পল্টনে সংঘর্ষের মামলায় ২০ জনের জামিন

পল্টনে সংঘর্ষের মামলায় ২০ জনের জামিন

রাজধানীর নয়াপল্টনে ২৬ অক্টোবর পুলিশের সঙ্গে বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ২৬ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সেখানে বিএনপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থল থেকে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আটক হন। পল্টন থানায় পরদিন বিএনপির ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পুলিশ।

রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা একটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ ২০ জন।

বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার তাদের জামিন দেয়।

আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল, তার সঙ্গে ছিলেন সৈয়দ নুরে আলম সিদ্দিকী।

আইনজীবী নুরে আলম সিদ্দিকী বলেন, 'দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনায় সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে ২৬ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। সেখানে বিএনপির নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত হলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থল থেকে অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আটক হন। পল্টন থানায় পরদিন বিএনপির ৯৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে পুলিশ।

'ওই মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত ২০ জনের জামিন মঞ্জুর করে।'

জামিন পাওয়া নেতাদের মধ্যে নিরব-টুকু ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের জুয়েল, ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতাদের অনেকে রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পুনম সিনেমা হলের পাশে আগুন নেভাতে ৭ ইউনিট

পুনম সিনেমা হলের পাশে আগুন নেভাতে ৭ ইউনিট

পুনম সিনেমা হলে পাশে এভাবেই আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। ছবি: নিউজবাংলা

ফায়ার সা‌র্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়, আগুনে এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষ‌তি তদন্ত সা‌পে‌ক্ষে জানা যাবে।

রাজধানীর রায়েরবাগ কদমতলীতে পুনম সিনেমা হলের পাশে একটি কয়েল ফ্যাক্টরিতে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এই মুহূর্তে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট।

শনিবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে এই সংবাদ পাওয়া গেছে।

প্রায় দেড় ঘন্টা পর রাত ৩টার দিকে ওই কয়েল ফ্যাক্টরির আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন ফায়ার সা‌র্ভিস কর্মীরা।

ফায়ার সা‌র্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে সংস্থাটির মিডিয়া কর্মকর্তা মো. রায়হান এ সব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, আগুনে এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষ‌তি তদন্ত সা‌পে‌ক্ষে জানা যাবে।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

শেয়ার করুন

ভাড়া চাওয়ায় বাড়ির মালিককে গলা কেটে হত্যা

ভাড়া চাওয়ায় বাড়ির মালিককে গলা কেটে হত্যা

প্রতীকী ছবি

নিহতের চাচাতো ভাই আল-আমিন বলেন, ‘মাত্র ২৭ দিন আগে বিয়ে করেছিল জহির। নতুন বউটা বিধবা হলো। পূর্ব বাসাবোর কদমতলায় তার বাসা।’

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় দুই বছর আগের বকেয়া বাড়ি ভাড়া চাওয়ায় জহির মুন্সি নামে এক যুবককে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ নাজমুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করছে সবুজবাগ থানা পুলিশ।

শুক্রবার রাত ১টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। পরে ভোরে ময়নাতদন্তের জন্য জহিরের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

জহিরের চাচাতো ভাই আল-আমিন জানান, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে জহিরকে ফোন করে পূর্ব বাসাবো হক সোসাইটির শেষ মাথায় খালপাড়ে নিয়ে যান নাজমুল। পরে সেখানে জহিরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়। খবর পেয়ে রাত দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে জহিরের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা।

তিনি আরও বলেন, দুই বছর আগে জহিরের বাসায় ভাড়া থাকতেন নাজমুল। পরে অন্যত্র চাকরি হলে তিনি বাসা ভাড়ার ৭ হাজার টাকা না দিয়ে চলে যান। তিন দিন আগে নাজমুলের সঙ্গে আবারও দেখা হয়ে গেলে পাওনা টাকা চান জহির। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটিও হয়। এর জের ধরেই জহিরকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কয়েকজন নামজমুলকে আটক করে পুলিশে দেয়। এ সময় নাজমুলের সঙ্গে থাকা তার বোন জামাই আলমগীর পালিয়ে যান।

