× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The mayor announced to keep 500 people in the boat at the center
google_news print-icon

কেন্দ্রে নৌকার ৫০০ লোক রাখার ঘোষণা মেয়রের

কেন্দ্রে-নৌকার-৫০০-লোক-রাখার-ঘোষণা-মেয়রের
পৌর মেয়র আব্দুল গণি। ছবি: সংগৃহীত
সাভার পৌর মেয়র আব্দুল গণি বলেন, ‘ভোটের দিন সবাই কেন্দ্রে আসবেন। ভোট দেবেন। পৌরসভা থেকে রমজানের (সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর) নেতৃত্বে, ওকে আমি দায়িত্ব দিয়েছি। ও (রমজান) ৫০০ লোক নিয়ে থাকবে। আপনারা ভোট দেবেন।’

ঢাকার ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে ভোটকেন্দ্রে ৫০০ লোক রাখার ঘোষণা দিয়েছেন সাভার পৌরসভার মেয়র আব্দুল গণি।

ফেসবুকে মেয়রের এমন বক্তব্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অন্য প্রার্থীরা।

নির্বাচন কমিশন বলছে, এমনটা তিনি (মেয়র) করতে পারেন না। তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় কুল্লা ইউনিয়নের মামুরা গ্রামে নৌকার প্রার্থীর প্রচারণায় এমন বক্তব্য দেন মেয়র। এ সময় তিনি সাভার পৌর সভার ১ নম্বর কাউন্সিলর রমজান আলীকে এই নির্দেশ দেন।

ভিডিওতে মেয়র বলেন, ‘অনেকে আওয়ামী লীগ করে। আবার অনেকে আওয়ামী লীগ করে দলের সঙ্গে বেইমানি করে। এসব বেইমানের স্থান কোথায় হবে তা বুঝতে পারবেন নির্বাচনের পরে। যারা এতদিন, এই ১৫ বছর সুযোগ নিয়েছে আর এখন বেইমানি করছে, তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।

‘আমি কুল্লায় ঘুরছি, দেখছি কে কী করছে। আমি আমার পৌরসভা থেকে এই এলাকায় কিছু লোক সেটিং করছি। যাদের প্রতি সন্দেহ আছে, তাদের এক্টিভিটি দেখছি। এগুলা খুঁজে দেখব। ব্যবস্থা নেব।’

মেয়র আরও বলেন, ‘ভোটের দিন সবাই কেন্দ্রে আসবেন। ভোট দেবেন। পৌরসভা থেকে রমজানের (সাভার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর) নেতৃত্বে, ওকে আমি দায়িত্ব দিয়েছি। ও (রমজান) ৫০০ লোক নিয়ে থাকবে। আপনারা ভোট দেবেন।’

সঙ্গে সঙ্গে কাউন্সিলর রমজান আলীকে উঠে দাঁড়িয়ে মেয়রের কথায় সমর্থন দিতে দেখা গেছে।

মেয়রের এমন বক্তব্যে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কুল্লা ইউনিয়নের আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফর রহমান৷

তিনি বলেন, ‘এটি একটি উসকানিমূলক বক্তব্য। মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসন আছে তারাই দেখবে বিষয়টি। আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন হোক৷

‘একটা কেন্দ্রে যদি ৫০০ লোক বাইরে থেকে আসে, তাহলে সেই কেন্দ্রে অবস্থা কী হবে, চিন্তা করা যায়? মানুষ তো ভোটই দিতে যাবে না তাহলে৷ আমি বিষয়টি নিয়ে আতঙ্কিত। আমি নির্বাচন কর্মকর্তা ও পুলিশে কাছে অভিযোগ দেব।’

এ বিষয়ে জানতে সাভার পৌর মেয়র আব্দুল গণিকে ফোন দিলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি তো একটা মিটিংয়ে আছি।’

কাউন্সিলর রমজান আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

ঢাকা জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হুসাইন খান বলেন, 'এটা তিনি (মেয়র) করতে পারেন না। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।'

