× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Shirin Antra in a new life from Safe Home
google_news print-icon

সেফ হোম থেকে নতুন জীবনে শিরিন-অন্তরা

সেফ-হোম-থেকে-নতুন-জীবনে-শিরিন-অন্তরা
রাজশাহীর পবার সেফ হোমে শিরিন ও অন্তরার বিয়ের অনুষ্ঠান। ছবি: নিউজবাংলা
লাইজু রাজ্জাক জানান, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্য রংপুর ও পঞ্চগড় আদালতে যেতে হয়। বিয়ের জন্য ওই নারীদের নিজ জিম্মায় আদালত থেকে জামিন নিতে হয়। দুই আদালতেই আইনজীবী নিয়োগ করতে হয়। এসব করতে প্রায় এক মাস লেগে যায়। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুক্রবার সেফ হোমে আয়োজন করা হয় বিয়ের।

১১ বছর আগে রাজশাহীতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহিলা ও শিশু-কিশোরী সেফ হোমে আসেন অন্তরা বেগম ও শিরিনা খাতুন।

শুক্রবার জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন জীবন শুরু করেছেন এই দুই নারী। এদিন তাদের বিয়ের আয়োজনে সেজেছিল সেফ হোম। শিরিনা ও অন্তরাকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হয়েছিলেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সরকারি কর্মকর্তারা।

সেফ হোমের উপতত্ত্বাবধায়ক লাইজু রাজ্জাক জানান, ২০১০ সালে রংপুর আদালতের মাধ্যমে শিরিনা খাতুনকে রাজশাহী সেফ হোমে পাঠানো হয়েছিল। একই বছর অন্তরা বেগমকেও পঞ্চগড় আদালতের মাধ্যমে সেফ হোমে পাঠানো হয়। ঠিকানা বলতে না পারায় তাদের পরিবারের কাছে পাঠানো সম্ভব হয়নি।

তিনি জানান, দুই নারীর বিয়ের জন্য এলাকায় ঘটক পাঠানো হয়। দেখতে দেখতে দুজন পাত্রও পেয়ে যান। দেখাশোনার পর দুই মেয়ে তাদের বিয়ে করতে রাজি হন।

শিরিনার সঙ্গে ইসমাইল হোসেনের এবং অন্তরা বেগমের সঙ্গে মো. বিপ্লবের বিয়ে ঠিক হয়। এরপর তিনি বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং কমিটির সভায় তোলেন। কমিটির সভাপতি রাজশাহী জেলা প্রশাসক মো. আবদুল জলিল যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিয়ের ব্যবস্থা করার অনুমতি দেন।

লাইজু রাজ্জাক জানান, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের জন্য রংপুর ও পঞ্চগড় আদালতে যেতে হয়। বিয়ের জন্য ওই নারীদের নিজ জিম্মায় আদালত থেকে জামিন নিতে হয়। দুই আদালতেই আইনজীবী নিয়োগ করতে হয়। এসব করতে প্রায় এক মাস লেগে যায়। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুক্রবার সেফ হোমে আয়োজন করা হয় বিয়ের।

অন্তরাকে বিয়ে করেছেন রাজশাহী নগরীর বড় বনগ্রাম দুরুলের মোড় এলাকার মো. বিপ্লব। শিরিনাকে বিয়ে করেছেন পবার পিল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন। দুজনেরই স্ত্রী মারা যাওয়ায় পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে করলেন।

ইসমাইল হোসেনের বিয়েতে তার দুই ছেলের বউ জয়া বেগম ও দিলরুবা বেগম ছেলে-মেয়ে নিয়ে এসেছিলেন। অন্তরা বেগমের বর বিপ্লবের বাড়ি রাজশাহী নগরের বড় বনগ্রাম দুরুলের মোড়ে। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তারা এসেছিলেন বাবার সঙ্গে। বাবার পাশেই বসে ছিলেন।

লাইজু রাজ্জাক বলেন, ‘মেয়ে দুটি নিজের সংসারে সুখে থাকবে এই আমার আনন্দ।’

জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, ‘অভিভাবকহীন দুই নারীর বিয়ে দিতে পেরে আমি খুশি। বিয়েতে দুই পক্ষের অতিথিসহ প্রায় ৩০০ মানুষকে দাওয়াত করা হয়েছিল।

এই বিয়েতে অতিথি হিসেবে আরও এসেছিলেন রাজশাহী পুলিশ সুপার (এসপি) এ বি এম মাসুদ হোসেন, পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লসমী চাকমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ এহসান উদ্দীন, রাজশাহী সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোছা. হাসিনা মমতাজ, সহকারী পরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল ফিরোজসহ অনেকে। এ ছাড়া দুই বরের পক্ষ থেকে বরযাত্রী এসেছিলেন আরও প্রায় ৪০ জন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের রাজশাহী আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বাবুর্চি আকবর হোসেন জানান, অতিথিদের জন্য তিনি ৪৫ কেজি খাসির মাংস, ২০ কেজি মাছ, ২২ কেজি চালের পোলাও ও পাঁচ কেজি চালের সাদা ভাত রান্না করেছিলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
3 Awami League leaders injured in shooting in Abhaynagar

