করোনায় আরও ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৬

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৬

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ২১৪ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৯৩৪  জনের।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২৬৬ জনের দেহে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বুধবার বিকেলে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ২১৪ জনের দেহে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ৯৩৪ জনের।

গত ২৪ ঘন্টায় ৮৩৬ টি ল্যাবে ১৯ হাজার ৬৭০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩৫।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের ২ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী। তাদের মধ্যে পঞ্চাশোর্ধ্ব ২ ও ষাটোর্ধ্ব ৪ জন।

বিভাগ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া, ঢাকা বিভাগে ২ জন এবং রাজশাহী বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। একজন বাসাতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

গত একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৫৭ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ২২৪ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহ নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সে দেশের করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছে বলে ধরা হয়।

সে অনুযায়ী বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সরকারের লক্ষ্য এই হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা।

দেশে গত বছরের মার্চে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। বছরের শেষে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এলেও চলতি বছরের এপ্রিলের আগে ফের বাড়তে শুরু করে। এর মধ্যে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়লে এপ্রিলের শুরুতে লকডাউন এবং ১ জুলাই থেকে শাটডাউন দেয় সরকার।

সংক্রমণ কমে আসার পর আগস্টের মাঝামাঝি থেকে ধীরে ধীরে সব বিধিনিষেধ তুলে নেয়া শুরু হয়। ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। করোনা সুরক্ষার অংশ হিসেবে স্কুলশিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেয়া শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
করোনা: ঢাকা ছাড়া ৭ বিভাগে মৃত্যু নেই
বস্তিতে গণটিকা শুরু
টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা
করোনা আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৪
বস্তিতে টিকাদান শুরু মঙ্গলবার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অসংক্রামক রোগ মহামারি আকারে দেখা দিচ্ছে

অসংক্রামক রোগ মহামারি আকারে দেখা দিচ্ছে

ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে নানা কারণে অসংক্রামক রোগ দেখা দিচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম তামাকের ব্যবহার। পরিবেশ দূষণ, খাদ্যে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর জীবনাচার, কায়িক শ্রমের অভাবও দায়ী।’

বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগগুলো নীরব মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এসব রোগ প্রতিরোধে বহুমুখী উদ্যোগ নিতে হবে।

বুধবার সন্ধ্যায় এক অনলাইন সেমিনারে অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

‘নীরব মহামারি অসংক্রামক রোগ: জনস্বাস্থ্য রক্ষায় করণীয়’ র্শীষক এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর এনসিডি কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (বিএনএনসিপি)।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক একেএম মহিবুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে এতে যুক্ত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে অসংক্রামক রোগগুলো নীরব মহামারি আকারে দেখা দিয়েছে। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। নানা কারণে অসংক্রামক রোগ দেখা দিচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম তামাকের ব্যবহার। এছাড়া পরিবেশ দূষণ, বায়ু দূষণ, খাদ্যে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর জীবনাচার, কায়িক শ্রমের অভাব ইত্যাদিও দায়ী।

‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার পক্ষে এই রোগগুলো প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এজন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগ দরকার।’

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক বলেন, ‘অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে আমাদেরকে বিশেষ করে তামাক নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ওপর জোর দিতে হবে। সরকারের একার পক্ষে এটা প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ নিতে হবে।’

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। অসংক্রামক রোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি তামাকের ব্যবহার কমাতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন আরও শক্তিশালী করার দাবি জানান তিনি। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান আইনে ছয়টি সংশোধনীর প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে: পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে ধূমপান এলাকা বা ডিএসএ রাখার বিধান বাতিল করা; এফসিটিসি’র আলোকে দোকানে তামাকজাত দ্রব্য প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির সিএসআর নিষিদ্ধ করা, ই-সিগারেট আমদানি, উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কের আকার র্নিধারণ করে দেয়া এবং তামাকদ্রব্যের খুচরা বিক্রি নিষিদ্ধ করা।

আরও পড়ুন:
করোনা: ঢাকা ছাড়া ৭ বিভাগে মৃত্যু নেই
বস্তিতে গণটিকা শুরু
টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা
করোনা আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৪
বস্তিতে টিকাদান শুরু মঙ্গলবার