আরও পড়ুন:
ইউপি নির্বাচন: তিন বিভাগে ৪০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ভোটের মাঠে আরিফের অন্য রকম লড়াই
শরীয়তপুরের চিতলিয়ার নির্বাচন স্থগিত
নগরকান্দায় সুষ্ঠু ভোটের শঙ্কায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা
মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
4 killed in truck easybike collision in Jamalpur

জামালপুরে ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪

জামালপুরে ট্রাক-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪ জামালপুর-ময়মনসিংহ সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া ইজিবাইক। ছবি: নিউজবাংলা
জামালপুর সদর থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ জানান, শুক্রবার দুপুরে জামালপুর থেকে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে সদর উপজেলার ইটাইল থেকে শ্রীপুরগামী একটি ইজিবাইকের সংঘর্ষে ৯ জন গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে চারজন মারা যান। অন্যরা চিকিৎসাধীন।

জামালপুরে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালক ও তিন যাত্রীর প্রাণহানি ঘটেছে। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও পাঁচ যাত্রী।

শুক্রবার দুপুরে জামালপুর-ময়মনসিংহ সড়কের রানাগাছা উত্তরপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।

জামালপুর সদর থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ জানান, দুপুরে জামালপুর থেকে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে সদর উপজেলার ইটাইল থেকে শ্রীপুরগামী একটি ইজিবাইকের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ট্রাকচাপায় ইজিবাইক চালকসহ ৯ জন গুরুতর আহত হয়।

আহতদের উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক দু’জনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়।

নিহতরা হলেন- জামালপুর সদরের ইটাইল কান্দাপাড়া গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে সোলায়মান,

সদর আলীর ছেলে আব্দুল মজিদ, ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে শাহেদ আলী ও সোবহানের ছেলে ইজিবাইক চালক জয়নাল আবেদীন।

দুর্ঘটনার পর পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালক পালিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:
নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে আওয়ামী লীগ নেতাসহ নিহত ২
ডিভাইডারে উঠল শ্যামলীর বাস, ১৪ যাত্রী আহত
সিলেটে ১৫ প্রাণহানি: ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর
তেজগাঁওয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু
সিলেটে পিকআপে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ১৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
2 Awami League leaders killed by train in Narsingdi

নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে আওয়ামী লীগ নেতাসহ নিহত ২

নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে আওয়ামী লীগ নেতাসহ নিহত ২ প্রতীকী ছবি
শুক্রবার পৃথকভাবে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন ও আরশীনগর রেলক্রসিংয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নরসিংদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে আওয়ামী লীগ নেতাসহ দুজন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার পৃথকভাবে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন ও আরশীনগর রেলক্রসিংয়ে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, নিহতরা হলেন রায়পুরার চরমধুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ৬৫ বছর বয়সী নেছার আহমেদ এবং অজ্ঞাত এক কিশোর।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত সাড়ে ৩টার দিকে নরসিংদী রেল স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ঢাকাগামী নোয়াখালী এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠার সময় পা পিছলে পড়ে যায় অজ্ঞাত এক কিশোর। পরে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অপর দিকে সকাল ৭টার দিকে আরশীনগর রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ঢাকামুখী উপবন ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান নেছার আহমেদ।

খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম জানান, নিহত কিশোরের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
গরমে ‘জ্ঞান হারানো’ শ্রমিকের প্রাণ নিল ক্রেন
ডিভাইডারে উঠল শ্যামলীর বাস, ১৪ যাত্রী আহত
ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন চালু
সিলেটে ১৫ প্রাণহানি: ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর
তেজগাঁওয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
42 gold bars recovered and arrested in Jeevannagar