অভয়নগরে গুলিতে ৩ আওয়ামী লীগ নেতা আহত

অভয়নগরে গুলিতে ৩ আওয়ামী লীগ নেতা আহত প্রতীকী ছবি
আহতদের মধ্যে দুজনকে খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও একজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

যশোরের অভয়নগরে গুলিতে আওয়ামী লীগের ৩ নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।

উপজেলার রাজঘাট এলাকায় শুক্রবার রাত ৯টার দিকে একটি চায়ের দোকানে এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর ইউএনবির

আহতদের মধ্যে দুজনকে খুলনার ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও একজনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন- খুলনার ফুলতলা উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটু ওরফে লিটু মেম্বার, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা খায়রুজ্জামান সবুজ ও আওয়ামী লীগ নেতা নাসিম।

অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাজঘাট বাসস্ট্যান্ডের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন ওই তিন নেতা। এ সময় অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তারা তিনজনই গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে একজনের পেটে এবং দুজনের হাতে গুলি লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার সাথে জড়িতদের আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The bride did not like the husbands brother in law so he beat him to death

পাত্রীকে পছন্দ হয়নি পাত্রের, দুলাভাইকে তাই ‘পিটিয়ে হত্যা’

পাত্রীকে পছন্দ হয়নি পাত্রের, দুলাভাইকে তাই ‘পিটিয়ে হত্যা’ 
বিয়ের আয়োজন ভেঙে যাওয়ার পর হামলা হয় পাত্রপক্ষের ওপর। ছবি: নিউজবাংলা
মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আশরাফুল আলম বলেন, আজিজুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিয়ে করতে এসে পাত্রীকে দেখে পাত্রের পছন্দ না হওয়ায় ভেঙে যায় সব আয়োজন, এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে পাত্রের দুলাভাইকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার আংড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজিজুল হক (৪৫) খুলনার তেরখাদা উপজেলার ইছামতি গ্রামের শাহাদাত মোল্লার ছেলে এবং দফাদার মোহাম্মদ আলীর মেয়ের জামাই।

স্থানীয়রা জানান, মোল্লাহাট উপজেলার আংড়া গ্রামে শাহদাত মুন্সির মেয়ের সঙ্গে দফাদার মোহাম্মাদ আলী গাজীর ছেলে হাফিজুর রহমান গাজীর বিয়ের কথা হয়েছিল। এদিন বরপক্ষ কনেকে দেখতে তাদের বাড়িতে যায়। কিন্তু ছেলের মেয়ে পছন্দ না হওয়ায় তারা ফিরে আসার সময় তাদের ওপর হামলা করে কনে পক্ষ। এতে বরের দুলাভাই আজিজুল নিহত হন।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আশরাফুল আলম বলেন, আজিজুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ramins dead body floated in the branch river of Padma

পদ্মার শাখা নদীতে এবার ভেসে উঠল রামিনের মরদেহ

পদ্মার শাখা নদীতে এবার ভেসে উঠল রামিনের মরদেহ 
মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলের অদূরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ তা উদ্ধার করে।

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির দিঘীরপাড়ে পদ্মার শাখা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া ছাত্র রামিন আরিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলের অদূরে তার মরদেহ ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ তা উদ্ধার করে।

এরআগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র নিখোঁজ রামিনের বাবা রেলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রিয়াদ আহমেদ রাজু এবং তার ভায়রা ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মরদেহ রাতেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঈদের ছুটিতে পদ্মা নদীতে ঘুরতে গিয়ে গোসলে নেমে শুক্রবার বিকেলে নিখোঁজ হন বাবা-ছেলেসহ তিনজন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, তারা ওই উপজেলার বেসনাল এলাকার তাদের স্বজন আলম মোল্লার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ট্রলারে করে ৩০-৩৫ জন মিলে দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ধানকোড়া এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে ঘুরতে বের হন। এ সময় তারা বেশ কয়েকজন ট্রলার থেকে গোসলে নামেন।

গোসল করার সময় রামিন নদীর স্রোতের তোড়ে ভেসে যেতে থাকলে তার বাবা ও খালু তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তারাও স্রোতের তোড়ে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হন।

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শুরু করে মুন্সিগঞ্জ সদর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশের টিম। পরে ঢাকার ডুবুরি দল উদ্ধার কাজে যোগ দেয়।

