বিএসএফের দাবি, সীমান্তে গুলির ঘটনা কমেছে

বিএসএফের দাবি, সীমান্তে গুলির ঘটনা কমেছে

ফাইল ছবি

বিএসএফের এডিজি ওয়াই বি খুরানিয়া বলেন, ‘তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত ও আটক ছাড়া অন্য কোনো বাড়তি ক্ষমতা বিএসএফের নেই। কেবল দায়িত্বের এলাকা ১৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার করা হয়েছে।’

সীমান্তে গুলি চালানোর ঘটনা অনেক কমে এসেছে বলে দাবি করেছে ভারতের সীমান্ত রক্ষাবাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স-বিএসএফ। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য নয়।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় মঙ্গলবার বিএসএফের কাজের এখতিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আনা প্রস্তাব পাস হওয়ার পরদিন বুধবার বিএসএফের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

লর্ড সিনহা রোডে বিএসএফের কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে বিএসএফের এডিজি ওয়াই বি খুরানিয়া বলেন, ‘তল্লাশি, বাজেয়াপ্ত ও আটক ছাড়া অন্য কোনো বাড়তি ক্ষমতা বিএসএফের নেই। তদন্ত, এফআইআর করার ক্ষমতা রাজ্য পুলিশের হাতেই থাকছে। বিএসএফের ক্ষমতা খুবই সীমিত। নতুন বিজ্ঞপ্তির জন্য কেবল এলাকার সীমা ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার হয়েছে। আগের মতোই পুলিশের সাহায্য নিয়ে কাজ করবে বিএসএফ।’

সীমান্তে জওয়ানদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে বিএসএফের এডিজি দাবি করেন, ‘রাজ্য সরকারের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে। রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখেই আমরা কাজ করি। আর ইদানীং সীমান্তে গুলি চালানোর ঘটনা অনেক কমেছে।’

ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ‌অসম, পাঞ্জাব ও পশ্চিমবঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে দেশের ভূখণ্ডে ১৫ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিএসএফের কাজের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। পাঞ্জাবের মতো পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলও এর বিরোধিতায় সরব হয়েছে।

বিরোধীদের অভিযোগ, কেন্দ্রের মোদি সরকার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার নামে রাজ্যে সরকারের এখতিয়ারে হস্তক্ষেপ করে ঘুরপথে ক্ষমতা ভোগ করতে চাইছে।

বিএসএফের এডিজি খুরানিয়া বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বিএসএফের কাজ নয়। আমাদের কাজ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকানো।’

আরও পড়ুন:
বিএসএফ মানুষ মেরে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে দেয়: তৃণমূল বিধায়ক
হামলা থেকে বাঁচতে গুলি করার দাবি বিএসএফের
সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানোয় তৃণমূলের প্রতিবাদ
বিজিবির কাছে বিএসএফের ক্ষমাপ্রার্থনা
স্থাপনা সরাতে বিএসএফকে বাধ্য করল বিজিবি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অর্থনৈতিক সংকটেও বিপুল বেতন নিচ্ছেন তালেবান নেতারা

অর্থনৈতিক সংকটেও বিপুল বেতন নিচ্ছেন তালেবান নেতারা

আগে থেকেই বিদেশি সহায়তানির্ভর আফগানিস্তান তালেবানের শাসনে অর্থনৈতিকভাবে আরও কোণঠাসা হয়েছে পড়েছে। ফাইল ছবি/এএফপি

অর্থ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়ালি হাকমাল বলেন, ‘আগের সরকারের বেতন স্কেল অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক। একেক বিভাগে একেক রকম বেতন। এর বদল হওয়া দরকার।’

আফগানিস্তানে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও বেতন হিসেবে বিপুল পরিমাণ টাকা নিচ্ছেন শীর্ষ তালেবান নেতারা। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানে সবার চেয়ে বেশি বেতন নেন তালেবানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোল্লা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা।

রোববার আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম টোলোনিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়েছে, বেতন হিসেবে মাসে ২ লাখ ২৮ হাজার ৭৫০ আফগানি নেন হিবাতুল্লাহ।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, আফগানিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বেতন ১ লাখ ৯৮ হাজার আফগানি, মন্ত্রীদের বেতন ১ লাখ ৩৭ হাজার আফগানি এবং প্রাদেশিক গভর্নরদের বেতন ৯৭ হাজার ৫০০ আফগানি।