জীবননগরে ৪২টি স্বর্ণ বার উদ্ধার, আটক ৫

জীবননগরে ৪২টি স্বর্ণ বার উদ্ধার, আটক ৫ জীবননগর পৌর এলাকার বাজারপাড়ায় পুলিশের অভিযানে উদ্ধার স্বর্ণ বার ও অলঙ্কার। ছবি: নিউজবাংলা
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বৃহস্পতিবার দিনভর অভিযান চালায় বিজিবি ও পুলিশ। এসব অভিযানে ৪২টি স্বর্ণ বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত এই স্বর্ণের দাম আনুমানিক সাড়ে ৫ কোটি টাকা।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪২টি স্বর্ণের বার এবং অলঙ্কার উদ্ধার করেছে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি। এ সময় আটক করা হয়েছে ৫ চোরাকারবারিকে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জীবননগর উপজেলার পাতিলা গ্রাম, হাসাদহ বাসস্ট্যান্ড ও জীবননগর পৌর এলাকার বাজারপাড়ায় ওই পৃথক অভিযান চালানো হয়। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের ওজন প্রায় ৫ কেজি, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা।

জীবননগরে ৪২টি স্বর্ণ বার উদ্ধার, আটক ৫
জীবননগরের হাসাদহ বাসস্ট্যান্ডে অভিযানে উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ বার ও আটককৃতরা। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ ও বিজিবি জানায়, স্বর্ণ চোরাচালান চেষ্টার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে জীবননগর উপজেলার পাতিলা গ্রামে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে মোটরসাইকেলযোগে পালানোর চেষ্টা করে দুই ব্যক্তি। এ সময় মোটরসাইকেলের পেছনের আসনে বসা ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে পড়ে গেলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১৬টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। আটক সেলিম হোসেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা গ্রামের জাফর আলীর ছেলে।

অপরদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর পৌর এলাকার বাজারপাড়ায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায় এক চোরাকারবারি। পরে ওই মোটরসাইকেল তল্লাশি করে দেড় কেজি ওজনের ১২টি স্বর্ণের বার, একটি চেইন ও দুটি ব্রেসলেট উদ্ধার করা হয়।

এছাড়া স্বর্ণ চোরাচালানের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাসস্ট্যান্ডে অভিযান চালিয়ে একটি প্রাইভেটকারসহ চারজনকে আটক করা হয়। এ সময় প্রাইভেটকারটি তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয় ১৪টি স্বর্ণের বার। যার ওজন প্রায় আড়াই কেজি। আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ২৪ লাখ ৭৫ হাজার ৭৫১ টাকা।

জীবননগরে ৪২টি স্বর্ণ বার উদ্ধার, আটক ৫

আটককৃতরা হলেন- নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার জিহাদ মোল্লার ছেলে ওবাদুল মোল্লা, তমসুল মোল্লার ছেলে মাহাবুব হাসান, ইনসান কাজীর ছেলে রিয়াজ কাজী এবং একই জেলার নড়াগাতী উপজেলার থাশিয়ান গ্রামের ইয়ার আলীর ছেলে শেখ সোহেল রানা।

ঝিনাইদহ মহেশপুর-৫৮ বিজিবির পরিচালক লেফট্যানেন্ট কর্নেল মাসুদ পারভেজ রানা জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দিয়ে জীবননগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বারগুলো চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে এক দিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণ উদ্ধার
দরজার কব্জায় মিলল ১ কেজি স্বর্ণ, আটক যাত্রী
শার্শার পাঁচ ভুলাট সীমান্তে ১৪ স্বর্ণের বার উদ্ধার
স্বর্ণের দাম কিছুটা কমল
কোমরে লুকিয়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ যাচ্ছিল ভারতে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Few judges for 18 crore people Justice Naima Haider

