রেস্তোরাঁ খাতকে একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসার দাবি

রেস্তোরাঁ খাতকে একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে আসার দাবি

শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা।

মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, ‘খোলা ফুটপাতে বা যেখানেসেখানে খাবার তৈরি ও বিক্রি হয় কিন্তু সেখানে কোনো অভিযান হয় না। আমরা যারা বিনিয়োগ করে রেস্তোরাঁ করি সেখানে অহেতুক ১৫-২০ জন পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসার ভয়ভীতি দেখায়। মোবাইল কোর্ট বিধি মোতাবেক পরিচালনা করতে হবে।’  

রেস্তোরাঁ খাতে প্রশাসনিক হয়রানি অভিযোগ তুলে একে একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা।

শনিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

রেস্তোরাঁ মালিকদের অভিযোগ, শিল্পের অন্যতম এ খাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে রেস্তোরাঁ খাতকে ১১টি সংস্থার অধীনে কাজ করতে হয়। প্রতিবছর নতুন করে লাইসেন্স করতে বা নবায়নে ছোট ছোট উদ্যোক্তারা হয়রানির শিকার হওয়ার পাশাপাশি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন।

তাদের দাবি, সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় করে রেস্তোরাঁ খাতকে একটি মন্ত্রণালয়ের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত দাবি তুলে ধরেন রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান। এসময় সভাপতি মো. ওসমান গণিসহ সমিতির বিভিন্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বিধি মোতাবেক মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দাবি

মোবাইল কোর্টের নামে চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি চলছে বলে দাবি করেন রেস্তোরাঁ খাতের উদ্যোক্তারা।

মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, ‘খোলা ফুটপাতে বা যেখানেসেখানে খাবার তৈরি ও বিক্রি হয় কিন্তু সেখানে কোনো অভিযান হয় না। আমরা যারা বিনিয়োগ করে রেস্তোরাঁ করি সেখানে অহেতুক ১৫-২০ জন পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, আনসার ভয়ভীতি দেখায়। মোবাইল কোর্ট বিধি মোতাবেক পরিচালনা করতে হবে।’

রেস্তোরাঁ খাতে খাবারের মান পরীক্ষা ও দাম নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে অনেকগুলো মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে।

এগুলো হলো বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার মনিটরিং টিম, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত, জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট, কল-কারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের সার্ভে অভিযান ও স্বতন্ত্রভাবে র‌্যাবের মোবাইল কোর্ট।

তিনি বলেন, ‘মোবাইল কোর্টের নামে বাংলাদেশে একটি ভুল বার্তা প্রচার হচ্ছে যে আমরা ভেজাল খাবার পরিবেশন করছি। আমরা বলছি না এই খাতে সব ঠিক আছে এবং কোথাও কোনো ভেজাল নেই। আমরা কমার্শিয়াল সবকিছু দিচ্ছি অথচ একজন স্ট্রিট ফুডের মালিক কোনো ভ্যাট দিচ্ছে না। সে কোথায় রান্না করে, উপাদান কী দিচ্ছে তার কোনো মনিটরিং টিমও নাই।’

রেস্তোরাঁ মালিক নেতাদের দাবি, রেস্তোরাঁ খাতে ব্যবসা করতে গেলে স্থানীয় প্রশাসন অবশ্যই রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির ছাড়পত্র আছে কি না সেটি দেখবে। নিরাপদ খাদ্য ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষ যারা আছে তারা সমন্বয় করে তাদেরকে মনিটরিং করবে।

ই-কমার্সে আটকে আছে রেস্তোরাঁর কোটি কোটি টাকা

ই-কমার্সে রেস্তোরাঁগুলোর কয়েক কোটি টাকা আটকে আছে বলে জানান তারা। সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে তারা জানান, কত টাকা আটকে আছে তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই।

