বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

এবারের সংবাদ সম্মেলনও স্বাভাবিক সময়ের মতো হবে না। গণমাধ্যমকর্মীরা থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে; তাদের সঙ্গে নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী।

জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স সফরের বিস্তারিত জানাতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়, বুধবার বিকেল ৪টায় হবে সরকারপ্রধানের এ সংবাদ সম্মেলন।

এবারের সংবাদ সম্মেলনও স্বাভাবিক সময়ের মতো হবে না। গণমাধ্যমকর্মীরা থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে; তাদের সঙ্গে নিজের সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী।

অবশ্য কয়েকজন আমন্ত্রিত অতিথি গণভবনে সরাসরি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন। তবে আগে অতিথিদের করোনা পরীক্ষা করা হবে।

গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিসে দুই সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে রোববার সকালে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় সফরের আগে গত ৩১ অক্টোবর স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে জলবায়ু তথা কপ-২৬-এর বিশ্বনেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং সংস্থাপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি। অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংবর্ধনায়ও।

৩ নভেম্বর দুপুরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে গ্লাসগো ছাড়েন শেখ হাসিনা। লন্ডনে পৌঁছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোইলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট ২০২১: বিল্ডিং সাসটেইনেবল গ্রোথ পার্টনারশিপ’ শীর্ষক বিনিয়োগ সম্মেলন ও রোড শো’র উদ্বোধন করেন। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সিক্রেট ডকুমেন্টের আন্তর্জাতিক প্রকাশনা এবং লন্ডনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন।

৯ নভেম্বর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উদ্দেশে লন্ডন ছাড়েন। ওই দিন প্যারিসে পৌঁছে এলিসি প্যালেসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শেখ হাসিনা। পরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জিন কাস্টেক্সের সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন ম্যাটিগননে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন।

ইউনেসকো সদর দপ্তরে ‘ইউনেসকো-বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর দ্য ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’-এর পুরস্কার বিতরণ এবং জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থাটির সাধারণ সম্মেলন, প্যারিস শান্তি ফোরাম ও ইউনেসকোর ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন শেখ হাসিনা।

গত শনিবার ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের দেয়া সংবর্ধনায় ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
টিকা তৈরির পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদাও মেটাবে বাংলাদেশ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
তারেক বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

খালেদার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক: ড্যাব

খালেদার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক: ড্যাব

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

চিকিৎসকদের বিএনপিপন্থি সংগঠনটির সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় খালেদা জিয়ার রক্তের হিমোগ্লোবিন কমেছে। বাংলাদেশের যত চিকিৎসাপ্রযুক্তি আছে, তার জন্য সবগুলো প্রয়োগ করা হয়েছে। পূর্ণ সুস্থ করতে হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য অবিলম্বে তাকে বিদেশে পাঠানো জরুরি।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ড্যাব)। বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠনটি দ্রুত সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে চিকিৎসা করানোর আহ্বান জানিয়েছে।

খালেদা জিয়ার শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ড্যাবের শীর্ষ নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তিনি লিভারের মারাত্মক জটিলতাসহ কয়েকটি জটিল রোগে ভুগছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় তার রক্তের হিমোগ্লোবিন কমেছে। বাংলাদেশের যত চিকিৎসাপ্রযুক্তি আছে, তার জন্য সবগুলো প্রয়োগ করা হয়েছে। পূর্ণ সুস্থ করতে হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য অবিলম্বে তাকে বিদেশে পাঠানো জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ড্যাবের মহাসচিব ডা. আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া করোনা-পরবর্তী জটিলতা, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রিউমোটয়েড আর্থ্রাইটিস, লিভার, কিডনি ও হার্টের বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে গত ১৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।’

চিকিৎসক সালাম বলেন, ‘মেডিক্যাল বোর্ডের ভাষ্য অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়ার পরবর্তী চিকিৎসা আর বাংলাদেশে সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় তার বিদেশে সুচিকিৎসা ও স্থায়ী মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।’

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের অন্যতম চিকিৎসক অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকীর বরাতে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৩ নভেম্বর বিএনপি নেত্রীকে হাসপাতালে ভর্তির রাতেই তার রক্তবমি হয়। তার খাদ্যনালিতে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছে। জীবন রক্ষায় তাকে দ্রুত রক্ত ও প্লাজমা ফ্লুইড দেয়া হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি খুবই দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