টঙ্গীবাড়ি ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল জানান, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পুনরায় দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ শুরু হয়। সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলের অদূরে রামিনের মরদেহ ভেসে উঠলে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে এ ঘটনায় নিখোঁজ তিন জনেরই মরদেহ উদ্ধার শেষে উদ্ধার কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed in Munshiganj clash between A League sides over supremacy

মুন্সিগঞ্জে আধিপত্য নিয়ে আ.লীগের দু পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

মুন্সিগঞ্জে আধিপত্য নিয়ে আ.লীগের দু পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১ প্রতীকী ছবি
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি।

মুন্সিগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার ভোরে সদর উপজেলার চরকেওয়ার ইউনিয়নের ছোট মোল্লাকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই সময় আহত হয়েছেন অন্তত আরও ৫ জন।

নিহত পারভেজ খান (২০) আওয়ামী লীগ কর্মী ছিলেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে বলে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে সূত্রে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এ ছাড়া গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ রাব্বিকে (১৯) মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকি আহতদের মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে ওই এলাকার আহম্মেদ গ্রুপ ও মামুন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই দুই গ্রুপই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।

শনিবার ভোরে আহম্মেদ গ্রুপের লোকজন মামুন গ্রুপের লোকজনের বাড়িঘরে হামলা চালান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত হন অন্তত ৬ জন।

এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাই ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় দুজন গুলিবিদ্ধের মধ্যে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে পারভেজ খানের মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি।

এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কয়েকটি বাড়িঘরে ভাংচুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।

ওসি আরও জানান, ওই দুই গ্রুপই স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আহম্মেদ গ্রুপ বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লবের অনুসারী এবং মামুন গ্রুপ সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের অনুসারী। গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত পারভেজ খান বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফয়সাল বিপ্লবের কর্মী।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The search for Ramin who is missing in the river Padma has started again

পদ্মার শাখা নদীতে নিখোঁজ রামিনের সন্ধানে ফের অভিযান শুরু

পদ্মার শাখা নদীতে নিখোঁজ রামিনের সন্ধানে ফের অভিযান শুরু


নদীতে উদ্ধার অভিযান। ছবি: নিউজবাংলা
শনিবার সকাল ৯টার দিকে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দিঘীরপাড়ে পদ্মার শাখা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ কলেজছাত্র রামিন আরিদের সন্ধানে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ।

শনিবার সকাল ৯টার দিকে এই অভিযান শুরু হয়।

এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নিখোঁজ রামিনের বাবা রেলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রিয়াদ আহমেদ রাজু এবং তার ভায়রা ব্যাংক কর্মকর্তা মোহাম্মদ জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মরদেহ রাতেই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিখোঁজ থাকা রামিন মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র। ঈদের ছুটিতে পদ্মা নদীতে ঘুরতে গিয়ে গোসলে নেমে শুক্রবার বিকেলে নিখোঁজ হন তারা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, তারা ওই উপজেলার বেসনাল এলাকার তাদের স্বজন আলম মোল্লার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ট্রলারে করে ৩০-৩৫ জন মিলে দিঘীরপাড় ইউনিয়নের ধানকোড়া এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে ঘুরতে বের হন। এ সময় তারা বেশ কয়েকজন ট্রলার থেকে গোসলে নামেন।

গোসল করার সময় রামিন নদীর স্রোতের তোড়ে ভেসে যেতে থাকলে তার বাবা ও খালু তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তারাও স্রোতের তোড়ে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শুরু করে মুন্সিগঞ্জ সদর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশের টিম। পরে ঢাকার ডুবুরি দল উদ্ধার কাজে যোগ দেয়।

টঙ্গীবাড়ি ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মোস্তফা কামাল বলেন, সংবাদ পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। পরে ঢাকা থেকে প্রশিক্ষিত ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ থাকে রামিন। শনিবার সকাল ৯টার দিকে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The directive issued to tourists in Ruma is suspended

রুমায় পর্যটকদের ওপর জারি করা নির্দেশনা স্থগিত

রুমায় পর্যটকদের ওপর জারি করা নির্দেশনা স্থগিত ফাইল ছবি
শুক্রবার ওই চার নিদর্শনা স্থগিত করে একটি পত্রাদেশ জারি করেন রুমা ইউএনও মো. দিদারুল আলম।

বান্দরবানের রুমা উপজেলায় ভ্রমণে পর্যটকদের ওপর জারি করা চারটি নির্দেশনা স্থগিত করা হয়েছে।

শুক্রবার ওই চার নিদর্শনা স্থগিত করে একটি পত্রাদেশ জারি করেন রুমা ইউএনও মো. দিদারুল আলম (রুটিন দায়িত্ব)।

