মানবতার স্বার্থে খালেদাকে বিদেশ নিতে দিন: ফখরুল

মানবতার স্বার্থে খালেদাকে বিদেশ নিতে দিন: ফখরুল

শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নেয়া হয়েছে রাজধানীর এভারকেয়ার পাসপাতালের সিসিইউতে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘তার পরিবার থেকে আবারও আবেদন করা হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি অবিলম্বে তাকে বাইরে চিকিৎসা নেয়ার সুযোগ দেয়া হোক। তার যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে সমস্ত দায়ভার এই সরকারকে বহন করতে হবে। তাই আমরা বলতে চাই আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। প্রতিনিয়ত তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে তিনি অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় সিসিইউতে আছেন।’

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মানবতার স্বার্থে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেয়ার অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাজধানীতে মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

ফখরুল বলেন, ‘এই দেশের ডাক্তাররা বলছেন তিনি (খালেদা জিয়া) অনেক ধরনের অসুখে আক্রান্ত। তাকে চিকিৎসার জন্য এই দেশে সে রকম কোনো মেডিক্যাল সেন্টার নেই। এ জন্য তাকে অন্তত মানবতার স্বার্থে দেশের বাইরে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেয়া হোক। আপনারা দয়া করে মানবতার স্বার্থে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বাইরে চিকিৎসার সুযোগ দিন।’

গত শনিবার বিকেলে খালেদা জিয়াকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে এভারকেয়ারে ভর্তি করানো হয়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় রোববার ভোরে তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তার।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ‘কিছু হয়ে গেলে’ এর দায় সরকারকেই নিতে হবে হুঁশিয়ারি দেন বিএনপি মহাসচিব।

তিনি বলেন, ‘তার পরিবার থেকে আবারও আবেদন করা হয়েছে। আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি অবিলম্বে তাকে বাইরে চিকিৎসা নেয়ার সুযোগ দেয়া হোক। তার যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে সমস্ত দায়ভার এই সরকারকে বহন করতে হবে। তাই আমরা বলতে চাই আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। প্রতিনিয়ত তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে তিনি অত্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় সিসিইউতে আছেন।’

খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় অন্তরীণ করে রাখারও অভিযোগ তুলেছেন মির্জা ফখরুল। বলেন, ‘একটা মিথ্যা মামলা সাজিয়ে তাকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে। দেশনেত্রীকে কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্তরীণ করে রাখা হয়েছিল আড়াই বছর। পরে তাকে জনগণের চাপে পড়ে ছাড়তে বাধ্য হয় সরকার।’

দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল আওয়াল মিন্টু, সাবেক সাংসদ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আব্দুস সালামসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
সিসিইউতেই আছেন খালেদা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া
আবার এভারকেয়ারে খালেদা
আবার এভারকেয়ারে যাচ্ছেন খালেদা
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে

মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানান, ২০০২ সালের পর আব্বাস আলী যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ওঠাবসা শুরু করেন। এর তিন বছরের মাথায় তিনি মহানগর যুবলীগের সহসভাপতি পদ পেয়ে যান। এর পর থেকে তিনি রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে থাকেন। আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে তিনি উপরে উঠে আসেন।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল বসানোয় আপত্তি তোলা রাজশাহীর কাটাখালীর নৌকার মেয়র আব্বাস আলীকে দলে অনুপ্রবেশকারী বলেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। তার রাজনৈতিক উত্থানের পেছনে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের ভূমিকা আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে আব্বাসকে নৌকা প্রতীক দিতে সুপারিশ করেছিলেন তারা।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ইস্যু নিয়ে সমালোচনা শুরু হওয়ার পর ওই সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন এখন আব্বাসের শাস্তি দাবি করছেন। আর আব্বাস বলছেন, তিনি বিপদে পড়েছেন, এ জন্য তাকে ঘিরে অপপ্রচার চলছে। তিনি দলে সব সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতিই করেছেন।

আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ২০০২ সালের পর আব্বাস আলী যুবলীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ওঠাবসা শুরু করেন। এর তিন বছরের মাথায় তিনি মহানগর যুবলীগের সহসভাপতি পদ পেয়ে যান। এর পর থেকে তিনি রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে থাকেন। দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন বিরোধে। এরই জেরে ২০০৭ সালে তিনি যুবলীগের সহসভাপতি পদ থেকে বহিষ্কৃত হন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মেরাজউদ্দিন মোল্লা। আব্বাস তার সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করেন এবং কাটাখালী এলাকায় নিজের আধিপত্য পাকাপোক্ত করেন। গড়ে তোলেন নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী। পশুর হাটের ইজারাসহ শ্যামপুর বালু মহাল দখলের অভিযোগ ওঠে তার বিরদ্ধে।

