গৃহবধূকে হত্যার পর হাত-পা বিচ্ছিন্ন

গৃহবধূকে হত্যার পর হাত-পা বিচ্ছিন্ন

নিহতের ভাই হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘তেজেম মোল্লা বিয়েবর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। এরই জেরে মঙ্গলবার ভোররাতে হামিদা খাতুনকে কুপিয়ে হত্যা করেন তিনি। হত্যার পর তার এক হাত ও দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করেন। পরে ফোন করে তিনি আমাকে হত্যার বিষয়টি জানিয়ে পালিয়ে যান।’

পাবনায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যার পর তার দেহ থেকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করা হয়।

পুলিশ বলছে, সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামে মঙ্গলবার ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূর নাম হামিদা খাতুন। তিনি ওই গ্রামের তেজেম মোল্লার স্ত্রী। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

নিহতের ভাই হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘তেজেম মোল্লা বিয়েবর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। এরই জেরে মঙ্গলবার ভোররাতে হামিদা খাতুনকে কুপিয়ে হত্যা করেন তিনি। হত্যার পর তার এক হাত ও দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করেন। পরে ফোন করে তিনি আমাকে হত্যার বিষয়টি জানিয়ে পালিয়ে যান।’

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়ন্তদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার সাংবাদিককে হত্যচেষ্টা: ২৪ ঘণ্টায়ও মামলা নেয়নি পুলিশ
ইউপি সদস্য হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি
সীমান্তে হত্যা: মরদেহ ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
পুলিশ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
সীমান্ত হত্যা ন্যক্কারজনক ঘটনা: দোরাইস্বামী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরের রেল বন্ধ

ট্রেন লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরের রেল বন্ধ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় লাইনচ্যুত হয়েছে মালবাহী ট্রেন। ছবি: নিউজবাংলা

পাকশী রেলওয়ের সহকারী প্রকৌশলী শিপন আলী জানান, দুর্ঘটনার কারণে চাটমোহর স্টেশনে ঢাকাগামী লালমনি এক্সপ্রেস ও উল্লাপাড়া স্টেশনে রাজশাহীগামী বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে আছে।

ঢাকা-ঈশ্বরদী রেলপথের পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ আছে।

ভাঙ্গুড়ার বড়ালব্রিজ রেলস্টেশনে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পাকশী রেলওয়ের সহকারী প্রকৌশলী শিপন আলী নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার কারণে চাটমোহর স্টেশনে ঢাকাগামী লালমনি এক্সপ্রেস ও উল্লাপাড়া স্টেশনে রাজশাহীগামী বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে আছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বড়ালব্রিজ স্টেশন পার হওয়ার সময় বিকট শব্দে ট্রেনটির পেছনের ১০টি বগি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর মধ্যে একটি বগি হেলে পড়ে। আরেকটির চাকা লাইন থেকে পড়ে যায়।

বড়ালব্রিজ স্টেশনের বুকিং ক্লার্ক মো. মামুন জানান, পাকশী থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার সাংবাদিককে হত্যচেষ্টা: ২৪ ঘণ্টায়ও মামলা নেয়নি পুলিশ
ইউপি সদস্য হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি
সীমান্তে হত্যা: মরদেহ ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
পুলিশ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
সীমান্ত হত্যা ন্যক্কারজনক ঘটনা: দোরাইস্বামী

শেয়ার করুন

অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে

অপহরণের ১০ দিন পর শিশু উদ্ধার, নারী কারাগারে

ফরিদপুর ভাঙ্গায় অপহরণে জড়িত অভিযোগে জোছনা আক্তার নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরণে জড়িত বলে জোছনাকে শনাক্ত করে পুলিশ। বুধবার পুলিশের একটি দল ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মালিগ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখান থেকে অপহৃত শিশু আয়েশাকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজীপুরের টঙ্গী থেকে অপহৃত পাঁচ মাসের এক শিশুকে ১০ দিন পর ফরিদপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জোছনা আক্তার নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জোছনাকে গাজীপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

টঙ্গী পূর্ব থানায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (দক্ষিণ) হাসিবুল আলম।

তিনি জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মালিগ্রাম থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। ওই সময় জোছনাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার জোছনা ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার চন্ডিদাসদী সোনাখোলা গ্রামের বাসিন্দা। উদ্ধার করা শিশু আয়েশা সিদ্দিকা গাজীপুরের টঙ্গীর পূর্ব আরিচপুর বেলতলা এলাকার পান্না আক্তার-আবুল কাশেম দম্পতির মেয়ে।