এছাড়া প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের বেতন ২৫ হাজার ২০০ আফগানি থেকে ৩০ হাজার ৫০০ আফগানি এবং দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তাদের বেতন ১৬ হাজার ৬০০ আফগানি থেকে সর্বনিম্ন ২ হাজার ৬০০ আফগানি।

এর আগে শনিবার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বেতন কমানোর কথা জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়ালি হাকমাল বলেন, ‘আগের সরকারের বেতন স্কেল অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক। একেক বিভাগে একেক রকম বেতন। এর বদল হওয়া দরকার।’

চলতি বছরের আগস্টে তালেবান দেশের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তার আগে থেকেই সরকারি বিভিন্ন খাতে বেতন পরিশোধ অনিয়মিত হয়ে পড়েছিল বলে জানিয়েছেন অনেক কর্মী।

তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে গচ্ছিত শতকোটি ডলার অর্থ জব্দ করেছে আমেরিকান ও ইউরোপিয়ান প্রশাসন। বিদেশি সহায়তানির্ভর আফগানিস্তানের জন্য বরাদ্দ বিপুল অঙ্কের অনুদান বাতিল করেছে পশ্চিমা বিশ্ব।

আফগানিস্তানের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পরিশোধে তালেবানশাসিত সরকারকে সরাসরি অর্থ সহায়তা দিতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছে বিভিন্ন দেশ। তহবিল স্থগিত করেছে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও।

এমন পরিস্থিতিতে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে প্রায় তিন মাস পরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেয়া শুরু করেছে তালেবান সরকার।

আরও পড়ুন:
বিএসএফ মানুষ মেরে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে দেয়: তৃণমূল বিধায়ক
হামলা থেকে বাঁচতে গুলি করার দাবি বিএসএফের
সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানোয় তৃণমূলের প্রতিবাদ
বিজিবির কাছে বিএসএফের ক্ষমাপ্রার্থনা
স্থাপনা সরাতে বিএসএফকে বাধ্য করল বিজিবি

শেয়ার করুন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সিপিডির আন্তর্জাতিক সম্মেলন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সিপিডির আন্তর্জাতিক সম্মেলন

সোমবার ভার্চুয়ালি এই সম্মেলন শুরু হয়ে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে রোববার অনলাইনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে সিপিডি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

সোমবার ভার্চুয়ালি এই সম্মেলন শুরু হয়ে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে রোববার অনলাইনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে সিপিডি।

সম্মেলনে গত ৫০ বছরে রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক খাতে দেশের অর্জনের পাশাপাশি কোথায় কী ধরনের দুর্বলতা রয়েছে, তা তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে আগামী ৫০ বছরের করণীয় বিষয়েও পরামর্শ তুলে ধরবেন বিভিন্ন খাতের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা।

সম্মেলনের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড. রওনক জাহান বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর বাংলাদেশের জন্য বিশেষ সময়। ইতিমধ্যে দেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আবার অনেক কিছু হওয়ার সুযোগ থাকলেও তা হয়নি। সামনের দিনগুলোয় অনেক সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ’এ জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনে অর্জন তুলে ধরা হবে। রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনীতি আরও এগোনোর জন্য কী করণীয় তাও তুলে ধরা হবে।’ অতীতে কোথায় ভুল হয়েছে এবং আগামীতে যাতে সুষ্ঠু পরিকল্পনা নেয়া যায়, সে বিষয়ে সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা তাদের মতামত দেবেন বলে জানান রওনক জাহান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্মেলনের শিরোনাম করা হয়েছে ’বাংলাদেশের ৫০ বছর: অতীতের দিকে দৃষ্টিপাত ও সম্ভাবনা।’ সম্মেলনের চার দিনে আটটি পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী পর্বের বাইরে সাতটি বিষয়ে আলাদা আলাদা আলোচনা হবে।

যেসব বিষয়ে আলোচনা হবে সেগুলো হলো- রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনীতি, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সামাজিক পরিবর্তন, সংস্কৃতি, উন্নয়ন ব্যয় ও চ্যালেঞ্জ এবং পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশ। এসব পর্বে ১৯টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। এতে বক্তব্য দেবেন বিভিন্ন খাতের দেশি-বিদেশি ৪৬ জন বিশেষজ্ঞ। এক হাজার লোক এতে অংশ নেবেন। সম্মেলনে উপস্থাপিত প্রবন্ধগুলোকে সম্পাদনা করে একটি প্রকাশনাও প্রকাশ করা হবে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ’স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মতো সময় যে কোনো দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্য সেটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক খাতে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ’এ রকম পরিস্থিতিতে সিপিডি চাচ্ছে আগামী ৫০ বছরে দেশের লক্ষ্যগুলো কেমন হওয়া উচিত, কীভাবে সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে সে বিষয়ে ধারণা দিতে।’