শেয়ার করুন

ফাইজারের তিন ডোজ ‘ঠেকাবে’ ওমিক্রন

ফাইজারের তিন ডোজ ‘ঠেকাবে’ ওমিক্রন

ফাইজার ও বায়ো-এনটেকের করোনা প্রতিরোধী টিকা। ছবি: সংগৃহীত

ওমিক্রনের ওপর ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণাগারে পরীক্ষার পর প্রাপ্ত ফলের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফাইজারের টিকার দুই ডোজ নতুন ও অতিসংক্রামক ধরনটির বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারছে না। তবে তৃতীয় ডোজটি দেয়ার পরই দেখা গেছে আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রন প্রতিরোধী ক্ষমতা বেড়ে যায় ২৫ শতাংশ।

করোনা প্রতিরোধী ফাইজারের তিন ডোজ করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন রুখে দিতে সক্ষম হবে।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ফাইজার ও জার্মানির প্রতিষ্ঠান বায়ো-এনটেক যৌথ বিবৃতিতে এমনটি জানিয়েছে।

ওমিক্রনের ওপর ফাইজারের টিকার কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণাগারে পরীক্ষার পর প্রাপ্ত ফলের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ফাইজারের টিকার দুই ডোজ নতুন ও অতিসংক্রামক ধরনটির বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারছে না। তবে তৃতীয় ডোজটি দেয়ার পরই দেখা গেছে আক্রান্তের শরীরে ওমিক্রন প্রতিরোধী ক্ষমতা বেড়ে যায় ২৫ শতাংশ।

কমপক্ষে এক মাস আগে ফাইজারের তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ নেয়া ব্যক্তির রক্তের নমুনা পরীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়র আশঙ্কা অনেক কম।

ফাইজারের শীর্ষ কর্মকর্তা আলবার্ট বৌরলার বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যারা ফাইজারের প্রথম দুই ডোজ নিয়েছেন তাদের দ্রুত বুস্টার ডোজ নিয়ে নিতে হবে। এই ডোজই ওমিক্রনের বিরুদ্ধে মানব শরীরে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম।

ফাইজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুস্টার ডোজ নেয়ার পরামর্শ থাকলেও ওমিক্রন প্রতিরোধী টিকা তৈরিতে তাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই প্রতিবেদনের সঙ্গে সাউথ আফ্রিকায় করোনা গবেষণা সংস্থা আফ্রিকা হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষকদের দেয়া তথ্যের অনেক মিল রয়েছে। সাউথ আফ্রিকার গবেষকরা জানিয়েছেন, ‘করোনার প্রথম দুই ডোজের প্রতিরোধ শক্তিকে ওমিক্রন এড়িয়ে যেতে পারলেও তৃতীয় ডোজটি সংক্রমণকে রুখে দিতে পারে।’

গত আগস্টে সাউথ আফ্রিকায় করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত করেন বিজ্ঞানীরা। প্রতিবেশী বোতসোয়ানার পাশাপাশি হংকংয়েও ছড়িয়েছে বি ওয়ান ওয়ান ফাইভ টু নাইন নামের ধরনটি। গত ৩০ আগস্ট দেশটিতে সি ওয়ান টু নামের নতুন একটি ধরন শনাক্ত হয়েছিল।

পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নতুন ধরনটির নাম দেয় ওমিক্রন।

সাউথ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জো ফাহলা জোহানেসবার্গে গত ২৫ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘করোনার নতুন এই ধরনটি অন্যান্য ধরনের চেয়ে দ্রুত মিউটেশন করতে পারে। দ্রুত পরিবর্তন হওয়ায় টিকা খুব একটা কাজ করছে না। এ কারণে সংক্রমণ বাড়ছে। মাসের শুরুতে দৈনিক সংক্রমণ গড়ে এক শ থাকলেও তিন সপ্তাহের ব্যবধানে তা ১২ গুণ বেড়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে ভাইরাস বিশেষজ্ঞ টুলিও ডি অলিভেইরা জানিয়েছেন, নতুন ধরনটির কমপক্ষে ১০টি রূপ এখন পর্যন্ত তারা শনাক্ত করতে পেরেছেন। যদিও ডেলটা ধরনের রূপ রয়েছে কেবল দুটি আর বেটার রয়েছে তিনটি।

বিজ্ঞানীরা জানান, নতুন ধরনের এমন ঊর্ধ্বমুখী শনাক্তের হার সাউথ আফ্রিকাসহ পাশের দেশগুলোতে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন:
করোনা: ঢাকা ছাড়া ৭ বিভাগে মৃত্যু নেই
বস্তিতে গণটিকা শুরু
টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা
করোনা আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৪
বস্তিতে টিকাদান শুরু মঙ্গলবার