পুলিশ কর্মকর্তা হাসিবুল জানান, বিয়ে বিচ্ছেদের পর পাঁচ মাসের শিশু আয়েশাকে নিয়ে টঙ্গীর বেলতলা এলাকায় থাকেন পান্না আক্তার। ১৯ নভেম্বর জোছনা আক্তার ননদ পরিচয়ে শিশুটিকে দেখতে এসে দুদিন পান্নার বাসায় থাকেন। ২১ নভেম্বর সকালে শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে শিশুটিকে না পেয়ে ২৪ নভেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন পান্না।

হাসিবুল বলেন, জিডির সূত্র ধরে বাসার আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরণে জড়িত বলে জোছনাকে শনাক্ত করে পুলিশ। বুধবার পুলিশের একটি দল ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার মালিগ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। সেখান থেকে অপহৃত শিশু আয়েশাকেও উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জোছনা শিশুটিকে অপহরণের কথা স্বীকার করেছেন। জোছনা জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় তার শিশু মারা যায়। এ ঘটনা পরিবারের কাউকে জানাননি তিনি। শিশুটিকে অপহরণ করে গ্রামে নিয়ে নিজের সন্তান বলে পরিচয় দেন জোছনা।

এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না জানতে তাকে রিমান্ডে নেয়া হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা হাসিবুল।

টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ মাসুদ বলেন, অপহরণের অভিযোগে জোছনার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দুপুরে তাকে আদালতে নিলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার সাংবাদিককে হত্যচেষ্টা: ২৪ ঘণ্টায়ও মামলা নেয়নি পুলিশ
ইউপি সদস্য হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি
সীমান্তে হত্যা: মরদেহ ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
পুলিশ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
সীমান্ত হত্যা ন্যক্কারজনক ঘটনা: দোরাইস্বামী

শেয়ার করুন

বরখাস্ত মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এবার নওগাঁয় মামলা

বরখাস্ত মেয়র জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে এবার নওগাঁয় মামলা

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সদ্য সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। ফাইল ছবি

মামলার বাদী নাহিদুজ্জামান রনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি একজন সচেতন নাগরিক। মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধাদের নামে জাহাঙ্গীর যেসব মন্তব্য করেছেন, তাতে চরম আঘাত পেয়েছি। তাই দণ্ডবিধি ৫০৪, ৫০৫ ও ৫০৫ (ক) ধারায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে নওগাঁর আদালতে মামলা হয়েছে।

নওগাঁর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে মামলাটি করেন নাহিদুজ্জামান রনি নামে ৩৭ বছরের এক যুবক।

নাহিদুজ্জামান ‘মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটি’ নামে একটি সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি নওগাঁ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক।

নওগাঁর আমলি আদালত-৫-এর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সরোয়ার জাহান মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে ২০২২ সালের ৩০ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মোমিনুল ইসলাম স্বপন নিউজবাংলাকে জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও ধর্ষণের শিকার মা-বোনদের সংখ্যা নিয়ে বিবাদী বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়েও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে ইতিহাস বিকৃত করেছেন। এ ধরনের বক্তব্যে দেশে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে নাহিদুজ্জামান রনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি একজন সচেতন নাগরিক। মহান স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযোদ্ধাদের নামে জাহাঙ্গীর যেসব মন্তব্য করেছেন, তাতে চরমভাবে আঘাত পেয়েছি। তাই দণ্ডবিধি ৫০৪, ৫০৫ ও ৫০৫ (ক) ধারায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করি।’

এর আগে একই অভিযোগে জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে মামলা হয় রাজবাড়ী ও মাদারীপুরে।

গত সেপ্টেম্বরে গোপনে ধারণ করা জাহাঙ্গীর আলমের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ নিয়েও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দেন মেয়র জাহাঙ্গীর।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯ নভেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভায় জাহাঙ্গীরকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। মেয়র পদ থেকে জাহাঙ্গীরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় ২৫ নভেম্বর।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার সাংবাদিককে হত্যচেষ্টা: ২৪ ঘণ্টায়ও মামলা নেয়নি পুলিশ
ইউপি সদস্য হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি
সীমান্তে হত্যা: মরদেহ ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
পুলিশ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
সীমান্ত হত্যা ন্যক্কারজনক ঘটনা: দোরাইস্বামী

শেয়ার করুন

চবিতে ২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে বিতর্ক উৎসব

চবিতে ২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে বিতর্ক উৎসব

চিটাগং ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল আসআদ জানান, প্রতিযোগিতায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক সংঘ, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি, ইসলামিক প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটিসহ দেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮টি দল অংশ নেবে।

চিটাগং ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি (সিইউডিএস) প্রতিষ্ঠার রজতজয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে আয়োজন করেছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক উৎসবের।

