ঘুমের ওষুধ খেয়ে আইসিইউতে সাংসদপত্নী

ঘুমের ওষুধ খেয়ে আইসিইউতে সাংসদপত্নী

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে এলিনাকে জরুরি বিভাগ থেকে প্রথমে মেডিসিন বিভাগের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় কিছুক্ষণ পরই তাকে আইসিইউতে পাঠানো হয়।

অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিনের স্ত্রী এলিনা আক্তার পলি। তবে কী কারণে তিনি অতিরিক্ত ঘুমের বড়ি খেয়েছেন সেটি জানা যায়নি।

এলিনাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিউ) ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল।

সাংসদ আয়েন উদ্দিন রাজশাহী শহরের গ্রেটার রোড কাদিরগঞ্জ এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে এলিনাকে জরুরি বিভাগ থেকে প্রথমে মেডিসিন বিভাগের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থা ভালো না থাকায় কিছুক্ষণ পরই তাকে আইসিইউতে পাঠানো হয়।

আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আইসিইউতে যখন আছেন, তখন শারীরিক অবস্থা ভালো বলতে পারি না। রাতের মতোই তার অবস্থা স্থিতিশীল।’

সাংসদপত্নী কতটি ঘুমের বড়ি খেয়েছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা তো তার ব্যক্তিগত তথ্য। আমি এটা এভাবে গণমাধ্যমকে জানাতে পারি না।’

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে আইসিইউর সামনে মেঝেতে শুয়ে ছিলেন এলিনার ভাই আবুল কালাম আজাদ। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তিনি কথা বলতে চাননি। পরে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন।

সাংসদ আয়েন উদ্দিন ফোন না ধরার কারণে তার কাছ থেকেও কিছু জানা যায়নি।

আর এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মণ।

আরও পড়ুন:
এবার দোকানিদের জন্য রাবি প্রশাসনের ‘সান্ধ্য’ আইন
পরিযায়ীর ডাকে জেগেছে রাবি ক্যাম্পাস
ডাস্টবিনে নয়, যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ
জিয়া হলের ৫টি রুমে তালা ঝোলাল কে
জোহা হলে ‘জোহা হল কথা কয়’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আ.লীগ কর্মী হত্যা মামলার আসামির হাতে নৌকা

আ.লীগ কর্মী হত্যা মামলার আসামির হাতে নৌকা

হত্যা মামলার আসামি হয়েও চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন পারভেজ দেওয়ান। ছবি: নিউজবাংলা

পাথালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘উনি মার্ডার কেসের প্রধান আসামি। তারে কীভাবে নমিনেশন দিছে সেটা উপরেই জানে। আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম। কারণ একটা পরিবর্তন আসলে আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী হতো। এতে আমাদের তৃণমূলের যে ভরসা সেটা প্রতিফলিত হয়নি। আমরা হতাশ।’

ঢাকার সাভারে আওয়ামী লীগ কর্মীকে হত্যা মামলার আসামি ইউপির চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় ক্ষুব্ধ তৃণমুলের নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, নৌকার মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে তাদের মতামতের মূল্যায়ন করা হয়নি।

নৌকা পাওয়া পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী পারভেজ দেওয়ানের দাবি, ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলায় তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে আছে, ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ তৎকালীন চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ানের নির্দেশে আশুলিয়ার নয়ারহাট বাজারে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী আব্দুর রহিমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে নিহতের ভাই যুবলীগ নেতা সুমন পন্ডি ২৭ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ইউপি নির্বাচনে দ্বন্দের জেরে আব্দুর রহিমকে হত্যার নির্দেশ দেন পারভেজ। পুলিশের দেয়া অভিযোগপত্রে প্রধান আসামি পারভেজসহ ছয় আসামিকে বাদ দেয়া হয়। সবশেষ সিআইডির তদন্তে পারভেজসহ সব আসামিকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

মামলার বাদী সুমন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার ভাই পাথালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। নির্বাচনে তৎকালীন চেয়ারম্যান পারভেজ চেয়ারম্যানের প্রতিপক্ষকে সমর্থন করতেন তিনি। নির্বাচনে জেতার চার-পাঁচ মাস পর চেয়ারম্যানের লোকজন দিনেদুপুরে আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে।