১৮ কোটি মানুষের জন্য বিচারকের সংখ্যা কম: বিচারপতি নাইমা হায়দার

১৮ কোটি মানুষের জন্য বিচারকের সংখ্যা কম: বিচারপতি নাইমা হায়দার সিরাজগঞ্জ বিচার বিভাগের আয়োজনে শুক্রবার মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বিচারপতি নাইমা হায়দার। ছবি: নিউজবাংলা
বিচারপতি নাইমা হায়দার বলেন, ‘মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিচারক ও আইনজীবী উভয়ের ভূমিকা রয়েছে। মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।’

১৮ কোটি মানুষের জন্য দেশে বিচারকের সংখ্যা কম। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার এ কথা বলেছেন।

শুক্রবার সকালে সিরাজগঞ্জ বিচার বিভাগের আয়োজনে শহীদ সোহেল আহম্মেদ জগন্নাথ পাড়ে স্মৃতি সম্মেলনকক্ষে এক মতবিনিময় সভায় তিনি ওই কথা বলেন।

বিচারপতি নাইমা হায়দার বলেন, ‘নানা ধরনের জটিলতার কারণে বিচার দ্রুত সময়ে হয়ে থাকে না। এ ক্ষেত্রে বিচারকরা মূল ভূমিকায় নয়। অনেক মামলায় সাক্ষীর কারণে সময় পার হয়। মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিচারক ও আইনজীবী উভয়ের ভূমিকা রয়েছে। মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে।’

বক্তব্যে তিনি সিরাজগঞ্জ আদালতে মামলা দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি হচ্ছে জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ফজলে খোদা মো. নাজিরের সভাপতিত্বে ‘আদালতে বিচারাধীন মামলা বিশেষত পুরাতন দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাসমূহ অগ্রাধিকারভিত্তিক দ্রুত নিষ্পত্তি আইনি সহায়তা’ মতবিনিময় সভা হয়।

এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক নাসিরুল হক, ২-এর বিচারক সালমা খাতুন, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাশেদ তালুকদার, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আহসান হাবীব, সহকারী প্রসিকিউটর আব্দুর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি কায়সার আহমেদ লিটন।

এর আগে সিরাজগঞ্জ আদালত চত্বরে নির্মিত ন্যায়কুঞ্জ ভবনের উদ্বোধন করা হয়। পরে আদালত চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন বিচারপতি নাইমা হায়দার।

আরও পড়ুন:
বিচারিক ক্ষমতা হারালেন বগুড়ার সেই বিচারক
বিচারকের পা ধরলেন অভিভাবকরা, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিচারক বদলির আল্টিমেটামের সময় বাড়ালেন আইনজীবীরা
বিচারককে গালির ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি নারী বিচারকদের
বিচারকের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের বিচার আদালত করবে: আইনমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
3 injured in fire at Bangabandhu Colony in Barisal

বরিশালে বঙ্গবন্ধু কলোনিতে আগুন, আহত ৩

বরিশালে বঙ্গবন্ধু কলোনিতে আগুন, আহত ৩ শুক্রবার দুপুরে লাগা এ আগুনে ৪টি বসতঘর ভস্মীভূত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
সেলিম নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বৈদ্যুতিক মিটারে শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লাগে বলে জানালেও আগুন লাগার কারণ তদন্ত না করে বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক বেল্লাল উদ্দিন।

বরিশাল নগরীর বান্দরোডস্থ বঙ্গবন্ধু কলোনিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪টি বসতঘর পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে। সে সঙ্গে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪টি বসতঘর। এতে ৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে শেষে শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বৈদ্যুতিক গোলযোগেই আগুনের সূত্রপাত হয় বলে স্থানীয়দের ভাষ্য। তবে তদন্ত না করে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলতে পারছে না ফায়ার সার্ভিস।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু কলোনির মো. কালাম হাওলাদারের বসতঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও মুহুর্তের মধ্যে তা আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে বরিশাল সদর ও নৌ ফায়ারা স্টেশনের সদস্যরা এসে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভাতে সক্ষম হন তারা। তার আগেই কালাম হাওলাদারের বাড়ির পাশের মলি বেগম, নয়ন ফকিরসহ ৪ জনের বসতঘর পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এছাড়া আরও ৪টি ঘর আংশিক পুড়ে যায়।