ডিএনসি-সিইউডিএস আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক উৎসব নামে প্রতিযোগিতার প্রথম পর্ব শুক্রবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় পর্বে ফাইনাল রাউন্ড, পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান হবে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটে।

বিতর্ক উৎসবটির পৃষ্ঠপোষকতা করছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

চবি সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানান সংগঠনের সভাপতি আবদুল্লাহ আল আসআদ।

তিনি জানান, প্রতিযোগিতায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক সংঘ, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি, ইসলামিক প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটিসহ দেশের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮টি দল অংশ নেবে। বিচারক হিসেবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিতার্কিকরা।

প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। গেস্ট অব অনার থাকবেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের পুলিশ মহাপরিদর্শক আনোয়ার হোসাইন।

বিশেষ অতিথি থাকবেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের জেনারেল ম্যানেজার নিতাই কুমার ভট্টাচার্য, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পরিচালক মজিবুর রহমান পাটওয়ারী।

সভাপতিত্ব করবেন চবি আইন অনুষদের ডিন ও সিইউডিএস মডারেটর অধ্যাপক এবিএম আবু নোমান।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার সাংবাদিককে হত্যচেষ্টা: ২৪ ঘণ্টায়ও মামলা নেয়নি পুলিশ
ইউপি সদস্য হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি
সীমান্তে হত্যা: মরদেহ ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
পুলিশ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
সীমান্ত হত্যা ন্যক্কারজনক ঘটনা: দোরাইস্বামী

শেয়ার করুন

কক্সবাজার বিমানবন্দর: নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ পাইলটদেরও

কক্সবাজার বিমানবন্দর: নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ পাইলটদেরও

কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে মঙ্গলবার বিকেলে উড়োজাহাজের ধাক্কায় দুটি গরু মারা যায়। ছবি: নিউজবাংলা

কক্সবাজার বিমানবন্দরে কর্মরত একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অভিযোগ, বিমানবন্দরের রানওয়েতে অবতরণের সময় নানা সমস্যা নিয়ে মৌখিক ও লিখিতভাবে পাইলটরা অভিযোগ দিলেও তা আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক মর্যাদা পেলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। দুই দিন আগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের পাখার ধাক্কায় দুই গরুর মৃত্যুর পর তা ফের আলোচনায় উঠে এসেছে।

এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। উঠেছে নতুন অভিযোগও।

কক্সবাজার বিমানবন্দরে কর্মরত একটি বেসরকারি এয়ারলাইন্সের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অভিযোগ, বিমানবন্দরের রানওয়েতে অবতরণের সময় নানা সমস্যা নিয়ে মৌখিক ও লিখিতভাবে পাইলটরা অভিযোগ দিলেও তা আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, দুই সপ্তাহ আগেও অভিযোগ করা হয়েছিল গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন প্রাণীর রানওয়েতে উঠে পড়ার কারণে পাইলটদের অবতরণে সমস্যা হচ্ছে। বিমানবন্দরের কাছে স্থানীয়দের অবাধ চলাচল এবং ভিড়ও বড় সমস্যা।

একাধিক পাইলট জানিয়েছিলেন, চারদিকে প্রচুর মানুষের মধ্যে শঙ্কা নিয়ে বিমান অবতরণ করতে হয় তাদের। বিকেল হলেই বিমানবন্দরের রানওয়ের পাশের সীমানাপ্রাচীর ঘেঁষে ভেতরে চলে ফুটবল খেলা। সেই খেলা দেখতে আবার ভিড় করে অন্তত দুই শতাধিক মানুষ।

তার অভিযোগ, বিভিন্ন সময় এসব বিষয় নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের সিকিউরিটি ইনচার্জকে মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ দিলেও কোনো সমাধান আসেনি।

মঙ্গলবার রাতের ওই ঘটনার পর নির্দিষ্ট সীমানাপ্রাচীরের কাছে দায়িত্বে থাকা চার আনসার সদস্যকে চাকরিচ্যুত করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া গঠন করা হয়েছে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি, তবে তাদের বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি কক্সবাজার বিমানবন্দরের দায়িত্বরতরা।

এ ছাড়া ওই ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এভিয়েশনের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল। বুধবার বিকেলে তারা বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তারা ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার ছাড়েন।

এ প্রতিনিধি দলে ছিলেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (সিকিউরিটি) গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মাহমুদ মান্নাফি।

কক্সবাজার বিমানবন্দর: নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ পাইলটদেরও
বিমানবন্দরের সীমানা প্রাচীরের ভাঙা অংশ দিয়ে অবাধে চলছে যাতায়াত, ঢুকে পড়ছে পশু

