× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Two groups of BNP clashed at 28 police stations
google_news print-icon

বিএনপির ২ গ্রুপের সংঘর্ষ, ২৮ নেতা-কর্মী পুলিশি হেফাজতে

বিএনপির-২-গ্রুপের-সংঘর্ষ-২৮-নেতা-কর্মী-পুলিশি-হেফাজতে
বাগেরহাটে বিএনপির ২ গ্রুপের সংঘর্ষের পর ২৮ নেতা-কর্মীকে থানায় নেয় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয়রা জানান, বিএনপির কার্যালয়ে হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির একপর্যায়ে ভাঙচুর শুরু হয়। এতে সভা পণ্ড হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে সালাম গ্রুপের নেতা-কর্মীরা পালিয়ে যান। সেখান থেকে পুলিশ ২৮ নেতা-কর্মীকে বাগেরহাট মডেল থানায় নিয়ে যায়।

বাগেরহাটে হামলা ও ভাঙচুরে পণ্ড হয়ে গেছে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সভা।

এ ঘটনায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ টি এম আকরাম হোসেন তালিমসহ ২৮ নেতা-কর্মীকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আহ্বায়ক কমিটির সভা শুরু হয়। সভার শুরুতেই আকরাম হোসেনের সঙ্গে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম গ্রুপের নেতা-কর্মীরা তর্কে জড়িয়ে পড়েন।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিএনপির কার্যালয়ে হাতাহাতি ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির একপর্যায়ে ভাঙচুর শুরু হয়। এতে সভা পণ্ড হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে সালাম গ্রুপের নেতা-কর্মীরা পালিয়ে যান।

পরে সভাস্থল থেকে পুলিশ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকরাম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ কামরুল ইসলাম গোরা, শেখ ফরিদুল ইসলামসহ ২৮ নেতা-কর্মীকে বাগেরহাট মডেল থানায় নিয়ে যায়।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘মিটিংয়ে ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলব।’

এ বিষয়ে বাগেরহাট পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ শাহেদ আলী রবি বলেন, ‘সকালে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সভায় আমরা সবাই উপস্থিত হই। শুরুতেই বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক আকরাম হোসেন কয়েকজন নেতা-কর্মীর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এটা দেখার পর আমরা সভাস্থল ত্যাগ করি।’

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মোজাফ্ফর রহমান আলম বলেন, ‘সভায় দুপুর ১টার দিকে বক্তব্য রাখছিলেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সৈয়দ নাসির আহমেদ মালেক। এ সময় কয়েক নেতাকর্মী বিএনপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বাগ্ বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায় দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা ভাঙচুর চালান। এতে ১০-১৫ জন আহত হন। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।’

এ বিষয়ে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার কে এম আরিফুল হক বলেন, ‘বিএনপি কার্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। কি নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত সে বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।’

এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি বলে জানান পুলিশ সুপার।

আরও পড়ুন:
পল্টনে সংঘর্ষের মামলায় ২০ জনের জামিন
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In Jhalkathi disaster related people have been ordered to stay at work

ঝালকাঠিতে দুর্যোগ সংশ্লিষ্টদের কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ

ঝালকাঠিতে দুর্যোগ সংশ্লিষ্টদের কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ মোকাবিলায় শনিবার সকালে ঝালকাঠি জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় নির্ধারিত সাইক্লোন শেল্টারসহ আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার উপযোগী করা হচ্ছে। এ ছাড়াও দুর্যোগকালীন সময়ে স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে জরুরি কাজে অংশগ্রহণের জন্য।

ঝালকাঠিতে ঘূর্ণিঝড়রেমাল’ মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া শুরু হয়েছে। এ কয়দিন দুর্যোগ সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্টেশন ত্যাগ না করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় ঝালকাঠি জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ঝালকাঠি জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় শনিবার সকালে এ নির্দেশনার কথা বলা হয়।

সভায় জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুম বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া শুরু হয়েছে। এ কয়দিন সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্টেশন ত্যাগ না করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় নির্ধারিত সাইক্লোন শেল্টারসহ আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য জেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্যবহার উপযোগী করা হচ্ছে। এ ছাড়াও দুর্যোগকালীন সময়ে স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে জরুরি কাজে অংশগ্রহণের জন্য।

আরও পড়ুন:
বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ হয়ে উঠতে পারে সকালেই
সাগরে নিম্নচাপ, আরও এগোল বন্দরের দিকে
উপকূলে রোববার আঘাত হানতে পারে ‘রেমাল’
জলাবদ্ধতায় আটকে আমির, ২৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার
মিগজাউমের প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না: দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There will be no gas for 10 hours on Sunday in those areas

