সার্ভিস চার্জ ২৩ শতাংশ বাড়িয়েছে বিকডা

সার্ভিস চার্জ ২৩ শতাংশ বাড়িয়েছে বিকডা

চট্টগ্রাম বন্দর

বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার প্রভাব কাটিয়ে সবেমাত্র তৈরি পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দেশে অন্য খরচ বেশি হলেও শ্রমিক খরচ কম বলে এখন পর্যাপ্ত কার্যাদেশ আসছে পোশাক খাতে। এখন বাড়তি চার্জ চাপিয়ে দেয়া হলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আমরা পিছিয়ে যাব।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণ দেখিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের ১৯টি বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোর (আইসিডি) সার্ভিস চার্জ ২৩ শতাংশ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশন (বিকডা)।

এ চার্জ ৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করার কথা। কনটেইনার ডিপোর সার্ভিস চার্জ বাড়ালে দেশের তৈরি পোশাক খাত নতুন করে সংকটে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোর (আইসিডি) মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশন (বিকডা)।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে রপ্তানি পণ্যের ৯০ শতাংশ ডিপোর মাধ্যমে কনটেইনারে বোঝাই হয়। আর খাদ্যপণ্যসহ ৩৭ ধরনের আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনার চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ থেকে নামানোর পর ডিপোতে নিয়ে খালাস করতে হয়। এর পরিমাণ মোট আমদানির ২১ শতাংশ। অর্থাৎ রপ্তানিতে ৯০ শতাংশ এবং আমদানিতে ২১ শতাংশ পণ্যে এ প্রভাব পড়বে।

চট্টগ্রাম বন্দরের ১ থেকে ২৬ কিলোমিটারের মধ্যে ১৯টি কনটেইনার ডিপো এই মাশুল আদায় করবে। তবে ডিপোগুলো বেশি ব্যবহার করেন তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীরা।

আমদানি পণ্য খালাস, রপ্তানি পণ্য কনটেইনার বোঝাই, চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার পরিবহন, কনটেইনার ওঠানো-নামানো এবং ওজন মাপার চার্জ বৃদ্ধি করেছে বিকডা। কনটেইনার ডিপো আরও ব্যবহার করেন আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, বিদেশি ক্রেতা এবং কনটেইনার মালিকপক্ষ।

আগের নিয়মে ২০ ফুট লম্বা কনটেইনার পরিবহন মাশুল ছিল ১ হাজার ১৫০ টাকা। ২৬৫ টাকা বাড়িয়ে তা করা হয়েছে ১ হাজার ৪৫০ টাকা। ৪০ ফুটের কনটেইনার ২ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার ৮৩০ টাকা করা হয়েছে।

২০ ফুট কনটেইনারে ইমপোর্ট হ্যান্ডেলিং প্যাকেজ আগে ৭ হাজার ৯৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯ হাজার ৭৫৪ টাকা এবং ৪০ ফুটের ক্ষেত্রে ৯ হাজার ১৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার ২৫৫ টাকা করা হয়েছে। এক্সপোর্ট স্টাফিং প্যাকেজ চার্জ ২০ ফুটের কনটেইনারে আগের ৪ হাজার ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার ৯২ টাকা এবং ৪০ ফুটের ক্ষেত্রে ৫ হাজার ৫২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ হাজার ৭৯০ টাকা করা হয়েছে।

লিফট অন-লিফট অফ এর ক্ষেত্রে ২০ ফুট এবং ৪০ ফুট কনটেইনার ৩৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ভিজিএম চার্জে ২০ ফুট এবং ৪০ ফুট কনটেইনার ১ হাজার ১৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৪১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কনটেইনার ডিপোর চার্জ বাড়ানোর সিদ্ধান্তের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে। কারণ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ৮০ শতাংশ তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়। এ ছাড়া নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে এ সিদ্ধান্তের কারণে।

পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার প্রভাব কাটিয়ে সবেমাত্র তৈরি পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দেশে অন্য খরচ বেশি হলেও শ্রমিক খরচ কম বলে এখন পর্যাপ্ত কার্যাদেশ আসছে পোশাক খাতে। এখন বাড়তি চার্জ চাপিয়ে দেয়া হলে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আমরা পিছিয়ে যাব।’