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কক্সবাজার বিমানবন্দরের এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, মূলত রানওয়েতে গরু ঢুকেছে সংস্কার কাজের জন্য অরক্ষিত হয়ে পড়া সীমানা প্রচীরের অংশ দিয়ে। পাইলটদের অভিযোগের বিষয়ে অবশ্য কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

আকাশপথ ব্যবহার করে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা শঙ্কা প্রকাশ না করলেও বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় প্রয়োজনে চারদিকে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি তুলেছেন।

ঢাকা থেকে আসা জাহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের একটি বিমানবন্দরে এমন ঘটনা কখনও কাঙ্ক্ষিত হতে পারে না। শুধু চার আনসার নয়, দায়িত্ব অবহেলার দায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপরও পড়ে। প্রয়োজনে তাদেরও পরিবর্তন করা হোক।’

নাদিরা জামান নামে আরেক যাত্রী বলেন, ‘একটি বিদেশি এনজিও সংস্থায় কাজ করার কারণে নিয়মিতই বিমানে কক্সবাজার আসি, কিন্তু বিমানের ধাক্কায় গরুর মৃত্যুর বিষয়টি দেখে নিজের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি হয়েছে। ভাগ্য ভালো ওই বিমানযাত্রীদের। আমরা মনে করি এ বিমানবন্দরে আরও নিরাপত্তা বাড়ানো উচিত।

তবে বারবরের মতোই কক্সবাজার বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক গোলাম মোর্তজা হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কয়েকটি পয়েন্টে সীমানাপ্রাচীর সংস্কারের কাজ চলছে। দ্রুত তা শেষ হলে এসব গবাদিপশু বা বিমানবন্দরের নিরাপত্তাঝুঁকি কেটে যাবে।

কক্সবাজার বিমানবন্দর: নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ পাইলটদেরও
কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে মঙ্গলবার বিকালে উড়োজাহাজের ধাক্কায় দুটি গরু মারা গেছে। ছবি: নিউজবাংলা

তার কাছেও পাইলটদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

২০০৫ সালে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উত্তরে বঙ্গোপসাগরে একটি কার্গো উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে বিদেশি পাইলটসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। কার্গো উড়োজাহাজটি কক্সবাজার থেকে চিংড়ির পোনা নিয়ে যশোর যাচ্ছিল। এ ছাড়া ২০১৭ সালে একটি বেসরকারি উড়োজাহাজের চাকায় পিষ্ট হয়ে রানওয়েতে তিনটি কুকুরের মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার সাংবাদিককে হত্যচেষ্টা: ২৪ ঘণ্টায়ও মামলা নেয়নি পুলিশ
ইউপি সদস্য হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি
সীমান্তে হত্যা: মরদেহ ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
পুলিশ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
সীমান্ত হত্যা ন্যক্কারজনক ঘটনা: দোরাইস্বামী

শেয়ার করুন

সরকারি বাগানের রাবার পাচার, গ্রেপ্তার ২

সরকারি বাগানের রাবার পাচার, গ্রেপ্তার ২

মধুপুরে সরকারি বাগান থেকে ৪ হাজার ৮০ কেজি রাবার পাচারের সময় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

র‌্যাব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, টেংরীর আলোকদিয়া এলাকায় র‌্যাব অভিযান চালিয়ে রাবারভর্তি একটি কার্গো ট্রাকসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি রাবার বাগান থেকে পাচার হওয়া অপরিশোধিত ৪ হাজার ৮০ কেজি রাবার জব্দ করা হয়। এসব কাঁচা রাবারের দাম আনুমানিক ৮ লাখ ১৬ হাজার টাকা।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে সরকারি বাগান থেকে রাবার পাচারের সময় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

উপজেলার টেংরী এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে ৪ হাজার ৮০ কেজি রাবারসহ অপূর্ব চন্দ্র দাস ও শামীম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃত অপূর্ব চন্দ্র দাস মধুপুরের মাস্টারপাড়া এবং শামীম মণ্ডল কাজীপাড়ার বাসিন্দা।

র‌্যাব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গোপন তথ্যে টেংরীর আলোকদিয়া এলাকায় র‌্যাব অভিযান চালিয়ে রাবারভর্তি একটি কার্গো ট্রাকসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে। পরে তল্লাশি চালিয়ে সরকারি রাবার বাগান থেকে পাচার হওয়া অপরিশোধিত ৪ হাজার ৮০ কেজি রাবার জব্দ করা হয়। এসব কাঁচা রাবারের দাম আনুমানিক ৮ লাখ ১৬ হাজার টাকা।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা মধুপুর থানা এলাকার সরকারি বাগানের অপরিশোধিত রাবার অনেক দিন ধরে চুরি করে আসছেন। এসব রাবার তারা কার্গো ট্রাকে তুলে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে বিক্রি করেন।