রোববার ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়

রোববার ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় প্রতীকী ছবি
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুভল্যা, মির্জাপুর এলাকায় গ্যাস পাইপলাইন মেরামত ও স্থানান্তর কাজের জন্য রোববার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১০ ঘণ্টা এলেংগা থেকে কালিয়াকৈর সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

গ্যাস পাইপলাইন মেরামত ও স্থানান্তর কাজের জন্য রোববার এলেঙ্গা থেকে কালিয়াকৈর পর্যন্ত ১০ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুভল্যা, মির্জাপুর এলাকায় গ্যাস পাইপলাইন মেরামত ও স্থানান্তর কাজের জন্য রোববার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১০ ঘণ্টা এলেঙ্গা থেকে কালিয়াকৈরে সব শ্রেণির গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়াও আশপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:
সিলেটের আরেক কূপে গ্যাসের সন্ধান
উত্তরায় শনিবার ১৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
গ্যাস চুরি প্রতিরোধে গজারিয়ায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন
দোকানে দোকানে ‘গ্যাস বোমা’
১২ কেজির এলপিজিতে ৪৯ টাকা কমল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Covered van hit lorry killed 2

টাঙ্গাইলে চলন্ত লরির পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২

টাঙ্গাইলে চলন্ত লরির পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কা, নিহত ২ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কাভার্ড ভ্যান ও লরির সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোরে লরি ও কাভার্ড ভ্যানটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পুংলী ব্রিজের কাছে পৌঁছলে কাভার্ড ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লরির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে কাভার্ড ভ্যানের চালক ও হেলপার নিহত হন।

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে কাভার্ড ভ্যান ও লরির সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে উপজেলার পুংলী ব্রিজের কাছে শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুইজনের মধ্যে কাভার্ড ভ্যানের চালক আলমগীর হোসেনের বাড়ি যশোর জেলায়, তবে হেলপারের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোরে লরি ও কাভার্ড ভ্যানটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পুংলী ব্রিজের কাছে পৌঁছলে কাভার্ড ভ্যানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লরির পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে কাভার্ড ভ্যানের চালক ও হেলপার নিহত হন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) মীর মো. সাজেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাদের পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশ কাজ করছে।

এদিকে কালিহাতীর উপজেলার ভূঞাপুর লিংক রোডে ভোরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হানিফ পরিবহনের একটি বাস উল্টে যায়। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত আটজন।
তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
শ্রীনগরে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় নিহত ২
সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী নিহত, আহত পুলিশ কর্মকর্তা
মেরিন ড্রাইভ সড়কে দুর্ঘটনায় পর্যটকসহ নিহত ২
নরসিংদীতে বজ্রপাতে মা-ছেলেসহ তিনজন নিহত
বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের ধাক্কায় কলেজছাত্র নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two Bangladeshis were injured in a mine explosion on the border

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত আহত সোনা মিয়াকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
ঘুমধুম ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলমের ধারণা, মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু আনতে গিয়ে তারা আহত হয়েছেন।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তমব্রু সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই বাংলাদেশি আহত হয়েছেন।

শুক্রবার রাত সোয়া ৮টার দিকে তমব্রু সীমান্তের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি এলাকা সংলগ্ন মিয়ানমারের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।

ঘুমধুম ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা হলেন- তমব্রু পশ্চিমকূল এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে ১৬ বছরের নবী হোসেন ওরফে সোনা মিয়া এবং একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে ৩০ বছর বয়সী আবু তাহের।

মেম্বার আলম জানান, রাতে সীমান্তের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পিলার সংলগ্ন মিয়ানমারের ভেতরে হঠাৎ বড় ধরনের বিস্ফোরণ হয়। এতে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে সীমান্তের ওপার থেকে আহত দুই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় আসতে দেখেন স্থানীয়রা।

তিনি জানান, সঙ্গে সঙ্গে তাদের কুতুপালংয়ের এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তবে অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান।

আহতদের স্বজনরা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে সোনা মিয়ার ডান পায়ের গোড়ালি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম হয়েছে। এছাড়া আবু তাহেরের শরীরেও বিভিন্ন স্থানে জখন হয়েছে।

ইউপি সদস্যের ধারণা, মিয়ানমার থেকে চোরাই পথে গরু আনতে গিয়ে তারা আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
ভারত থেকে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় আটক ৮
গরু পাচারকারী চক্র ও ডাকাতদলের গোলাগুলি, নিহত ১
মিয়ানমারে ফের গোলাগুলি, কাঁপল টেকনাফ সীমান্ত
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ফের ৩ বাংলাদেশি আহত
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে মাইন বিস্ফোরণে ২ বাংলাদেশি আহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 arrested in Jessore for beating a man to death for love

যশোরে প্রেম নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩

যশোরে প্রেম নিয়ে একজনকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩ ফাইল ছবি
স্থানীয়রা জানান, কন্যাদাহ গ্রামের একটি মেয়ের সঙ্গে স্থানীয় একটি ছেলের দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে হাসান মেম্বারসহ ১০-১২ জন ব্যক্তি ছেলেটির মামাতো ভাই সাইফুল ইসলাম মুকুলের বাড়িতে তাকে খুঁজতে যান। এ সময় ছেলেটিকে না পেয়ে মুকুল ও বকুলকে মেরে গুরুতর আহত করে ফেলে যান।

যশোরে প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে ইউপি মেম্বারসহ ১০/১২ জন মিলে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছে।

গত বুধবার রাত ১০ টার দিকে শার্শা উপজেলার উলাশী ইউনিয়নের কন্যাদাহ গ্রামে সাইফুল ইসলাম মুকুল ও তার ভাই শরিফুল ইসলাম বকুলকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুকুল মারা যান।

এ ঘটনায় শুক্রবার নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে শার্শা থানায় একটি মামলা হয়। মামলার পর ওই ইউপি সদস্যসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উলাশী ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য ৩৫ বছর বয়সী হাসান মেম্বার, ৪৫ বছর বয়সী তাজউদ্দিন ও ৩৭ বছর বয়সী কামরুজ্জামান।

স্থানীয়রা জানান, কন্যাদাহ গ্রামের একটি মেয়ের সঙ্গে স্থানীয় একটি ছেলের দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে হাসান মেম্বারসহ ১০-১২ জন ব্যক্তি ছেলেটির মামাতো ভাই সাইফুল ইসলাম মুকুলের বাড়িতে তাকে খুঁজতে যান। এ সময় ছেলেটিকে না পেয়ে মুকুল ও বকুলকে মেরে গুরুতর আহত করে ফেলে যান।

পরে প্রতিবেশীরা তাদের চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এর মধ্যে মুকুলের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

শার্শা থানার ওসি শেখ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘নিহতের ফুফাত ভাইয়ের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্যের এক আত্নীয়ের প্রেমঘটিত সম্পর্কের জেরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মামলা হলে ইউপি সদস্য হাসানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কাপড় ধুতে বলায় স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
ঝালকাঠিতে গাছে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
জমি নিয়ে বিরোধে ভাতিজিকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ
ফেরিওয়ালাকে হত্যায় নারীর মৃত্যুদণ্ড, স্বামীর জেল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two were abducted while visiting the fountain in Teknaf

টেকনাফে ঝর্ণা দেখতে গিয়ে দুজন অপহৃত

টেকনাফে ঝর্ণা দেখতে গিয়ে দুজন অপহৃত অপহরণের পর পাহাড়ে অনুসন্ধানে নেমেছে পুলিশ। ফাইল ছবি
টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি জানান, অপহৃতদের গহীন পাহাড়ের জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার সময় রিয়াদ পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন। এতে অপহরণকারীরা তাকে মেরে রক্তাক্ত করে। পরে ফের তিনি কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও অপর দুইজনকে অপহরণকারীরা নিয়ে যায়।

কক্সবাজারের টেকনাফে ঝর্ণা দেখতে গিয়ে দুই দর্শনার্থীসহ তিনজন অপহরণের শিকার হন। পরে মারধরের শিকার হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় একজন পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও দুজনের সন্ধান এখনও মিলছে না।

শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়ার বাঘঘোনা ঝর্ণা দেখতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি।

তিনি জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান শুরু করলেও এখনও অপহৃত দুইজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

অপহৃতরা হলেন- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পূর্ব রূপকানিয়া এলাকার মো. মোস্তাক আহমদের ছেলে ২২ বছর বয়সী মোহাম্মদ রিদওয়ান এবং স্থানীয় বাঘঘোনা এলাকার মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে ১৮ বছর বয়সী রিদওয়ান।

আর সাতকানিয়ার উপজেলার পূর্ব রূপকানিয়া এলাকার মো. মোস্তাক আহমদের ছেলে ৩৫ বছর বয়সী মো. ফজলুল করিম রিয়াদ অপহরণকারীদের কবল থেকে পালিয়ে আসেন। তিনি রিদওয়ানের বড় ভাই। অপহৃত আরেক রিদওয়ান ওই দুই ভাইয়ের দোকানের কর্মচারী।

পুলিশ জানিয়েছে, অপহৃত দুই ভাই মো. ফজলুল করিম রিয়াদ ও মোহাম্মদ রিদওয়ান ব্যবসায়িক সূত্রে বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালিয়া পাড়ায় অবস্থান করেন। সেখানে তাদের একটি দোকান রয়েছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি ওসমান গনি জানান, শুক্রবার বিকেলে বাঘঘোনা এলাকায় ওই দুই ভাই তাদের কর্মচারী স্থানীয় রিদওয়ানকে সঙ্গে নিয়ে ঝর্ণা দেখতে যান। এক পর্যায়ে ঝর্ণা এলাকা থেকে মুখোশধারী ৪/৫ জনের একদল দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করে নিয়ে যায়।