বিভিন্ন রেস্তোরাঁ সূত্রে তারা জেনেছেন, মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় চার থেকে পাঁচ কোটি, গুলশান-বাড্ডা এলাকায় ১০ কোটি ও ধানমন্ডি এলাকায় পাঁচ থেকে সাত কোটি টাকা আটকে আছে। সবচেয়ে বেশি টাকা আটকে আছে ই-ভ্যালির কাছে।

ই-কমার্সের টেকওয়ে, পার্সেল ও অনলাইন ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানগুলো স্বেচ্ছাচারীভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ তাদের।

মালিকদের অভিযোগ, বর্তমান ই-কমার্স নীতিমালা অনুযায়ী ডেলিভারি কোম্পানিগুলো শুধু চার্জ নেয়ার কথা, সেখানে তারা ইচ্ছামতো কমিশন চার্জ করছে। এজন্য ১০ শতাংশ কমিশন করে দ্রুত নীতিমালা করার দাবি জানান তারা।

শিল্প হিসেবে ঘোষণা জরুরি

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রেস্তোরাঁ খাতে দুই কোটি মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। সরকারি হিসেবে দেশে চার লাখের বেশি রেস্তোরাঁ পরিচালিত হচ্ছে। এই খাতে ৩০ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছেন।

তবে সরকারিভাবে রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্পের মর্যাদা না দেয়ায় চরম অবহেলিত অবস্থায় পড়েছেন তারা। অবিলম্বে হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতকে শিল্পের মর্যাদা দেয়ার দাবিও জানান নেতারা।

ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায়ের প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকার

সব খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাট নিবন্ধনের আওতায় আনার দাবি তুলে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতারা দাবি জানান, পণ্যের মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট সংযুক্ত করে মূল্য নির্ধারণ করার নতুন আইন বাদ দিতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্ধারিত হারে ভ্যাট আদায় করে সম্পূর্ণ টাকা ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে থাকে। ভ্যাট আইনে ওই আদায় করা টাকার মধ্যে রেয়াত অন্তর্ভুক্ত আছে, যা একজন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী প্রাপ্তির অধিকার সংরক্ষণ করেন।

ব্যবসার স্থাপনা, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানি বিলসহ অন্যান্য কেনা পণ্যে এবং সেবা যেখানে ভ্যাট প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোকে উপকরণ বিবেচনা করে আদায় করা ভ্যাটের ৫০ শতাংশ রেয়াত সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করেন তারা।

সব জায়গায় ইএফডি মেশিন দেয়ার দাবিও জানান নেতারা।

দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ

হোটেল-রেস্তোরাঁ খাতে যে স্টাফরা কাজ করেন এদের অধিকাংশই অদক্ষ ও তুলনামূলক কম শিক্ষিত। এদের কোনো প্রশিক্ষণ নেই। এজন্য বিশেষজ্ঞ দিয়ে স্টাফদের ট্রেনিং দেয়ার দাবি জানান নেতারা।

মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, ‘আমরা নিরাপদ খাদ্যের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। নিরাপদ খাদ্যের অধীনে সমস্ত সংস্থাকে একসঙ্গে এনে প্রথমে একটা নীতিমালা তৈরি করতে হবে, যা রেস্তোরাঁ খাতের জন্য যুগোপযোগী। এই নীতিমালা সব রেস্তোরাঁ মালিককে দিতে হবে এবং তাদেরকে জেলাভিত্তিক, থানাভিত্তিক ভাগ করে করে প্লট করে করে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা ‘নিঃস্ব’, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়ার দাবি
রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দুর্দিন, সরব ফুড ডেলিভারি
আমাদের বাঁচান, প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল মালিকদের আকুতি
নামি রেস্তোরাঁর খাবারে কাপড়ের রং

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফরেন চেম্বারের নতুন সভাপতি নাসের এজাজ

