কমিটির নির্বাহী সভাপতি ছিলেন।

কামাল হোসেনকে বাদ দিয়ে এই সম্মেলন করা হলেও তিনি সেখানে শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি লেখেন।

তবে মোকাব্বির খান বলেন, ‘স্যার আমাদের সঙ্গে আছেন।’

তাহলে মন্টুপন্থিদের সম্মেলনে কেন শুভেচ্ছা বার্তা পাঠালেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘স্যার তো সব জায়গায় শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান। সবাইকেই শুভেচ্ছা দেন।’

নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ড. কামাল হোসেন আসবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘উনি তো সম্মতি দিয়েছেন। তবে আসবেন কি না তা কালকে (বৃহস্পতিবার) বলতে পারব। উনি তো আমাকে নির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছেন। উনি তো অসুস্থ, এখন আর আগের মতো আসতে পারেন না।‘

কার্যালয় মন্টুদের দখলে, নতুন ঠিকানায় ড. কামালপন্থিরা
ড. কামাল বারবার জাতীয় ঐক্যে জোর দিলেও নিজের দলের ভাঙনই ঠেকাতে পারেননি

বারবার জাতীয় ঐক্যে জোর দেয়া কামাল হোসেনের দলে ভাঙন ধরার পরিস্থিতি দেখা দেয় গত জাতীয় নির্বাচনের পর। আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া গণফোরামে আনার কিছুদিন পরেই তাকে সাধারণ সম্পাদকের পদ দিয়ে দেন কামাল হোসেন। এটি মেনে নিতে চাননি পোড়খাওয়া রাজনীতিক মন্টু ও তার অনুসারীরা।

এ নিয়ে বিভেদ প্রকাশ্যে আসার পর দুই পক্ষই আলাদা সম্মেলন ডাকে। মন্টু গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার নিয়ে কামাল হোসেনের সমালোচনা করেন। নিউজবাংলাকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তাকে ‘ব্যর্থ নেতা’ উল্লেখও করেন।

তবে কামাল হোসেন একপর্যায়ে বিরোধ মিটিয়ে দলকে এক রাখার চেষ্টা করেন। মন্টুদের বহিষ্কারের আদেশ ফিরিয়ে নেন তিনি। রেজা কিবরিয়া সরে যান গণফোরাম থেকে। যোগ দেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের উদ্যোগে করা গণ-অধিকার পরিষদে। এই দলের আহ্বায়ক হয়েছেন তিনি।

তবে যাকে ঘিরে বিরোধের শুরু, সেই রেজা কিবরিয়া সরে গেলেও গণফোরামের বিভেদ থামেনি। তখন একদিকে থাকেন মন্টুরা আর অন্যদিকে মোকাব্বিররা।

এর মধ্যে গত ৩ ডিসেম্বর মণ্টুপন্থিরা সম্মেলন করে কামাল হোসেনকে বাদ দিয়ে কমিটি ঘোষণার পর গণফোরাম আনুষ্ঠানিকভাবে দুই টুকরো হয়ে যায়।

গণফোরামে মন্টুপন্থিদের নতুন কমিটির নির্বাহী পরিষদের সদস্য মহসিন রশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আরজিনাল কার্যালয়ে সেটা তো আমাদের নামেই আছে। আজকেও তো আমরা সেখানে মিটিং করলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কাউকে বের করে দিইনি। ওনারা বের হয়ে গিয়েছেন। আমরা এখনও চাই ওনারা আমাদের সঙ্গে আসুক। আমরা ওনাদের জন্য জায়গা রেখেছি। আমরা ওনাদের সম্মানজনক জায়গাই দেব।’

তবে মোকাব্বির খান বলেন, ‘কামাল হোসেন এখনো আমাদের ডাইরেক্ট সভাপতি। নির্বাচন কমিশনে তো ওনার নামই রয়েছে। কাজেই দল তো আমাদেরই।‘