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান আয়েন উদ্দিন। তখন মেরাজ উদ্দিন মোল্লা হন বিদ্রোহী প্রার্থী। নৌকার প্রার্থী আয়েন উদ্দিনের বিপক্ষে মাঠে ছিলেন আব্বাস ও তার সমর্থকরা। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়ায় আব্বাস বাহিনী।

নির্বাচনে আয়েন উদ্দিন বিজয়ী হলে আব্বাস আবার তার অবস্থান পাল্টান। এমপি আয়েনও তাকে কাছে টেনে নেন নিজের অবস্থান শক্ত করার আশায়। ফলে এমপি বদল হলেও আব্বাসের আধিপত্য থেকেই যায়। এর সুবাদে দলে কোনো পদে না থাকলেও ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর কাটাখালী পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে যান আব্বাস আলী। মেয়র হওয়ার পর তার প্রতাপ বেড়ে যায় কয়েক গুণ। একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা হয় আব্বাসের। এই সময়ে তার বেপরোয়া আচরণে ক্ষুব্ধ হলেও ত্যাগী নেতা-কর্মীরা হয়ে যান নিরুপায়।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার কিছুদিন পর ২০১৮ সালে কাটাখালী পৌর আওয়ামী লীগের কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটি (আহ্বায়ক কমিটি) দেয়া হয়। এই কমিটির আহ্বায়ক হন আব্বাস।

২০২০ সালের পৌরসভা নির্বাচনে একটি বড় অংশ তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা। কিন্তু সুবিধা করতে পারেননি তারা। সেবারও আওয়ামী লীগের টিকিট পান মেয়র আব্বাস। দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়ে আব্বাস হয়ে যান লাগামহীন। নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও তিনি থাকেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

পৌরসভা ভবনে শুক্রবার প্রতিবাদ সভায় কাউন্সিলররা মেয়র আব্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মঞ্জুর রহমান বলেন, ‘রাজস্ব আদায় বাবদ পৌরসভার ফান্ডে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা ছিল। অথচ এখন চা খাওয়ার টাকাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। হঠাৎ করে পৌর ফান্ডের টাকা গায়েব হয়ে গেছে। বিষয়টি আমি দ্রুত তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘করোনাকালীন অনুদান দেয়ার জন্য কাটাখালী বাজারের কাপড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৮০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করেন মেয়র আব্বাস। কিন্তু সে টাকা কাউকে দেয়া হয়েছে বলে আমাদের জানা নেই।

‘কারোনাকালে চা দোকানদারদের অনুদান দেয়ার নামে কয়েক লাখ টাকা পৌরসভার ফান্ড থেকে হাতিয়ে নেন মেয়র। কিন্তু কোনো চায়ের দোকানদার করোনাকালে অনুদান পাননি।’

৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মজিদ জানান, পৌরসভার কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৩৬ মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া আছে। ফান্ডে টাকা থাকার পরও মেয়র আব্বাস এই বেতন-ভাতা দেননি। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জোর করে বিভিন্ন কাগজে সই করতে বাধ্য করেন। কেউ সই না করলে তাকে চাকরিচ্যুতিসহ নানা হুমকি দেন।

তিনি বলেন, ‘প্রতিবাদ করলে কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গালিগালাজ করতেন মেয়র। আত্মীয়-স্বজনদের নামে ঠিকাদারী লাইসেন্স করে নগর অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ মেয়র নিজে করতেন। আত্মীয়-স্বজনদের নামে হাট-ঘাট ও যানবাহনের টোল আদায়ের ইজারা নিয়েছেন। এসব টোল আদায়ের নামে নিজের লোকজন দিয়ে চাঁদাবাজি করেন।’

পবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন বলেন, ‘মেয়র ভোটের পর থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের কারও সঙ্গে চলেন না। তার সঙ্গে থাকেন বিএনপি নেতারা। কৃষি প্রণোদনাও পায় বিএনপি নেতারা। তার আপন ভাই বিএনপি করে। অন্য এক পক্ষের ভাই করে জাতীয় পার্টি।’

কাঁটাখালি পৌরসভার যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক জনি ইসলাম বলেন, ‘মেয়র বিভিন্ন জায়গা দখল করেছেন। স্কুলের জমি দখল করে তার বাড়ি যাওয়ার রাস্তা তৈরি করছেন। জমি দখল করে তার বাবার নামে স্কুল করেছেন। পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার দোকানদারদের হয়রানি করে চাঁদাবজি করেছেন। সরকারি খাল দখল করে মার্কেট নির্মাণ করেছেন।’

মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে
শুক্রবার ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী

কাটাখালি পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোত্তালেব বলেন, ‘মেয়রের অপকর্মের শেষ নেই। একেবারে জিরো থেকে হিরো। প্রথম মেয়র হওয়ার সময় তেমন টাকা ছিল না, অথচ এখন এখন তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক।’

তিনি বলেন, ‘৯০ সালের দিকে তিনি (আব্বাস) জাতীয়তাবাদী তরুণ দল করতেন। তারপর তিনি জাতীয় পার্টি করতেন। গোপনে গোপনে জামায়াতের সঙ্গে তার আঁতাত ছিল। তার প্রমাণ হচ্ছে ২০১১ সালের নির্বাচনে দলীয় নির্দেশ উপেক্ষা করে বিদ্রোহী হওয়া। ওই নির্বাচনে তিনি নিজেও হারেন, দলীয় প্রার্থীকেও হারান। জিতে যান জামায়াতের নেতা।’

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের কাছে বৃহস্পতিবার আব্বাসের উত্থান প্রসঙ্গে জানতে চান সংবাদ কর্মীরা। এ সময় তিনি জানান, তাকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়নপত্র দেয়ার দায়িত্ব আসলে মহানগর আওয়ামী লীগের নয়। এটি কেন্দ্রীয় কমিটি যাচাই-বাছাই করে দেয়। এখানে জেলা আওয়ামী লীগের হয়তো সুপারিশ থাকে। এভাবে হয়তো সুপারিশের ভিত্তিতে নৌকা পেয়ে থাকতে পারেন।

ডাবলু সরকার বলেন, ‘আমরা জানি, আব্বাসের পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তার এক ভাই হত্যা মামলার আসামি। তার ভাই যুবদল করে। আমাদের বুঝতে দেরি হয়েছে, তিনি একজন অনুপ্রবেশকারী।’

কার ছত্রছায়ায় তিনি আওয়ামী লীগে প্রবেশ করলেন, দলীয় মনোনয়ন পেলেন, সে বিষয়ে তদন্ত হবে বলেও জানান ডাবলু সরকার।

জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ওই সময় কে বা কারা তাকে দলে ঢোকাল, কার সুপারিশে আব্বাস আলী নৌকার মনোনয়ন পেল, এটা তারও প্রশ্ন। তিনি নতুন দায়িত্ব নিয়েছেন।

রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ওই সময়ের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ওই সময়ে পৌর আওয়ামী লীগ এবং থানা আওয়ামী লীগের রেজুলেশনে মনোনয়নের জন্য চার জনের নামের তালিকা দেয়া হয়েছিল। তার মধ্যে আব্বাসের নাম এক নম্বরে দিয়েছিল তারা। আমি আর জেলা সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সম্পাদক, কাটাখালী পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক বসেছিলাম।

‘তখন এমপি আয়েন উদ্দিন বলল, আব্বাসকে দিলে আমরা জিততে পারব। প্রস্তাবিত চার জনের নামই আমরা পাঠিয়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকেই তাকে মনোনয়োন দেয়া হয়েছে। কেন্দ্র থেকেই তাকে দেয়া হয়েছে। আমাদের কাছে যে প্রস্তাব এসেছিল সেই প্রস্তাবগুলো আমার শুধু বাহক হিসেবে পৌঁছে দিয়েছি কেন্দ্রে।’

মেয়র আব্বাস আলীর উত্থানের জন্য অনেকে দায়ী করেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আয়েন উদ্দিনের ভূমিকার। তবে আব্বাসের অডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সংবাদ সম্মেলন করে তার শাস্তির দাবি করেন এমপি আয়েন।

দলে তার অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা তো অনেক সময় বুঝতে পারি না। যদি বুঝতেই পারতাম...তাহলে জাতির পিতাকে হারাইতাম না। খন্দকার মোশতাকের অনুসারীরা অনেক সময় অনেক ঘটনা ঘটায়। সেটি শুধু দলের নয়, দেশের জন্য অত্যন্ত লজ্জা ও দুঃখজনক ঘটনা।’

আয়েন বলেন, ‘এটাও সত্য তার (আব্বাস) ভাই যুবদল করত। সে অন্য দলের সঙ্গে জড়িত ছিল। আপনারা নিশ্চই জানেন, এক ভাই বিএনপি করে, এক ভাই আওয়ামী লীগ করে - এটি দেশের অনেক জায়গাতেই আছে। সংসদ সদস্য নির্বাচনে রহিম ভরসা, করিম ভরসার মতো দুই ভাই দু দলের হিসেবে কাজ করেন। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা হয়তো সেটি মনে করেছে।’