সিপিডির বোর্ড ট্রাস্টিজের সদস্য সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইদুজ্জামান, সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এ সময় অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বিএসএফ মানুষ মেরে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে দেয়: তৃণমূল বিধায়ক
হামলা থেকে বাঁচতে গুলি করার দাবি বিএসএফের
সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানোয় তৃণমূলের প্রতিবাদ
বিজিবির কাছে বিএসএফের ক্ষমাপ্রার্থনা
স্থাপনা সরাতে বিএসএফকে বাধ্য করল বিজিবি

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২২ এর লোগো উন্মোচন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২২ এর লোগো উন্মোচন

কুর্মিটোলা গল্ফ ক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২২ এর লোগো উন্মোচন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী। ছবি: আইএসপিআর

রোববার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২২ এর লগো উন্মোচনের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। কুর্মিটোলা গল্ফ ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২২ এর লোগো উন্মোচন করা হয়।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

রোববার লগো উন্মোচনের মাধ্যমে এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

কুর্মিটোলা গল্ফ ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২২ এর লোগো উন্মোচন করা হয়। অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২০২২ এর লোগো উন্মোচন করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর আইএসপিআর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
বিএসএফ মানুষ মেরে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে দেয়: তৃণমূল বিধায়ক
হামলা থেকে বাঁচতে গুলি করার দাবি বিএসএফের
সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানোয় তৃণমূলের প্রতিবাদ
বিজিবির কাছে বিএসএফের ক্ষমাপ্রার্থনা
স্থাপনা সরাতে বিএসএফকে বাধ্য করল বিজিবি

শেয়ার করুন

মেয়েকে ‘উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায়’ বাবার ওপর হামলা

মেয়েকে ‘উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায়’ বাবার ওপর হামলা

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় দুর্বৃত্তের হামলায় আহত হন এক স্কুলছাত্রীর বাবা। ছবি: নিউজবাংলা

আহত ব্যক্তির বন্ধু মো. রুপম জানান, মেয়েকে আর উত্ত্যক্ত করলে মামলা দেয়া হবে বলায় রাতুল ওই ব্যক্তির ওপর হামলা চালায়।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় তার বাবার ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভেড়ামারার নওদাপাড়া এলাকায় রোববার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে।

হামলায় আহত ব্যক্তি ওই এলাকার একটি কাপড়ের দোকানের মালিক।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ নিয়ে থানায় গিয়েছেন আহত ব্যক্তির বন্ধু মো. রুপম।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রায় তিন মাস ধরে প্রতিবেশী রাতুল আমার বন্ধুর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। বিষয়টি তার পরিবারকেও জানানো হয়েছে। আজ রোববার সকালে মেয়ের খালুর মোবাইলে কল দিয়ে ওই ছেলে মেয়েকে ফোনটি দিতে বলেন। ফোন না দিলে বিপদ হবে বলে হুমকি দেন। ঘটনা শুনে আমার বন্ধু রাতুলের বাড়িতে যান। রাতুলকে জানান যে মেয়েকে আর বিরক্ত করলে মামলা দেবেন।

‘এরপর সন্ধ্যায় আমার বন্ধু দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাতুল ও তার কয়েকজন বন্ধু রামদা ও রড নিয়ে তার দিকে তেড়ে আসে। আমার বন্ধু দৌড়ে পালাতে গেলে তাকে ধাওয়া করে কুপিয়ে তারা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে পরে একটি ক্লিনিকে নেয়া হয়। এখনও আমার বন্ধুর জ্ঞান ফেরেনি।’

থানার ওসি মজিবর রহমান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে রাতুল বা তার পরিবারের কারও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
বিএসএফ মানুষ মেরে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে দেয়: তৃণমূল বিধায়ক
হামলা থেকে বাঁচতে গুলি করার দাবি বিএসএফের
সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানোয় তৃণমূলের প্রতিবাদ
বিজিবির কাছে বিএসএফের ক্ষমাপ্রার্থনা
স্থাপনা সরাতে বিএসএফকে বাধ্য করল বিজিবি