আরও পড়ুন:
অনশন শেষে সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
বিএনপির অনশনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
খালেদাকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি
বিএনপির আলালের কিডনিতে টিউমার
চট্টগ্রাম কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শেয়ার করুন

‘অল্প বয়সে প্রতিমন্ত্রী হয়ে মুরাদের মাথা ঠিক ছিল না’

‘অল্প বয়সে প্রতিমন্ত্রী হয়ে মুরাদের মাথা ঠিক ছিল না’

সদ্য সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান। ছবি: সংগৃহীত

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ বাকী বিল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জামালপুরে কোনো ধরনের উন্নয়ন মুরাদ করতে পারেনি। উন্নয়ন করার ক্ষমতাও তার ছিল না। মুরাদ সরিষাবাড়ী থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, কিন্তু তার উপজেলাতেও উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন নেই।’

সদ্য পদত্যাগ করা তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান জামালপুর এলে তার বিভিন্ন সভা মুখরিত থাকত শ শ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্লোগানে। তবে সাম্প্রতিক বিতর্কের জেরে পদত্যাগ করার পর থেকে তার পক্ষে কোনো নেতাকর্মীকে সরব হতে দেখা যায়নি।

জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা মনে করেন, মুরাদ ক্ষমতায় থাকাকালে নিজ নির্বাচনি এলাকা সরিষাবাড়ীতেই উন্নয়নমূলক কোনো কাজ করেননি। এসব কারণে নেতাকর্মীরা তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ বাকী বিল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মুরাদ আমাদের ছেলের সমান। অল্প বয়সে প্রতিমন্ত্রী হয়ে মাথা ঠিক ছিল না। এজন্য যখন যা ইচ্ছা করেছে তাই বলেছে। এর উচিত শিক্ষাও পেয়েছেন তিনি।

‘জামালপুরে কোনো ধরনের উন্নয়ন মুরাদ করতে পারেনি। উন্নয়ন করার ক্ষমতাও তার ছিল না। মুরাদ সরিষাবাড়ী থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, কিন্তু তার উপজেলাতেও উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়ন নেই।’

স্থানীয় নেতাকর্মীরা মুরাদের পদ হারানোর বিষয়টি কীভাবে দেখছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিতর্কিত মুরাদ ইতোমধ্যে রাজনৈতিকভাবে শাস্তি পেয়েছে। তার ব্যবহার সব জায়গায় পরিস্কার হওয়ায় নেতাকর্মীরা মুরাদের বিপক্ষে। আমারও তাকে জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছি।’

সরিষাবাড়ী উপজেলা যুবলীগের সদস্য রানা সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী (মুরাদ) কোনো সমাবেশে যোগ দিলে পাশে থাকত অসংখ্য নেতাকর্মী। মাঝেমধ্যে ভুল বক্তব্য দিলেও পাশে থাকা নেতাকর্মীরা হাততালি দিয়ে উৎসাহ দিতেন। প্রতিমন্ত্রী মনোক্ষুণ্ণ হবে এমন আশংকায় কেউ কোনোদিন তার ভুল মন্তব্য বা বক্তব্যের জন্য বাধা দেয়নি।

‘হাইব্রিড নব্য অসংখ্য কর্মী তিনি প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে আশপাশে ঘুরঘুর করেছে। প্রতিমন্ত্রীও তাদেরকে কাছে টেনে নিয়েছেন। ফলে এসব কর্মীরা বাগিয়ে নিয়েছেন নানা সুযোগ-সুবিধা, কিন্তু ত্যাগী নেতাকর্মীরা কোনো ধরনের সুবিধা পায়নি।’

যুবলীগের এই নেতা মনে করেন, প্রতিমন্ত্রীর খারাপ সময় চলে এসেছে এমন আশংকায় শুরুতেই সুবিধাভোগী নেতাকর্মীরা সটকে পড়েছেন। আগে তার বাড়িতে নেতাকর্মীদের আনাগোনা থাকলেও এখন কাউকে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ চৌধুরী বলেন, ‘মুরাদের নিজের ভুলের জন্য আজকে তার এমন অবস্থা। ক্ষমতায় থাকলে মাথা ঠান্ডা রেখে বুঝেশুনে কথাবার্তা বলতে হয়। উদ্ভট ও মনগড়া মন্তব্য করে মাঝেমধ্যেই বিতর্কিত হয়েছেন তিনি। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার বিরুদ্ধে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন। ফলে এমন নেতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে নেতাকর্মীরা।’

সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসনের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মুরাদ হাসানের বক্তব্য সম্বলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে ‘অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে।

তার ওই বক্তব্যের সমালোচনায় সোচ্চার হয়েছিলেন নারী অধিকারকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সে সময় প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে মুরাদ হাসানকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবিও উঠেছিল।

এর মধ্যে এক চিত্রনায়িকার সঙ্গে তার ফোনালাপ ভাইরাল হয়। সেই নারীকে তিনি তার কাছে যেতে বলেন। না গেলে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে দিয়ে উঠিয়ে নেয়ার হুমকি দেন। তার কাছে গেলে ধর্ষণ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ও অবমাননাকর বক্তব্য রাখেন আরেকটি অনলাইন আলোচনায়।

মুরাদকে বহিষ্কারে বিএনপি, নাগরিক সমাজ, নারী অধিকার কর্মী ও ছাত্রলীগের নারী কর্মীদের দাবির মধ্যে গত সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সিদ্ধান্ত জানান। মুরাদকে মঙ্গলবারের মধ্যে পদত্যাগের নির্দেশ দিলে তিনি পদত্যাগ করেন।

এরপর মঙ্গলবার জেলা আওয়ামী লীগে সভাপতি বাকী বিল্লাহ জানান, মুরাদকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন মুরাদ হাসানকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
অনশন শেষে সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
বিএনপির অনশনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
খালেদাকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি
বিএনপির আলালের কিডনিতে টিউমার
চট্টগ্রাম কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শেয়ার করুন

নৌকার বিরোধী দলে, শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে আইভী

নৌকার বিরোধী দলে, শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে আইভী

নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন সিটি করপোরেশনের মেয়র আইভী। ছবি: নিউজবাংলা

আইভী বলেন, ‘নৌকার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র হচ্ছে। বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। হামলার কথা বলা হচ্ছে। নৌকার বিরুদ্ধে প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে, কিন্তু ইনশাআল্লাহ জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী দলের মধ্য থেকেই বিরোধিতার অভিযোগ তুলেছেন। বিরোধিতার জন্য ইঙ্গিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের দিকে।

নগরীর দুই নম্বর গেট এলাকায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বুধবার বিকেলে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ অভিযোগ তোলেন তিনি।

আইভী বলেন, ‘নৌকার বিরুদ্ধে যড়যন্ত্র হচ্ছে। বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। হামলার কথা বলা হচ্ছে। নৌকার বিরুদ্ধে প্রার্থী খোঁজা হচ্ছে, কিন্তু ইনশাআল্লাহ জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।’

শামীম ওসমানকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতা করে প্রার্থীদের পরাজিত করে সরকারের ইমেজ নষ্ট করেছেন। এখন সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নৌকার প্রতি সম্মান দেখাতে পারছেন না।

‘যারা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জকে অস্থির করতে চান তাদের বলব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে প্রার্থী দিয়েছেন তার বিরুদ্ধাচার করবেন, নাকি নিজেদের অস্তিত্ব রাখার চেষ্টা করবেন, তা ভেবে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

আইভী আরও বলেন, ‘বেশি বাড়াবাড়ি ভালো না। তার কারণ আপনারা দেখেছেন সম্প্রতি ঘটে যাওয়া তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর অবস্থা, তা দেখে শিক্ষা নেন।’

সভায় নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু দলের নেতা-কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর আশা পূরণে নৌকায় ভোট দিয়ে আইভীকে জয়ী করার আহ্বান জানান।

রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব পৌরসভার মেয়র হাসিনা গাজী বলেন, ‘নারীরা দায়িত্ব পেয়ে কখনও অসৎ হন না, অপকর্ম করেন না। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তুলে দেয়া নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আইভীকে জয়ী করতে হবে।’

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই।

আরও পড়ুন:
অনশন শেষে সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
বিএনপির অনশনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
খালেদাকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি
বিএনপির আলালের কিডনিতে টিউমার
চট্টগ্রাম কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শেয়ার করুন

অশোভন বক্তব্যে আ.লীগ দেয় শাস্তি, বিএনপি করে পুরস্কৃত: হাছান

অশোভন বক্তব্যে আ.লীগ দেয় শাস্তি, বিএনপি করে পুরস্কৃত: হাছান

অশোভন বক্তব্য নিয়ে মন্ত্রিত্ব ও আ.লীগের পদ হারাতে যাওয়া মুরাদ হাসান এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

‘বিএনপি নেতারা যখন এ ধরনের অশোভন কথা বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেন, তাদের বিরুদ্ধে তাদের দল কখনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, বিবৃতিও দেয়নি। এমনকি নারী নেতৃবৃন্দ যারা মুরাদ হাসানের ক্ষেত্রে সোচ্চার হয়েছেন, তাদেরও বিএনপির অশোভন বক্তব্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখিনি।’

আওয়ামী লীগের কেউ অশোভন বক্তব্য দিলে তার বিরুদ্ধে দল ব্যবস্থা নিলেও বিএনপির একই অভিযোগে কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না, বরং পৃষ্ঠপোষকতা করে বলে অভিযোগ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এমন মন্তব্য করেন। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে শিশু-কিশোরদের রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

হাছান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কেউ অশোভন বক্তব্য দিলে তার বিরুদ্ধে দলের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেয়া হয়। কিন্তু বিএনপি তাদের নেতাদের অশোভন বক্তব্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় না, বরং পৃষ্ঠপোষকতা করে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে ডা. মুরাদ হাসানের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য, কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়েছে এবং যেহেতু সেগুলো সরকার এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে সে জন্য প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগ করতে বলেছেন। তাকে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ দলীয় পদ থেকেও বহিষ্কার করেছে। তার কিছু বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন সংগঠন এবং বিএনপি মহাসচিবসহ তাদের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রেখেছেন। সেই বক্তব্যকে আমরা স্বাগত জানাই। কারণ কেউ অন্যায় করলে অবশ্যই প্রতিবাদ হয়।

‘কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিএনপি নেতারা যখন এ ধরনের অশোভন কথা বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড করেন, তাদের বিরুদ্ধে তাদের দল কখনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, বিবৃতিও দেয়নি। এমনকি নারী নেতৃবৃন্দ যারা মুরাদ হাসানের ক্ষেত্রে সোচ্চার হয়েছেন, তাদেরও বিএনপির অশোভন বক্তব্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখিনি।’

অশোভন বক্তব্যে আ.লীগ দেয় শাস্তি, বিএনপি করে পুরস্কৃত: হাছান
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও তার নাতনি জাইমা রহমানকে নিয়ে অশোভন উক্তির পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ও এক চিত্রনায়িকাকে ফোন করে আপত্তিকর ভাষায় কথা বলার ঘটনায় প্রতিমন্ত্রীর পদ হারিয়েছেন মুরাদ আহমেদ। তাকে দল থেকেও বাদ দেয়া হচ্ছে।

মুরাদের নানা বক্তব্য নিয়ে যখন সামাজিক মাধ্যমে তুমুল আলোচনা, সে সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালের একটি ভিডিও ছড়িয়েছে। তিনি একই ধরনের ভাষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের সরকারপ্রধান নরেন্দ্র মোদিকে জড়িয়ে আক্রমণ করেছেন।

মুরাদ এবং আলাল- দুজনের বিরুদ্ধেই শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি সাইবার ক্রাইম ইউনিটে পাঠানো হবে। তারাই ব্যবস্থা নেবে।