গত ৯ এপ্রিল ওই পরিপত্র জারি করা হয়।

জারি হওয়া নির্দেশনাগুলো ছিল- যৌথবাহিনী অভিযান পরিচালনাকালে কোনো হোটেলে পর্যটকের রুম ভাড়া দেয়া যাবে না। কোনো পর্যটক পথ প্রদর্শকও পর্যটকদের কোনো পর্যটন কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া যাবে না। কোনো পর্যটন কেন্দ্রের জিপ গাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবেনা এবং নৌ- পথেও পর্যটকের কোনো পর্যটন কেন্দ্রে না নিয়ে যেতে বলা হয়েছে এই নির্দেশনায়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Satellite tagged crocodile rescued from Chitalmari pond in Sundarbans

সুন্দরবনে স্যাটেলাইট ট্যাগ লাগানো কুমির চিতলমারী পুকুর থেকে উদ্ধার

সুন্দরবনে স্যাটেলাইট ট্যাগ লাগানো কুমির চিতলমারী পুকুর থেকে উদ্ধার উদ্ধার হওয়া কুমির। ছবি: নিউজবাংলা
উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা তন্ময় আচার্য।

সুন্দরবনে স্যাটেলাইট ট্যাগ বসিয়ে অবমুক্ত করা চারটি কুমিরের মধ্যে একটিকে বাগেরহাটের চিতলমারীর এক পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শত কিলোমিটার ঘুরে সেখানে অবস্থান করা কুমিরটিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় উদ্ধার করে খুলনা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের একটি বিষেশজ্ঞ দল।

এর আগে লবণ পানির কুমিরের আচরণ ও গতিবিধি গবেষণার জন্য সুন্দরবনে চারটি কুমিরের গায়ে স্যাটেলাইট ট্যাগ বসিয়ে অবমুক্ত করা হয়েছিল।

উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ কর্মকর্তা তন্ময় আচার্য।

অবমুক্ত করা চারটি কুমিরের মধ্যে তিনটি সুন্দরবনের ভেতরে ঘোরাঘুরি করলেও এ কুমিরটি সুন্দরবন থেকে বের হয়ে মোংলা, রামপাল, মোরেলগঞ্জের পানগুছি পিরোজপুরের কচা, শরনখোলার বলেস্বর নদী অতিক্রম করে মধুমতি নদী সংলগ্ন বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার একটি পুকুর অবস্থান করছিল।

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ওই এলাকার মধুমতি নদী সংলগ্ন রাস্তায় কুমিরটিকে দেখতে পায় স্থানীয়রা। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা কুমিরটি দেখার জন্য রাস্তায় ভিড় জমায়। এক পর্যায়ে কুমিরটি নদীতে না ফিরে রাস্তার পার্শবর্তী একটি পুকুরে অবস্থান নেয়।

তিনি বলেন, শনিবার সকালে থেকে ওই কুমিরটিকে দেখতে শত শত উৎসুক জনতা পুকুরটিকে ঘিরে রাখে। কুমিরটির নিরাপত্তার জন্য ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওই স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।

ওসি জানান, বিষয়টি বনবিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করা হলে সন্ধ্যার পরে খুলনা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের একটি বিষেশজ্ঞ দল কুমরিটি উদ্ধারের করেছে।

সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির জানান, গত ১৩ মার্চ সর্বপ্রথম দুটি কুমির অবমুক্ত করা হয়েছিল। এরপর গত ১৬ মার্চ স্যাটেলাইট ট্যাগ বসিয়ে আরও একটি কুমিরের সঙ্গে এই কুমিরটিকেও অবমুক্ত করা হয়েছিল সুন্দরবনের হারবাড়িয়া পয়েন্টে।

তিনি জানান, কুমিরের গায়ে স্যাটেলাইট ট্যাগ বসিয়ে নদীতে অবমুক্ত করার কাজটি যৌথভাবে করেছে বন বিভাগ ও ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন)। তাদের সহযোগিতা করছে জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকনোমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (জিআইজেড)।

হাওলাদার আজাদ কবির আরও বলেন, সুন্দরবনের কুমির কোথায়, কীভাবে বিচরণ করে তা নিয়ে এর আগে বিস্তারিত কোনো গবেষণা হয়নি। আমরা প্রতি বছরই সুন্দরবনে কুমিরের কৃত্রিম প্রজনন ঘটিয়ে অবমুক্ত করে থাকি। এ পর্যন্ত বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র থেকে প্রায় ২০০ কুমির সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে তাদের গতিবিধি ও পরবর্তীতে তারা কোথায় যায় সেসব গবেষণা কখনও করা হয়নি। সে কারণেই স্যাটেলাইট ট্যাগ বসিয়ে এই গবেষণাটি করা হচ্ছে।

মন্তব্য

p
উপরে