‘তার (পারভেজের) হুকুমেই আমার ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করলেও হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত হয়। এরপর রহস্যজনকভাবে পুলিশ আমার স্বাক্ষর ছাড়াই গোপনে প্রধান আসামি চেয়ারম্যানসহ ৬ আসামিকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেয়। পরে আদালতে আপত্তি জানালে সিআইডি দেড় মাস তদন্ত করে চেয়ারম্যানসহ ১৩ আসামিকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়।’

পারভেজ একটি হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় ক্ষুব্ধ পাথালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ হাওলাদার।

তিনি বলেন, ‘উনি মার্ডার কেসের প্রধান আসামি। তারে কীভাবে নমিনেশন দিছে সেটা উপরেই জানে। আমরা পরিবর্তন চেয়েছিলাম। কারণ একটা পরিবর্তন আসলে আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী হতো। এতে আমাদের তৃণমূলের যে ভরসা সেটা প্রতিফলিত হয়নি। আমরা হতাশ।’

৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘যাকে মেরে ফেলা হয়েছে উনি আওয়ামী লীগের সবচেয়ে সক্রিয় সদস্য ছিল। আবারও উনি (পারভেজ দেওয়ান) ওইরকম পায়তারা করতেছে। হুমকি-ধামকি দিতেছে। আবারও কর্মীদের উপর আক্রমণ করার চেষ্টা করতেছে। উনি নৌকা পাওয়াতে আমরা আতঙ্কিত।

‘আওয়ামী লীগের মতো এতো সুসংগঠিত দলের উপর কেন জানি এখন ঘৃণা চলে আসছে। তিনি তিনবারের চেয়ারম্যান হয়েও একটা নিজস্ব ইউনিয়ন পরিষদ ভবন করতে পারেননি। এখনও ভাড়া ভবনে চলছে সব কার্যক্রম। উনি নির্বাচনে আসলে বিপুল ভোটে পরাজিত হবে।’

নৌকা পাওয়ার বিষয়ে পারভেজ দেওয়ান বলেন, ‘মিথ্যা মার্ডার মামলায় থানা থেকে আমারে অব্যাহতি দিছে। তারপর তারা (বাদীপক্ষ) নারাজি দিলে মামলা ডিবিতে দিছে। ওখান থাইকাও আমারে অব্যাহতি দিছে। বরং তারা সিআইডির সঙ্গে আঁতাত করে একমাসের মধ্যে তদন্ত না করে আমার বিরুদ্ধে চার্জশিট করাইছে।

‘আমার মনে হয়, পুলিশ ডিপার্টমেন্টের আইজি ও প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত পাথালিয়া ইউনিয়নের পুঙ্খানুপুঙ্খ রিপোর্ট চলে গেছে। নির্বাচনে যাতে আমার উপর প্রভাব পড়ে এজন্য মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়েছে। যেটা সবাই জানে।’

মনোনয়ন প্রক্রিয়ার বিষয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য বেনজির আহমেদ বলেন, ‘আমার যেটা ধারণা, মনোনয়ন বোর্ডের নজরে এটা হয়ত আসে নাই। উনারা হয়ত জানেন না। কারণ এটা সাধারণত ইউনিয়ন থেকে উপজেলা তারপর জেলা। ইউনিয়ন থেকে যেভাবে আসছে তাতে এরকম কোনো কিছু আমরা পাই নাই। এটা আমাদের নলেজে দেয়া হয়নি। যদি কেউ জানাইতো তাহলে হয়তো আমরা কেন্দ্রে জানাইতে পারতাম।’

দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান বলেন, ‘এটাতো কাজ করছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। সেখানে অনুমোদন দিছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এখানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সংসদ সদস্যদের কোনো ভূমিকা নাই। এটা পার্লামেন্টারি বোর্ডের সিদ্ধান্ত। এখানে আমার কোনো কমেন্ট না করাই ভালো। সর্বোচ্চ জায়গা থেকে সিদ্ধান্ত হইছে। ওনারা যাচাইবাছাই করেই সিদ্ধান্ত দিছেন।’

আরও পড়ুন:
এবার দোকানিদের জন্য রাবি প্রশাসনের ‘সান্ধ্য’ আইন
পরিযায়ীর ডাকে জেগেছে রাবি ক্যাম্পাস
ডাস্টবিনে নয়, যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ
জিয়া হলের ৫টি রুমে তালা ঝোলাল কে
জোহা হলে ‘জোহা হল কথা কয়’