বিএনপির পক্ষ থেকে মুরাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। তবে আলালের বক্তব্য নিয়ে দলটি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। বরং তার বিরুদ্ধে ডায়েরি করার ঘটনায় গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেছেন, তাদের যুগ্ম মহাসচিবের বক্তব্য ছিল ‘ন্যায়সঙ্গত সমালোচনা’।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা ইন্টারনেটে দেখেছেন বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইশরাক হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেকের অশোভন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের বিষয়ে বিএনপি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, কাউকে বিবৃতি দিতে দেখিনি।’

‘সরকারি দলের কেউ বললে অবশ্যই প্রতিবাদ হবে, হওয়াটাই স্বাভাবিক’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার কিংবা দল যে কাউকে ছাড় দেয় না, সেই প্রমাণ সবাই পেয়েছে। কিন্তু বিএনপির ক্ষেত্রে সবাই কেন নিশ্চুপ ছিলেন, সেটিই আমার প্রশ্ন।’

তারেক রহমানের পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের নেতারা এই অনাচারগুলো করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বিএনপির উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, ‘এম এ মালেক ইউকে থেকে যে ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন এরপর কি তার দলীয় পদ থাকা উচিত ছিল?

বিএনপির এই নেতার বক্তব্য এখনও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া যায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাকে তো দল থেকে বাদ দেয়া হয়নি। তার অর্থ যারা এই ধরনের কর্মকাণ্ড করে ও নোংরা কথাবার্তা বলে, বিএনপি তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে। তাই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে বলব, আয়নায় নিজের দিকে তাকানোর জন্য, নিজের গায়ে দুর্গন্ধ মেখে অপরের দুর্গন্ধ খোঁজা উচিত না।’

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি হেদায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহজাহান খান ও সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খান বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
অনশন শেষে সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
বিএনপির অনশনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
খালেদাকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি
বিএনপির আলালের কিডনিতে টিউমার
চট্টগ্রাম কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শেয়ার করুন

‘আল্লাহর ওয়াস্তে মাফ করে দিবেন’

‘আল্লাহর ওয়াস্তে মাফ করে দিবেন’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করা মুরাদ হাসান। ফাইল ছবি

ফেসবুক স্ট্যাটাসে মুরাদ লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পরম শ্রদ্ধেয় মমতাময়ী মা, বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা, আমি যে ভুল করেছি তা আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে মাফ করে দিবেন।’

ভুলের জন্য মা-বোনদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পরের দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও ক্ষমা চেয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে সদ্য পদত্যাগ করা আলোচিত রাজনীতিক মুরাদ হাসান।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার বিকেলে দেয়া এক স্ট্যাটাসে ক্ষমা চান মুরাদ।

তিনি লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পরম শ্রদ্ধেয় মমতাময়ী মা, বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা, আমি যে ভুল করেছি তা আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে মাফ করে দিবেন।’

প্রধানমন্ত্রীর নেয়া যেকোনো সিদ্ধান্ত তিনি ‘মাথা পেতে’ নেবেন বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।

তিনি লিখেন, ‘আপনি যে সিদ্ধান্ত দিবেন তা আমি সবসময়ই মাথা পেতে নেব আমার বাবার মতো।’

মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে ‘মা-বোনদের’ কাছে ক্ষমা চান মুরাদ।

ওই দিন স্ট্যাটাসে মুরাদ লেখেন, ‘আমি যদি কোনো ভুল করে থাকি অথবা আমার কথায় মা-বোনদের মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তাহলে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা দেশরত্ন বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সব সিদ্ধান্ত মেনে নেব আজীবন।’

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্র মঙ্গলবার রাতেই গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

নারীর প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য ও ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে মুরাদ হাসান মঙ্গলবার ওই পদত্যাগপত্র পাঠান।

মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্র গ্রহণের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। রাতেই তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

রাষ্ট্রপতির আদেশে প্রজ্ঞাপনে সই করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন।