তিনি বলেন, ‘কনটেইনার ডিপোগুলো যেন বাড়তি চার্জ না নেয়, সে জন্য প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের কাছে চিঠি দেব। আর তা না হলে কনটেইনার ডিপো বাদ দিয়ে আমরা সরাসরি বন্দর থেকে পণ্য খালাস নেব। তবুও এত চার্জ বহন করতে পারব না।’

বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) সহসভাপতি খায়রুল আলম সুজন বলেন, ‘২৩ শতাংশ চার্জ বাড়ায় বিশেষ করে রপ্তানিকারকরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হবে। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে। এ খাতে বিরূপ প্রভাব পড়বে। সরকারের এ সিদ্ধান্ত নতুন করে বিবেচনা করা প্রয়োজন।’

বিকডার সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান বলেন, ‘ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে আইসিডিতে আর্থিক সংকট আরও বেড়েছে। পণ্যবাহী গাড়ি ও আইসিডির যন্ত্রপাতির জ্বালানি খরচ বাড়ছে। সব সমন্বয় করতে জ্বালানি সারচার্জ আরোপ করা হয়েছে। যে চার্জ বাড়ানো হয়েছে তা অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় সমন্বয়ে ব্যয় হবে। এ ছাড়া আইসিডি কোনো ব্যয় বৃদ্ধি করেনি।’

২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল চার হাজার ১০০ কোটি ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের আয় ছিল তিন হাজার ৩৬৭ কোটি ডলার। এ হিসাবে ১৩.৩৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে চলতি অর্থবছরে। কনটেইনার ডিপোর বাড়তি চার্জের কারণে তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় অর্জিত হবে কি না সেটা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভ্যাট লটারিতে পুরস্কার পেলেন যারা

ভ্যাট লটারিতে পুরস্কার পেলেন যারা

জাতীয় রাজস্ব ভবন। ফাইল ছবি

প্রথম বিজয়ী ১ লাখ টাকা, দ্বিতীয় বিজয়ী ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় বিজয়ী ৫ জন পাবেন ২৫ হাজার টাকা করে। বাকি ৯৪ জনের পুরস্কারের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা।

নভেম্বর মাসের ভ্যাটের লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম বিজয়ীর কুপন নম্বর হলো ০০৩৪২১ ওআইএফজিএক্সপিইউ ১৮৯। এই বিজয়ী পাবেন এক লাখ টাকা।

দ্বিতীয় পুরস্কার বিজয়ীর কুপন নম্বর হলো ০০২৪২১আইডিকেসিডিকেসি ২৫০। এ ক্ষেত্রে বিজয়ী ব্যক্তি পাবেন ৫০ হাজার টাকা।

রোববার গত অক্টোবর মাসজুড়ে ইলেকট্রনিক ফিসকেল ডিভাইস (ইএফডি) বা ভ্যাটের মেশিনের মাধ্যমে বেচাকেনার রসিদের ওপর লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ১১তম ড্র

লটারি বিজয়ীর নাম ঘোষণা উপলক্ষে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলনকক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এনবিআরের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। গত জানুয়ারি মাস থেকে প্রথমবারের মতো প্রতি মাসে ১০১ ভ্যাটদাতাকে এই ধরনের পুরস্কার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, লটারিতে গ্রাহকদের কাছ থেকে খুব বেশি সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য পণ্যমূল্যে ভ্যাট যুক্ত থাকবে। এটি গ্রাহককে স্বস্তি দেবে।

প্রথম বিজয়ী ১ লাখ টাকা, দ্বিতীয় বিজয়ী ৫০ হাজার টাকা এবং তৃতীয় বিজয়ী ৫ জন পাবেন ২৫ হাজার টাকা করে। বাকি ৯৪ জনের পুরস্কারের পরিমাণ ১০ হাজার টাকা। ইএফডি মেশিনের মাধ্যমে বেচাকেনাকে উৎসাহিত করতে এনবিআর ভ্যাট বিভাগ লটারির আয়োজন করেছে।

বিজয়ীদের চলতি মাসের শেষ কার্যদিবসের মধ্যে পুরস্কারের জন্য আবেদন করতে হবে। এরপর কুপন নম্বর মিলিয়ে দেখাসহ যাবতীয় যাচাই–বাছাই করা হবে। আবেদনপত্রে আবেদনকারীর নাম, সই, ঠিকানা, মুঠোফোন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), চালান নম্বর, ইস্যুর তারিখ থাকতে হবে।