শেয়ার করুন

বিকাশ কর্মকর্তাকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই

বিকাশ কর্মকর্তাকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই

শিবচরে বিকাশের কর্মকর্তা মাহবুব রহমানকে কুপিয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে ছিনতাইকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা

শিবচর বিকাশ অফিসের ম্যানেজার পারভেজ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কর্মী মাহবুবকে কুপিয়ে আহত করে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুটে নিয়েছে ছিনতাইকারী চক্র। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাহবুবের কাছ থেকে পাওয়া ছিনতাইকারীদের মোটরসাইকেলের নম্বর কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।’

মাদারীপুরের শিবচরে বিকাশের কর্মকর্তা মাহবুব রহমানকে কুপিয়ে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে ছিনতাইকারীরা।

উপজেলার দক্ষিণ বহেরাতলা ইউনিয়নের সিংগাপুর মোড়ে রোববার বেলা ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

শিবচর বিকাশ অফিস জানায়, বিকাশের সেলস অফিসার মাহবুব রহমান সকালে বহেরাতলা রুটে কাজে বের হন। বেলা ২টার দিকে তিনি উপজেলার বাঁশকান্দি ইউনিয়নের সাহেবের হাট থেকে মোটরসাইকেলে দক্ষিণ বহেরাতলা ইউনিয়নের সিংগাপুর মোড়ে যাচ্ছিলেন।

পথে একটি ইঞ্জিনচালিত ভ্যান তার গতিরোধ করে। এ সময় পেছন থেকে মোটরসাইকেলে দুজন এসে মাহবুবকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ব্যাগে থাকা সাড়ে ৩ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় এক ব্যক্তি মাহবুবকে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

শিবচর বিকাশ অফিসের ম্যানেজার পারভেজ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কর্মী মাহবুবকে কুপিয়ে আহত করে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুটে নিয়েছে ছিনতাইকারী চক্র। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মাহবুবের কাছ থেকে পাওয়া ছিনতাইকারীদের মোটরসাইকেলের নম্বর কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।’

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ব্যাপারে বিকাশের পক্ষ থেকে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
এবার দোকানিদের জন্য রাবি প্রশাসনের ‘সান্ধ্য’ আইন
পরিযায়ীর ডাকে জেগেছে রাবি ক্যাম্পাস
ডাস্টবিনে নয়, যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ
জিয়া হলের ৫টি রুমে তালা ঝোলাল কে
জোহা হলে ‘জোহা হল কথা কয়’

শেয়ার করুন

উপবৃত্তির টাকা দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা

উপবৃত্তির টাকা দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণা

বড়সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ। ছবি: নিউজবাংলা

কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তিতুদহ হুলিয়ামারি গ্রামের রাজিয়া খাতুনের মোবাইল নম্বরে গত বৃহস্পতিবার ফোন দেয়া প্রতারকচক্র। শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই ফোনে উপবৃত্তির ৫০ হাজার টাকা দেয়ার কথা বলে বিকাশের মাধ্যমে সাড়ে ২৩ হাজার টাকা পাঠাতে বলা হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর ‍উপজেলার একটি কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও যশোর বোর্ডের কর্মকর্তা পরিচয়ে উপবৃত্তির টাকা দেয়ার কথা বলে বিকাশে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত কয়েক দিনে বড়সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজ নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীকে প্রতারকচক্র ফোন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার। এর মধ্যে কয়েকজন তাদের ফাঁদে পা দিয়ে বড় অংকের টাকা খুইয়েছেন।

কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তিতুদহ হুলিয়ামারি গ্রামের রাজিয়া খাতুনের মোবাইল নম্বরে গত বৃহস্পতিবার ফোন দেয়া প্রতারকচক্র। শিক্ষা কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ওই ফোনে উপবৃত্তির ৫০ হাজার টাকা দেয়ার কথা বলে বিকাশের মাধ্যমে সাড়ে ২৩ হাজার টাকা পাঠাতে বলা হয়।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে রাজিয়ার বড় বোন সন্ধ্যা খাতুন বলেন, বেলা ১১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা পরিচয়ে ফোন দেন এক নারী। রাজিয়ার কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বড় বোন হিসেবে পরিচয় দেন।