তাতে বলা হয়, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মো. মুরাদ হাসানের পদত্যাগপত্র মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে।’

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী বরাবর লেখা পদত্যাগপত্রে মুরাদ লেখেন, ‘প্রতিমন্ত্রীর পদ হতে ব্যক্তিগত কারণে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ।’

তিনি ভেতরে লিখেছেন, ‘গত ১৯ মে ২০২১ (প্রকৃতপক্ষে ২০১৯) আমাকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। আমি অদ্য ০৭. ১২. ২০২১ তারিখ হতে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব হতে ব্যক্তিগত কারণে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করতে ইচ্ছুক…আমাকে দায়িত্ব হতে অব্যাহতি প্রদানের লক্ষ্যে পদত্যাগপত্রটি গ্রহণে আপনার একান্ত মর্জি কামনা করছি।’

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মুরাদ হাসান তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে, তবে সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

এ বিষয়ে সংবিধানের ‘প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা’ শিরোনামে দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে তথা ৫৮ অনুচ্ছেদের ১-এ বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্য কোনো মন্ত্রীর পদ শূন্য হইবে, যদি (ক) তিনি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট পদত্যাগপত্র প্রদান করেন।’

আরও পড়ুন:
অনশন শেষে সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
বিএনপির অনশনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
খালেদাকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি
বিএনপির আলালের কিডনিতে টিউমার
চট্টগ্রাম কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শেয়ার করুন

খালেদার চিকিৎসা: রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চান ৫ দলের নেতারা

খালেদার চিকিৎসা: রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চান ৫ দলের নেতারা

হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে কথা বলতে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), বাংলাদেশ জাতীয় দল ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) নেতারা রাষ্ট্রপতির কাছে সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন করেছেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে কথা বলতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন করেছেন পাঁচ রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা।

দল পাঁচটি হলো বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি), বাংলাদেশ জাতীয় দল ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।

এনপিপি চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ বুধবার নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এর আগে আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। আমাদের সিদ্ধান্ত ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে যদি কার্যকরী কোনো কিছু হয়। সে ক্ষেত্রে আমরা রাষ্ট্রপতির কাছে যাব। আমাদের পক্ষ থেকে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে আবেদন করেছেন।

‘গত ২৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব বরাবর এই আবেদন করা হয়।’

রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনে বলা হয়, ‘আপনি বাংলাদেশের সাংবিধানিক অভিভাবক এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। মানুষের কষ্টে আপনি বিচলিত হন। দেশবাসীর চিন্তা ও স্বপ্নকে আপনি লালন করেন এবং আপনি একজন সুহৃদ ব্যক্তি। এই প্রেক্ষাপটে আপনার বরাবর আমাদের বিনীত ও আন্তরিক আবেদন হলো আপনার শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও আমাদের সাক্ষাতের সময় দান করে বাধিত করবেন।’

এর আগে গত ২০ নভেম্বর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে গিয়ে পাঁচটি দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা দেখা করে স্মারকলিপি দেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন ও ২০-দলীয় জোট নেত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক কারণে তার সুচিকিৎসা প্রয়োজন। এটা সত্য, রাজনৈতিকভাবে হোক বা অরাজনৈতিকভাবে হোক, সরকার তার প্রতি সহানুভূতি প্রদান করেছে। সে জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

‘আপনার মাধ্যমে আমরা প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন করছি খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি প্রদান করুন এবং ব্যবস্থা করে দিন। আপনাদের সদয় সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ইতিহাসে সৌজন্য ও মহানুভবতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’

স্মারকলিপি দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এনপিপি চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, এনডিপি চেয়ারম্যান এম এ তাহের, বাংলাদেশ জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা ও এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম।

আরও পড়ুন:
অনশন শেষে সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
বিএনপির অনশনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
খালেদাকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি
বিএনপির আলালের কিডনিতে টিউমার
চট্টগ্রাম কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শেয়ার করুন