লটারি ড্র কমিটি ওয়েব বেসড সফটওয়্যার এ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে লটারির ব্যবস্থা করে। লটারিতে এক লাখ টাকা থেকে দশ হাজার পর্যন্ত মোট ১০১ টি পুরস্কার রয়েছে ।

লটারির ড্র এর ফলাফল জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইট (www.nbr.gov.bd) ও পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মধ্যে দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করা হয়।

ক্রেতাদের ভ্যাট প্রদানে উৎসাহিত করতে এই লটারির আয়োজন করা হয় । প্রতি মাসের ৫ তারিখ বা ৫ তারিখ সরকারি ছুটির দিনে সম্ভব না হলে পরবর্তী কর্মদিবসে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন

কুমিল্লার বিজরাবাজারে আল-আরাফাহ্ ব্যাংক

কুমিল্লার বিজরাবাজারে আল-আরাফাহ্ ব্যাংক

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, ‘শুধু আর্থিক লাভের জন্য আল-আরাফাহ্ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষকে সুদের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ব্যাংক।’

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার বিজরাবাজারে শাখা খুলেছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক। এটি ব্যাংকটির ১৯৭তম শাখা।

রোববার ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু নাছের মো. ইয়াহিয়া শাখাটির উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী, পরিচালক আলহাজ্ব আব্দুল মালেক মোল্লা, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম জাফর, শাব্বির আহমেদ, শফিকুর রহমান, সৈয়দ মাসুদুল বারী এবং মাহমুদুর রহমান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াহিয়া বলেন, ‘শুধু আর্থিক লাভের জন্য আমাদের ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষকে সুদের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক।’

নতুন শাখাসহ ব্যাংকের সকল শাখায় শরীয়াহ্ সম্মতভাবে সর্বোচ্চ গ্রাহকসেবার নিশ্চয়তা দেন তিনি।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরমান আর চৌধুরী বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে হালালভাবে ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সম্ভব। দেশের ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা এরই মধ্যে তা প্রমাণে সফল হয়েছে। সর্বাধুনিক সকল ব্যাংকিং পরিষেবা নিয়ে আল-আরাফাহ্ ব্যাংক এই এলাকার উন্নয়নে সহযোগী হবে।’

শেয়ার করুন

ফেনীর সোনাগাজীতে বেসিক ব্যাংকের উপশাখা

ফেনীর সোনাগাজীতে বেসিক ব্যাংকের উপশাখা

ব্যাংকের সেবার পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উপশাখাটি খোলা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

ফেনীর সোনাগাজীতে উপশাখা খুলেছে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বেসিক ব্যাংক লিমিটেড। এটি ব্যাংকের ১৩তম উপশাখা।

বৃহস্পতিবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবুল হাশেম উপশাখাটির উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের সেবার পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উপশাখাটি খোলা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিসুর রহমান, পরিচালক রাজীব পারভেজ, আবদুল খালেক খান, সোনাগাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এম জহিরুল হায়াত, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মফিজুল হক এবং সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সৈয়দ নাসির উদ্দীন বক্তব্য রাখেন।

অন্যদের মধ্যে ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আ. রহিম, মহাব্যবস্থাপক মো. ইছমাইল, আবুল কালাম আজাদ, ফেনী শাখার ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম, উপশাখার ব্যবস্থাপক মোরশেদ আলম উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সিপিডির আন্তর্জাতিক সম্মেলন

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সিপিডির আন্তর্জাতিক সম্মেলন

সোমবার ভার্চুয়ালি এই সম্মেলন শুরু হয়ে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে রোববার অনলাইনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে সিপিডি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

সোমবার ভার্চুয়ালি এই সম্মেলন শুরু হয়ে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে রোববার অনলাইনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে সিপিডি।

সম্মেলনে গত ৫০ বছরে রাজনীতি, অর্থনীতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক খাতে দেশের অর্জনের পাশাপাশি কোথায় কী ধরনের দুর্বলতা রয়েছে, তা তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে আগামী ৫০ বছরের করণীয় বিষয়েও পরামর্শ তুলে ধরবেন বিভিন্ন খাতের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা।