অভিযোগের বিষয়ে মেয়র আব্বাস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পৌরসভার ফান্ড থেকে টাকা নেয়ার প্রশ্নই আসে না। অনুপ্রবেশকারী নয়, আমি শুরু থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি। এখন আমাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
সিসিইউতেই আছেন খালেদা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া
আবার এভারকেয়ারে খালেদা
আবার এভারকেয়ারে যাচ্ছেন খালেদা
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

লিটনের শূন্যপদ পেলেন কামাল

লিটনের শূন্যপদ পেলেন কামাল

এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি পদ শূন্য হয়। এ অবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল। এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পাওয়ায় শূন্য হওয়া ওই পদে তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য পদে মনোনয়ন দিয়েছেন। লিটন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্বও পালন করছেন।

এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হওয়ায় মহানগর সভাপতির পদটি শূন্য হয়েছে। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামালকে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সিসিইউতেই আছেন খালেদা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া
আবার এভারকেয়ারে খালেদা
আবার এভারকেয়ারে যাচ্ছেন খালেদা
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

ছাত্র-শ্রমিক আ‌ন্দোলন ছাড়া মু‌ক্তি নাই: দুদু

ছাত্র-শ্রমিক আ‌ন্দোলন ছাড়া মু‌ক্তি নাই: দুদু

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ফাইল ছবি

দুদু বলেন, ‘১৯৬২ থেকে ১৯৮৯ যতগুলো আন্দোলন সব ছাত্ররা করেছে এবং সমাপ্তির দিকে নিয়ে গেছে। আর প্রবীণরা পেছনে থেকেছে। যারা ছাত্রনেতা আছে তাদের সমালোচনা করার জন্য নয়। এখন কেন জানি মনে হয়, সেই সময়ের আন্দোলনের নায়করা ঢেকে যাচ্ছে।’

ছাত্র আর শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলা না হলে খালেদা জিয়ার মুক্তি মিলবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

তিনি বলেছেন, ‘ছাত্র আন্দোলন আর শ্রমিক আন্দোলন যদি গড়ে তোলা না হয় তাহলে আমরা মুক্তি পাব না। ছাত্র ও শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারলে মিলনের হত্যাকারীদের বিচার করতে পারব। বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে পারব। বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হওয়া ছাড়া দেশে কখনও গণতন্ত্র ফিরে আসবে না।’

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ডিআরইউতে ডা. মিলন দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দুদু বলেন, ‘আজ দেশনেত্রী সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। খুব কষ্ট লাগে, যার সঙ্গে এত বছর রাজনীতি করছি, তার জীবন সংকটাপন্ন অথচ আমরা কার্যকর কোনো ভূমিকা রাখতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘১৯৬২ থেকে ১৯৮৯ যতগুলো আন্দোলন সব ছাত্ররা করেছে এবং সমাপ্তির দিকে নিয়ে গেছে। আর প্রবীণরা পেছনে থেকেছে। যারা ছাত্রনেতা আছে তাদের সমালোচনা করার জন্য নয়। এখন কেন জানি মনে হয়, সেই সময়ের আন্দোলনের নায়করা ঢেকে যাচ্ছে।’

দুদু বলেন, ‘আজকের এই অনুষ্ঠান বর্তমান ছাত্রনেতারা আয়োজন করে আমাদের কে ডাকবে। আমরাও ছাত্র অবস্থায় আমাদের সিনিয়রদেরকে ডেকে নিয়ে অনুষ্ঠান করে শিখেছি। তারপর আমরা ছাত্র আন্দোলন করেছি।’

বিএন‌পির এই নেতা ব‌লেন, ‘আমরা একে অপরের অনেক সমালোচনা করতে পারি। তবে

ছাত্র আন্দোলন আর শ্রমিক আন্দোলন যদি গড়ে তোলা না হয় তাহলে আমরা মুক্তি পাব না।’

নব্বইয়ের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের উদ্যোগে এ আলোচনা সভায় আমান উল্লাহ আমানের সভাপতিত্বে ও ফজলুল হক মিলনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী ক‌মি‌টির সদস‌্য গ‌য়েশ্বর চন্দ্র রায়।

এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন হাবিবুর রহমান, খায়রুল কবির খোকন, জহির উদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
সিসিইউতেই আছেন খালেদা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া
আবার এভারকেয়ারে খালেদা
আবার এভারকেয়ারে যাচ্ছেন খালেদা
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