লিভার সিরোসিসের কারণে খালেদা জিয়ার রক্তক্ষরণের বিষয়টি তুলে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘এসব রোগীর পুনরায় রক্তক্ষরণ খুবই স্বাভাবিক। পরবর্তী সময়ে ফের রক্তক্ষরণে খালেদা জিয়ার মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। কারণ রক্তক্ষরণ বন্ধের জন্য আমাদের দেশে যে প্রযুক্তি আছে, তা ইতোমধ্যে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যাপারে প্রয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া যেসব আধুনিক পদ্ধতি আছে, সেগুলো আমাদের দেশে নেই, এমনকি উপমহাদেশের বা এশিয়ার অন্য কোনো দেশেও নেই৷’

ড্যাব নেতা সালাম বলেন, ‘এমন অবস্থায় চিকিৎসক হিসেবে আমরা জরুরি ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার মুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদেশে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি। আশা করি, মানবিক বিবেচনায় স্বল্পতম সময়ের মধ্যে বর্তমান সরকার তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেবে।’

‘সরকারের বক্তব্য দিয়েছে বিএমএ’

উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদাকে বিদেশ নিতে বিএনপি ও তার পরিবার থেকে সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানালেও বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) বলছে, বিএনপি নেত্রীর চিকিৎসা দেশেই সম্ভব।

আওয়ামী লীগপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠনটি সোমবার এক বিবৃতিতে দাবি করে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বাংলাদেশেই সম্ভব। বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাই এই রোগের বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা দিতে সক্ষম।

বিএমএর এই ধরনের বক্তব্য সরকারের শেখানো বুলি বলে মন্তব্য করেছে ড্যাব।

ড্যাব নেতা হারুন আল রশিদ বলেন, ‘এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। সমাজকে বিভক্ত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ এবং বিপক্ষ। খালেদা জিয়া তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী। আজ তিনি গুরুতর অসুস্থ। তার মেডিক্যাল বোর্ড বলেছে, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দেশে তো নয়, বরং উপমহাদেশেও সম্ভব না।

‘সুতরাং বিএমএর নেতারা যা বলেছেন তা সরকারেরই বক্তব্য। তারা সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। আশা ছিল খালেদা জিয়ার এই দুঃসময়ে তারা সঠিক কথা বলবেন এবং মেডিক্যাল বোর্ডের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করবেন।’

বিদেশে থেকে চিকিৎসক আনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে হৃদরোগের সব চিকিৎসা হয়। তার পরও আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হলে তাকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা করানো হয়েছে। বিদেশ থেকে একজন চিকিৎসক আনলেই হবে না। এটা টিমওয়ার্ক। সুতরাং এই কথার মানে হচ্ছে সময় ক্ষেপণ করা।’

সংবাদ সম্মেলনে ড্যাবের অন্য নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার, সিরাজউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক এমএ সেলিম, মোসাদ্দেক হোসেন বিশ্বাস ডাম্বেল, শহীদ হাসান, এরফানুল হক সিদ্দিকী, জহিরুল ইসলাম শাকিল, মেহেদী হাসান, মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, পারভেজ রেজা কাকন, সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম, শেখ ফরহাদ, খালেকুজ্জামান দীপু, নিলোফা ইয়াসমিন, ফখরুজ্জামান ফখরুল।

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
টিকা তৈরির পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদাও মেটাবে বাংলাদেশ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
তারেক বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

অধ্যাপক রফিকুলের দাফন আজিমপুর কবরস্থানে

অধ্যাপক রফিকুলের দাফন আজিমপুর কবরস্থানে

বাংলা একাডেমিতে জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের মরদেহবাহী কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা

শ্রদ্ধা জানানো শেষে বাংলা একাডেমি থেকে অধ্যাপক রফিকুলের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান অধ্যাপককে। পরে জানাজা শেষে আসরের নামাজের পর আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বুধবার জানাজা শেষে বাবার কবরের পাশে সমাহিত করা হয় তাকে।

এর আগে বাংলা একাডেমি থেকে শেষ বিদায় জানানো হয় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক মহাপরিচালককে।

দুপুর দেড়টায় রফিকুল ইসলামের মরদেহ একাডেমি প্রাঙ্গণে আনা হয়। নজরুল গবেষক এই অধ্যাপকের মরদেহবাহী কফিন একাডেমির নজরুল মঞ্চে রাখা হয়। সেখানে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান তার সহকর্মী ও পরিচিতজনরা।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর। এরপর বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক মো. নুরুল হুদার নেতৃত্বে একাডেমি পরিবার, কবি কাজী নজরুল ইনস্টিটিউট, শালুক, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, স্বাধীনতা ফাউন্ডেশন এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপন ও জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সর্বশেষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কলকাতার কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোনালিসা দাস।

শ্রদ্ধা জানানো শেষে অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে বর্ষণ ইসলাম বলেন, “আমার বাবার সম্পূর্ণ জীবনই সফলতা। আমি কখনো কোনো ব্যর্থতা দেখিনি। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সময় আব্বুর ক্যামেরায় ধারণকৃত ছবিগুলোই ইতিহাস।

“সেগুলো যদি না থাকত তাহলে আমরা আজকে ইতিহাস জানতে পারতাম না। আমি আব্বুকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘কোনো ছবিতে আপনার নাম দেখলাম না।’ আব্বু বলেছেন, ‘আমার নামের তো দরকার নেই। সবাই ইতিহাস জানতে পারছে, তাতেই হবে।’”

বর্ষণ বলেন, ‘আমরা আব্বুকে বিদেশ নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আব্বু দেশেই থাকতে চেয়েছেন। তাই আমরা উনাকে বিদেশ নিয়ে যেতে পারিনি।’

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোনালিসা দাস বলেন, ‘আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন নজরুল গবেষণা সেন্টার তৈরি হয়, তখনই রফিকুল ইসলাম স্যার এবং আনিসুজ্জামান স্যার পথিকৃৎ হয়ে নজরুলবিষয়ক গবেষণাকে কেন্দ্র করে গবেষণাগার তৈরি করে দেন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রফিকুল ইসলাম স্যারকে সম্মানসূচক ডি লিট ডিগ্রি দেয়ার কথা। যে বছর দেয়ার কথা ছিল, তার পরের বছর করোনা হয়ে গেছে।

‘করোনায় সব বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য আমরা এখনও দিতে পারিনি। নিশ্চয়ই আমরা সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব। গবেষণার মাধ্যমে নজরুলকে দেশে-বিদেশে আমাদের সকলের মধ্যে যেভাবে তুলে ধরেছেন, তা একমাত্র রফিকুল ইসলাম স্যারের পক্ষেই সম্ভব।’

শ্রদ্ধা জানানো শেষে বাংলা একাডেমি থেকে এ অধ্যাপকের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষ শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান অধ্যাপককে। পরে জানাজা শেষে আসরের নামাজের পর আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
টিকা তৈরির পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদাও মেটাবে বাংলাদেশ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
তারেক বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

দেশ উন্নয়নশীল হওয়ায় আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই: রাষ্ট্রপতি

দেশ উন্নয়নশীল হওয়ায় আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই: রাষ্ট্রপতি

ফরিদপুর-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে। ছবি: সাইফুল ইসলাম।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি খুশির খবর, কিন্তু এ নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে শামিল হওয়ার লক্ষ্যে এখন থেকে সর্বাত্মকভাবে কাজ শুরু করতে হবে।’

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হওয়ায় ‘আত্মতুষ্টিতে’ না ভুগে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে শামিল হতে সর্বাত্মকভাবে কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ পূর্তিতে বুধবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বঙ্গভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি খুশির খবর, কিন্তু এ নিয়ে আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে শামিল হওয়ার লক্ষ্যে এখন থেকে সর্বাত্মকভাবে কাজ শুরু করতে হবে।’

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘কয়েক বছর পরই পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের ঢেউ বইতে শুরু করবে। তাই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।’

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পথিকৃতের ভূমিকা নিতে হবে বলেও মনে করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা যাতে তথ্যপ্রযুক্তিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিশ্বব্যাপী সফলতার সঙ্গে এগিয়ে যেতে পারে সেভাবে তাদেরকে গড়ে তুলতে হবে। অবকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ডিপার্টমেন্ট ও ইনস্টিটিউটের সম্প্রসারণ একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে, কিন্তু এক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার মানই মূল সূচক।’

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের চাহিদা ও যোগ্যতা বিবেচনা করে শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বাড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ যাত্রাপথে নেতৃত্বের ভূমিকায় থাকবে।’

মাতৃভাষা রক্ষা থেকে স্বাধীকার আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবগাঁথা উঠে আসে আচার্যের বক্তব্যে।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাঙালি জাতির শিক্ষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য, গবেষণা-উদ্ভাবন, মুক্তবুদ্ধি চর্চা, প্রগতিশীল ভাবনা, জাতি-গঠন ও দেশাত্মবোধের চেতনার এক তেজোদীপ্ত আলোকবর্তিকা; বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য বাতিঘর।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আবদুল হামিদ বলেন, ‘১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ তথা অখণ্ড বাংলা প্রদেশকে ভেঙে পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশ গঠনের পর ১৯১১ সালে এই সিদ্ধান্ত রদের রাজকীয় ক্ষতিপূরণ হিসেবেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়।

রাষ্ট্রপতি জানান, ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কর্মপরিকল্পনা তৈরির উদ্দেশ্যে গঠিত নাথান কমিটির সুপারিশের সঙ্গে স্যাডলার কমিশন নামে খ্যাত ১৯১৭ সালে গঠিত ‘কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন’ এর সুপারিশের ভিত্তিতে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯২০’ প্রণীত হয়। সেই আইনের ভিত্তিতেই ১৯২১ সালের ১ জুলাই আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের।

প্রতিষ্ঠাকালে ১২টি বিভাগ ও ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক পথচলা শুরু হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ৮৪টি বিভাগ ও অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩৮ হাজার।

দুইজন নারী শিক্ষার্থী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ছাত্রীর সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি। দেশে নারীর ক্ষমতায়নের এটি একটি বিশাল সাফল্য বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি।

আবদুল হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ সৃষ্টির পূর্বেকার ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতা-উত্তর সময়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সব অগণতান্ত্রিক, অপসংস্কৃতি এবং সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছে। এরই স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করা হয়।

মুজিব জন্মশতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি’ স্থাপনও একটি অনন্য উদ্যোগ বলেও মনে করেন রাষ্ট্রপতি।

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অর্জন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকেও কারিকুলাম নির্ধারণ ও পাঠ দানের ক্ষেত্রে বিশ্বমানের কথা বিবেচনায় রাখতে হবে।’

অভিভাবকরা অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ছেলেমেয়েদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠান স্মরণ করিয়ে দিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, ‘তাদের পেছনে দেশ ও জনগণের বিনিয়োগও যথেষ্ট। তাই শিক্ষার্থীদেরকে পবিবার, দেশ ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরনের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
টিকা তৈরির পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদাও মেটাবে বাংলাদেশ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
তারেক বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী

করোনার নতুন ধাক্কা এলে বন্ধ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী

করোনাভাইরাসের নতুন ঢেউ আসলে ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হতে পারে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখতে হবে যে এই করোনাভাইরাস কিন্তু এখনই শেষ হয়ে যায়নি। আমরা ভ্যাকসিন দিচ্ছি, এখন শিক্ষার্থীদের দিচ্ছি। এখন আবার নতুন আরেকটি ওয়েব আসছে। কাজেই এটা মাথায় রেখে যেকোনো সময় এটা যদি বিস্তার লাভ করে তাহলে আবার কিন্তু স্কুলসহ সবকিছু বন্ধ হয়ে যাবে।’

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বেড়ে গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফের বন্ধ করা লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিষয়টি মাথায় রেখে সময়কে সঠিক ব্যবহার এবং ক্লাসে মনোযোগী হতে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে বুধবার সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উদ্বোধন এবং ধানমন্ডিতে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য জয়িতা টাওয়ারের ভিত্তি স্থাপন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

কোভিড-১৯-এর নতুন ধরন ওমিক্রন সারা বিশ্বে নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আফ্রিকায় শুরু হওয়া কোভিড-১৯-এর সর্বশেষ এই ভ্যারিয়েন্টকে সবচেয়ে মারাত্মক হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিজ্ঞানীরা। বাংলাদেশে ‘ওমিক্রন’ ঠেকাতে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

এমন বাস্তবতায় শিক্ষার্থীদের রাস্তায় বাস ভাঙচুর না করে ক্লাসে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে যে এই করোনাভাইরাস, কিন্তু এখনই শেষ হয়ে যায়নি। আমরা ভ্যাকসিন দিচ্ছি, এখন শিক্ষার্থীদের দিচ্ছি। এখন আবার নতুন আরেকটা ওয়েব আসছে। কাজেই এটা মাথায় রেখে যেকোনো সময় এটা যদি বিস্তার লাভ করে তাহলে আবার কিন্তু স্কুল-সব বন্ধ হয়ে যাবে।’

তাই সময়ের সদ্ব্যবহার করতে শিক্ষার্থীদের আহ্বান সরকারপ্রধানের। তিনি বলেন, ‘যেটুকু সময় পাওয়া যাচ্ছে সবাইকে অন্তত যার যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে গিয়ে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আমি আরেকটা কথা বলব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন করোনার জন্য বন্ধ ছিল।… এখন সব স্কুল-কলেজ খুলে গেছে। সবাইকে এখন পড়াশোনা করতে হবে। যার যার স্কুলে ফিরে যেতে হবে।’

‘রাস্তায় গাড়ি ভাঙচুর করা ছাত্রদের কাজ না’

বিভিন্ন দাবিতে কয়েক দিন ধরে রাজধানীতে বিক্ষোভে নামা ছাত্রদের শিক্ষাঙ্গনে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, যানবাহন ভাঙচুর করা তাদের কাজ নয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙা এটা ছাত্রদের কাজ নয়, এটা কেউ করবেন না। দয়া করে যার যার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যান, লেখাপড়া করেন। আর যারা দোষী তাদের খুঁজে বের করে অবশ্যই শাস্তি দেয়া হবে, সেটা আমরা করব।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘ভবিষ্যতে এই গাড়ি ভাঙচুর এবং আগুন দেয়ার ঘটনা যারা ঘটাবে তাদের খুঁজে বের করা হবে, শাস্তি দেয়া হবে। কেননা যে গাড়িতে আগুন দেয়া হচ্ছে সে গাড়িতে যদি কেউ মারা যায় বা আগুনে পোড়ে তার জন্য কঠোর শাস্তি দেয়া হবে। এ কথাও মাথায় রাখতে হবে।

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
টিকা তৈরির পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদাও মেটাবে বাংলাদেশ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
তারেক বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

এবি ব্যাংক: ৪ কর্মকর্তার নামে মামলা নিতে নির্দেশ

এবি ব্যাংক: ৪ কর্মকর্তার নামে মামলা নিতে নির্দেশ

প্রতীকী ছবি

গত ২৬ অক্টোবর এক গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা স্থানান্তরে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় তার ব্যাখ্যা দিতে দুদক নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মশিউর রহমানকে তলব করে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশে বুধবার হাজির হন তিনি।

এবি ব্যাংকের নোয়াখালীর চৌমুহনী শাখার সাবেক ও বর্তমান চার কর্মকর্তার নামে দুর্নীতির মামলা নিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

নোয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রতি এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ নির্দেশ দেয়।

নাসির ছাড়াও অন্য তিনজন হলেন চৌমুহনী শাখার বর্তমান ম্যানেজার তপন কান্তি পোদ্দার, সাবেক এসপিও মো. নাজিম উদ্দিন ও মো. হানিফ।

এক গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা স্থানান্তরে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মশিউর রহমানকে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতেও বলেছে আদালত।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

রিভিশন আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ কে এম নুরুল আলম। ব্যাংক কর্মকর্তাদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।

গত ২৬ অক্টোবর এক গ্রাহকের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা স্থানান্তরে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় তার ব্যাখ্যা দিতে দুদক নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মশিউর রহমানকে তলব করে হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশে বুধবার হাজির হন তিনি।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, মশিউর রহমান দুদকের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা হিসেবে এবি ব্যাংক চৌমুহনী শাখার গ্রাহক আবদুল মমিনের ৩ কোটি ১৮ লাখ ২০ হাজার ৪০০ টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে বেআইনিভাবে স্থানান্তর করে আত্মসাতের প্রমাণ পান। এর পরও ব্যাংকের কর্মকর্তা ওই শাখার সাবেক ম্যানেজার নাসির উদ্দিন আহমেদ, ম্যানেজার তপন কান্তি পোদ্দার, সাবেক এসপিও মো. নাজিম উদ্দিন ও মো. হানিফের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে গ্রাহক আবদুল মমিন বিশেষ জজ আদালত, নোয়াখালীতে মামলা করতে গেলেও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা লিখিত আপত্তি জমা দেন। এ কারণে গ্রাহক আব্দুল মোমিন হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন।

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
টিকা তৈরির পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদাও মেটাবে বাংলাদেশ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
তারেক বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

সুপ্রিম কোর্টে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরু

সুপ্রিম কোর্টে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরু

শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারকাজ শুরুর প্রথম দিন সুপ্রিমকোর্ট অঙ্গনে আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে প্রায় ১ বছর ৯ মাস ধরে আপিল বিভাগ ভার্চুয়ালি চলছিল। তবে হাইকোর্ট বিভাগের কিছু বেঞ্চ শারীরিক উপস্থিতিতে এবং কয়েকটি বেঞ্চ ভার্চুয়ালি চলেছে।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে ১ বছর ৯ মাস পর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের শারীরিক উপস্থিতিতে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

দিনের কার্যতালিকা অনুযায়ী বুধবার সকাল ৯টায় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বিভাগে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক উপস্থিতিতে মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, ভার্চুয়াল মাধ্যমে আদালত চলাকালীন অনেক মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এই সময়ে আপিল বিভাগে থাকা ২৪ হাজার মামলার মধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে এখন সাড়ে ১৫ হাজারের মতো মামলা রয়েছে।

আপিল বিভাগ ঘুরে দেখা যায়, শারীরিক উপস্থিতিতে আদালত চালু হলে সকাল থেকেই সেখানে আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ভিড়।

শারীরিক উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম শুরু নিয়ে গত সোমবার প্রধান বিচারপতির নির্দেশক্রমে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর।

এতে বলা হয়, ‘প্রধান বিচারপতি, জ্যেষ্ঠ বিচারপতিগণের সঙ্গে আলোচনাক্রমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, আগামী ১ ডিসেম্বর, বুধবার হতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে শারীরিক উপস্থিতিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।’

দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে প্রায় ১ বছর ৯ মাস ধরে আপিল বিভাগ ভার্চুয়ালি চলছিল। তবে হাইকোর্ট বিভাগের কিছু বেঞ্চ শারীরিক উপস্থিতিতে এবং কয়েকটি বেঞ্চ ভার্চুয়ালি চলেছে।

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
টিকা তৈরির পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদাও মেটাবে বাংলাদেশ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
তারেক বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন

শান্তি প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শান্তি প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিতে চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শান্তি সম্মেলন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন (মাঝে)। ছবি: নিউজবাংলা

বৈশ্বিকভাবে যেসব মানুষ শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখছেন, বিশেষ করে কবি, সাহিত্যিক, রাজনীতিক, বিজ্ঞানীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মেলনে সম্মানিত করা হবে।

বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিতে চায়। শান্তি সম্মেলনের মাধ্যমে এই বার্তা বিশ্বের কাছে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার সকালে শান্তি সম্মেলন উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আনক্লোজ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশ্বব্যাপী শান্তি ও মানবিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর অসামান্য অবদানের কথা ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে ‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলন’।

রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে দুই দিনব্যাপী এই সম্মেলন উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। সমাপনী অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবারের সম্মেলন সশরীরে ও ভার্চুয়াল- দুই ধরনের অধিবেশনই থাকছে। সম্মেলনে ‘ঢাকা শান্তি ঘোষণা’ গৃহীত হবে।

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর নামে সম্মাননা দেয়া হবে। বৈশ্বিকভাবে যেসব মানুষ শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখছেন, বিশেষ করে কবি, সাহিত্যিক, রাজনীতিক, বিজ্ঞানীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্মেলনে সম্মানিত করা হবে।

ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছে ‘সিনেমা ফর পিস’ নামের দুই দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসবের। জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আজ ও কাল এ উৎসব চলবে। চারটি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। সেগুলো হলো- ব্যালাড অফ আ সোলজার, দ্য ক্রেনস আর ফ্লাইয়িং, ওয়ার অ্যান্ড পিস ও অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী।