রাজিয়া তখন কলেজে প্রি-টেস্ট পরীক্ষা দিচ্ছিল। ওই নারী তখন রাজিয়া উপবৃত্তির ৫০ হাজার টাকা পেয়েছে জানিয়ে একটি বিকাশ নম্বরে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা দিতে বলেন। পরে তিতুদহ বাজারের কাজল টেলিকমে গিয়ে তিনি ওই টাকা প্রতারকচক্রের নম্বরে বিকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, বিকাশ করা টাকা পরিশোধ না করায় তাকে সেখানে বসিয়ে রাখেন দোকানি। উপবৃত্তির টাকা আসার জন্য অপেক্ষার একপর্যায়ে তিনি দোকানিকে বললে প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন।

সন্ধ্যা বলেন, তার পরিবার দরিদ্র হওয়ায় চড়া সুদে টাকা নিয়ে দোকানিকে সেই টাকা শোধ করতে হয়েছে।

ওই ঘটনার পরদিন শুক্রবার সদর উপজেলার বড়সলুয়া গ্রামের তানিয়া আক্তারের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে সাড়ে ১৬ হাজার টাকা। সে ওই কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

বড়সলুয়া নিউ মডেল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার জানান, কলেজের প্রায় ৪০ ভাগ শিক্ষার্থীর কাছে উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে ফোন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রীতিমত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করেছেন। লিখিত নোটিশও দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া এ ধরনের ফোন পেলে নম্বরটি তাকে দিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল কবীর জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। কাজটি একটু কঠিন তবে অসম্ভব নয়।

প্রতারকচক্র কীভাবে শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বর ও পারিবারিক পরিচয় জানতে পারছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘চক্রের অনেক সদস্য এলাকাতে অবস্থান করে এসব তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। সময় ও সুযোগ বুঝে কাজ শুরু করে তারা।’

আরও পড়ুন:
এবার দোকানিদের জন্য রাবি প্রশাসনের ‘সান্ধ্য’ আইন
পরিযায়ীর ডাকে জেগেছে রাবি ক্যাম্পাস
ডাস্টবিনে নয়, যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ
জিয়া হলের ৫টি রুমে তালা ঝোলাল কে
জোহা হলে ‘জোহা হল কথা কয়’

শেয়ার করুন

মন্দির থেকে শিবলিঙ্গসহ কষ্টিপাথর চুরি

মন্দির থেকে শিবলিঙ্গসহ কষ্টিপাথর চুরি

পাবনার চাটমোহরে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দিরে চুরি হয়। ছবি: নিউজবাংলা

মন্দিরের পুরোহিত কালাচাঁদ বাগচী বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো রোববার সকালে পূজা করতে ঢুকলে মন্দিরের জানালা ভাঙা পাই। দেখি ৪টি কষ্টিপাথর, ২৯টি নারায়ণ শিলা, একটি শিবলিঙ্গ, দুটি পিতলের ও একটি কাঠের আসন খোয়া গেছে।’

পাবনার চাটমোহরে একটি মন্দির থেকে বেশ কিছু নারায়ণ শিলা পাথরসহ একটি শিবলিঙ্গ চুরি গেছে। উপজেলার হান্ডিয়াল মধ্যবাজারে অবস্থিত গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দিরে রোববার ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মন্দিরের রক্ষণাবেক্ষণকারী মৃত জীবন ঠাকুরের স্ত্রী প্রভাতী অধিকারী বলেন, ‘আমাদের বাড়ির উঠানে ব্যক্তি-উদ্যোগে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা হয়। শনিবার রাত ৮টায় মন্দিরে পাঠ কীর্তন ছিল। আরতী শেষে ভক্তরা চলে যান। রোববার ভোর ৫টার দিকে ফুল তুলতে গিয়ে মন্দিরের জানালা ভাঙা পাই।’

মন্দির থেকে শিবলিঙ্গসহ কষ্টিপাথর চুরি

মন্দিরের পুরোহিত কালাচাঁদ বাগচী বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো রোববার সকালে পূজা করতে ঢুকলে মন্দিরের জানালা ভাঙা পাই। দেখি ৪টি কষ্টিপাথর, ২৯টি নারায়ণ শিলা, একটি শিবলিঙ্গ, দুটি পিতলের ও একটি কাঠের আসন খোয়া গেছে।’

