টাকার মালা দিয়ে ইউপি সদস্যকে বরণ

টাকার মালা দিয়ে ইউপি সদস্যকে বরণ

টাকার মালা গলায় কুমিল্লার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সদস্য এস এম ওসমান খান। ছবি: নিউজবাংলা

মহিউদ্দিন বলেন, ‘১০, ২০ থেকে শুরু করে ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট মিলিয়ে প্রায় ৬৬ হাজার ৮০৫ টাকা দিয়ে মালা বানিয়ে ভাইয়ের গলায় পরিয়ে দিয়েছি। ভাইয়ের গলায় মালা পরিয়ে আমরা আনন্দ প্রকাশ করেছি।’

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক নবনির্বাচিত সদস্যকে টাকার মালা দিয়ে বরণ করে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সদস্য এস এম ওসমান খানকে শনিবার বিকেলে আনন্দ মিছিলের পর টাকার মালা দিয়ে বরণ করা হয়। তাকে বরণের নানা ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও শুরু হয়েছে।

নারান্দিয়া ইউনিয়নে ভোট হয় বৃহস্পতিবার। ভোটে ফুটবল প্রতীক নিয়ে এই ইউপির ১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হন ওসমান। তার জয় উপলক্ষে শনিবার বিজয় মিছিল করা হয়। পরে তাকে প্রায় ৬৭ হাজার টাকা দিয়ে বানানো মালা পরিয়ে দেয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন, ‘প্রথমবারের মতো ১ নং ওয়ার্ড (দুখিয়ার কান্দি ও নয়াকান্দি) এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার পদে নির্বাচন করে ওসমান ভাই বিপুল ভোটে পাস করেছেন। আমরা তাকে টাকার মালা দিয়ে বরণ করে নিয়েছি।’

পাশে থাকা মহিউদ্দিন বলেন, ‘১০, ২০ থেকে শুরু করে ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট মিলিয়ে প্রায় ৬৬ হাজার ৮০৫ টাকা দিয়ে মালা বানিয়ে ভাইয়ের গলায় পরিয়ে দিয়েছি। ভাইয়ের গলায় মালা পরিয়ে আমরা আনন্দ প্রকাশ করেছি।’

নির্বাচনে জয়ী ওসমান খান জানান, তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। বেশ কয়েক বছর আগে দেশে আসেন। ব্যবসা শুরু করেন। যেকোনো কাজে এলাকাবাসীর পাশে ছিলেন। এলাকাবাসী তাকে ভালোবাসেন।

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের আগে দুখিয়ার কান্দি ও নয়াকান্দি গ্রাম থেকে আমরা ছয়জন নির্বাচন করব বলে প্রচার শুরু করি। এই ইউপিতে ভোটার আছে ১ হাজার ৯৬৪ জন। আমাদের দুই গ্রাম মিলিয়ে একটি ওয়ার্ড। পরে চারজন আমাকে সমর্থন দেন। বাকি থাকেন আবদুস সাত্তার ও আমি।

‘আবদুস সাত্তার মোরগ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। আমি ফুটবল নিয়ে। নির্বাচনে আবদুস সাত্তার ৩৫৪ ভোট পান। আর আমি ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৭১৫ ভোট পাই। এলাকার মানুষজন আমার এই বিজয়ে ব্যাপক খুশি।’

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষকের ‘ভোটের প্রচারে’ শিক্ষার্থীরা
নৌকা নিয়ে জামানত হারালেন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়ে’
নির্বাচনে রক্তাক্ত নরসিংদী, ১৫ দিনে ১০ মৃত্যু
ইউপি সদস্য হত্যা: ঘরে আগুন পুলিশের সামনেই
ফিলিপিনো পেট্রিয়াকার রাধাকানাই জয়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

খালেদাকে লন্ডনে নিয়ে অপরাজনীতির প্লাটফর্ম খোলা হবে: মেয়র লিটন

খালেদাকে লন্ডনে নিয়ে অপরাজনীতির প্লাটফর্ম খোলা হবে: মেয়র লিটন

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতাশেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। ছবি: নিউজবাংলা