সম্মেলনের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড. রওনক জাহান বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫০ বছর বাংলাদেশের জন্য বিশেষ সময়। ইতিমধ্যে দেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আবার অনেক কিছু হওয়ার সুযোগ থাকলেও তা হয়নি। সামনের দিনগুলোয় অনেক সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ’এ জন্য এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনে অর্জন তুলে ধরা হবে। রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনীতি আরও এগোনোর জন্য কী করণীয় তাও তুলে ধরা হবে।’ অতীতে কোথায় ভুল হয়েছে এবং আগামীতে যাতে সুষ্ঠু পরিকল্পনা নেয়া যায়, সে বিষয়ে সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা তাদের মতামত দেবেন বলে জানান রওনক জাহান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সম্মেলনের শিরোনাম করা হয়েছে ’বাংলাদেশের ৫০ বছর: অতীতের দিকে দৃষ্টিপাত ও সম্ভাবনা।’ সম্মেলনের চার দিনে আটটি পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী পর্বের বাইরে সাতটি বিষয়ে আলাদা আলাদা আলোচনা হবে।

যেসব বিষয়ে আলোচনা হবে সেগুলো হলো- রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনীতি, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সামাজিক পরিবর্তন, সংস্কৃতি, উন্নয়ন ব্যয় ও চ্যালেঞ্জ এবং পরিবর্তনশীল বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশ। এসব পর্বে ১৯টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে। এতে বক্তব্য দেবেন বিভিন্ন খাতের দেশি-বিদেশি ৪৬ জন বিশেষজ্ঞ। এক হাজার লোক এতে অংশ নেবেন। সম্মেলনে উপস্থাপিত প্রবন্ধগুলোকে সম্পাদনা করে একটি প্রকাশনাও প্রকাশ করা হবে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, ’স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মতো সময় যে কোনো দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্য সেটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক খাতে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ’এ রকম পরিস্থিতিতে সিপিডি চাচ্ছে আগামী ৫০ বছরে দেশের লক্ষ্যগুলো কেমন হওয়া উচিত, কীভাবে সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো যাবে সে বিষয়ে ধারণা দিতে।’

সিপিডির বোর্ড ট্রাস্টিজের সদস্য সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইদুজ্জামান, সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এ সময় অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রকল্প ঋণ চান অর্থমন্ত্রী

বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রকল্প ঋণ চান অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রচলিত নিয়মে প্রকল্পের বিপরীতে ঋণ দেয়ার কারণে অনেক সময় দেখা যায় প্রকল্প প্রস্তুত থাকে না। সেগুলো প্রস্তুত করতে অনেক কালক্ষেপণ হয়।’

উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাজেট সহায়তার আওতায় প্রকল্পে ঋণ দেয়ার জন্য বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। একই সঙ্গে বাজেট সহায়তা হিসেবে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত ৫০ কোটি ডলার দ্রুত ছাড়ের কথাও বলেন তিনি।

রোববার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠকে এ অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রী।

বৈঠকে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন অর্থমন্ত্রী। এ সময় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মিজ ফাতিমা ইয়াসমিনসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিতি ছিলেন। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংস্থার দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শেফার।

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিজ মার্সি মিয়াং টেম্বন, বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) মিজ যৌবিদা খেরুস আলাউয়া প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রচলিত নিয়মে প্রকল্পের বিপরীতে ঋণ দেয়ার কারণে অনেক সময় দেখা যায় প্রকল্প প্রস্তুত থাকে না। সেগুলো প্রস্তুত করতে অনেক কালক্ষেপণ হয়।’
এই মন্থর গতি থেকে উত্তরণের জন্য অর্থমন্ত্রী বিশ্বব্যাংককে অনুরোধ করেন যাতে বাজেট সাপোর্ট আকারে প্রকল্প ঋণ দেয়া হয়।

তিনি জানান, এটা করা হলে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেসব প্রকল্প প্রস্তুত আছে সেসব প্রকল্পের জন্য অর্থ ছাড় করা সম্ভব হবে এবং প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত হবে।

ইআরডির কর্মকর্তারা বলেন, বিশ্বব্যাংক বাজেট সহায়তার আওতায় এবং প্রকল্পের বিপরীতে ঋণ দিয়ে থাকে বাংলাদেশকে। প্রকল্পে ঋণ পেতে নানা জটিলতা ও শর্ত থাকে। যে কারণে অর্থছাড়ে দেরি হয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন ধীরগতি হয়। অন্যদিকে বাজেট সাপোর্ট বা সহায়তার ঋণের শর্ত সহজ থাকে এবং দ্রুত টাকা ছাড় হয়। এই টাকা সরকার প্রকল্প বাস্তবায়নসহ যেকানো খাতে ব্যয় করতে পারে।