অপহৃতদের গহীন পাহাড়ের জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যাওয়ার সময় রিয়াদ পালিয়ে আসার চেষ্টা করেন। এতে অপহরণকারীরা তাকে মেরে রক্তাক্ত করে। পরে ফের তিনি কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হলেও অপর দুইজনকে অপহরণকারীরা নিয়ে যায়।

আহত অবস্থায় পালিয়ে আসা রিয়াদকে স্থানীয়রা কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ওসি বলেন, ‘ঘটনার খবর শুনে অপহৃতদের উদ্ধারে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করে। টেকনাফে বাহারছড়া ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ের সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালালেও অপহৃতদের উদ্ধার করা যায়নি। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসায় আপাতত পুলিশ পাহাড়ে অভিযান স্থগিত রাখা হয়েছে।’

অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য নিয়ে রাতেই সাঁড়াশি অভিযান শুরু করা হবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
টেকনাফে অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫
টেকনাফের সড়কে পাওয়া গেল অপহৃত ২ জনকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The temperature of Sylhet is breaking records every day

প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস

প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে সিলেটের তাপমাত্রা, গরমে হাঁসফাঁস ফাইল ছবি
সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন বলেন, ‘দেশে সাধারণত মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে গরম বেশি থাকে। বৃষ্টি হলে এই সময়ে গরম কিছুটা কমে। তবে আগামী কয়েকদিন এরকম গরম থাকতে পারে।’

সিলেটজুড়ে বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ। প্রতিদিনই রেকর্ড ছাড়াচ্ছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের এই জনপদের তাপমাত্রা।

শুক্রবার বেলা ৩টায় সিলেটের তাপমাত্রা ছিলো ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলিসিয়াস, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে পারদ ওঠে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা মৌসুমের সর্বোচ্চ ছিল। একদিন পরই সে রেকর্ড ভেঙে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায়।

তাপমাত্রা বাড়ায় বেড়েছে গরমও। গত তিন-চারদিন ধরে টানা গরমে নগরবাসীর হাঁসফাঁস অবস্থা; বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষেরা রয়েছেন কষ্টে।

গত ১৬ মে ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় সিলেটের তাপমাত্রা। তখন সেটিই ছিল মৌসুমের সর্বোচ্চ। তার পর থেকে ধারাবিহকভাবে বেড়ে চলছে এ জেলার পারদ।

সিলেটে গত ২ সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ। মাঝখানে সোমবার বৃষ্টি হলেও তাপমাত্রা কমার কোনো লক্ষণ নেই।

এদিকে গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিং। ফলে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছেন সিলেটবাসী।

শুক্রবার অফিস-আদালত ও স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া তেমন কেউ বাইরে সড়কে বের হননি। ফলে দুপুর পর্যন্ত নগরের সড়কগুলো ছিলো অনেকটাই ফাঁকা। তবে গরমের মধ্যে লোডশেডিংয়ের কারণে ঘরে থাকাও দায় হয়ে উঠেছে।

নগরের শিবগঞ্জ এলাকার গৃহিনী তাসনিম আক্তার বলেন, ‘বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ থাকায় আজ বাইরে বের হতে হয়নি, কিন্তু রান্নাবান্না তো করতে হচ্ছে! এই গরমে ঘরে বসে থাকাই দায়; সেখানে চুলার কাছে গেলে তো মনে হয় শরীরে আগুন ধরে যাচ্ছে। এরইমধ্যে কিছুক্ষণ পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ফলে ঘরে থাকারও উপায় নেই।’

নগরের কিন ব্রিজ এলাকায় রিকশা থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন চালক কায়সার আহমদ।

তিনি বলেন, ‘শীত-গরম যেটাই বাড়ুক, সবসময়ই মোদের রিকশা নিয়ে বের হতে হয়। নাহলে খাওয়া জুটবে না, কিন্তু এই গরমে রিকশা চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই কিছুক্ষণ পরপর ছায়ায় বিশ্রাম নিয়ে নিচ্ছি।’

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শাহ মোহাম্মদ সজীব হোসেন বলেন, ‘দেশে সাধারণত মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে গরম বেশি থাকে। বৃষ্টি হলে এই সময়ে গরম কিছুটা কমে। তবে আগামী কয়েকদিন এরকম গরম থাকতে পারে।’

তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
চুয়াডাঙ্গায় ফের তীব্র তাপপ্রবাহ, তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে
সব বিভাগে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ
সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রূপ নিল নিম্নচাপে, বন্দরে এক নম্বর সংকেত

মন্তব্য

p
উপরে