মেয়র লিটন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক জিয়া অজস্র অপকর্মের নায়ক। হত্যা, খুনসহ বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি এখন লন্ডনে আছেন। তিনি তার মাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে আরেকটি অপরাজনীতির প্লাটফর্ম যে খুলবেন না সেটা বলা যায় না। তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা পানি ঘোলা করার একটি অপচেষ্টা।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে অপরাজনীতির আরেকটি প্লাটফর্ম খোলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মেয়র লিটন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক জিয়া অজস্র অপকর্মের নায়ক। হত্যা, খুনসহ বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি এখন লন্ডনে আছেন।

‘তিনি তার মাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে আরেকটি অপরাজনীতির প্লাটফর্ম যে খুলবেন না সেটা বলা যায় না। তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা পানি ঘোলা করার একটি অপচেষ্টা।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে যখন দৃশ্যমান উন্নয়ন চলছে, তখন একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্য খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করে দেশের মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। সেই কারণে একসঙ্গে থেকে প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

দলের সদস্যদেরই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে বিরোধিতা করার বিষয়ে লিটন বলেন, ‘দু-একটি জায়গায় এমন ঘটনা ঘটছে। সে বিষয়ে আমাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় রয়েছি। দেশের কল্যাণে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

‘তিনি দলের দিকে নজর রাখলেও ফাঁক-ফোকর দিয়ে কোনো ব্যক্তি যারা অন্য চেতনায় বিশ্বাসী তারা যে দলে চলে আসেনি তা বলা যাবে না।’

এর আগে ফুল ‍দিয়ে বঙ্গবন্ধু সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। পরে বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

ওই সময় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, প্যানেল মেয়র সরিফুল ইসলাম বাবুসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষকের ‘ভোটের প্রচারে’ শিক্ষার্থীরা
নৌকা নিয়ে জামানত হারালেন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়ে’
নির্বাচনে রক্তাক্ত নরসিংদী, ১৫ দিনে ১০ মৃত্যু
ইউপি সদস্য হত্যা: ঘরে আগুন পুলিশের সামনেই
ফিলিপিনো পেট্রিয়াকার রাধাকানাই জয়

শেয়ার করুন

‘ঘর থেকে তুলে নিয়ে’ গৃহবধূকে মারধর

‘ঘর থেকে তুলে নিয়ে’ গৃহবধূকে মারধর

রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার ওই নারী লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ছবি: নিউজবাংলা

ওই নারীর স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে তার স্বামী মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। ওই নারী দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন তার চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে। তাকে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে মারধর করা হয়। 

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে এক নারীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলার চরলরেন্স ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওই বাড়ি থেকে বুধবার সকালে উদ্ধার করা হয় ওই নারীকে।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

ওই নারীর অভিযোগ, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে মারধর করেছেন।

ওই নারীর স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে তার স্বামী মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। ওই নারী দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন তার চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে। তাকে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে মারধর করা হয়।

ওই গৃহবধূ জানান, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীই এ হামলার পরিকল্পনা করেছেন। হামলাকারীরা চলে গেলে ক্ষেত থেকে বের হয়ে তিনি প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক সেখানে যান। তিনিই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ওই নারীকে হাসপাতালে পাঠায়।

ওই নারীর স্বামী জসিম উদ্দিন জানান, রাতে তিনি বাড়ি ফেরেননি। তার স্ত্রীর কাছে কোনো মোবাইল ফোনও নেই। তিনি এ ঘটনায় জড়িত নন।

কমলনগর থানার ওসি মোসলেহ উদ্দিন জানান, ওই গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে। থানায় অভিযোগ করা হলে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষকের ‘ভোটের প্রচারে’ শিক্ষার্থীরা
নৌকা নিয়ে জামানত হারালেন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়ে’
নির্বাচনে রক্তাক্ত নরসিংদী, ১৫ দিনে ১০ মৃত্যু
ইউপি সদস্য হত্যা: ঘরে আগুন পুলিশের সামনেই
ফিলিপিনো পেট্রিয়াকার রাধাকানাই জয়