ফরেন চেম্বারের নতুন সভাপতি নাসের এজাজ

এফআইসিসিআই নতুন সভাপতি নাসের এজাজ বিজয়।

নাসের এজাজ বিজয় বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির এই লগ্নে, আমরা নিজেদের ইতিহাস ও পরবর্তী অধ্যায় রচনার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের আগামী দিনের সফলতার মূল ভিত্তি হবে দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগ আকর্ষণ ও তার বিকাশ। চেম্বারের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ মিশন পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ায় আমি গর্বিত। আমি আমার পূর্বসূরির সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই।’

ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফআইসিসিআই) নতুন সভাপতি হয়েছেন নাসের এজাজ বিজয়। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ইউনাইটেড ঢাকা টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিল কোপল্যান্ড।

রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে এফআইসিসিআইয়ের ৫৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) সভাপতি, সহসভাপতিসহ ২০২২-২৩ মেয়াদের নতুন নির্বাহী কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হয় বলে সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এফআইসিসিআইর নতুন সভাপতি নাসের এজাজ বিজয় ২৯ বছর ধরে এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে যুক্ত আছেন। বর্তমানে তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া তিনি দ্য ডিউক অব এডিনবরা অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের বোর্ড; মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং ব্রিটিশ বিজনেস গ্রুপেও (বিবিজি) কাজ করেন।

সহসভাপতি নিল কোপল্যান্ড ইউনাইটেড ঢাকা টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সদস্য। ভারতের কলকাতায় তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৭টি দেশে থেকেছেন। তিনি দীর্ঘদিন জেটিআইয়ের জন্য কাজ করেছেন। রোমানিয়া, পোল্যান্ড, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছেন।

নাসের এজাজ বিজয় বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির এই লগ্নে, আমরা নিজেদের ইতিহাস ও পরবর্তী অধ্যায় রচনার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের আগামী দিনের সফলতার মূল ভিত্তি হবে দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগ আকর্ষণ ও তার বিকাশ। চেম্বারের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ মিশন পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ায় আমি গর্বিত। আমি আমার পূর্বসূরির সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই।’

নিল কোপল্যান্ড বলেন, ‘গেল বছর এফআইসিসিআইর নির্বাহীর কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর এবার সহসভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মানিত বোধ করছি। নতুন সভাপতি নাসের এজাজ বিজয়ের নেতৃত্বে এবং অত্যন্ত সম্মানীয় একটি নির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করব। আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য হলো সবার জন্য বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টায় সম্মুখভাগে থাকা।’

এফআইসিসিআইয়ের বিদায়ী সভাপতি রূপালী চৌধুরী বলেন, ‘গত দুই বছর এফআইসিসিআয়ের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। এটি একটি ফলপ্রসূ এবং চমৎকার অভিজ্ঞতা। কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সহায়তায় আমরা মহামারির মধ্যেও বিভিন্ন মাইলফলক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।

‘আমি নবনির্বাচিত সভাপতি, সহসভাপতি এবং কার্যনির্বাহী কমিটিকে অভিনন্দন জানাই। আশা করি, নতুন কমিটি ২০৪১-এর লক্ষ্য পূরণে ও সংগঠনের ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে উন্নত অংশীদারত্ব এবং সহযোগিতার জায়গা অব্যাহত রাখবে।’

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা ‘নিঃস্ব’, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়ার দাবি
রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দুর্দিন, সরব ফুড ডেলিভারি
আমাদের বাঁচান, প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল মালিকদের আকুতি
নামি রেস্তোরাঁর খাবারে কাপড়ের রং

শেয়ার করুন

বারভিডা নির্বাচন স্থগিত

বারভিডা নির্বাচন স্থগিত

২০১৯-২০ মেয়াদের নির্বাচনের ছবি।

২০২১-২০২৩ মেয়াদের নির্বাচন পুনঃতফসিলিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন বোর্ড নির্বাচন স্থগিত করেছে বলে নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

রিকন্ডিশন্ড গাড়ি ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার এই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল।

২০২১-২০২৩ মেয়াদের নির্বাচন পুনঃতফসিলিকরণের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন বোর্ড এই নির্বাচন স্থগিত করেছে বলে নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচনের পরবর্তী তারিখ যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন বোর্ড।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। ঘোষিত তফসিল মোতাবেক ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল।