আল-আমিন বলেন, ‘মাত্র ২৭ দিন আগে বিয়ে করেছিল জহির। নতুন বউটা বিধবা হলো। পূর্ব বাসাবোর কদমতলায় তার বাসা।’

সবুজবাগ থানার (উপপরিদর্শক) এসআই মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা রাতে খবর পেয়ে সবুজবাগ হক সোসাইটির শেষ মাথায় খালপাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় জহিরের মরদেহ দেখতে পাই। পরে সেখান থেকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ভোরের দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘নাজমুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার ভগ্নিপতি আলমগীরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জহিরের বাবা মকলেস মুন্সি বাদী হয়ে সবুজবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

শেয়ার করুন

২০২৭ সালের মধ্যে শতভাগ সুয়ারেজ নেটওয়ার্কে ঢাকা

২০২৭ সালের মধ্যে শতভাগ সুয়ারেজ নেটওয়ার্কে ঢাকা

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান বলেন, ‘ঢাকায় বর্তমানে পানির চাহিদা মৌসুমভেদে দৈনিক ২১০ থেকে ২৬৫ কোটি লিটার। ওয়াসার উৎপাদন সক্ষমতা ২৭০ কোটি লিটার। গত কয়েক বছরে স্থানীয়ভাবে কিছু সমস্যা ও কারিগরি সমস্যা ছাড়া পানির ঘাটতি হয়নি।’

ঢাকার ৮০ শতাংশ এলাকায় এখনও পয়ঃবর্জ্যের নেটওয়ার্ক নেই উল্লেখ করে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান বলেন, এ সংস্থাটি ২০১৬ সাল থেকে সুয়ারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। পাঁচটি পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার করার কার্যক্রম চলছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ঢাকা শহরের শতভাগ এলাকা সুয়ারেজ নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে।

ঢাকা ওয়াসার চলমান কার্মকাণ্ড নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিয়ে শনিবার দুপুরে ঢাকা ওয়াসা কনফারেন্স সেন্টারে এসব কথা বলেন তাকসিম এ খান।

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার পরিচালক (উন্নয়ন) আবুল কাশেম, ব্যবস্থাপক (কমার্শিয়াল) উত্তম কুমার, ওয়াসার সচিব প্রকৌশলী শারমিন হক এবং ওয়াসা কর্মকর্তা এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার।

এ সময় দক্ষিণ এশিয়ার বড় শহরগুলোয় পানি সরবরাহকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে ঢাকা ওয়াসাকে ‘রোল মডেল’ হিসেবে দাবি করেন তাকসিম এ খান।

তিনি বলেন, ঢাকায় গত কয়েক বছরে মোটাদাগে পানির সমস্যা হয়নি। এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকসহ (এডিবি) আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ঢাকা ওয়াসাকে দক্ষিণ এশিয়ায় পানি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে নিয়েছে।

সভায় নিজের দীর্ঘ বক্তব্যে তাকসিম এ খান তার সময়কালে ঢাকা ওয়াসার উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘ঢাকা ওয়াসা তার ঘুরে দাঁড়াও রোডম্যাপ থেকে বিচ্যুত হয়নি, তবে বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে।’

২০২৭ সালের মধ্যে শতভাগ সুয়ারেজ নেটওয়ার্কে ঢাকা
ঢাকা ওয়াসা কনফারেন্স সেন্টারে বক্তব্য রাখছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খান। ছবি: নিউজবাংলা

তাকসিম এ খান বলেন, ঢাকায় বর্তমানে পানির চাহিদা মৌসুমভেদে দৈনিক ২১০ থেকে ২৬৫ কোটি লিটার। ওয়াসার উৎপাদন সক্ষমতা ২৭০ কোটি লিটার। গত কয়েক বছরে স্থানীয়ভাবে কিছু সমস্যা ও কারিগরি সমস্যা ছাড়া পানির ঘাটতি হয়নি। বর্তমানে ৩৪ শতাংশ পানি ভূগর্ভস্থ। ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়াতে নানা কার্যক্রম চলমান।