শেয়ার করুন

এনজিও কর্মকর্তা হত্যা: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনে ৪

এনজিও কর্মকর্তা হত্যা: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনে ৪

মানিকগঞ্জে এনজিও পরিচালককে হত্যায় যাবজ্জীবন পাওয়া আসামিরা আদালতে। ছবি: নিউজবাংলা

এনজিওর ফান্ডে জমা হওয়া ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে ২০০৬ সালের ২১ মে শহিদুলকে গলাকেটে হত্যা করে শাহিন ও তার সহযোগীরা। আসামিদের মধ্যে দুজন গ্রেপ্তার আছেন।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় একটি বেসরকারি সংস্থার পরিচালককে হত্যার ১৫ বছর পর এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মানিকগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য বুধবার বিকালে এ রায় দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মথুর নাথ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডের আসামি হলেন শাহিন আলম এবং যাবজ্জীবন পেয়েছেন সাহেদ মিয়া, রাজা মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস ও বিষ্ণু সুইপার।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রহম আলী ও সেলিম মিয়া নামে দুজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে সাহেদ ও বিষ্ণু গ্রেপ্তার আছেন। অন্যরা পলাতক।

নিহত ব্যক্তির নাম মো. শহিদুল। তিনি ছিলেন প্রিয় বাংলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নামে স্থানীয় একটি এনজিওর পরিচালক। তিনি ও আসামি শাহিন মিলেই এই এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন।

এনজিওর ফান্ডে জমা হওয়া ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে ২০০৬ সালের ২১ মে শহিদুলকে গলাকেটে হত্যা করে শাহিন ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় মামলা করে।

২০১৪ সালের ১০ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা সাটুরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল।

২৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া শেষে ১৫ বছর পর এই হত্যা মামলার রায় হয়।

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষকের ‘ভোটের প্রচারে’ শিক্ষার্থীরা
নৌকা নিয়ে জামানত হারালেন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়ে’
নির্বাচনে রক্তাক্ত নরসিংদী, ১৫ দিনে ১০ মৃত্যু
ইউপি সদস্য হত্যা: ঘরে আগুন পুলিশের সামনেই
ফিলিপিনো পেট্রিয়াকার রাধাকানাই জয়

শেয়ার করুন

বিজিবি সদস্য হত্যা একটি ‌দুর্ঘটনা: মহাপরিচালক

বিজিবি সদস্য হত্যা একটি ‌দুর্ঘটনা: মহাপরিচালক

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘এটিকে (সহিংসতা) ঘটনা না বলে; আমি দুর্ঘটনাই বলব। যারা ওই কেন্দ্রে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে; আর যারা ঘটনার পেছনে ছিলেন- তাদের কয়েকজনকে অলরেডি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও পুলিশ দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে বিজিবি সদস্য রুবেল হোসেন নিহতের ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনা’ দাবি করে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘ঘটনাটি মর্মান্তিক।’

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক বুধবার দুপুরে রুবেল হোসেনের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এটিকে (সহিংসতা) ঘটনা না বলে; আমি দুর্ঘটনাই বলব। যারা ওই কেন্দ্রে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে; আর যারা ঘটনার পেছনে ছিলেন- তাদের কয়েকজনকে অলরেডি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও পুলিশ দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রুবেলের পরিবারের জন্য সরকার ও বাহিনীর পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। এ ছাড়া আজকে বিজিবির তরফ থেকে ওদেরকে (রুবেলের পরিবার) কিছু অর্থ দিয়ে গেলাম। ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা করাসহ তাদের একটি থাকার ঘর করে দেয়া হবে।’