বরিশালে বঙ্গবন্ধু কলোনিতে আগুন, আহত ৩

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. বেল্লাল উদ্দিন বলেন, ‘বরিশাল সদর নৌ ফায়ার স্টেশনের সঙ্গে আশপাশের বিভিন্ন ফায়ার স্টেশনের মোট ৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। তবে এর মধ্যে চারটি বসতঘর পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।’

তবে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছানোয় ক্ষতির পরিমাণ কম হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

এ ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আহতদের দ্রুত শের ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আরও বেশ কয়েকজনের গায়ে আগুনের তাপ লেগে অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সেলিম নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বৈদ্যুতিক মিটারে শর্টসার্কিটের কারণে আগুন লাগে বলে জানালেও আগুন লাগার কারণ তদন্ত না করে বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বেল্লাল উদ্দিন।

আরও পড়ুন:
চার্জার ফ্যান বিস্ফোরণে এক পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ
হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A fruit trader was woken up in the middle of the night and hacked to death

মধ্যরাতে ফল ব্যবসায়ীকে ঘুম থেকে উঠিয়ে কুপিয়ে হত্যা

মধ্যরাতে ফল ব্যবসায়ীকে ঘুম থেকে উঠিয়ে কুপিয়ে হত্যা
হাসপাতালে নেয়া হয়েছে মরদেহ। ছবি: সংগৃহীত
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, হত্যার প্রকৃত কারণ জানতে কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ঘর থেকে ডেকে নিয়ে এক ফল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ধান্যঘরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত ৪৫ বছর বয়সী বাবর আলী একই গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে। তিনি পেশায় ফল ব্যবসায়ী ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী মহিমা খাতুন বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অজ্ঞাত তিন ব্যক্তি আমার স্বামীকে বাড়িতে খুঁজতে আসেন। তিনি বাড়িতে না থাকায় তার মোবাইল নম্বর চান তারা। আমি মোবাইল নম্বর দিতে না পারায় চলে যান তারা।

তিনি বলেন, রাতে আমি ও আমার ছেলে ঘরের ভেতর ঘুমাচ্ছিলাম। আমার স্বামী বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাড়িতে এসে আমার স্বামীকে ডেকে উঠানে নিয়ে যান অজ্ঞাত সেই ব্যক্তিরা। এ সময় ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাকে কোপাতে থাকেন তারা।

মহিমা খাতুন বলেন, পরে আমার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে পালিয়ে যান তারা। তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আল ইমরান জুয়েল জানান, বাবর আলীর বাম কাঁধ ও গলায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, হত্যার প্রকৃত কারণ জানতে কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Waterlogging in Sylhet City is a major challenge

সিলেট সিটিতে জলাবদ্ধতা নিরসনই বড় চ্যালেঞ্জ

সিলেট সিটিতে জলাবদ্ধতা নিরসনই বড় চ্যালেঞ্জ সিলেট নগরীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মেয়র প্রার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সুশাসনের জন্য নাগরিক সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প নিয়েছে নিয়েছে সিটি করপোরেশন। এখানে বিপুল ব্যয় করা হয়েছে, কিন্তু নগরবাসী তেমন সুফল পায়নি। তাই আগামী দিনে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবেন, তাদের জন্য জলাবদ্ধতা নিরসন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।’

সিলেট নগরবাসীর দুর্ভোগের অপর নাম জলাবদ্ধতা। বৃষ্টি হলেই পানিতে তলিয়ে যায় নগরের রাস্তাঘাট। বাসাবাড়ি আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও ঢুকে পড়ে পানি। নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এ পর্যন্ত হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)। এরপরও জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাননি নগরবাসী।