সম্প্রতি সমবায় অধিদপ্তরের অডিটে ঢাকা ওয়াসার কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী সমবায় সমিতির ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে – এমন প্রশ্নের উত্তরে ওয়াসার এমডি বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম চলছে। ওয়াসার প্রধান শৃঙ্খলা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

শেয়ার করুন

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে লাল কার্ড দেখিয়েছে নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে আন্দোলনে নামা শিক্ষার্থীরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘সড়কে দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুষ আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজ আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

সড়কে অব্যবস্থাপনার প্রতি লাল কার্ড দেখিয়েছে গণপরিবহনে হাফ পাস চালু, নিরাপদ সড়কসহ নানা দাবিতে রাজধানীর রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

রামপুরা ব্রিজের ওপর শনিবার দুপুর ১২টার পর পরই অবস্থান নেয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা লাল কার্ড উঁচিয়ে সড়ক ও পরিবহন খাতের লুটপাট আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, ‘সড়কে দুর্ঘটনায় পুরো সিস্টেম জড়িত। এই সিস্টেমে ঘুষ আছে, লুটপাট আছে। এর সঙ্গে জড়িত সরকারি-বেসরকারি লোক। এই লুটপাট ও দুর্নীতিকে আজ আমরা লাল কার্ড দেখাচ্ছি।’

এ সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা নিজেদের ‘রেফারি’ দাবি করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর কথা জানায়।

সোহাগী বলেন, ‘যখন ফুটবল খেলা হয়, খেলোয়াড়রা ভুল করলে লাল কার্ড দেখায়। আমরা সেই রেফারিদের ভূমিকা পালন করতে যাচ্ছি। আমরা দেখাতে চাই, বাংলার মাটিতে দুর্নীতি হচ্ছে, যে মাটিতে ছাত্রসমাজ বড় বড় আন্দোলন করেছে। আজ আবার ২০২১ সালে আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় দাঁড়িয়েছি।’

আন্দোলনকারী সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌসকে নিয়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ছাত্রী নয় বলে দাবি করা হয়েছে। বলা হয়েছে, সোহাগী একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী।

সোহাগী ইস্যুতে কথা বলেছেন খোদ সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার দাবি, রামপুরায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পেছনে একটি রাজনৈতিক দলের ইন্ধন আছে।

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে শনিবার সকালে সড়ক নিরাপত্তা ও গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সড়ক নিরাপত্তামূলক রোড শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কাদের বলেন, ‘রাজনৈতিক দল থেকে শিক্ষার্থীদের উসকানি দেয়া হয়। সেটার প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। এর ভিডিও ফুটেজ আছে। এটা একটা রাজনৈতিক দলের মহানগরের মহিলা নেত্রী রামপুরায় রাস্তায় নেমে ছাত্র-ছাত্রীদের উসকানি দিচ্ছেন, স্কুলের ড্রেস পরে।

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড
সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌসের আইডি কার্ড। ছবি: নিউজবাংলা

মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন সোহাগী। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনেক সৌভাগ্য আমরা এত দিন ধরে আন্দোলন করছি, এই আন্দোলনকে বিব্রত করার জন্য তিনি মুখ খুলেছেন। তার যে এখানে নজর এসেছে, এ কারণে আমরা ধন্য।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে নিয়ে যে চর্চা চলছে, তার পুরোটা ‘অপপ্রচার’ বলে দাবি করেন সোহাগী।