এর আগে বিজিবি মহাপরিচালক ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ার সোনাতলায় অবতরণ করেন। পরে বাহিনীটির গাড়িতে করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের বেইগুনি গ্রামে রুবেল হোসেনের বাড়িতে যান।

প্রথমে রুবেলের কবর জিয়ারত করেন। পরে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা ও তাদের খোঁজ খবর নেন।

এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক রুবেলের স্ত্রী জেসমিন বেগমের হাতে পাঁচ লাখ টাকার অনুদানের চেক ও বাবা নজরুল ইসলামকে তিন লাখ টাকার চেক দেন।

২০০৩ সালের ডিসেম্বরের বিজিবিতে যোগ দেন রুবেল হোসেন। তিনি নীলফামারী ৫৬ বিজিবির ল্যান্স নায়েক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

গত ২৮ নভেম্বর নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের গাড়ামারা ইউপি নির্বাচনের ফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পরাজিত এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় নিহত হন তিনি। এ ঘটনায় কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং অফিসার একটি মামলা করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষকের ‘ভোটের প্রচারে’ শিক্ষার্থীরা
নৌকা নিয়ে জামানত হারালেন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়ে’
নির্বাচনে রক্তাক্ত নরসিংদী, ১৫ দিনে ১০ মৃত্যু
ইউপি সদস্য হত্যা: ঘরে আগুন পুলিশের সামনেই
ফিলিপিনো পেট্রিয়াকার রাধাকানাই জয়

শেয়ার করুন

পীরগঞ্জে নিরাপরাধ কাউকে হয়রানি নয়: পুলিশ

পীরগঞ্জে নিরাপরাধ কাউকে হয়রানি নয়: পুলিশ

অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মিজান বলেন, ‘তদন্ত করে কেবল দোষীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা বলা হলেও আমরা চেষ্টা করছি আগে দেয়ার।’

ঠাকুরগাঁয়ের পীরগঞ্জে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় নিরাপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না বলে জানিয়েছেন রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান।

উপজেলার ঘিডোব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এই কেন্দ্রে গত রোববার ভোটের পর অবরুদ্ধ করা হয় তিন পুলিশ ও ১৫-১৬ জন আনসার সদস্যকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও দুই প্লাটুন বিজিবি সেখানে যায়। এলাকাবাসী তাদের ওপর হামলা চালায়। বিজিবি পরে গুলি চালালে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে মৃত্যু হয় তিনজনের।

এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় প্রায় ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে ওই গ্রাম এখন পুরুষশূন্য।

অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মিজান বলেন, ‘তদন্ত করে কেবল দোষীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা বলা হলেও আমরা চেষ্টা করছি আগে দেয়ার।’

এ সময় তদন্ত কমিটির সদস্য রংপুর রেঞ্জের পুলিশ সুপার খন্দকার খালিদ বিন নূর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পীরগঞ্জ সার্কেল) আহসান হাবিবসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষকের ‘ভোটের প্রচারে’ শিক্ষার্থীরা
নৌকা নিয়ে জামানত হারালেন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়ে’
নির্বাচনে রক্তাক্ত নরসিংদী, ১৫ দিনে ১০ মৃত্যু
ইউপি সদস্য হত্যা: ঘরে আগুন পুলিশের সামনেই
ফিলিপিনো পেট্রিয়াকার রাধাকানাই জয়

শেয়ার করুন

যুবলীগের ৭ কর্মীকে ছুরিকাঘাত

যুবলীগের ৭ কর্মীকে ছুরিকাঘাত

দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত হন এই যুবলীগ কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা

আহত টিটু জানান, তারা যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভায় যোগ দিতে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে শহরে এসেছেন। দুপুরে সভায় যাওয়ার পথে মাইকপট্টি এলাকায় একদল লোক তাদের পথরোধ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। 

যশোর শহরে বর্ধিত সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে সাত যুবলীগ কর্মী আহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে।

শহরের মাইকপট্টি এলাকায় বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) বেলায়েত হোসেন।