শেয়ার করুন

বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রকল্প ঋণ চান অর্থমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রকল্প ঋণ চান অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রচলিত নিয়মে প্রকল্পের বিপরীতে ঋণ দেয়ার কারণে অনেক সময় দেখা যায় প্রকল্প প্রস্তুত থাকে না। সেগুলো প্রস্তুত করতে অনেক কালক্ষেপণ হয়।’

উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাজেট সহায়তার আওতায় প্রকল্পে ঋণ দেয়ার জন্য বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। একই সঙ্গে বাজেট সহায়তা হিসেবে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত ৫০ কোটি ডলার দ্রুত ছাড়ের কথাও বলেন তিনি।

রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠকে এ অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রী।

বৈঠকে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মিজ ফাতিমা ইয়াসমিনসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিতি ছিলেন। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংস্থার দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শেফার।

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিজ মার্সি মিয়াং টেম্বন, বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) মিজ যৌবিদা খেরুস আলাউয়া প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রচলিত নিয়মে প্রকল্পের বিপরীতে ঋণ দেয়ার কারণে অনেক সময় দেখা যায় প্রকল্প প্রস্তুত থাকে না। সেগুলো প্রস্তুত করতে অনেক কালক্ষেপণ হয়।’
এই মন্থর গতি থেকে উত্তরণের জন্য অর্থমন্ত্রী বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করেন যাতে বাজেট সাপোর্ট আকারে প্রকল্প ঋণ দেয়া হয়।

তিনি জানান, এটা করা হলে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেসব প্রকল্প প্রস্তুত আছে সেসব প্রকল্পের জন্য অর্থ ছাড় করা সম্ভব হবে এবং প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত হবে।

ইআরডির কর্মকর্তারা বলেন, বিশ্বব্যাংক বাজেট সহায়তার আওতায় এবং প্রকল্পের বিপরীতে ঋণ দিয়ে থাকে বাংলাদেশকে। প্রকল্পে ঋণ পেতে নানা জটিলতা ও শর্ত থাকে। যে কারণে অর্থছাড়ে দেরি হয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন ধীরগতি হয়। অন্যদিকে বাজেট সাপোর্ট বা সহায়তার ঋণের শর্ত সহজ থাকে এবং দ্রুত টাকা ছাড় হয়। এই টাকা সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নসহ যেকানো খাতে ব্যয় করতে পারে।

করোনা মহামারির কারণে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমবাজার, আর্থিক ও সামাজিক খাত সচল রাখার লক্ষ্যে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের ‘প্রোগামেটিক রিকভারি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট’- প্রকল্পের আওতায় ৫০ কোটি ডলার সমপরিমাণ ৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বাজেট সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থাটি। এই টাকা দ্রুত ছাড় করণের জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদের অনুরোধ জানান অর্থমন্ত্রী।

বিশ্বব্যাংক উল্লিখিত প্রকল্পের অগ্রগতি জানতে চায়। জবাবে অর্থসচিব আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, শর্তাবলির অধিকাংশই ইতোমধ্যে পূরণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট শর্তাবলিও সহসাই পূরণ করা সম্ভব হবে।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির গতিধারা তুলে ধরেন। বলেন, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ভিত যথেষ্ট মজবুত রয়েছে।

মুস্তফা কামাল আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে কোভিড-১৯ মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি। এর জন্য সবচেয়ে বড় কৃতিত্বের দাবিদার দেশের সাধারণ মানুষ, যারা অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে।’

বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শ্যেফার কোভিড-১৯ থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো করছে এবং কোভিড মোকাবিলা করে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও চলমান অনেক প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।’ পাইপ লাইনে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণ দ্রুত ছাড় করার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদের অনুরোধ জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বিএসএফ মানুষ মেরে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে দেয়: তৃণমূল বিধায়ক
হামলা থেকে বাঁচতে গুলি করার দাবি বিএসএফের
সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানোয় তৃণমূলের প্রতিবাদ
বিজিবির কাছে বিএসএফের ক্ষমাপ্রার্থনা
স্থাপনা সরাতে বিএসএফকে বাধ্য করল বিজিবি

শেয়ার করুন

স্বাস্থ্য সচিব ও ডিজির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

স্বাস্থ্য সচিব ও ডিজির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

ফাইল ছবি

আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না দেয়ায় দুজন অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার রুল জারি করে হাইকোর্ট।

আদালতের নির্দেশ না মানায় স্বাস্থ্য সচিব ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ কেন আনা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আবেদনের শুনানিতে এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. মো. ইউনুছ আলী আকন্দ।