তিনি বলেন, ‘আমি নাকি ছাত্রী না, আমি নাকি ৩০ বছরের একটি মহিলা। আমি নাকি স্কুল ড্রেস পরে শিক্ষার্থীদের উসকানি দিচ্ছি। প্রথমে বলতে চাই, আমাদের ছাত্ররা রোবট না। তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব চিন্তাভাবনা আছে। দ্বিতীয়ত, আমি ৩০ বছরের মহিলা নই। আমার কাছে আইডি কার্ড আছে। আমি যে একজন ছাত্রী তার সব প্রমাণ আমি এখানে হাজির করেছি।’

নিজের রাজনৈতিক অবস্থানও পরিষ্কার করেন আন্দোলনকারী এই শিক্ষার্থী। বলেন, ‘আমি বুক ফুলিয়ে বলছি, আমি ২০১৭ সাল থেকে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট করি। আমি ঢাকা মহানগরের দপ্তর সম্পাদক। প্রশ্ন এখানে না, আমি এ দেশের একজন নাগরিক। আমার সংগঠন করার অধিকার রয়েছে।’

সড়ক অব্যবস্থাপনাকে শিক্ষার্থীদের লাল কার্ড
ছাত্র অন্দোলনের মুখপাত্র হয়ে উঠেছেন সোহাগী। ছবি: নিউজবাংলা

‘প্রশ্ন হচ্ছে এটা যে, আমি কোনো রাজনৈতিক ইস্যু এখানে টেনে এনেছি কি না। আমি শুরু থেকেই এই আন্দোলনে যুক্ত। আমার কোনো স্লোগান, আমার কোনো বক্তব্যে কোনো রাজনৈতিক ইস্যু আনিনি, সেটা সবাই জানে।’

এ সময় সোগাহী নিজের পরিচয়পত্র তুলে ধরে বলেন, ‘আমি আমার আইডি কার্ড আপনাদের সামনে শো করছি। আমি খিলগাঁও মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পরিক্ষার্থী।’

বেলা ১টা ১০ মিনিটে অবস্থান তুলে নেয় আন্দোলনকারীরা।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

শেয়ার করুন

মাঠে আসেননি বাংলাদেশি পাকিস্তান সমর্থকরা

মাঠে আসেননি বাংলাদেশি পাকিস্তান সমর্থকরা

শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে বাংলাদেশি পাকিস্তানি সমর্থক প্রতিহতের ডাক দেয় ‘পাকিস্তানি দালাল রুখবে তারুণ্য’। ছবি: নিউজবাংলা

তবে পাকিস্তানের কোনো নাগরিক তার নিজ দেশের সমর্থনে মাঠে এলে কোনো ধরনের বাধা দেবেন না বলে জানিয়েছে ‘পাকিস্তানি দালাল রুখবে তারুণ্য’।

‘হোম অফ ক্রিকেট’ নামে পরিচিত শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-পাকিস্তান চলমান সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে দেখা যায়নি কোনো বাংলাদেশি পাকিস্তানি সমর্থককে।

এদিন বাংলাদেশের কেউ পাকিস্তানি পতাকা নিয়ে এলে বা জার্সি পরলে প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছিল ‘পাকিস্তানি দালাল রুখবে তারুণ্য’ নামের একটি সংগঠন। এর আগেও তারা ঢাকায় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে অবস্থান নিয়েছিল।

সংগঠনটির আহ্বায়ক হামজা রহমান অন্তরের নেতৃত্বে শনিবার সকাল ১০টা থেকে জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে অবস্থান নেয় তারা। ব্যানার হাতে অবস্থান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নারকীয় গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়।

হামজা রহমান অন্তর জানান, তারা বিকেল ৫টা পর্যন্ত মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অবস্থান নিয়ে পাকিস্তানি জার্সি ও পতাকাবাহীদের প্রতিহত করবেন।

অন্তর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ও প্রথম টেস্টে সফল কর্মসূচির পর আজ মিরপুর মাঠে একজন বাংলাদেশি পাকিস্তান সমর্থকও পাকিস্তানের জার্সি-পতাকা নিয়ে আসেনি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, মহান বিজয়ের মাসে এটি একটি অর্জন। যেহেতু আমাদের বার্তাটা তাদের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি।’