আহতরা হলেন শহরের মুড়লী এলাকার মো. রাব্বি, আরএন রোড এলাকার মো. হ্যাপী, শহরতলির বিরামপুর এলাকার খাইরুল ইসলাম, সদর চুড়ামনকাটি এলাকার মো. আকিবুর, রুপদিয়া এলাকার শামীম হোসেন, ঝুমঝুমপুর গ্রামের মো. রাসেল ও হামিদপুর গ্রামের মো. টিটু।

তারা যশোর সদর উপজেলা যুবলীগের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুলের কর্মী বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আহত টিটু জানান, তারা যশোর জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভায় যোগ দিতে স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে শহরে এসেছেন। বেলা দেড়টার দিকে সার্কিট হাউস থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়ির সঙ্গে মোটরসাইকেলে চিত্রা মোড়ের একটি আবাসিক হোটেলের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মাইকপট্টি এলাকায় একদল লোক পথরোধ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

আশপাশের লোকজন তাকে নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানকার সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক মনিরুজ্জামান লর্ড জানান, আহতদের মধ্যে খাইরুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যরা শঙ্কামুক্ত।

ঘটনার বিষয়ে জানতে সদর উপজেলা যুবলীগের ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারকে কল দেয়া হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

এএসপি বেলায়েত হোসেন জানান, ব্যক্তিগত রেষারেষির জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই।

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষকের ‘ভোটের প্রচারে’ শিক্ষার্থীরা
নৌকা নিয়ে জামানত হারালেন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়ে’
নির্বাচনে রক্তাক্ত নরসিংদী, ১৫ দিনে ১০ মৃত্যু
ইউপি সদস্য হত্যা: ঘরে আগুন পুলিশের সামনেই
ফিলিপিনো পেট্রিয়াকার রাধাকানাই জয়

শেয়ার করুন

বরিশালে ট্রলারডুবি: চালকের মরদেহ উদ্ধার

বরিশালে ট্রলারডুবি: চালকের মরদেহ উদ্ধার

বরিশালে সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া এই ট্রলারের চালকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে গৌরনদীর টরকি বন্দর থেকে ট্রলারটি মুদির সরঞ্জাম নিয়ে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি যাচ্ছিল। সে সময় স্বরূপকাঠি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা এমআর রাফসান নামের কাঠভর্তি আরেকটি ট্রলারের সঙ্গে এর সংঘর্ষ হয়।

বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া ট্রলারের চালকের মরদেহ পাওয়া গেছে।

বানারীপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল বুধবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে।

৫২ বছর বয়সী মৃত কামাল শেখের বাড়ি পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার চিলতলা গ্রামে।

বানারীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে গৌরনদীর টরকি বন্দর থেকে ট্রলারটি মুদির সরঞ্জাম নিয়ে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি যাচ্ছিল। সে সময় স্বরূপকাঠি থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা এমআর রাফসান নামের কাঠভর্তি আরেকটি ট্রলারের সঙ্গে এর সংঘর্ষ হয়। এতে গৌরনদীর ট্রলারটি ডুবে যায়, নিখোঁজ হন চালক কামাল।

ডুবুরির দল নদীতে অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করলেও ট্রলারটি সন্ধ্যা পর্যন্ত তলিয়েই আছে। সেটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

বানারীপাড়া থানার ওসি হেলাল বলেন, এম আর রাফসান নামের ট্রলারটির চালক আল আমিনকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষকের ‘ভোটের প্রচারে’ শিক্ষার্থীরা
নৌকা নিয়ে জামানত হারালেন ‘স্বাধীনতাবিরোধীর মেয়ে’
নির্বাচনে রক্তাক্ত নরসিংদী, ১৫ দিনে ১০ মৃত্যু
ইউপি সদস্য হত্যা: ঘরে আগুন পুলিশের সামনেই
ফিলিপিনো পেট্রিয়াকার রাধাকানাই জয়

শেয়ার করুন