এবার সিটি নির্বাচনের আগেও আলোচনায় নগরের জলবদ্ধতার বিষয়টি। এ সমস্যাটি সমাধানই নির্বাচিত মেয়র কাউন্সিলরদের বড় চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন বাসিন্দারা।

নির্বাচিত হলে জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা। এ ছাড়া নগরকে বন্যামুক্ত রাখতে শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ এবং সুরমা নদী খননেরও আশ্বাস দিয়েছেন তারা।

সিলেট নগরের জলাবদ্ধতা সমস্যা দীর্ঘদিনের, তবে একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলাবদ্ধতা অনেকটাই কমে আসে, কিন্তু গত বছরের জুনে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার পর থেকেই বৃষ্টি হলেই জলবদ্ধতা দেখা দিচ্ছে নগরে। সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে নগরের বেশির ভাগ এলাকা।

সুশাসনের জন্য নাগরিক সিলেটের সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প নিয়েছে নিয়েছে সিটি করপোরেশন। এখানে বিপুল ব্যয় করা হয়েছে, কিন্তু নগরবাসী তেমন সুফল পায়নি। তাই আগামী দিনে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবেন, তাদের জন্য জলাবদ্ধতা নিরসন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।’

ফারুক মাহমুদ বলেন, ‘নগরের ছড়া, খালগুলো অনেক দিন ধরেই বেদখল হয়ে আছে। প্রভাবশালীরা এগুলো দখল করে রেখেছেন। বেদখল হওয়া ছড়া-খালের পুরোটা উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব। এ ছাড়া যেগুলো এখনও দখল হয়নি, সেগুলোও ময়লা- আবর্জনা ফেলে ভরাট করা হচ্ছে।’

জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য নগরবাসীকে সচেতন করার পাশাপাশি প্রকল্প গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রস্তাব করেন ফারুক মাহমুদের।

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) সূত্রে জানা যায়, নগরে ছোট বড় মিলিয়ে ১১টি ছড়া প্রবাহমান। ছড়ার ১৬টি শাখা ছড়াও আছে। এসব ছড়া-খাল সুরমা নদীতে গিয়ে মিশেছে। ছড়া-খালগুলোর দৈর্ঘ্য প্রায় ১১০ কিলোমিটার। এর বাইরে নালা-নর্দমা আছে ৯৭০ কিলোমিটার। এতে প্রায় ৬৫০ কিলোমিটার পাকা ড্রেন আছে। ছড়া ও ড্রেন দখল এবং ভরাটের কারণেই জলাবদ্ধতা দেখা দেয় নগরে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল শাখা সূত্রে জানা যায়, নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ২০০৯ সালে ছড়া-খাল খনন ও রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণে ১১ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়। ২০১২ সালে ২৭টি ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন নির্মাণে ব্যয় করা হয় ৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

২০১৩ সালে আরিফুল হক চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর ওই বছরই জলাবদ্ধতা নিরসনে ২ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়। এরপর ২০১৪ সালে ৭৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা ও ২০১৫ সালে আরও ১১ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়। সব মিলিয়ে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে ২৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়।

সূত্রটি আরও জানায়, ২০১৯ সালে ‘সিলেট সিটি করপোরেশনের জলাবদ্ধতা নিরসন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও অবকাঠামো নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পে বরাদ্দ আসে ১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে ব্যয় করা হয় ২৬৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা, ২০২০-২১ অর্থবছরে ২৯৩ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, ২০২১-২২ অর্থবছরে ২৯৮ কোটি ৪৬ লাখ ৮৭ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়। প্রকল্পটির আওতায় অন্যান্য কাজের সঙ্গে ৩২৭ কিলোমিটার ড্রেন ও ৮ কিলোমিটার রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ করা হয়।

অপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণের কারণেই বিপুল অর্থ ব্যয় সত্ত্বেও নগরের জলাবদ্ধতা দূর সম্ভব সহয়নি দাবি করে সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান মেয়রকে সরকার প্রচুর বরাদ্দ দিয়েছে, কিন্তু তিনি তা কাজে লাগাতে পারেননি। অপরিকল্পিত প্রকল্প গ্রহণ করে কসমেটিকস উন্নয়ন করেছেন। প্রচুর লুটপাট হয়েছে। সে কারণে নগরবাসীর দুর্ভোগ কমেনি।’

আনোয়ারুজ্জামান বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে শুরুতেই জলাবদ্ধতা নিরসনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে প্রকল্প গ্রহণ করব। এ ছাড়া বন্যায় নগর যাতে বড় ক্ষতির শিকার না হয়, এ জন্য সুরমা নদী খনন ও শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে উদ্যোগ নেব।’

জাতীয় পার্টির মেয়র পদপ্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল বলেন, ‘গত চার মেয়াদে সিলেট সিটিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়রকে জনগণ দেখেছে। তারা কেউই জলাবদ্ধতামুক্ত নগর ওপর দিতে পারেননি। ফলে জনগণ মনে করে এই দলের পক্ষে নগরের জলাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব না। তাই জনগণ এবার পরিবর্তন চায়। আমি নির্বাচিত হলে জলাবদ্ধতা নিরসনে বাস্তবাতা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেব।’

দলীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে এবারের সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হননি বিএনপি নেতা ও বর্তমান সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘আমি গত ১৩ বছরে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করি। তার সুফল নগরবাসী পাচ্ছেন। এখন আর আগের মতো জলবদ্ধতা হয় না, তবে গত বন্যার পর ছড়া, খাল ও ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় কয়েক দিন জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছিল।’

আরিফ বলেন, ‘এ ছাড়া অতিবৃষ্টিতে নগরের আশপাশের টিলা ধসেও খালগুলো ভরাট হয়ে যায় এবং সুরমা নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় নগরের পানি নদীতে নামতে পারে না। এ জন্য জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এসব সমস্যার সমাধান কেবল সিটি করপোরেশনের দ্বারা সম্ভব নয়। সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও এ ব্যাপারে আন্তরিক হতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘গত বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটে বন্যাকবলিত এলাকা দেখতে এসেছিলেন। তখন বন্যা মোকাবিলায় তার কাছে সুরমা নদী খনন এবং শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি উত্থাপন করেছি। তিনি বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় দেখবেন বলে কথাও দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, এর কার্যকর উদ্যোগ নিশ্চয়ই নগরবাসী দেখতে পাবেন।’

এ প্রসঙ্গে লিডিং ইউনিভার্সিটির স্থাপত্য বিভাগের প্রধান স্থপতি রাজন দাশ বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নগরের ড্রেনগুলোর ব্যাপক সংস্কার হয়েছে, কিন্তু অনেক স্থানে দেখা যায় সড়ক থেকে ড্রেন উঁচু। ফলে সড়কের পানি ড্রেনে নামতে পারে না। তা ছাড়া সড়ক থেকে পানি ড্রেনে নামার পর্যাপ্ত ছিদ্রও নেই। আবার ড্রেন-ছড়াগুলোর মুখ আবর্জনায় বন্ধ হয়ে আছে। ফলে পানি নদীতে নামতে পারছে না।

‘বড় অঙ্কের প্রকল্প বাস্তায়নের পাশপাশি সেসব দিকও খেয়াল রাখতে হবে। নতুবা কোন সুফল মিলবে না।’

আরও পড়ুন:
স্মার্ট খুলনা গড়তে খালেকের ৪০ দফা ইশতেহার
সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় সিলেটে বিএনপির ৪৩ নেতা বহিষ্কার
লোডশেডিংয়ে খুলনায় ভোট কমার ভয় আ.লীগের
ভোটে ইসলামকে ব্যবহার করা উচিৎ নয়: ইসি হাবিব
নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে বহিষ্কৃত জাপার ভাইস চেয়ারম্যান

মন্তব্য

p
উপরে