এসব চলচ্চিত্র দেখতে দর্শককে কোনো ফি দিতে হবে না।

বিশ্ব শান্তি নিয়ে কাজ করা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কবি, সাহিত্যিক, নোবেল বিজয়ী, শিক্ষাবিদ, মানবাধিকারকর্মী, চলচ্চিত্রকার, থিংক ট্যাংক ও সাবেক রাজনীতিকরা সম্মেলনে অংশ নেবেন।

ধর্মীয় ইস্যুতে ভ্যাটিকান সিটি থেকে প্রতিনিধি পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে, ওয়ার্ল্ড পিস কাউন্সিল থেকে কিছু ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথির জন্য চারটি প্যানেল ডিসকাশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সম্মেলনের শুরুর দিন দুটি এবং সমাপনী দিনে দুটি প্যানেল ডিসকাশন হবে। এসব প্যানেল ডিসকাশনে যোগ দিয়ে অতিথিরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন।

৬০ থেকে ৬৫ জনের মতো অতিথি সশরীরে সম্মেলনে যোগ দেবেন। ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন ৩৪ জনের মতো। এদের মধ্যে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গর্ডন ব্রাউন, সিঙ্গাপুরের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গোহ চক তং, শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ভারতের কৈলাশ সত্যার্থীসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রয়েছেন বলে জানানো হয়।

সশরীরে থাকবেন শ্রীলঙ্কান ইউনিভার্সিটি অফ কলম্বোর উপাচার্য অধ্যাপক চান্দ্রিকা এন ওয়াজেয়ারতে, ভারতের চলচ্চিত্রকার গৌতম ঘোষ, ভারতের সাবেক মন্ত্রী সুরেশ প্রভুসহ আরও অনেকে।

সম্মেলনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শান্তির সবচেয়ে বড় অগ্রদূত। উপমহাদেশসহ সারা পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু আজীবন কাজ করে গেছেন এবং সে জন্যই তিনি আমাদের বৈদেশিক নীতি করেছেন- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেছেন যে, পিস ইজ ইম্পারেটিভ ফর ডেভেলপমেন্ট। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর পথ ধরে এই পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছেন। তিনিও সব সময় শান্তির অগ্রদূত হিসেবে বিবেচিত।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথিবীতে সংঘাত, যুদ্ধবিগ্রহ কমানোর জন্য একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, সেটি হচ্ছে শান্তির সংস্কৃতি এবং এই প্রস্তাবটি পৃথিবীর সব দেশ গ্রহণ করেছে। এই যে শান্তির প্রতি তার অগাধ বিশ্বাস, এটি আমরা বিশ্বে ছড়িতে দিতে চাই। জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী যে শান্তির সংস্কৃতির ধারণা দিয়েছেন, এটিও আমরা তুলে ধরব। সম্মেলন থেকে আমরা পৃথিবীতে শান্তির বার্তা দিতে চাই। আমরা চাই এই বার্তা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ুক। পৃথিবীতে টেকসই শান্তির জন্য প্রয়োজন একে-অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা, সহনশীলতা। এগুলো আমরা তুলে ধরব। এই সম্মেলন বিশ্বে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দিতে সহযোগিতা করবে। এ জন্যই আমাদের এ আয়োজন।’

‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলন’ উপলক্ষে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের (বিএইচএফ) সহায়তায় মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে একটি প্রীতি টি-১০ ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করা হবে।

গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বিষয়টি জানিয়েছে। ১০ ওভারের এই ম্যাচে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটাররা ‘টিম হারমনি’ ও ‘টিম ইউনিটি’ নামে ভাগ হয়ে অংশগ্রহণ করবেন।

আফ্রিকান দেশগুলো থেকে দেশে ফিরতে অনুৎসাহিত করা হয়েছে সবাইকে। মন্ত্রী বলেন, ‘যারা আসে, তারা তো আমাদের নাগরিক। আমরা তো তাদের নিষেধ করতে পারি না। তবে জরুরি না হলে তাদের আসতে অনুৎসাহিত করা হচ্ছে। আর আসলে অবশ্যই তাদের আনুষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।’

আরও পড়ুন:
সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী
টিকা তৈরির পাশাপাশি বৈশ্বিক চাহিদাও মেটাবে বাংলাদেশ
দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী
তারেক বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুন