বিস্ফোরণে জ্বলছে কেমিক্যাল, পোশাক কারখানা

বিস্ফোরণে জ্বলছে কেমিক্যাল, পোশাক কারখানা

কারখানার শ্রমিক ও স্থানীয়রা জানান, কেমিক্যাল কারখানার গোডাউনে ১০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হঠাৎ গোডাউনের একটি কেমিক্যালের ড্রাম বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের আগুন পাশের লাইফ টেক্সটাইল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানার দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় ছড়িয়ে পড়ে। ওই পোশাক কারখানায় প্রায় ১ হাজার শ্রমিক কাজ করছিলেন।

গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে বিসিক এলাকায় আগুনে পুড়ছে একটি কেমিক্যাল ও পোশাক কারখানা।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ডিবিএল, জয়দেবপুর ও কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ডাইসিন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের গোডাউনে প্রথমে কেমিক্যালের ড্রাম বিস্ফোরিত হয়। সেখান থেকে লাগা আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের লাইফ টেক্সটাইল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানায়। তবে এখন পর্যন্ত আগুনে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ও জয়দেবপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা তাশারুফ হোসেন বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

কারখানার শ্রমিক ও স্থানীয়রা জানান, কেমিক্যাল কারখানার গোডাউনে ১০ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হঠাৎ গোডাউনের একটি কেমিক্যালের ড্রাম বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের আগুন পাশের লাইফ টেক্সটাইল প্রাইভেট লিমিটেড কারখানার দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় ছড়িয়ে পড়ে। ওই পোশাক কারখানায় প্রায় ১ হাজার শ্রমিক কাজ করছিলেন।

কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক বলেন, ‘আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত আগুনে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।’

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা
হাটহাজারীতে আগুনে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৫
চট্টগ্রামে রাসায়নিক গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চট্টগ্রামে পুড়ছে রাসায়নিক গুদাম
চকবাজারে প্লাস্টিকের গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জাবিতে ভর্তি হতে ৪ লাখ টাকায় ‘চুক্তি’, সাক্ষাৎকারের সময় ধরা

জাবিতে ভর্তি হতে ৪ লাখ টাকায় ‘চুক্তি’, সাক্ষাৎকারের সময় ধরা

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে কামালকে আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার জালিয়াতি করে ভর্তি হতে আসা এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদে সাক্ষাৎকার দিতে আসা ওই শিক্ষার্থীকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আটক শিক্ষার্থীর নাম মোস্তফা কামাল উৎস। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার উত্তর তারুটিয়া গ্রামে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়ে কামালকে আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে কামাল জানিয়েছেন, তার দুই বন্ধু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মাধ্যমে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীম নামে দুজনের খোঁজ পান।

তিনি আরও জানান, দুই বন্ধুর মাধ্যমে পরে মেহেদী ও শামীমের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তাদের সঙ্গে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে জাবিতে চান্স পাইয়ে দেয়ার চুক্তি হয় তার। পরে তার প্রবেশপত্র নিয়ে আরেকজন জাবির গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষায় তার মেধাক্রম আসে ৩০০। পরে চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা শোধ করেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পরে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া জালিয়াতি চক্রের বাকি সদস্যদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা
হাটহাজারীতে আগুনে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৫
চট্টগ্রামে রাসায়নিক গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চট্টগ্রামে পুড়ছে রাসায়নিক গুদাম
চকবাজারে প্লাস্টিকের গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণে যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণে যাবজ্জীবন

ঝিনাইগাতীর পাইকুড়া গ্রামের ওই স্কুলছাত্রীকে ২০১৫ সালের ২০ মে সন্ধ্যায় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় আসামিরা। বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে শফিকুল। ওই কিশোরীর বাবা পাঁচদিন পর থানায় মামলা করেন। প্রায় দুইমাস পর কিশোরীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের ও ধর্ষণের দায়ে এক আসামিকে যাবজ্জীবন ও এ কাজে সহযোগিতা করায় আরেক আসামিকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান মঙ্গলবার বিকেলে এই রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন ঝিনাইগাতীর কালিনগর গ্রামের শফিকুল ইসলাম। তাকে সহযোগিতা করায় ১৪ বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন হাসলিগাও গ্রামের ছানা মিয়া।

ঝিনাইগাতীর পাইকুড়া গ্রামের ওই স্কুলছাত্রীকে ২০১৫ সালের ২০ মে সন্ধ্যায় রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় আসামিরা। বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করে শফিকুল।

ওই কিশোরীর বাবা পাঁচদিন পর থানায় মামলা করেন। প্রায় দুইমাস পর কিশোরীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া বুলু নিউজবাংলাকে জানান, ১১ জনের সাক্ষ্য নিয়ে বিচারক এই রায় দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা
হাটহাজারীতে আগুনে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৫
চট্টগ্রামে রাসায়নিক গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চট্টগ্রামে পুড়ছে রাসায়নিক গুদাম
চকবাজারে প্লাস্টিকের গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

খালেদাকে লন্ডনে নিয়ে অপরাজনীতির প্ল্যাটফর্ম খোলা হবে: মেয়র লিটন

খালেদাকে লন্ডনে নিয়ে অপরাজনীতির 
প্ল্যাটফর্ম খোলা হবে: মেয়র লিটন

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতাশেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। ছবি: নিউজবাংলা

মেয়র লিটন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক জিয়া অজস্র অপকর্মের নায়ক। হত্যা, খুনসহ বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি এখন লন্ডনে আছেন। তিনি তার মাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে আরেকটি অপরাজনীতির প্লাটফর্ম যে খুলবেন না সেটা বলা যায় না। তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা পানি ঘোলা করার একটি অপচেষ্টা।’

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে অপরাজনীতির আরেকটি প্ল্যাটফর্ম খোলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

মেয়র লিটন বলেন, ‘খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ সন্তান তারেক জিয়া অজস্র অপকর্মের নায়ক। হত্যা, খুনসহ বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি এখন লন্ডনে আছেন।

‘তিনি তার মাকে লন্ডনে নিয়ে গিয়ে আরেকটি অপরাজনীতির প্ল্যাটফর্ম যে খুলবেন না সেটা বলা যায় না। তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা পানি ঘোলা করার একটি অপচেষ্টা।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে যখন দৃশ্যমান উন্নয়ন চলছে, তখন একটি মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের জন্য খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতি করে দেশের মানুষকে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। সেই কারণে একসঙ্গে থেকে প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

দলের সদস্যদেরই বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে বিরোধিতা করার বিষয়ে লিটন বলেন, ‘দু-একটি জায়গায় এমন ঘটনা ঘটছে। সে বিষয়ে আমাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। আমরা দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় রয়েছি। দেশের কল্যাণে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী।

‘তিনি দলের দিকে নজর রাখলেও ফাঁক-ফোকর দিয়ে কোনো ব্যক্তি যারা অন্য চেতনায় বিশ্বাসী তারা যে দলে চলে আসেনি তা বলা যাবে না।’

এর আগে ফুল ‍দিয়ে বঙ্গবন্ধু সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। পরে বঙ্গবন্ধু ও পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

ওই সময় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, প্যানেল মেয়র সরিফুল ইসলাম বাবুসহ জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা
হাটহাজারীতে আগুনে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৫
চট্টগ্রামে রাসায়নিক গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চট্টগ্রামে পুড়ছে রাসায়নিক গুদাম
চকবাজারে প্লাস্টিকের গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

‘ঘর থেকে তুলে নিয়ে’ গৃহবধূকে মারধর

‘ঘর থেকে তুলে নিয়ে’ গৃহবধূকে মারধর

রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার ওই নারী লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ছবি: নিউজবাংলা

ওই নারীর স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে তার স্বামী মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। ওই নারী দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন তার চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে। তাকে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে মারধর করা হয়। 

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে এক নারীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

উপজেলার চরলরেন্স ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওই বাড়ি থেকে বুধবার সকালে উদ্ধার করা হয় ওই নারীকে।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

ওই নারীর অভিযোগ, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে বাড়ির পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে মারধর করেছেন।