চাটমোহর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সজীব শাহরীন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার পরও প্রাথমিকভাবে আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

আরও পড়ুন:
এবার দোকানিদের জন্য রাবি প্রশাসনের ‘সান্ধ্য’ আইন
পরিযায়ীর ডাকে জেগেছে রাবি ক্যাম্পাস
ডাস্টবিনে নয়, যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ
জিয়া হলের ৫টি রুমে তালা ঝোলাল কে
জোহা হলে ‘জোহা হল কথা কয়’

শেয়ার করুন

বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার

বাবা নৌকা পাওয়ায় খুশিতে বোমা ফাটিয়ে যুবক গ্রেপ্তার

বাবা নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় ‘বোমা ফাটিয়ে উল্লাসের’ সময় গ্রেপ্তার শামিম প্রামাণিক (বামে ওপরে) ও তার সঙ্গী জালাল মণ্ডল। ছবি: নিউজবাংলা

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ জানান, বাবার নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার খবরে বন্ধুদের নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান শওকত আলী সরদারের বাড়ির পাশে হাতবোমা ফাটিয়ে উল্লাস করছিলেন শামিম।

রাজবাড়ীর পাংশায় বাবা নৌকার মনোনয়ন পাওয়ায় বোমা ফাটিয়ে আনন্দ-উল্লাস করার অভিযোগে আটক যুবক ও তার বন্ধুর নামে মামলা হয়েছে। পাংশা থানায় রোববার সকালে বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পাংশার মৌরাট ইউনিয়নের বাগদুলি বাজার থেকে বোমাসহ শনিবার রাতে আটক করা হয় বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনের নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান প্রামাণিকের ছেলে শামিম প্রামাণিককে। তার সঙ্গী জালাল মণ্ডলকেও আটক করে পুলিশ।

পাংশা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) উত্তম কুমার ঘোষ জানান, বাবার নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার খবরে বন্ধুদের নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যান শওকত আলী সরদারের বাড়ির পাশে হাতবোমা ফাটিয়ে উল্লাস করছিলেন শামিম।

খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গিয়ে তিনটি হাতবোমাসহ শামিম ও তার এক বন্ধুকে আটক করে। সেখানে বিস্ফোরিত একটি বোমার আলামতও পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হাবিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মনোনয়ন পাওয়ার খবর আমার এলাকায় জানার পর কর্মী-সমর্থকরা উল্লাস করে। এ সময় খুশিতে দুয়েকটা পটকা ফাটিয়েছে। প্রতিপক্ষের লোকজন পুলিশে খবর দিলে তারা আমার ছেলেসহ দুজনকে থানায় যায়। আমার জনপ্রিয়তা দেখে প্রতিপক্ষের লোকজন দুর্নাম রটাতে এ কাজটি করিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
এবার দোকানিদের জন্য রাবি প্রশাসনের ‘সান্ধ্য’ আইন
পরিযায়ীর ডাকে জেগেছে রাবি ক্যাম্পাস
ডাস্টবিনে নয়, যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ
জিয়া হলের ৫টি রুমে তালা ঝোলাল কে
জোহা হলে ‘জোহা হল কথা কয়’

শেয়ার করুন

হাওরে অপুষ্টিতে ভুগছে ৫২ শতাংশ শিশু

হাওরে অপুষ্টিতে ভুগছে ৫২ শতাংশ শিশু

সুনামগঞ্জের হাওরে অপুষ্টিতে ভুগছে অনেক শিশু। ছবি: নিউজবাংলা

সুনামগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্যমতে, জেলায় বর্তমান খর্বাকার রোগে ভুগছে ৫২ শতাংশ শিশু, ক্ষীণকার ১৫ শতাংশ, কম ওজন নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুর সংখ্যা ২৬ শতাংশ এবং নিরাপদ মায়ের বুকের দুধের অভাবে ভুগছে ৫৫ শতাংশ শিশু। অর্থ ও সচেতনতার অভাবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরাই বেশি অপুষ্টিতে ভুগছে।