নির্বাচনে তিনটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বারভিডার সাবেক সভাপতি হাবিবুল্লা ডনের নেতৃত্বে ‌সম্মিলিত পরিষদ, বর্তমান সভাপতি আব্দুল হকের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পরিষদ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রচার প্রচারণা চালায়।

সারা দেশে বারভিডার মোট ভোটার ৬৭০ জন। এবারের নির্বাচনে পরিচালনা পর্ষদের ২৫টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেন মোট ৭৮ জন প্রার্থী।

ভোটে নির্বাচিত নতুন ২৫ জন পরিচালকের মধ্য থেকে একজনকে সভাপতি এবং তিনজনকে সহ-সভাপতিসহ বিভিন্ন পদে মনোনীত করা হবে।

প্রথা অনুযায়ী বিজয়ী প্যানেল প্রধান বারবিডার নতুন সভাপতি নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা ‘নিঃস্ব’, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়ার দাবি
রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দুর্দিন, সরব ফুড ডেলিভারি
আমাদের বাঁচান, প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল মালিকদের আকুতি
নামি রেস্তোরাঁর খাবারে কাপড়ের রং

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রেয়াজুদ্দিন বাজারে এসবিএসি ব্যাংক

চট্টগ্রামের রেয়াজুদ্দিন বাজারে এসবিএসি ব্যাংক

রোববার উপশাখাটির উদ্বোধন করা হয়। এ নিয়ে ব্যাংকটির মোট শাখা ও উপশাখার সংখ্যা ১০২ টিতে উন্নীত হলো।

চট্টগ্রামের রেয়াজুদ্দিন বাজারে উপশাখা খুলেছে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংক।

রোববার উপশাখাটির উদ্বোধন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এ নিয়ে ব্যাংকের শাখা ও উপশাখার সংখ্যা ১০২ টিতে উন্নীত হলো।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিল্পপতি এবং এসবিএসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আইয়ুব। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার আব্দুস সালাম মাসুম।

সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম শামসুল আরেফিন।

অন্যদের মধ্যে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম চৌধুরী, পিআর অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন্স ডিভিশনের প্রধান মোহাম্মদ শফিউল আজম, তত্ত্বাবধায়ক শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইকরাম পাশা, সংশ্লিষ্ট উপশাখার প্রধান ইনামুল হকসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা ‘নিঃস্ব’, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়ার দাবি
রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দুর্দিন, সরব ফুড ডেলিভারি
আমাদের বাঁচান, প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল মালিকদের আকুতি
নামি রেস্তোরাঁর খাবারে কাপড়ের রং

শেয়ার করুন

নাহিদ এন্টারপ্রাইজের ২৭৫ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি

নাহিদ এন্টারপ্রাইজের ২৭৫ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি

মেসার্স নাহিদ এন্টারপ্রাইজের কার্যালয়ে ভ্যাট গোয়েন্দার অভিযানে বেরিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা প্রকৃত বিক্রয়মূল্য গোপন করে। ছবি:নিউজবাংলা

ভ্যাট কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগে নাহিদ এন্টারপ্রাইজ বন্ড লাইসেন্সের আওতায় শুল্কমুক্ত পণ্য এনে খোলা বাজারে বিক্রি করে দীর্ঘ সময় ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে আসছে। এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জব্দ করা হয়।

শুল্কমুক্ত সুবিধা অপব্যবহারের মাধ্যমে রাজধানীর লালবাগে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২৭৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে।

এই অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সোমবার মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ভ্যাট কর্মকর্তারা জানান, রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগে নাহিদ এন্টারপ্রাইজ বন্ড লাইসেন্সের আওতায় শুল্কমুক্ত পণ্য এনে খোলা বাজারে বিক্রি করে দীর্ঘ সময় ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে আসছে।

এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে, গোয়েন্দা কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জব্দ করা হয়।