তাদের আহ্বানে সাড়া দেয়ায় সবার প্রতি শুভেচ্ছাও জানিয়েছে তারা।

তবে পাকিস্তানের কোনো নাগরিক তার নিজ দেশের সমর্থনে মাঠে আসলে কোনো ধরনের বাধা দেবেন না বলে জানিয়েছে ‘পাকিস্তানি দালাল রুখবে তারুণ্য’।

অন্তর বলেন, ‘বাংলাদেশে এসে অবশ্যই তারা তাদের নিজ পতাকা, জার্সি পরতে পারে। আমরা শুধু বাংলাদেশের নাগরিকদের পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বনের নামে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধের বিপক্ষে।’

মাঠের চিত্র দেখে আপাতত কর্মসূচি স্থগিত করেছেন সংগঠনটি। তবে গ্যালারিতে নজর রাখবে তারা।

হামজা বলেন, ‘যদি পাকিস্তানের বাংলাদেশি সমর্থকদের আস্ফালন চোখে পড়ে তবে আমরা আবার মাঠে ফিরে আসব।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

শেয়ার করুন

রাজনীতিতে ‘অসুস্থ প্রতিযোগিতা’ চান না পরশ

রাজনীতিতে ‘অসুস্থ প্রতিযোগিতা’ চান না পরশ

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির ৮৩তম জন্মদিনে আলোচনা সভায় তার পুত্র শেখ ফজলে শামস পরশ। ছবি: নিউজবাংলা

শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘সাফল্য অর্জন করতে হবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। যোগ্যতা আর দক্ষতা থাকলে কাউকে ডিঙানোর প্রয়োজন হবে না। কাউকে ঘুষ দেয়া বা তদ্বির করার দরকার হবে না। কোন বড় ভাইয়েরও দরকার হবে না।’

রাজনীতিতে একে অপরকে ডিঙিয়ে ওপরে ওঠার ‘অসুস্থ প্রতিযোগিতা’ ছাড়তে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।

রাজধানীতে শনিবার সকালে এক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির ৮৩তম জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে শনিবার যুবলীগ আয়োজন করে আলোচনা সভার।
এতে শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, ‘সাফল্য অর্জন করতে হবে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। কাকে ডিঙিয়ে কোথায় উঠবো, এমন অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ করতে হবে। যোগ্যতা আর দক্ষতা থাকলে কাউকে ডিঙানোর প্রয়োজন হবে না।

‘যোগ্যতাই আপনাদের সাফল্যের দরজায় পৌঁছে দেবে। কাউকে ঘুষ দেয়া বা তদবির করার দরকার হবে না। কোনো বড় ভাইয়েরও দরকার হবে না।’

মানবিক, বিজ্ঞানভিত্তিক, অসাম্প্রদায়িক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা আগামী দিনে যুবলীগের লক্ষ্য বলে জানান পরশ।

পিতার আদর্শ স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘শেখ মণি যুবলীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে যুবসমাজকে সংগঠিত করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। স্বল্পন্নোত রাষ্ট্র থেকে আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে আমরা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের কাতারে। আমাদের চিহ্নিত করতে হবে আগামীর সংগ্রাম কী, প্রতিকূলতা কী।’

যুক্তিনির্ভর পরিবেশ তৈরি হলে সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন যেমন কমবে, তেমনি মানুষ কুসংস্কারমুক্ত হবে বলেও বিশ্বাস করেন পরশ।

তিনি বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক শক্তি আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। আমাদের এই সম্প্রীতির বাংলাদেশে আর ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করতে পারবে না, ধর্মীয় দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারবে না। বিজ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা তৈরি হলে মানুষকে আর ধোঁকা দেয়া সম্ভব না।’