ওই নারীর স্বজনরা জানান, মঙ্গলবার মধ্যরাতে তার স্বামী মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। ওই নারী দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন তার চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে। তাকে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে মারধর করা হয়।

ওই গৃহবধূ জানান, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীই এ হামলার পরিকল্পনা করেছেন। হামলাকারীরা চলে গেলে ক্ষেত থেকে বের হয়ে তিনি প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল খালেক সেখানে যান। তিনিই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ওই নারীকে হাসপাতালে পাঠায়।

ওই নারীর স্বামী জসিম উদ্দিন জানান, রাতে তিনি বাড়ি ফেরেননি। তার স্ত্রীর কাছে কোনো মোবাইল ফোনও নেই। তিনি এ ঘটনায় জড়িত নন।

কমলনগর থানার ওসি মোসলেহ উদ্দিন জানান, ওই গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন আছে। থানায় অভিযোগ করা হলে তারা আইনি ব্যবস্থা নেবেন।

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা
হাটহাজারীতে আগুনে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৫
চট্টগ্রামে রাসায়নিক গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চট্টগ্রামে পুড়ছে রাসায়নিক গুদাম
চকবাজারে প্লাস্টিকের গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

এনজিও কর্মকর্তা হত্যা: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনে ৪

এনজিও কর্মকর্তা হত্যা: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনে ৪

মানিকগঞ্জে এনজিও পরিচালককে হত্যায় যাবজ্জীবন পাওয়া আসামিরা আদালতে। ছবি: নিউজবাংলা

এনজিওর ফান্ডে জমা হওয়া ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে ২০০৬ সালের ২১ মে শহিদুলকে গলাকেটে হত্যা করে শাহিন ও তার সহযোগীরা। আসামিদের মধ্যে দুজন গ্রেপ্তার আছেন।

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় একটি বেসরকারি সংস্থার পরিচালককে হত্যার ১৫ বছর পর এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মানিকগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক উৎপল ভট্টাচার্য্য বুধবার বিকালে এ রায় দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মথুর নাথ সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডের আসামি হলেন শাহিন আলম এবং যাবজ্জীবন পেয়েছেন সাহেদ মিয়া, রাজা মিয়া, আব্দুল কুদ্দুস ও বিষ্ণু সুইপার।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রহম আলী ও সেলিম মিয়া নামে দুজনকে খালাস দেয়া হয়েছে।

আসামিদের মধ্যে সাহেদ ও বিষ্ণু গ্রেপ্তার আছেন। অন্যরা পলাতক।

নিহত ব্যক্তির নাম মো. শহিদুল। তিনি ছিলেন প্রিয় বাংলা সমাজ উন্নয়ন সংস্থা নামে স্থানীয় একটি এনজিওর পরিচালক। তিনি ও আসামি শাহিন মিলেই এই এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন।

এনজিওর ফান্ডে জমা হওয়া ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতে ২০০৬ সালের ২১ মে শহিদুলকে গলাকেটে হত্যা করে শাহিন ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাটুরিয়া থানায় মামলা করে।

২০১৪ সালের ১০ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা সাটুরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল জলিল।

২৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া শেষে ১৫ বছর পর এই হত্যা মামলার রায় হয়।

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা
হাটহাজারীতে আগুনে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৫
চট্টগ্রামে রাসায়নিক গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চট্টগ্রামে পুড়ছে রাসায়নিক গুদাম
চকবাজারে প্লাস্টিকের গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

বিজিবি সদস্য হত্যা একটি ‌দুর্ঘটনা: মহাপরিচালক

বিজিবি সদস্য হত্যা একটি ‌দুর্ঘটনা: মহাপরিচালক

বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘এটিকে (সহিংসতা) ঘটনা না বলে; আমি দুর্ঘটনাই বলব। যারা ওই কেন্দ্রে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে; আর যারা ঘটনার পেছনে ছিলেন- তাদের কয়েকজনকে অলরেডি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও পুলিশ দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকালে বিজিবি সদস্য রুবেল হোসেন নিহতের ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনা’ দাবি করে বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘ঘটনাটি মর্মান্তিক।’