শেয়ার করুন

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু

করোনায় আরও ৬ মৃত্যু

প্রতীকী ছবি

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ জনের দেহে। ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ১৬ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ২৭৭ জনের দেহে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বুধবার বিকেলে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ জনের দেহে।ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ১৬ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৪৮টি ল্যাবে ২০ হাজার ৫৪৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ পুরুষ ও ২ নারী। তাদের মধ্যে বিশোর্ধ্ব ১, পঞ্চাশোর্ধ্ব ২ ও ষাটোর্ধ্ব ৩ জন।

৬ জনের মধ্যে তিনজনই ঢাকা বিভাগের। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও সিলেটে একজন করে মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

গত এক দিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৯৬ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪৩ হাজার ২০৪ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহ নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সে দেশের করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আসছে বলে ধরা হয়।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ৬০ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীকে বুস্টার জোজ দেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। কয়েক দিনের মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
করোনা: ঢাকা ছাড়া ৭ বিভাগে মৃত্যু নেই
বস্তিতে গণটিকা শুরু
টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা
করোনা আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৪
বস্তিতে টিকাদান শুরু মঙ্গলবার

শেয়ার করুন

করোনা: দেশে টিকা উৎপাদনের চুক্তি পেছাল

করোনা: দেশে টিকা উৎপাদনের চুক্তি পেছাল

প্রতীকী ছবি

রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে ডাইয়াটিস ইন্টারন্যাশনাল ইনকরপোরেশনের বুধবার বিকেলে যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার কথা ছিল, তা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা রাষ্ট্রীয়ভাবে উৎপাদনের চুক্তি পিছিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে ডাইয়াটিস ইন্টারন্যাশনাল ইনকরপোরেশনের বুধবার বিকেলে যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার কথা ছিল, তা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান বুধবার দুপুরে এক খুদেবার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন।

ওই বার্তায় বলা হয়, ‘অনিবার্য কারণে বুধবার বেলা সাড়ে ৩টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আজকের সমঝোতা চুক্তি প্রোগ্রামটি স্থগিত করেছেন। পরবর্তী সময়ে এই প্রোগ্রামের সময় ও তারিখ জানিয়ে দেয়া হবে।’

এসেনসিয়াল ড্রাগসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক এহসানুল কবির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে একটি বিদেশি কোম্পানির চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তি হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হবে। যেহেতু এখনও চুক্তি হয়নি, সে কারণে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা ঠিক হবে না।’

এর আগে টিকা উৎপাদনের জন্য গত ১৫ আগস্ট চীনের একটি কোম্পানির সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়। ইনসেপ্টা ফার্মার কারখানায় এ টিকা উৎপাদনের কথা রয়েছে।

ওই চুক্তিতে ছয় মাসের মধ্যে টিকা উৎপাদনের কথা উল্লেখ করা হলেও বিষয়টি নিয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি লক্ষ্য করা যায়নি।

আরও পড়ুন:
করোনা: ঢাকা ছাড়া ৭ বিভাগে মৃত্যু নেই
বস্তিতে গণটিকা শুরু
টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা
করোনা আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৪
বস্তিতে টিকাদান শুরু মঙ্গলবার

শেয়ার করুন

ফের রক্তক্ষরণ হচ্ছে খালেদার: ফখরুল

ফের রক্তক্ষরণ হচ্ছে খালেদার: ফখরুল

হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে ফখরুল বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) আমি হসপিটালে গিয়েছিলাম। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আবারও রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন জানিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আবার রক্তক্ষরণ হচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বুধবার সকালে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি ও বিদেশে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

এতে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে ফখরুল বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) আমি হসপিটালে গিয়েছিলাম। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আবারও রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তার অবস্থা সংকটাপন্ন।

‘তাকে কারাগারে নেয়া হয়েছে এবং পিজি হসপিটালে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা হয়নি। এই কারণে তার এই অবস্থা। তিনি গত ২৬ দিন যাবত সিসিইউতে রয়েছেন। অনতিবিলম্বে তাকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা দরকার।’

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি না হলে গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না। খালেদা জিয়ার মুক্তি না হলে গণতন্ত্র মুক্ত হবে না। দেশনেত্রী সুস্থ না হলে আমরা সুস্থ হব না।

‘সরকারের কাছে আবারও আহ্বান জানাচ্ছি, খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর সব ব্যবস্থা করুন।’