প্রগতিশীল সমাজ ব্যবস্থায় ধর্মান্ধতার কোনো স্থান নেই জানিয়ে যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা শুধু একটা হাল ফ্যাশন দ্বারস্থ রাজনৈতিক বক্তব্য না, ধর্মনিরপেক্ষতা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। যার যার বিশ্বাস তার তার। বিশ্বাস কখনো চাপিয়ে দেয়া যায় না।’

পরশ বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত জোট এদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি চায় না। তারা আজ অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, কীভাবে ক্ষমতায় আসা যায়, কীভাবে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা রোধ করা যায়? তাদের উদ্দেশ্য, বাংলাদেশকে একটা পশ্চাদপদ, মৌলবাদী ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা।’

সরকারের নানা সহায়ক কর্মসূচী তুলে ধরে তিনি জানান, মানুষের কল্যাণে খাদ্য, শীতবস্ত্র বিতরণ ও টেলিমেডিসিন সেবার পাশাপাশি গৃহহীনদের আশ্রয়ণ কর্মসূচি অব্যাহত আছে। ৮ ডিসেম্বর এই কর্মসূচির তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সভায় শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী বলেন, ‘বিত্ত-বৈভবের জন্য রাজনীতি না। দেশের উন্নয়ন আর জনগণের জন্য রাজনীতি করতে হবে।’

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ‘খালেদার শরীরে বিষ প্রয়োগের যে অভিযোগ তুলছে বিএনপি নেতারা, সেটা হলে রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য তারা নিজেরা এ কাজ করেছেন।’

এর আগে শনিবার সকালে বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ ফজলুল হক মণিসহ ১৫ আগস্টে নিহতদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন যুবলীগের নেতা-কর্মীরা।

যুবলীগ প্রতিষ্ঠাতার জন্মদিনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, খাদ্য বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে যুবলীগ।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

শেয়ার করুন

রামপুরায় বাসে আগুন: আরও একজন গ্রেপ্তার

রামপুরায় বাসে আগুন: আরও একজন গ্রেপ্তার

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি। আজকে বিকেলে স্বপন রেজাকে গ্রেপ্তার করি। আর ঘটনার দিনই শহীদ ব্যাপারী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

রাজধানীর রামপুরায় বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহতের পর বাসে আগুন ও ভাঙচুরে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেলে রামপুরা থেকে স্বপন রেজা নামে ওই প্রাইভেটকার চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শহিদ ব্যাপারী নামে আরেকজনকে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তিনি পেশায় সবজি ব্যবসায়ী।

বাসে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় রামপুরা থানা পুলিশের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

একই ঘটনায় হাতিরঝিল থানায় পুলিশ আরেকটি মামলা করে। ওই মামলায় ঘটনার দিনই আরও এক কিশোরকে আটক করা হয়েছিল।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এ পর্যন্ত দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি। আজকে বিকেলে স্বপন রেজাকে গ্রেপ্তার করি। আর ঘটনার দিনই শহীদ ব্যাপারী নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘ঘটনার দিন করা ভিডিও, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। আরও যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

২৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় অনাবিল পরিবহনের বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় মাইনুদ্দিন নামের শিক্ষার্থীর।

মাইনুদ্দীন একরামুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ায় বাবার ব্যবসায় সহযোগিতা করছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রামপুরা বাজারে সোনালী ব্যাংকের সামনের রাস্তায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা অনাবিল পরিবহনের একাধিক বাসসহ অন্তত আটটি বাসে আগুন ও চারটি বাস ভাঙচুর করে। বিপুলসংখ্যক পুলিশ এসে রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় দুটি মামলা করেছে রামপুরা ও হাতিরঝিল থানা পুলিশ।

নাশকতার দুই মামলার মধ্যে রামপুরা থানারটিতে অজ্ঞাতনামা ৫০০ জনকে এবং হাতিরঝিল থানায় করা মামলায় অজ্ঞাতনামা ২৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিএনপির মিছিলে পুলিশের ‘লাঠিচার্জ’

শেয়ার করুন