‘বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায়’

‘বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায়’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

নির্বাচনে জয়ী হয়েও বিএনপি মহাসচিবের সংসদে না যাওয়াকে ‘জনমতের সঙ্গে স্পষ্ট প্রতারণা’ বলে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

জনমতের কথা বললেও বিএনপি জনমত যাচাইয়ে সাহস রাখে না এবং নির্বাচন অংশ নিতে ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তাদের অসংলগ্ন বক্তব্য, মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও অপরাজনীতির বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বুধবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বিবৃতিতে কাদের বলেন, ‘বিএনপি নেতাদের কথা এবং কাজে মিল নেই। তারা জনমতের কথা বলেন, অথচ তারা জনমত যাচাইয়ের সাহস রাখেন না- নির্বাচনে অংশগ্রহণে ভয় পান।’

নির্বাচনে জয়ী হয়েও বিএনপি মহাসচিবের সংসদে না যাওয়াকে ‘জনমতের সঙ্গে স্পষ্ট প্রতারণা’ বলে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা।

তিনি বলেন, ‘মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও তারা গণতন্ত্রের মুখোশের আড়ালে অন্তরে স্বৈরতন্ত্র ও দেশবিরোধী আদর্শকে ধারণ করে। গণমানুষের অধিকার হরণে চ্যাম্পিয়ন বিএনপি আজ মানবাধিকারের কথা বলছে, অথচ তারাই মানবাধিকার হরণে এদেশে ন্যাক্কারজনক ইতিহাসের প্রবর্তক।’

বিএনপি নেতাদের অসংলগ্ন বক্তব্য, মিথ্যাচার-অপপ্রচার ও অপরাজনীতির বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতাদের বক্তব্য ‘লাগামহীন মিথ্যাচার, অশালীন ও অপপ্রচার’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে এই বিবৃতি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাদের।

তিনি বলেন, ‘যে গোষ্ঠী মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করার মাধ্যমে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে এদেশে রাজনীতি শুরু করেছিল, স্বাধীন বাঙালি জাতিকে স্বৈরতন্ত্রের নাগপাশে আবদ্ধ করে গণতন্ত্র হরণের মাধ্যমে মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল, চিহ্নিত সেই অশুভ শক্তিই হলো বিএনপি।’

বিএনপি এখনও সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন কাদের।

ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা বলেন, ‘সৃষ্টি থেকে বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন একটি রাজনৈতিক দল। ষড়যন্ত্র ও চক্রান্তই তাদের রাজনীতির হাতিয়ার। তারা নিজেদের জনবিচ্ছিন্নতা ঢাকতেই এই ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও অসংলগ্ন প্রলাপ বকছেন। হতাশা আড়াল করতে মিডিয়াতে নানান কাল্পনিক কথা বলছেন, কিন্তু এসব গাল-গল্প জনগণের হৃদয়তল স্পর্শ করে না।’

আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের পূর্ণ সমর্থন, আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে বলেও বিবৃতিতে জানান কাদের।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসা ও নির্যাতন-নিপীড়নের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। বিএনপির এসব বক্তব্য ভূতের মুখে রাম রাম ধ্বনির মতো। এদেশের জনগণ ভালোভাবেই জানে- বিএনপির ইতিহাস হত্যা, ষড়যন্ত্র আর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিপীড়নের ইতিহাস।

‘বন্দুক ও বুটের তলায় জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতা দখলের ইতিহাস। তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী প্রত্যেকটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের শত্রু, গণশত্রুতে পরিণত হওয়ায় স্বৈরাচারের প্রতিভূ।’

আরও পড়ুন:
অনশন শেষে সারা দেশে বিক্ষোভের ডাক বিএনপির
বিএনপির অনশনে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
খালেদাকে বিদেশ পাঠানোর দাবিতে বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচি
বিএনপির আলালের কিডনিতে টিউমার
চট্টগ্রাম কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু

শেয়ার করুন