দুজনের বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় মামলা দিয়ে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র‌্যাব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার সাংবাদিককে হত্যচেষ্টা: ২৪ ঘণ্টায়ও মামলা নেয়নি পুলিশ
ইউপি সদস্য হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি
সীমান্তে হত্যা: মরদেহ ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
পুলিশ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
সীমান্ত হত্যা ন্যক্কারজনক ঘটনা: দোরাইস্বামী

শেয়ার করুন

‘জমির বিরোধের বলি’ ২৫০ হাঁস

‘জমির বিরোধের বলি’ ২৫০ হাঁস

সাভারের এই খামারের ২৫০ হাঁস মরে পড়ে ছিল। ছবি: নিউজবাংলা

খামারমালিক রাশেদ বলেন, ‘জাহাঙ্গীরের সঙ্গে জমি নিয়ে আমার বিরোধ চলছিল। গতকালকেও জাহাঙ্গীর খামারে দুইটা লোক পাঠায় ১০টা হাঁস চেয়েছিল খাওয়ার জন্য। আমি রাজি হইনাই দেখে সে হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমি জিডিও করেছিলাম। এ কারণেই সে হাঁসগুলো মেরে ফেলসে।’

ঢাকার সাভারে ২৫০ হাঁস বিষ দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ তুলেছেন এক খামারি। তিনি জানান, জমির বিরোধের জেরে খামারের ম্যানেজারকে মারধর করে হাঁসগুলোকে বিষ দেয়া হয়েছে।

আশুলিয়ার দরগার পাড় এলাকার রাশেদ ভূঁইয়ার খামারে বৃহস্পতিবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, মরে পড়ে আছে হাঁসগুলো।

রাশেদ নিউজবাংলাকে জানান, চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে লিজ নেয়া জমিতে এক বছর আগে এই খামার গড়ে তোলেন তিনি। ১০০ বেলজিয়াম ও ১৫০ খাকি ক্যাম্বেল হাঁসের বাচ্চা সংগ্রহ করে লালনপালন শুরু করেন। খামারের দেখভালের জন্য ম্যানেজারও রাখেন।

রাশেদ বলেন, ‘আজ দুপুরে ম্যানেজার ফোন করে জানায় যে জাহাঙ্গীর, ফারুক ও বশিরসহ কয়েকজন এসে শেডের চাবি চায়। চাবি না দেয়ায় তাকে মারধর করা হয়। সে পালিয়ে গিয়ে আমাকে ফোন করে। আমি খামারে গিয়ে দেখি একে একে সব হাঁস মারা যাচ্ছে।

‘জাহাঙ্গীরের সঙ্গে জমি নিয়ে আমার বিরোধ চলছিল। গতকালকেও জাহাঙ্গীর খামারে দুইটা লোক পাঠায় ১০টা হাঁস চেয়েছিল খাওয়ার জন্য। আমি রাজি হইনাই দেখে সে হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমি জিডিও করেছিলাম। এ কারণেই সে হাঁসগুলো মেরে ফেলসে।’

অভিযোগের বিষয়ে পাশের গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘জমি নিয়ে মামলা চলছে। দুইপক্ষের উকিল নিয়ে বসার কথা ছিল, কিন্তু রাশেদ আসেন নাই। এরপর থেকে আজ পর্যন্ত ওনার সঙ্গে আমার কোনো কথা হয় নাই।

‘হাস কীভাবে আমি মারব। তার সঙ্গেতো আমার কোনো যোগাযোগই নেই। ষড়যন্ত্র করেই আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।’

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসওয়াদুর রহমান জানান, রাশেদ থানায় জিডি করেছেন যে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। তবে হাঁস মারা যাওয়ার কোনো অভিযোগ এখনও পাওয়া যায়নি।

সাভার উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, খামারমালিক থানায় অভিযোগ করলে পুলিশের মাধ্যমে হাঁসগুলোর ময়নাতদন্ত করা হবে। তারপরই নিশ্চিত করা যাবে, কীভাবে সেগুলো মারা গেল।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার সাংবাদিককে হত্যচেষ্টা: ২৪ ঘণ্টায়ও মামলা নেয়নি পুলিশ
ইউপি সদস্য হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি
সীমান্তে হত্যা: মরদেহ ফেরত চেয়ে মানববন্ধন
পুলিশ হত্যা মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
সীমান্ত হত্যা ন্যক্কারজনক ঘটনা: দোরাইস্বামী

শেয়ার করুন