অনুসন্ধানে দেখা যায় যে, মেসার্স নাহিদ এন্টারপ্রাইজ ভ্যাট চালান ছাড়া সেবা, যথাযথ রাজস্ব পরিশোধ না করা ও প্রকৃত বিক্রয় তথ্য গোপন করে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সরকারের আর্থিক ক্ষতি করেছে।

তদন্ত দেখা যায়, পাঁচ বছর প্রতিষ্ঠানটি ভ্যাট রিটার্নে বিক্রয়মূল্য দেখিয়েছে ২৯১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। কিন্তু জব্দকৃত দলিলাদি পরীক্ষা করে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত বিক্রয়মূল্য ১ হাজার ৫৪০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ভ্যাট আরোপযোগ্য বিক্রয়মূল্য ১ হাজার ৩৩৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ৪৭ কোটি টাকা সমপরিমাণ প্রকৃত বিক্রয়মূল্য গোপন করেছে।

বিক্রয়মূল্য কম দেখানোয় সরকার প্রাপ্য রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে ১৫৭ কোটি ১২ লাখ টাকা।

সময়মতো পরিশোধ না করায় ২ শতাংশ জরিমানাসহ অতিরিক্ত ভ্যাট আসে ১১৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

সব মিলে সুদসহ মোট ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ ২৭৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা ‘নিঃস্ব’, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়ার দাবি
রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দুর্দিন, সরব ফুড ডেলিভারি
আমাদের বাঁচান, প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল মালিকদের আকুতি
নামি রেস্তোরাঁর খাবারে কাপড়ের রং

শেয়ার করুন

সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল

সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪% সুদে ঋণ দিল এসআইবিএল

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৩৫০ জন চাষীকে এই ঋণ দেয়া হয় বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সয়াবিন ও মরিচ চাষীদের ৪ শতাংশ সুদে ঋণ দিয়েছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড (এসআইবিএল)।

সম্প্রতি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৩৫০ জন সয়াবিন ও মরিচ চাষীকে এই ঋণ দেয়া হয় বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এ উপলক্ষে সুবর্ণচর উপজেলা কমপ্লেক্সে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান প্রধান অতিথি ছিলেন। এসআইবিএলে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম ছিলেন বিশেষ অতিথি।

ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক. সিরাজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৈতী সর্ববিদ্যা, এসআইবিএলের এসএমই অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল ফাইন্যান্স ডিভিশনের প্রধান সাদাত আহমাদ খান, মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যাংকের মাইজদি শাখার ম্যানেজার মুহাম্মদ আব্দুস শহিদ।

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা ‘নিঃস্ব’, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়ার দাবি
রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দুর্দিন, সরব ফুড ডেলিভারি
আমাদের বাঁচান, প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল মালিকদের আকুতি
নামি রেস্তোরাঁর খাবারে কাপড়ের রং

শেয়ার করুন

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইউসিবির লাউঞ্জ

শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইউসিবির লাউঞ্জ

ইউসিবি ইম্পেরিয়াল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক এবং ইউসিবি ক্রেডিট কার্ড গ্রহীতারা এই অত্যাধুনিক লাউঞ্জে আতিথ্য গ্রহণ করতে পারবেন। 

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ইম্পেরিয়াল লাউঞ্জ উদ্বোধন করা হয়ে।

সোমবার ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি এর উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ইউসিবি ইম্পেরিয়াল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক এবং ইউসিবি ক্রেডিট কার্ড গ্রহীতারা এই অত্যাধুনিক লাউঞ্জে আতিথ্য গ্রহণ করতে পারবেন।

এসময় ইউসিবির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ কাদরী, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক উইং কমান্ডার এম ফারহাদ হোসেন খান, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সেক্রেটারি এ টি এম তাহমিদুজ্জামানসহ ব্যাংক ও বিমানবন্দরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা ‘নিঃস্ব’, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়ার দাবি
রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দুর্দিন, সরব ফুড ডেলিভারি
আমাদের বাঁচান, প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল মালিকদের আকুতি
নামি রেস্তোরাঁর খাবারে কাপড়ের রং