হাওরবেষ্টিত সুনামগঞ্জ প্রাকৃতিকভাবে সমৃদ্ধ হলেও দারিদ্র্যের হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অপুষ্টিতে ভুগছে অধিকাংশ শিশু।

সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিসের সবশেষ জরিপ অনুযায়ী, জেলায় ৫২ শতাংশ শিশু অপুষ্টিজনিত রোগে আক্রান্ত। এ হারকে স্বাস্থ্য বিভাগ উচ্চতর সমস্যা বললেও পর্যাপ্ত জনবল সংকটে পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের।

অভাব-অনটনের কারণে শিশুদের জন্য আলাদা করে পুষ্টিকর খাবার জোগাড়ে ব্যর্থতা এবং সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ করছেন অভিভাবকরা।

সুনামগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্যমতে, জেলায় বর্তমান খর্বাকার রোগে ভুগছে ৫২ শতাংশ শিশু, ক্ষীণকার ১৫ শতাংশ, কম ওজন নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুর সংখ্যা ২৬ শতাংশ এবং নিরাপদ মায়ের বুকের দুধের অভাবে ভুগছে ৫৫ শতাংশ শিশু।

অর্থ ও সচেতনতার অভাবে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারের পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরাই বেশি অপুষ্টিতে ভুগছে। সুনামগঞ্জের শাল্লা, মধ্যনগর ও দোয়ারাবাজার উপজেলার শিশুরা তুলনামূলকভাবে বেশি অপুষ্টির শিকার।

দোয়ারাবাজার ও শাল্লা উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, শহরের শিশুদের তুলনায় প্রত্যন্ত এলাকার শিশুরা রোগা ও বেটে। এসব গ্রামের মানুষের ‘দিন আনি দিন খাই’ অবস্থা হওয়ায় আলাদাভাবে শিশুর বিকাশের দিকে মনোযোগ নেই অভিভাবকদের।

সুনামগঞ্জ ধান ও মাছের জন্য বিখ্যাত হলেও শাকসবজির ফলন কম। হাওরে জেলেদের জালে ছোট-বড় দেশি পুষ্টিকর মাছ উঠলেও সেই মাছ সন্তানদের না খাইয়ে বাজারে বিক্রি করে বাড়িতে নিয়ে যান পাঙাশ মাছ।

এ অঞ্চলের মানুষের অভিযোগ, সরকারিভাবে শিশুদের টিকাদান ও ভিটামিন ক্যাপসুল খাওয়ানো ছাড়া আর কোনো কার্যক্রম নেই।

হাওরে অপুষ্টিতে ভুগছে ৫২ শতাংশ শিশু
সুনামগঞ্জের হাওরে অপুষ্টিতে ভুগছে অনেক শিশু। ছবি: নিউজবাংলা

শাল্লা উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের আছিয়া বেগম বলেন, ‘আমার চার সন্তানের সবাই বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকে। ডাক্তার দেখাই কিন্তু ভালা কিচ্ছু কিনিয়া বাচ্চাগুনতে মুখও দেয়ার মুরদ নাই আমরার, আলু আর পাঙাশ মাছ ইটা দিয়াই চলরাম আমরা। যেদিন তাইনের একটু ভালা ইনকাম হয়, তে একদিন মাংস খাইলায়। কিন্তু বাজারও যে জিনিসের দাম বাড়ছে এখন তিনবেলা কোনো রকম খাইয়া বাছিয়া আছি।’

একই গ্রামের কৃষক জয়ন্ত দাস বলেন, ‘ছেলেমেয়েরে কিতা খাওয়াইতাম বাজারও যে জিনিসের দাম আগুন, এখন ধান লাগানিত গেলেও টাকা লাগব বেশি, আমরা কিতা করতাম, যা নিজে খাই তাই ছেলেরারে খাওয়াই, সরকার যদি আমরারে একটু দেখে তাইলে ভালা অইতো।’

দোয়ারাবাজারের আমবাড়ী এলাকার শিল্পী বেগম বলেন, ‘বাজারও নতুন নতুন সবজি আইছে, কিন্তু যে আগুন দাম ইতা কিনিয়া আনিয়া খাওয়ানি যাইত না। স্বাস্থ্যকর্মীরা আয় তারা টিকা আর ভিটামিন ট্যাবলেট দেয়, ইটাই শেষ আর কিচ্ছু করে না। যা কইবার মুখে কয়, কিন্তু গরিবের কথা শুনিয়া লাভ নাই, যদি পারে সাহায্য করতে পারে।’

বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান) সুনামগঞ্জের সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘আমরা হাওর এলাকার কৃষক-জেলে থেকে শুরু করে সব শ্রেণির মানুষকে ফসল ও শাকসবজি উৎপাদন এবং এসবের ভিটামিন সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছি। তারা প্রশিক্ষণ অনুযায়ী জীবনযাপন করলে পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা মিটিয়ে অবশিষ্ট ফসল বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন।’

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, ‘হাওরের প্রান্তিক পর্যায়ের শিশুরাই পুষ্টিহীনতায় বেশি ভুগছে, তাদের তুলনায় শহরকেন্দ্রিক বসবাস করা শিশুরা ভালো আছে।

‘হাওরের মায়েদেরও কিছুটা দায়সারা ভাব রয়েছে। এমনও দেখা যায়, পুষ্টিকর মাছ ধরে বিক্রি করে তারা চাল, ডাল, আলু আর পাঙাশ মাছ নিয়ে যাচ্ছেন। এখানে সব মানুষের খাবারে বৈচিত্র্যের অভাব রয়েছে। এক জরিপে দেখা গেছে, সুনামগঞ্জের ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ পরিবার দৈনিক ব্যবহারের জন্য শুধু প্রধান খাদ্য কেনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কিছু করার নেই, এখানে আমি একাই কাজ করি। বাকি পদগুলো শূন্য রয়েছে। একা সবদিক কীভাবে দেখব। তবে প্রায় সময়ই নিয়োগের জন্য বলি, ফল হয় না।’

সুনামগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. শামস উদ্দিন বলেন, ‘জেলার প্রতিটি ওয়ার্ডেই পুষ্টিবিষয়ক কার্যক্রম চালু আছে। মা সমাবেশসহ নানা প্রচারণা চালানো হয়। তবে আলাদাভাবে আমাদের হাতে কোনো প্রকল্প নেই।’

আরও পড়ুন:
এবার দোকানিদের জন্য রাবি প্রশাসনের ‘সান্ধ্য’ আইন
পরিযায়ীর ডাকে জেগেছে রাবি ক্যাম্পাস
ডাস্টবিনে নয়, যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ
জিয়া হলের ৫টি রুমে তালা ঝোলাল কে
জোহা হলে ‘জোহা হল কথা কয়’

শেয়ার করুন

ট্রাকচাপায় চাতাল কলের শ্রমিক নিহত

ট্রাকচাপায় চাতাল কলের শ্রমিক নিহত

বালিজুরি অফিসপাড়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রীবরদী থানার ওসি জানান, বিকেল ৪টার দিকে বালিজুরি অফিসপাড়া এলাকায় একটি সেতুর ওপর মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় ট্রাক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আলমের। আহত জিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।   

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ট্রাকচাপায় নিহত হয়েছেন এক মোটরসাইকেলচালক। আহত হয়েছেন যানটিতে থাকা এক আরোহী।

বালিজুড়ি অফিসপাড়ায় রোববার বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম আলম মিয়া। ৩০ বছরের আলমের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলায়। আহত ২৮ বছরের মো. জিয়ার বাড়ি দিনাজপুরে। তিনি ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।

দুজনেই ঝিনাইগাতী উপজেলার তিনানী এলাকার একটি চাতাল কলের শ্রমিক।

এসব নিশ্চিত করেছেন শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তিনি জানান, বিকেল ৪টার দিকে বালিজুরি অফিসপাড়া এলাকায় একটি সেতুর ওপর মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় ট্রাক। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আলমের। আহত জিয়াকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

ওসি আরও জানান, স্থানীয়রা ট্রাকটিকে আটক করলেও পালিয়ে গেছেন চালক ও সহকারী। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
এবার দোকানিদের জন্য রাবি প্রশাসনের ‘সান্ধ্য’ আইন
পরিযায়ীর ডাকে জেগেছে রাবি ক্যাম্পাস
ডাস্টবিনে নয়, যত্রতত্র আবর্জনার স্তূপ
জিয়া হলের ৫টি রুমে তালা ঝোলাল কে
জোহা হলে ‘জোহা হল কথা কয়’

শেয়ার করুন