পরে তিনি জানান, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও চাকরি না দেয়ায় দুজন অভিযোগ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার রুল জারি করে হাইকোর্ট।

জানা গেছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে স্বাস্থ্য বিভাগে এমএলএসএস পদে শারমিন সুলতানা আঁখি ও স্বাস্থ্য সহকারী পদে আয়েশা সিদ্দিকাকে আদালতের নির্দেশে নিয়োগ না দেয়ায় আদালত অবমাননার অভিযোগে হাইকোর্টে অভিযোগ করা হয়।

আরও পড়ুন:
বিএসএফ মানুষ মেরে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে দেয়: তৃণমূল বিধায়ক
হামলা থেকে বাঁচতে গুলি করার দাবি বিএসএফের
সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানোয় তৃণমূলের প্রতিবাদ
বিজিবির কাছে বিএসএফের ক্ষমাপ্রার্থনা
স্থাপনা সরাতে বিএসএফকে বাধ্য করল বিজিবি

শেয়ার করুন

নৌকার সেই প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরের মামলা থেকে খালাস পাওয়া

নৌকার সেই প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরের মামলা থেকে খালাস পাওয়া

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৬ সালে হওয়া মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ওই বছরের ১৯ নভেম্বর টিকিকাটা ইউনিয়নের বাইশকুড়া বাজারের একটি ক্লাবে স্থানীয় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রুবেল আকনকে মারধর ও ক্লাবে ভাঙচুর চালানো হয়। ওই সময় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করা হয়। সে ঘটনায় আহত ছাত্রলীগ নেতা আকনের বাবার করা মামলায় প্রধান আসামি করা হয় রিপনকে।

পিরোজপুর মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নৌকা পাওয়া প্রার্থী বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর মামলার প্রধান আসামি বলে তথ্য মিলেছিল। তবে পরে জানা গেছে, আসামি হলেও তাকে পরে সেই মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দারকে নৌকা দেয়া হয়। এরপরই অভিযোগ ওঠে, তিনি ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর মামলার প্রধান আসামি।

তবে রিপন জানিয়েছেন, তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। নিউজবাংলার কাছে সেই অব্যাহতির আদেশের কপিও এসেছে।

এতে দেখা যায়, পিরোজপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. ফয়সাল ২০২০ সালের ০৬ এপ্রিল তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। অভিযোগ গঠনের মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকার কথা জানানো হয় সেই আদেশে।

২০১৬ সালে হওয়া মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ওই বছরের ১৯ নভেম্বর টিকিকাটা ইউনিয়নের বাইশকুড়া বাজারের একটি ক্লাবে স্থানীয় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রুবেল আকনকে মারধর ও ক্লাবে ভাঙচুর চালানো হয়। ওই সময় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করা হয়।

সেই ঘটনায় আহত ছাত্রলীগ নেতা আকনের বাবার করা মামলায় প্রধান আসামি করা হয় রিপনকে।

মামলায় রিপনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্রও দেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে তাতে নৌকা পাওয়া রিপনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমাণ না থাকার কথা জানানো হয়। এরপর বিচারক তা মেনে নেন।

রিপন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মঠবাড়িয়ার কিছু রাজনৈতিক নেতার ইন্ধনে তখন আমার নামে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়। আমি বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে অনেক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসি। মামলার অভিযোগ মিথ্যা হওয়ায় আদালত আমাকে প্রথম হাজিরাতেই জামিন দিয়ে দেয়। মামলা থেকে আমার নাম বাদও দেয়া হয়েছে।’

ঘটনার সময় তিনি বরিশাল ছিলেন-এমন দাবি করে তিনি বলেন, ‘স্থানীয় রাজনীতির কারণে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশরাফুর রহমানের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ওই মামলার আসামি হয়।’

তবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নৌকার মনোনয়ন পাওয়া রিপন জমাদ্দারের বিরুদ্ধে হওয়া মামলার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। লোকমুখে শুনেছি।’

আরও পড়ুন:
বিএসএফ মানুষ মেরে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে দেয়: তৃণমূল বিধায়ক
হামলা থেকে বাঁচতে গুলি করার দাবি বিএসএফের
সীমান্তে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানোয় তৃণমূলের প্রতিবাদ
বিজিবির কাছে বিএসএফের ক্ষমাপ্রার্থনা
স্থাপনা সরাতে বিএসএফকে বাধ্য করল বিজিবি

শেয়ার করুন