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক বুধবার দুপুরে রুবেল হোসেনের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এটিকে (সহিংসতা) ঘটনা না বলে; আমি দুর্ঘটনাই বলব। যারা ওই কেন্দ্রে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে; আর যারা ঘটনার পেছনে ছিলেন- তাদের কয়েকজনকে অলরেডি গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও পুলিশ দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রুবেলের পরিবারের জন্য সরকার ও বাহিনীর পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। এ ছাড়া আজকে বিজিবির তরফ থেকে ওদেরকে (রুবেলের পরিবার) কিছু অর্থ দিয়ে গেলাম। ভবিষ্যতে আরও সহযোগিতা করাসহ তাদের একটি থাকার ঘর করে দেয়া হবে।’

এর আগে বিজিবি মহাপরিচালক ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে বগুড়ার সোনাতলায় অবতরণ করেন। পরে বাহিনীটির গাড়িতে করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের বেইগুনি গ্রামে রুবেল হোসেনের বাড়িতে যান।

প্রথমে রুবেলের কবর জিয়ারত করেন। পরে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা ও তাদের খোঁজ খবর নেন।

এ সময় বিজিবি মহাপরিচালক রুবেলের স্ত্রী জেসমিন বেগমের হাতে পাঁচ লাখ টাকার অনুদানের চেক ও বাবা নজরুল ইসলামকে তিন লাখ টাকার চেক দেন।

২০০৩ সালের ডিসেম্বরের বিজিবিতে যোগ দেন রুবেল হোসেন। তিনি নীলফামারী ৫৬ বিজিবির ল্যান্স নায়েক হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

গত ২৮ নভেম্বর নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের গাড়ামারা ইউপি নির্বাচনের ফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে পরাজিত এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের হামলায় নিহত হন তিনি। এ ঘটনায় কেন্দ্রটির প্রিসাইডিং অফিসার একটি মামলা করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা
হাটহাজারীতে আগুনে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৫
চট্টগ্রামে রাসায়নিক গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চট্টগ্রামে পুড়ছে রাসায়নিক গুদাম
চকবাজারে প্লাস্টিকের গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন

পীরগঞ্জে নিরাপরাধ কাউকে হয়রানি নয়: পুলিশ

পীরগঞ্জে নিরাপরাধ কাউকে হয়রানি নয়: পুলিশ

অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মিজান বলেন, ‘তদন্ত করে কেবল দোষীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা বলা হলেও আমরা চেষ্টা করছি আগে দেয়ার।’

ঠাকুরগাঁয়ের পীরগঞ্জে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় নিরাপরাধ কাউকে হয়রানি করা হবে না বলে জানিয়েছেন রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মিজান শাফিউর রহমান।

উপজেলার ঘিডোব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এই কেন্দ্রে গত রোববার ভোটের পর অবরুদ্ধ করা হয় তিন পুলিশ ও ১৫-১৬ জন আনসার সদস্যকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও দুই প্লাটুন বিজিবি সেখানে যায়। এলাকাবাসী তাদের ওপর হামলা চালায়। বিজিবি পরে গুলি চালালে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে মৃত্যু হয় তিনজনের।

এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় প্রায় ৫০০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে ওই গ্রাম এখন পুরুষশূন্য।

অতিরিক্ত ডিআইজি শাহ মিজান বলেন, ‘তদন্ত করে কেবল দোষীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা বলা হলেও আমরা চেষ্টা করছি আগে দেয়ার।’

এ সময় তদন্ত কমিটির সদস্য রংপুর রেঞ্জের পুলিশ সুপার খন্দকার খালিদ বিন নূর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পীরগঞ্জ সার্কেল) আহসান হাবিবসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আগুনে পুড়ছে পোশাক কারখানা
হাটহাজারীতে আগুনে শিশুর মৃত্যু, দগ্ধ আরও ৫
চট্টগ্রামে রাসায়নিক গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে
চট্টগ্রামে পুড়ছে রাসায়নিক গুদাম
চকবাজারে প্লাস্টিকের গুদামের আগুন নিয়ন্ত্রণে

শেয়ার করুন