খালেদার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ হচ্ছে: ফখরুল

খালেদার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ হচ্ছে: ফখরুল

হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে অসুখ, সেই অসুখটা হচ্ছে প্রধানত তার পরিপাকতন্ত্রে। তার অনেক অসুখ। এখন যেটা তার জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে, সেটা হচ্ছে তার পরিপাকতন্ত্র থেকে যে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ হচ্ছে জানিয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিয়েছে।

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত প্রযুক্তি নেই বলেই দিন দিন তার অবস্থা খারাপ হচ্ছে। অতি দ্রুত তাকে বিদেশে নেয়া প্রয়োজন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) শনিবার শহীদ ডা. মিলন দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নব্বইয়ের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আয়োজন করে এ আলোচনা সভার।

এতে দেয়া বক্তব্যে ফখরুল বলেন, ‘এখানে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে অসুখ, সেই অসুখটা হচ্ছে প্রধানত তার পরিপাকতন্ত্রে। তার অনেক অসুখ। এখন যেটা তার জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে, সেটা হচ্ছে তার পরিপাকতন্ত্র থেকে যে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এখন ঠিক কোন জায়গায় তার রক্তপাত হচ্ছে, এটাকে বের করার জন্যে আমাদের ডাক্তাররা, বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ডাক্তার তারা, গত কয়েক দিন ধরে তারা বিভিন্ন রকম কাজ করছেন। চিকিৎসার যে পদ্ধতি আছে, সেই পদ্ধতিতে তারা করেছেন, কিন্তু একটা জায়গায় এসে তারা এগোতে পারছেন না।

‘কারণ আর সেই ধরনের কোনো টেকনোলজি বাংলাদেশে নাই, যে টেকনোলজি দিয়ে তারা সঠিক জায়গায় পৌঁছাতে পারেন, যে কারণে ডাক্তাররা বারবার বলছেন যে, তাকে একটা অ্যাডভান্স সেন্টারে নেয়া দরকার যেখানে এই ডিভাইসগুলো আছে, এই টেকনোলজিগুলো আছে, সেই যন্ত্রপাতিগুলো আছে। সেখানে গেলে তার যে সঠিক রোগ, সেই রোগের জায়গাটা তারা ধরতে পারেন।’

খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে সরকারের মন্ত্রীদের বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দুর্ভাগ্যের ব্যাপার যে, আমাদের দেশে যারা সরকারি দলের রাজনীতি করছেন, তাদের ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো নেই, তাদের মানবিক বোধ তো নেই। আর নিজের সম্পর্কে তাদের এত বেশি দাম্ভিকতা যে, তারা যেকোনো ব্যক্তি সম্পর্কে, বিশেষ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে কটূক্তি করতে এতটুকু দ্বিধা করেন না।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘তারা একবারও মনে করেন না যে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হচ্ছেন সেই মহিয়সী নারী যিনি ১৯৭১ সালে তার স্বামী যখন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তখন তার শিশুপুত্রকে হাতে ধরে পালিয়ে ঢাকায় এসেছিলেন এবং সেখানে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে ক্যান্টনমেন্টের কারাগারে ছিলেন। অর্থাৎ দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে তার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।’

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা তুলে ধরেন ফখরুল বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের প্রতীক; স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক।’

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে সব শ্রেণির মানুষকে, সব পেশার মানুষকে, সমস্ত রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কারণ আমি আগেই বলেছি, স্বৈরাচার আর ফ্যাসিবাদ এক নয়। এই ফ্যাসিবাদ আরও ভয়ংকর। ইতিমধ্যে আমাদের সকল অর্জন তারা ধ্বংস করে দিয়েছে।

‘ইতিমধ্যে আমরা স্বাধীনতার যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, যে আশা-আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা ধূলিসাৎ করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে আমাদের নতুন প্রজন্মের যে সম্ভাবনা আছে, তাকে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে, অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে, স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে তারা। আসুন গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করার জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠাতে আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হই।’

শারীরিক বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন জানিয়ে তাকে দ্রুত বিদেশ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছেন বিএনপি নেতারা।

আরও পড়ুন:
সিসিইউতেই আছেন খালেদা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া
আবার এভারকেয়ারে খালেদা
আবার এভারকেয়ারে যাচ্ছেন খালেদা
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

খালেদার জন্ম মাথা নত করার জন্য হয়নি: গয়েশ্বর

খালেদার জন্ম মাথা নত করার জন্য হয়নি: গয়েশ্বর

নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘খালেদা জিয়া লড়তে জানেন, ভাঙতে পারেন কিন্তু দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করতে জানেন না। মাথা নত করার জন্য খালেদা জিয়ার জন্ম হয়নি।’

গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে বিএনপি চেয়ারপারসন আপসহীন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বলেছেন, তাদের নেত্রীর জন্ম কারও কাছে মাথা নত করার জন্য হয়নি।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ডা. মিলন দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা নিয়ে খালেদা জিয়া এখন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিএনপি থেকে বলা হচ্ছে, তাদের নেত্রীর অবস্থা ‘ভেরি ক্রিটিক্যাল’। তাকে বিদেশ নিতে দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি।

তবে সরকার থেকে বলা হচ্ছে, দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হওয়ায় খালেদাকে বিদেশ যেতে অনুমতি দেয়ার সুযোগ নেই। উপায় রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়া।

সরকারি দলের নেতাদের এসব যুক্তির বিষয়টি তুলে ধরে গয়েশ্বর বলেন, ‘ক্ষমতাসীনরা বলেন, গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমা চাইতে হবে। কার কাছে? ক্ষমা চাওয়ার লোকটা কে? বর্তমানে জীবিতদের মধ্যে এ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ও জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে খালেদা জিয়ার চেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার কে করেছেন?

‘রাস্তায় দাঁড়িয়ে বলুন। খালেদা জিয়া ক্ষমা চাইবে কার কাছে? যারা নিজেরা অপরাধী, যারা বৈধ নয় এবং আইনসিদ্ধ নয় তাদের কাছে? তারা কেন আইনের কথা বলেন?’

আইনমন্ত্রীর সমালোচনা করে গয়েশ্বর বলেন, ‘আইনমন্ত্রী কি জানেন না, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা হলে সর্বোচ্চ আদালত থেকে চূড়ান্ত রায় হতে হয়। আইনমন্ত্রী কি জানেন না পেন্ডিং মামলায় রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়া যায় না। খালেদা জিয়া লড়তে জানেন, ভাঙতে পারেন, কিন্তু দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপস করতে জানেন না। মাথা নত করার জন্য খালেদা জিয়ার জন্ম হয়নি।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা একটা আজব দেশে বাস করছি। যেখানে চিকিৎসার দাবিতেও আন্দোলন করতে হয়। সবাইকে আহ্বান জানাব, এ আন্দোলনই যেন সরকার পতন আন্দোলন হয়।’

৯০-এর দশকের ডাকসু ও সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানসহ ৯০-এর ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতারা।

আরও পড়ুন:
সিসিইউতেই আছেন খালেদা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া
আবার এভারকেয়ারে খালেদা
আবার এভারকেয়ারে যাচ্ছেন খালেদা
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

খালেদাকে সরানোর চেষ্টা ১/১১ থেকে: ফখরুল

খালেদাকে সরানোর চেষ্টা ১/১১ থেকে: ফখরুল

নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা নিয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘এই সরকার দীর্ঘকাল থেকে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে খালেদাকে সরিয়ে ফেলার জন্য, একদলীয় শাসনব্যবস্থা করার জন্য কাজ করছে। আজকে নয়, এটা শুরু হয়েছে ১/১১ থেকে। তারই পরিণতি হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া আজকে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন।’

বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সরিয়ে ফেলতে বর্তমান সরকার ওয়ান ইলেভেন থেকে চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে মৃত্যুর দুয়ারে ঠেলে দেয়া হয়েছে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে শনিবার স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ডা. মিলন দিবসের এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন ফখরুল।

তিনি বলেন, ‘এই সরকার দীর্ঘ কাল থেকে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে খালেদাকে সরিয়ে ফেলার জন্য, একদলীয় শাসনব্যবস্থা করার জন্য কাজ করছে। আজকে নয়, এটা শুরু হয়েছে ১/১১ থেকে। তারই পরিণতি হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া আজকে মৃত্যুর প্রহর গুনছেন।'

১৩ নভেম্বর বিকেলে খালেদা জিয়াকে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে এভারকেয়ারে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হওয়ায় পরের দিন ভোরে তাকে সিসিইউতে নেয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসা চলছে তার।

খালেদার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার ও দল থেকে সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানানো হলেও তাতে সাড়া মিলছে না। বিএনপি থেকে বলা হয়েছে, তাদের নেত্রীর অবস্থা ‘ভ্যারি ক্রিটিক্যাল’।