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আইনের কথা বলেন। কেন মানুষকে বোকা বানাতে চান? ৪০১ ধারার যে আইনে তাকে আটকে রেখেছেন, সেই ধারায় শর্ত দিয়েছেন যে, তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। ওই শর্তটা আপনারা তুলতে পারেন। আর কেউ তুলতে পারবে না। ওই শর্ত তুলে নেন এবং তাকে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ করে দেন।’

খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের আবেদন বাতিল করা হয়েছে জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘পাসপোর্টের আবেদন বাতিল করে দিয়েছেন। অনতিবিলম্বে তার পাসপোর্ট দিয়ে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে, কোনো অঘটন ঘটলে এর সমস্ত দায়-দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে।’

শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ারে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। তার লিভার সিরোসিস হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা।

বাংলাদেশে এ রোগের চিকিৎসা তেমন নেই জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনকে দ্রুত বিদেশে নেয়ার দাবি জানাচ্ছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ সেলিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ, কেন্দ্রীয় নেতা কাদের গণি চৌধুরী, শামীমুর রহমান শামীম, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোরশেদ আলম, ‘দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও’য়ের সভাপতি রকিবুল ইসলাম রিপন, কৃষক দলের লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
করোনা: ঢাকা ছাড়া ৭ বিভাগে মৃত্যু নেই
বস্তিতে গণটিকা শুরু
টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা
করোনা আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৪
বস্তিতে টিকাদান শুরু মঙ্গলবার

শেয়ার করুন

ঢাকায় এলো সিরামের আরও ১০ লাখ টিকা

ঢাকায় এলো সিরামের আরও ১০ লাখ টিকা

সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে আসা আরও ১০ লাখ টিকা এসেছে ঢাকায়। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ যে টিকা কিনেছে, তাতে মধ্যস্ততা করেছে বেক্সিমকো ফার্মা। তারা সিরামের লোকাল এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। পাশাপাশি দেশে টিকা আসার পর এর সংরক্ষণ ও পরিবহনের দায়িত্বও তারাই পালন করছে।

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার একটি চালান দেশে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার রাত ২টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকার এ চালান পৌঁছায়। চালানে এসেছে ১০ লাখ টিকা।

বেক্সিমকো ফার্মার চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) রাব্বুর রেজা বুধবার সকালে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিশেষ বিমানে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে ১০ লাখ টিকা দেশে এসেছে। টিকা বহনকারী বিমান মঙ্গলবার রাত ২টা ৪০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে। আমাদের প্রতিনিধিরা এই টিকা বুঝে নেন। চুক্তি অনুযায়ী এই টিকা আমরা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করব।’

বাংলাদেশ যে টিকা কিনেছে, তাতে মধ্যস্ততা করেছে বেক্সিমকো ফার্মা। তারা সিরামের লোকাল এজেন্ট হিসেবে কাজ করছে। পাশাপাশি দেশে টিকা আসার পর এর সংরক্ষণ ও পরিবহনের দায়িত্বও তারাই পালন করছে।

বাংলাদেশের সরকার গত বছরের ১৩ ডিসেম্বরে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকার তিন কোটি ডোজ কেনার জন্য সিরামের সঙ্গে চুক্তি সই করে।

টিকা পেতে প্রতিষ্ঠানটিকে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা অগ্রিম পরিশোধ করে বাংলাদেশ।

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ পাওয়ার কথা থাকলেও তখন ভারত দুই কিস্তিতে মাত্র ৭০ লাখ ডোজ টিকা দেয়। এ ছাড়া ভারত সরকার উপহার হিসেবে ৩৩ লাখ ডোজ টিকা পাঠিয়েছিল।

দেশটিতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে তখনই টিকা রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। নতুন করে দেশটি গত ২ ডিসেম্বর ৪৫ লাখ টিকা পাঠায়।

আরও পড়ুন:
করোনা: ঢাকা ছাড়া ৭ বিভাগে মৃত্যু নেই
বস্তিতে গণটিকা শুরু
টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা
করোনা আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৪
বস্তিতে টিকাদান শুরু মঙ্গলবার

শেয়ার করুন

ভেন্ডিং মেশিনে মিলবে স্যানিটারি প্যাড

ভেন্ডিং মেশিনে মিলবে স্যানিটারি প্যাড

নিজেদের তৈরি স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন নিয়ে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

মেশিন তৈরির দলপ্রধান হৃদয় হোসেন বলেন, ‘আমাদের দেশের মেয়েরা প্রায়ই দোকান থেকে স্যানেটারি প্যাড কিনতে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ে। অনেক সময় বখাটেরা তাদের মানসিক ও শারীরিক নিপীড়ন করেন। এতে দোকান থেকে প্যাড কিনতে অনেকে দ্বিধাবোধ করেন। এ কারণে অনেক মেয়ে স্যানেটারি প্যাড ব্যবহার করে না। এর ফলে মেয়েদের নানা ধরনের সমস্যাসহ ইনফেকশনের মতো সমস্যায়ও ভুগতে হয়।’

স্যানিটারি প্যাড কিনতে গিয়ে দেশে অনেক সময়ই মেয়েরা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। বখাটেদের নিপীড়নের শিকারও হন অনেকে।

সেই সমস্যা সমাধানে ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এক দল শিক্ষার্থী তৈরি করেছেন স্যানিটারি প্যাডের ভেন্ডিং মেশিন।

সাত সদস্যের দলটির তৈরি মেশিনটি এরই মধ্যে ‘বেসিস ন্যাশনাল আইসিটি’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে। এ ছাড়া ‘ইন্টারন্যাশনাল এপিআইসিটিএ অ্যাওয়ার্ড’ প্রতিযোগিতায় চীন, হংকং, জাপান, সিঙ্গাপুর, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের ১৫টি দেশের প্রকল্পের মধ্যে ১০ নম্বরে রয়েছে।

ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এর আগে ‘অটোমেটিক হাউস ক্লিনার অ্যান্ড লাইফ সেফটি রোবট’ ও কৃষিভিত্তিক রোবট ‘স্মার্ট এগ্রো রোবট’ তৈরি করে আলোচনায় আসেন।

মেশিন তৈরির দলপ্রধান হৃদয় হোসেন বলেন, ‘আমাদের দেশের মেয়েরা প্রায়ই দোকান থেকে স্যানেটারি প্যাড কিনতে গিয়ে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ে। অনেক সময় বখাটেরা তাদের মানসিক ও শারীরিক নিপীড়ন করেন। এতে দোকান থেকে প্যাড কিনতে অনেকে দ্বিধাবোধ করেন।’

তিনি আরও বলেন, “এ কারণে অনেক মেয়ে স্যানেটারি প্যাড ব্যবহার করে না। এর ফলে মেয়েদের নানা ধরনের সমস্যাসহ ইনফেকশনের মতো সমস্যায়ও ভুগতে হয়। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা তৈরি করেছি ‘আইওটি বেসড স্মার্ট ভেন্ডিং মেশিন ফর সেনেটারি প্যাড।

“এই মেশিনের সাহায্যে একজন মেয়ে খুব সহজেই তার প্রয়োজন অনুযায়ী প্যাড সংগ্রহ করতে পারবেন। প্যাড সংগ্রহ করার জন্য গ্রাহককে তার কাছের মেশিনের ভেতর ১০ টাকা দিতে হবে, যার বিনিময়ে তিনি খুব সহজে একটি স্যানিটারি প্যাড পেয়ে যাবেন।”

দলের সদস্য শারমিন আক্তার তন্নি বলেন, ‘মেশিনের মধ্যে প্যাড ফুরিয়ে গেলে মেশিন ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে আমাদের জানিয়ে দিবে। তখন নিয়ন্ত্রনকারী ফের মেশিনে প্যাড দিয়ে আসবে। এতে দোকানি বা ব্যবহারকারী কাউকে বাড়তি সময় দিতে হবে না।’

দলের আরেক সদস্য বক্তিয়ার আহম্মেদ বাপ্পি বলেন, ‘একটি মেয়ে খুব সহজে নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে মেশিন কোন কোন লোকেশনে আছে তা দেখতে পাবে। মেশিনের গায়ে সাটানো কোড স্ক্যান করে বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে দাম পরিশোধ করেও প্যাড কিনতে পারবে।’

ঝিনাইদহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী সাজেদ-উর-রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ‘আইওটি বেসড স্মার্ট ভেন্ডিং মেশিন ফর সেনেটারি প্যাড’ উদ্ভাবনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সব প্রকার সহযোগিতা করা হয়েছে। তাদের যখন যেটা প্রয়োজন, আমরা সরবরাহ করার চেষ্টা করেছি। আমরা প্রজেক্টটির সফলতা কামনা করি।

আরও পড়ুন:
করোনা: ঢাকা ছাড়া ৭ বিভাগে মৃত্যু নেই
বস্তিতে গণটিকা শুরু
টিকার বুস্টার ডোজ দেয়ার পরিকল্পনা
করোনা আরও ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ২৩৪
বস্তিতে টিকাদান শুরু মঙ্গলবার

শেয়ার করুন