করোনা মহামারির কারণে দেশের ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমবাজার, আর্থিক ও সামাজিক খাত সচল রাখার লক্ষ্যে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে বিশ্বব্যাংকের ‘প্রোগামেটিক রিকভারি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ডেভলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট’- প্রকল্পের আওতায় ৫০ কোটি ডলার সমপরিমাণ ৪ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বাজেট সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থাটি। এই টাকা দ্রুত ছাড় করণের জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদের অনুরোধ জানান অর্থমন্ত্রী।

বিশ্বব্যাংক উল্লিখিত প্রকল্পের অগ্রগতি জানতে চায়। জবাবে অর্থসচিব আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, শর্তাবলির অধিকাংশই ইতোমধ্যে পূরণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট শর্তাবলিও সহসাই পূরণ করা সম্ভব হবে।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির গতিধারা তুলে ধরেন। বলেন, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ভিত যথেষ্ট মজবুত রয়েছে।

মুস্তফা কামাল আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে কোভিড-১৯ মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি। এর জন্য সবচেয়ে বড় কৃতিত্বের দাবিদার দেশের সাধারণ মানুষ, যারা অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে।’

বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শ্যেফার কোভিড-১৯ থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো করছে এবং কোভিড মোকাবিলা করে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও চলমান অনেক প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।’ পাইপ লাইনে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ বিদেশি ঋণ দ্রুত ছাড় করার জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদের অনুরোধ জানান তিনি।

শেয়ার করুন

জেসিআই ঢাকা ইস্টের সভাপতি তাহসিন আজিম

জেসিআই ঢাকা ইস্টের সভাপতি তাহসিন আজিম

নতুন কমিটির নির্বাহী সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিনহাজ আহমেদ। সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন সালমা আক্তার হীরা, সাজ্জাদ উন নেওয়াজ রাফি ও মারুফ হোসেন।

জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) ঢাকা ইস্টের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তাহসিন আজিম শেজান।

শনিবার রাজধানীর গুলশান ক্লাবে জেসিআই ঢাকা ইস্টের চতুর্থ সাধারণ সভা ও সাধারণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শেজানের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের জেসিআই ঢাকা ইস্টের নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয় এবং নতুন কমিটিকে শপথ পাঠ করানো হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেসিআই ক্রীড, মিশন ও ভিশন‌ উপস্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয় সভা। জেসিআই ঢাকা ইস্টের এ পর্যন্ত সম্পন্ন কার্যক্রমের বিবরণ‌, খরচের হিসাব এবং পরবর্তী প্রজেক্ট ও কার্যক্রম সম্পর্কে সদস্যদের অভিহিত করা হয় সভায়।

নতুন কমিটির নির্বাহী সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মিনহাজ আহমেদ। সহসভাপতির দায়িত্বে থাকবেন সালমা আক্তার হীরা, সাজ্জাদ উন নেওয়াজ রাফি ও মারুফ হোসেন।

নুজহাতুল কাওনাইন জিএলসি এবং শাহমিনা ইশা মান্নান কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নাহিদা হক, মোহাম্মদ আলামিন, শামীমা নাসরিন শম্পা এবং কাজী শাহ মুজাক্কের আহমেদুল।

প্রশিক্ষণ কমিশনার হিসেবে নতুন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন সানামা ফয়েজ।

সাবেক সভাপতি এজাজ মোহাম্মদ এবং মহাসচিব তানজিনা তুলি নতুন কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন।

সভায় জেসিআই বাংলাদেশের জাতীয় বোর্ডের নির্বাহী সহসভাপতি ইসমত জাহান লিসা ও এরফান হক, জাতীয় মহাসচিব রুমানা চৌধুরী, জাতীয় সহসভাপতি মাহমুদ উন নবী ও আবদুল্লাহ সাফি, জাতীয় প্রশিক্ষণ কমিশনার সৈয়দ মোসায়েব আলম, জাতীয় পরিচালক ওয়াসিফ ওয়াহেদ, খাদিজা আক্তার এবং কাজী ফাহাদ উপস্থিত ছিলেন।