বিদেশ নিয়ে খালেদাকে চিকিৎসা করানোর যৌক্তিকতা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কেন বেগম জিয়াকে দেশের বাইরে চিকিৎসার জন্য বলছি। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার টেকনোলজি বাংলাদেশে নেই, যেটা দিয়ে খালেদা জিয়ার রোগের সঠিক দিকটা ধরতে পারে। তাই ডাক্তাররা বলছেন, তাকে একটি অ্যাডভান্স সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার জন্য।’

সরকারের সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘তারা ভুলে যায়। ১/১১ তে শেখ হাসিনা যখন গ্রেপ্তার হলেন, তখন বেগম খালেদা জিয়া বিবৃতি দিয়েছিলেন তার মুক্তির জন্য। গণতন্ত্রে বিশ্বাস করা এমন এক নেত্রী। আজকে তাকে আপনারা মৃত্যুর দিকে ঠেকে দিচ্ছেন। কেন দিচ্ছেন আমরা সবাই বুঝি। আপনি ভাবছেন তাকে সরিয়ে দিলে আপনার সামনে বড় কাঁটা সরে যাবে।’

গণতন্ত্র আর বেগম খালেদা জিয়াকে আলাদা করা যাবে না মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, তার চিকিৎসা তার বেঁচে থাকা এই জাতির কাছে অত্যন্ত জরুরি। আজকে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কারণ স্বৈরাচার আর ফ্যাসিবাদ এক নয়।

‘এই ফ্যাসিবাদ আমাদের গণতন্ত্রের সব অর্জন ধ্বংস করে দিয়েছে। তাই আজকে গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য, দেশকে রক্ষা করার জন্যে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানোর জন্য আসুন ঐক্যবদ্ধ হই।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবীর খোকন, ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানসহ নব্বইয়ের ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নেতারা।

আরও পড়ুন:
সিসিইউতেই আছেন খালেদা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া
আবার এভারকেয়ারে খালেদা
আবার এভারকেয়ারে যাচ্ছেন খালেদা
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

৪ মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ আগামী বছর: সেতুমন্ত্রী

৪ মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ আগামী বছর: সেতুমন্ত্রী

কার্পেটিং চলছে পদ্মা সেতুর সড়কে, যা চালু হওয়ার কথা আগামী বছর। ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আগামী বছর কয়েকটি মেগা প্রজেক্টের ওপেনিং হবে। দেশের চেহারা বদলে যাবে। চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের ৭৫ ভাগ কাজ শেষ। আগামী বছর এটিও শেষ হয়ে উদ্বোধন হবে।’

আগামী বছরের মধ্যে দেশে চলমান অন্তত চারটি মেগা প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

জাতীয় মহাসড়ক বিল নিয়ে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিএনপির সংসদ সদস্য (এমপি) হারুন উর রশিদ, রুমিন ফারহানা ও জাতীয় পার্টির এমপি মুজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

কাদের বলেন, ‘আমাদের দেশে আমরা যত কথা বলি, তত কাজ করি না। যা বিশ্বাস করি, তা পালন করি না। সরকারের কি কোনো ভালো কাজ নেই? সেগুলোর প্রশংসা যখন কেউ বক্তব্য দেন, কেউ কি করেন? ২০০৯ সালের আগে সড়কব্যবস্থা কী ছিল? কী সড়ক ছিল?

‘দুই দলের (বিএনপি ও জাতীয় পার্টি) প্রধানের বাড়িই উত্তরবঙ্গে। আর ছয় লেনের কাজ করতে হচ্ছে শেখ হাসিনার সরকারকে। কাজ যেহেতু শুরু হয়েছে, শেষ হয়ে যাবে। একটু ধৈর্য ধরুন। এই সড়কে এলেঙ্গা পর্যন্ত কাজ শেষ। এখন রংপুরের দিকে ৬ লেন যাচ্ছে। রংপুর থেকে একটি অংশ যাবে বুড়িমারী এবং পঞ্চগড় পর্যন্ত যাবে আরেকটি।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা চট্টগ্রামে কী দুরাবস্থা ছিল! আজ কী সুন্দর ফোর লেন হয়েছে। পুরো পথজুড়ে ফুলের শোভা চোখ জুড়িয়ে যায়। রাস্তা দেখবেন? ঢাকা থেকে ভাঙ্গা যান। দেশের একমাত্র এক্সপ্রেসওয়ে। এটি দেখতেই মানুষ ছুটে আসে। পর্যায়ক্রমে দেশের যত রাস্তা আছে সবগুলোকে সার্ভিস লেনসহ ৪ লেনে উন্নীত করব।’