শেয়ার করুন

আর্থসামাজিক সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ: রেহমান সোবহান

আর্থসামাজিক সূচকে পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ: রেহমান সোবহান

বিজয় দিবসে জাতীয় সংসদ ভবনে আলোকসজ্জা। ফাইল ছবি

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেন, ‘স্বাধীনতার সময় ১৯৭২ সালে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্য, মাথাপিছু আয়সহ অনেক সূচকে আমরা পাকিস্তানের তুলনায় পিছিয়ে ছিলাম। পরবর্তী ৫০ বছরে সেই অবস্থান থেকে অনেক এগিয়েছে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে গত ২৫ বছরে। তবে লক্ষণীয় অগ্রগতি হয়েছে গত দশকে।’

মাথাপিছু জাতীয় আয়, গড় আয়ু, জিডিপির প্রবৃদ্ধিসহ আর্থসামাজিক অনেক সূচকে পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ অনেক এগিয়েছে। অথচ স্বাধীনতার সময় এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক পিছিয়ে ছিল।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক রেহমান সোবহান আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এই সম্মেলনের আয়োজন করে সিপিডি। চার দিনব্যাপী ভার্চুয়ালি এ সম্মেলন সোমবার শুরু হয়েছে।

‘৫০ বছরে বাংলাদেশ: প্রত্যাবর্তন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রবীণ এই অর্থনীতিবিদ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক রওনক জাহান। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

রেহমান সোবহান বলেন, ‘স্বাধীনতার সময় ১৯৭২ সালে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্য, মাথাপিছু আয়সহ অনেক সূচকে আমরা পাকিস্তানের তুলনায় পিছিয়ে ছিলাম।

‘পরবর্তী ৫০ বছরে সেই অবস্থান থেকে অনেক এগিয়েছে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে গত ২৫ বছরে। তবে লক্ষণীয় অগ্রগতি হয়েছে গত দশকে।’

১৯৭২ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় পাকিস্তানের চেয়ে ৬১ শতাংশ কম ছিল। জিডিপির উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে মাথাপিছু আয় বাড়তে থাকে এবং ২০২০ সালে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে ৬২ শতাংশ বেশি হয়েছে মাথাপিছু আয়।

শুধু তা নয়, এই সময়ে সঞ্চয়, বিনিয়োগ এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে পাকিস্তানকে টপকে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। এর ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পাকিস্তানের চেয়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

রেহমান সোবহান বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন আর বৈদেশিক সাহায্যনির্ভর দেশ নয়। যে পরিমাণ বিদেশি ঋণ আমরা পাচ্ছি, তা জিডিপির ২ শতাংশ। অথচ পাকিস্তান এখনও বিদেশি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।’

বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে বলে জানান রেহমান সোবহান।

বলেন, ‘১৯৭২ সালে আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনে পিছিয়ে ছিলাম। দ্রুত বিদ্যুৎ খাতের প্রসার ঘটায় গত ১০ বছরে পাকিস্তানের চেয়ে দ্বিগুণ উৎপাদন বেড়েছে।

মানবসম্পদ উন্নয়ন সূচকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল। বর্তমানে এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। স্বাস্থ্যসেবা উন্নীতির ফলে আমাদের গড় আয়ু ও পাকিস্তানের তুলনায় ভালো অবস্থানে আছে বলে জানান রেহমান সোবহান।

আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীরা ‘নিঃস্ব’, রেস্তোরাঁ খুলে দেয়ার দাবি
রেস্তোরাঁ ব্যবসায় দুর্দিন, সরব ফুড ডেলিভারি
আমাদের বাঁচান, প্রধানমন্ত্রীকে হোটেল মালিকদের আকুতি
নামি রেস্তোরাঁর খাবারে কাপড়ের রং

শেয়ার করুন