জেসিআই হলো ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণ সক্রিয় নাগরিকদের একটি বিশ্বব্যাপী সদস্যপদভিত্তিক অলাভজনক সংগঠন। এই সংগঠনের সদস্যরা সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করে।

জেসিআই ঢাকা ইস্ট বাংলাদেশে জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনালের যে কয়টি শাখা আছে তার একটি।

শেয়ার করুন

২০২৬ সাল পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সেলিম হোসেন

২০২৬ সাল পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি সেলিম হোসেন

সেলিম আর এফ হোসেন

সেলিম হোসেন বলেন, ‘পুনরায় নিয়োগ করে আমাকে সম্মানিত করার জন্য আমি ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বোর্ড অব ডিরেক্টসকে ধন্যবাদ জানাই। ব্র্যাক ব্যাংকের মেধাবী ও নিবেদিতপ্রাণ টিমের সাথে এ সমৃদ্ধির পথচলা অব্যাহত রাখার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত।’

সেলিম আর এফ হোসেন ২০২৬ সাল পর্যন্ত ব্র্যাক ব্যাংকের নেতৃত্ব দেবেন।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি এই ব্যাংকটি জানিয়েছে, ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও বোর্ড অব ডিরেক্টরস বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (এমডি অ্যান্ড সিইও) সেলিম আর এফ হোসেনকে একই পদে ২০২৬ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত পুনরায় নিয়োগ করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক তার এ পুনর্নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে।

এ পুনর্নিয়োগ নভেম্বর ২০২১ থেকে কার্যকর হয়েছে।

সেলিম হোসেন ২০১৫ সালের নভেম্বরে এমডি অ্যান্ড সিইও হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংকের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিন বছর করে দুই মেয়াদ (ছয় বছর) সম্পন্ন করেছেন। এই ছয় বছরে তিনি ব্র্যাক ব্যাংককে মধ্যম সারির ব্যাংক থেকে ব্যাংকিং খাতের শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে নিয়ে গেছেন। ব্র্যাকটিকে বাংলাদেশের আর্থিক খাতে অগ্রগামী প্রতিষ্ঠান হিসেবে দৃঢ় ও মজবুত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন ও সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের শেয়ারহোল্ডিং এবং আন্তর্জাতিক ক্রেডিট রেটিং সংস্থা- এসঅ্যান্ডপি ও মুডি’জ থেকে প্রাপ্ত দেশের সব ব্যাংক থেকে উৎকৃষ্ট ক্রেডিট রেটিং ব্র্যাক ব্যাংকের উচ্চমানের ব্যবস্থাপনা ও কর্মদক্ষতার প্রতিফলন বহন করে। প্রায় সব আর্থিক সূচক ও মানদণ্ডে ব্র্যাক ব্যাংক অন্য সব ব্যাংক থেকে এগিয়ে আছে। এছাড়াও সুশাসন ও মূল্যবোধ ভিত্তিক ব্যাংকিংয়ে একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

সেলিম হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ (মেজর ইন ফাইন্যান্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১০ সালে আইডিএলসিতে যোগদানের পূর্বে তিনি বাংলাদেশের দুটি বৃহত্তম বহুজাতিক ব্যাংক এএনজেড গ্রিন্ডলেইজ ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ২৪ বছর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালে ব্র্যাক ব্যাংক এ যোগদানের পূর্বে তিনি ছয় বছর আইডিএলসির নেতৃত্ব দেন।

পুনর্নিয়োগ সম্পর্কে সেলিম হোসেন বলেন, ‘পুনরায় নিয়োগ করে আমাকে সম্মানিত করার জন্য আমি ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বোর্ড অব ডিরেক্টসকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। ব্র্যাক ব্যাংকের মেধাবী ও নিবেদিতপ্রাণ টিমের সাথে এ সমৃদ্ধির পথচলা অব্যাহত রাখার সুযোগ পেয়ে আমি আনন্দিত।’

‘সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ব্র্যাক ব্যাংককে মার্কেট শেয়ারে সুউচ্চতর স্থানে নিয়ে যেতে সংকল্পবদ্ধ। একই সাথে আমাদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান স্যার ফজলে হাসান আবেদ, কেসিএমজি এর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও মূল্যবোধ ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রমের লালিত স্বপ্ন ধারণ ও পালন করে এগিয়ে নিতে যেতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ আমরা।’

শেয়ার করুন