সমালোচনার জবাবে তিনি বলেন, ‘যে সমালোচনা করলেন, বলুন, শেখ হাসিনার আগে কোথায় আন্ডারপাস ছিল? এখন ৩৫টি আন্ডারপাস সরকার নির্মাণ করেছে। আরও ৩৯টির কাজ চলছে। ঢাকার বাহিরে কোনো সরকারের আমলে কি ফ্লাইওভার ছিল? ১৫টি হয়েছে। আরও ২০টির কাজ প্রক্রিয়াধীন।

‘জাতীয় মহাসড়কে ১৫টি রেল ওভারপাস নির্মাণ পাস হয়েছে; আরও ১৩টির কাজ চলমান। কয়টা সেতু ছিল? শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর আমি পাশের মুন্সিগঞ্জের কথা বলি, সেখানে কয়টা বেইলি ব্রিজ? ১২০টি। একটি সেতু কি কোনো সরকার করেছে? ৫৭টি শেষ করেছি; ৪৮টির কয়েক মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সমালোচনা করেন, গঠনমূলক সমালোচনা হওয়া উচিত। অবশ্যই শুদ্ধ করব। আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু কেউ তো একবারও বললেন না, যখন বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু থেকে সরে যায়, সেটি নিজস্ব অর্থায়নে করার সাহস দেখিয়েছেন। আগামী বছর ফসল ঘরে তুলব। এটা কে করেছে?

‘আপনারা তো বলেছেন, জোড়াতালি দিয়ে কাজ হচ্ছে। কেউ উঠবেন না। এত নিষ্ঠুর সমালোচনাও এ দেশে হয়। কী সুন্দর ব্রিজ! হাজার হাজার মানুষ দেখতে আসে। আগামী বছর যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেবেন। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। এটা কি কোনো সরকার করেছে?’

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বনানী পর্যন্ত কাজ হয়েছে, চট্টগ্রাম সড়ক পর্যন্ত যাবে। সমালোচনা করেন, প্রশংসা করেন না। কে করেছে মেট্রোরেল? আগামী বছর আমরা চালু করতে পারব।

‘আগামী বছর কয়েকটি মেগা প্রজেক্টের ওপেনিং হবে। দেশের চেহারা বদলে যাবে। চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের ৭৫ ভাগ কাজ শেষ। আগামী বছর এটিও শেষ হয়ে উদ্বোধন হবে।’

গাজীপুরে নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট নিয়েও কথা বলেন সেতুমন্ত্রী কাদের।

তিনি বলেন, ‘দেখুন একটি প্রকল্প যখন করতে যাবেন সেখানে নির্মাণকাজের যন্ত্রণা থাকে। ভোগান্তি হয়ে গেছে বেশি। রাস্তার ড্রেনেজ ব্যবস্থা অনেক খারাপ। কিন্তু এগুলো কি অতীতে ছিল?

‘একটি কোম্পানি নিয়েছে খুব কম দামে। তারা ঘাটে ঘাটে আমাদের সমস্যায় ফেলেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও দেশটির সাথে কথা বলেছেন। ফান্ডিংয়ের সমস্যা ছিল; গতি পেয়েছে। এই বর্ষাই শেষ বর্ষা। আগামী বর্ষার পরেই আমরা এটি শেষ করতে পারব। ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করতে পারব। প্রধানমন্ত্রী আগামী বছর চারটি মেগা প্রকল্প উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন।’

রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে রমিজউদ্দিন স্কুলের সামনে আন্ডারপাস নির্মাণের কাজও শেষ হয়েছে বলে জানান কাদের।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এটি যেকোনো সময় উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।’

সড়ক পরিবহন বিল নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব দিতে গিয়ে কাদের বলেন, ‘সড়ক পরিবহন বিল নিয়ে সত্য কথা বলতে চাই। সমস্যা আছে, যখন চেয়ারে বসবেন, অনেক কিছু মোকাবিলা করতে হয়। রুমিন যা বলেছেন, ঠিক নয়। সংশোধিত রূপ এখনও দেখেননি। আইন শাখা ভেটিং করেছে, ওয়েবসাইটে মতামত নিচ্ছি।

‘এ আইনে সাজার কঠোরতা শিথিল করা হয়নি। আইনের কঠোরতা কমানো হয়নি। যা ছিল সেটাই আছে, থাকবে। কিছু ভাষাগত ও প্রতিবেশী দেশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যুগোপযোগী করা হয়েছে। কাটছাঁট করে প্রতারণা আমরা করি না।’

আরও পড়ুন:
সিসিইউতেই আছেন খালেদা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া
আবার এভারকেয়ারে খালেদা
আবার এভারকেয়ারে যাচ্ছেন খালেদা
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন